সাংহাইয়ে তিনবার এগিয়ে নাটকীয় জয়
মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ এলিটে প্রথম জয় তুলে নিয়েছে কং আন হা নই। তিনবার এগিয়ে যাওয়ার পর এবং পুনরায় নিতে হওয়া একটি পেনাল্টি সামলে তারা সাংহাই পোর্টকে ৩-২ গোলে হারায়। SAIC Motor Pudong Arena-তে ব্রায়ান পেরেয়া দুই গোল করেন। লিও আর্তুর একটি গোল করার পাশাপাশি বাকি দুই গোলের সুযোগও তৈরি করেন।
সূচিপত্র
- সাংহাইয়ে তিনবার এগিয়ে নাটকীয় জয়
- পেরেয়ার গোলের আগে শুরুতেই হুঁশিয়ারি
- অ্যাম্পেম ও কাম্পোসের গোলে দুইবার সমতায় পোর্ট
- আর্তুর-পেরেয়ার সমন্বয়ে নির্ধারিত হলো জয়
- এক পেনাল্টি, দুইবার শট, গোল হলো না
- যেভাবে মোড় নিল ম্যাচ
- ৩৫ শতাংশ বলের দখলই কেন যথেষ্ট ছিল
- তিন পয়েন্ট নিয়ে পরের ম্যাচ কিয়োতো সাঙ্গার বিপক্ষে
- মূল বিষয়গুলো
প্রায় ১৮ হাজার দর্শকের সামনে মাত্র ৩৫ শতাংশ বলের দখল নিয়ে জেতে ভিয়েতনামের চ্যাম্পিয়নরা। প্রিন্স অ্যাম্পেম ও মিগেল কাম্পোসের গোলে দুইবার সমতায় ফেরে সাংহাই পোর্ট। এরপর ৬৯তম মিনিটে জয়সূচক গোলটি করেন পেরেয়া। পেনাল্টি নিয়ে উদ্বেগ এবং যোগ করা সময়ের নয় মিনিট পার করে এগিয়ে থাকা ব্যবধান ধরে রাখে সফরকারীরা।
এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশনের ম্যাচ প্রতিবেদন নিশ্চিত করেছে, ২০২৬/২৭ মৌসুমে CAHN-এর প্রথম জয়ে তাদের পয়েন্ট হলো তিন, সাংহাই পোর্টের চেয়ে এক কম। কোচ মানো পোলকিংয়ের দলের জন্য এই ফল প্রতিযোগিতার কঠিন শুরুর অবসান ঘটিয়েছে। প্রথম দুই ম্যাচে হারের পর এটাই তাদের প্রথম পয়েন্ট।
ম্যাচে নামার আগে টানা ১৩ ম্যাচে অপরাজিত ছিল সাংহাই পোর্ট, যার মধ্যে ১০টিতেই জিতেছিল তারা। অন্যদিকে, দুই হারসহ টানা তিন ম্যাচে জয় পায়নি CAHN। দীর্ঘ সময় বলের দখল রাখার চেষ্টা না করে নিজেদের অর্ধে বল কেড়ে দ্রুত আক্রমণে উঠে সেই ধারায় বদল আনে সফরকারীরা।
পেরেয়ার গোলের আগে শুরুতেই হুঁশিয়ারি
দিন বাককে ছাড়াই সাংহাইয়ে গিয়েছিল CAHN, তবু শুরুতেই গোলের সুযোগ তৈরি করে তারা। অষ্টম মিনিটে দোয়ান ভান হাউয়ের সঙ্গে বল আদানপ্রদান করে পেনাল্টি এলাকায় ঢুকে পড়েন পেরেয়া। তবে কাছ থেকে নেওয়া তার শট আটকে দেন স্বাগতিক দলের এক ডিফেন্ডার।
এরপরই বোঝা যায়, শুধু আক্রমণাত্মক মানসিকতা নিয়ে এ ম্যাচে জেতা সহজ হবে না। ১৪তম মিনিটে উ লেই বল জালে পাঠালেও অফসাইডের কারণে গোলটি বাতিল হয়। ২৫তম মিনিটে অ্যাম্পেমের বিপজ্জনক প্রচেষ্টা ঠেকিয়ে দেন গুয়েন ফিলিপ, ফলে সমতা বজায় থাকে।
