অপেক্ষা কম, আরও বেশি বাড়ি
সিঙ্গাপুরের হাউজিং অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট বোর্ড (এইচডিবি) ২০২৬ সালের নভেম্বরে বিল্ড-টু-অর্ডার (বিটিও) বিক্রয় কার্যক্রমে সেম্বাওয়াং অ্যাঙ্করে ১,৩১০টি ফ্ল্যাট দেবে। এগুলোর জন্য অপেক্ষার সময় দুই বছর ১০ মাস। এই প্রকল্প চালু হলে চলতি বছরে তিন বছরের কম অপেক্ষার ফ্ল্যাটের সরবরাহ বেড়ে দাঁড়াবে ৪,৬৬১টিতে, যা এইচডিবির ৪,০০০টির বেশি ফ্ল্যাট দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রাকে ছাড়িয়ে যাবে।
সূচিপত্র
এইচডিবি ১ নভেম্বর পরিকল্পনাগুলো ঘোষণা করে। নতুন সেম্বাওয়াং নর্থ আবাসন এলাকায়, অ্যাডমিরালটি লেন ও সেম্বাওয়াং ড্রাইভের মাঝখানে অবস্থিত সেম্বাওয়াং অ্যাঙ্করে ছয়টি আবাসিক ব্লকে ২-রুম ফ্লেক্সি, ৩-রুম, ৪-রুম ও ৫-রুমের ফ্ল্যাট থাকবে।
আরও চার মাস অপেক্ষা করতে রাজি ক্রেতারা বেডকের বে’শোর ও টেঙ্গাহর প্ল্যান্টেশন ডিউতে আরও ১,৫৬৫টি ফ্ল্যাট বিবেচনা করতে পারবেন। দুই প্রকল্পেই অপেক্ষার সময় তিন বছর দুই মাস। সেম্বাওয়াং অ্যাঙ্করসহ এই তিন প্রকল্পে মোট ২,৮৭৫টি ফ্ল্যাট থাকবে, যা নভেম্বরে পরিকল্পিত প্রায় ৭,৯৬০টি বাড়ির প্রায় ৩৬ শতাংশ।
এই বিক্রয় কার্যক্রমে পরিবারের জন্য এস$১৬,০০০ এবং একক আবেদনকারীদের জন্য এস$৮,০০০ আয়ের নতুন ঊর্ধ্বসীমাও কার্যকর হবে। প্ল্যান্টেশন ডিউতে ৫-রুমের ফ্ল্যাটের ক্রেতারা প্রথমবারের মতো দেয়ালবিহীন উন্মুক্ত বিন্যাসের ফ্ল্যাট বেছে নিতে পারবেন, যেখানে বসার ঘর ও শোবার ঘরের মাঝে কোনো অভ্যন্তরীণ বিভাজক দেয়াল থাকবে না।
কম অপেক্ষার সময় বলতে কী বোঝায়?
যেসব ফ্ল্যাটের জন্য অপেক্ষার সময় তিন বছরের কম, সেগুলোকে এইচডিবি কম অপেক্ষার সময় (এসডব্লিউটি) শ্রেণিতে রাখে। সেম্বাওয়াং অ্যাঙ্করের অপেক্ষার সময় ৩৪ মাস হওয়ায় এটি এই শ্রেণিতে পড়েছে। বে’শোর ও প্ল্যান্টেশন ডিউ—দুই প্রকল্পেই অপেক্ষার সময় ৩৮ মাস। সময়টি তিন বছরের কাছাকাছি হলেও প্রকল্প দুটি এই শ্রেণির বাইরে।
তাই পরিসংখ্যানগুলোতে দুটি আলাদা গোষ্ঠীর কথা বলা হয়েছে: নভেম্বরে ১,৩১০টি ফ্ল্যাট, যেগুলোর অপেক্ষার সময় তিন বছরের কম; এবং নভেম্বরে ২,৮৭৫টি ফ্ল্যাট, যেগুলোর অপেক্ষার সময় প্রায় তিন বছর বা তার কম। এসব প্রকল্পের মধ্যে বেছে নেওয়া পরিবারের জন্য সেম্বাওয়াং অ্যাঙ্করে ফ্ল্যাট পাওয়ার নির্ধারিত সময় সবচেয়ে আগে।
