প্রথম গেম সিন্ধুর, শিরোপা আন সেয়ংয়ের
উদ্বোধনী গেমে হারের পর ঘুরে দাঁড়িয়ে ২০২৬ সালের ২৫ অক্টোবর ফরাসি ওপেনের নারী এককের ফাইনালে পি.ভি. সিন্ধুকে ১৬-২১, ২১-১১, ২১-১২ গেমে হারান আন সেয়ং। এ জয়ে টানা ৫০তম ম্যাচ জয় এবং মৌসুমের ১০ম শিরোপা নিশ্চিত করেন তিনি।
সূচিপত্র
- প্রথম গেম সিন্ধুর, শিরোপা আন সেয়ংয়ের
- যেভাবে সুযোগ তৈরি করেন সিন্ধু
- কৌশল বদলান আন
- ৮-৫ ব্যবধানের পর বদলে যায় নির্ধারণী গেম
- লম্বা র্যালি ও ভুলে নির্ধারিত হয় শেষটা
- টানা ৫০ ম্যাচ জয়, ক্যারিয়ারে ৪৮ শিরোপা
- রবিবারের ফাইনালে যেভাবে পৌঁছান দুই খেলোয়াড়
- পরিচিত বাধার কাছে সিন্ধুর শিরোপার স্বপ্ন থামল
- মূল বিষয়গুলো
ট্রেমব্লে-আঁ-ফ্রাঁসে অ্যারেনা গ্রঁ প্যারিতে এক ঘণ্টার কিছু বেশি সময়ে জয় পান দক্ষিণ কোরিয়ার বিশ্বসেরা এক নম্বর খেলোয়াড়। এটি তাঁর চতুর্থ ফরাসি ওপেন শিরোপা এবং টানা তৃতীয় শিরোপা। সিন্ধুর বিপক্ষে অপরাজিত রেকর্ডও বাড়িয়ে ১১ ম্যাচে নেন তিনি।
বিশ্ব র্যাঙ্কিংয়ে ১১ নম্বরে থাকা সিন্ধু শুরুতেই শীর্ষ বাছাইকে কঠিন চ্যালেঞ্জ জানান। ২০২৩ সালের এপ্রিলের পর প্রথমবার আন-এর বিপক্ষে একটি গেম জেতেন ভারতীয় খেলোয়াড়টি। পরে নির্ধারণী গেমে ৮-৫ ব্যবধানে এগিয়েও যান। দুইবারই ঘুরে দাঁড়ান আন; আরও শক্তিশালী রক্ষণ ও নিখুঁত শটের প্লেসমেন্টে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেন তিনি।
২৪ বছর বয়সী আন-এর মৌসুমের জয়-পরাজয়ের রেকর্ড দাঁড়াল ৬৬-১। ৩১ বছর বয়সী সিন্ধুর জন্য ফাইনালটি ছিল দুর্দান্ত এক টুর্নামেন্টের শেষ, তবে অধরা থেকে গেল ক্যারিয়ারের সপ্তম ওয়ার্ল্ড ট্যুর শিরোপা। জুলাইয়ে জাপান ওপেন জয়ের পর মৌসুমের দ্বিতীয় শিরোপাও জেতা হলো না তাঁর।
যেভাবে সুযোগ তৈরি করেন সিন্ধু
ধৈর্য ধরে র্যালি চালানো এবং খাড়া আক্রমণাত্মক শটের ওপর ভর করে প্রথম গেম সাজান সিন্ধু। তাঁর নাগাল তাঁকে বিভিন্ন কোণে শট মারার সুযোগ দেয়। দীর্ঘ র্যালিতে থাকার মানসিকতাও তাড়াহুড়ো করে পয়েন্ট জেতার চেষ্টা না করে আক্রমণের সুযোগ এনে দেয়।
