তেলের সরবরাহের মজুত ৪০ দিন বাড়ানোর পরিকল্পনা সুমাত্রায়
ইন্দোনেশিয়া সুমাত্রার কয়েকটি স্থানে অপরিশোধিত তেল সংরক্ষণাগার নির্মাণের পরিকল্পনা করছে। লক্ষ্য, ২০ দিনের সরবরাহের সমপরিমাণ মজুতক্ষমতা বাড়িয়ে ৬০ দিনে নেওয়া। জাকার্তায় প্রেসিডেন্ট প্রাবোও সুবিয়ান্তোর সঙ্গে প্রেসিডেন্ট প্রাসাদ কমপ্লেক্সে বৈঠকের পর ২০২৬ সালের ৩ নভেম্বর জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী বাহলিল লাহাদালিয়া এ পরিকল্পনার কথা জানান।
সূচিপত্র
- তেলের সরবরাহের মজুত ৪০ দিন বাড়ানোর পরিকল্পনা সুমাত্রায়
- ৬০ দিনের মজুত কী পরিবর্তন আনবে?
- মে মাসের প্রস্তাব থেকে সমীক্ষা সম্পন্ন
- চূড়ান্ত স্থান নির্ধারণের আগে নিরাপত্তা যাচাই
- অপরিশোধিত তেলের মজুতের সঙ্গে B50-এর সম্পর্ক
- E20 থেকে E50 পর্যন্ত বায়োইথানল পরিকল্পনা
- জাতীয় মজুতের পাশাপাশি আসিয়ান উদ্যোগ
- মূল বিষয়গুলো
প্রস্তাবিত সম্প্রসারণ হলে আমদানি করা অপরিশোধিত তেল মজুতের জন্য ইন্দোনেশিয়ার হাতে আরও জায়গা থাকবে এবং আন্তর্জাতিক সরবরাহে বিঘ্ন ঘটলে বাড়তি সুরক্ষা মিলবে। সরকারের উল্লেখ করা হিসাব অনুযায়ী, লক্ষ্য পূরণ হলে বর্তমান মজুতক্ষমতা তিন গুণ হবে এবং সরবরাহের সুরক্ষা ৪০ দিন বাড়বে।
বাহলিল বলেন, সম্ভাব্যতা সমীক্ষা শেষ হয়েছে। সরকার সম্ভাব্য স্থানগুলো ভূমিকম্পের ঝুঁকি, অন্যান্য দুর্যোগের আশঙ্কা এবং স্থানীয় নিরাপত্তার দিক থেকে যাচাই করবে। পরবর্তী ধাপ ২০২৬ সালের শেষ দিকে শুরু হওয়ার কথা। তবে তাঁর বক্তব্যে স্থান পরিদর্শনের পাশাপাশি ওই সময়ে নির্মাণকাজ শুরুর লক্ষ্যও উল্লেখ করা হয়েছে।
মন্ত্রী মজুতাগার সম্প্রসারণের সঙ্গে ইন্দোনেশিয়ার B50 বায়োডিজেল নীতি এবং ভূরাজনৈতিক অনিশ্চয়তার মধ্যে দেশের জ্বালানি সরবরাহ জোরদারের প্রচেষ্টার সম্পর্কও তুলে ধরেন। একই প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বৈঠকে E20 থেকে E50 পর্যন্ত বায়োইথানল মিশ্রণের পরিকল্পনা নিয়েও আলোচনা হয়। এতে সরবরাহের নিরাপত্তা নিয়ে বৃহত্তর আলোচনায় তেল মজুত ও বিকল্প জ্বালানি—দুই বিষয়ই স্থান পায়।
৬০ দিনের মজুত কী পরিবর্তন আনবে?
