নয় পয়েন্ট, কোনো গোল হজম নয়, ফাইনালে জায়গা
২০২৬ সালের ১১ অক্টোবর বা রিয়া স্টেডিয়ামে কিরগিজস্তানকে ২-০ গোলে হারিয়ে ২০২৭ এএফসি অনূর্ধ্ব-১৭ নারী এশিয়ান কাপে জায়গা নিশ্চিত করেছে ভিয়েতনাম। তিন জয়, ২৮ গোল এবং কোনো গোল হজম না করে ‘ডি’ গ্রুপের অভিযান শেষ করেছে তারা। ২৫ মিনিটে গুয়েন থি হুয়েন চাং গোলের সূচনা করেন। বিরতির পর দ্বিতীয় গোলটি করেন দো থি হা ভি, হেডে।
সূচিপত্র
এই জয়ে শেষ হয়েছে ভিয়েতনামের এমন এক অভিযান, যার শুরু হয়েছিল ফিলিস্তিনের বিপক্ষে ৬-০ ব্যবধানে জয় দিয়ে এবং পরের ম্যাচে নর্দার্ন মারিয়ানা আইল্যান্ডসকে ২০-০ গোলে হারিয়ে। প্রধান কোচ ওকিয়ামা মাসাহিকোর দল সর্বোচ্চ নয় পয়েন্ট পেয়েছে। শেষ ম্যাচের আগে সুবিধাজনক অবস্থানে থাকা দলটি সরাসরি বাছাইপর্বে উত্তীর্ণ হয়েছে।
নির্ণায়ক জয় ও বাছাই নিশ্চিত করায় ভিয়েতনাম ফুটবল ফেডারেশন (ভিএফএফ) দলকে ৫০ কোটি ভিয়েতনামি ডং পুরস্কার দিয়েছে। এতে তিন ম্যাচের জন্য ফেডারেশনের দেওয়া পুরস্কারের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৯০ কোটি ভিয়েতনামি ডং। প্রথম দুই জয়ের জন্য দেওয়া ২০ কোটি ডং করে এর অন্তর্ভুক্ত। তাই কিরগিজস্তান ম্যাচের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রায় ১৯ হাজার ৩০০ মার্কিন ডলারের পুরস্কারটি পুরো অভিযানের বোনাস নয়, বরং শেষ কিস্তি।
ড্র হলেও কেন যথেষ্ট হতো
শেষ ম্যাচে মুখোমুখি হওয়ার আগে ভিয়েতনাম ও কিরগিজস্তান—দুই দলেরই পয়েন্ট ছিল ছয়। পার্থক্য ছিল গোল ব্যবধানে: ভিয়েতনামের +২৬, কিরগিজস্তানের +১৯। গোল ব্যবধান হলো করা গোল থেকে হজম করা গোল বাদ দিলে যে সংখ্যা পাওয়া যায়। এ ক্ষেত্রে ভিয়েতনাম সাত গোলে এগিয়ে ছিল।
ম্যাচের আগে বাছাইপর্বের পরিস্থিতি অনুযায়ী, ড্র হলে ভিয়েতনাম এগিয়ে থেকে গ্রুপের বাছাইপর্বের স্থান নিশ্চিত করত। পয়েন্টে স্বাগতিকদের ছাড়িয়ে যেতে কিরগিজস্তানের জয় দরকার ছিল। বা রিয়া স্টেডিয়ামে ম্যাচটি সন্ধ্যা ৬টায় শুরু হওয়ার কথা ছিল।
এই ব্যবধান ম্যাচের গতিপ্রকৃতিতে প্রভাব ফেলেছিল। কিরগিজস্তানকে আক্রমণে যেতে হতো, অন্যদিকে জয় ছাড়াই বাছাই নিশ্চিত করতে পারত ভিয়েতনাম। তবু ওকিয়ামার খেলোয়াড়েরা শুধু নিজেদের অবস্থান ধরে রাখার ওপর নির্ভর না করে গোলের সুযোগ তৈরি করতে থাকেন। শেষ পর্যন্ত জয় পাওয়ায় কিরগিজস্তানের চেয়ে তিন পয়েন্টে এগিয়ে যায় তারা; গোল ব্যবধানের মাধ্যমে বাছাই নির্ধারণের আর প্রয়োজন হয়নি।
শুরুতে চাপ সামলে হুয়েন চাংয়ের গোল
