প্রায় ১৯৯ বিলিয়ন পেসোর ব্যয় পুনর্বণ্টন নিয়ে যাচাই
ফিলিপাইনের প্রতিনিধি পরিষদ সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, তৃতীয় ও চূড়ান্ত পাঠে ২০২৭ সালের প্রস্তাবিত ৭.২ ট্রিলিয়ন পেসোর জাতীয় বাজেট অনুমোদন করেছে। বর্ধিত সহায়তা তহবিল, বড় পরিবহন প্রকল্পে কাটছাঁট এবং কংগ্রেসের সংশোধনীগুলো প্রকাশ নিয়ে বিরোধের মধ্যে ব্যয় পরিকল্পনাটি সিনেটে পাঠানো হয়েছে।
সূচিপত্র
- প্রায় ১৯৯ বিলিয়ন পেসোর ব্যয় পুনর্বণ্টন নিয়ে যাচাই
- সংশোধনীর আগে নির্বাহী বিভাগের প্রস্তাব
- চূড়ান্ত ভোটে পৌঁছাল যেভাবে
- ১১৬ বিলিয়ন ও ১৯৯ বিলিয়ন পেসোর অঙ্ক আলাদা কেন
- সহায়তা বাড়লেও খাতগুলো এক নয়
- রেল ও বিদেশি সহায়তাপুষ্ট প্রকল্পে অর্থ কমেছে
- জেলা বরাদ্দ নিয়ে রাজনৈতিক আপত্তি
- প্রকল্পের প্রস্তুতির কথা বলছে নেতারা, বিস্তারিত প্রকাশের দাবি সমালোচকদের
- সিনেটকে এখন যা খতিয়ে দেখতে হবে
- মূল বিষয়গুলো
হাউস বিল নম্বর ১০৮৫৮-এর পক্ষে ১৩ আইনপ্রণেতা ভোট দেননি এবং একজন ভোটদানে বিরত ছিলেন। পক্ষে ভোটের সংখ্যা নিয়ে প্রতিবেদনে ভিন্নতা রয়েছে: দুটি প্রতিবেদনে ২৮১ ভোটের কথা বলা হয়েছে, অন্যটিতে ২৮২। এই অমিল ফল বদলায় না, তবে সঠিক সংখ্যা সরকারি ভোটের নথি থেকে নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
বড় বিরোধটি হলো, প্রতিনিধি পরিষদ কত অর্থ পুনর্বণ্টন করেছে। প্রকাশ্যে উপস্থাপিত সংশোধনীর মোট পরিমাণ ছিল প্রায় ১১৬.৩ বিলিয়ন পেসো। অন্যদিকে, পিপলস বাজেট কোয়ালিশনের সহ-আহ্বায়ক অ্যাডলফো হোসে “এজে” মনতেসার কারিগরি মূল্যায়নে বাজেটের ১২৩টি খাতে ১৯৮.৯ বিলিয়ন পেসো বাড়ানো এবং ৮৭টি খাতে সমপরিমাণ অর্থ কমানোর হিসাব পাওয়া গেছে।
মূল্যায়নটি ব্যয়ের অগ্রাধিকারে পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেয়, ৭.২ ট্রিলিয়ন পেসোর সর্বোচ্চ সীমা বাড়ানোর নয়। স্থানীয় অবকাঠামো ও সহায়তা কর্মসূচিতে অর্থ সরানো হয়েছে, আর বিদেশি সহায়তাপুষ্ট প্রকল্প, দুর্যোগ মোকাবিলা এবং কিছু স্বাস্থ্যসেবার বরাদ্দ কমেছে। সমালোচকদের যুক্তি, এর ফলে ২০২৮ সালের জাতীয় নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতা জোরদার হতে পারে। প্রতিনিধি পরিষদের নেতারা সংশোধনীগুলোকে ‘পর্ক ব্যারেল’ ব্যয় বলার অভিযোগ নাকচ করেছেন।
বিলটির বিরোধিতাকারী আইনপ্রণেতাদের মধ্যে ছিলেন অ্যাক্ট টিচার্সের প্রতিনিধি আন্তোনিও তিনিও, মামামায়াং লিবারালের প্রতিনিধি লেইলা দে লিমা, নাভোতাসের প্রতিনিধি টবি তিয়াংকো এবং কামাঙ্গাগাওয়ার প্রতিনিধি এলাইজা সান ফার্নান্দো। সহায়তা বরাদ্দ বাড়ানোর সময় ও দিক নিয়ে আপত্তির কথা জানান দে লিমা।
