একটি ছোট কার্যালয় সরাসরি যোগাযোগের পথ ফিরিয়ে আনল
ছয় বছরের বেশি সময়ের বিরতির পর পিয়ংইয়ংয়ে কূটনৈতিক উপস্থিতি ফিরিয়েছে সুইজারল্যান্ড। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইগনাজিও ক্যাসিস সফর নিয়ে দক্ষিণ কোরিয়াকে অবহিত করার আগে উত্তর কোরিয়ার জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। আঞ্চলিক সফরে আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আগে ১৯ অক্টোবর নতুন কার্যালয়টির কার্যক্রম শুরু হয়।
সূচিপত্র
সুইজারল্যান্ডের ভাইস প্রেসিডেন্টও ক্যাসিস উত্তর কোরিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী চোয়ে সন হুই এবং ক্ষমতাসীন ওয়ার্কার্স পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সচিব চো ইয়ং ওনের সঙ্গে বৈঠক করেন। তিনি বলেন, আলোচনায় নিয়মিত রাজনৈতিক সংলাপ পুনরুদ্ধার, দুই দেশের সম্পর্ক এবং কোরীয় উপদ্বীপ ও ইউরেশিয়াজুড়ে নিরাপত্তার বিষয় উঠে এসেছে।
দক্ষিণ কোরীয় কর্মকর্তারা জানান, ক্যাসিস ৩০ অক্টোবর তাদের দেশে পৌঁছান এবং জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা উই সুং-লাক ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কৌশল ও গোয়েন্দা দপ্তরের প্রধান জং ইয়ন-দুর সঙ্গে উত্তর কোরিয়া সফর নিয়ে আলোচনা করেন। তাদের প্রতিক্রিয়া ছিল ইতিবাচক: পিয়ংইয়ংয়ের সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রাখা ও বাড়ানোর সুইজারল্যান্ডের প্রচেষ্টাকে স্বাগত জানায় সিউল।
বাস্তব পরিবর্তনটি সীমিত, তবে সুনির্দিষ্ট। উত্তর কোরিয়ায় আবার একজন সুইস কর্মকর্তা কাজ করছেন, যিনি দেশটির কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ রাখতে পারবেন। পিয়ংইয়ং কার্যালয়ে কোনো রাষ্ট্রদূত থাকবেন না; এটি বেইজিংয়ে সুইস দূতাবাসের অধীনেই থাকবে। কূটনৈতিক ও কনস্যুলার সম্পর্কের দায়িত্ব ওই দূতাবাসের কাছেই থাকবে।
সুইজারল্যান্ডের জন্য এই সফরে দুটি কাজ একত্র হয়েছে: উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে নিজেদের রাজনৈতিক সম্পর্ক পুনর্গঠন এবং উপদ্বীপের দুই পাশের কর্মকর্তাদের সঙ্গে আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা। দক্ষিণ কোরিয়ার জন্য পুনরায় চালু হওয়া কার্যালয়টি এমন এক প্রতিবেশীর সঙ্গে যোগাযোগের আরেকটি স্থায়ী কেন্দ্র, যার আন্তর্জাতিক বিনিময় এখনো সীমিত।
পিয়ংইয়ংয়ে ক্যাসিসের আলোচনা
চোয়ে ও ক্যাসিস নতুন রূপে সুইস কার্যালয় পুনরায় চালু করা এবং রাজনৈতিক সম্পর্ক ও সংলাপ স্বাভাবিক করার বিষয়ে আলোচনা করেন। এখানে স্বাভাবিক করার অর্থ, কোভিড-১৯ মহামারির কারণে সৃষ্ট বিঘ্নের পর আনুষ্ঠানিক যোগাযোগকে আরও নিয়মিত ও পূর্বানুমেয় করা।
