কাউলুনজুড়ে যাত্রায় ৫৩ মিনিট সাশ্রয়ের পূর্বাভাস
হংকংয়ের সেন্ট্রাল কাউলুন বাইপাস ৬ ডিসেম্বর পুরোপুরি চালু হওয়ার কথা। এর মাধ্যমে রুট ৬ সম্পূর্ণ হবে এবং ব্যস্ত সময়ে চেউং কোয়ান ও শহরকেন্দ্র থেকে ইয়াউ মা তেই যেতে আনুমানিক সময় ৬৫ মিনিট থেকে কমে প্রায় ১২ মিনিট হবে।
সূচিপত্র
পরিবহন বিভাগ নতুন কাউলুন বে অংশ দিয়ে তিনটি বাস সার্ভিসের রুট পরিবর্তনের পরিকল্পনা করেছে: সিটিবাস ৭৯৫ যাবে ওয়েস্ট কাউলুনের দিকে, কেএমবি ২৯০ই যাবে সুন ওয়ানের দিকে এবং সিটিবাস এ২৮এক্স যাবে বিমানবন্দরের দিকে। প্রতিটি বাসই রুট ৬-এর পুরো করিডর ব্যবহার করবে। এতে চেউং কোয়ান ওর বাসিন্দারা কাউলুনের বিভিন্ন এলাকায় আরও সরাসরি যাতায়াতের সুযোগ পাবেন।
যাত্রায় আনুমানিক ৫৩ মিনিট সাশ্রয় হবে, যা রুট ৬ চালুর আগে যাত্রার সময়ের প্রায় ৮২ শতাংশ। তুলনার জন্য সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট ডিপার্টমেন্ট আগের যাত্রার সময় ব্যবহার করেছে। ১২ মিনিটের হিসাবটি চেউং কোয়ান ও শহরকেন্দ্র থেকে ইয়াউ মা তেই পর্যন্ত যাত্রার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য; আরও দূরে যাওয়া যাত্রীদের বাসস্টপে পৌঁছাতে এবং গন্তব্যে যেতে অতিরিক্ত সময় লাগবে।
পরিবহন ও লজিস্টিকস-বিষয়ক সচিব মেবল চ্যান আইন পরিষদের পরিবহন প্যানেলের এক বৈঠকে চালুর তারিখ ঘোষণা করেন। তিনি বলেন, সড়ক চালুর আগে কর্তৃপক্ষ সিস্টেম পরীক্ষা এবং অগ্নিনিরাপত্তা পরিদর্শন সম্পন্ন করছে।
সম্পূর্ণ করিডরটি যে সংযোগ তৈরি করবে, তা এভাবে তুলে ধরেন চ্যান:
চ্যান বলেন, "রুট ৬ পুরোপুরি চালু হলে ওয়েস্ট কাউলুন, ইস্ট কাউলুন ও চেউং কোয়ান ওকে যুক্ত করে একটি পরিবহন সংযোগ তৈরি হবে।"
এর আগে ২১ ডিসেম্বর ২০২৫-এ ইয়াউ মা তেই অংশটি চালু হয়। নতুন অংশটি ওই সড়ক ও চেউং কোয়ান ও–লাম তিন টানেলের মধ্যকার বাকি সংযোগ তৈরি করছে, ফলে যানবাহন পুরো করিডর ধরে চলাচল করতে পারবে।
শেষ সংযোগে যা বদলাবে
কাউলুন বে অংশটি পূর্বে চেউং কোয়ান ও–লাম তিন টানেলের সঙ্গে এবং পশ্চিমে ইয়াউ মা তেই অংশের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে; পাশাপাশি চা কও লিংয়ের সঙ্গেও সংযোগ রয়েছে। এই সড়কগুলো মিলে রুট ৬ গঠন করেছে, যা চেউং কোয়ান ওকে পূর্ব ও পশ্চিম কাউলুনের সঙ্গে যুক্ত করে।
সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট ডিপার্টমেন্টের ভাষ্য, জেলাগুলোর মধ্যে দীর্ঘপথের যাত্রা এবং স্বল্প দূরত্বের স্থানীয় যাত্রাকে আলাদা রাখার জন্য রুটটি তৈরি করা হয়েছে। চেউং কোয়ান ও ও ওয়েস্ট কাউলুনের মধ্যে যাতায়াতকারী যানবাহন সরাসরি করিডরটি ব্যবহার করতে পারবে। অন্যদিকে, চেউং কোয়ান ও ও কাই তাকের মধ্যে স্বল্প দূরত্বে যাতায়াতকারীরা আগের সড়কগুলো ব্যবহার করতে পারবে।
চালকদের জন্য ব্যবহারিক পরিবর্তন হলো, গন্তব্য অনুযায়ী নতুন একটি পথ বেছে নেওয়ার সুযোগ। আশপাশের জেলাগুলোতে লক্ষ্য হলো, স্থানীয় এলাকাতেও ব্যবহৃত সড়ক দিয়ে দীর্ঘপথের যাতায়াতকারী যানবাহনের চলাচল কমানো।
হাইওয়েজ ডিপার্টমেন্ট জানিয়েছে, ইয়াউ মা তেই প্রকল্পের উদ্দেশ্য হলো সেন্ট্রাল কাউলুনের পূর্ব-পশ্চিমমুখী বিদ্যমান সড়কগুলোতে যানজট কমানো। সংযোগটি সম্পূর্ণ হলে ওই অংশের কার্যকারিতা আরও বাড়বে, কারণ এটি সরাসরি চেউং কোয়ান ওগামী টানেলের সঙ্গে যুক্ত হবে।
কোন বাসযাত্রীরা সুবিধা পাবেন?
