পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরের বিস্তৃত এলাকায় ৫৩টি জাহাজ
দক্ষিণ জাপান থেকে ফিলিপাইনের পূর্বাঞ্চল পর্যন্ত জলসীমায় চীনের নৌবাহিনী ও অন্যান্য সরকারি সংস্থার ৫৩টি জাহাজের অবস্থান দেখানো একটি মানচিত্র প্রকাশ করেছেন জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের মহাসচিব জোসেফ উ। এর পর তাইওয়ান নিজেদের পাশাপাশি জাপান ও ফিলিপাইনের ওপর একই সময়ে হুমকির সতর্কবার্তা দিয়েছে।
সূচিপত্র
২০২৬ সালের ২৮ অক্টোবর সন্ধ্যায় এক্সে পোস্ট করা মানচিত্রে ৩৪টি নৌযুদ্ধজাহাজ এবং কোস্ট গার্ড ও অন্যান্য সরকারি সংস্থার ১৯টি জাহাজ দেখানো হয়। এর মধ্যে ছিল বিমানবাহী রণতরি লিয়াওনিং, যার সঙ্গে থাকা যুদ্ধজাহাজের বহর ফিলিপাইনের পূর্বে অবস্থান করছিল। অন্য বহরগুলো ছিল তাইওয়ানের পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্ব উপকূলের কাছে। দক্ষিণ জাপানের কাছে ছিল তিনটি বহর।
তাইওয়ানের জ্যেষ্ঠ জাতীয় নিরাপত্তা কর্মকর্তা উ এই তৎপরতাকে তিনটি এলাকারই অভিন্ন উদ্বেগ হিসেবে বর্ণনা করেন:
আমরা তাদের তৎপরতার ওপর সতর্ক নজর রাখছি। তাইওয়ান, জাপান ও ফিলিপাইনের ওপর একই সময়ে হুমকি স্পষ্ট।
চীনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এর আগে অক্টোবরের শুরুতে বলেছিল, লিয়াওনিং নিয়মিত প্রশিক্ষণ চালাচ্ছে, যার লক্ষ্য কোনো নির্দিষ্ট দেশ নয়। ২৯ অক্টোবর তাইওয়ানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ওয়েলিংটন কু বলেন, সামরিক প্রতিরোধক্ষমতা প্রদর্শনের এমন প্রচেষ্টার বিরোধিতা করে তাইওয়ান, যা ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের শান্তি ও স্থিতিশীলতা ক্ষুণ্ন করতে পারে।
পরস্পরবিরোধী এই বর্ণনায় একই নৌ তৎপরতা বৃহত্তর বিরোধের কেন্দ্রে উঠে এসেছে: বেইজিং তার বিমানবাহী রণতরির অভিযানকে প্রশিক্ষণ বলছে, আর তাইপে দেখছে একই সময়ে অঞ্চলের বিভিন্ন অংশজুড়ে চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে। তাইওয়ানের ভাষ্য, নজরদারি এবং অংশীদারদের সঙ্গে গোয়েন্দা তথ্য বিনিময়ের মাধ্যমে তাদের সামরিক বাহিনী আগে থেকেই জাহাজগুলোর গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করছিল।
নৌবহরের মানচিত্রে যা দেখা যাচ্ছে
৫৩টি জাহাজের মধ্যে শুধু যুদ্ধজাহাজ ছিল না। মোট সংখ্যার প্রায় ৬৪ শতাংশ, অর্থাৎ ৩৪টি ছিল নৌবাহিনীর জাহাজ। বাকি ১৯টি ছিল কোস্ট গার্ড ও অন্যান্য সরকারি সংস্থার জাহাজ। এই মিশ্রণ গুরুত্বপূর্ণ, কারণ তাইওয়ান চীনের সামুদ্রিক বাহিনীর একাধিক শাখার গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করছে, কোনো একক নৌবহরের নয়।
লিয়াওনিং ও এর সঙ্গে থাকা জাহাজগুলো ছিল ফিলিপাইনের পূর্বে, আর অন্য দলগুলো ছড়িয়ে ছিল আরও উত্তরে। উয়ের মানচিত্রের বিবরণে তাইওয়ানের পূর্বে দশটিরও বেশি যুদ্ধজাহাজ ও কোস্ট গার্ডের জাহাজ এবং দ্বীপটির দক্ষিণ-পশ্চিমের জলসীমায় কয়েকটি যুদ্ধজাহাজের কথাও বলা হয়েছে।
