৫০ মিলিয়ন রিঙ্গিত জরিমানা বাকি থাকায় কারাগারেই নাজিব
মালয়েশিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী নাজিব রাজাক কারাগারেই রয়েছেন, কারণ শর্তসাপেক্ষ ক্ষমার অধীনে নির্ধারিত ৫০ মিলিয়ন রিঙ্গিত জরিমানা তিনি পরিশোধ করেননি। অ্যাটর্নি জেনারেল মোহদ দুসুকি মোকতার ২০২৬ সালের ১ নভেম্বর এ কথা জানান। প্রায় ১৫.৭ মিলিয়ন সিঙ্গাপুর ডলারের সমপরিমাণ এই অর্থ পরিশোধ করা হলে SRC International মামলায় বাকি সাজা ২০২৮ সালের ২৩ আগস্ট পর্যন্ত গৃহবন্দি অবস্থায় ভোগ করার সুযোগ পাওয়ার কথা।
সূচিপত্র
মোহদ দুসুকি বলেন, অ্যাটর্নি জেনারেলের চেম্বার্সের কাছে পাওয়া সর্বশেষ তথ্যে দেখা গেছে, জরিমানার অর্থ এখনো বাকি রয়েছে। অর্থ পরিশোধের জন্য নির্দিষ্ট কোনো সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়নি বলে তিনি জানান। তবে জরিমানা বকেয়া থাকা পর্যন্ত নাজিব কারাগারেই সাজা ভোগ করবেন।
কোটা ভারুর সেকোলাহ কেবাংসান পাসির হরে অ্যাটর্নি জেনারেলের চেম্বার্সের MADANI দত্তক বিদ্যালয় কর্মসূচির উদ্বোধন শেষে অ্যাটর্নি জেনারেল এ কথা বলেন। বকেয়া অর্থের তাৎক্ষণিক পরিণতি ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন:
জরিমানা পরিশোধ না করা পর্যন্ত দাতুক সেরি নাজিব কারাগারেই থাকবেন।
নাজিবের আইনজীবী মুহাম্মদ শাফি আবদুল্লাহ বলেছেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রীর জরিমানার অর্থ দেওয়ার সামর্থ্য নেই। অর্থ জোগাড়ে সহায়তার জন্য উম্নো তহবিল সংগ্রহ অভিযান শুরু করেছে এবং দলের নেতা, সদস্য ও সমর্থকদের অনুদান দিতে আহ্বান জানিয়েছে।
এই আর্থিক শর্ত নাজিবের বৃহত্তর আইনি অবস্থার একটি অংশমাত্র। 1Malaysia Development Berhad বা 1MDB-সংক্রান্ত মামলায় তাঁর ১৫ বছরের কারাদণ্ড SRC মামলার সাজা শেষ হওয়ার পর শুরু হওয়ার কথা। ওই দণ্ডাদেশ ও সাজার বিরুদ্ধে তিনি আপিল করেছেন।
শর্তসাপেক্ষ ক্ষমায় কী অনুমতি রয়েছে
রাজা সুলতান ইব্রাহিম নাজিবকে শর্তসাপেক্ষ ক্ষমা দিয়ে বাকি SRC কারাদণ্ড বাড়িতে ভোগ করার অনুমতি দিয়েছেন, তবে শর্ত হলো ৫০ মিলিয়ন রিঙ্গিত জরিমানা পরিশোধ করতে হবে। এই ব্যবস্থা ২০২৬ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর প্রকাশ্যে আসে এবং ২০২৮ সালের ২৩ আগস্ট পর্যন্ত কার্যকর থাকার কথা।
প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের আইনবিষয়ক বিভাগ জানিয়েছে, কুয়ালালামপুর, লাবুয়ান ও পুত্রজায়ার জন্য ফেডারেল টেরিটরিজ পারডনস বোর্ডের ৬৪তম বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ইস্তানা নেগারায় অনুষ্ঠিত বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন রাজা।
গৃহবন্দিত্ব বলতে কারাগারের ভেতরে নয়, বরং বিধিনিষেধের অধীনে অনুমোদিত বাসস্থানে সাজা ভোগ করাকে বোঝায়। নাজিবের ক্ষেত্রে প্রস্তাবিত পরিবর্তনটি হলো, বাকি SRC সাজা তিনি কোথায় ভোগ করবেন। এই পরিবর্তন কার্যকর হওয়ার আগে জরিমানা পরিশোধ করতে হবে।