কিরগিজস্তান আক্রমণাত্মকভাবে শুরু করে, সামনে এগিয়ে গিয়ে শারীরিক সক্ষমতার সুবিধা কাজে লাগিয়ে ভিয়েতনামকে চাপে ফেলে, বিশেষ করে কর্নার থেকে। ম্যাচের শুরুর পরিস্থিতি নিয়ে বর্ণনায় কিছু পার্থক্য আছে; কিছু প্রতিবেদনে শুরু থেকেই ভিয়েতনামের আক্রমণাত্মক মানসিকতার কথা বলা হয়েছে। তবে বিস্তারিত ম্যাচ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্বাগতিকরা নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার আগে সফরকারীরা শুরুতে চাপ সৃষ্টি করেছিল।
মাঝমাঠ দিয়ে ছোট ছোট পাস ও খেলোয়াড়দের নড়াচড়ার মাধ্যমে জবাব দেয় ভিয়েতনাম। হা ভি প্রায় ২০ মিটার দূর থেকে শট নেন, হুয়েন চাং প্রায় ৩০ মিটার দূর থেকে গোলরক্ষককে এগিয়ে আসতে দেখে বল জালে পাঠানোর চেষ্টা করেন, আর কর্নার থেকে নু ইয়ের হেড ক্রসবারের ওপর দিয়ে যায়। এসব সুযোগের পরই গোল পায় ভিয়েতনাম।
২৫ মিনিটে বাঁ দিক দিয়ে এগিয়ে গোললাইন ঘেঁষে পেনাল্টি এলাকার ভেতরে নিচু ক্রস দেন হা ভি। কাছ থেকে বল জালে পাঠিয়ে ভিয়েতনামকে এগিয়ে দেন হুয়েন চাং। এই আক্রমণে একসঙ্গে যুক্ত হন সেই দুই খেলোয়াড়, যাঁরা শেষ পর্যন্ত দুই গোলই করেন।
গোলের পরও সব বিপদ কেটে যায়নি। সমতাসূচক গোলের খোঁজে আক্রমণ চালিয়ে যায় কিরগিজস্তান; প্রথমার্ধের শেষ দিকে ২৫ মিটারের বেশি দূর থেকে শটও নেয় তারা। বিরতির আগে ভিয়েতনামও আরও কয়েকটি সুযোগ তৈরি করলেও গোল করতে পারেনি। ওকিয়ামা পরে স্বীকার করেন, প্রথমার্ধে দলটির আক্রমণ সাজাতে সমস্যা হয়েছিল। তাই প্রথম গোলটি চাপ কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
সহায়তাকারী থেকে গোলদাতা হা ভি
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে খান চিকে নামায় ভিয়েতনাম এবং দ্বিতীয় গোলের খোঁজ অব্যাহত রাখে। ডান দিক থেকে আসা ক্রসে হেড করে গোলটি করেন হা ভি। বিস্তারিত ম্যাচ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ক্রসটি দেন হুয়েন চাং; প্রথম গোলের সময় তাঁদের ভূমিকা ছিল এর উল্টো।
অধিকাংশ ম্যাচ-সারাংশ এবং একাধিক সরাসরি প্রতিবেদন অনুযায়ী, হেডে গোলটি হয় ৫৫ মিনিটে। অন্য কিছু সরাসরি প্রতিবেদনে সময়টি ৫২ মিনিট বলা হয়েছে। এর মধ্যে একটি প্রতিবেদনের বর্ণনামূলক সারাংশে আবার ৫৫ মিনিটের কথা রয়েছে। তাই গোলের সঠিক সময় নিয়ে প্রতিবেদনে পার্থক্য থাকলেও, গোলদাতা, হেডে গোল এবং ২-০ ব্যবধানের চূড়ান্ত ফল নিয়ে তারা একমত।
