কলম্বোতে বাজারের উত্থানে বাজারমূল্য ৭.৪ ট্রিলিয়ন রুপি
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের ফলের পর বিনিয়োগকারীরা কেনাকাটা বাড়ানোয় ২০২৬ সালের ৪ নভেম্বর শ্রীলঙ্কার শেয়ারবাজারের মূল্য ১৫৬.২৮ বিলিয়ন রুপি বেড়েছে। কলম্বো স্টক এক্সচেঞ্জের অল শেয়ার প্রাইস ইনডেক্স (ASPI) ২.০৯% বেড়ে ২০,৫৪১.১২ পয়েন্টে লেনদেন শেষ করেছে। এই উত্থানে আর্থিক খাতের শেয়ারগুলো এগিয়ে ছিল।
সূচিপত্র
S&P SL20 সূচক ১১২.৫২ পয়েন্ট বা ১.৯৭% বেড়ে ৫,৮৩৫.০৯ পয়েন্টে দাঁড়ায়। তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর সম্মিলিত শেয়ারবাজারমূল্য—মোট বাজার মূলধন—৩ নভেম্বরের ৭,২৪৪.০৮ বিলিয়ন রুপি থেকে ৪ নভেম্বর বেড়ে ৭,৪০০.৩৬ বিলিয়ন রুপি হয়েছে।
ক্যাপিটাল অ্যালায়েন্সের বিপণনপ্রধান সচিন উনামবুয়ে বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটদের ফলাফলের প্রতিক্রিয়ায় বিনিয়োগকারীরা শেয়ার কিনেছেন। তাঁর মতে, তেলের দাম কমার এবং আন্তর্জাতিক সংঘাত প্রশমিত হওয়ার প্রত্যাশা শ্রীলঙ্কার শেয়ারের জন্য কঠিন ছয় মাসের পর বাজারের মনোভাব উন্নত করতে সহায়তা করেছে।
বিস্তারিত লেনদেনের হিসাব অনুযায়ী, প্রায় সব কেনাকাটাই করেছেন স্থানীয় বিনিয়োগকারীরা; বিদেশি বিনিয়োগকারীরা যত শেয়ার কিনেছেন, বিক্রি করেছেন তার চেয়ে বেশি। ফলে বাজারের উত্থানে দাম বৃদ্ধি ও লেনদেনের ব্যাপক প্রসারের পাশাপাশি বিদেশি বিনিয়োগকারীদের বিক্রিও অব্যাহত ছিল।
লেনদেনের পরিসংখ্যানে ASPI-এর পয়েন্ট বৃদ্ধি ৪২১.৪৫ দেখানো হয়েছে; পাশাপাশি ৪২১.৪৮-এর সামান্য ভিন্ন একটি সংখ্যাও দেওয়া হয়েছে। তবে ২০,৫৪১.১২ পয়েন্টে সূচকের সমাপনী মান এবং ২.০৯% বৃদ্ধির হিসাব—দুটিই একই ছিল।
উত্থানে ব্যাংকগুলোর বড় ভূমিকা
কমার্শিয়াল ব্যাংক অব সিলনের শেয়ার ১.৮%, হ্যাটন ন্যাশনাল ব্যাংকের শেয়ার ১.৯% এবং টেলিযোগাযোগ কোম্পানি ডায়ালগ অ্যাক্সিয়াটার শেয়ার ২.৫% বেড়েছে। ওই দিনের উত্থানে সবচেয়ে বেশি অবদান রাখা কোম্পানিগুলোর মধ্যে ছিল এই তিনটি।
সূচকের সামগ্রিক চিত্রের চেয়ে এ তথ্য বাজারের উত্থানে আর্থিক খাতের ভূমিকা আরও স্পষ্ট করে। একটি সূচক বিভিন্ন শেয়ারের দর পরিবর্তনকে একটিমাত্র পরিমাপে একত্র করে। তাই সূচক বাড়ার অর্থ সব তালিকাভুক্ত কোম্পানির শেয়ার সমান হারে বেড়েছে—এমন নয়; কয়েকটি কোম্পানির বড় অবদানও এর কারণ হতে পারে।