পরিবহন বিভাগের পরিকল্পিত তিনটি রুট পরিবর্তনের গন্তব্য আলাদা। সিটিবাস ৭৯৫ কাউলুন বে অংশ দিয়ে ওয়েস্ট কাউলুনের দিকে যাবে, কেএমবি ২৯০ই যাবে সুন ওয়ানের দিকে এবং সিটিবাস এ২৮এক্স যাবে বিমানবন্দরের দিকে।
কেএমবির তথ্য অনুযায়ী, রুট ২৯০ই চেউং কোয়ান ও ইন্ডাস্ট্রিয়াল এস্টেট থেকে সুন ওয়ান ওয়েস্ট স্টেশন পর্যন্ত চলবে। এ পথে বাসটি বিদ্যমান চেউং কোয়ান ও–লাম তিন টানেল এবং পুরো সেন্ট্রাল কাউলুন বাইপাস ব্যবহার করবে। এতে অসম্পূর্ণ সংযোগস্থলে করিডর ছেড়ে বেরিয়ে যাওয়ার প্রয়োজন হবে না; রুটটি রুট ৬ ধরে নিরবচ্ছিন্নভাবে চলবে।
বিমানবন্দরগামী এ২৮এক্স সার্ভিসটি পরিবহন বিভাগের ইয়াউ মা তেই অংশের নির্দেশিকায় আগেই রয়েছে। সেখানে চেউং কোয়ান ও স্টেশন পাবলিক ট্রান্সপোর্ট ইন্টারচেঞ্জ থেকে এয়ারপোর্ট গ্রাউন্ড ট্রান্সপোর্টেশন সেন্টার পর্যন্ত এর যাত্রাপথের তথ্য দেওয়া হয়েছে। পরিকল্পিত পরিবর্তনের ফলে বাসটি নতুন কাউলুন বে অংশও ব্যবহার করবে।
কেএমবি রুট এক্স৪২সি-তে ব্যস্ত সময়ে সপ্তাহের কর্মদিবসে বিশেষ সার্ভিস চালুরও পরিকল্পনা করেছে। এই রুটটি সিং ইয়ের চেউং হাং এস্টেট ও ইয়াউ তংয়ের মধ্যে চলে। অতিরিক্ত যাত্রাগুলো সেন্ট্রাল কাউলুন বাইপাস ব্যবহার করবে।
কেএমবির নতুন ৪৯ই রুটটি সিং ইয়ের চেউং ওয়াং ও চেউং কোয়ান ও ইন্ডাস্ট্রিয়াল এস্টেটের মধ্যে চলার পরিকল্পনা রয়েছে। কেএমবি জানিয়েছে, কাউলুন বে অংশ চালুর পর পর্যায়ক্রমে রুট পরিবর্তন ও নতুন সার্ভিস চালু করা হবে। এসব পরিবর্তনের সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়নের তারিখ, ভাড়া ও বিস্তারিত সময়সূচি এখনো ঘোষণা করা হয়নি।
বছর শেষে আরও রুট ও যাত্রা
পরিবহন বিভাগের ভাষ্য, ইয়াউ মা তেই অংশ চালুর পর থেকে ইস্ট কাউলুন ও নিউ টেরিটরিজের পশ্চিমাংশের মধ্যে বাসযাত্রার সময় উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। ওই সড়কে বাস চলাচলও বাড়ছে।
বিভাগটি আশা করছে, বছরের শেষ নাগাদ ওই অংশ ব্যবহারকারী রুটের সংখ্যা প্রাথমিক আটটি থেকে বেড়ে ১৩টিতে দাঁড়াবে। নির্ধারিত বাসযাত্রার সংখ্যা ২৮টি থেকে বেড়ে ১৩০টিরও বেশি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এর অর্থ, রুট বাড়বে পাঁচটি বা ৬২.৫ শতাংশ এবং বাসযাত্রার সংখ্যা প্রাথমিক সংখ্যার ৪.৬ গুণেরও বেশি হবে। বাসযাত্রার সংখ্যা অনেক বেশি বাড়ার অর্থ, সম্প্রসারণে রুটের সংখ্যার পাশাপাশি যাত্রার সংখ্যাও বাড়বে।