কারা কর্তৃপক্ষকেও প্রশাসনিক কিছু ব্যবস্থা সম্পন্ন করতে হবে। ১৮ অক্টোবর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাইফুদ্দিন নাসুশন ইসমাইল বলেন, কারা বিভাগ বিধিমালা তৈরির শেষ পর্যায়ে রয়েছে। এ বিষয়ে গৃহবন্দিত্বের বিধিমালা প্রণয়ন প্রায় শেষ হওয়ার সময় বিস্তারিত জানানো হয়েছিল। শাফি নাজিবের কুয়ালালামপুরের লাংগাক দুতার বাসভবনকে প্রস্তাবিত স্থান হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
মোহদ দুসুকি আগে বলেছিলেন, কুয়ালালামপুর হাইকোর্টের রেজিস্ট্রার কার্যালয়ে জরিমানা পরিশোধ করতে হবে, যেখানে SRC মামলার শুনানি হয়েছিল। এরপর প্রশাসনিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। স্থানান্তরের কোনো তারিখ ঘোষণা করা হয়নি।
জরিমানা এখন ৫০ মিলিয়ন রিঙ্গিত কেন
কুয়ালালামপুর হাইকোর্ট ২০২০ সালের জুলাইয়ে SRC International-এর ৪২ মিলিয়ন রিঙ্গিত আত্মসাৎ-সংক্রান্ত সাতটি অভিযোগে নাজিবকে দোষী সাব্যস্ত করেন। তাঁকে ১২ বছরের কারাদণ্ড এবং ২১০ মিলিয়ন রিঙ্গিত জরিমানা করা হয়।
২০২১ সালের ডিসেম্বরে আপিল আদালত দোষী সাব্যস্ত হওয়া ও সাজা বহাল রাখেন। ২০২২ সালের আগস্টে ফেডারেল কোর্টও একই সিদ্ধান্ত দেন। ফলে আপিলের পরও ফৌজদারি রায় বহাল থাকে।
২০২৪ সালের ২৯ জানুয়ারি পারডনস বোর্ডের ৬১তম বৈঠকে কারাদণ্ড ১২ বছর থেকে কমিয়ে ছয় বছর এবং জরিমানা ২১০ মিলিয়ন থেকে কমিয়ে ৫০ মিলিয়ন রিঙ্গিত করা হয়। পরবর্তী শর্তসাপেক্ষ ক্ষমায় বাকি সাজা গৃহবন্দি অবস্থায় ভোগ করার সম্ভাবনা তৈরি হয়।
২০২৪ সালের সিদ্ধান্তে কারাদণ্ড অর্ধেক করা হয়। জরিমানা কমানো হয় ১৬০ মিলিয়ন রিঙ্গিত, অর্থাৎ প্রায় ৭৬ শতাংশ; মূল আর্থিক দণ্ডের প্রায় ২৪ শতাংশ পরিশোধযোগ্য থাকে। এতটা কমানোর পরও বকেয়া অর্থের পরিমাণ এত বেশি যে নাজিবের আইনজীবীরা বলছেন, তা পরিশোধ করার সামর্থ্য তাঁর নেই।
অনুদানের জন্য সমর্থকদের দ্বারস্থ উম্নো
শাফি বলেছেন, ৫০ মিলিয়ন রিঙ্গিত জরিমানা দেওয়ার আর্থিক সামর্থ্য নাজিবের নেই। নাজিবের আইনজীবীরা আরও বলেছেন, সম্পদের ওপর সরকারি বিধিনিষেধের কারণে অর্থ জোগাড়ের সক্ষমতা সীমিত।
এর জবাবে উম্নো ‘নাজিব সলিডারিটি ফান্ড’ বা ‘তাবুং সলিডারিটি নাজিব’ নামে একটি তহবিল গঠন করেছে। জরিমানার অর্থ জোগাড়ে দলের নেতা, সদস্য ও সমর্থকদের অনুদান দিতে আহ্বান জানিয়েছে দলটি।
তহবিল সংগ্রহ অভিযান জরিমানার শর্ত পূরণের প্রচেষ্টায় সমর্থকদের সরাসরি ভূমিকা রাখার সুযোগ করে দিয়েছে। তবে ১ নভেম্বরের হালনাগাদ তথ্যে মোহদ দুসুকি জানান, শর্তটি এখনো পূরণ হয়নি। তহবিলে কত অনুদান জমা হয়েছে, সে বিষয়ে তিনি কোনো অঙ্ক জানাননি।
নাজিব ও তাঁর পরিবারের জন্য এর বাস্তব পরিণতি হলো, অর্থ সংগ্রহের চেষ্টা চলার সময়ও তাঁকে কারাগারে থাকতে হবে। অর্থ পরিশোধের সময়সীমা নির্ধারিত না থাকায় কবে পরিস্থিতির পরিবর্তন হবে তা অনিশ্চিত। তবে অ্যাটর্নি জেনারেলের অবস্থান হলো, জরিমানা বকেয়া থাকলে গৃহবন্দিত্ব শুরু হতে পারে না।