ইন্দোনেশিয়ার দেওয়া হিসাব অনুযায়ী, বর্তমানে দেশে ২০ দিনের তেলের চাহিদার সমপরিমাণ মজুত রয়েছে। দৈনিক ব্যবহারের মাত্রা দুই হিসাবেই একই ধরা হলে, তা বাড়িয়ে ৬০ দিন করা মানে তিন গুণ তেল রাখার জায়গা তৈরি করা।
বড় মজুত থাকলে আমদানি করা সরবরাহ আসতে দেরি হলে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার জন্য দেশটি বেশি সময় পাবে। নির্ধারিত সরবরাহ ও বিকল্প চালান পৌঁছানোর মধ্যবর্তী সময়ে মজুত তেল ঘাটতি পূরণে সহায়তা করতে পারে। বাস্তবে কতটা সুবিধা হবে, তা নির্ভর করবে কত তেল মজুত করা হয়েছে এবং প্রক্রিয়াজাত বা বিতরণের স্থাপনাগুলোতে তা কত দ্রুত পৌঁছানো যায় তার ওপর।
বাহলিল বলেন, আন্তর্জাতিকভাবে ন্যূনতম মানদণ্ড হিসেবে ৯০ দিন বা প্রায় তিন মাসের সরবরাহের কথা বলা হয়, আর ইন্দোনেশিয়া সেই লক্ষ্যের দিকে এগোতে চায়। ৬০ দিনের লক্ষ্য ওই পরিমাণের দুই-তৃতীয়াংশ। মন্ত্রীর দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছাতে আরও ৩০ দিনের মজুতক্ষমতা বাড়াতে হবে।
ঘোষণায় লক্ষ্যমাত্রা ব্যারেলের হিসাবে নয়, সরবরাহের দিনের হিসাবে প্রকাশ করা হয়েছে। সংরক্ষণক্ষমতা বোঝায় একটি স্থাপনায় কত তেল রাখা যায়; সরবরাহে বিঘ্নের সময় ব্যবহারযোগ্য মজুত নির্ভর করে কত তেল কেনা হয়েছে এবং সেখানে রাখা হয়েছে তার ওপর। ট্যাংক নির্মাণ ও সেগুলো তেলে ভরা আলাদা কাজ, তবে কার্যকর সরবরাহ-সুরক্ষা গড়তে দুটিই দরকার।
মে মাসের প্রস্তাব থেকে সমীক্ষা সম্পন্ন
২০২৬ সালের ১১ মে বাহলিল সুমাত্রায় তেল সংরক্ষণ প্রকল্পের কথা বলেছিলেন। তখন সম্ভাব্যতা সমীক্ষা চলছিল এবং প্রস্তাবিত সংরক্ষণ এলাকাটিকে একটি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলের সঙ্গে যুক্ত করার কথা ছিল। ইন্দোনেশিয়ায় এ ধরনের অঞ্চলকে KEK বলা হয়।
বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল হলো নির্দিষ্ট বিনিয়োগ ও ব্যবসায়িক ব্যবস্থার অধীনে পরিচালিত একটি নির্ধারিত এলাকা। বাহলিল প্রস্তাবিত অঞ্চলটিকে জ্বালানি মজুতের স্থান হিসেবে তুলে ধরেন, যা জাতীয় কৌশলগত মজুত হিসেবেও কাজ করবে—দেশের প্রয়োজনের সময় ব্যবহারের জন্য সরবরাহ ধরে রাখবে।
নভেম্বর নাগাদ বাহলিল বলেন, সম্ভাব্যতা সমীক্ষা শেষ হয়েছে। এ ধরনের সমীক্ষায় প্রকল্পটি নির্মাণ ও পরিচালনা করা সম্ভব কি না, তা যাচাই করা হয়; এর মধ্যে থাকে কারিগরি প্রয়োজনীয়তা ও সম্ভাব্য ঝুঁকি। মে মাসে চলমান সমীক্ষা থেকে নভেম্বরে তা সম্পন্ন হওয়া প্রকল্প প্রস্তুতির একটি বাস্তব অগ্রগতি।
