আচেহ হাসপাতালের কর্মীদের পোশাক বদলানোর কক্ষ থেকে গোপন ক্যামেরা অপসারণ, স্থাপনের নির্দেশ দিয়েছিলেন কক্ষের তত্ত্বাবধায়ক

পড়তে 7 মিনিট
Hidden Camera Removed From Aceh Hospital Staff Changing Room, Installation Linked to Room Supervisor

হাসপাতাল বলছে, কক্ষের তত্ত্বাবধায়কের নির্দেশে ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছিল

বান্দা আচেহর ড. জাইনোয়েল আবিদিন আঞ্চলিক সাধারণ হাসপাতালের কর্মীদের পোশাক বদলানোর কক্ষে সাদা এয়ার ফ্রেশনারের খোলসের ভেতরে লুকানো একটি ক্যামেরা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে খবর পৌঁছানোর পর সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬-এ খুলে নেওয়া হয়। হাসপাতালের উপপরিচালক (সেবা) ড. নোভিতা বলেন, কক্ষের তত্ত্বাবধায়কের নির্দেশে ডিভাইসটি স্থাপন করা হয়েছিল।

সূচিপত্র
  1. হাসপাতাল বলছে, কক্ষের তত্ত্বাবধায়কের নির্দেশে ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছিল
  2. আবিষ্কারের ভিডিওতে যা দেখা যায়
  3. কে ক্যামেরা স্থাপনের নির্দেশ দিয়েছিলেন, জানালেন নোভিতা
  4. বিদ্যুৎ সংযোগ ও রেকর্ডিং আলাদা প্রশ্ন কেন
  5. যেভাবে এগিয়েছে ঘটনা
  6. তদন্তের কেন্দ্রে কর্মীদের গোপনীয়তা
  7. মূল বিষয়গুলো

নোভিতা বলেন, খুলে নেওয়ার সময় ক্যামেরাটি আর সক্রিয় ছিল না, যদিও এতে তখনও বিদ্যুৎ সংযোগ ছিল। কক্ষে বারবার জিনিসপত্র হারিয়ে যাওয়ার ঘটনার সঙ্গে ক্যামেরা স্থাপনকে তিনি যুক্ত করেন। তবে পরিস্থিতি এখনও তদন্তাধীন বলে জানান তিনি।

একটি ভিডিওতে খোলসটি খুলে ভেতরে বৈদ্যুতিক তারের সঙ্গে যুক্ত ক্যামেরা দেখানোর পর বিষয়টি ব্যাপকভাবে আলোচিত হয়। ভিডিওতে এক নারীকে বলতে শোনা যায়, তিনি এর আগে ওই কক্ষে পোশাক বদলেছেন। দেয়ালে লাগানো বস্তুটির ভেতরে কী ছিল, তা জানতে পেরে তিনি বিস্ময় প্রকাশ করেন।

সাধারণভাবে RSUDZA নামে পরিচিত হাসপাতালটি ক্যামেরার উপস্থিতি এবং সেটি সরিয়ে নেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। হাসপাতালের বক্তব্যে নজর পড়েছে ভেতরের একটি সিদ্ধান্তের দিকে: কে ক্যামেরা স্থাপনের নির্দেশ দিয়েছিলেন, কর্মীদের পোশাক বদলানোর কক্ষটি কেন বেছে নেওয়া হয়েছিল এবং ডিভাইসটি কীভাবে ব্যবহার করা হয়েছিল।

কক্ষটি ব্যবহার করা কর্মীদের তাৎক্ষণিক উদ্বেগ ব্যক্তিগত। পোশাক খোলা ও বদলানোর জায়গাটিতে একটি গোপন ক্যামেরা ছিল। জিনিসপত্র হারিয়ে যাওয়ার ব্যাখ্যাটি ক্যামেরা স্থাপনের কথিত কারণ তুলে ধরে; সেখানে থাকার সময় কী ঘটেছিল, তদন্তে সেটিও প্রতিষ্ঠা করতে হবে।

আবিষ্কারের ভিডিওতে যা দেখা যায়

ভিডিওটি ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট @cutbul_asli থেকে ছড়িয়ে পড়ে এবং মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ব্যাপকভাবে আলোচিত হয়। এতে কর্মীদের পোশাক বদলানোর কক্ষের দেয়ালে লাগানো সাদা স্বয়ংক্রিয় এয়ার ফ্রেশনারের খোলস দেখা যায়। সামনের অংশ খুললে ভেতরে একটি ক্যামেরা ও বৈদ্যুতিক সংযোগ দেখা যায়।

