ট্যুরের শেষ আন্তর্জাতিক গন্তব্য কুয়ালালামপুরে স্টেডিয়ামে দুই রাতের কনসার্ট
৪ ও ৫ নভেম্বর বুকিত জলিলের ন্যাশনাল স্টেডিয়ামে কনসার্টের আগে কুয়ালালামপুরে পৌঁছেছেন দ্য উইকেন্ড। ভক্তদের বাড়ি ফেরা সহজ করতে নির্দিষ্ট কিছু রেলসেবা চালানোর সময় বাড়িয়েছে র্যাপিড কেএল। সরাসরি গন্তব্যে যাওয়া যাত্রীদের জন্য বুকিত জলিল এলআরটি স্টেশনে শেষবার ট্রেনে ওঠার সময় রাত ১২টা ৩০ মিনিট। তবে যাদের পথে ট্রেন বদলাতে হবে, তাদের আরও আগে রওনা দিতে হবে।
সূচিপত্র
- ট্যুরের শেষ আন্তর্জাতিক গন্তব্য কুয়ালালামপুরে স্টেডিয়ামে দুই রাতের কনসার্ট
- হংকং থেকে বুকিত জলিল
- মালয়েশিয়ার কনসার্টের আগে স্থানীয় সংগীতের অনুষঙ্গ
- স্টেডিয়াম ট্যুরের ব্যাপ্তি
- ভক্তরা আসলে কোন শেষ ট্রেন ধরতে পারবেন?
- রেল নেটওয়ার্কে সংযোগের সময়
- স্টেডিয়াম থেকে দূরে পার্কিং
- গাড়ি ও বুক করা গাড়ির নির্ধারিত স্থান
- ধাপে ধাপে দর্শক বের হওয়ায় বাড়ি ফেরার যাত্রা নির্ধারিত হবে
- এক নজরে
কানাডীয় এই গায়ক, যার আসল নাম অ্যাবেল তেসফায়ে, ২ নভেম্বর ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে কুয়ালালামপুরে পৌঁছানোর ইঙ্গিত দেন। ছবিতে বৃষ্টিভেজা নগরকেন্দ্র দেখা যায়; দিগন্তরেখায় পেট্রোনাস টুইন টাওয়ার ও মেনারা কুয়ালালামপুরও ছিল।
আফটার আওয়ার্স টিল ডন ট্যুরের শেষ আন্তর্জাতিক গন্তব্য হিসেবে কুয়ালালামপুরকে নির্ধারণ করা হয়েছে। ২০২২ সালে শুরু হওয়া এই ট্যুর আমেরিকা, ইউরোপ ও অস্ট্রেলিয়ায় গেছে। এ বছর দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় প্রথমবারের মতো এসে মালয়েশিয়ায় স্টেডিয়ামভিত্তিক আয়োজনের শেষ দুইটি কনসার্ট হবে।
চারবারের গ্র্যামি বিজয়ী তেসফায়ের সঙ্গে রয়েছেন নৃত্যশিল্পী, কোরিওগ্রাফার, ব্যক্তিগত প্রশিক্ষক ও আতশবাজি প্রদর্শনের কর্মীসহ বড় একটি ট্যুর দল। মঞ্চ প্রস্তুতি ও মহড়ার আগে দলের সদস্যরাও মালয়েশিয়ার রাজধানীতে পৌঁছেছেন।
কনসার্টে যাওয়া দর্শকদের এখন যাতায়াতের দুই দিকই পরিকল্পনা করতে হবে। কনসার্টের দিনগুলোতে কেএল স্পোর্টস সিটিতে আরও কয়েকটি আয়োজন রয়েছে। এতে পার্কিং, আশপাশের সড়ক ও পথচারীদের চলাচলে চাপ বাড়তে পারে। যাত্রীর গন্তব্যে যাওয়া শেষ ট্রেন ধরতে বুকিত জলিল স্টেশনের শেষ ট্রেন ছাড়ার সময়ের অনেক আগেই স্টেডিয়াম ছাড়তে হতে পারে।