- ১১ মে, ২০২৬: বাহলিল বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলের সঙ্গে যুক্ত সুমাত্রার একটি সংরক্ষণ এলাকার কথা জানান এবং বলেন, সম্ভাব্যতা সমীক্ষা চলছিল।
- ৩ নভেম্বর, ২০২৬: প্রাবোওর সঙ্গে বৈঠকের পর বাহলিল জানান, সমীক্ষা শেষ হয়েছে এবং সরবরাহের মজুত ২০ দিন থেকে ৬০ দিনে বাড়ানোর লক্ষ্য তুলে ধরেন।
- ২০২৬ সালের শেষ দিকে: সরকার আরও স্থান যাচাইয়ের আশা করছে। বাহলিল ওই সময়কে নির্মাণকাজ শুরুর লক্ষ্য হিসেবেও উল্লেখ করেন।
চূড়ান্ত স্থান নির্ধারণের আগে নিরাপত্তা যাচাই
স্থাপনাগুলোর জন্য সুমাত্রা অঞ্চল চিহ্নিত করা হয়েছে, তবে নির্দিষ্ট স্থান বাছাই করতে আরও বিস্তারিত যাচাই প্রয়োজন। বাহলিল বলেন, কারিগরি প্রয়োজনীয়তার পাশাপাশি কর্মকর্তারা ভূমিকম্প-সহনশীলতা, স্থানীয় নিরাপত্তা এবং অন্যান্য প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকি বিবেচনা করবেন।
বাহলিল, যিনি ডাউনস্ট্রিমিং ও জ্বালানি রূপান্তরবিষয়ক সমন্বয়মন্ত্রীর দায়িত্বেও রয়েছেন, প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বৈঠকের পর স্থান যাচাইয়ের বিষয়ে বলেন:
ভূমিকম্পের ঝুঁকি ও স্থানীয় নিরাপত্তার দিক থেকে আমরা স্থানগুলো যাচাই করছি,
তাঁর বক্তব্যে ভূমিকম্প ও স্থানীয় নিরাপত্তার বিবেচনায় স্থানগুলো যাচাই করার কথা বলা হয়েছে। জাতীয় জ্বালানি সরবরাহ সুরক্ষার উদ্দেশ্যে নেওয়া প্রকল্পে সংরক্ষণাগারগুলো নিজেরাই বিঘ্নের ধাক্কা সামলাতে পারবে কি না, তা তাদের উদ্দেশ্য পূরণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
বাহলিল নির্দিষ্ট স্থান, ব্যারেলে পরিকল্পিত ধারণক্ষমতা, বিনিয়োগ ব্যয়, অর্থায়নের ব্যবস্থা বা নির্মাণ ও প্রকল্প সম্পন্ন করার বিস্তারিত সময়সূচি প্রকাশ করেননি। ফলে তাৎক্ষণিক মাইলফলক হলো ২০২৬ সালের শেষ দিকে প্রত্যাশিত কাজ। তখন স্থান যাচাই এবং প্রস্তাবিত নির্মাণ শুরুর ধাপগুলোকে আরও স্পষ্ট সময়সূচিতে সাজাতে হবে।
অপরিশোধিত তেলের মজুতের সঙ্গে B50-এর সম্পর্ক
বাহলিল বলেন, সুমাত্রার স্থাপনাগুলোতে আমদানি করা অপরিশোধিত তেল রাখা হবে। তিনি এ সম্প্রসারণকে B50 নীতির সহায়ক হিসেবেও তুলে ধরেন; সরকার এ নীতি বজায় রাখতে চায়।
অপরিশোধিত তেল হলো কাঁচা পেট্রোলিয়াম, যা শোধনাগারে প্রক্রিয়াজাত করে জ্বালানি ও অন্যান্য পণ্য তৈরি করা হয়। B50 হলো এমন ডিজেল মিশ্রণ, যার ৫০ শতাংশ বায়োডিজেল—জৈব উপাদান থেকে তৈরি জ্বালানি—এবং বাকি অংশ পেট্রোলিয়াম ডিজেল। ফলে অপরিশোধিত তেল মজুত ও বায়োডিজেল মেশানো জ্বালানি সরবরাহ-শৃঙ্খলের ভিন্ন ভিন্ন পর্যায়ে ঘটে।