আলান গ্রাফিতে, স্টেফান মক ও আর্তুরের সমন্বয়ে গড়া আক্রমণ থেকে ৩৫তম মিনিটে গোলের সূচনা করেন পেরেয়া। মাঝমাঠ দিয়ে বল এগিয়ে নিতে সাহায্য করেন আলান, পেনাল্টি এলাকার ভেতর আড়াআড়ি পাস বাড়ান মক, আর্তুর বলটি পেরেয়ার পথে ঠেলে দেন। কাছ থেকে বল জালে পাঠান এই ফরোয়ার্ড।
গোলটি CAHN-এর আক্রমণভাগের সমন্বয়ের কার্যকারিতা দেখায়। পেরেয়ার ফিনিশিংয়ের আগে কয়েকজন খেলোয়াড় অবদান রাখেন। অল্প সময়ের জন্য বলের দখল পেয়েই সফরকারীরা স্পষ্ট গোলের সুযোগ তৈরি করতে পেরেছিল।
অ্যাম্পেম ও কাম্পোসের গোলে দুইবার সমতায় পোর্ট
পেরেয়ার গোলের নয় মিনিট পর, ৪৪তম মিনিটে সমতা ফেরান অ্যাম্পেম। বাঁ দিক থেকে ভেতরে ঢুকে পেনাল্টি এলাকার বাইরে থেকে শট নেন ঘানার এই উইঙ্গার। ফ্রান্স পুত্রোসের গায়ে লেগে দিক বদলে বলটি ফিলিপকে পরাস্ত করে জালে যায়। বিরতিতে দুই দল ১-১ গোলে সমতায় ছিল।
পুরো ম্যাচজুড়েই গতি ও ড্রিবলিংয়ে সমস্যায় ফেলেন অ্যাম্পেম। তাকে থামানোর চেষ্টায় পুত্রোস ও মক দুজনই হলুদ কার্ড দেখেন। স্প্যানিশ মিডফিল্ডার অস্কার মেলেন্দোর পাস থেকেও হুমকি তৈরি করে সাংহাই পোর্ট। তার উঁচু করে বাড়ানো বলে আগেই সুযোগ পেয়েছিলেন অ্যাম্পেম, তবে পরিস্থিতি বুঝে বল ঠেকিয়ে দেন ফিলিপ।
বিরতির পরপরই আবার এগিয়ে যায় CAHN, কিন্তু ৬০তম মিনিটে আবার সমতা ফেরায় সাংহাই পোর্ট। প্রায় ২৬ মিটার দূর থেকে সরাসরি ফ্রি-কিক নেন কাম্পোস। ওপরের বাঁ কোণে বাঁকানো শটটি নেন তিনি। ফিলিপ হাত লাগালেও বল আটকাতে পারেননি।
পর্তুগিজ ডিফেন্ডারের গোলে স্কোর হয় ২-২। তৃতীয়বারের মতো এগিয়ে যেতে নতুন করে চেষ্টা করতে হয় CAHN-কে। দুই ভিন্ন উপায়ে ম্যাচে ফিরেছিল সাংহাই পোর্ট: ভেতরে ঢুকে শট নেওয়া এক উইঙ্গারের মাধ্যমে এবং দূর থেকে ফ্রি-কিকে গোল করা এক ডিফেন্ডারের মাধ্যমে।
আর্তুর-পেরেয়ার সমন্বয়ে নির্ধারিত হলো জয়
৪৯তম মিনিটে CAHN-এর দ্বিতীয় গোলটি করেন আর্তুর। আক্রমণটির শুরু হয়েছিল নিজেদের অর্ধের অনেকটা পেছন থেকে। গুয়েন আদু লেগলি মিনের ক্লিয়ার করা বল মাঝমাঠের দিকে যায়। আলান শারীরিক শক্তি কাজে লাগিয়ে আক্রমণটি চালু রাখেন, আর পেরেয়া দ্রুত আর্তুরকে সামনে বল বাড়িয়ে দেন।