হংকং থেকে বুকিত জলিল
হংকংয়ে চার রাতের কনসার্ট শেষে তেসফায়ে মালয়েশিয়ায় পৌঁছেছেন। ৩১ অক্টোবর সেখানে তাঁর কনসার্টের পর্ব শেষ হয়। ওই পরিবেশনাগুলোতে নতুন একক গান ‘হংকং’-এর প্রথম সরাসরি পরিবেশনা বিশেষ মনোযোগ পায়। গানটি একই সন্ধ্যায় স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্মেও প্রকাশিত হয়।
কুয়ালালামপুরের কনসার্টের আগে গুরুত্বপূর্ণ তারিখগুলো হলো:
- ২০২২: আফটার আওয়ার্স টিল ডন ট্যুর শুরু হয়।
- ২৭ অক্টোবর: কনসার্টের আগে ভক্তদের যাতায়াত ও নিরাপত্তাবিষয়ক নির্দেশনা প্রকাশ করে লাইভ নেশন মালয়েশিয়া।
- ৩১ অক্টোবর: হংকংয়ে দ্য উইকেন্ডের চার কনসার্টের পর্ব শেষ হয়।
- ২ নভেম্বর: ট্যুর দল পৌঁছানোর সময় গায়ক ইনস্টাগ্রামে কুয়ালালামপুরের দিগন্তরেখার ছবি শেয়ার করেন।
- ৪ ও ৫ নভেম্বর: বুকিত জলিলের ন্যাশনাল স্টেডিয়ামে মালয়েশিয়ার দুই কনসার্ট হবে; নির্দিষ্ট কিছু রেলসেবার সময় বাড়ানো হয়েছে।
তেসফায়ের দীর্ঘদিনের সৃজনশীল সহযোগী এবং এক্সও রেকর্ডসের সহপ্রতিষ্ঠাতা ও ক্রিয়েটিভ ডিরেক্টর লা মার টেলরও কুয়ালালামপুরের দিগন্তরেখার ছবি শেয়ার করেছেন। তাঁর আগমনে পরিবেশনার আগে গায়কের সৃজনশীল দলের আরেক গুরুত্বপূর্ণ সদস্য শহরে পৌঁছালেন।
মালয়েশিয়ার কনসার্টের আগে স্থানীয় সংগীতের অনুষঙ্গ
‘হংকং’ গানটিতে ফায়ে ওয়াংয়ের ১৯৯৩ সালের ব্যালাড ‘মনসুন’-এর অনুষঙ্গ রয়েছে, যা দ্য উইকেন্ডের সাম্প্রতিক প্রকাশনায় পরিচিত ক্যান্টোপপ সংগীতকে যুক্ত করেছে। নতুন গানে আগের একটি রেকর্ডিংয়ের অংশ ব্যবহার করাকে স্যাম্পল বলা হয়; এতে দুইটি গানের মধ্যে সরাসরি সংগীতের যোগসূত্র তৈরি হয়।
ট্যুরের বিভিন্ন গন্তব্যের সঙ্গে যুক্ত সংগীত প্রকাশের ধারাই এ গানের মাধ্যমে অব্যাহত রয়েছে। এর আগে তেসফায়ে ব্রাজিল ও জাপানের গন্তব্যের সঙ্গে সম্পর্কিত গান প্রকাশ করেছেন। হংকংয়ে, স্থানটি নতুন গানের শিরোনাম হয়েছে এবং ওয়াংয়ের রেকর্ডিংয়ের মাধ্যমে গানের সংগীত-পরিচয়েরও অংশ হয়েছে।
এবার মালয়েশিয়ার কনসার্টগুলোয় স্টেডিয়াম পরিবেশনার সঙ্গে সংগীত প্রকাশের এই ধারা অনুসরণ করা হচ্ছে। কুয়ালালামপুরের গানের তালিকা কিংবা মালয়েশিয়াকে ঘিরে কোনো নতুন প্রকাশনার পরিকল্পনার কথা কনসার্টের আগে পাওয়া তথ্যে জানানো হয়নি।