এইচডিবি জানিয়েছে, ২০২৬ সালে চালু হওয়া বিটিও ফ্ল্যাটের প্রায় চারটির একটিতে অপেক্ষার সময় তিন বছরের কম হবে। সিঙ্গাপুরবাসীর আবাসনের চাহিদা মেটাতে কম অপেক্ষার ফ্ল্যাটের ধারাবাহিক সরবরাহ নিশ্চিত করার চলমান প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে এই কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে বলে বোর্ড জানিয়েছে।
সরবরাহের লক্ষ্যমাত্রার হিসাব
২০২৬ সালে পরিকল্পিত ৪,৬৬১টি এসডব্লিউটি ফ্ল্যাটের আগে ২০২৫ সালে ৪,৬৯০টি ফ্ল্যাট চালু করা হয়েছিল। দুই বছরে মোট ফ্ল্যাটের সংখ্যা দাঁড়ায় ৯,৩৫১, যা ২০২৫ থেকে ২০২৭ সালের মধ্যে ১২,০০০টি এমন ফ্ল্যাট চালুর লক্ষ্যমাত্রার প্রায় ৭৮ শতাংশ।
২০২৭ সালে লক্ষ্যমাত্রা পূরণে আরও ২,৬৪৯টি ফ্ল্যাট প্রয়োজন হবে। নভেম্বরে বিক্রয় কার্যক্রমের পরও সরবরাহে কতটা ঘাটতি থাকবে, এই হিসাব তা দেখায়। তবে এইচডিবি জানিয়েছে, তারা প্রতিশ্রুতি পূরণের পথে রয়েছে।
এই বিক্রয় কার্যক্রমের বাইরেও রয়েছে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক:
- ২০২৫: এইচডিবি তিন বছরের কম অপেক্ষার সময়সহ ৪,৬৯০টি ফ্ল্যাট চালু করেছে।
- ১ নভেম্বর ২০২৬: এইচডিবি সেম্বাওয়াং অ্যাঙ্কর এবং নভেম্বরে তিনটি প্রকল্পে অপেক্ষার সময় কম হওয়ার বিস্তারিত ঘোষণা করেছে।
- নভেম্বর ২০২৬: বছরের শেষ বিটিও কার্যক্রমে সাতটি প্রকল্পে প্রায় ৭,৯৬০টি ফ্ল্যাট দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
- ২০২৭ সালের শেষ নাগাদ: তিন বছরে ১২,০০০টি এসডব্লিউটি ফ্ল্যাট চালুর লক্ষ্য এইচডিবির।
- ২০২৮ থেকে ২০২৯: টেঙ্গাহকে সেবা দেওয়া জুরং রিজিয়ন লাইন ধাপে ধাপে চালু হওয়ার কথা।
সেম্বাওয়াং অ্যাঙ্করে যা থাকছে
অপেক্ষার সময় প্রায় তিন বছর বা তার কম—এমন তিনটি প্রকল্পের মধ্যে সেম্বাওয়াং অ্যাঙ্কর সবচেয়ে বড়। এর ১,৩১০টি ফ্ল্যাট এই তিন প্রকল্পের মোট সরবরাহের প্রায় ৪৬ শতাংশ। ছয়টি ব্লকের একটিতে বিক্রির ফ্ল্যাট ও ভাড়ার ফ্ল্যাট একই ভবনে থাকবে।
প্রকল্পটিতে প্রাক্-প্রাথমিক শিক্ষাকেন্দ্র, খাবারের দোকান, সুপারমার্কেট ও অন্যান্য দোকান থাকবে। কাছাকাছি নতুন একটি পাড়া কেন্দ্র এবং এক হেক্টর আয়তনের একটি পার্কও করার পরিকল্পনা রয়েছে। এতে বাসিন্দাদের বাড়ির কাছেই শিশুযত্ন, খাবার ও নিত্যপ্রয়োজনীয় কেনাকাটার ব্যবস্থা থাকবে।
