স্বত্বের যৌথ চুক্তিতে প্রথম অনূর্ধ্ব-১৭ বিশ্বকাপ দেখার আরও কাছে ভিয়েতনাম
তিনটি ভিয়েতনামি গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান যৌথভাবে ২০২৬ অনূর্ধ্ব-১৭ বিশ্বকাপের সম্প্রচারস্বত্ব কিনেছে বলে খবর পাওয়া গেছে। এই টুর্নামেন্টে প্রথমবার খেলবে ভিয়েতনাম। স্বত্ব কেনার খরচ তারা ভাগাভাগি করবে। কোচ ক্রিস্তিয়ানো রোলাঁর দল ২০ নভেম্বর রাত ৮টায় (ভিয়েতনাম সময়) কাতারে বেলজিয়ামের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচ খেলবে।
সূচিপত্র
- স্বত্বের যৌথ চুক্তিতে প্রথম অনূর্ধ্ব-১৭ বিশ্বকাপ দেখার আরও কাছে ভিয়েতনাম
- যৌথ স্বত্ব কেনা দর্শকদের জন্য কী অর্থ বহন করতে পারে
- সমর্থকদের ক্যালেন্ডারে যে তারিখগুলো রাখা উচিত
- ৪৮ দলের মধ্যে ৩২টি কীভাবে পরের পর্বে উঠবে
- শুরুর ম্যাচে কঠিন পরীক্ষা নেবে বেলজিয়াম
- নিউজিল্যান্ড ও মালি সামনে আনবে ভিন্ন চ্যালেঞ্জ
- এই মাইলফলকে পৌঁছাল যেভাবে রোলাঁর দল
- চারটি প্রীতি ম্যাচ ও দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়নের লক্ষ্য
- মূল বিষয়গুলো
আলাদা করে স্বত্ব কেনার বদলে প্রতিষ্ঠানগুলো যৌথভাবে প্যাকেজটি কিনেছে। স্বত্ব বিতরণকারীর চড়া মূল্য চাওয়ায় আলোচনা জটিল হয়ে পড়েছিল। খরচ ভাগাভাগি করলে ভিয়েতনামের দর্শকদের কাছে প্রতিযোগিতাটি পৌঁছে দেওয়া সহজ হতে পারে।
১৯ নভেম্বর থেকে ১৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত চলবে টুর্নামেন্টটি। এতে থাকবে ৪৮টি দল ও ১০৪টি ম্যাচ। ভিয়েতনামের প্রতিপক্ষ বেলজিয়াম, নিউজিল্যান্ড ও মালি। এই পর্যায়ে প্রথমবার খেলতে যাওয়া তরুণ খেলোয়াড়দের সামনে থাকছে তিন ধরনের প্রতিপক্ষ।
সমর্থকদের তাৎক্ষণিক প্রশ্ন, কোথায় খেলা দেখা যাবে। তিনটি প্রতিষ্ঠানের নাম প্রকাশ্যে জানানো হয়নি। চুক্তির মূল্য, কোন চ্যানেলে খেলা দেখানো হবে, স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম এবং দর্শকদের কোনো ফি দিতে হবে কি না, এসবও ঘোষণা করা হয়নি। যৌথভাবে স্বত্ব কেনার চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে বলে যেসব প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সেগুলোতে কয়েকটি প্রতিষ্ঠান খরচ ভাগাভাগি করে সম্ভাব্য ঘোষণার প্রস্তুতি নিচ্ছে—এমন হালনাগাদের চেয়ে বিষয়টি বেশি নিশ্চিতভাবে তুলে ধরা হয়েছে।
যৌথ স্বত্ব কেনা দর্শকদের জন্য কী অর্থ বহন করতে পারে
সম্প্রচারস্বত্ব কোনো নির্দিষ্ট অঞ্চলে ম্যাচ দেখানোর অনুমতি দেয়। এখানে কথিত চুক্তিটি ভিয়েতনামে খেলা সম্প্রচারের বিষয়ে। যৌথভাবে স্বত্ব কিনলে অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলো খরচ ভাগ করে নিতে পারে, ফলে প্রত্যেককে একা পুরো আর্থিক বোঝা বহন করতে হয় না।