দুটি উদ্যোগের যোগসূত্র হলো জ্বালানি নিরাপত্তা। বেশি অপরিশোধিত তেল মজুত করলে আমদানি করা পেট্রোলিয়াম রাখার বাড়তি জায়গা তৈরি হবে। অন্যদিকে B50 নীতির লক্ষ্য দেশীয় জ্বালানি সম্পদের ব্যবহার বাড়ানো এবং আমদানি করা জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমানো। ইন্দোনেশিয়া একদিকে আমদানির জন্য বড় মজুত গড়ছে, অন্যদিকে দেশে ব্যবহৃত জ্বালানির মিশ্রণ বদলাচ্ছে।
বিশ্ব রাজনীতির অনিশ্চয়তার সঙ্গে B50 বজায় রাখার সিদ্ধান্তের সম্পর্ক তুলে ধরেন বাহলিল। বৈঠকের পর বায়োডিজেল নীতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন:
B50 আমরা বজায় রাখব। কারণ ভূরাজনীতির পরিণতি কী হবে, তা আমরা কখনোই জানি না,
মন্ত্রীর বক্তব্য ছিল, ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতি কোন দিকে যাবে তা অনিশ্চিত বলে B50 চালু থাকবে। তিনি এই অনিশ্চয়তার জন্য প্রস্তুতির আরেকটি উপায় হিসেবে অতিরিক্ত মজুতের কথা তুলে ধরেন।
E20 থেকে E50 পর্যন্ত বায়োইথানল পরিকল্পনা
নভেম্বরের বৈঠকে প্রাবোও E20 বায়োইথানল চালুর প্রস্তুতি সম্পর্কে জানতে চান। বাহলিল বলেন, সরকার E20 থেকে E50 পর্যন্ত ধাপে ধাপে উন্নয়নের জন্য একটি কৌশলগত পরিকল্পনা তৈরি করেছে।
E20 হলো ২০ শতাংশ ইথানল মেশানো পেট্রোল, আর E50-এ ইথানলের পরিমাণ ৫০ শতাংশ। কৃষিজ উপাদান থেকে অ্যালকোহলজাতীয় ইথানল তৈরি করে পেট্রোলে মেশানো যায়। এই পরিকল্পনাগুলো পেট্রোলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, আর B50 ডিজেলের ক্ষেত্রে।
বাহলিল বলেন, কাঁচামাল সরবরাহের জন্য জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় কৃষি মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে কাজ করবে। অর্থাৎ বায়োইথানল উন্নয়নের প্রস্তুতিতে কৃষি উৎপাদনের পাশাপাশি জ্বালানি প্রক্রিয়াজাত ও বিতরণের বিষয়ও রয়েছে।
এই তিনটি নীতি ইন্দোনেশিয়ার জ্বালানি চাহিদার ভিন্ন ভিন্ন দিক নিয়ে কাজ করে। অপরিশোধিত তেলের মজুতের বিষয়টি হলো দেশটি কতটা আমদানি করা তেল ধরে রাখতে পারবে। B50 ডিজেল সরবরাহের উপাদান বদলায়। E20 থেকে E50 পরিকল্পনা পেট্রোলের উপাদান নিয়ে। সরকারের বর্ণনা অনুযায়ী, এগুলোর অভিন্ন লক্ষ্য হলো দেশীয় সম্পদের ব্যবহার বাড়িয়ে আরও নির্ভরযোগ্য সরবরাহব্যবস্থা গড়ে তোলা।
জাতীয় মজুতের পাশাপাশি আসিয়ান উদ্যোগ