সামনে 1MDB মামলার পৃথক কারাদণ্ড
1MDB-এর ২.৩ বিলিয়ন রিঙ্গিত তহবিল-সংক্রান্ত পৃথক ফৌজদারি মামলায় হাইকোর্ট ২০২৫ সালের ২৬ ডিসেম্বর নাজিবকে ১৫ বছরের কারাদণ্ড এবং ১১.৪ বিলিয়ন রিঙ্গিত জরিমানা করেন।
ক্ষমতার অপব্যবহারের চারটি অভিযোগ এবং অর্থ পাচারের ২১টি অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পর এ রায় দেওয়া হয়। ক্ষমতার অপব্যবহার বলতে সরকারি কর্তৃত্বের অপপ্রয়োগ বোঝায়। আর অর্থ পাচার বলতে বেআইনি কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে পাওয়া অর্থ নিয়ে লেনদেন বোঝায়।
রায়ের তিন দিন পর, ২০২৫ সালের ২৯ ডিসেম্বর, নাজিব দোষী সাব্যস্ত হওয়া ও সাজার বিরুদ্ধে আপিল করেন। SRC মামলার সাজা শেষ হওয়ার পর এই কারাদণ্ড শুরু হওয়ার কথা।
২০২৬ সালের ১৪ অক্টোবর হাইকোর্ট ১৫ বছরের সাজা স্থগিত করতে অস্বীকৃতি জানান। এই রায়ের ফলে নাজিবের আপিল চললেও ২০২৮ সালের আগস্টের পর আরও একটি কারাদণ্ড ভোগের কথা রয়েছে।
তাই দুটি ফৌজদারি মামলার প্রভাব তাঁর কারাবাসের ভিন্ন ভিন্ন পর্যায়ে পড়বে। ৫০ মিলিয়ন রিঙ্গিতের শর্তটি বাকি SRC সাজা গৃহবন্দি অবস্থায় ভোগ করার সঙ্গে সম্পর্কিত। পৃথক 1MDB মামলার রায়ে তার পরের সাজা নির্ধারিত হয়েছে। 1MDB মামলার ১১.৪ বিলিয়ন রিঙ্গিত জরিমানাও SRC মামলার জরিমানা থেকে আলাদা।
SRC-র অর্থ ফেরত দেওয়ার দেওয়ানি রায়ও রয়েছে
ফৌজদারি মামলার বাইরেও নাজিবের বিরুদ্ধে বড় অঙ্কের আর্থিক দাবি রয়েছে। মার্চের ৩১ তারিখ হাইকোর্ট তাঁকে SRC International-কে প্রায় ১.৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দেন। আদালতের সিদ্ধান্ত ছিল, তিনি তাঁর বিশ্বস্ততাজনিত দায়িত্ব লঙ্ঘন করেছেন, পদের অপব্যবহার করেছেন এবং ব্যক্তিগত লাভের জন্য কোম্পানির অর্থ আত্মসাৎ করেছেন।
বিশ্বস্ততাজনিত দায়িত্ব হলো, কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিষয়ের দায়িত্ব পেলে তার স্বার্থে বিশ্বস্তভাবে কাজ করার আইনি বাধ্যবাধকতা। এ মামলায় আদালত বলেছেন, SRC-র প্রতি নিজের দায়িত্ব পালনে নাজিব ব্যর্থ হয়েছেন।
পরে আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত হাইকোর্ট রায়ের কার্যকারিতা স্থগিত করেন। রায়ের কার্যকারিতা স্থগিত থাকলে আদালতের আদেশ বলবৎ করা সাময়িকভাবে বন্ধ থাকে। তাই আপিল চলাকালে ওই রায় অনুযায়ী অর্থ আদায় স্থগিত রয়েছে।
দেওয়ানি মামলার অর্থ ফেরত দেওয়ার আদেশ ও ফৌজদারি জরিমানার উদ্দেশ্য আলাদা। অর্থ ফেরত দেওয়ার রায়ে SRC-কে অর্থ ফেরত দিতে বলা হয়েছে। অন্যদিকে ৫০ মিলিয়ন রিঙ্গিতের জরিমানা ফৌজদারি মামলায় আরোপিত শাস্তি এবং এখন গৃহবন্দিত্ব ব্যবস্থার শর্ত।