কাছাকাছি কেনাকাটার আরও জায়গা হিসেবে রয়েছে সেম্বাওয়াং মার্ট ও সান প্লাজা। সমন্বিত ক্রীড়া ও কমিউনিটি কেন্দ্র বুকিত ক্যানবেরায় রয়েছে হকার সেন্টার, পলিক্লিনিক, ইনডোর স্পোর্টস হল, অ্যাক্টিভএসজি জিম ও সুইমিং পুল।
শুধু অপেক্ষার সময় নয়, ক্রেতাদের বিবেচনার জন্য আরও বিষয় থাকছে। সেম্বাওয়াং অ্যাঙ্করে ৩-রুম ও ৫-রুমের পাশাপাশি ২-রুম ফ্লেক্সি ও ৪-রুমের ফ্ল্যাটও থাকবে। ফলে বিভিন্ন পরিমাণ জায়গা প্রয়োজন এমন পরিবার একই প্রকল্পের ফ্ল্যাট বিবেচনা করতে পারবে।
বে’শোরে উপকূলঘেঁষা আবাসন
বেডকের নতুন বে’শোর আবাসন এলাকায় বে’শোর ড্রাইভ ও বে’শোর ওয়াকের মাঝখানে ৮৫৫টি ফ্ল্যাট দেবে বে’শোর ওয়েসিস। চারটি আবাসিক ব্লকে ২-রুম ফ্লেক্সি ও ৪-রুমের ফ্ল্যাট থাকবে। সমন্বিত একটি ব্লকে বিক্রির ফ্ল্যাট ও ভাড়ার বাড়ি—দুই-ই থাকবে।
প্রকল্পের ভেতরে একটি প্রাক্-প্রাথমিক শিক্ষাকেন্দ্র, মিনিমার্ট ও দোকান করার পরিকল্পনা রয়েছে। বে’শোর ড্রাইভে খাবার ও কেনাকাটার আরও ব্যবস্থা থাকবে। প্রকল্পের পাশের প্রস্তাবিত পার্কটি পাড়ায় সবুজ খোলা জায়গা যোগ করবে।
হাঁটা ও সাইকেল চালানোর পথ ধরে বাসিন্দারা ইস্ট কোস্ট পার্কে যেতে পারবেন। বাসসেবা এবং থমসন-ইস্ট কোস্ট লাইন ব্যবহার করে গণপরিবহনে যাতায়াতের সুযোগ থাকবে; এ ক্ষেত্রে বে’শোর এমআরটি স্টেশন এবং আসন্ন বেডক সাউথ এমআরটি স্টেশন কাজে আসবে।
বে’শোর ওয়েসিসের পাশের আরেকটি প্রকল্পে ১,৬৪০টি ফ্ল্যাট দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। এতে থাকবে ২-রুম ফ্লেক্সি, ৩-রুম ও ৪-রুমের ফ্ল্যাট। বে’শোরের দুই প্রকল্প মিলিয়ে ২,৪৯৫টি বাড়ি হবে, যা নভেম্বরে পরিকল্পিত মোট ফ্ল্যাটের প্রায় ৩১ শতাংশ। ফলে আবাসন এলাকায় ক্রেতাদের সামনে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বিকল্প থাকবে, যদিও দুই প্রকল্পে ফ্ল্যাটের ধরন আলাদা।
প্ল্যান্টেশন ডিউতে আবারও ফ্ল্যাট চালু
টেঙ্গাহর প্ল্যান্টেশন জেলায়, টেঙ্গাহ গার্ডেন অ্যাভিনিউ, প্ল্যান্টেশন ওয়াক ও আসন্ন একটি পার্কের মাঝখানে ৭১০টি ফ্ল্যাট দেবে প্ল্যান্টেশন ডিউ। ২০২৩ সালের অক্টোবরের পর এই পাড়ায় এটিই হবে প্রথম বিটিও প্রকল্প।