ASPI বিস্তৃত বাজারের গতিবিধি পরিমাপ করে, আর S&P SL20 নজর রাখে ২০টি বড় শেয়ারের একটি ছোট গোষ্ঠীর ওপর। দুটি সূচকই প্রায় ২% বেড়েছে। এতে বোঝা যায়, কেনাকাটার প্রভাবে বিস্তৃত বাজারের মানদণ্ডের পাশাপাশি সীমিত সংখ্যক শেয়ার নিয়ে গঠিত সূচকটিও ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে।
ডায়ালগের ২.৫% দরবৃদ্ধি দুই সূচকের যেকোনোটির চেয়ে বেশি। কমার্শিয়াল ব্যাংক ও হ্যাটন ন্যাশনাল ব্যাংকের শেয়ার ASPI-এর তুলনায় সামান্য কম বেড়েছে; তবে কোম্পানি দুটির আকারের কারণে বাজারের উত্থানে তাদের অবদান ছিল উল্লেখযোগ্য।
লেনদেনের গতি বেড়েছে
প্রায় ১১ কোটি ৯৫ লাখ শেয়ার হাতবদল হয়েছে; আগের অধিবেশনে এ সংখ্যা ছিল ৬ কোটি ১৯ লাখ। অর্থাৎ প্রায় ৫ কোটি ৭৬ লাখ বা ৯৩% শেয়ার বেশি লেনদেন হয়েছে, ফলে লেনদেনের পরিমাণ আগের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে।
ওই অধিবেশনে লেনদেনের মোট মূল্য—টার্নওভার—ছিল প্রায় ৩.৮৬ বিলিয়ন রুপি। আরও নির্দিষ্ট তুলনামূলক হিসাবে এর পরিমাণ ৩.৮৭ বিলিয়ন রুপি বা ১ কোটি ১৬ লাখ ৪০ হাজার ডলার; আগের অধিবেশনে তা ছিল ১.৫২ বিলিয়ন রুপি।
তুলনামূলক হিসাব অনুযায়ী, টার্নওভার বেড়েছে ২.৩৫ বিলিয়ন রুপি বা প্রায় ১৫৫%। সহজ কথায়, আগের অধিবেশনের তুলনায় বিনিয়োগকারীরা শেয়ার কেনাবেচায় প্রায় আড়াই গুণ অর্থ লেনদেন করেছেন।
লেনদেন হওয়া শেয়ারের সংখ্যার চেয়ে টার্নওভার দ্রুত বেড়েছে। ফলে হাতবদল হওয়া প্রতিটি শেয়ারের গড় মূল্য বেড়েছে, যদিও তা নির্ভর করে বিনিয়োগকারীরা কোন কোম্পানির শেয়ার লেনদেন করেছেন তার ওপরও। তুলনামূলক বেশি দামের শেয়ারে লেনদেন বাড়লে, শেয়ারের সংখ্যার তুলনায় টার্নওভার বেশি বাড়তে পারে।
বাজারের পুনরুদ্ধারের দিকে নজর রাখা বিনিয়োগকারীদের জন্য লেনদেনের এই বৃদ্ধি গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, দামের উত্থানের পাশাপাশি লেনদেনও উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। আগের অধিবেশনের তুলনায় ক্রেতা ও বিক্রেতারা অনেক বেশি শেয়ার এবং অনেক বেশি অর্থ লেনদেন করেছেন।
অধিবেশনে স্থানীয় ক্রেতাদের প্রাধান্য
বিস্তারিত লেনদেনের হিসাব অনুযায়ী, স্থানীয় বিনিয়োগকারীরা ৩.৮৪ বিলিয়ন রুপির শেয়ার কিনেছেন এবং ৩.৭০ বিলিয়ন রুপির শেয়ার বিক্রি করেছেন। কেনাকাটা থেকে বিক্রির পরিমাণ বাদ দিলে স্থানীয় বিনিয়োগকারীদের নিট ক্রয় দাঁড়ায় প্রায় ১৪০ মিলিয়ন রুপি।