পরিবহন বিভাগের বর্তমান গণপরিবহন তালিকায় রয়েছে ৩৩এক্স, ২৫২এস, ২৫৮এক্স, ২৫৯এস, ২৫৯এক্স, ২৬৮পি, ২৬৯এস ও এ২৮এক্স। এসব রুট সুন ওয়ান, তুয়েন মুন, ইউয়েন লং, তিন শুই ওয়াই ও চেউং কোয়ান ওসহ বিভিন্ন এলাকাকে কাউলুনের নানা গন্তব্য এবং বিমানবন্দরের সঙ্গে যুক্ত করে।
বছর শেষে ১৩টি রুটের যে লক্ষ্যমাত্রা, তা তখনকার প্রত্যাশিত নেটওয়ার্কের হিসাব। কোনো নির্দিষ্ট বাসের যাত্রীদের নিজেদের সার্ভিসের কার্যকরী তথ্য জেনে নিতে হবে, বিশেষ করে পরিবর্তনটি কেবল ব্যস্ত সময়ে বিশেষ যাত্রার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হলে।
পুরো পথে ছয়টি বাসের পরীক্ষামূলক চলাচল
সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট ডিপার্টমেন্ট জানিয়েছে, কাউলুন বে অংশের নির্মাণকাজ প্রায় শেষ এবং চালুর প্রস্তুতি এখন শেষ পর্যায়ে রয়েছে।
দুটি ফ্র্যাঞ্চাইজিভিত্তিক বাস অপারেটর নতুন সড়ক দিয়ে মোট ছয়টি দোতলা বাস চালিয়েছে। বাসগুলো ইয়াউ মা তেই থেকে চেউং কোয়ান ও পর্যন্ত রুট ৬-এর পুরো পথে চলেছে। বিভাগটি জানিয়েছে, সড়কে পরীক্ষামূলক চলাচল সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।
পরিবহন কমিশনার অ্যাঞ্জেলা লিও পরিবহন উপদেষ্টা কমিটির সদস্যদের সঙ্গে কাউলুন বে অংশটিও পরিদর্শন করেছেন। তাঁদের পরিদর্শনে দুই প্রান্তের টানেলের প্রবেশ ও প্রস্থানপথ, লাম তিন ইন্টারচেঞ্জ, নিয়ন্ত্রণকেন্দ্র এবং কাই তাক সংযোগ সড়ক অন্তর্ভুক্ত ছিল।
পরিদর্শনে চালুর প্রস্তুতির কয়েকটি দিক একসঙ্গে দেখা হয়েছে: সড়কের অবকাঠামো, যেসব সংযোগস্থল দিয়ে যানবাহন প্রবেশ বা বের হবে এবং টানেলের কার্যক্রম পরিচালনার দায়িত্বে থাকা কেন্দ্র। চ্যান আইনপ্রণেতাদের জানান, শেষ পর্যায়ের প্রস্তুতির মধ্যে গণপরিবহন সুবিধা ও সড়কচিহ্নও অন্তর্ভুক্ত ছিল।
পরিবহন বিভাগ জানিয়েছে, চালক ও যাত্রীরা যাতে নতুন রুট সম্পর্কে জানতে পারেন, সে জন্য চালুর আগে ও পরে প্রচার বাড়ানো হবে। টানেল পরিচালনাকারীর ব্যবস্থাপনা ও রক্ষণাবেক্ষণের কাজও নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হবে।
রাতে টানেলের সাইন পরীক্ষা করা হচ্ছে কেন
পুরো রুট চালুর প্রস্তুতিতে চেউং কোয়ান ও–লাম তিন টানেলও অন্তর্ভুক্ত। সম্পূর্ণ রুট ৬-এ ব্যবহৃত ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ ও নজরদারি ব্যবস্থার রাতভর পরীক্ষা চালানোর ঘোষণা দিয়েছে পরিবহন বিভাগ।