দুই খেলোয়াড়ই পালা করে এগিয়ে যাওয়ার পর বিরতিতে ১১-৯ ব্যবধানে এগিয়ে ছিলেন সিন্ধু। আন ১১-১১-তে সমতা ফেরান, কিন্তু আবার ব্যবধান বাড়িয়ে ১৭-১৪ এবং পরে ২০-১৪ করেন সিন্ধু। এতে ভারতীয় খেলোয়াড়টি ছয়টি গেম পয়েন্ট পান, অর্থাৎ গেম শেষ করতে প্রয়োজনীয় এক পয়েন্ট জেতার ছয়টি সুযোগ।
আন দুটি গেম পয়েন্ট বাঁচালেও শেষ পর্যন্ত ২১-১৬ ব্যবধানে গেম জেতেন সিন্ধু। দুই খেলোয়াড়ের ১১ বারের মুখোমুখিতে দক্ষিণ কোরিয়ার খেলোয়াড়টির কাছ থেকে এটাই ছিল সিন্ধুর মাত্র দ্বিতীয় গেম জয়। এর আগে ২০২৩ সালের ব্যাডমিন্টন এশিয়া চ্যাম্পিয়নশিপের কোয়ার্টার ফাইনালে প্রথম গেম জিতেছিলেন তিনি। পরে আন ১৮-২১, ২১-৫, ২১-৯ ব্যবধানে জয় পান।
কৌশল বদলান আন
রক্ষণ আরও আঁটসাঁট করে এবং ধৈর্য বাড়িয়ে জবাব দেন আন। সিন্ধুর আক্রমণের সুযোগ তৈরি করা ফাঁকগুলো কমিয়ে দেন তিনি। ফলে আক্রমণ শেষ করার মতো শট তৈরিতে ভারতীয় খেলোয়াড়টিকে আরও বেশি পরিশ্রম করতে হয়।
দ্বিতীয় গেমে ৫-৫ সমতার পর এগিয়ে যান আন। ১১-৭ ব্যবধানে এগিয়ে বিরতিতে যান এবং ব্যবধান বাড়াতে থাকেন। ২১-১১ ব্যবধানে গেম জিতে নির্ধারণী গেমে গড়ান তিনি।
বর্তমান অলিম্পিক ও বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আন পরে বলেন, সিন্ধুর আক্রমণাত্মক শক্তির সঙ্গে পাল্লা দিতে গিয়ে র্যালিতে তাড়াহুড়ো না করে তিনি কৌশল বদলেছিলেন।
সিন্ধু খুব শক্তিশালী ও আক্রমণাত্মক খেলোয়াড়। তাই আমি রক্ষণে মনোযোগ দিয়েছি, তারপর সময় বুঝে খেলতে পেরেছি।
তাঁর এই জবাবে ম্যাচের চাহিদাই বদলে যায়। প্রথম গেমে সঠিক বলের অপেক্ষা করে আক্রমণের সুযোগ পেয়েছিলেন সিন্ধু। আন আরও কার্যকরভাবে শাটল ফিরিয়ে দিয়ে কোণগুলো বন্ধ করে দেওয়ায় সেই সুযোগ তৈরি করা কঠিন হয়ে পড়ে।
৮-৫ ব্যবধানের পর বদলে যায় নির্ধারণী গেম
৩৬ শটের এক র্যালি দিয়ে শুরু হয় তৃতীয় গেম। সেটিই ব্যাডমিন্টনের আরেকটি কঠিন পর্বের ইঙ্গিত দেয়। লড়াই চালিয়ে ৮-৫ ব্যবধানে এগিয়ে যান সিন্ধু, আনকে হারিয়ে প্রথম জয় পাওয়ার কাছাকাছি পৌঁছে যান তিনি।
সিন্ধুর ব্যবধান মুছে বিরতিতে ১১-৯ ব্যবধানে এগিয়ে যান আন। টানা ছয় পয়েন্ট জিতে ১৫-৯ করেন তিনি। বিরতির পর পরের আট পয়েন্টের সাতটিই জিতে ১৮-১০ ব্যবধানে এগিয়ে যান আন, সিন্ধুর ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ প্রায় শেষ করে দেন।