বিজ্ঞাপন

খোলসটি গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এর ফলে ডিভাইসটিকে কক্ষের সাধারণ একটি সরঞ্জাম বলে মনে হতো। পোশাক বদলাতে আসা কেউ এয়ার ফ্রেশনার দেখলেও তার ভেতরে ক্যামেরা আছে, তা বুঝতে পারতেন না। ভিডিওতে নারীর প্রতিক্রিয়ায় সেই উদ্বেগ স্পষ্ট: তিনি বলেন, এরই মধ্যে তিনি ওই কক্ষে পোশাক বদলেছেন।

ক্যামেরা আবিষ্কারের দৃশ্য ধারণ করা একজন আরও বলেন, বিষয়টি প্রধান নার্সকে জানানো হবে। পরে হাসপাতাল জানায়, তারা খবর পেয়েছে এবং ক্যামেরাটি সরিয়ে নিয়েছে। ওই নারী বা ভিডিও ধারণকারী ব্যক্তির পরিচয় বিবরণে উল্লেখ করা হয়নি। তাই তাঁদের মন্তব্যকে ভিডিওতে শোনা বক্তব্য হিসেবেই দেখা উচিত।

ঘটনার বিবরণে স্থানটিকে কর্মীদের পোশাক বদলানোর কক্ষ বলা হয়েছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এটিকে প্রসূতি ওয়ার্ডের ধাত্রীদের কক্ষ হিসেবে চিহ্নিত করেছে। স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে গোপনীয়তা নিয়ে এ আবিষ্কার বৃহত্তর উদ্বেগ তৈরি করলেও, এই নির্দিষ্ট কক্ষের ব্যবহারকারী হিসেবে সরাসরি যাঁদের কথা বলা হয়েছে, তাঁরা হাসপাতালের কর্মী।

কে ক্যামেরা স্থাপনের নির্দেশ দিয়েছিলেন, জানালেন নোভিতা

উপপরিচালক (সেবা) হিসেবে কথা বলতে গিয়ে নোভিতা বলেন, কক্ষটির দায়িত্বে থাকা ব্যক্তির নির্দেশে ক্যামেরাটি স্থাপন করা হয়েছিল। ইন্দোনেশীয় ভাষা থেকে অনূদিত তাঁর বক্তব্য:

কক্ষের তত্ত্বাবধায়কের নির্দেশে এটি স্থাপন করা হয়েছিল।

তাঁর বক্তব্যে তদন্তের জন্য হাসপাতালের একটি নির্দিষ্ট ব্যবস্থাপনাগত সিদ্ধান্ত উঠে এসেছে। তত্ত্বাবধায়কের নির্দেশ দেওয়া এবং বাস্তবে ক্যামেরা স্থাপন করা—এ প্রক্রিয়ার দুটি আলাদা অংশ। কাউকে কক্ষে ক্যামেরা বসানোর নির্দেশ দেওয়া এক ধরনের কাজ; সরঞ্জামটি লাগানো ও বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া অন্য কাজ।

ক্যামেরা স্থাপনের কারণ সম্পর্কেও নোভিতা কথা বলেছেন। ইন্দোনেশীয় ভাষা থেকে অনূদিত তাঁর দ্বিতীয় বক্তব্য:

কারণ ছিল, ওই কক্ষে প্রায়ই জিনিসপত্র হারিয়ে যেত, আর বিষয়টি এখনও তদন্ত করা হচ্ছে।

পোশাক বদলানোর জায়গায় ব্যক্তিগত জিনিস রেখে যাওয়া কর্মীরা বারবার জিনিস হারানোর ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত হতেন। হাসপাতালের তদন্তে এখন ওই নিরাপত্তা সমস্যার কথিত কারণ এবং কর্মীদের পোশাক বদলানোর স্থানে গোপন ক্যামেরা বসানোর সিদ্ধান্ত—দুটিই খতিয়ে দেখা হচ্ছে। নোভিতা হারিয়ে যাওয়া জিনিসপত্রের বিষয়টিকে তদন্তাধীন ব্যাখ্যা হিসেবে তুলে ধরেছেন। তদন্ত এখনও চলছে।

RSUDZA-এর পরিচালক ড. মুহাজার হারুন বলেন, সিসিটিভি স্থাপন হাসপাতাল নেতৃত্বের নীতি ছিল না। তিনি বলেন, হাসপাতালে নজরদারি সরঞ্জাম স্থাপনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় ও অনুমোদন নিতে হয়। এ ক্ষেত্রে নিরাপত্তা, গোপনীয়তা এবং রোগী ও স্বাস্থ্যকর্মীদের ব্যক্তিগত গোপনীয়তার বিষয় বিবেচনায় রাখতে হয়।

