চিয়াং কুন-ইউর নৈপুণ্যে চ্যাম্পিয়নশিপের আশা টিকিয়ে রাখল সিটিবিসি
তাইওয়ান সিরিজের ইতিহাসে প্রথম দল হিসেবে তিন ম্যাচে পিছিয়ে পড়ার পর দুইবার জয়ের কীর্তি গড়েছে সিটিবিসি ব্রাদার্স। ২০২৬ সালের ২৫ অক্টোবর তাইপে ডোমে ওয়েই চুয়ান ড্রাগনসকে ৪-৩ গোলে হারায় তারা। শর্টস্টপ চিয়াং কুন-ইউ তিনটি হিট করেন, দুই রান এনে দেন এবং নবম ইনিংসে তৃতীয় বেস চুরি করে জয়সূচক রানটি করেন।
সূচিপত্র
- চিয়াং কুন-ইউর নৈপুণ্যে চ্যাম্পিয়নশিপের আশা টিকিয়ে রাখল সিটিবিসি
- আগের সীমা ছাড়ানো প্রত্যাবর্তন
- সময়োপযোগী দুই হিটে শুরুতে লিড
- স্কোর গড়ায় চুরি করা বেসের ভূমিকা
- টাইফুনের কারণে বিলম্বে বদলে যায় পিচিংয়ের হিসাব
- সপ্তম ইনিংসে সমতা ফেরায় ওয়েই চুয়ান
- লিউর সঙ্গে লড়াইয়ে জয়ী পেনা
- যেভাবে সিরিজ গড়াল আরেকটি বাদ পড়ার ম্যাচে
- মূল বিষয়
চাইনিজ প্রফেশনাল বেসবল লিগের (সিপিবিএল) চ্যাম্পিয়নশিপ সিরিজে জয়টি ওয়েই চুয়ানের লিড কমিয়ে ৩-২ করেছে। ষষ্ঠ ম্যাচটি ২৬ অক্টোবর বিকেল ৩টা ৫ মিনিটে তাইপে ডোমে হওয়ার কথা। শিরোপা জিততে ড্রাগনসের এখনো একটি জয় দরকার, আর ব্রাদার্সের দরকার দুটি।
সপ্তম ইনিংসে ওয়েই চুয়ান দুই রান করার আগে সিটিবিসি ৩-১ ব্যবধানে এগিয়ে ছিল। নবম ইনিংসে স্কোর সমতায় থাকতেই ড্রাগনসের ক্লোজার লিন কাই-ওয়ের বলে সিঙ্গেল করেন চিয়াং। কাও ইউ-চিয়ের স্যাক্রিফাইস বান্টে তিনি দ্বিতীয় বেসে যান, এরপর চুরি করেন তৃতীয় বেস। হুয়াং ওয়েই-শেং তখন ডান মাঠে স্যাক্রিফাইস ফ্লাই মারেন, আর চিয়াং দৌড়ে হোমে পৌঁছে নির্ধারক রানটি করেন।
নবম ইনিংসের নিচের অর্ধে ড্রাগনসের তিন ব্যাটারকেই আউট করে সেই লিড ধরে রাখেন ফেলিক্স পেনা। দুই ইনিংসে কোনো রান না দেওয়ায় টানা দ্বিতীয় রিলিফ জয় পান তিনি। এতে লিগের চ্যাম্পিয়নশিপ সিরিজে নজিরবিহীন প্রত্যাবর্তন আরও এগিয়ে নেওয়ার আরেকটি সুযোগ পেল ব্রাদার্স।
আগের সীমা ছাড়ানো প্রত্যাবর্তন
এর আগে তাইওয়ান সিরিজে নয়টি দল ৩-০ ব্যবধানে পিছিয়ে পড়েছিল। এর মধ্যে সাতটি দল চার ম্যাচেই হোয়াইটওয়াশ হয়, আর বাকি দুটি চতুর্থ ম্যাচ জিতলেও পঞ্চম ম্যাচে বাদ পড়ে। কোনো দলই ষষ্ঠ ম্যাচ পর্যন্ত পৌঁছায়নি।
দুইবার টিকে থেকে সেই ধারা ভেঙেছে সিটিবিসি। প্রথমে ১১ ইনিংসে ৫-৪ ব্যবধানে চতুর্থ ম্যাচ জেতে ব্রাদার্স, এরপর এক রানের ব্যবধানে আরেকটি জয় পায়। বাদ পড়ার মুখে থাকা এই দুই ম্যাচে তাদের মোট জয়ের ব্যবধান ছিল মাত্র দুই রান।
