দক্ষিণ কোরিয়ায় চার শট পিছিয়ে থেকেও ঘুরে দাঁড়িয়ে ইউরি ইয়োশিদার প্রথম এলপিজিএ শিরোপা

পড়তে 7 মিনিট
Yuri Yoshida Wins First LPGA Title After Four Shot Comeback in South Korea

হেনামে শুরুটা দ্রুত, শেষটা টানটান

২৫ অক্টোবর, ২০২৬-এ দক্ষিণ কোরিয়ার হেনামের পাইন বিচ গলফ লিংকসে ১৭ আন্ডার পার, মোট ২৭১ স্কোর নিয়ে বিএমডব্লিউ লেডিস চ্যাম্পিয়নশিপ জিতে চার শটের ঘাটতি পুষিয়ে প্রথম এলপিজিএ ট্যুর শিরোপা জিতেছেন ইউরি ইয়োশিদা। দক্ষিণ কোরিয়ার হেয়রান রিউ ও হ্যে-জিন চোইকে এক শটে পেছনে ফেলে জাপানি এই গলফার পেয়েছেন ৩৫২,৫০০ ডলার।

সূচিপত্র
  1. হেনামে শুরুটা দ্রুত, শেষটা টানটান
  2. যেভাবে ঘাটতি পুষিয়ে নিলেন ইয়োশিদা
  3. শেষ তিন হোলেই নির্ধারিত হলো শিরোপা
  4. বৃষ্টিভেজা উপকূলীয় কোর্সে নির্ভুলতাই ছিল গুরুত্বপূর্ণ
  5. চোইয়ের জন্য আবারও অল্পের জন্য হতাশা
  6. মৌসুমের শেষ ভাগে ঘুরে দাঁড়ানোর পর এলো প্রথম বড় সাফল্য
  7. জাপানের সাফল্য শুধু বিজয়ীতেই সীমাবদ্ধ নয়
  8. কানাডা থেকে কোরিয়া, তারপর মালয়েশিয়া
  9. মূল তথ্য

২৬ বছর বয়সী ইয়োশিদা ট্যুরে নিজের ৭৪তম আসরে জিতেছেন। শেষ রাউন্ডে তিনি প্রতিটি ফেয়ারওয়ে ধরেছেন, প্রথম নয় হোল শেষ করেছেন ৩১ শটে এবং শেষ হোলে বগি করেও টিকে গেছেন, কারণ রিউও সেখানে একটি শট হারিয়েছেন। রিউয়ের সঙ্গে ১৬ আন্ডার পার স্কোরে শেষ করেন চোই; দুজনেরই মোট স্কোর ছিল ২৭২।

ইয়োশিদার শেষ রাউন্ডের স্কোর নথিভুক্ত হয়েছে ৪ আন্ডার পার, ৬৮ হিসেবে, যদিও ৬৭ স্কোরের কথাও জানানো হয়েছিল। একটি ঈগল, চারটি বার্ডি ও দুটি বগির ধারাবাহিকতা যোগ করলে কোর্সের ৭২ পারের বিপরীতে স্কোর হয় ৬৮। গলফে সর্বনিম্ন মোট স্কোরই জয় নিশ্চিত করে, তাই চার রাউন্ডে তাঁর ২৭১ শট তাঁকে নিকটতম দুই প্রতিদ্বন্দ্বীর চেয়ে সামান্য এগিয়ে রাখে।

মৌসুমের শুরুর দিকে কঠিন সময় পার করার পর সম্প্রতি ফর্মে ফেরার ধারাবাহিকতায় এসেছে এই জয়। টানা ছয়টি আসরে কাট পেরোতে পারেননি ইয়োশিদা; এরপর আগস্টে সিপিকেসি উইমেনস ওপেনে দ্বিতীয় হন। আগের সপ্তাহে সাংহাইয়ে যৌথভাবে দশম হয়ে দক্ষিণ কোরিয়ায় এসেছিলেন তিনি।

২০২৪ সালে এলপিজিএ ট্যুরে যোগ দেওয়া ইয়োশিদা ট্যুর চ্যাম্পিয়ন হওয়ার উত্তেজনা ও আনন্দের কথা বলেছেন।