নির্ধারণী গেম ২১-১২ ব্যবধানে জিতে নেন দক্ষিণ কোরিয়ার খেলোয়াড়টি। শেষ দুই গেমে আন জেতেন ৪২ পয়েন্ট, সিন্ধু ২৩। প্রথম গেমে পাঁচ পয়েন্টে হারের পর ব্যবধান ছিল ১৯ পয়েন্ট।
দুইবারের অলিম্পিক পদকজয়ী সিন্ধুর মতে, নির্ধারণী গেমে শুরুতে পাওয়া এগিয়ে থাকার ব্যবধান হারানোই ছিল সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত।
৮-৫ ব্যবধানে এগিয়ে থাকার পর সেটা ধরে রাখা উচিত ছিল বলে মনে হয়েছে। আমার মনে হয়, পার্থক্যটা সেখানেই ছিল।
স্কোরের পরিবর্তন দেখায়, কত দ্রুত ম্যাচটি তাঁর হাতছাড়া হয়। ৮-৫ ব্যবধানে এগিয়ে থাকার পর বিরতির আগে পরের সাত পয়েন্টের ছয়টিই হারান সিন্ধু। এরপর প্রান্ত বদলের পরপরই ব্যবধান বাড়ান আন।
লম্বা র্যালি ও ভুলে নির্ধারিত হয় শেষটা
অনিচ্ছাকৃত ভুল এবং লম্বা র্যালিকে পয়েন্টে পরিণত করার কঠিনতার কথা বলেন সিন্ধু। অনিচ্ছাকৃত ভুল হলো এমন শট মিস, যা খেলোয়াড়ের র্যালি চালিয়ে যাওয়ার যথেষ্ট সুযোগ থাকা সত্ত্বেও হয়; প্রতিপক্ষের শটে সরাসরি পরাস্ত হওয়া এর থেকে আলাদা।
সিন্ধু বলেন, সেরা খেলোয়াড়দের বিপক্ষে প্রতিটি পয়েন্টে মনোযোগ ধরে রাখা জরুরি। তাঁর মনে হয়েছে, লম্বা র্যালিতে আরও বেশি পয়েন্ট জিততে পারলে ফল বদলাতে পারত।
লম্বা র্যালি হয়েছে, সহজ কোনো পয়েন্ট ছিল না। লম্বা র্যালি হওয়াটা ভালো ছিল, তবে হয়তো সেগুলো জয়ে পরিণত করতে পারলে ফল ভিন্ন হতো বলে আমার মনে হয়।
শাটলের গতিপথে বাতাসের প্রভাব তাঁর সমন্বয়েও কিছুটা ব্যাঘাত ঘটিয়েছে বলে স্বীকার করেন সিন্ধু। অ্যারেনার ভেতরে বাতাসের চলাচলে শাটল প্রত্যাশার চেয়ে দূরে যেতে পারে বা গতি কমে যেতে পারে, ফলে নিখুঁত শটের হিসাব করা কঠিন হয়। তবে নিজের ভুল নিয়ন্ত্রণের দায়ও স্বীকার করেন তিনি।
সিন্ধুর মূল্যায়ন ও আন-এর ব্যাখ্যায় একই মোড়ের ঘটনা উঠে এসেছে দুই দিক থেকে। আন রক্ষণে স্থির হয়ে সঠিক সময়ের অপেক্ষা করেছেন। বিশেষ করে তৃতীয় গেমে এগিয়ে থাকার ব্যবধান হারানোর পর র্যালি শেষ করে পয়েন্ট জেতা সিন্ধুর জন্য ক্রমেই কঠিন হয়ে ওঠে।
টানা ৫০ ম্যাচ জয়, ক্যারিয়ারে ৪৮ শিরোপা
আন-এর জয়ে আরও একটি সফল সপ্তাহের সমাপ্তি হলো। ২০২৬ সালে খেলা ৬৭ ম্যাচের মধ্যে ৬৬টিতে জয় তাঁর জয়ের হার প্রায় ৯৮.৫ শতাংশ। একমাত্র হারটি মার্চে অল ইংল্যান্ড ওপেনের ফাইনালে চীনের ওয়াং ঝিইয়ের বিপক্ষে।