“এই বাজেট জনকেন্দ্রিক নয়। এটি নির্বাচনকেন্দ্রিক,” বলেন দে লিমা।
সংশোধনীর আগে নির্বাহী বিভাগের প্রস্তাব
বাজেট ও ব্যবস্থাপনা বিভাগের বাজেট জমা দেওয়ার বিবৃতিতে বলা হয়েছে, নির্বাহী বিভাগের প্রস্তাব মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ২১.৭ শতাংশের সমান এবং ২০২৬ সালের বাজেটের চেয়ে ৬ শতাংশ বড়। এতে কংগ্রেসে বাজেট পর্যালোচনা শুরুর কথা নথিভুক্ত হয়েছে, প্রতিনিধি পরিষদের চূড়ান্ত অনুমোদনের কথা নয়।
প্রস্তাবে সামাজিক সেবায় বরাদ্দ ছিল ২.৪৫৬ ট্রিলিয়ন পেসো, আর অর্থনৈতিক সেবায় ১.৮৩৩ ট্রিলিয়ন পেসো। ‘বিল্ড বেটার মোর’ অবকাঠামো কর্মসূচির জন্য রাখা হয়েছিল ১.৪৬৭ ট্রিলিয়ন পেসো, যা জিডিপির ৪.৪ শতাংশ। বিভাগগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ৯৭৬ বিলিয়ন পেসো বরাদ্দ পেয়েছিল শিক্ষা বিভাগ, প্রাথমিক শিক্ষার জন্য।
ডিবিএম আরও জানিয়েছে, স্বাস্থ্য খাতে সমন্বিত বাজেট ছিল ১.০৬ ট্রিলিয়ন পেসো, যা জিডিপির ৩.১৯ শতাংশ; চলতি বছরে তা ছিল ২.৬৮ শতাংশ। এই বিস্তৃত খাতভিত্তিক অঙ্ককে স্বাস্থ্য বিভাগ, বিশেষায়িত হাসপাতাল এবং ফিলহেলথের জন্য তালিকাভুক্ত ৩৫৩.৮ বিলিয়ন পেসোর তুলনামূলক সংকীর্ণ বরাদ্দের সঙ্গে গুলিয়ে ফেলা উচিত নয়।
বাজেট বৃদ্ধির বড় অংশ আগেই জাতীয় কর বণ্টন (ন্যাশনাল ট্যাক্স অ্যালটমেন্ট) থেকে স্থানীয় সরকারগুলোকে দেওয়া অর্থ এবং নির্বাহী আদেশ নম্বর ৬৪ অনুযায়ী বেতন সমন্বয়ের মতো দায়বদ্ধতার জন্য নির্ধারিত ছিল। এই পার্থক্যটি গুরুত্বপূর্ণ: মোট বাজেট বাড়লেই নতুন কর্মসূচির জন্য কংগ্রেসের হাতে একই পরিমাণ অর্থ থাকে না।
সরকারের প্রস্তাবিত রাজস্ব কাঠামোতে জিডিপির ৫.১ শতাংশ ঘাটতি এবং জিডিপির তুলনায় ৬৪.৬ শতাংশ ঋণের অনুপাত ধরা হয়েছিল। ঘাটতি বলতে আয়ের চেয়ে ব্যয় বেশি হওয়াকে বোঝায়, যার জন্য অর্থায়ন প্রয়োজন। এগুলো আলোচনার সময় উপস্থাপিত পরিকল্পনার অঙ্ক, ২০২৭ সালের পরিমাপ করা ফল নয়।
চূড়ান্ত ভোটে পৌঁছাল যেভাবে
অনুমোদন-সংক্রান্ত বিবরণ অনুযায়ী, নির্বাহী বিভাগের ব্যয় পরিকল্পনা পাওয়ার ৬২ দিন পর প্রতিনিধি পরিষদ চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়। সাধারণ বিতর্কের পর এবং চূড়ান্ত ভোটের আগে সংশোধনী পর্বে স্বচ্ছতা নিয়ে মূল বিরোধটি তৈরি হয়।
- ১১ আগস্ট ২০২৬: ২০২৭ সালের ব্যয় ও অর্থায়নের উৎসসংক্রান্ত বাজেট নথির প্রকাশের তারিখ নির্ধারণ করে ডিবিএম।
- ১৫ সেপ্টেম্বর: বাজেটের সাধারণ নীতি ও বিধান নিয়ে প্রতিনিধি পরিষদে বিতর্ক হয়।
- ১ অক্টোবর: বাজেট সংশোধনী পর্যালোচনা উপকমিটি সরাসরি সম্প্রচারে প্রস্তাবিত ব্যয় পরিবর্তন উপস্থাপন করে।
- ৭ অক্টোবর: প্রতিনিধি পরিষদ করতালির মাধ্যমে সংশোধনী গ্রহণ করে এবং একাধিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, দ্বিতীয় পাঠে বিলটি অনুমোদন করে।