এটি আমার জন্য বিশেষ একটি মুহূর্ত, আর সত্যি বলতে আমি উদ্বিগ্ন ছিলাম। তবে এই মুহূর্তে আমি খুব খুশি।

বিজ্ঞাপন

যেভাবে ঘাটতি পুষিয়ে নিলেন ইয়োশিদা

শেষ রাউন্ডের শুরুতে যৌথভাবে দ্বিতীয় স্থানে ছিলেন ইয়োশিদা, রিউয়ের চেয়ে চার শট পিছিয়ে। শীর্ষে থাকা খেলোয়াড়কে ধরতে দ্রুত ব্যবধান কমানো দরকার ছিল, আর দ্বিতীয় হোলেই প্রথম বড় সুযোগ আসে। পার-৫ হোলে চিপ শট থেকে ঈগল করেন তিনি; প্রত্যাশিত পাঁচ শটের বদলে তিন শটেই হোলটি শেষ করেন।

পঞ্চম হোলে আরেকটি চিপ শট সরাসরি হোলে পড়ে। এর মধ্য দিয়ে সপ্তম হোল পর্যন্ত টানা তিনটি বার্ডির ধারা শুরু হয়। বার্ডি হলো কোনো হোল পারের চেয়ে এক শট কমে শেষ করা। ঈগল ও ওই তিন বার্ডি মিলিয়ে প্রথম সাত হোলে পারের চেয়ে পাঁচ শট কম খেলেন তিনি।

রাউন্ডের অর্ধেক পথ, অর্থাৎ টার্নে পৌঁছানোর সময় সেদিন ৫ আন্ডার পার ছিল ইয়োশিদার স্কোর। টুর্নামেন্টে তাঁর স্কোর ১৩ আন্ডার থেকে বেড়ে হয় ১৮ আন্ডার; এতে পেছনে পড়ে যান রিউ, যিনি ১৭ আন্ডার নিয়ে শুরু করে পারেই খেলছিলেন।

ইয়োশিদা বলেন, শুরুতেই আক্রমণাত্মক খেলার পেছনে ছিল স্পষ্ট লক্ষ্য: রাউন্ডের দ্বিতীয়ার্ধের আগে ব্যবধান কমানো। নতুন চ্যাম্পিয়ন নিজের প্রত্যাশার কথা ব্যাখ্যা করেন।

স্বপ্ন সত্যি হয়েছে। আমি চার শট পিছিয়ে ছিলাম, তাই ভেবেছিলাম প্রথম নয় হোলের মধ্যে নেতাকে ধরে ফেলাই হবে মূল কথা। শুরুটা ভালো হয়েছিল এবং সেটা করতে পেরেছি। আমি জিততে থাকতে চাই।

শেষ তিন হোলেই নির্ধারিত হলো শিরোপা

বিশ্ব র‌্যাঙ্কিংয়ে তৃতীয় রিউ শেষ রাউন্ডের শুরুতে টানা ১৫টি পার করেন। ইয়োশিদা এগিয়ে যাওয়ার সময় রিউয়ের স্কোর ছিল ১৭ আন্ডার; এরপর ১৫তম হোলে বগি করে তিনি আবার ইয়োশিদার পাশে চলে আসেন।

পার-৪ ষোড়শ হোলে একটি শট হারান রিউ, ফলে ইয়োশিদার ব্যবধান আবার ফিরে আসে। ১৭তম হোলে দুজনই বার্ডি করেন। শেষ হোলের দিকে এগোনোর সময় ইয়োশিদার স্কোর ছিল ১৮ আন্ডার, আর রিউয়ের ১৭ আন্ডার।

এরপর ১৮তম গ্রিনে ইয়োশিদার তিনটি পাট লাগে এবং তিনি বগি করেন। রিউও হোলটিতে বগি করে ৭৩ স্কোরে শেষ করেন; ব্যবধান আর বদলায়নি। ইয়োশিদার সঙ্গে সমতা ফেরানোর জন্য প্রয়োজনীয় শেষ বার্ডিটি করতে পারেননি চোই।