কর্তৃপক্ষ জানায়, স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর এবং সমন্বয়ের শর্ত মানা হয়েছে কি না, তা নিয়ে অভ্যন্তরীণ মূল্যায়নের অংশ হিসেবে সিসিটিভি স্থাপন ও ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। মুহাজার বলেন, ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঠেকানো, গোপনীয়তা রক্ষা এবং পেশাদার স্বাস্থ্যসেবা অব্যাহত রাখতে অভ্যন্তরীণ মূল্যায়ন ও উন্নয়ন কার্যক্রম চলছে।

বিজ্ঞাপন

বিদ্যুৎ সংযোগ ও রেকর্ডিং আলাদা প্রশ্ন কেন

নোভিতা বলেন, ক্যামেরাটি নিষ্ক্রিয় ছিল, তবে খুলে নেওয়ার সময়ও এতে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হচ্ছিল। দুটি অবস্থা একসঙ্গে থাকতে পারে: কোনো ডিভাইসে বিদ্যুৎ সংযোগ থাকলেও তার রেকর্ডিংয়ের কাজ বন্ধ থাকতে পারে বা অন্য কারণে চলমান না-ও থাকতে পারে।

ক্যামেরার বিদ্যুৎ সংযোগ সেটি চালানোর জন্য প্রয়োজনীয় শক্তি সরবরাহ করে। রেকর্ডিং আলাদা একটি কাজ, যাতে ছবি ধারণ ও সংরক্ষণ করা হয়। সরঞ্জামের ধরন অনুযায়ী ছবি ডিভাইসের ভেতরে সংরক্ষিত হতে পারে বা অন্য কোনো সিস্টেমে পাঠানো হতে পারে। খোলার সময় ক্যামেরাটির অবস্থা সম্পর্কে হাসপাতাল জানিয়েছে; এর আগে সেটি কীভাবে কাজ করেছিল, তা তদন্তের বিষয়।

ক্যামেরাটি কবে স্থাপন করা হয়েছিল, কত দিন সেখানে ছিল, কখনও ছবি ধারণ বা পাঠিয়েছিল কি না, কোনো ফুটেজ আছে কি না কিংবা কারা সেটিতে প্রবেশাধিকার পেত—এসব বিষয়ে হাসপাতাল প্রকাশ্যে কিছু জানায়নি। কক্ষের তত্ত্বাবধায়কের নাম, স্থাপনকারী ব্যক্তির পরিচয় বা তদন্তের ফল প্রকাশের তারিখও জানানো হয়নি।

কর্মীদের জন্য এসব তথ্য থেকে জানা যাবে, ডিভাইসটি কত দিন সেখানে ছিল এবং পোশাক বদলানোর সময় কারও ছবি ধারণ করা হয়েছিল কি না। সরঞ্জামের কার্যকারিতা ও এর সঙ্গে যুক্ত কোনো সংরক্ষণব্যবস্থা নিয়ে কারিগরি পরীক্ষা করতে হবে। পাশাপাশি ক্যামেরা স্থাপনের সিদ্ধান্তও হাসপাতালের তদন্তে খতিয়ে দেখতে হবে।

যেভাবে এগিয়েছে ঘটনা

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দেওয়া তারিখ এবং ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার সময়রেখা থেকে বোঝা যায়, অনলাইনে বিষয়টি ব্যাপকভাবে আলোচিত হওয়ার আগেই ক্যামেরাটি সরানো হয়েছিল। এরপর জনমনে আলোচনার ফলে হাসপাতালের ব্যাখ্যা সামনে আসে।

  • ২৬ অক্টোবর ২০২৬-এর আগে: কর্মীদের পোশাক বদলানোর কক্ষে এয়ার ফ্রেশনারের খোলসের ভেতরে ক্যামেরাটি স্থাপন করা হয়। নোভিতা বলেন, কক্ষের তত্ত্বাবধায়কের নির্দেশে এটি স্থাপন করা হয়েছিল।
  • সোমবার, ২৬ অক্টোবর: নোভিতার ভাষ্য অনুযায়ী, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ খবর পেয়ে ক্যামেরাটি সরিয়ে নেয়।
  • মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর: আবিষ্কারের ভিডিও ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে। তত্ত্বাবধায়কের নির্দেশ এবং জিনিসপত্র হারিয়ে যাওয়ার বিষয়ে নোভিতার ব্যাখ্যাও প্রকাশ্যে আসে।
  • বুধবার, ২৮ অক্টোবর: পরবর্তী বিবরণগুলোতেও ডিভাইসটি সরিয়ে নেওয়া হয়েছে এবং পরিস্থিতি তদন্তাধীন—হাসপাতালের এ বক্তব্য পুনর্ব্যক্ত করা হয়।