ওই হিসাব অনুযায়ী, বিদেশি বিনিয়োগকারীরা ২২ মিলিয়ন রুপির শেয়ার কিনেছেন এবং ১৫৮ মিলিয়ন রুপির শেয়ার বিক্রি করেছেন। ফলে তাঁদের নিট বিক্রির পরিমাণ প্রায় ১৩৬ মিলিয়ন রুপি। তবে প্রকাশিত আরেকটি লেনদেনের হিসাবে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের নিট বিক্রি ১৫৮.৮ মিলিয়ন রুপি বলা হয়েছে। এই পার্থক্যের কারণ উল্লেখ করা হয়নি।
একটি লেনদেনের সারসংক্ষেপে স্থানীয় বিনিয়োগকারীদের ৩.৮৪ বিলিয়ন রুপির কেনাকাটাকেও নিট ক্রয় হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। তবে বিস্তারিত ক্রয় ও বিক্রির হিসাবে এটি বিক্রির পরিমাণ বাদ দেওয়ার আগের মোট কেনাকাটা। পার্থক্যটি গুরুত্বপূর্ণ: মোট কেনাকাটা হলো কেনা সব শেয়ারের মূল্য, আর নিট কেনাকাটা হলো বিক্রি বাদ দেওয়ার পর অবশিষ্ট পরিমাণ।
বিস্তারিত হিসাব অনুযায়ী, স্থানীয় ও বিদেশি বিনিয়োগকারীদের সম্মিলিত কেনাকাটার প্রায় ৯৯% করেছেন স্থানীয় বিনিয়োগকারীরা। বিদেশি বিনিয়োগকারীদের কেনাকাটা ছিল ১%-এরও কম। এতে বোঝা যায়, ওই দিনের লেনদেন কতটা স্থানীয় বিনিয়োগকারীদের ওপর নির্ভরশীল ছিল।
তাই শ্রীলঙ্কার বিনিয়োগকারীদের জন্য এই উত্থান ছিল মূলত আন্তর্জাতিক ঘটনাবলির প্রতিক্রিয়ায় স্থানীয় বাজারের সাড়া। বাজারের দুই প্রধান সূচক বাড়লেও বিদেশি বিনিয়োগকারীরা সামগ্রিক হিসাবে বিক্রেতাই ছিলেন।
যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচন কলম্বোর বাজারে প্রভাব ফেলল কেন
উনামবুয়ে বলেন, নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটদের ফলাফল এবং এর পর কী হতে পারে, সে বিষয়ে বিনিয়োগকারীদের প্রত্যাশা বাজারের মনোভাব উন্নত করেছে। ক্রেতারা ধারণা করেছিলেন, তেলের দাম কমতে পারে এবং সংঘাত প্রশমিত হতে পারে, যা বাজারের ওপর চাপ সৃষ্টিকারী কিছু কারণ কমাবে।
ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের জন্য তেলের দাম গুরুত্বপূর্ণ, কারণ পণ্য পরিবহন, যন্ত্রপাতি চালানো এবং যাতায়াতে জ্বালানি লাগে। জ্বালানির দাম কমলে কোম্পানির পরিচালন ব্যয়ও কমতে পারে। আয় বাড়ার প্রত্যাশায় বিনিয়োগকারীরা তখন শেয়ার কিনতে আরও আগ্রহী হতে পারেন।
উনামবুয়ের পূর্বাভাসে সুদের হারও ছিল একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। সুদের হার কমলে কোম্পানি ও পরিবারের ঋণ নেওয়ার ব্যয় কমতে পারে। পাশাপাশি সঞ্চয়কারীদের বিনিয়োগের সিদ্ধান্তও বদলাতে পারে: আমানত ও সুদ দেয় এমন অন্যান্য বিনিয়োগ থেকে সম্ভাব্য আয়ের সঙ্গে শেয়ার থেকে সম্ভাব্য আয়ের তুলনা করে তাঁরা সিদ্ধান্ত নেন।