জয়ী রাউন্ডে রিউয়ের ৭৩-এর চেয়ে পাঁচ শট ভালো খেলেছেন ইয়োশিদা। এই ব্যবধানেই প্রত্যাবর্তনের ব্যাখ্যা মেলে: শুরুতে চার শট পিছিয়ে থেকে শেষ করেছেন এক শটে এগিয়ে। ১৭তম হোলের বার্ডি শেষ হোলের ভুল সামলে নেওয়ার মতো যথেষ্ট ব্যবধান এনে দেয় তাঁকে।

বিজ্ঞাপন

বৃষ্টিভেজা উপকূলীয় কোর্সে নির্ভুলতাই ছিল গুরুত্বপূর্ণ

পুরো সপ্তাহজুড়েই পাইন বিচ গলফ লিংকস ছিল চ্যালেঞ্জিং। ভারী বৃষ্টি ও বাতাসে কোর্স ভিজে ছিল; খেলোয়াড়েরা জানান, ড্রাইভের পর বল খুব বেশি গড়াত না। আঁটসাঁট, ঢালু ফেয়ারওয়ের কিছু হোলের পাশে গাছ থাকায় বল কোথায় ফেলতে হবে, তা নিয়ে সতর্ক থাকা আরও জরুরি হয়ে ওঠে।

রোববার প্রতিটি ফেয়ারওয়ে ধরেছেন ইয়োশিদা; পুরো টুর্নামেন্টে মিস করেছেন মাত্র সাতটি। কাছছাঁটা ঘাসে ড্রাইভ রাখতে পারায় তুলনামূলকভাবে অনুমানযোগ্য অবস্থান থেকে বারবার গ্রিনের দিকে শট নেওয়ার সুযোগ পেয়েছেন তিনি।

সপ্তাহজুড়ে টি থেকে তাঁর গড় দূরত্ব ছিল ২২০ গজ; ড্রাইভার দিয়ে মৌসুমে তাঁর গড় ২৫৬ গজ। পার্থক্য ৩৬ গজ, অর্থাৎ প্রায় ১৪ শতাংশ। বল পড়ার পর মাটি থেকে সামান্য সহায়তা পাওয়ায় শুষ্ক আবহাওয়ার তুলনায় খেলোয়াড়দের সামনে থাকা শটগুলো বেশি দূর থেকে নিতে হয়েছে।

গ্রিনের আশপাশে কার্যকর শটের সঙ্গে এই নির্ভুলতাও মিলিয়েছেন ইয়োশিদা। শুরুর দিকের চিপ শট তাঁকে লিড গড়তে সাহায্য করেছে, আর ধারাবাহিক ড্রাইভ তাঁকে লড়াইয়ে রেখেছে এমন এক শেষ পর্বে, যেখানে এক শটেই জয় ও টাইয়ের ফারাক গড়ে উঠছিল।

চোইয়ের জন্য আবারও অল্পের জন্য হতাশা

শেষ রাউন্ডে ৬৯ স্কোর করতে চারটি বার্ডি ও একটি বগি করেন চোই। টানা দ্বিতীয় সপ্তাহের মতো বিজয়ীর চেয়ে এক শট পিছিয়ে শেষ করেন তিনি; এর আগেও সাংহাইয়ে চীনের রুওনিং ইয়িনের কাছে রানার-আপ হয়েছিলেন।

সাংহাইয়ে প্রথম তিন রাউন্ডের প্রতিটির পর লিডে ছিলেন চোই, এরপর জেতেন ইয়িন। সদস্য হিসেবে এখন তাঁর এলপিজিএ ট্যুরে ১২৫টি আসর খেলেও কোনো জয় নেই। ৫৪ হোলের পর একক বা যৌথভাবে লিডে থেকেও জিততে না পারার ঘটনা ঘটেছে পাঁচবার।

ইয়োশিদার পেছনে পরের চারটি স্থানই দখল করেছেন দক্ষিণ কোরিয়ার খেলোয়াড়েরা। ১৬ আন্ডার স্কোরে রিউ ও চোই যৌথভাবে দ্বিতীয় হন, আর ১৫ আন্ডার স্কোরে হিয়ো জু কিম ও মিনসোল কিম যৌথভাবে চতুর্থ। মিনসোল শেষ করেছেন ৬৭ এবং হিয়ো জু ৬৮ স্কোরে।