বল নিয়ে পেনাল্টি এলাকায় ঢুকে জিয়াং গুয়াংতাইয়ের দুই পায়ের ফাঁক দিয়ে নিচু শট নেন আর্তুর। বলটি নিচের বাঁ কোণে পাঠিয়ে গোলরক্ষক ইয়ান জুনলিংকে পরাস্ত করেন তিনি। ম্যাচের বড় একটা সময় বলের দখলে না থেকেও কীভাবে CAHN হুমকি তৈরি করতে পেরেছে, দ্রুত সেই আক্রমণেই তা স্পষ্ট: সাংহাই পোর্ট নিজেদের অবস্থান গুছিয়ে নেওয়ার আগেই একটি ক্লিয়ারেন্স থেকে আক্রমণ গড়ে ওঠে।
মাঝমাঠ শক্তিশালী করতে ৬৬তম মিনিটে গুয়েন কুয়াং হাই ও লে ফাম থান লংকে নামান পোলকিং। তিন মিনিট পরই জয়সূচক গোলটি পায় CAHN। আক্রমণ শুরু করেন কাও পেনড্যান্ট কুয়াং ভিন। বাঁ দিকে সাংহাই পোর্টের রক্ষণসারি পেরিয়ে দৌড় শুরু করেন আর্তুর, তার নিচু ক্রস কাছ থেকে জালে পাঠিয়ে দ্বিতীয় গোল করেন পেরেয়া।
অফসাইড ফাঁদে আর্তুরকে আটকানোর চেষ্টা ব্যর্থ হয় সাংহাই পোর্টের। অফসাইড ফাঁদ কার্যকর করতে ডিফেন্ডারদের একসঙ্গে এগোতে হয়, যাতে সতীর্থ পাস দেওয়ার সময় আক্রমণকারী রক্ষণসারির পেছনে থাকে। আর্তুরের সঠিক সময়ে দৌড় তাকে ফাঁকা জায়গায় পৌঁছে দেয় এবং পেরেয়ার জন্য সহজ ফিনিশের সুযোগ তৈরি করে।
দূর থেকে নেওয়া আর্তুরের আরেকটি শটও বিপজ্জনক ছিল। ইয়ান সেটি ঠেলে পোস্টে লাগান। পরিসংখ্যানভিত্তিক সেবা সোফাস্কোর তাকে ৯.৯ রেটিং দেয়। গোল করা, সুযোগ তৈরি এবং CAHN-এর আক্রমণগুলোতে বারবার যোগসূত্র তৈরির প্রতিফলন ছিল এই রেটিং। আর্তুরের তৈরি সুযোগ কাজে লাগিয়ে দুইবার ফিনিশ করেন পেরেয়া, আর তাতেই দুই দলের ব্যবধান গড়ে ওঠে।
এক পেনাল্টি, দুইবার শট, গোল হলো না
৭৪তম মিনিটে পেনাল্টি এলাকায় জিয়াংকে টেনে ফেলে দেন আদু মিন। এতে পেনাল্টি পায় সাংহাই পোর্ট। বদলি হিসেবে নামা লিওনার্দো প্রথম শটটি নিচের ডান কোণে নিতে চেয়েছিলেন, কিন্তু তা ঠেকিয়ে দেন ফিলিপ।
ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারির পর্যালোচনায় দেখা যায়, ফিলিপ আগেভাগেই গোললাইন ছেড়ে এগিয়ে এসেছিলেন। ফলে রেফারি পেনাল্টি আবার নিতে নির্দেশ দেন। শট নেওয়ার সময় গোলরক্ষকের অন্তত এক পায়ের কিছু অংশ গোললাইনে, লাইনের সঙ্গে বা লাইনের পেছনে থাকতে হয়।
পেনাল্টি নিতে লিওনার্দোর বদলি হিসেবে নামেন মাতেউস ভিতাল। তার শট ফিলিপকে পরাস্ত করলেও বাঁ পোস্টে লেগে ফিরে আসে। ফলে এগিয়ে থাকে CAHN। পেনাল্টির সিদ্ধান্তটি ৭৪তম মিনিটে নথিভুক্ত হয়েছিল; ঘটনাক্রমে দুই শটের সময় হিসেবে ৭৭তম ও ৮০তম মিনিটও উল্লেখ করা হয়।