কোম্পানির হিসাবে পরিবর্তন দেখা দেওয়ার আগেই প্রত্যাশার ভিত্তিতে শেয়ারের দাম বদলে যায়। ৪ নভেম্বরের কেনাকাটায় নির্বাচনের অর্থনৈতিক প্রভাব নিয়ে আশাবাদ প্রতিফলিত হয়েছে; তবে তেলের দাম ও সুদের হার কমাসহ বিনিয়োগকারীদের প্রত্যাশিত পরিবর্তনগুলো তখনও ঘটেনি।
উনামবুয়ে বলেন, দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাস নির্ভর করছে নির্বাচনে পরাজয়ের পর রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়ার ওপর। তাঁর মূল্যায়নে, উত্থান অব্যাহত থাকবে কি না তা কলম্বো এক্সচেঞ্জের বাইরের ঘটনাবলির ওপর নির্ভরশীল—বিশেষ করে আন্তর্জাতিক উত্তেজনা ও আর্থিক পরিস্থিতিকে প্রভাবিত করতে পারে এমন সিদ্ধান্ত ও প্রতিক্রিয়ার ওপর।
ছয় কঠিন মাসের পর বাজারের ঘুরে দাঁড়ানো
উনামবুয়ের হিসাবে, আগের ছয় মাসে শ্রীলঙ্কার বাজার প্রায় ১৮% পড়ে গিয়েছিল। তিনি এ পতনের জন্য বৈশ্বিক সংঘাত এবং মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনাকে দায়ী করেন। নির্বাচনের ফল বাজারের মনোভাব বদলে দেওয়ার আগে এসব কারণে বিনিয়োগকারীরা নিরুৎসাহিত হয়েছিলেন।
২.০৯% বৃদ্ধি ওই মাত্রার পতন থেকে কেবল আংশিক পুনরুদ্ধার। উদাহরণ হিসেবে, ১০০ থেকে শুরু করা কোনো বাজার ১৮% পড়লে নেমে ৮২ হবে। এরপর ২.০৯% বাড়লে তা প্রায় ৮৩.৭-এ পৌঁছাবে, যা শুরুর অবস্থানের চেয়ে অনেক নিচে।
কারণটি সহজ: পতনের পর শতকরা বৃদ্ধির হিসাব করা হয় কমে যাওয়া ভিত্তির ওপর। ১৮% পতন পুরোপুরি কাটিয়ে উঠতে নিচের অবস্থান থেকে প্রায় ২২% বাড়তে হয়। ছয় মাসের পতনটি আনুমানিক ছিল, তাই এই হিসাব পুনরুদ্ধারের মাত্রা বোঝায়; আগের সূচকের নির্দিষ্ট মান পুনর্গঠন করে না।
বাজার মূলধনের ১৫৬.২৮ বিলিয়ন রুপি বৃদ্ধি লেনদেনের টার্নওভার থেকে ভিন্ন বিষয়ও পরিমাপ করে। বাজার মূলধন নির্ধারিত হয় তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর শেয়ারের দাম দিয়ে। এসব দাম বাড়লে বিনিয়োগকারীদের হাতে থাকা শেয়ারের মূল্যও বাড়ে, যার মধ্যে ওই অধিবেশনে হাতবদল না হওয়া শেয়ারও রয়েছে।
অন্যদিকে, টার্নওভার পরিমাপ করে বাস্তবে হওয়া লেনদেনের মূল্য। তাই ১৫৬ বিলিয়ন রুপির বেশি বাজারমূল্য বৃদ্ধি এবং প্রায় ৩.৮৬ বিলিয়ন রুপির লেনদেন একই সঙ্গে ঘটতে পারে: দুটি পরিসংখ্যান একই দিনের কার্যক্রমের ভিন্ন দিক তুলে ধরে।
যে তারিখ ও শর্তগুলোর দিকে নজর রাখতে হবে