ম্যাচে হা ভির গোলটি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ ছিল, কারণ কিরগিজস্তানের উচ্চতার সুবিধা নিয়ে ভিয়েতনাম আগেই প্রস্তুতি নিয়েছিল। সেই সুবিধা থাকা সত্ত্বেও ভিয়েতনামের ফরোয়ার্ড আকাশে উঠে গোল করার মতো অবস্থান ও সময়জ্ঞান খুঁজে পান। প্রথম গোলের সহায়তা দেওয়ার পাশাপাশি তাঁর অবদান ভিয়েতনামের বাছাইপর্ব নিশ্চিত হওয়ার অবস্থানও আরও মজবুত করে।
ম্যাচসেরা নির্বাচিত হা ভি পরে জানান, তিনটি বাছাইপর্বের ম্যাচ মিলিয়ে তিনি ছয় গোল করেছেন। ভিয়েতনামের ২৮ গোলের প্রায় ২১ শতাংশ তাঁর। পুরো অভিযানে তাঁর অবদান ছিল উল্লেখযোগ্য। পাশাপাশি নির্ণায়ক ম্যাচে সতীর্থকে গোল করানোর দক্ষতাও দেখিয়েছেন তিনি।
কিরগিজস্তানের বিপক্ষে ওকিয়ামার প্রস্তুতি
ভিয়েতনামের প্রধান কোচ ওকিয়ামা মাসাহিকো বলেন, ম্যাচটি কীভাবে খেলবে তা ঠিক করার আগে তাঁর কোচিং স্টাফ কিরগিজস্তানের আগের দুটি ম্যাচ পর্যালোচনা করেছিলেন। তিনি জানান, প্রস্তুতিতে প্রতিপক্ষের উচ্চতা এবং লম্বা ও উঁচু পাস ব্যবহারের বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছিল।
আমরা তাদের আগের দুটি ম্যাচ দেখেছি এবং লক্ষ করেছি, উচ্চতায় তাদের সুবিধা আছে; তারা প্রায়ই লম্বা পাস ও আকাশে বল খেলে। তাই পুরো দল মিলে উপযুক্ত পাল্টা ব্যবস্থা নিয়ে প্রস্তুতি নিয়েছিল।
কোচের ভাষ্য, হুয়েন চাংয়ের প্রথম গোল ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয় এবং ভিয়েতনামকে আরও বেশি নিয়ন্ত্রণ নিতে সহায়তা করে। পরবর্তী খেলোয়াড় পরিবর্তনের উদ্দেশ্য ছিল গতি ও কারিগরি দক্ষতা বাড়ানো, চাপ জোরদার করা এবং বলের দখল ধরে রাখা। ম্যাচের প্রতিবেদনে বিরতির পর খান চিকে নামানোর কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।
২-০ ব্যবধানে এগিয়ে যাওয়ার পরও ভিয়েতনাম সুযোগ তৈরি করতে থাকে। ৬২ মিনিটে গোলরক্ষকের মুখোমুখি হয়ে সুযোগ কাজে লাগাতে পারেননি খান চি। পরে হা ভি, হা মি ও নগক আনও গোলের সুযোগ পান। একাধিক সুযোগ কাজে লাগানো যায়নি বলে স্বীকার করে ওকিয়ামা সফল পারফরম্যান্সের মধ্যেও একটি দুর্বলতা চিহ্নিত করেছেন।
এসব সুযোগ নষ্ট হওয়ায় ফল নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়নি, তবে ফাইনালের আগে প্রস্তুতিতে এগুলো একটি সুনির্দিষ্ট কাজের দিক দেখায়। গ্রুপের আরেক অপরাজিত দলের বিপক্ষেও সুযোগ তৈরি করতে পেরেছে ভিয়েতনাম। আগের প্রতিপক্ষদের বিপক্ষে অনেক গোল করার চেয়ে সেই সুযোগগুলোর বেশি কাজে লাগানো আলাদা একটি চ্যালেঞ্জ।
২৮ গোল অভিযানের কী ইঙ্গিত দেয়