ধারণা করা হচ্ছে, সমর্থকেরা পরিচিত টেলিভিশন চ্যানেল ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে টুর্নামেন্টজুড়ে খেলা দেখতে পারবেন। অংশীদাররা কীভাবে ম্যাচ ভাগ করে সম্প্রচার করবে এবং দর্শকদের সাবস্ক্রিপশন লাগবে কি না, তা চূড়ান্ত ঘোষণায় জানা যাবে।
ভিয়েতনামের গ্রুপ পর্বের তিনটি নির্ধারিত ম্যাচই দেশের স্থানীয় সময় সন্ধ্যায়। ফলে ভোররাতে হওয়া ম্যাচের তুলনায় এগুলো দেখা সহজ হবে। দুটি ম্যাচ শুরু হবে রাত ৮টায়; নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচটি শুরু হবে আরও পরে, রাত ১০টা ৩০ মিনিটে। দেশের ভেতরে সম্প্রচার থাকলে বিদেশি কোনো পরিষেবা খুঁজে না নিয়েই সমর্থকেরা ঐতিহাসিক এই অভিযান অনুসরণ করতে পারবেন।
সমর্থকদের ক্যালেন্ডারে যে তারিখগুলো রাখা উচিত
ভিয়েতনামের গ্রুপ পর্বের সূচি ২০ থেকে ২৬ নভেম্বর পর্যন্ত। নিচের সব সময় ভিয়েতনামের স্থানীয় সময়, যা কাতারের সময়ের চেয়ে চার ঘণ্টা এগিয়ে।
- ১৯ নভেম্বর: কাতারে শুরু হবে অনূর্ধ্ব-১৭ বিশ্বকাপ।
- ২০ নভেম্বর, রাত ৮টা: বেলজিয়ামের মুখোমুখি হবে ভিয়েতনাম। রাত ৮টা ৩০ মিনিটে খেলবে মালি ও নিউজিল্যান্ড।
- ২৩ নভেম্বর, রাত ১০টা ৩০ মিনিট: নিউজিল্যান্ডের মুখোমুখি হবে ভিয়েতনাম। একই সময়ে খেলবে মালি ও বেলজিয়াম।
- ২৬ নভেম্বর, রাত ৮টা: মালির মুখোমুখি হবে ভিয়েতনাম। একই সময়ে খেলবে নিউজিল্যান্ড ও বেলজিয়াম।
- ১৩ ডিসেম্বর, রাত ১১টা: খলিফা ইন্টারন্যাশনাল স্টেডিয়ামে ফাইনাল হওয়ার কথা। কাতারের স্থানীয় সময় তখন সন্ধ্যা ৭টা।
ড্র ও বিস্তারিত সূচিতে ভিয়েতনামকে গ্রুপ জি-তে রাখা হয়েছে, যদিও প্রস্তুতি-সংক্রান্ত এক হালনাগাদে একই গ্রুপকে গ্রুপ ই বলা হয়েছে। প্রতিপক্ষ ও ভিয়েতনামের তিন ম্যাচের তারিখ—দুই বিবরণেই এক।
টুর্নামেন্টের অধিকাংশ ম্যাচ কাতারের আসপায়ার জোন কমপ্লেক্সে হওয়ার কথা। ফাইনাল হবে খলিফা ইন্টারন্যাশনালে। নকআউট পর্বে ওঠার জন্য গ্রুপের তিন ম্যাচে যথেষ্ট পয়েন্ট সংগ্রহ করাই এখন ভিয়েতনামের লক্ষ্য।
৪৮ দলের মধ্যে ৩২টি কীভাবে পরের পর্বে উঠবে
টুর্নামেন্টে চারটি করে দল নিয়ে ১২টি গ্রুপ রয়েছে। প্রতিটি দল গ্রুপের অন্য তিন দলের সঙ্গে একবার করে খেলবে। ১২ গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন ও ১২ রানার্সআপ সরাসরি পরের পর্বে উঠবে; এতে ২৪টি স্থান পূরণ হবে। বাকি আটটি স্থান পাবে তৃতীয় হওয়া দলগুলোর মধ্যে সেরা রেকর্ডধারীরা।