স্টেডিয়াম ট্যুরের ব্যাপ্তি
খবরে বলা হয়েছে, আফটার আওয়ার্স টিল ডন ট্যুরে টিকিট বিক্রি ৭৫ লাখ ছাড়িয়েছে এবং মোট আয় হয়েছে ১ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি। এর মধ্য দিয়ে এটি কোনো একক পুরুষ শিল্পীর সর্বোচ্চ আয় করা কনসার্ট ট্যুর হয়েছে। এই পরিসংখ্যান বহু গন্তব্যে অনুষ্ঠিত পুরো ট্যুরের; শুধু মালয়েশিয়ার দুই কনসার্টের নয়।
মোট আয় বলতে খরচ বাদ দেওয়ার আগের উপার্জন বোঝায়। স্টেডিয়ামভিত্তিক আয়োজনে ভেন্যু ব্যবহার, পরিবহন, সরঞ্জাম ও কর্মীদের মতো খরচ থাকে। তাই টিকিট থেকে আয় ও মুনাফা এক বিষয় নয়।
ন্যাশনাল স্টেডিয়ামের ঘোষিত ধারণক্ষমতা প্রায় ৮০ হাজার। তবে মঞ্চের বিন্যাস, আয়োজনের সরঞ্জামের জায়গা ও আসনবিন্যাসের ওপর কনসার্টে দর্শকসংখ্যা নির্ভর করে। কুয়ালালামপুরে বড় দর্শকসমাগমকে এমন একটি ক্রীড়া কমপ্লেক্সের ভেতর দিয়ে চলাচল করানোই বাস্তব চ্যালেঞ্জ, যেখানে একই সময়ে আরও অনুষ্ঠান হবে।
ভক্তরা আসলে কোন শেষ ট্রেন ধরতে পারবেন?
৪ ও ৫ নভেম্বরের জন্য র্যাপিড কেএলের বাড়তি সময়সূচিতে নির্দিষ্ট কিছু সেবায় অতিরিক্ত সময় রাখা হয়েছে। শ্রী পেতালিং লাইনের বুকিত জলিল স্টেশনে পুত্রা হাইটস ও সেন্টুল তিমুরমুখী সরাসরি ট্রেনের শেষবার ওঠার সময় রাত ১২টা ৩০ মিনিট।
যাত্রীদের ট্রেন বদলাতে হলে সংযোগকারী ট্রেনের সময় ধরে পেছন থেকে পরিকল্পনা করতে হবে। এক রেলসেবা থেকে অন্যটিতে যাওয়াই ট্রেন বদলানো, তবে দ্বিতীয় সেবার নিজস্ব শেষ সময় রয়েছে। তাই রাত ১২টা ৩০ মিনিটের আগে প্রথম ট্রেন ধরলেও পুরো যাত্রার জন্য তা যথেষ্ট নাও হতে পারে।
বুকিত জলিল থেকে রওনা হওয়ার প্রধান সময়সীমাগুলো হলো:
- পুত্রা হাইটস বা সেন্টুল তিমুরমুখী সরাসরি শ্রী পেতালিং লাইনের ট্রেনের জন্য রাত ১২টা ৩০ মিনিট।
- চ্যান সো লিনে আমপাং লাইনে ওঠার জন্য ট্রেন বদলাতে হলে রাত ১২টা।
- সুঙ্গাই বেসিতে পুত্রজায়া লাইনে ওঠার জন্য ট্রেন বদলাতে হলে রাত ১২টা।
- কেলানা জায়া লাইন, কেএল মনোরেল বা কাজাং লাইনের সংযোগকারী ট্রেন ধরতে হলে রাত ১১টা ৩০ মিনিট।