মে মাসে বাহলিলের বক্তব্যে ইন্দোনেশিয়ার প্রকল্পটি আঞ্চলিক প্রেক্ষাপটে উঠে আসে। তিনি বলেন, আসিয়ান জ্বালানি মজুতকেন্দ্রের ধারণা সামনে আসার আগেই দেশটি নিজেদের সংরক্ষণাগার পরিকল্পনা তৈরির কাজ শুরু করেছিল।
সে সময় তিনি আসিয়ানের প্রস্তাবটিকে প্রাথমিক পর্যায়ের বলে বর্ণনা করেন এবং জানান, সরকারগুলোর মধ্যে আনুষ্ঠানিক আলোচনায় তা তখনো ওঠেনি। আঞ্চলিক উদ্যোগকে স্বাগত জানালেও তিনি বলেন, ইন্দোনেশিয়ার সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের কাজ ইতিমধ্যে চলছিল।
পার্থক্যটি হলো, স্থাপনাগুলো কাদের কাজে লাগবে এবং কীভাবে পরিচালিত হবে। বাহলিল সুমাত্রা প্রকল্পকে ইন্দোনেশিয়ার সরবরাহ সুরক্ষার জন্য জাতীয় মজুত হিসেবে বর্ণনা করেন। আসিয়ান ধারণায় সম্ভাব্য আঞ্চলিক মজুতের ভূমিকার কথা ছিল, যার জন্য অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর মধ্যে আলোচনা দরকার।
বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলের প্রস্তাব সুমাত্রা পরিকল্পনাকে মজুতের ভূমিকার পাশাপাশি বিনিয়োগ ও শিল্পের কাঠামোও দেয়। মে মাসে সমীক্ষা চলা থেকে নভেম্বরে তা সম্পন্ন হওয়ার ঘোষণা পর্যন্ত প্রকল্পটির অগ্রগতি হয়েছে। এখন পরবর্তী বাস্তব ধাপ হলো নিরাপত্তা যাচাই ও বাস্তবায়নের কাজ।
মূল বিষয়গুলো
- ইন্দোনেশিয়া সুমাত্রার কয়েকটি স্থানে অপরিশোধিত তেল সংরক্ষণাগার গড়ার পরিকল্পনা করছে; লক্ষ্য, সরবরাহের মজুত ২০ দিন থেকে ৬০ দিনে বাড়ানো।
- সরকারের দেওয়া হিসাব অনুযায়ী, প্রস্তাবিত সম্প্রসারণে ধারণক্ষমতা তিন গুণ হবে এবং সরবরাহের সুরক্ষা ৪০ দিন বাড়বে।
- বাহলিল জানান, ২০২৬ সালের ৩ নভেম্বর সম্ভাব্যতা সমীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। ২০২৬ সালের শেষ দিকে স্থান যাচাই ও নির্মাণ শুরুর প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
- স্থান যাচাইয়ে ভূমিকম্প, অন্যান্য দুর্যোগের ঝুঁকি, কারিগরি প্রয়োজনীয়তা এবং স্থানীয় নিরাপত্তা বিবেচনা করা হবে।
- মে মাসে প্রকল্পটিকে জাতীয় কৌশলগত মজুত হিসেবে কাজ করবে এমন একটি প্রস্তাবিত বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলের অংশ হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছিল।
- সরকার B50 বায়োডিজেল বজায় রাখার পরিকল্পনা করেছে এবং E20 থেকে E50 পর্যন্ত বায়োইথানল উন্নয়নের কৌশল তৈরি করেছে।
- বাহলিল বলেন, দীর্ঘমেয়াদি মানদণ্ড হিসেবে ইন্দোনেশিয়া ৯০ দিনের সরবরাহের লক্ষ্যের দিকে এগোতে চায়।