- ৯ অক্টোবর: চূড়ান্ত ভোটের আগে নজরদারি সংস্থাগুলোর আরও অনুসন্ধানের তথ্য ছড়িয়ে পড়ে।
- ১২ অক্টোবর: প্রতিনিধি পরিষদ তৃতীয় ও চূড়ান্ত পাঠে বিলটি অনুমোদন করে।
একটি প্রতিবেদনে দ্বিতীয় পাঠের অনুমোদন ৭ অক্টোবর বুধবারের বদলে বৃহস্পতিবার বলা হয়েছে। বেশির ভাগ প্রতিবেদনে বুধবারের কথা বলা হয়েছে। ১৫ সেপ্টেম্বর তারিখের ডিবিএমের সরকারি বিবৃতিটি আগের বিতর্ক নিয়ে, তাই এই অমিলের সমাধান দেয় না।
১১৬ বিলিয়ন ও ১৯৯ বিলিয়ন পেসোর অঙ্ক আলাদা কেন
মনতেসার মূল্যায়নে বাজেটের কার্যপত্রকের ৮,৮৩৫টি খাতের মধ্যে ২১০টিতে পরিবর্তন পাওয়া গেছে। ১৯৮.৯ বিলিয়ন পেসোর বৃদ্ধির অঙ্কটি প্রকাশ্যে উপস্থাপিত ১১৬.৩২ বিলিয়ন পেসোর চেয়ে প্রায় ৮২.৫৮ বিলিয়ন বেশি। সমালোচকেরা প্রকাশিত অঙ্কের অতিরিক্ত প্রায় ৮০ বিলিয়ন পেসোর সমন্বয় হয়েছে বলে বর্ণনা করেছেন।
এই পার্থক্যের বড় অংশই জনপথ ও গণপূর্ত বিভাগকে (ডিপিডব্লিউএইচ) ঘিরে। উপকমিটি বিভাগটির জন্য প্রায় ১১.৪৯ বিলিয়ন পেসো বৃদ্ধির কথা উপস্থাপন করেছিল। কিন্তু নজরদারি সংস্থার মূল্যায়নে ডিপিডব্লিউএইচের কিছু খাতে প্রায় ৯৮ বিলিয়ন পেসো যোগ এবং অন্যগুলো থেকে প্রায় ৮৬ বিলিয়ন পেসো বাদ দেওয়া হয়েছে।
এই অঙ্কগুলো ভিন্ন বিষয় পরিমাপ করে। মোট সংযোজনের হিসাবে কোনো সংস্থার অন্য খাতের হ্রাস বাদ দেওয়ার আগে সব বৃদ্ধি গণনা করা হয়। নিট বৃদ্ধি হিসাব করতে ওই হ্রাসগুলো বাদ দেওয়া হয়। ফলে কোনো বিভাগের মোট বরাদ্দে সামান্য বৃদ্ধি হলেও এর আড়ালে বড় ধরনের অভ্যন্তরীণ পুনর্বণ্টন থাকতে পারে।
মূল্যায়নে ডিপিডব্লিউএইচের সংশোধিত বাজেট ৬৫৪.১ বিলিয়ন পেসো ধরা হয়েছে, নির্বাহী বিভাগের প্রস্তাবের ৬৪৩.৯৫ বিলিয়ন পেসোর তুলনায়। এই অঙ্কে বৃদ্ধির হার প্রায় ১.৫৮ শতাংশ, যা প্রকাশিত একটি হিসাবের ১.৫৭ শতাংশের কাছাকাছি; অন্য একটি প্রতিবেদনে ১.৭ শতাংশ বলা হয়েছে। মোট বরাদ্দের এই সামান্য পরিবর্তন এর ভেতরের পুনর্বণ্টনের ব্যাপ্তি তুলে ধরে না।
নজরদারি সংস্থার অনুসন্ধানে চারটি বড় বৃদ্ধি দেখা গেছে: বহুমুখী ভবনের জন্য ৪২.৭ বিলিয়ন পেসো, সংযোগ সড়কে ২৯.২ বিলিয়ন, সংকটকালীন সহায়তায় ২৪.৮ বিলিয়ন এবং চিকিৎসা সহায়তায় ২৪ বিলিয়ন। সব মিলিয়ে ১২০.৭ বিলিয়ন পেসো, যা মোট ১৯৮.৯ বিলিয়ন পেসো সংযোজনের প্রায় ৬১ শতাংশ।
সহায়তা বাড়লেও খাতগুলো এক নয়
চূড়ান্ত অনুমোদন-সংক্রান্ত বিবরণে সমাজকল্যাণ ও উন্নয়ন বিভাগের (ডিএসডব্লিউডি) সংকটাপন্ন ব্যক্তিদের সহায়তা (এইআইসিএস) কর্মসূচির জন্য অতিরিক্ত ২৫ বিলিয়ন পেসো এবং স্বাস্থ্য বিভাগের দরিদ্র ও আর্থিকভাবে অক্ষম রোগীদের চিকিৎসা সহায়তা (এমএআইএফআইপি) কর্মসূচির জন্য ২৪.৯৬ বিলিয়ন পেসোর কথা বলা হয়েছে।