চ্যাম্পিয়নশিপ জয়ের সহজ পথ এখনো ড্রাগনসের: আরেকটি জয়েই সিরিজ শেষ। নির্ধারক সপ্তম ম্যাচ নিশ্চিত করতে সিটিবিসিকে ষষ্ঠ ম্যাচ জিততে হবে, এরপর শিরোপা জিততে আবারও জিততে হবে। রোববারের ফল ৩-০ ব্যবধানে পিছিয়ে থাকা দলগুলোর ইতিহাস বদলেছে, তবে ব্রাদার্সের আর হারার সুযোগ নেই।
১২ অক্টোবর সিটিবিসির ইউনির বিপক্ষে প্লে-অফ জয়ের পর এই ম্যাচ হয়। ৮-২ ব্যবধানের সেই জয়ে ব্রাদার্স ও ড্রাগনসের মধ্যে প্রথম তাইওয়ান সিরিজ নিশ্চিত হয়েছিল। সম্ভাব্য সাতটি চ্যাম্পিয়নশিপ ম্যাচই তাইপে ডোমে নির্ধারিত হয়।
সময়োপযোগী দুই হিটে শুরুতে লিড
সিটিবিসির দ্বিতীয় ইনিংস শুরু করেন ওয়াং ওয়েই-চেন। জন গ্যান্টের বলে সিঙ্গেল করার পর ওয়াইল্ড পিচে দ্বিতীয় বেসে যান তিনি। পরের দুই ব্যাটার আউট হওয়ার পর চিয়াং বাঁ মাঠে সিঙ্গেল করেন, আর ওয়াং দৌড়ে হোমে পৌঁছান। প্লেটে ওয়াং নিরাপদে পৌঁছেছেন—এই সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে ওয়েই চুয়ান, তবে ভিডিও পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত বহাল থাকে।
চতুর্থ ইনিংসেও হিট, দৌড়ে অতিরিক্ত বেস নেওয়া এবং আরেকটি সময়োপযোগী ব্যাটিংয়ের সমন্বয় করে ব্রাদার্স। সুং শেং-রুই সিঙ্গেল করে দ্বিতীয় বেস চুরি করেন। এরপর চিয়াং ডান মাঠে ডাবল মেরে তাকে হোমে আনেন; সিটিবিসি ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায়।
চিয়াংয়ের প্রথম দিকের দুই রান-আনা হিটই আসে দুই আউটের পর। দুই ক্ষেত্রেই ব্যাটার আউট হলে সিটিবিসির আর কোনো সুযোগ থাকত না: ইনিংস শেষ হয়ে যেত, আর রানার বেসে আটকে থাকতেন। চিয়াং বরং দুই সুযোগকেই রানে পরিণত করেন।
চতুর্থ ইনিংসের নিচের অর্ধে নিভালদো রদ্রিগেজের বলে বাঁ মাঠে এক রানের হোম রান করে জবাব দেন লিউ চি-হুং। এতে সিটিবিসির লিড কমে ২-১ হয়। সিরিজে ওয়েই চুয়ানের এটি দ্বিতীয় হোম রান, আর তাইওয়ান সিরিজে লিউর ক্যারিয়ারের তৃতীয়।
স্কোর গড়ায় চুরি করা বেসের ভূমিকা
সপ্তম ইনিংসে হাঁটতে গিয়ে বেসে পৌঁছে দ্বিতীয় বেস চুরি করে সিটিবিসির তৃতীয় রান গড়ে দিতে সাহায্য করেন হুয়াং। আগের ইনিংসে দ্বিতীয় বেসে নামা ইউয়ে তুং-হুয়া এরপর ব্যাট করতে এসে প্রথম সুযোগেই ডাবল মারেন। হুয়াং হোমে পৌঁছান, ব্রাদার্স ৩-১ ব্যবধানে এগিয়ে যায় এবং গ্যান্টের খেলা শেষ হয়।
সিটিবিসি বারবার রানারদের এমন অবস্থানে নিয়ে গেছে, যেখানে একটি হিটেই তাদের হোমে আনা সম্ভব। চতুর্থ ইনিংসে চিয়াংয়ের ডাবলের আগে সুং বেস চুরি করেন, সপ্তম ইনিংসে ইউয়ের ডাবলের আগে বেস চুরি করেন হুয়াং, আর নবম ইনিংসে চিয়াংয়ের চুরি করা তৃতীয় বেস তাকে ক্যাচ হওয়া ফ্লাই বলেও রান করার কাছাকাছি নিয়ে যায়।