উ বলেন, বিমানবাহী রণতরির বহরসহ একাধিক দল প্রথম দ্বীপশৃঙ্খলের পূর্বে মহড়া চালাচ্ছিল। জাপান থেকে তাইওয়ান হয়ে ফিলিপাইন পর্যন্ত বিস্তৃত দ্বীপমালাকে ভৌগোলিকভাবে প্রথম দ্বীপশৃঙ্খল বলা হয়। ওই দ্বীপমালার পূর্বে অবস্থান নেওয়ার অর্থ, জাহাজগুলো চীন ও ওই দ্বীপগুলোর মধ্যবর্তী জলসীমার বাইরে, পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরের বিস্তৃত এলাকায় রয়েছে।
উ কেন শুধু তাইওয়ান নয়, তিনটি এলাকার কথা উল্লেখ করে সতর্কবার্তা দিয়েছেন, জাহাজগুলোর অবস্থান তার ব্যাখ্যা দেয়। মানচিত্রে দক্ষিণ জাপানের কাছে, তাইওয়ানের আশপাশে এবং ফিলিপাইনের পূর্বে চীনের তৎপরতা একই আঞ্চলিক চিত্রে তুলে ধরা হয়েছে।
প্রশান্ত মহাসাগরে প্রবেশের পথ পর্যবেক্ষণ করছে জাপান
এলাকার উত্তরাংশ দিয়ে চীনা জাহাজ চলাচলের নির্দিষ্ট বিবরণ দিয়েছে জাপানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। ২৮ অক্টোবর মন্ত্রণালয় জানায়, আগের দিন তিনটি চীনা যুদ্ধজাহাজ ও কোস্ট গার্ডের একটি জাহাজ ওসুমি প্রণালি পেরিয়ে প্রশান্ত মহাসাগরের দিকে যায়।
জাপানের চারটি প্রধান দ্বীপের সবচেয়ে দক্ষিণের কিউশুর কাছে অবস্থিত এই প্রণালি। এ ক্ষেত্রে এর ভূমিকা স্পষ্ট: জাপানের কাছের জলসীমা থেকে উন্মুক্ত প্রশান্ত মহাসাগরে যাওয়ার পথে চারটি জাহাজ এই প্রণালি ব্যবহার করে।
ওই যাত্রা সম্পর্কে জাপানের বিবরণ তাইওয়ানের বৃহত্তর আঞ্চলিক মোতায়েনের চিত্রে তারিখসহ একটি জাহাজ চলাচলের তথ্য যোগ করেছে। প্রণালি দিয়ে যাওয়া তিনটি যুদ্ধজাহাজ ও একটি কোস্ট গার্ডের জাহাজের গতিবিধি জাপান পর্যবেক্ষণ করেছিল; উয়ের মানচিত্রে আরও অনেক বড় এলাকার বিভিন্ন বহরের অবস্থান দেখানো হয়।
তাইওয়ানের সতর্কবার্তা নিয়ে মন্তব্যের অনুরোধে চীন, জাপান ও ফিলিপাইনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় তাৎক্ষণিকভাবে সাড়া দেয়নি। তবে প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল নিয়ে জাপানের প্রকাশিত বিবরণ এবং লিয়াওনিং সম্পর্কে চীনের আগের বক্তব্যে তাদের সরকারি অবস্থানের কিছু দিক উঠে এসেছে।
আগেভাগেই পরিস্থিতি সম্পর্কে জানত বলে তাইওয়ানের দাবি
২৯ অক্টোবর কু বলেন, লিয়াওনিং, অন্যান্য নৌবহর, সরকারি জাহাজ ও কোস্ট গার্ডের জাহাজগুলোর গতিবিধি তাইওয়ানের সামরিক বাহিনী আগে থেকেই অনুসরণ করছিল। তাইপেতে আইনসভার একটি কমিটির বৈঠকে যোগ দেওয়ার আগে তিনি বলেন, এই উদ্যোগের অংশ ছিল নজরদারি এবং অংশীদার দেশগুলোর সঙ্গে তথ্য বিনিময়।
কু বলেন, তাইওয়ান যৌথ গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ, নজরদারি ও অনুসন্ধান কার্যক্রম চালিয়েছে। সহজ ভাষায়, এর অর্থ সামরিক তৎপরতা সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করা, গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করা এবং বাহিনীগুলো কী করছে তা বুঝতে প্রাপ্ত তথ্য একত্র করা। অংশীদার সরকারগুলোর সঙ্গে তথ্য বিনিময়ের মাধ্যমে আরও তথ্য পাওয়া যায়।
চীনের এই তৎপরতার বিরোধিতা ব্যাখ্যা করে তাইওয়ানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী কু বলেন:
ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের শান্তি ও স্থিতিশীলতা ক্ষুণ্ন করতে পারে, এমন কোনো প্রতিরোধক্ষমতা প্রদর্শনের প্রচেষ্টা আমরা দেখতে চাই না।
প্রতিরোধক্ষমতা বলতে বোঝায়, গুরুতর মূল্য দিতে হবে—এমন বার্তা দিয়ে অন্য পক্ষকে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া থেকে বিরত রাখার চেষ্টা। চীনের অভিযানে তাইওয়ান যে চাপ দেখছে, তা বোঝাতে কু এই শব্দটি ব্যবহার করেন। তিনি আরও বলেন, তাইওয়ান যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত থাকবে, যথাযথ জবাবের প্রস্তুতি নেবে এবং নিজেদের প্রতিরক্ষার সক্ষমতা গড়ে তুলবে।
অবস্থান প্রকাশ করছে কেন তাইওয়ান
চীনের যুদ্ধজাহাজ ও কোস্ট গার্ডের জাহাজ কোথায় চলাচল করছে, সে বিষয়ে তথ্য ও মানচিত্র প্রকাশ বাড়াচ্ছে তাইওয়ান। মে মাসেও একই ধরনের একটি মানচিত্র প্রকাশ করেছিলেন উ। ফলে অক্টোবরের মানচিত্রটি জনসমক্ষে এই গতিবিধি তুলে ধরার চলমান উদ্যোগের অংশ।
অক্টোবরের মানচিত্রে এই তৎপরতার একটি আঞ্চলিক চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। ফিলিপাইনের পূর্বে বিমানবাহী রণতরি, তাইওয়ানের কাছে জাহাজ এবং দক্ষিণ জাপানের উপকূলে বহর—সবই একসঙ্গে দেখা যাচ্ছে, ভিন্ন ভিন্ন জলসীমায় আলাদা ঘটনা হিসেবে নয়।
সাম্প্রতিক মাসগুলোতে জাপান ও ফিলিপাইনের সঙ্গে চীনের সম্পর্কের অবনতি হয়েছে। তাইওয়ানকে জাপানের সমর্থন জানানোর বিরোধিতা করেছে বেইজিং। অন্যদিকে, দক্ষিণ চীন সাগরে চীন ও ফিলিপাইনের মধ্যে ক্রমেই তীব্র বিরোধ চলছে। এসব বিরোধের কারণে মানচিত্রের প্রতিটি অবস্থানের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট আলাদা।
সমন্বিত এই চিত্র প্রকাশের মাধ্যমে তাইওয়ান উয়ের মূল বার্তাটিও জোরালো করছে: নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ দ্বীপটির বাইরেও বিস্তৃত। সতর্কবার্তায় তাইওয়ানের পাশাপাশি স্পষ্টভাবে জাপান ও ফিলিপাইনের নাম বলেছেন উ। আর কু ইন্দো-প্যাসিফিকজুড়ে শান্তি ও স্থিতিশীলতার ওপর সম্ভাব্য প্রভাবের কথা বলেছেন।
সতর্কবার্তার পেছনের তারিখগুলো
তিন দিনের মধ্যে কয়েকটি ঘটনার পর এই সতর্কবার্তা প্রকাশ্যে আসে। সমুদ্রের জাহাজ চলাচল, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক পরিকল্পনা নিয়ে একটি বক্তব্য এবং তাইওয়ানের প্রতিক্রিয়া—সব মিলিয়ে ঘটনাগুলোর ধারাবাহিকতা তৈরি হয়েছে:
- ২৭ অক্টোবর: জাপানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনটি চীনা যুদ্ধজাহাজ ও কোস্ট গার্ডের একটি জাহাজ ওসুমি প্রণালি পেরিয়ে প্রশান্ত মহাসাগরে যায়।
- ২৭ অক্টোবর: যুক্তরাষ্ট্রের আর্মি প্যাসিফিকের কমান্ডার রোনাল্ড ক্লার্ক হাওয়াইয়ে এক ফোরামে তাইওয়ানের বিরুদ্ধে চীনের সম্ভাব্য পদক্ষেপের প্রস্তুতি নিয়ে বক্তব্য দেন।
- ২৮ অক্টোবর: জাপান জাহাজ চলাচলের কথা জানায়। ওই সন্ধ্যায় উ চীনের ৫৩টি জাহাজের অবস্থান দেখানো মানচিত্র প্রকাশ করেন।
- ২৯ অক্টোবর: তাইপেতে তাইওয়ানের নজরদারি, গোয়েন্দা তথ্য বিনিময় ও প্রতিরক্ষা প্রস্তুতি নিয়ে কথা বলেন কু।