পরীক্ষার সময় কিছু লেন নিয়ন্ত্রণ সংকেত, টানেল বন্ধের সাইন এবং পরিবর্তনশীল বার্তা প্রদর্শনকারী সাইনের বার্তা মাঝেমধ্যে বদলাবে। লেন নিয়ন্ত্রণ সংকেত চালকদের জানায় কোনো লেন খোলা কি না, আর পরিবর্তনশীল বার্তা প্রদর্শনকারী সাইনে ট্রাফিক পরিস্থিতি অনুযায়ী নির্দেশনা বা তথ্য দেখানো হয়।
ঘোষিত পরীক্ষার সময়সীমা চার রাত, প্রতিবার রাত ১১টা ৩০ মিনিট থেকে পরদিন ভোর ৩টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত। ওই এলাকায় অস্থায়ী ট্রাফিক সাইন বসানো হবে। চালকদের সতর্কভাবে গাড়ি চালানো ও ধৈর্য ধরার আহ্বান জানিয়েছে বিভাগটি।
চ্যানের বর্ণনা অনুযায়ী, শেষ পর্যায়ের প্রস্তুতির আরেকটি অংশ হলো অগ্নিনিরাপত্তা পরিদর্শন। কর্তৃপক্ষ সংযুক্ত সড়কগুলো নিয়মিত চলাচলের জন্য চালু করার প্রস্তুতি নেওয়ার সময় এসব পরিদর্শনের পাশাপাশি সিস্টেম পরীক্ষা ও বাসের পরীক্ষামূলক চলাচলও সম্পন্ন হয়েছে।
বড় টানেল প্রকল্প, তবে ওপরের ভূমিতে কাজ চলবে
হাইওয়েজ ডিপার্টমেন্টের সেন্ট্রাল কাউলুন রুট প্রকল্পের পাতায় ইয়াউ মা তেই অংশটিকে ৪.৭ কিলোমিটার দীর্ঘ সড়ক হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে, যেখানে দুই দিকেই তিনটি করে লেন রয়েছে। এর প্রায় ৩.৯ কিলোমিটার টানেলের ভেতর দিয়ে গেছে, যা মোট দৈর্ঘ্যের আনুমানিক ৮৩ শতাংশ।
এই অংশটি ওয়েস্ট কাউলুনের ইয়াউ মা তেই ইন্টারচেঞ্জকে ইস্ট কাউলুনের কাই তাক ডেভেলপমেন্ট এরিয়া ও কাউলুন বে এলাকার সঙ্গে যুক্ত করেছে। প্রকল্পটির আনুমানিক ব্যয় ৪২.৩৬ বিলিয়ন হংকং ডলার এবং নির্মাণকাজ শুরু হয় ২০১৭ সালের ডিসেম্বরে।
কাজের মধ্যে ছিল কাউলুন বে ও মা তাউ ককে সমুদ্রতলের নিচ দিয়ে টানেল নির্মাণ, গ্যাসকোয়েন রোড ফ্লাইওভারের একাংশ পুনর্নির্মাণ, কাই তাকে ভূমির নিচ দিয়ে সড়ক নির্মাণ এবং বিদ্যমান সড়ক নেটওয়ার্কের সঙ্গে সংযোগ তৈরি। পৃথক চুক্তির আওতায় পুরো রুটে বায়ু চলাচলের ভবন, প্রশাসনিক ভবন এবং বৈদ্যুতিক ও যান্ত্রিক স্থাপনা নির্মাণ করা হয়েছে।
হাইওয়েজ ডিপার্টমেন্টের তালিকায় সড়ক চালুর পরও চলতে থাকা সবুজায়ন ও জনপরিসরের কাজের উল্লেখ রয়েছে। সবুজায়ন করা ডেক, বাগান, গাছ লাগানো এবং কাই ফুক রোডের একাংশ উন্নয়নের একটি চুক্তির সম্ভাব্য সমাপ্তির তারিখ ২০২৮ সাল।