স্যাক্রিফাইস ফ্লাইয়ে আউটফিল্ডার বলটি ধরার পর রানার বেস ছেড়ে এগিয়ে যেতে পারেন, তবে বল ধরা পর্যন্ত তাকে অপেক্ষা করতে হয়। তাই চিয়াংয়ের দ্বিতীয় থেকে তৃতীয় বেসে যাওয়াটা ছিল গুরুত্বপূর্ণ: বলটি ডিফেন্স ধরলেও যথেষ্ট দূরে ফ্লাই মারতে পারলে হুয়াং জয়সূচক রানটি এনে দিতে পারতেন।
আক্রমণাত্মক বেস দৌড়ে ওয়েই চুয়ানও এগোনোর চেষ্টা করেছে। ষষ্ঠ ইনিংসে লি কাই-ওয়ে হাঁটতে গিয়ে বেসে পৌঁছালেও ব্রাদার্সের ক্যাচার কাওর থ্রোতে চুরি করে বেস নেওয়ার চেষ্টা করতে গিয়ে আউট হন তিনি। সপ্তম ইনিংসে বড় র্যালির আগে এতে ড্রাগনসের সম্ভাব্য একটি সুযোগ শেষ হয়ে যায়।
টাইফুনের কারণে বিলম্বে বদলে যায় পিচিংয়ের হিসাব
টাইফুনের কারণে দুই দিন পিছিয়ে যাওয়ার পর পঞ্চম ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হয়। নির্ধারিত বিশ্রামের দিনসহ এই বিরতিতে সিটিবিসি রদ্রিগেজকে চার দিনের বিশ্রামের পর ফিরিয়ে আনার সুযোগ পায়। তৃতীয় ম্যাচে শুরুর পিচার হিসেবে খেলার পর তাইওয়ান সিরিজের তৃতীয় ও পঞ্চম দুই ম্যাচেই শুরু করা প্রথম পিচার হন তিনি।
সন্ধ্যার বেশির ভাগ সময় ড্রাগনসকে চুপচাপ রাখেন রদ্রিগেজ। প্রথম ইনিংসে লি কাই-ওয়েকে সিঙ্গেল দেওয়ার পর লিউর চতুর্থ ইনিংসের হোম রানের আগপর্যন্ত টানা ১১ ব্যাটারকে আউট করেন তিনি। পাঁচটি স্ট্রাইকআউট ও একটি ওয়াকের পর সপ্তম ইনিংসে আরেকটি লিউ সিঙ্গেলের পর এক আউট থাকা অবস্থায় তার খেলা শেষ হয়।
সাত দিনের বিশ্রামের পর ফেরেন গ্যান্ট। প্রথম ম্যাচে আট ইনিংসে কোনো রান না দিয়ে এবং মাত্র দুটি হিটের সুযোগ দিয়ে দাপট দেখিয়েছিলেন তিনি। পঞ্চম ম্যাচে কাজটা ছিল কঠিন: ১১১টি পিচ করেন তিনি, দুটি ওয়াক দেন এবং দ্বিতীয় ও তৃতীয় ইনিংসে একটি করে মোট দুটি ওয়াইল্ড পিচ করেন।
দ্বিতীয় ইনিংসের ওয়াইল্ড পিচটি চিয়াংয়ের সিঙ্গেলের আগে ওয়াংকে দ্বিতীয় বেসে নিয়ে গিয়ে সরাসরি সিটিবিসির স্কোরে সহায়তা করে। পরের ইনিংসে আরেকটি ওয়াইল্ড পিচ এবং পাসড বলের সুবাদে তৃতীয় বেসে পৌঁছান চ্যাং জেন-ওয়েই। ক্যাচার যে পিচ নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন না, সেটিই পাসড বল। সেং সুং-এনকে স্ট্রাইকআউট করে ওই বিপদ থেকে বেরিয়ে আসেন গ্যান্ট।
চতুর্থ ইনিংসে ওয়েই চুয়ান ক্যাচার বদলে লিন চেন-সুনের জায়গায় চিয়াং শাও-হুংকে নামায়। দ্বিতীয় ইনিংসে হোম প্লেটে ওয়াংয়ের সঙ্গে সংঘর্ষেও জড়িত ছিলেন লিন। গ্যান্ট ম্যাচকে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ রাখেন, তবে সপ্তম ইনিংসে তার বিপক্ষেই আরেকটি রান পায় সিটিবিসি।
সপ্তম ইনিংসে সমতা ফেরায় ওয়েই চুয়ান