নজরদারি সংস্থার মূল্যায়নে বৃদ্ধির অঙ্ক কিছুটা আলাদা: এইআইসিএসের জন্য ২৪.৮ বিলিয়ন পেসো এবং এমএআইএফআইপির জন্য ২৪ বিলিয়ন পেসো। পৃথক এক বিশ্লেষণে এ দুটির সংশোধিত বরাদ্দ যথাক্রমে ৫৮.১ বিলিয়ন ও ৪৮.২ বিলিয়ন পেসো বলা হয়েছে। বাজেটের খাতগুলো মিলিয়ে না দেখে এই পার্থক্যগুলোকে একই অঙ্ক হিসেবে বিবেচনা করা উচিত নয়।
জোটটি পৃষ্ঠপোষকতার অপব্যবহারের ঝুঁকিতে রয়েছে বলে বিবেচিত কর্মসূচিগুলোতে ৬৯.৫ বিলিয়ন পেসো সংযোজন শনাক্ত করেছে। এর মধ্যে কৃষক ও মৎস্যজীবীদের জন্য প্রেসিডেনশিয়াল অ্যাসিস্ট্যান্সে ১০ বিলিয়ন পেসো এবং শ্রম বিভাগের সুবিধাবঞ্চিত কর্মীদের কর্মসংস্থান কর্মসূচি ‘তুলং পাংহানাপবুহে সা আ ting ডিসঅ্যাডভান্টেজড ওয়ার্কার্স’-এ ৪.৭ বিলিয়ন পেসো রয়েছে।
৬৯.৫ বিলিয়ন পেসোর এই হিসাবটি জোটের আগের শ্রেণিবিন্যাসের চেয়ে আলাদা। আগের হিসাবে ৯৯.৪১ বিলিয়ন পেসো, অর্থাৎ প্রকাশ্যে উপস্থাপিত ১১৬ বিলিয়ন পেসোর সংশোধনীর প্রায় ৮৫ শতাংশকে ঝুঁকির সংকেত হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছিল। আগের শ্রেণিতে অবকাঠামো খাতে সংযোজনও ছিল। কোনোটিই প্রমাণ করে না যে পুরো অর্থ দুর্নীতিগ্রস্ত ব্যয়।
উদ্বেগের বিষয় হলো, সহায়তা পাওয়ার সুযোগ ও সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা। সহায়তা জরুরি প্রয়োজন মেটাতে পারে, কিন্তু সমালোচকদের যুক্তি, স্বচ্ছ যোগ্যতার মানদণ্ডের বদলে রাজনৈতিক সুপারিশের ওপর সুবিধাভোগী নির্বাচন নির্ভর করলে কর্মসূচিগুলো পৃষ্ঠপোষকতার হাতিয়ার হয়ে ওঠে। ইবন ফাউন্ডেশনও প্রস্তাবটিকে কৃচ্ছ্রসাধনের বাজেট বলে সমালোচনা করেছে। তাদের যুক্তি, সহায়তা বাড়লেও অত্যাবশ্যক জনসেবায় কাটছাঁটের ক্ষতি পূরণ হয়নি।
অন্যান্য সংযোজনের মধ্যে রয়েছে শিক্ষায় ৮.১২ বিলিয়ন পেসো, কৃষিতে ২০.৮৬ বিলিয়ন, গণপরিবহন সেবা চুক্তি ও এডসা বাসওয়েতে ২.৩৫ বিলিয়ন এবং বিদ্যালয়ের নিরাপত্তায় ৫০০ মিলিয়ন পেসো। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রাথমিক প্রস্তাবে গণপরিবহন খাতের এই বরাদ্দ ছিল না। একটি মূল্যায়নে আগে অর্থায়ন না থাকা ৩৮টি খাতে মোট ১৮.২ বিলিয়ন পেসো বরাদ্দের কথা চিহ্নিত করা হয়েছে।
রেল ও বিদেশি সহায়তাপুষ্ট প্রকল্পে অর্থ কমেছে
জোটটি বিদেশি সহায়তাপুষ্ট প্রকল্পের বরাদ্দে ১৩০ বিলিয়ন পেসো কমার কথা জানিয়েছে: ৪১৪.৮ বিলিয়ন থেকে কমে ২৮৪.৮ বিলিয়ন পেসো। এই হ্রাস প্রায় ৩১.৩ শতাংশ এবং অন্য বাজেট খাত থেকে বাদ দেওয়া ১৯৮.৯ বিলিয়ন পেসোর প্রায় ৬৫ শতাংশ।