অর্থাৎ ৪৮টি দলের মধ্যে ৩২টি, বা মোট দলের দুই-তৃতীয়াংশ, প্রথম নকআউট পর্বে উঠবে। তৃতীয় হওয়া চারটি দল এবং সব গ্রুপের ১২টি তলানির দল বাদ পড়বে। ২০২৫ সালে দলসংখ্যা বাড়ানোর পর এটি ৪৮ দল নিয়ে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় আসর।
প্রথম নকআউট পর্বটি ৩২ দলের রাউন্ড। এরপর বিজয়ীরা শেষ ষোলো, কোয়ার্টার ফাইনাল ও সেমিফাইনাল পেরিয়ে ফাইনালে যাবে। ইংরেজি ভাষার একটি প্রতিবেদনে প্রথম পর্বকে শেষ ষোলো বলা হয়েছে, তবে সেখানে দেওয়া উত্তীর্ণ দলের হিসাব যোগ করলে সংখ্যা দাঁড়ায় ৩২।
তাই ভিয়েতনামের সামনে এগোনোর দুটি পথ: গ্রুপ জি-তে প্রথম দুইয়ের মধ্যে থাকা, অথবা তৃতীয় হয়ে সেই অবস্থানে থাকা সেরা আট দলের মধ্যে জায়গা করে নেওয়া। একটি জয় ও একটি ড্র হলে পয়েন্ট হবে চার; শুধু একটিতে জিতলে হবে তিন। দুই ক্ষেত্রেই চূড়ান্ত অবস্থান ও অন্য ম্যাচগুলোর ফল বিবেচনায় নিতে হবে।
শুরুর ম্যাচে কঠিন পরীক্ষা নেবে বেলজিয়াম
২০২৬ অনূর্ধ্ব-১৭ ইউরোপীয় চ্যাম্পিয়নশিপে রানার্সআপ হয়ে কাতারে আসছে বেলজিয়াম। অক্টোবরে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচে তারা ৫-১ গোলে জিতেছে। বেলজিয়ামের অনূর্ধ্ব-১৭ দল ২০১৫ বিশ্বকাপেও তৃতীয় হয়েছিল, যা প্রথম ম্যাচটিকে আরও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ করে তুলেছে।
বেলজিয়ামের খেলার ধরনকে বলের দখল, ছোট পাস এবং বল হারানোর পর দ্রুত চাপ তৈরির সমন্বয় হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। ভিয়েতনামের জন্য তাই রক্ষণভাগ থেকে বল বের করে আনার দক্ষতা বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। গোলের কাছাকাছি ভুল পাস হলে চাপ প্রয়োগকারী প্রতিপক্ষ দ্রুতই গোলের সুযোগ পেয়ে যেতে পারে।
দ্রুত পাস ও গোছানো অবস্থান ধরে রাখার ওপর রোলাঁর জোর দেওয়া এই চ্যালেঞ্জের সঙ্গে মানানসই। বল নিয়ে থাকা সতীর্থকে সহায়তা করতে খেলোয়াড়দের কাছাকাছি থাকতে হবে, আবার বলের দখল বদলালে রক্ষণে পর্যাপ্ত খেলোয়াড়ও রাখতে হবে। বিশ্বকাপের গতির মধ্যে এই অভ্যাসগুলো ধরে রাখা যায় কি না, প্রথম ম্যাচেই তার পরীক্ষা হবে।
নিউজিল্যান্ড ও মালি সামনে আনবে ভিন্ন চ্যালেঞ্জ
ফাইনালে নিউ ক্যালেডোনিয়াকে ২-০ গোলে হারিয়ে ২০২৬ ওশেনিয়া অনূর্ধ্ব-১৭ চ্যাম্পিয়ন হয়ে কাতারে আসছে নিউজিল্যান্ড। ২৩ নভেম্বরের ম্যাচে মহাদেশীয় চ্যাম্পিয়নের মুখোমুখি হবে ভিয়েতনাম। পয়েন্ট পাওয়ার সবচেয়ে স্পষ্ট সুযোগ হিসেবে এই ম্যাচটিকে দেখা হচ্ছে, তাই গ্রুপের গতিপথ নির্ধারণে মাঝের ম্যাচটি বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ।