পাঁচটি আবাসিক ব্লকে বিক্রির ফ্ল্যাট ও ভাড়ার ফ্ল্যাট থাকবে। উল্লেখ করা তিন প্রকল্পের মধ্যে এখানে ফ্ল্যাটের ধরন সবচেয়ে বেশি: ২-রুম ফ্লেক্সি, ৩-রুম, ৪-রুম, ৫-রুম ও ৩জেন ফ্ল্যাট। কয়েক প্রজন্মের সদস্য একসঙ্গে থাকা পরিবারের জন্য ৩জেন বিন্যাস একটি বিকল্প।
প্রকল্পের ভেতরে খাবারের দোকান, মিনিমার্ট, দোকান ও প্রাক্-প্রাথমিক শিক্ষাকেন্দ্র করার পরিকল্পনা রয়েছে। পাশের পার্কে থাকবে খোলা জায়গা। প্রকল্পটি প্যান আইল্যান্ড এক্সপ্রেসওয়ের কাছেও অবস্থিত।
প্ল্যান্টেশন ডিউ থেকে আসন্ন জুরং রিজিয়ন লাইনের জেই২ স্টেশন হাঁটা দূরত্বে থাকবে। প্রকল্পটি ওই লাইনের ভবিষ্যতের দুটি স্টেশন থেকে পাঁচ থেকে ১০ মিনিট হাঁটার দূরত্বে বলে জানানো হয়েছে। লাইনটি ২০২৮ থেকে ২০২৯ সালের মধ্যে ধাপে ধাপে চালুর কথা। তাই দৈনন্দিন যাতায়াতের হিসাব করতে গিয়ে ক্রেতাদের এমন পরিবহন অবকাঠামো বিবেচনায় নিতে হবে, যা এখনো নির্মাণাধীন।
বড় ফ্ল্যাটেও দেয়ালবিহীন বিন্যাস
ক্রফোর্ড হাইটস ও মাউন্ট প্লেজ্যান্ট ক্রেস্টের পর প্ল্যান্টেশন ডিউ হবে দেয়ালবিহীন ফ্ল্যাটের সুবিধা দেওয়া তৃতীয় বিটিও প্রকল্প। ৩-রুম ও ৪-রুমের পাশাপাশি প্রথমবারের মতো ৫-রুমের ফ্ল্যাটেও এই বিকল্প থাকবে।
দেয়ালবিহীন ফ্ল্যাটে বসার ঘর ও শোবার ঘরের মাঝখানে প্রচলিত অভ্যন্তরীণ বিভাজক দেয়াল থাকে না। ফ্ল্যাটের প্রচলিত কক্ষবিন্যাস দিয়ে শুরু না করে, পরিবারের প্রয়োজন অনুযায়ী ক্রেতারা জায়গাগুলো কীভাবে ভাগ করবেন তা নিজেরাই ঠিক করতে পারবেন।
বাসিন্দারা এই নমনীয়তা কীভাবে কাজে লাগাতে পারেন, তা ব্যাখ্যা করেছে এইচডিবি:
“নিজেদের প্রয়োজন ও পছন্দ অনুযায়ী ক্রেতারা বড় শোবার ঘর, আরও প্রশস্ত বসার ও খাবারের জায়গা, কিংবা বাসা থেকে কাজ ও শখের চর্চার জন্য নির্দিষ্ট জায়গা তৈরি করতে পারেন,” বলেছে এইচডিবি।
ফ্ল্যাট বুক করার আমন্ত্রণ পাওয়ার পর ক্রেতারা দেয়ালবিহীন বিন্যাস বেছে নিতে পারবেন। যারা এই বিকল্প নেবেন না, তারা দেয়ালসহ প্রচলিত বিন্যাসের ফ্ল্যাট পাবেন। এতে পরিবারগুলো প্রচলিত কক্ষবিন্যাস ও নিজেদের মতো জায়গা সাজানোর বেশি স্বাধীনতার মধ্যে ব্যবহারিক একটি সিদ্ধান্ত নিতে পারবে।
নভেম্বরে আবেদনকারীদের জন্য কী বদলাচ্ছে?