অক্টোবরের শুরুতে চীনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় লিয়াওনিংয়ের অভিযানকে নিয়মিত প্রশিক্ষণ বলে বর্ণনা করেছিল। রণতরিটির মহড়া কবে শেষ হবে বা উয়ের মানচিত্রে দেখানো এলাকাগুলো থেকে বহরগুলো কখন চলে যাবে, সে বিষয়ে কোনো সময়সীমা উল্লেখ করা হয়নি।
২০২৭ সালের পরিকল্পনাগত অনুমানের অর্থ
ক্লার্কের বক্তব্য তাইওয়ানের প্রতিক্রিয়ায় আরেকটি বিষয় তুলে ধরেছে: সম্ভাব্য চীনা অভিযানের জন্য সামরিক বাহিনীকে কত দ্রুত প্রস্তুত থাকতে হবে। যুক্তরাষ্ট্রের আর্মি প্যাসিফিকের কমান্ডার বলেন, ২০২৭ সালেই চীন তাইওয়ানের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিতে পারে—এমন অনুমান ধরে ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
সামরিক পরিকল্পনাবিদদের কাছে এমন অনুমান হলো, যে সম্ভাব্য পরিস্থিতির জন্য সবচেয়ে আগেভাগে প্রস্তুতি নিতে হবে। ক্লার্কের বক্তব্যে ওই সম্ভাবনার জন্য প্রস্তুতির কথাই বলা হয়েছে। কুর প্রতিক্রিয়া ছিল তাইওয়ানের নিজস্ব প্রস্তুতি নিয়ে; তিনি বলেন, দ্বীপটি প্রতিরোধক্ষমতা এবং আত্মরক্ষার সক্ষমতা গড়ে তুলছে।
তাইওয়ান কেন প্রস্তুতি অব্যাহত রেখেছে, তা ব্যাখ্যা করে বেইজিংয়ের বলপ্রয়োগের অবস্থানের কথা বলেন কু:
তাইওয়ানকে নিজেদের সঙ্গে যুক্ত করতে বলপ্রয়োগের পথ কখনোই পরিত্যাগ করেনি চীন।
বেইজিং বলে, তারা শান্তিপূর্ণ পুনরেকত্রীকরণ পছন্দ করে। তবে তাইওয়ানকে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে আনতে বলপ্রয়োগের পথ কখনোই ছাড়েনি। তাইওয়ানকে পৃথক সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয় না চীন। তাইওয়ান সরকার বলে, দ্বীপটির ভবিষ্যৎ কেবল সেখানকার জনগণই নির্ধারণ করতে পারে এবং তাইওয়ানের ওপর দাবি জানানোর অধিকার বেইজিংয়ের নেই।
তাইওয়ানের বর্ণনা অনুযায়ী, তাৎক্ষণিক জবাবের কেন্দ্রে রয়েছে চীনা বাহিনীর গতিবিধি পর্যবেক্ষণ, অংশীদারদের সঙ্গে তথ্য বিনিময় এবং প্রস্তুতি বজায় রাখা। তাইওয়ানের ভবিষ্যৎ কে নির্ধারণ করবে, তা নিয়ে বৃহত্তর বিরোধ এখনো রয়ে গেছে। নৌবহর মোতায়েন সেই মতবিরোধে দৃশ্যমান সামরিক মাত্রা যোগ করেছে।
মূল বিষয়গুলো
- ২৮ অক্টোবর জোসেফ উয়ের প্রকাশিত মানচিত্রে চীনের ৫৩টি জাহাজ দেখানো হয়েছে: নৌবাহিনীর ৩৪টি যুদ্ধজাহাজ এবং কোস্ট গার্ড ও অন্যান্য সরকারি সংস্থার ১৯টি জাহাজ।
- লিয়াওনিং ও এর সঙ্গে থাকা বহর ছিল ফিলিপাইনের পূর্বে। অন্য বহরগুলো ছিল তাইওয়ান ও দক্ষিণ জাপানের কাছে।
- জাপানের ভাষ্য অনুযায়ী, ২৭ অক্টোবর তিনটি চীনা যুদ্ধজাহাজ ও কোস্ট গার্ডের একটি জাহাজ ওসুমি প্রণালি পেরিয়ে যায়।
- চীন বলেছে, লিয়াওনিংয়ের তৎপরতা ছিল নিয়মিত প্রশিক্ষণ, যার লক্ষ্য কোনো নির্দিষ্ট দেশ নয়।
- অংশীদারদের সঙ্গে নজরদারি ও গোয়েন্দা তথ্য বিনিময়ের মাধ্যমে জাহাজগুলো পর্যবেক্ষণ করছে বলে জানিয়েছে তাইওয়ান।
- যুক্তরাষ্ট্রের আর্মি প্যাসিফিকের কমান্ডার রোনাল্ড ক্লার্ক বলেছেন, ২০২৭ সালেই চীন তাইওয়ানের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিতে পারে—এমন সম্ভাবনার জন্য প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।