SRC International ও এর সহযোগী প্রতিষ্ঠান গ্যান্ডিঙ্গান মেনতারি এসডিএন বিএইচডির আরও কিছু দেওয়ানি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে ৪২ মিলিয়ন রিঙ্গিত নিয়ে মামলা এবং ২০২১ সালে গ্যান্ডিঙ্গান মেনতারির করা মামলাও আছে। 1MDB ও এর চারটি সহযোগী প্রতিষ্ঠানের করা ৫.৬৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের দেওয়ানি মামলাও নাজিবের বিরুদ্ধে রয়েছে। এসব দাবির নিষ্পত্তি এখনো আদালতে হয়নি।
গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তগুলোর ধারাবাহিকতা
বিভিন্ন আদালতের রায়, আপিল ও ক্ষমার সিদ্ধান্তের মধ্য দিয়ে নাজিবের বর্তমান পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। SRC-র সাজা, প্রস্তাবিত গৃহবন্দিত্ব এবং 1MDB মামলার পৃথক শাস্তির ধারাবাহিকতা বোঝার জন্য গুরুত্বপূর্ণ তারিখগুলো নিচে দেওয়া হলো:
- জুলাই ২০২০: কুয়ালালামপুর হাইকোর্ট SRC মামলায় নাজিবকে দোষী সাব্যস্ত করেন এবং ১২ বছরের কারাদণ্ড ও ২১০ মিলিয়ন রিঙ্গিত জরিমানা দেন।
- ডিসেম্বর ২০২১ ও আগস্ট ২০২২: আপিল আদালত ও ফেডারেল কোর্ট SRC মামলার দোষী সাব্যস্ত হওয়া ও সাজা বহাল রাখেন।
- ২৯ জানুয়ারি ২০২৪: পারডনস বোর্ড SRC মামলার সাজা কমিয়ে ছয় বছর এবং জরিমানা কমিয়ে ৫০ মিলিয়ন রিঙ্গিত করে।
- ২৬ ডিসেম্বর ২০২৫: হাইকোর্ট 1MDB মামলায় পৃথকভাবে ১৫ বছরের সাজা ও ১১.৪ বিলিয়ন রিঙ্গিত জরিমানা দেন। ২৯ ডিসেম্বর নাজিব আপিল করেন।
- ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬: ২০২৮ সালের ২৩ আগস্ট পর্যন্ত গৃহবন্দিত্বের অনুমতি দেওয়া শর্তসাপেক্ষ ক্ষমার বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে; তবে এ জন্য জরিমানা পরিশোধ করতে হবে।
- ১৪ ও ১৮ অক্টোবর ২০২৬: হাইকোর্ট 1MDB মামলার সাজা স্থগিত করতে অস্বীকৃতি জানান; পরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, গৃহবন্দিত্বের বিধিমালা প্রণয়ন প্রায় শেষ।
- ১ নভেম্বর ২০২৬: অ্যাটর্নি জেনারেল নিশ্চিত করেন, ৫০ মিলিয়ন রিঙ্গিত জরিমানা এখনো পরিশোধ করা হয়নি এবং নাজিব কারাগারেই রয়েছেন।
মূল কথা
- অ্যাটর্নি জেনারেলের সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী, SRC মামলার ৫০ মিলিয়ন রিঙ্গিত জরিমানা নাজিব পরিশোধ করেননি।
- পরিশোধের নির্দিষ্ট সময়সীমা নেই, তবে জরিমানা বকেয়া থাকায় তিনি কারাগারেই রয়েছেন।
- শর্তসাপেক্ষ ক্ষমায় জরিমানা পরিশোধ সাপেক্ষে ২০২৮ সালের ২৩ আগস্ট পর্যন্ত বাকি SRC সাজা গৃহবন্দি অবস্থায় ভোগের অনুমতি রয়েছে।
- নাজিবের আইনজীবী জরিমানা দেওয়ার সামর্থ্য নেই বলার পর উম্নো একটি সংহতি তহবিল চালু করেছে।
- SRC-র সাজা শেষে পৃথক 1MDB মামলায় ১৫ বছরের কারাদণ্ড শুরু হওয়ার কথা। নাজিব আপিল করেছেন।
- ১.৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের SRC দেওয়ানি অর্থ ফেরত দেওয়ার রায়ের কার্যকারিতা আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত স্থগিত। অন্য দেওয়ানি দাবিগুলোর বিচার চলছে।