সবচেয়ে আগের সংযোগকারী ট্রেন ধরতে হবে এমন ভক্তদের জন্য শেষ সরাসরি ট্রেনের এক ঘণ্টা আগেই সময়সীমা। স্টেডিয়াম থেকে বের হওয়ার সারি ও স্টেশন পর্যন্ত হাঁটার সময়ও এই সময়ের মধ্যে ধরতে হবে। তাই স্টেশন বন্ধের ঘোষিত সময়ের মতোই যাত্রীর গন্তব্যও গুরুত্বপূর্ণ।
রেল নেটওয়ার্কে সংযোগের সময়
আমপাং লাইনের যাত্রীদের চ্যান সো লিনে রাত ১২টা ১৩ মিনিটের শেষ সংযোগকারী ট্রেন ধরতে বুকিত জলিল থেকে মধ্যরাতের মধ্যে উঠতে হবে। পুত্রজায়া লাইনের যাত্রীদেরও মধ্যরাতের মধ্যে বুকিত জলিল ছাড়তে হবে। এরপর সুঙ্গাই বেসিতে বদলে রাত ১২টা ১৫ মিনিটে কওয়াসা দামানসারা অথবা রাত ১২টা ৩৪ মিনিটে পুত্রজায়া সেন্ট্রালমুখী ট্রেন ধরতে হবে।
কেলানা জায়া লাইনের যাত্রীদের রাত ১১টা ৩০ মিনিটের মধ্যে বুকিত জলিল থেকে ট্রেনে উঠে মাসজিদ জামেকে বদলাতে হবে। সেখান থেকে পুত্রা হাইটসমুখী শেষ সংযোগকারী ট্রেন ছাড়ে রাত ১২টা ৩ মিনিটে এবং গোম্বাকমুখীটি রাত ১২টা ১৭ মিনিটে।
কেএল মনোরেলের যাত্রীদের ক্ষেত্রেও বুকিত জলিল থেকে ওঠার সময়সীমা রাত ১১টা ৩০ মিনিট। তাদের হাং তুয়াহে ট্রেন বদলাতে হবে। সেখান থেকে তিতিওয়াংসামুখী শেষ ট্রেন ছাড়ে রাত ১২টা ৮ মিনিটে এবং কেএল সেন্ট্রালমুখীটি রাত ১২টা ১০ মিনিটে।
কাজাং লাইনের যাত্রীদের দুইবার ট্রেন বদলাতে হবে। রাত ১১টা ৩০ মিনিটের আগে বুকিত জলিল থেকে উঠে রাত ১১টা ৪৫ মিনিটের মধ্যে সুঙ্গাই বেসিতে পুত্রজায়া লাইনে বদলাতে হবে, এরপর টুন রাজাক এক্সচেঞ্জে আবার বদলাতে হবে। সেখান থেকে কওয়াসা দামানসারামুখী কাজাং লাইনের শেষ ট্রেন ছাড়ে রাত ১২টা ১০ মিনিটে এবং কাজাংমুখীটি রাত ১২টা ১৩ মিনিটে।
লাইভ নেশন মালয়েশিয়ার আগের নির্দেশনায় অপারেটর অন্য কিছু না জানালে রেলের স্বাভাবিক সময়সূচি অনুসরণের কথা বলা হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে র্যাপিড কেএল দুই কনসার্টের রাতের জন্য সময় বাড়ানোর ঘোষণা দেয়। যাত্রার আগে হালনাগাদ সময়সূচি ও সেবাসংক্রান্ত তথ্য জানতে ভক্তদের পালস অ্যাপ দেখতে বলা হয়েছে।
স্টেডিয়াম থেকে দূরে পার্কিং
গাড়িচালকদের রেলস্টেশনের পার্কিং সুবিধা ব্যবহার করে বাকি পথ ট্রেনে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছে র্যাপিড কেএল। আমপাং ও শ্রী পেতালিং করিডরে ১৫টি নির্ধারিত পার্কিং সুবিধা রয়েছে। এর মধ্যে আমপাং, পান্ডান জায়া, তামান পেরিন্দুস্ত্রিয়ান পুচং, কিনরারা বিকেস৫, সেন্টুল, পুত্রা হাইটস ও সুঙ্গাই বেসির অবস্থান রয়েছে।