তিন ম্যাচে সমানভাবে গোল করেনি ভিয়েতনাম। নর্দার্ন মারিয়ানা আইল্যান্ডসের বিপক্ষে করা ২০ গোল অভিযানের মোট ২৮ গোলের প্রায় ৭১ শতাংশ। বাকি আটটি গোল এসেছে ফিলিস্তিন ও কিরগিজস্তানের বিপক্ষে। নির্ণায়ক ম্যাচে প্রতিপক্ষই ভিয়েতনামের জয়ের ব্যবধান সবচেয়ে কম রাখতে পেরেছে।
নর্দার্ন মারিয়ানা আইল্যান্ডসের বিপক্ষে পাঁচ গোল করেন খান চি; ওই ম্যাচে ভিয়েতনামের গোলের এক-চতুর্থাংশ তাঁর। নির্ধারিত ৯০ মিনিটে ২০ গোলের অর্থ গড়ে প্রতি ৪.৫ মিনিটে একটি গোল, যদিও এই গড়ে গোলগুলোর প্রকৃত সময়ের ব্যবধান বোঝা যায় না।
দুই ম্যাচে ৩৬ গোল হজম করেছিল নর্দার্ন মারিয়ানা আইল্যান্ডস। গ্রুপের ওই পর্যায়ে দলগুলোর মধ্যে ব্যবধান কতটা ছিল, তা থেকেই বোঝা যায়। প্রতিবেদনে ভিয়েতনামের ২০-০ জয়কে টুর্নামেন্টের রেকর্ড বলা হয়েছে, তবে দাবিটি যাচাই করার মতো কোনো আনুষ্ঠানিক ঐতিহাসিক রেকর্ড উল্লেখ করা হয়নি। ফলটি নিজেই এবং গোল ব্যবধানে এর প্রভাবই গুরুত্ব বোঝার আরও নির্ভরযোগ্য মাপকাঠি।
অভিযানের ম্যাচগুলোর ফল ছিল নিম্নরূপ। ম্যাচের বিস্তারিত বিবরণে প্রথম দুই জয়ের সঠিক তারিখ নিশ্চিত করা হয়নি:
- প্রথম বাছাইপর্বের ম্যাচ: ফিলিস্তিনকে ৬-০ গোলে হারায় ভিয়েতনাম এবং ২০ কোটি ভিয়েতনামি ডং বোনাস পায়।
- দ্বিতীয় বাছাইপর্বের ম্যাচ: নর্দার্ন মারিয়ানা আইল্যান্ডসকে ২০-০ গোলে হারায় ভিয়েতনাম। খান চি পাঁচ গোল করেন এবং দল আরও ২০ কোটি ভিয়েতনামি ডং বোনাস পায়।
- ১১ অক্টোবর, ২০২৬: বা রিয়া স্টেডিয়ামে কিরগিজস্তানকে ২-০ গোলে হারিয়ে নয় পয়েন্ট নিয়ে বাছাই নিশ্চিত করে ভিয়েতনাম।
রক্ষণভাগের রেকর্ড সাফল্যের আরেকটি মাপকাঠি। তিন ম্যাচেই কোনো গোল হজম করেনি ভিয়েতনাম; অর্থাৎ কোনো প্রতিপক্ষই গোল করতে পারেনি। কিরগিজস্তানের বিপক্ষে এগিয়ে যাওয়ার পর ম্যাচ সামলানোর পাশাপাশি শুরুতে তাদের চাপও সামলাতে হয়েছে।
মোট বোনাস চূড়ান্ত পুরস্কারের চেয়ে বেশি
ম্যাচের পর ভিএফএফের নির্বাহী কমিটি ও স্থায়ী কমিটির পক্ষ থেকে দলের অভিনন্দন জানান ফেডারেশন সভাপতি ট্রান কুয়ক তুয়ান। খেলোয়াড়দের দৃঢ়তা, ঐক্য ও পরিপক্বতার প্রশংসা করে তিনি আশা প্রকাশ করেন, বাছাইপর্বে উত্তীর্ণ হওয়ার সাফল্য মহাদেশীয় ফাইনালের জন্য গুরুত্ব দিয়ে প্রস্তুতি চালিয়ে যেতে দলকে উৎসাহিত করবে।
ফেডারেশনের পুরস্কারের মোট পরিমাণ ৯০ কোটি ভিয়েতনামি ডং: কিরগিজস্তানের বিপক্ষে জয়ের পর ৫০ কোটি এবং প্রথম দুই জয়ের জন্য ৪০ কোটি ডং। শেষ কিস্তিটি পুরো অভিযানের বোনাসের প্রায় ৫৬ শতাংশ।