২০২৬ সালের সেপ্টেম্বরে শুরু হতে যাওয়া আরেকটি চুক্তিতে মা তাউ ককের সবুজায়ন করা ডেক ও জলধারার পাশের পদচারী পথ, সংশ্লিষ্ট সবুজায়ন এবং কাউলুন সিটি ফেরি পিয়ার পাবলিক ট্রান্সপোর্ট ইন্টারচেঞ্জসহ বিকল্প সুবিধা নির্মাণ অন্তর্ভুক্ত। এর সম্ভাব্য সমাপ্তির তারিখ ২০২৯ সাল। ফলে পূর্ণ বাইপাসে যান চলাচল শুরু হওয়ার পরও আশপাশের কিছু জনপরিসরের কাজ চলবে।
ধাপে ধাপে চালুর প্রধান তারিখ
সড়কটি ধাপে ধাপে চালু হয়েছে; বাস সার্ভিস ও আশপাশের জনপরিসরের কাজের সময়সূচিও আলাদা। গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলকগুলো হলো:
- ডিসেম্বর ২০১৭: ইয়াউ মা তেই অংশের প্রকল্পের নির্মাণকাজ শুরু।
- ২১ ডিসেম্বর ২০২৫: ইয়াউ মা তেই অংশ জনসাধারণের জন্য খুলে দেওয়া হয়।
- ৬ ডিসেম্বর চালুর আগে: ছয়টি দোতলা বাস ইয়াউ মা তেই থেকে চেউং কোয়ান ও পর্যন্ত সড়ক পরীক্ষায় অংশ নেয়; সিস্টেম ও অগ্নিনিরাপত্তার শেষ পর্যায়ের পরীক্ষা চলতে থাকে।
- ৬ ডিসেম্বর: কাউলুন বে অংশ চালু হওয়ার কথা; এতে বাইপাস ও রুট ৬ সম্পূর্ণ হবে।
- চালুর পর: কেএমবি পর্যায়ক্রমে রুট পরিবর্তন, বিশেষ সার্ভিস ও নতুন রুট চালুর পরিকল্পনা করেছে।
- বছর শেষ নাগাদ: পরিবহন বিভাগের প্রত্যাশা, ইয়াউ মা তেই অংশ দিয়ে ১৩টি বাস রুট ও ১৩০টির বেশি বাসযাত্রা চলবে।
- ২০২৮ ও ২০২৯: পৃথক সবুজায়ন ও জলধারাসংক্রান্ত চুক্তির কাজ শেষ হওয়ার সম্ভাব্য তারিখ।
যাত্রীদের জন্য তাৎক্ষণিক পরিবর্তন নির্ভর করবে তাঁদের বাস সার্ভিস কখন নতুন সড়ক ব্যবহার শুরু করে তার ওপর। চেউং কোয়ান ও থেকে ওয়েস্ট কাউলুনগামী চালকদের জন্য ৬ ডিসেম্বর পুরো সংযোগ চালুর নির্ধারিত তারিখ।
মূল তথ্য
- সেন্ট্রাল কাউলুন বাইপাস ৬ ডিসেম্বর পুরোপুরি চালু হওয়ার কথা; এতে রুট ৬ সম্পূর্ণ হবে।
- কর্তৃপক্ষের পূর্বাভাস, ব্যস্ত সময়ে চেউং কোয়ান ও শহরকেন্দ্র থেকে ইয়াউ মা তেই যেতে প্রায় ১২ মিনিট লাগবে; রুট ৬ চালুর আগে সময় লাগত প্রায় ৬৫ মিনিট।
- সিটিবাস ৭৯৫, কেএমবি ২৯০ই ও সিটিবাস এ২৮এক্স নতুন কাউলুন বে অংশ ব্যবহার করবে বলে পরিকল্পনা রয়েছে।
- কেএমবি এক্স৪২সি রুটে বিশেষ বাসযাত্রা এবং নতুন ৪৯ই সার্ভিস চালুরও পরিকল্পনা করেছে।
- ছয়টি দোতলা বাস সফলভাবে পুরো করিডরে সড়ক পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে।
- পরিবহন বিভাগের প্রত্যাশা, বছর শেষ নাগাদ ইয়াউ মা তেই অংশ দিয়ে ১৩টি রুট ও ১৩০টির বেশি বাসযাত্রা চলবে।