আকাশি বলের লড়াই ও সেট পিসে নিউজিল্যান্ডের শক্তি রয়েছে। ফ্রি কিক বা কর্নার থেকে শুরু হওয়া আক্রমণগুলোই সেট পিস। প্রথম হেড বা ক্লিয়ারেন্সের পর প্রতিপক্ষকে নজরে রাখা এবং আলগা বলের দিকে দ্রুত সাড়া দেওয়া ভিয়েতনামের ডিফেন্ডারদের জন্য জরুরি হবে। দ্বিতীয় সুযোগগুলোও প্রথম বলের মতোই বিপজ্জনক হতে পারে।
গ্রুপ পর্বে ভিয়েতনামের শেষ প্রতিপক্ষ মালি। ড্রয়ের আগে তাদের রাখা হয়েছিল শীর্ষ বাছাইয়ের পাত্রে। ২০১৫ ও ২০১৭ সালে আফ্রিকান অনূর্ধ্ব-১৭ শিরোপা, ২০১৫ বিশ্বকাপে দ্বিতীয় স্থান এবং ২০২৩ সালে তৃতীয় স্থান—মালির অর্জনের মধ্যে রয়েছে এসব ফল। এগুলো আগের প্রজন্মের সাফল্য; অন্যদিকে বাছাইয়ের পাত্রে অবস্থান ভিয়েতনামের জন্য নির্ধারিত চ্যালেঞ্জের আরও সাম্প্রতিক ইঙ্গিত দেয়।
মালির গতি, শারীরিক শক্তি ও বলের ওপর চাপ ভিয়েতনামের পাসিং এবং রক্ষণাত্মক সংগঠনের আরেক পরীক্ষা নেবে। বেলজিয়াম ও নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে পাওয়া পয়েন্টের ওপর নির্ভর করবে শেষ ম্যাচে ভিয়েতনামের কতটা দরকার হবে। গ্রুপ জির অন্য ম্যাচটিও একই সময়ে হওয়ায় দুই ম্যাচ চলাকালীনই পয়েন্ট তালিকা বদলে যেতে পারে।
এই মাইলফলকে পৌঁছাল যেভাবে রোলাঁর দল
আঞ্চলিক পর্যায়ে কঠিন সময় পার করে এই অবস্থানে এসেছে ভিয়েতনাম। ২০২৪ সালের জুলাইয়ে অনূর্ধ্ব-১৬ দল দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় সেমিফাইনালে থাইল্যান্ডের কাছে ২-১ গোলে হারে। এরপর তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে ইন্দোনেশিয়ার কাছে ৫-০ গোলে পরাজিত হয়।
ব্রাজিলিয়ান কোচ রোলাঁ এর আগে হ্যানয়ের অনূর্ধ্ব-১৭ দলকে জাতীয় শিরোপা জিতিয়েছিলেন। পরের মাসে তিনি ট্রান মিন চিয়েনের স্থলাভিষিক্ত হন। এরপর দলটি উজবেকিস্তান ও জাপানকে হারায় এবং চীনে অনুষ্ঠিত পিস কাপ প্রীতি টুর্নামেন্টে দ্বিতীয় হয়।
২০২৫ সালের এশীয় চ্যাম্পিয়নশিপে আবারও ধাক্কা খায় ভিয়েতনাম। জাপান, অস্ট্রেলিয়া ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে তারা ১-১ গোলে ড্র করে। আমিরাতের বিপক্ষে ম্যাচে শেষ দিক পর্যন্ত এগিয়ে ছিল দলটি। পরে সমতাসূচক গোল হওয়ায় বিশ্বকাপে জায়গা পাওয়ার সুযোগ শেষ হয়ে যায়।
পরের বাছাইপর্বে পাঁচটি জয়, ৩০টি গোল এবং কোনো গোল হজম না করার রেকর্ড গড়ে দলটি। অর্থাৎ ম্যাচপ্রতি গড়ে ছয়টি গোল করেছে ভিয়েতনাম। পরে দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় শিরোপা জয়ের পথে অস্ট্রেলিয়া ও মালয়েশিয়াকে হারায় তারা। এরপর এশীয় চূড়ান্ত পর্বে সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ইয়েমেনকে হারিয়ে গ্রুপ সি-র শীর্ষে থেকে এশিয়ার আট বিশ্বকাপ প্রতিনিধির একটি হয় ভিয়েতনাম।