উত্তর কোরীয় নেতা কিম জং উনের ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে পরিচিত চোও ক্যাসিসের সঙ্গে বৈঠক করেন। তাদের আলোচনায় উত্তর কোরিয়ার পরিস্থিতি এবং বার্ন ও পিয়ংইয়ংয়ের সম্পর্ক জোরদার করার সম্ভাবনা উঠে আসে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও দলের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা, উভয়ের সঙ্গে বৈঠক করে উত্তর কোরিয়ার নেতৃত্ব কাঠামোর দুটি গুরুত্বপূর্ণ অংশের সঙ্গে কথা বলার সুযোগ পান ক্যাসিস।
ক্যাসিস বলেন, আলোচনায় কোরীয় উপদ্বীপের নিরাপত্তা এবং ইউরেশিয়ার বৃহত্তর নিরাপত্তা-উদ্বেগও স্থান পেয়েছে। ইউরেশিয়া বলতে ইউরোপ ও এশিয়াকে বোঝায়; তাই এটি আলোচনার বিস্তৃত পরিসর নির্দেশ করে, বিস্তারিত কর্মসূচি নয়। প্রকাশিত বিবরণে বলা হয়নি, আলোচনায় ইউক্রেনের যুদ্ধ, ওয়াশিংটন ও পিয়ংইয়ংয়ের সম্ভাব্য আলোচনা, কিংবা উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়াকে নিয়ে নির্দিষ্ট কোনো পদক্ষেপের বিষয় ছিল কি না।
তাৎক্ষণিক ফল হলো সুইস উপস্থিতি পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং উচ্চপর্যায়ে মতবিনিময়। ক্যাসিস এই পুনরায় চালুকে পিয়ংইয়ংয়ে সুইজারল্যান্ডের উপস্থিতির নতুন অধ্যায় এবং সরাসরি সংলাপ জোরদারের পথে একটি সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ বলে বর্ণনা করেন।
যোগাযোগ অব্যাহত রাখার উদ্যোগকে স্বাগত সিউলের
৩০ অক্টোবরের বৈঠকে ক্যাসিসের কাছ থেকে সফরের বিবরণ শোনেন উই সুং-লাক। দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্টের দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে যোগাযোগের পথ বজায় রাখা ও সম্প্রসারণের সুইস উদ্যোগকে স্বাগত জানান উই।
উপদ্বীপে শান্তি ও স্থিতিশীলতার গুরুত্ব এবং এসব লক্ষ্য অর্জনে সংলাপ ও কূটনৈতিক প্রচেষ্টার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে দুই কর্মকর্তা একমত হন। সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোতে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ অব্যাহত রাখতেও তারা সম্মত হন।
জং ইয়ন-দু ক্যাসিসের সঙ্গে আলাদা নৈশভোজ বৈঠক করেন। দক্ষিণ কোরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, তাদের আলোচনায় দুই দেশের সম্পর্ক, কোরীয় উপদ্বীপ এবং অন্যান্য আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিষয় স্থান পায়। উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের লক্ষ্যে সিউলের নীতি ও প্রচেষ্টা ব্যাখ্যা করেন জং।