পুত্রজায়া লাইনে আরও ১৪টি পার্কিং সুবিধা আছে। এর মধ্যে মেট্রো প্রিমা, শ্রী দামানসারা তিমুর, সাইবারজায়া উতারা, সুঙ্গাই বেসি, ইউপিএম ও তামান নাগা এমাস রয়েছে। দুই করিডরের এই ২৯টি সম্ভাব্য রেল পার্কিংয়ের জায়গা বুকিত জলিলের বাইরে গাড়ির চাপ ছড়িয়ে দিতে পারে।
ঘোষিত ব্যবস্থায় রেল পরিচালিত আনুষ্ঠানিক পার্কিং সুবিধায় প্রতিবার প্রবেশের জন্য ৪.৩০ থেকে ৫.০০ রিঙ্গিত খরচ হবে। পার্কিংয়ে ঢোকা ও বের হওয়া এবং ট্রেনভাড়া দেওয়ার জন্য চালকদের একই টাচ ’এন গো কার্ড ব্যবহার করতে হবে। ফিরতি যাত্রার জন্য কার্ডে পর্যাপ্ত ব্যালান্স রাখা উচিত।
মাইর্যাপিড পালস অ্যাপে পার্কিংয়ের খালি জায়গার হালনাগাদ তথ্য দেখা যায়। পশ্চিম ক্লাং ভ্যালি থেকে আসা ভক্তদের কিনরারা, পুচং ও পুত্রা হাইটস এলাকার পার্কিং সুবিধা বিবেচনা করতেও বলা হয়েছে। পুচং, সানওয়ে, সুবাং জায়া বা শাহ আলমের দিকে যাঁরা যাবেন, তাঁদের জন্য আয়োজকেরা আলম সুতেরা স্টেশনকে বিকল্প হিসেবে পরামর্শ দিয়েছেন। স্টেশনটি বুকিত জলিল থেকে চারটি স্টপ দূরে; সেখান থেকে পরবর্তী যাত্রার ব্যবস্থা করা যাবে।
গাড়ি ও বুক করা গাড়ির নির্ধারিত স্থান
অ্যাপের মাধ্যমে বুক করা গাড়ির জন্য লাইভ নেশন মালয়েশিয়ার নির্ধারিত কেন্দ্র এন্দাহ প্যারেড, যা স্টেডিয়াম থেকে হেঁটে যেতে প্রায় ১৫ মিনিট লাগে। যাত্রী ওঠানো ও নামানোর জন্য শুধু এই কেন্দ্র ব্যবহার করতে হবে; জালান মেরাহ চাগা বা জালান বারাত নয়।
জালান মেরাহ চাগা, জালান বারাত ও আশপাশের প্রবেশপথে যানজটের আশঙ্কা রয়েছে। আয়োজকেরা বিশেষভাবে জালান মেরাহ চাগা এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিয়েছেন। কমপ্লেক্সের আশপাশে গাড়ি ও পথচারীদের চলাচল নিয়ন্ত্রণে যানবাহন চলাচলে বিধিনিষেধও দেওয়া হতে পারে।
কেএল স্পোর্টস সিটির পার্কিং বি, ডি, ই ও এফে জায়গা সীমিত। বিকল্প হিসেবে প্রায় ১৫ মিনিটের হাঁটা দূরত্বে এমআরএএনটিআই পার্ক এবং প্রায় ৩০ মিনিটের হাঁটা দূরত্বে ক্যালভারি কনভেনশন সেন্টারের পার্কিংয়ের কথা জানানো হয়েছে। জায়গা ও প্রবেশের সুযোগ সংশ্লিষ্ট পরিচালকদের ব্যবস্থার ওপর নির্ভর করবে।