ডিপিডব্লিউএইচের মধ্যে বিদেশি সহায়তাপুষ্ট বরাদ্দ ১১৭.৭ বিলিয়ন থেকে কমে ৪৪.৭ বিলিয়ন পেসো হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। ৭৩ বিলিয়ন পেসোর এই হ্রাস প্রায় ৬২ শতাংশ। প্রতিবেদনে বাইপাস সড়কে ৫৩.৫ বিলিয়ন পেসো কমানোর কথা রয়েছে; পাশাপাশি রেল ও বন্যা প্রশমন প্রকল্পেও বরাদ্দ কমেছে।
রেল খাতের কাটছাঁটের বিভাজন নিয়ে প্রতিবেদনগুলোতে অমিল রয়েছে। এক মূল্যায়নে মেট্রো ম্যানিলা সাবওয়ে এবং উত্তর-দক্ষিণ কমিউটার রেলওয়েতে সম্মিলিতভাবে ৩৪.৭ বিলিয়ন পেসো কমানোর কথা বলা হয়েছে। অন্যটিতে সাবওয়ের জন্য ১৯.৭ বিলিয়ন এবং কমিউটার রেলওয়ের জন্য আলাদাভাবে ৩৪.৭ বিলিয়ন পেসোর কথা রয়েছে। আরেক প্রতিবেদনে রেল ও পরিবহন ঋণে ৪২.৮ বিলিয়ন পেসো হ্রাসের কথা বলা হয়েছে। একই পরিধির হিসাব হিসেবে এই অঙ্কগুলো একসঙ্গে মেলে না; বিষয়টি স্পষ্ট করা দরকার।
জোট সতর্ক করেছে, বরাদ্দ কমানো মানেই স্বাক্ষরিত ঋণচুক্তি বাতিল হওয়া নয়। এর ফলে নির্মাণকাজ বা ঋণের অর্থ তোলার প্রক্রিয়া বিলম্বিত হতে পারে; একই সঙ্গে তোলা হয়নি এমন ঋণের অর্থের ওপর প্রতিশ্রুতি ফি এবং সম্ভাব্য জরিমানার দায় সরকারের ওপর থাকতে পারে। আর্থিক প্রভাব সংশ্লিষ্ট চুক্তি, সময়সূচি ও অর্থায়নের চাহিদার ওপর নির্ভর করে; এসব ব্যয়ের কোনো পরিমাপযোগ্য হিসাব এখানে প্রতিষ্ঠিত হয়নি।
ডিবিএমের ব্যয় ও অর্থায়নের সারণিগুলোতে সংস্থা ও ঋণদাতাভিত্তিক বিদেশি সহায়তাপুষ্ট প্রকল্প, অঞ্চলভিত্তিক অবকাঠামো ব্যয়, ঋণ পরিশোধ এবং প্রস্তাবিত বরাদ্দের সমন্বিত হিসাব রয়েছে। কংগ্রেসের পরিবর্তন যাচাইয়ের জন্য নির্বাহী বিভাগের বাজেটের এই খাতগুলো প্রাসঙ্গিক।
জেলা বরাদ্দ নিয়ে রাজনৈতিক আপত্তি
তিনিও বলেছেন, তাঁর কার্যালয় প্রায় ১৮০ বিলিয়ন পেসো মূল্যের ৬,২১২টি নতুন অবকাঠামো প্রকল্প শনাক্ত করেছে, যার ফলে ডিপিডব্লিউএইচের খাতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৬,৭২০-এ। এই হিসাব নতুন করে অন্তর্ভুক্ত প্রকল্পের, একে বাজেটের কার্যপত্রকের বিভিন্ন খাতে মনতেসার ১৯৮.৯ বিলিয়ন পেসো বৃদ্ধির হিসাবের সঙ্গে স্বয়ংক্রিয়ভাবে এক করে দেখা উচিত নয়।
জোটের হিসাবে ডিপিডব্লিউএইচের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের বরাদ্দ ৪২ বিলিয়ন পেসো কমলেও ১৫৮টি জেলা প্রকৌশল কার্যালয়ের সম্মিলিত বরাদ্দ বেড়েছে ৫৪ বিলিয়ন পেসো। তারা নেটওয়ার্ক উন্নয়ন কর্মসূচি থেকে ৫৪.৬ বিলিয়ন এবং বন্যা অবকাঠামো থেকে ৭.৪ বিলিয়ন পেসো বাদ দেওয়ার পাশাপাশি বিভাগের সমন্বিত কর্মসূচিতে ৭৪.১ বিলিয়ন পেসো যোগ করার কথাও জানিয়েছে।