ফরাসি ওপেন ছিল এ বছর তাঁর ১০ম এবং ক্যারিয়ারের ৪৮তম শিরোপা। আগের সপ্তাহে ডেনমার্ক ওপেন জিতে ইন্দোনেশিয়ার কিংবদন্তি সুসি সুসান্তির ৪৬ ক্যারিয়ার শিরোপার রেকর্ডও ছাড়িয়ে গিয়েছিলেন তিনি।
প্যারিসে একই টুর্নামেন্টে চারটি শিরোপা, যার মধ্যে টানা তিনটি, জিতে ধারাবাহিকতার আরেকটি নজির গড়েন আন। রবিবারের ফাইনালে ঘুরে দাঁড়াতে হলেও, শিরোপার লড়াইয়ের আগে টানা ৪৯ ম্যাচে পৌঁছানো জয়ের ধারা অক্ষুণ্ন রাখার পথ আবারও খুঁজে পান তিনি।
২৪ অক্টোবর ওকুহারার বিপক্ষে সেমিফাইনালে জয়ের পরই এ শিরোপা জিতলেন আন। ৪৫ মিনিটের ম্যাচে ২১-১২, ২১-১৯ ব্যবধানে জিতে মৌসুমে ৬৫ জয় ও এক হার নিয়ে ফাইনালে ওঠেন তিনি।
রবিবারের ফাইনালে যেভাবে পৌঁছান দুই খেলোয়াড়
সুপানিদা কাথেথং, রিকো গুঞ্জি, চিউ পিন-চিয়ান ও হিনা আকেচিকে হারিয়ে ফাইনালে ওঠেন সিন্ধু। জাপানের আকেচির বিপক্ষে তাঁর সেমিফাইনাল ৭৩ মিনিট স্থায়ী হয়। ম্যাচটি শেষ হয় ২১-১০, ২০-২২, ২১-১৬ ব্যবধানে।
আমালি শুলজ, তানভি শর্মা, হান ইউয়ে ও নোজোমি ওকুহারাকে হারিয়ে এগিয়ে যান আন। ২২ অক্টোবর তানভি শর্মার বিপক্ষে তাঁর জয় পেতে ৩৭ মিনিট লেগেছিল। ওই জয়ে তাঁর জয়ের ধারা টানা ৪৭ ম্যাচে পৌঁছায়।
টুর্নামেন্টের শেষ দিনগুলোতে কয়েকটি মাইলফলক অর্জিত হয়:
- ২২ অক্টোবর: শর্মাকে ২১-১১, ২১-১৪ ব্যবধানে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠেন আন। এটি ছিল তাঁর টানা ৪৭তম জয়।
- ২৪ অক্টোবর: ওকুহারাকে হারিয়ে টানা ৪৯তম জয় পান আন। অন্যদিকে, তিন গেমের লড়াইয়ে আকেচিকে হারিয়ে ফাইনালের অপর স্থান নিশ্চিত করেন সিন্ধু।
- ২৫ অক্টোবর: প্রথম গেম জেতেন সিন্ধু, কিন্তু ঘুরে দাঁড়িয়ে শিরোপা জেতেন আন। একই সঙ্গে নথিভুক্ত হয় তাঁর টানা ৫০তম ম্যাচ জয়।
ডেনমার্ক ওপেনের ফাইনালে পিছলে পড়ার পর ডান অ্যাকিলিস টেনডনে ব্যথা অনুভব করেছিলেন আন। ফরাসি ওপেনের সপ্তাহে অস্বস্তি ও টান লাগার কথাও জানান তিনি। তখন তাঁর অগ্রাধিকার ছিল নতুন কোনো চোট ছাড়া টুর্নামেন্ট শেষ করা।
রবিবারের ফাইনালের পর উদ্যাপন এবং পুনর্বাসনের রুটিনে ফেরার কথা বলেন আন। পরের ম্যাচে কবে খেলবেন, সে বিষয়ে কোনো তারিখ জানানো হয়নি।