শিরোপা ধরে রাখতে নামা সেই ইয়ং কিম শেষ রাউন্ডে ৭০ খেলে দুই আন্ডার পার, ২৮৬ স্কোরে যৌথভাবে ৫৫তম হন। তাঁর শিরোপা ধরে রাখার অভিযান ইয়োশিদার চেয়ে ১৫ শট পিছিয়ে শেষ হয়।

বিজ্ঞাপন

মৌসুমের শেষ ভাগে ঘুরে দাঁড়ানোর পর এলো প্রথম বড় সাফল্য

এলপিজিএতে ইয়োশিদার প্রথম দুই মৌসুমের প্রতিটিতে সেরা দশের মধ্যে একটি করে স্থান ছিল। সাম্প্রতিক ফলাফলগুলো আরও ভালো ধারার ইঙ্গিত দিচ্ছে: সিপিকেসি উইমেনস ওপেনে দ্বিতীয়, সাংহাইয়ে যৌথভাবে দশম, আর এখন দক্ষিণ কোরিয়ায় জয়।

কানাডার টুর্নামেন্টের ফলের ঠিক আগেই টানা ছয়বার কাট মিস করায় এই পরিবর্তন বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। টুর্নামেন্টের মাঝপথে খেলোয়াড়দের সংখ্যা কমানো হয় কাটের মাধ্যমে; কাট মিস করলে বাকি রাউন্ডগুলোতে আর খেলা যায় না। একের পর এক আসর থেকে আগেভাগে বিদায় নেওয়ার পর ইয়োশিদা এবার শিরোপার লড়াইয়ে ফিরেছেন।

বিএমডব্লিউ লেডিস চ্যাম্পিয়নশিপে ৮৪ জন খেলোয়াড় অংশ নেন এবং মোট পুরস্কার ছিল ২৩ লাখ ৫০ হাজার ডলার। ইয়োশিদার ৩৫২,৫০০ ডলারের পুরস্কার ছিল ওই অর্থের ১৫ শতাংশ; এতে তাঁর ক্যারিয়ার আয় বেড়ে হয়েছে ১,৫৯১,৫৭৩ ডলার। শুধু এই জয়ের অর্থই তাঁর হালনাগাদ ক্যারিয়ার আয়ের প্রায় ২২ শতাংশ।

দ্বিতীয় স্থান ভাগ করে নেওয়ায় রিউ ও চোই প্রত্যেকে পেয়েছেন ১৮৩,০২৪ ডলার। ফলে ইয়োশিদার জয়ী হিসেবে পাওয়া অর্থ দুজন রানার-আপের প্রত্যেকের চেয়ে ১৬৯,৪৭৬ ডলার বেশি। ট্রফির পাশাপাশি ট্যুরে তাঁর সেরা সপ্তাহের জন্য উল্লেখযোগ্য আর্থিক পুরস্কারও মিলেছে।

জাপানের সাফল্য শুধু বিজয়ীতেই সীমাবদ্ধ নয়

এলপিজিএ ট্যুরে জয়ী ২৭তম জাপানি খেলোয়াড় হলেন ইয়োশিদা এবং মৌসুমের চতুর্থ জাপানি বিজয়ী। তাঁর আগে জিতেছেন মিউ ইয়ামাশিতা, শিহো কুওয়াকি ও ইউনা নিশিমুরা। প্রথম এলপিজিএ শিরোপা জেতা মৌসুমের চতুর্থ খেলোয়াড়ও তিনি; এই মাইলফলক অর্জনকারী জাপানি গলফারদের মধ্যে নিশিমুরাও রয়েছেন।

নাসা হাতাওকা ৬৬ স্কোর করে ১৪ আন্ডার পার অবস্থায় যৌথভাবে ষষ্ঠ হন, ইয়োশিদার চেয়ে তিন শট পিছিয়ে; তিনি পেয়েছেন ৬৩,৩০২ ডলার। আকি ইওয়াই ও চিসাতো ইওয়াই দুজনই ১১ আন্ডার স্কোরে যৌথভাবে ১৫তম হন; প্রত্যেকে পান ২৮,৬৮৯ ডলার।