একই পেনাল্টির সিদ্ধান্ত থেকে আবার সমতা ফেরানোর সুযোগ পেয়েছিল সাংহাই পোর্ট। কিন্তু কোনো শট থেকেই গোল হয়নি। এরপর খোলা মাঠে খেলতে গিয়ে পিছিয়ে পড়ে স্বাগতিকরা। পেনাল্টি এলাকা রক্ষায় আরও পেছনে নেমে যায় CAHN এবং যোগ করা সময়ের নয় মিনিটও সামলে নেয়।
যেভাবে মোড় নিল ম্যাচ
প্রথমার্ধের শেষ দিকে প্রথমবার এগিয়ে যায় CAHN। দ্বিতীয়ার্ধের প্রথম ২৪ মিনিটের মধ্যেই তাদের পরের দুই গোল আসে। বারবার সমতায় ফিরে আসায় শেষ সময় পর্যন্ত ফল অনিশ্চিত ছিল।
- ১৪তম মিনিট: সাংহাই পোর্টের হয়ে উ লেইয়ের গোল অফসাইডের কারণে বাতিল হয়।
- ৩৫তম মিনিট: কাছ থেকে গোল করে CAHN-কে এগিয়ে দেন পেরেয়া।
- ৪৪তম মিনিট: অ্যাম্পেমের শট ডিফেন্ডারের গায়ে লেগে জালে গেলে ১-১ হয়।
- ৪৯তম মিনিট: নিচু শটে CAHN-কে আবার এগিয়ে দেন আর্তুর।
- ৬০তম মিনিট: সরাসরি ফ্রি-কিকে সমতা ফেরান কাম্পোস।
- ৬৬তম মিনিট: কুয়াং হাই ও থান লংকে মাঠে নামান পোলকিং।
- ৬৯তম মিনিট: আর্তুরের ক্রসে নিজের দ্বিতীয় গোল করে স্কোর ৩-২ করেন পেরেয়া।
- ৭৪তম মিনিট থেকে: পেনাল্টি পায় সাংহাই পোর্ট; লিওনার্দোর শট ঠেকান ফিলিপ, আর পুনরায় নেওয়া শটে পোস্টে বল লাগান ভিতাল।
- যোগ করা সময়ের নয় মিনিট পর: এলিটে প্রথম জয় নিশ্চিত করে CAHN।
সাংহাই পোর্টের দ্বিতীয় সমতাসূচক গোলের পরই ম্যাচের নির্ধারক সময়টি আসে। নয় মিনিটের মধ্যে আরেকটি গোল করে CAHN, এরপর আবার সমতায় ফেরার স্বাগতিকদের সবচেয়ে পরিষ্কার সুযোগটিও ঠেকিয়ে দেয়।
৩৫ শতাংশ বলের দখলই কেন যথেষ্ট ছিল
CAHN-এর বলের দখল ছিল ৩৫ শতাংশ, অর্থাৎ প্রায় ৬৫ শতাংশ সময় বল ছিল সাংহাই পোর্টের দখলে। নিজেদের অর্ধে বল দখলের লড়াই করে এবং আলান, আর্তুর ও পেরেয়ার মাধ্যমে দ্রুত সামনে উঠে নিজেদের সীমিত বলের দখল কাজে লাগায় পোলকিংয়ের খেলোয়াড়রা।
দ্বিতীয় গোলটি এর সবচেয়ে স্পষ্ট উদাহরণ। আদু মিনের ক্লিয়ারেন্স, আলানের শারীরিক লড়াই এবং পেরেয়ার দ্রুত পাসের পর স্বাগতিকদের রক্ষণ গুছিয়ে ওঠার আগেই আক্রমণে যান আর্তুর। জয়সূচক গোলের সুযোগটি আসে অন্যভাবে; কুয়াং ভিনের সহায়তায় রক্ষণসারির পেছনে যাওয়ার সুযোগ পান আর্তুর।
এলিটের প্রথম দুই ম্যাচে রাচাবুরিকে ৬-৪ গোলে হারানো এবং দেজনের সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করার পরও পাঁচ গোল হজম করেছিল সাংহাই পোর্ট। CAHN-এর তিন গোলে তিন ম্যাচে তাদের বিপক্ষে গোলসংখ্যা দাঁড়ায় আট। গোল করার সক্ষমতা তাদের ছিল, কিন্তু প্রতিপক্ষকে ঠেকাতে না পারা ব্যয়বহুল সমস্যায় পরিণত হচ্ছিল।