ঘটনার ধারাবাহিকতায় কর্মীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ দুটি বিষয় আলাদা হয়ে ওঠে: কক্ষ থেকে সরঞ্জাম সরানো এবং সরানোর আগের ঘটনা খতিয়ে দেখা। প্রথম পদক্ষেপটি কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে। এর আগে নেওয়া সিদ্ধান্ত ও ডিভাইসটির ব্যবহার নিয়ে তদন্ত চলছে।

বিজ্ঞাপন

তদন্তের কেন্দ্রে কর্মীদের গোপনীয়তা

পোশাক বদলানোর কক্ষ ব্যবহারকারী কর্মীদের গোপনীয়তা প্রত্যাশা করার বাস্তব কারণ ছিল: তাঁরা সেখানে পোশাক বদলাতে যেতেন। দৈনন্দিন ব্যবহারের একটি জিনিসের ভেতরে ক্যামেরা লুকানো থাকায় কক্ষের ব্যবহারকারীদের পক্ষে সেটির উপস্থিতি বোঝা কঠিন ছিল। ফলে কীভাবে স্থাপনের অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল এবং এর তদারকি কীভাবে হয়েছিল, তা বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের মন্তব্যে এই উদ্বেগ প্রতিফলিত হয়েছে। কেউ কেউ দায়ী ব্যক্তিদের শনাক্ত এবং কারিগরি কর্মীদের জিজ্ঞাসাবাদের দাবি জানিয়েছেন। অন্যরা অন্য কোথাও একই ধরনের ডিভাইস আছে কি না, তা পরীক্ষা করার অনুরোধ জানিয়েছেন। এগুলো বৃহত্তর পদক্ষেপের দাবি, হাসপাতালের তদন্তে পাওয়া কোনো সিদ্ধান্ত নয়।

জিনিসপত্র হারিয়ে যাওয়ার কথিত কারণটিরও সুনির্দিষ্ট ব্যাখ্যা প্রয়োজন। কী কী জিনিস হারিয়েছিল, কারা বিষয়টি জানিয়েছিলেন এবং এর প্রতিক্রিয়ায় ক্যামেরা কেন বেছে নেওয়া হয়েছিল—এসব জানা গেলে নোভিতার বর্ণিত সিদ্ধান্তটি ব্যাখ্যা করা সহজ হবে। অন্যদিকে, ডিভাইসটি পরীক্ষা করলে এর কার্যকারিতা এবং কোনো ছবি ধারণ করেছিল কি না, সে বিষয়ে প্রশ্নের উত্তর পাওয়া যেতে পারে।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তারা ঘটনাটি তদন্ত করছে। সংশ্লিষ্ট কর্মীদের জন্য কার্যকর ফল হবে—কে ডিভাইসটির অনুমোদন দিয়েছিলেন, এটি কীভাবে ব্যবহার করা হয়েছিল এবং কোনো ছবি থাকলে সেগুলোর কী হয়েছে, তার স্পষ্ট বিবরণ। ক্যামেরা সরিয়ে নেওয়ায় পোশাক বদলানোর কক্ষে সেটির উপস্থিতির অবসান হয়েছে; সেখানে গোপনে থাকার সময়টুকুর হিসাব তদন্তে তুলে ধরতে হবে।

মূল বিষয়গুলো

  • বান্দা আচেহর RSUDZA ২৬ অক্টোবর ২০২৬-এ কর্মীদের পোশাক বদলানোর কক্ষ থেকে একটি গোপন ক্যামেরা সরিয়ে নেয়।
  • দেয়ালে লাগানো সাদা এয়ার ফ্রেশনারের খোলসের ভেতরে ডিভাইসটি লুকানো ছিল।
  • উপপরিচালক (সেবা) ড. নোভিতা বলেন, কক্ষের তত্ত্বাবধায়ক এটি স্থাপনের নির্দেশ দিয়েছিলেন।
  • পরিচালক ড. মুহাজার হারুন বলেন, এটি হাসপাতাল নেতৃত্বের নীতি ছিল না এবং নজরদারি সরঞ্জাম স্থাপনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় ও অনুমোদন প্রয়োজন।
  • কর্তৃপক্ষ জানায়, সিসিটিভি স্থাপন ও ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
  • নোভিতা জিনিসপত্র বারবার হারিয়ে যাওয়াকে ক্যামেরা স্থাপনের কথিত কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন; পরিস্থিতি এখনও তদন্তাধীন।
  • তিনি বলেন, ক্যামেরাটি সরানোর সময় নিষ্ক্রিয় ছিল, তবে বিদ্যুৎ সংযোগ চালু ছিল।
  • ডিভাইসটি আগে কীভাবে কাজ করত, কোনো রেকর্ডিং হয়েছে কি না বা কারা এতে প্রবেশাধিকার পেত—হাসপাতাল এখনও তা জানায়নি।
এই নিবন্ধটি শেয়ার করুন

আপনার পছন্দ হতে পারে