এরিকা হারা দিনের সেরা ৬৫ স্কোর করে পাঁচ আন্ডার অবস্থায় যৌথভাবে ৪১তম হন এবং পান ১১,১৫০ ডলার। রিও তাকেদা তিন আন্ডার স্কোরে যৌথভাবে ৪৯তম হয়ে পান ৮,০৭২ ডলার। আয়াকা ফুরুয়ে ও মিনামি কাৎসু দুজনই তিন ওভার স্কোরে যৌথভাবে ৭৪তম হন; প্রত্যেকে পান ৪,৩৮৮ ডলার।

২৫ অক্টোবর দক্ষিণ কোরিয়ায় পুরুষদের গলফেও জাপানের জয় এসেছে। উ জং হিলস কান্ট্রি ক্লাবে ডিপি ওয়ার্ল্ড ট্যুরের জেনেসিস চ্যাম্পিয়নশিপে দুই শটে জিতেছেন ইউতো কাৎসুরাগাওয়া। শেষ রাউন্ডে ৭১ স্কোর করে ওই ট্যুরে নিজের দ্বিতীয় শিরোপা নিশ্চিত করেন তিনি।

বিজ্ঞাপন

কানাডা থেকে কোরিয়া, তারপর মালয়েশিয়া

ইয়োশিদার শিরোপা জয়ের পথ কয়েক মাস ধরে বিস্তৃত ছিল। কানাডায় তাঁর ঘুরে দাঁড়ানোর আভাস দেখা যায়, এরপর তা চলতে থাকে এলপিজিএর এশিয়া পর্বের টুর্নামেন্টগুলোতে।

  • আগস্টের শেষভাগ, ২০২৬: টানা ছয়টি কাট মিসের পর সিপিকেসি উইমেনস ওপেনে দ্বিতীয় হন ইয়োশিদা।
  • বিএমডব্লিউ লেডিস চ্যাম্পিয়নশিপের আগের সপ্তাহ: বুইক এলপিজিএ সাংহাইয়ে যৌথভাবে দশম হন তিনি; সেখানে রুওনিং ইয়িনের কাছে দ্বিতীয় হন চোই।
  • ২৫ অক্টোবর, ২০২৬: হেনামে রিউয়ের চার শটের লিড পুষিয়ে ১৭ আন্ডার পার স্কোরে জেতেন ইয়োশিদা।
  • পরের সপ্তাহ: এলপিজিএ ট্যুরের কুয়ালালামপুরে মেব্যাংক চ্যাম্পিয়নশিপে যাওয়ার কথা ছিল।

সূচিতে পরের আসর ছিল মেব্যাংক চ্যাম্পিয়নশিপ, এরপর জাপানে একটি টুর্নামেন্ট এবং তারপর ফ্লোরিডায় মৌসুমের শেষ দুটি আসর। ইয়োশিদা তাঁর প্রথম এলপিজিএ ট্রফি জিতে এবং আরও জয়ের প্রত্যয় জানিয়ে এই পর্বে এগিয়ে যাবেন।

মূল তথ্য

  • এলপিজিএ ট্যুরে নিজের ৭৪তম আসরে প্রথম শিরোপা জিতেছেন ইউরি ইয়োশিদা; তাঁর স্কোর ১৭ আন্ডার পার, ২৭১।
  • চার শটের ঘাটতি পুষিয়ে হেয়রান রিউ ও হ্যে-জিন চোইকে এক শটে হারিয়েছেন তিনি।
  • প্রথম নয় হোলে ৩১ স্কোর এবং ১৭তম হোলে বার্ডি তাঁর জয়ের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ছিল।
  • সপ্তাহজুড়ে বৃষ্টি ও বাতাসের মধ্যেও শেষ রাউন্ডে প্রতিটি ফেয়ারওয়ে ধরেছেন ইয়োশিদা।
  • তিনি পেয়েছেন ৩৫২,৫০০ ডলার; এতে তাঁর ক্যারিয়ার আয় বেড়ে হয়েছে ১,৫৯১,৫৭৩ ডলার।
  • এলপিজিএ ট্যুরের পরবর্তী নির্ধারিত আসর ছিল কুয়ালালামপুরের মেব্যাংক চ্যাম্পিয়নশিপ।
এই নিবন্ধটি শেয়ার করুন

আপনার পছন্দ হতে পারে