চারটি প্রীতি ম্যাচ ও দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়নের লক্ষ্য
ভিয়েতনামের প্রস্তুতি কর্মসূচিতে দক্ষিণ কোরিয়ায় তিনটি প্রীতি ম্যাচসহ একটি প্রশিক্ষণ শিবির রয়েছে। এরপর হ্যানয়ে অনুশীলন এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতে ফিজির অনূর্ধ্ব-১৭ দলের বিপক্ষে একটি পরিকল্পিত ম্যাচ রয়েছে। ফিটনেস, কৌশলগত প্রস্তুতি এবং টুর্নামেন্টের মানসিক চাপ সামলানোর দিকে নজর দিয়েছে কোচিং স্টাফ।
রোলাঁ গ্রুপের তিনটি ম্যাচকেই কঠিন বলে বর্ণনা করেছেন। তাঁর কৌশলে শৃঙ্খলাপূর্ণ রক্ষণের সঙ্গে আক্রমণে নমনীয়তা রয়েছে। খেলোয়াড়দের দ্রুত পাস দিতে, কার্যকরভাবে বলের দখল ধরে রাখতে এবং অপ্রয়োজনীয় ড্রিবলিং কমাতে বলা হয়েছে। আন্তর্জাতিক প্রতিপক্ষের বিপক্ষে প্রস্তুতি ম্যাচগুলোতে এই সিদ্ধান্তগুলো অনুশীলনের সুযোগ পাবে দল।
ভিয়েতনাম ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি ট্রান কুওক তুয়ান এই প্রজন্মের উন্নয়নকে ২০৩৪ সালে সিনিয়র বিশ্বকাপে ওঠার দেশের লক্ষ্যের সঙ্গে যুক্ত করেছেন। খেলোয়াড়দের প্রতি তাঁর বার্তা হলো পেশাদার ক্যারিয়ার গড়ে জাতীয় দলে জায়গা পাওয়ার জন্য কাজ করে যাওয়া। সেই বাছাইপর্ব শুরু হতে আনুমানিক পাঁচ বা ছয় বছর বাকি।
কাতারের টুর্নামেন্টটি তাৎক্ষণিক ও বাস্তব একটি ধাপ: ইউরোপ, ওশেনিয়া ও আফ্রিকার দলের বিপক্ষে নিশ্চিত তিনটি ম্যাচ, আর ভিয়েতনাম এগিয়ে গেলে আরও ম্যাচ খেলার সুযোগ। সম্প্রচার-অংশীদারত্ব এই অভিজ্ঞতা ভিয়েতনামের ঘরে ঘরে পৌঁছে দিতে পারে, তরুণ ফুটবলের বড় এক মাইলফলকের সঙ্গে অপেক্ষায় থাকা সমর্থকদের যুক্ত করে।
মূল বিষয়গুলো
- তিনটি ভিয়েতনামি গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান যৌথভাবে অনূর্ধ্ব-১৭ বিশ্বকাপের স্বত্ব কিনেছে বলে খবর; তাদের পরিচয় ও কোথায় খেলা দেখা যাবে, তা ঘোষণার অপেক্ষায়।
- ২০ নভেম্বর বেলজিয়ামের বিপক্ষে টুর্নামেন্টে অভিষেক হবে ভিয়েতনামের। এরপর ২৩ নভেম্বর নিউজিল্যান্ড এবং ২৬ নভেম্বর মালির মুখোমুখি হবে দলটি।
- ১৯ নভেম্বর থেকে ১৩ ডিসেম্বর কাতারে চলবে প্রতিযোগিতা; এতে রয়েছে ৪৮টি দল ও ১০৪টি ম্যাচ।
- প্রতি গ্রুপের শীর্ষ দুই দল এবং তৃতীয় হওয়া দলগুলোর মধ্যে সেরা আটটি দল ৩২ দলের রাউন্ডে উঠবে।
- ভিয়েতনামের প্রস্তুতিতে দক্ষিণ কোরিয়ায় তিনটি প্রীতি ম্যাচ এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতে ফিজির বিপক্ষে একটি পরিকল্পিত ম্যাচ রয়েছে।