সুইস কার্যালয় পিয়ংইয়ংয়ের সঙ্গে বৃহত্তর যোগাযোগ ও সম্পৃক্ততায় ইতিবাচক অবদান রাখবে বলে আশাও প্রকাশ করেন জং। উত্তর কোরিয়া সফরের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন ক্যাসিস এবং সুইজারল্যান্ড ও দক্ষিণ কোরিয়ার ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ বজায় রাখা উচিত বলে একমত হন।
মানবিক কাজ থেকে রাজনৈতিক উপস্থিতি
মানবিক সহায়তার কাজ পরিচালনায় ১৯৯৭ সালে পিয়ংইয়ংয়ে কার্যালয় প্রতিষ্ঠা করে সুইস এজেন্সি ফর ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড কো-অপারেশন। মহামারির সময় উত্তর কোরিয়া সীমান্ত বন্ধ করে দিলে ২০২০ সালের মার্চে সংস্থাটির আন্তর্জাতিক কর্মীরা দেশ ছাড়েন। ফলে এবার ফিরছে সরাসরি উপস্থিতি, তবে কার্যালয়টির মূল ভূমিকা বদলে যাচ্ছে।
নতুন কার্যক্রমের নির্দিষ্ট রাজনৈতিক উদ্দেশ্য রয়েছে। সুইজারল্যান্ডের পিয়ংইয়ংয়ে ফেরার ঘোষণা দেওয়ার সময় জানানো হয়েছিল, সাবেক মানবিক সহযোগিতা কার্যালয়ের প্রাঙ্গণ ব্যবহার করে সেখানে একজন আবাসিক সুইস কূটনীতিক ও দুজন স্থানীয় কর্মী কাজ করবেন। সুইজারল্যান্ড ও উত্তর কোরিয়ার কূটনৈতিক সম্পর্ক ১৯৭৪ সাল থেকে।
বৃহত্তর সম্পর্কের দায়িত্ব বেইজিংয়ের কাছেই থাকবে। বিদেশে সুইস নাগরিকদের আনুষ্ঠানিক সহায়তা দেওয়ার কাজ, অর্থাৎ কনস্যুলার দায়িত্বও সেখানকার দূতাবাসের অধীনে থাকবে। এই ব্যবস্থায় রাষ্ট্রদূতের নেতৃত্বে আলাদা দূতাবাস স্থাপন না করেই পিয়ংইয়ংয়ে একজন সুইস প্রতিনিধি থাকবেন।
কর্মীসংখ্যার পরিকল্পনা থেকে ফেরার পরিসরটি স্পষ্ট হয়: পিয়ংইয়ংয়ে তিনজন, আর সহায়তা ও দায়িত্ব বেইজিংয়ে থাকবে। তাৎক্ষণিক প্রধান সুবিধা হলো ধারাবাহিকতা। আবাসিক কূটনীতিক মন্ত্রী পর্যায়ের সফরের মধ্যবর্তী সময়েও যোগাযোগ বজায় রাখতে, স্থানীয় পরিস্থিতির ওপর নজর রাখতে এবং উত্তর কোরীয় কর্তৃপক্ষের কাছে সরাসরি বিষয় উত্থাপন করতে পারবেন।
মানবিক সহায়তায় এখনো শর্ত রয়েছে
নতুন করে চালু হওয়া উপস্থিতির ফলে সুইজারল্যান্ড মানবিক কর্মসূচি আবার শুরু করতে পারলে উত্তর কোরিয়ার বাসিন্দারা ভবিষ্যতে বাস্তব সুফল পেতে পারেন। আগে চিহ্নিত ক্ষেত্রগুলোর মধ্যে রয়েছে স্বাস্থ্য, পানীয় জল ও খাদ্যনিরাপত্তা; সবই বেসামরিক মানুষের মৌলিক চাহিদার সঙ্গে সম্পর্কিত।
এ ধরনের কাজের জন্য সুইজারল্যান্ড কিছু কার্যকরী শর্ত নির্ধারণ করেছে। দেশটির বিশেষজ্ঞদের প্রকল্পস্থলে যাওয়ার সুযোগ, সরঞ্জাম ও সহায়তা সামগ্রী আনার অনুমতি, কাজের প্রয়োজনে চলাচলের স্বাধীনতা এবং সুইস অর্থায়ন কীভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে তা যাচাই করার সুযোগ লাগবে। সহায়তা কর্মসূচি নির্ধারিত উপকারভোগীদের কাছে পৌঁছাতে এবং যথাযথভাবে তদারক হতে পারবে কি না, তা এসব শর্তের ওপর নির্ভর করে।