রক্ষণভাগের দুর্বলতাও সামলাতে হয়েছে CAHN-কে। বারবার সমস্যায় ফেলেছেন অ্যাম্পেম, ফ্রি-কিকে গোল করেন কাম্পোস, আর জিয়াংয়ের ওপর ফাউল থেকে শেষ দিকে পেনাল্টি পায় সাংহাই পোর্ট। কার্যকর আক্রমণ-সমন্বয়, ফিলিপের গুরুত্বপূর্ণ সেভ এবং শেষ মিনিটগুলোতে শৃঙ্খলাপূর্ণ রক্ষণই এনে দেয় জয়।
তিন পয়েন্ট নিয়ে পরের ম্যাচ কিয়োতো সাঙ্গার বিপক্ষে
এলিটে CAHN-এর অভিযান শুরু হয়েছিল গাম্বা ওসাকার কাছে ৪-১ গোলের হার এবং কাশিমা অ্যান্টলার্সের কাছে ১-০ গোলে পরাজয় দিয়ে। প্রথম দুই ম্যাচে তারা একটি গোল করেছিল এবং হজম করেছিল পাঁচটি। সাংহাইয়ে এক ম্যাচেই তিন গোল করে প্রথম তিন পয়েন্ট পেল তারা।
জয়ে পূর্বাঞ্চলের ১৬ দলের মধ্যে ১১তম স্থানে ওঠে CAHN। সাংহাই পোর্ট চার পয়েন্ট নিয়ে এক পয়েন্টে এগিয়ে ছিল, আর তিন ম্যাচে তিন জয়ে শীর্ষে ছিল ভিসেল কোবে। শীর্ষ আটে থাকার লড়াইয়ে CAHN-কে এখনও ব্যবধান ঘোচাতে হবে।
প্রতিযোগিতার লিগ পর্ব পূর্ব ও পশ্চিম অঞ্চলে ভাগ করা হয়েছে। প্রতিটি দল আটটি করে ম্যাচ খেলবে। দুই অঞ্চলের শীর্ষ আট দল উঠবে শেষ ষোলোতে। প্রথম দুই ম্যাচে পয়েন্টশূন্য থাকার পর এই জয় সেই লড়াইয়ে CAHN-কে এগোনোর ভিত্তি দিল।
৩ নভেম্বর হাং ডে স্টেডিয়ামে জাপানের কিয়োতো সাঙ্গাকে আতিথ্য দেবে CAHN। তিনটি হলুদ কার্ড পাওয়ায় ওই ম্যাচে খেলতে পারবেন না মক। এতে পোলকিংকে মাঝমাঠের খেলোয়াড় বাছাই নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। সাংহাই পোর্টের পরের ম্যাচ নিউক্যাসল জেটসের মাঠে।
মূল বিষয়গুলো
- ২৭ অক্টোবর ২০২৬, অ্যাওয়ে ম্যাচে সাংহাই পোর্টকে ৩-২ গোলে হারিয়ে এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ এলিটে প্রথম জয় পেয়েছে CAHN।
- ৩৫তম ও ৬৯তম মিনিটে গোল করেন পেরেয়া; ৪৯তম মিনিটে গোল করার পাশাপাশি পেরেয়ার দুই গোলই তৈরিতে সহায়তা করেন আর্তুর।
- সাংহাই পোর্টের হয়ে দুইবার সমতা ফেরান অ্যাম্পেম ও কাম্পোস।
- লিওনার্দোর পেনাল্টি ঠেকান ফিলিপ; পুনরায় নেওয়া শটে পোস্টে বল লাগান ভিতাল।
- ৩৫ শতাংশ বলের দখল নিয়েও জিতে তিন পয়েন্টে পৌঁছেছে CAHN, সাংহাই পোর্টের চেয়ে এক পয়েন্ট পিছিয়ে।
- ৩ নভেম্বর কিয়োতো সাঙ্গাকে আতিথ্য দেবে CAHN; নিষেধাজ্ঞার কারণে খেলবেন না মক।