পরিচিত বাধার কাছে সিন্ধুর শিরোপার স্বপ্ন থামল
আগের ১০ বারের সব কটিতেই হেরে ফাইনালে আন-এর বিপক্ষে প্রথম জয়ের লক্ষ্যে নামেন সিন্ধু। রবিবারের ম্যাচে সেই অতীত তাঁর কৌশলে তেমন প্রভাব ফেলেনি বলে জানান তিনি। উদ্বোধনী গেমে তাঁর পারফরম্যান্সও দেখায়, ফেবারিটকে চ্যালেঞ্জ জানাতে প্রস্তুত ছিলেন তিনি।
তবু আন-এর পক্ষে দ্বৈরথের হিসাব দাঁড়াল ১১-০। ২০২৩ সালের এপ্রিলে এবং এবার প্যারিসে আন-এর কাছ থেকে গেম জেতা দুটি ম্যাচের ধরন ছিল মোটামুটি একই: প্রথম গেমে জয়ের পর দক্ষিণ কোরিয়ার খেলোয়াড়টি পরের দুটি গেম জিতেছেন।
ফরাসি ওপেনে নারী এককের শিরোপা জয়ের ভারতের অপেক্ষাও নতুন করে সামনে আসে সিন্ধুর এই লড়াইয়ে। ১৯৯৮ সালে শিরোপা জেতা অপর্ণা পোপাটই এখন পর্যন্ত এ টুর্নামেন্টে শিরোপাজয়ী শেষ ভারতীয় নারী। ২০১২ সালে ফাইনালে উঠলেও রানারআপ হয়েছিলেন সাইনা নেহওয়াল।
ফরাসি ওপেনে ভারতের সর্বশেষ চ্যাম্পিয়ন ছিলেন সাত্ত্বিকসাইরাজ রণকিরেড্ডি ও চিরাগ শেট্টি। ২০২৪ সালে পুরুষ দ্বৈতকের শিরোপা জেতেন তাঁরা। এ বছর প্রথম রাউন্ডেই হেরে যান দুজন।
জুলাইয়ে জাপান ওপেন জয়ের পর প্যারিসে আরও একটি ফাইনালে খেললেন সিন্ধু। আন-এর বিপক্ষে তাঁর সবচেয়ে ভালো সময়গুলোতে ধৈর্য ধরে র্যালি চালানোর সঙ্গে বেছে নেওয়া আক্রমণ মিলেছে। সুযোগ হারানোর ঘটনাটি স্পষ্ট: নির্ধারণী গেমে তিন পয়েন্টে এগিয়ে থাকার ব্যবধান বিরতির আগেই হারান তিনি, আর তা আর ফিরে পাননি।
মূল বিষয়গুলো
- ২০২৬ সালের ২৫ অক্টোবর ফরাসি ওপেনের ফাইনালে পি.ভি. সিন্ধুকে ১৬-২১, ২১-১১, ২১-১২ গেমে হারান আন সেয়ং।
- টানা ৫০তম ম্যাচ জয়, ২০২৬ সালের ১০ম এবং ক্যারিয়ারের ৪৮তম শিরোপা জিতেছেন আন।
- এটি দক্ষিণ কোরিয়ার খেলোয়াড়টির চতুর্থ ফরাসি ওপেন শিরোপা এবং টানা তৃতীয় শিরোপা।
- ২০২৩ সালের এপ্রিলের পর প্রথমবার আন-এর কাছ থেকে একটি গেম জিতলেও নির্ধারণী গেমে ৮-৫ ব্যবধানে এগিয়ে থাকার সুযোগ হারান সিন্ধু।
- এখন পর্যন্ত মুখোমুখি লড়াইয়ে আন ১১-০ ব্যবধানে এগিয়ে। মৌসুমে তাঁর জয়-পরাজয়ের রেকর্ড ৬৬-১।
- জুলাইয়ে জাপান ওপেন জয়ের পর মৌসুমের দ্বিতীয় শিরোপার লক্ষ্যে খেললেও রানারআপ হন সিন্ধু।