নভেম্বরের বিক্রয় কার্যক্রম থেকে কার্যকর হওয়া নতুন আয়ের ঊর্ধ্বসীমায় পরিবারের আয় সর্বোচ্চ এস$১৬,০০০ এবং একক আবেদনকারীদের আয় সর্বোচ্চ এস$৮,০০০ হলে তারা নতুন সীমার মধ্যে থাকবেন। আয়ের ঊর্ধ্বসীমা হলো সংশ্লিষ্ট যোগ্যতার নিয়মে অনুমোদিত সর্বোচ্চ আয়; আবেদনকারীদের কাঙ্ক্ষিত ফ্ল্যাটের অন্যান্য শর্তও পূরণ করতে হবে।
এই বিক্রয় কার্যক্রমে সাতটি প্রকল্পের পরিকল্পনা রয়েছে। সেম্বাওয়াং অ্যাঙ্কর, বে’শোর ওয়েসিস ও প্ল্যান্টেশন ডিউয়ের পাশাপাশি আরও চারটি প্রকল্প হবে বেডক, গেলাং, টোয়া পায়োহ ও ইশুনে। বে’শোরের অতিরিক্ত প্রকল্পটি বেডকের বৃহত্তর আবাসন সরবরাহের অংশ।
১ নভেম্বর পর্যন্ত এইচডিবি বিক্রয় কার্যক্রম শুরুর তারিখ ঘোষণা করেনি। বে’শোরের পাশের প্রকল্পটির নামও জানানো হয়নি। এইচডিবি বলেছে, কার্যক্রম শুরু হলে সাতটি প্রকল্পের শ্রেণিবিন্যাসসহ সবগুলোর বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হবে।
তিন প্রকল্পের তুলনা
সেম্বাওয়াং অ্যাঙ্করে অপেক্ষার সময় সবচেয়ে কম—দুই বছর ১০ মাস। এখানে ৩-রুম ও ৫-রুম—দুই ধরনের ফ্ল্যাটই রয়েছে। পরিকল্পিত সুপারমার্কেট ও পাড়া কেন্দ্র, আর কাছের বুকিত ক্যানবেরা—সব মিলিয়ে দৈনন্দিন সেবা, স্বাস্থ্যসেবা ও বিনোদনের সুবিধা বিবেচনা করতে পারবেন ক্রেতারা।
বে’শোর ওয়েসিসের পরিবেশ আলাদা। এখান থেকে থমসন-ইস্ট কোস্ট লাইন এবং হাঁটা ও সাইকেল চালানোর পথে ইস্ট কোস্ট পার্কে যাওয়ার সুযোগ থাকবে। এখানে ফ্ল্যাটের ধরন সীমিত—২-রুম ফ্লেক্সি ও ৪-রুম। অপেক্ষার সময় তিন বছর দুই মাস।
প্ল্যান্টেশন ডিউতেও অপেক্ষার সময় একই, তবে এখানে ৩জেন ফ্ল্যাট এবং নতুন ৫-রুমের দেয়ালবিহীন ফ্ল্যাটের বিকল্প রয়েছে। ভবিষ্যতের রেল যোগাযোগ ও নমনীয় বিন্যাসের কারণে পরিবহন পরিকল্পনা এবং ঘরের অভ্যন্তরীণ নকশার পছন্দও তুলনার অংশ হয়ে উঠবে।
তাই নভেম্বরে ক্রেতাদের পছন্দের বিষয় শুধু কত দ্রুত চাবি পাওয়া যাবে, তা নয়। ফ্ল্যাটের আয়তন, পরিবারের কাছাকাছি থাকা, দৈনন্দিন যাতায়াত এবং পছন্দের কক্ষবিন্যাস—এসবই ঠিক করবে কোন প্রকল্পটি পরিবারের সঙ্গে বেশি মানানসই। বিক্রয় কার্যক্রম শুরু হলে বাকি প্রকল্পগুলোর বিস্তারিত জানা যাবে, যা এই তুলনা করতে প্রয়োজন হবে।
মূল বিষয়গুলো
- সেম্বাওয়াং অ্যাঙ্করে দুই বছর ১০ মাস অপেক্ষার সময়সহ ১,৩১০টি ফ্ল্যাট থাকবে।
- বে’শোর ওয়েসিস ও প্ল্যান্টেশন ডিউতে আরও ১,৫৬৫টি ফ্ল্যাট থাকবে; দুই প্রকল্পেই অপেক্ষার সময় তিন বছর দুই মাস।
- তিন প্রকল্পে নভেম্বরে পরিকল্পিত প্রায় ৭,৯৬০টি ফ্ল্যাটের প্রায় ৩৬ শতাংশ রয়েছে।
- ২০২৫ ও ২০২৬ সালে এইচডিবির এসডব্লিউটি ফ্ল্যাটের সংখ্যা হবে ৯,৩৫১; ২০২৭ সালের মধ্যে লক্ষ্যমাত্রা ১২,০০০।
- প্ল্যান্টেশন ডিউতে ৫-রুমের বিটিও ফ্ল্যাটে প্রথমবারের মতো দেয়ালবিহীন বিন্যাসের বিকল্প থাকবে।
- নভেম্বরের বিক্রয় কার্যক্রমে পরিবারের জন্য এস$১৬,০০০ এবং একক আবেদনকারীদের জন্য এস$৮,০০০ আয়ের ঊর্ধ্বসীমা কার্যকর হবে।
- বিক্রয় শুরুর তারিখ ও প্রকল্পগুলোর পূর্ণ শ্রেণিবিন্যাস পরে ঘোষণা করা হবে।