তিনিওর হিসাবে, ইলোকোস নর্তে ১ম জেলা প্রকৌশল কার্যালয়ের বরাদ্দ ৪.৩৮ বিলিয়ন পেসো বাড়িয়ে ৪.৭৯ বিলিয়ন করা হয়েছে। কার্যালয়টি প্রতিনিধি পরিষদের সংখ্যাগরিষ্ঠ নেতা ফার্দিনান্দ আলেকজান্ডার “সান্দ্রো” মার্কোসের সংসদীয় জেলার সেবা দেয়। মোট বরাদ্দের হিসাবে অন্য বড় জেলাগুলোর মধ্যে রয়েছে নুয়েভা এসিহা ১ম-এ ৩.৯১ বিলিয়ন, বুলাকান ২য়-এ ৩.৫ বিলিয়ন, ইসাবেলা ৪র্থ-এ ৩.১ বিলিয়ন এবং মেট্রো ম্যানিলা ৩য়-এ ২.৯৯ বিলিয়ন পেসো।
বরাদ্দ বৃদ্ধির পৃথক তালিকায় দাভাও দে ওরো ১ম-এ ১.৬৮ বিলিয়ন, মিসামিস অক্সিডেন্টাল ২য়-এ ১.৬৫ বিলিয়ন, সাউথ কোটাবাতো ২য়-এ ১.৫৮ বিলিয়ন এবং ইসাবেলা ৪র্থ-এ ১.৫২ বিলিয়ন পেসো দেখানো হয়েছে। এর বিপরীতে তিনিও দাভাও সিটির প্রকৌশল কার্যালয়গুলোর জন্য প্রায় ৪০ মিলিয়ন পেসো করে বরাদ্দের কথা বলেছেন।
এক প্রতিবেদনে ইলোকোস নর্তের কার্যালয়ের জন্য ৫৩.৭ বিলিয়ন পেসো বরাদ্দের কথা বলা হয়েছে। এটি ৪.৭৯ বিলিয়ন পেসোর মোট বরাদ্দের সঙ্গে এবং জেলা প্রকৌশল কার্যালয়গুলোর বরাদ্দে মোট ৫৩.৭ বিলিয়ন পেসো বৃদ্ধির কথা বলা অন্য একটি প্রতিবেদনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। বড় অঙ্কটি শুধু ইলোকোস নর্তেকে দেওয়া হয়েছে বলে নির্ভরযোগ্যভাবে বলা যায় না।
তিনিও নতুন প্রকল্পগুলোর পূর্ণ তালিকা, সেগুলোর অবস্থান এবং যাঁরা প্রকল্পগুলো প্রস্তাব করেছেন তাঁদের পরিচয় প্রকাশের আহ্বান জানিয়েছেন। জেলার বরাদ্দে বৈষম্য যাচাইয়ের দাবি রাখে, তবে প্রকল্পের ব্যয়, প্রয়োজন ও প্রস্তুতি সম্পর্কে তথ্য ছাড়া শুধু পার্থক্য দেখেই রাজনৈতিক পক্ষপাত প্রমাণ হয় না।
প্রকল্পের প্রস্তুতির কথা বলছে নেতারা, বিস্তারিত প্রকাশের দাবি সমালোচকদের
প্রতিনিধি পরিষদের ডেপুটি স্পিকার জ্যানেট গারিন ‘পর্ক’ ব্যয়ের অভিযোগ নাকচ করে বলেছেন, অবকাঠামো খাতের সংশোধনী বিবেচনায় প্রকল্প বাস্তবায়নের প্রস্তুতি, অর্থ ব্যয়ের হার, জমি পাওয়ার সমস্যা এবং নকশার প্রয়োজনীয়তা বিবেচনা করা হয়েছে। তাঁর ভাষ্য, বড় কয়েকটি নদী অববাহিকার বন্যা প্রকল্পের নকশা এবং অন্যান্য প্রস্তুতিমূলক কাজ তখনও বাকি ছিল, যা শেষ হতে দেড় থেকে দুই বছর লাগতে পারে।
তাঁর ব্যাখ্যায় কাটছাঁটের ভিন্ন ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে: দ্রুত এগোনো সম্ভব নয় এমন প্রকল্প থেকে অর্থ সরিয়ে অর্থায়নের অপেক্ষায় থাকা জরুরি প্রকল্পে দেওয়া হয়েছে। এই ব্যাখ্যা প্রতিটি বিতর্কিত সংশোধনীর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য কি না, তা জানতে শুধু সংস্থাভিত্তিক মোট অঙ্ক নয়, প্রকল্পের বিস্তারিত তথ্য প্রয়োজন।
আরেকটি বিরোধের বিষয় প্রতিনিধি পরিষদের বিধি ৯-এর ২৮-ডি ধারা। এতে পুনর্বিন্যাস, পরিবর্তন এবং সংশ্লিষ্ট প্রস্তাবক আইনপ্রণেতাদের পরিচয় উল্লেখ করে বিস্তারিত প্রতিবেদন দেওয়ার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। বরাদ্দবিষয়ক কমিটির চেয়ার মিকায়েলা অ্যাঞ্জেলা সুয়ানসিং বলেছেন, আলাদা প্রতিবেদন দেওয়ার বদলে সংশোধনীগুলো সরাসরি বিলে যুক্ত করা হবে।