বিকল্প বিবেচনার সময় হাঁটার এই দূরত্বও গুরুত্বপূর্ণ। স্টেডিয়াম থেকে দূরের পার্কিংয়ে গেলে ঢোকার আগে ও কনসার্টের পরে অতিরিক্ত সময় লাগবে। বুক করা গাড়ির ক্ষেত্রেও নির্ধারিত কেন্দ্রে পৌঁছে অন্য দর্শকদের সঙ্গে অপেক্ষা করতে হবে। একাধিক যাত্রী এক গাড়িতে গেলে ভেন্যুমুখী গাড়ির সংখ্যা কমতে পারে।
ধাপে ধাপে দর্শক বের হওয়ায় বাড়ি ফেরার যাত্রা নির্ধারিত হবে
পরিবেশনা শেষে ধাপে ধাপে দর্শকদের স্টেডিয়াম থেকে বের করা হবে। সবাইকে একই দিকে চলাচলে সহায়তা করতে একমুখী পথ রাখা হবে। বের হওয়া ভিড়ের বিপরীতে যাওয়ার চেষ্টা না করে দিকনির্দেশক চিহ্ন ও অনুষ্ঠানকর্মীদের নির্দেশনা অনুসরণ করা উচিত।
গেট সি-এর টিকিটধারীদের জন্য বিশেষ নির্দেশনা রয়েছে: গেট সি-এর কাছের সংরক্ষণাগার ব্যবহার করুন। নির্ধারিত বের হওয়ার পথের কাছে জিনিসপত্র রাখলে তা আনতে ভিড়ের মধ্য দিয়ে উল্টো পথে যেতে হবে না।
ট্রেন স্টেশন, পার্কিং থেকে বের হওয়ার পথ এবং এন্দাহ প্যারেডের গাড়ি ওঠার কেন্দ্রে দীর্ঘ সারির আশঙ্কা রয়েছে। কেএল স্পোর্টস সিটির অন্য আয়োজনের দর্শকেরাও একই সময়ে এলাকা ছাড়তে পারেন। ভক্তদের দরজা ও চলাচলের পথ ফাঁকা রাখতে, সতর্ক থাকতে এবং বাড়ি ফেরার জন্য অতিরিক্ত সময় হাতে রাখতে বলা হয়েছে।
ব্যবহারিকভাবে যাত্রীকে ভাবতে হবে কোন রেল সংযোগটি দরকার, স্টেডিয়াম থেকে বের হতে কত সময় লাগবে এবং ট্রেনের পর আর কীভাবে যেতে হবে। পৌঁছানোর আগেই এসব তথ্য দেখে নিলে দুই কনসার্টের রাতেই বাড়ি ফেরার পরিকল্পনা স্পষ্ট হবে।
এক নজরে
- ট্যুরের শেষ আন্তর্জাতিক গন্তব্য কুয়ালালামপুরে ৪ ও ৫ নভেম্বর বুকিত জলিলের ন্যাশনাল স্টেডিয়ামে পরিবেশনা করবেন দ্য উইকেন্ড।
- সরাসরি শ্রী পেতালিং লাইনে যাওয়া যাত্রীদের বুকিত জলিল থেকে শেষবার ট্রেনে ওঠার সময় রাত ১২টা ৩০ মিনিট।
- ট্রেন বদলাতে হলে সংযোগের ওপর নির্ভর করে রাত ১২টা বা ১১টা ৩০ মিনিটের মধ্যে উঠতে হবে।
- অ্যাপে বুক করা গাড়ির নির্ধারিত কেন্দ্র এন্দাহ প্যারেড, স্টেডিয়াম থেকে হেঁটে যেতে প্রায় ১৫ মিনিট লাগে।
- স্টেডিয়ামের পার্কিং সীমিত; রেলস্টেশনের পার্কিং সুবিধা ও বিকল্প পার্কিংয়ের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
- কনসার্ট শেষে ধাপে ধাপে দর্শকদের বের করা হবে এবং একমুখী হাঁটার পথ চালু থাকবে।