৬ মাসের দুর্বল সময়ের পর এবং এর ঠিক আগের তুলনামূলক নিষ্প্রাণ লেনদেনের অধিবেশনের পর ৪ নভেম্বরের উত্থান ঘটেছে। ধারাবাহিক ঘটনাগুলো ওই দিনের লাভকে প্রেক্ষাপটে বুঝতে সাহায্য করে:
- উনামবুয়ের হিসাবে, আগের ছয় মাসে বাজার প্রায় ১৮% পড়েছিল।
- ৩ নভেম্বর বাজার মূলধন ছিল ৭,২৪৪.০৮ বিলিয়ন রুপি। আগের অধিবেশনে ৬ কোটি ১৯ লাখ শেয়ার লেনদেন হয় এবং টার্নওভার ছিল ১.৫২ বিলিয়ন রুপি।
- ৪ নভেম্বর ASPI ২০,৫৪১.১২ পয়েন্টে লেনদেন শেষ করে এবং বাজার মূলধন বেড়ে ৭,৪০০.৩৬ বিলিয়ন রুপিতে পৌঁছায়।
- পরবর্তী দুই থেকে চার সপ্তাহে সুদের হার ও তেলের দাম কমলে ইতিবাচক গতি অব্যাহত থাকবে বলে উনামবুয়ে প্রত্যাশা করেছিলেন।
উনামবুয়ের দুই থেকে চার সপ্তাহের পূর্বাভাস অনুযায়ী, তাৎক্ষণিক নজর থাকবে নভেম্বরের শেষ ভাগ থেকে ডিসেম্বরের শুরুর সময়ের ওপর। তিনি কোনো শেয়ারসূচকের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ না করে সুদের হার ও তেলের দাম কমার সঙ্গে বাজারের গতি অব্যাহত থাকার সম্পর্ক দেখিয়েছেন।
বিনিয়োগকারীরা এখন কয়েকটি নির্দিষ্ট সূচকের দিকে নজর রাখতে পারেন: লেনদেন আগের অধিবেশনের চেয়ে বেশি থাকে কি না, স্থানীয় বিনিয়োগকারীদের কেনাকাটা তাঁদের বিক্রির চেয়ে বেশি থাকে কি না এবং বিদেশি বিনিয়োগকারীরা সামগ্রিকভাবে বিক্রি অব্যাহত রাখেন কি না। তেলের দাম, সুদের হার এবং যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনের ফল নিয়ে রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া—এসবই তাঁর বর্ণিত বাজার-পূর্বাভাসের পেছনের শর্ত।
মূল বিষয়গুলো
- ৪ নভেম্বর ASPI ২.০৯% বেড়ে ২০,৫৪১.১২ পয়েন্টে দাঁড়ায়; S&P SL20 ১.৯৭% বেড়ে ৫,৮৩৫.০৯ পয়েন্টে পৌঁছায়।
- বাজার মূলধন ১৫৬.২৮ বিলিয়ন রুপি বেড়ে ৭,৪০০.৩৬ বিলিয়ন রুপিতে দাঁড়ায়।
- আর্থিক খাতের শেয়ারগুলো উত্থানে এগিয়ে ছিল। সবচেয়ে বেশি অবদান রাখা কোম্পানিগুলোর মধ্যে ছিল কমার্শিয়াল ব্যাংক, হ্যাটন ন্যাশনাল ব্যাংক ও ডায়ালগ অ্যাক্সিয়াটা।
- লেনদেনের পরিমাণ প্রায় দ্বিগুণ হয়; টার্নওভার ১.৫২ বিলিয়ন রুপি থেকে বেড়ে প্রায় ৩.৮৬ বিলিয়ন রুপিতে পৌঁছায়।
- কেনাকাটায় নেতৃত্ব দিয়েছেন স্থানীয় বিনিয়োগকারীরা। বিদেশি বিনিয়োগকারীরা নিট বিক্রেতা ছিলেন, যদিও লেনদেনের হিসাবে তাঁদের নিট বিক্রির অঙ্কে পার্থক্য ছিল।
- ক্যাপিটাল অ্যালায়েন্সের সচিন উনামবুয়ে বলেছেন, পরবর্তী দুই থেকে চার সপ্তাহে সুদের হার ও তেলের দাম কমলে বাজারের ইতিবাচক গতি অব্যাহত থাকতে পারে।