সোরসোগনের প্রতিনিধি ম্যানুয়েল “ওয়াওও” ফর্তেস জুনিয়র প্রক্রিয়াটির পক্ষে যুক্তি দিয়ে বলেছেন, কমিটি প্রতিবেদন দেওয়ার শর্ত পূরণ করেছে এবং সংশোধিত বিল আইনপ্রণেতাদের দিয়েছে।
“বাজেট সংশোধনী পর্যালোচনা উপকমিটি (বিএআরএসসি) অনুমোদিত সংশোধনীগুলো কমিটি প্রতিবেদন নম্বর ৬৩৮-এর অধীনে প্রতিনিধি পরিষদে জমা দেওয়া হাউস বিল নম্বর ১০৮৫৮-এর বিকল্প খসড়ায় যুক্ত করা হয়েছে,” বলেন ফর্তেস।
তিনিও প্রশ্ন তুলেছেন, সংশোধিত বিলটি প্রয়োজনীয় প্রতিবেদনের বিকল্প হতে পারে কি না। সান ফার্নান্দো বলেছেন, প্রায় ৪,০০০ পৃষ্ঠার বিলটি রাত ২টায় আইনপ্রণেতাদের কার্যালয়ে পৌঁছায়, ফলে যথেষ্ট সময় নিয়ে পর্যালোচনা করা সম্ভব হয়নি। ১ অক্টোবরের বৈঠক নিয়েও তিনি প্রশ্ন তুলেছেন। প্রতিবেদন অনুযায়ী, বৈঠকের সরাসরি সম্প্রচার ঘোষিত দুপুর ১টার বদলে বিকেল ৫টা ৭ মিনিটে শুরু হয়েছিল। তিয়াংকো জানতে চেয়েছেন, বর্ধিত বরাদ্দের অর্থ জোগাতে কোন কর্মসূচিগুলোতে কাটছাঁট করা হয়েছে।
ডিবিএমের সেপ্টেম্বরের বাজেট বিবৃতিতে বলা হয়েছিল, সংশোধনী প্রতিবেদনে সরকারি সংস্থা ও সংসদীয় জেলা অনুযায়ী বরাদ্দ থাকবে। এতে ৫৮.৫৩ বিলিয়ন পেসোর স্থানীয় সরকার সহায়তা তহবিলের কথাও ছিল। এই তহবিলের সহায়তা স্থানীয় সরকারগুলো সরাসরি চাইবে, রাজনীতিক বা মধ্যস্থতাকারীরা নয়।
সিনেটকে এখন যা খতিয়ে দেখতে হবে
বিলটি এখন সিনেটে পর্যালোচনার জন্য যাচ্ছে। পরে দুই কক্ষের সংস্করণের পার্থক্য যৌথ কংগ্রেসীয় কমিটির মাধ্যমে সমন্বয় করতে হবে; এরপর চূড়ান্ত বিল যাবে প্রেসিডেন্ট ফার্দিনান্দ মার্কোস জুনিয়রের কাছে। এই প্রতিবেদনগুলোতে সিনেটের নির্দিষ্ট ভোট, সমন্বয়ের সময়সীমা বা বিলে স্বাক্ষরের তারিখ ঘোষণা করা হয়নি।
জনঅর্থ বিশেষজ্ঞ জাই-জা নাদিন সুজারা কথিত ‘পর্ক’ বরাদ্দের আরও বিস্তৃত হিসাব ৫৪১.৪ বিলিয়ন পেসো বলে উল্লেখ করেছেন, যা বাজেটের মোট বরাদ্দে প্রকাশিত ৪০৭ বিলিয়ন পেসো বৃদ্ধির চেয়ে ১৩৪.৪ বিলিয়ন বেশি। এটি প্রস্তাবিত বাজেটজুড়ে ব্যয়ের একটি শ্রেণিবিন্যাস; প্রতিনিধি পরিষদ সংশোধনীর মাধ্যমে ৫৪১.৪ বিলিয়ন পেসো যোগ করেছে, এমন সিদ্ধান্ত নয়। এর পরিধি ১৯৮.৯ বিলিয়ন পেসোর পুনর্বণ্টনের হিসাব এবং সহায়তা বরাদ্দের অঙ্ক—দুটোরই চেয়ে আলাদা।
জনসেবার আরও কয়েকটি খাতে কাটছাঁটও যাচাই করা দরকার: পেনশন ও গ্র্যাচুইটি তহবিল থেকে ১০ বিলিয়ন পেসো, দুর্যোগ তহবিল থেকে ৯.৫ বিলিয়ন, পারিবারিক স্বাস্থ্য ও টিকাদান সামগ্রী থেকে ৪.৯ বিলিয়ন এবং স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান থেকে ৪.৫ বিলিয়ন পেসো কমানোর কথা জানানো হয়েছে। চিকিৎসা সহায়তা বাড়ালেই টিকা বা হাসপাতালের অবকাঠামোর ঘাটতি পূরণ হয় না, কারণ কর্মসূচিগুলো ভিন্ন প্রয়োজন মেটায়।