তাই কার্যালয়টির দুটি সম্পর্কিত দায়িত্ব রয়েছে: রাজনৈতিক যোগাযোগ বজায় রাখা এবং সুইস শর্তে মানবিক কাজ পরিচালনা করা সম্ভব কি না তা খতিয়ে দেখা। কূটনৈতিক যোগাযোগ পুনঃপ্রতিষ্ঠার কাজ ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে; সহায়তা কার্যক্রম সাজাতে প্রবেশাধিকার, সরবরাহ ও তদারকি নিয়ে সমঝোতা প্রয়োজন।
উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি এবং আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা কার্যকরের বিষয়ে সুইজারল্যান্ডের অবস্থান অপরিবর্তিত রয়েছে বলেও দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে। বিদ্যমান নীতিগুলো বহাল রেখেই উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের উদ্যোগ নিচ্ছে সুইজারল্যান্ড।
দীর্ঘদিনের যোগাযোগের ভিত্তিতে বিরল সফর
২০০৩ সালে তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মিশেলিন কালমি-রে-র পর উত্তর কোরিয়া সফর করা প্রথম সুইস মন্ত্রিসভার সদস্য ক্যাসিস। এর মধ্য দিয়ে দুই দশকের বেশি সময়ের বিরতি শেষ হলো। তার সফরে এমন এক সম্পর্ক উচ্চপর্যায়ের রাজনৈতিক মনোযোগ পাচ্ছে, যার সঙ্গে মানবিক সহায়তাকর্মী এবং উপদ্বীপে সুইজারল্যান্ডের দীর্ঘদিনের নিরাপত্তা ভূমিকারও যোগ রয়েছে।
কোরীয় যুদ্ধে লড়াই বন্ধ করা যুদ্ধবিরতি চুক্তি পালিত হচ্ছে কি না, তা পর্যবেক্ষণকারী নিরপেক্ষ রাষ্ট্রসমূহের তদারকি কমিশনে ৭০ বছরের বেশি সময় ধরে অংশ নিচ্ছে সুইজারল্যান্ড। যুদ্ধবিরতি হলো শত্রুতা বন্ধের একটি চুক্তি। কমিশনে সুইজারল্যান্ডের ভূমিকার ইতিহাস পিয়ংইয়ংয়ের কার্যালয়েরও বহু আগের।
কিম জং উনও সুইজারল্যান্ডে পড়াশোনা করেছেন। দুই দেশের আনুষ্ঠানিক সম্পর্কের পাশাপাশি এই ব্যক্তিগত যোগসূত্রও রয়েছে। উত্তর কোরিয়ার প্রথম পারমাণবিক সংকটের সময় যুক্তরাষ্ট্র ও উত্তর কোরিয়ার মধ্যে জেনেভা চুক্তির আয়োজন করেছিল সুইজারল্যান্ড।
পিয়ংইয়ং থেকে সিউলে ক্যাসিসের সফর ছিল সিঙ্গাপুরের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ভিভিয়ান বালাকৃষ্ণনের মে মাসের আঞ্চলিক সফরের অনুরূপ। এ ধরনের সফরে একজন মন্ত্রী দুই রাজধানীর কর্মকর্তাদের কাছ থেকে সরাসরি অবস্থান জানতে পারেন এবং একই সফরে আঞ্চলিক উত্তেজনা নিয়ে আলোচনা করতে পারেন।
ফেরার প্রক্রিয়া যেভাবে এগিয়েছে
বছরের পর বছর সরাসরি যোগাযোগ বন্ধ থাকার পর কার্যালয়টি পুনরায় চালু হলো। মানবিক কার্যালয় থেকে সুইজারল্যান্ড কীভাবে সুস্পষ্ট রাজনৈতিক ভূমিকা নিয়ে আবার উপস্থিত হলো, তা প্রধান ঘটনাগুলোতে দেখা যায়:
- ১৯৯৭: মানবিক কাজের জন্য পিয়ংইয়ংয়ে কার্যালয় প্রতিষ্ঠা করে সুইস এজেন্সি ফর ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড কো-অপারেশন।
- ২০০৩: সুইস মন্ত্রিসভার কোনো সদস্যের উত্তর কোরিয়ায় আগের সফরটি করেন মিশেলিন কালমি-রে।
- ২০২০ সালের মার্চ: মহামারির কারণে উত্তর কোরিয়া সীমান্ত বন্ধ করলে সুইস আন্তর্জাতিক কর্মীরা দেশ ছাড়েন।
- ১৯ অক্টোবর: পিয়ংইয়ংয়ে পুনঃপ্রতিষ্ঠিত সুইস কার্যালয় কার্যক্রম শুরু করে।
- ২৬ অক্টোবর: ২৯ থেকে ৩১ অক্টোবরের জন্য নির্ধারিত ক্যাসিসের আঞ্চলিক সফরের ঘোষণা দেয় সুইজারল্যান্ড।
- ২৯ অক্টোবর: দক্ষিণ কোরীয় কর্মকর্তাদের দেওয়া সময়রেখা অনুযায়ী, কার্যালয়ের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান ও বৈঠকে যোগ দিতে ক্যাসিস পিয়ংইয়ংয়ে ছিলেন।
- ৩০ অক্টোবর: দক্ষিণ কোরীয় কর্তৃপক্ষ তার আগমন এবং উই সুং-লাক ও জং ইয়ন-দুর সঙ্গে পরামর্শ-বৈঠকের তথ্য নথিভুক্ত করে।
প্রাথমিক বিবরণে বলা হয়েছিল, বৃহস্পতিবার উদ্বোধনী অনুষ্ঠান এবং শুক্রবার ক্যাসিস দক্ষিণ কোরিয়ার উদ্দেশে রওনা হবেন। দক্ষিণ কোরীয় কর্তৃপক্ষ তারিখ জানায় যথাক্রমে ২৯ ও ৩০ অক্টোবর। সিউলের বৈঠকগুলোর সময়রেখার ক্ষেত্রে দক্ষিণ কোরিয়ার তারিখসহ বিবরণটিই প্রযোজ্য।
সুইজারল্যান্ডের পরবর্তী বাস্তব কাজ হলো পুনঃপ্রতিষ্ঠিত উপস্থিতিকে নিয়মিত যোগাযোগে রূপ দেওয়া। সিউল এই প্রচেষ্টাকে স্বাগত জানিয়েছে এবং বার্নের সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রাখতে সম্মত হয়েছে। বেসামরিক মানুষের জন্য মানবিক সহায়তা আবার শুরু হবে কি না, তা নির্ভর করছে কর্মসূচির জন্য সুইজারল্যান্ডের নির্ধারিত কাজের শর্তের ওপর।
মূল বিষয়গুলো
- ২০২০ সালের মার্চে আন্তর্জাতিক কর্মীরা দেশ ছাড়ার পর ১৯ অক্টোবর পিয়ংইয়ংয়ে সুইস কার্যালয়ের কার্যক্রম পুনরায় শুরু হয়।
- ইগনাজিও ক্যাসিস উত্তর কোরিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী চোয়ে সন হুই ও ওয়ার্কার্স পার্টির জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা চো ইয়ং ওনের সঙ্গে বৈঠক করেন।
- আলোচনায় দ্বিপক্ষীয় রাজনৈতিক সংলাপ এবং কোরীয় উপদ্বীপ ও ইউরেশিয়ার নিরাপত্তা উঠে আসে।
- ৩০ অক্টোবরের পরামর্শ-বৈঠকে পিয়ংইয়ংয়ের সঙ্গে সুইস যোগাযোগকে স্বাগত জানান দক্ষিণ কোরীয় কর্মকর্তারা।
- কার্যালয়ে কোনো রাষ্ট্রদূত থাকবেন না; এটি বেইজিংয়ে সুইস দূতাবাসের কাছে জবাবদিহি করবে।
- মানবিক কর্মসূচি নতুন করে চালু করা নির্ভর করবে প্রবেশাধিকার, সরবরাহ, কর্মীদের চলাচল ও আর্থিক তদারকির ওপর।