বিভিন্ন প্রতিবেদনে ডলারের হিসাবে অমিল রয়েছে। ৫০ কোটি ভিয়েতনামি ডংয়ের চূড়ান্ত পুরস্কার এক প্রতিবেদনে প্রায় ১৯ হাজার ৩০০ মার্কিন ডলার, অন্যটিতে প্রায় ২০ হাজার ডলার বলা হয়েছে। মোট ৯০ কোটি ডংয়ের মূল্য প্রায় ৩৬ হাজার মার্কিন ডলার বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এগুলো আনুমানিক মুদ্রা রূপান্তর; চূড়ান্ত পুরস্কার ও পুরো অভিযানের মোট বোনাসের পার্থক্য বোঝার নির্ভরযোগ্য ভিত্তি হলো ভিয়েতনামি ডংয়ের অঙ্ক।
ফাইনালের ড্রয়ের পর শুরু হবে প্রস্তুতি
ওকিয়ামা বলেন, ২০২৭ সালের ফাইনালের ড্রয়ের পর কোচিং স্টাফ ভিয়েতনামের প্রতিপক্ষদের বিশ্লেষণ করবেন এবং উপযুক্ত প্রস্তুতি পরিকল্পনা তৈরি করবেন। খেলোয়াড়দের দক্ষতা উন্নত করার কাজে ক্লাবগুলোর সঙ্গে সহযোগিতার কথাও উল্লেখ করেন তিনি।
কোচ বাছাইপর্বের সাফল্যের কৃতিত্ব দেন প্রশিক্ষণ, প্রতিটি ম্যাচে প্রচেষ্টা, সংগঠিত রক্ষণ এবং দলের কৌশল বাস্তবায়নকে। আবাসন, প্রশিক্ষণ ও প্রতিযোগিতার ব্যবস্থা করে সহায়তা দেওয়ায় ভিএফএফ ও স্থানীয় কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানান তিনি; স্টেডিয়ামে সমর্থকদের উৎসাহের কথাও স্বীকার করেন।
ম্যাচের এসব প্রতিবেদনে ফাইনালের ড্রয়ের তারিখ, বিস্তারিত সূচি বা প্রতিপক্ষের নাম নিশ্চিত করা হয়নি। ভিয়েতনামের তাৎক্ষণিক অর্জন হলো বাছাইপর্বে উত্তীর্ণ হওয়া। সামনে প্রস্তুতির কাজ শুধু আত্মবিশ্বাস ধরে রাখার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়: ড্রয়ে পাওয়া প্রতিপক্ষদের বিশ্লেষণ, কারিগরি দক্ষতার উন্নতি এবং কিরগিজস্তানের বিপক্ষে নষ্ট হওয়া সুযোগগুলোর দিকে নজর দিতে হবে।
মূল বিষয়গুলো
- ২০২৬ সালের ১১ অক্টোবর বা রিয়া স্টেডিয়ামে কিরগিজস্তানকে ২-০ গোলে হারিয়ে ২০২৭ এএফসি অনূর্ধ্ব-১৭ নারী এশিয়ান কাপে বাছাই নিশ্চিত করে ভিয়েতনাম।
- তিন জয়, নয় পয়েন্ট, ২৮ গোল এবং কোনো গোল হজম না করে ‘ডি’ গ্রুপ শেষ করেছে দলটি।
- ২৫ মিনিটে গোল করেন হুয়েন চাং; হা ভি হেডে দ্বিতীয় গোলটি করেন। অধিকাংশ প্রতিবেদনে সময়টি ৫৫ মিনিট বলা হয়েছে, তবে কয়েকটি সরাসরি প্রতিবেদনে ৫২ মিনিট উল্লেখ করা হয়েছে।
- ম্যাচসেরা নির্বাচিত হা ভি জানান, বাছাইপর্বে তিনি ছয় গোল করেছেন।
- ভিএফএফের বোনাসের মোট পরিমাণ ৯০ কোটি ভিয়েতনামি ডং; নির্ণায়ক জয়ের পর ৫০ কোটি এবং আগের দুই জয়ের জন্য ৪০ কোটি ডং দেওয়া হয়েছে।
- ফাইনালের ড্রয়ের পর প্রতিপক্ষদের বিশ্লেষণ এবং খেলোয়াড়দের উন্নয়নে ক্লাবগুলোর সঙ্গে কাজ করার পরিকল্পনা করেছেন ওকিয়ামা।