মাকাতি বিশ্ববিদ্যালয়ের জনপ্রশাসনের অধ্যাপক এডারসন তাপিয়া সতর্ক করে বলেছেন, কংগ্রেস আইনগতভাবে ব্যয় সংশোধন করতে পারে; এমন পরিবর্তন হলেই তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে দুর্নীতি হয়ে যায় না। তিনি এই ক্ষমতা এবং এর ভিত্তিতে নেওয়া সিদ্ধান্তের মানের মধ্যে পার্থক্য করেছেন।
“পুনর্বণ্টনের আইনগত বৈধতা এবং এর পেছনের প্রক্রিয়ার সততার মধ্যে পার্থক্য করাটাই গুরুত্বপূর্ণ,” বলেন তাপিয়া।
অনির্ধারিত বরাদ্দ আরেকটি বিষয়, যা স্পষ্ট করা দরকার। ডিবিএম ১১১.৯৮৪ বিলিয়ন পেসো প্রস্তাব করেছে, যা ব্যয় কর্মসূচির প্রায় ১.৬ শতাংশ। এটি শর্তসাপেক্ষ ব্যয় করার ক্ষমতা, স্বয়ংক্রিয়ভাবে ব্যবহারযোগ্য অর্থ নয়। জমা দেওয়া বাজেট বিবৃতিতে এর উদ্দেশ্যের মধ্যে বিদেশি সহায়তাপুষ্ট প্রকল্পের অর্থায়নের ব্যবস্থাও ছিল। পৃথক এক বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, প্রভাবিত প্রকল্পগুলোর জন্য বিকল্প তহবিল নেই। চূড়ান্ত বিধান ও অর্থ ছাড়ের শর্ত থেকেই বোঝা যাবে এমন অর্থায়ন আছে কি না।
তাই সিনেটের তাৎক্ষণিক কাজ শুধু সহায়তা বা অবকাঠামোর কোনটি অর্থায়ন পাওয়া উচিত, তা ঠিক করা নয়। কোন প্রকল্প ও সেবার অর্থ কমেছে, কেন বিকল্প বরাদ্দ বেছে নেওয়া হয়েছে, প্রস্তাবক ও সুবিধাভোগীদের পরিচয় প্রকাশ করা হয়েছে কি না এবং চুক্তিবদ্ধ প্রকল্প এগিয়ে নেওয়ার জন্য যথেষ্ট অর্থ আছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে হবে।
মূল বিষয়গুলো
- ১২ অক্টোবর প্রতিনিধি পরিষদ ৭.২ ট্রিলিয়ন পেসোর ২০২৭ সালের বাজেট পাস করে; ১৩ জন এর বিপক্ষে ভোট দেন এবং একজন বিরত থাকেন। পক্ষে ভোটের সংখ্যা নিয়ে ২৮১ ও ২৮২—দুই রকম হিসাব রয়েছে।
- জোটের মূল্যায়নে ১৯৮.৯ বিলিয়ন পেসো সংযোজন এবং এর বিপরীতে সমপরিমাণ হ্রাস শনাক্ত হয়েছে; প্রকাশ্যে উপস্থাপিত অঙ্ক ছিল প্রায় ১১৬.৩ বিলিয়ন পেসো।
- সহায়তা কর্মসূচি ও স্থানীয় অবকাঠামোতে বরাদ্দ বেড়েছে, আর বিদেশি সহায়তাপুষ্ট প্রকল্পে বরাদ্দ ১৩০ বিলিয়ন পেসো কমেছে বলে জানানো হয়েছে।
- রেল খাতে কাটছাঁট এবং কয়েকটি জেলার বরাদ্দের অঙ্ক নিয়ে প্রতিবেদনগুলোতে এখনও অমিল রয়েছে।
- প্রতিনিধি পরিষদের নেতারা প্রকল্পের প্রস্তুতি এবং প্রতিবেদনসংক্রান্ত বিধি মেনে চলার কথা বলছেন; সমালোচকেরা বিস্তারিত সংশোধনী ও প্রকল্পের তালিকা প্রকাশের দাবি জানিয়েছেন।
- কংগ্রেসে সমন্বয় ও প্রেসিডেন্টের বিবেচনার আগে সিনেটকে বিলটি পর্যালোচনা করতে হবে।