সপ্তম ইনিংসের নিচের অর্ধে এক আউট থাকা অবস্থায় লিউর সিঙ্গেলের পর রদ্রিগেজের জায়গায় বাঁহাতি রিলিফ পিচার লু ইয়েন-চিংকে নামায় সিটিবিসি। এরপরের দুই হিটেই পাল্টে যায় ম্যাচের চিত্র।
চ্যাং চেং-ইউর ডাবলে হোমে আসেন লিউ, ব্যবধান কমে হয় ৩-২। এরপর কুও তিয়েন-সিনের আরেকটি হিটে রান করেন চ্যাং, সমতা ফেরে। মাত্র দুই ব্যাটারের মুখোমুখি হয়ে পাঁচটি পিচ করার পরই লুকে সরিয়ে আরেকটি পিচিং পরিবর্তন আনে সিটিবিসি।
পিঞ্চ হিটার লিউ চুন-ওয়েইকে ফাউল ফ্লাইয়ে আউট করেন সাই চি-চে। এরপর চিয়াং শাও-হুং সেন্টার ফিল্ডে ফ্লাই বল মারলে র্যালি থামে। ব্রাদার্সের লিড মুছে দিলেও সিটিবিসি পিছিয়ে না পড়েই ইনিংস থেকে বেরিয়ে আসে।
ফিল্ডিংয়েও অবদান রাখেন কুও। অষ্টম ইনিংসের ওপরের অর্ধে সেংয়ের সিঙ্গেলের পর সেন্টার ফিল্ডে ওয়াংয়ের জোরে মারা বল ধরতে পেছনে যান তিনি। এতে স্কোর সমতায় থাকে এবং নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার জন্য ড্রাগনসের সামনে সফল একটি আক্রমণের সুযোগই রয়ে যায়।
লিউর সঙ্গে লড়াইয়ে জয়ী পেনা
সিরিজে তৃতীয়বার এবং রিলিফ পিচার হিসেবে দ্বিতীয়বার অষ্টম ইনিংসের নিচের অর্ধে মাঠে নামেন পেনা। দ্বিতীয় ম্যাচে শুরু করেছিলেন তিনি, আর চতুর্থ ম্যাচে সিটিবিসির জয়ের সময় বুলপেন থেকে এক ইনিংস পিচ করেন।
লি সিঙ্গেল এবং চু ইউ-শিয়েন ওয়াক পেয়ে বেসে পৌঁছালে আবারও বিপদ তৈরি করে ওয়েই চুয়ান। দুই আউট এবং প্রথম ও দ্বিতীয় বেসে রানার থাকা অবস্থায় প্লেটে আসেন লিউ। এর আগেই তিনি হোম রান করেছিলেন এবং সপ্তম ইনিংসের প্রত্যাবর্তনের শুরুতে সিঙ্গেল মেরেছিলেন।
কাউন্ট তিন বল ও দুই স্ট্রাইক হওয়ার পর স্লাইডারে তাকে স্ট্রাইকআউট করেন পেনা। তাতে ৩-৩ সমতা বজায় থাকে এবং নবম ইনিংসে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পায় সিটিবিসি।
এরপর লিনের বিপক্ষে রাতের তৃতীয় হিট দিয়ে ইনিংস শুরু করেন চিয়াং। কাওর বান্টে তিনি দ্বিতীয় বেসে যান, আর তৃতীয় বেস চুরি করায় হুয়াংয়ের স্যাক্রিফাইস ফ্লাইয়ের সুযোগ তৈরি হয়। নিচের অর্ধে ফিরে এসে পেনা একের পর এক তিন ব্যাটারকে আউট করেন। মাঠে শেষ আউটটিও সামলান চিয়াং।
যেভাবে সিরিজ গড়াল আরেকটি বাদ পড়ার ম্যাচে
শুরুর তিন জয়ে সিটিবিসিকে বাদ পড়ার এক ধাপের মধ্যে নিয়ে গিয়েছিল ওয়েই চুয়ান। এরপর ব্রাদার্স একবার অতিরিক্ত ইনিংসে এবং আরেকবার নবম ইনিংসে রান করে জিতেছে। মাঝের আবহাওয়াজনিত বিরতিতে ম্যাচ দুটি দুই দিন পিছিয়ে যায়।
- ১২ অক্টোবর: ইউনিকে ৮-২ গোলে হারিয়ে তাইওয়ান সিরিজে জায়গা নিশ্চিত করে সিটিবিসি।
- ১৭ অক্টোবর: তাইপে ডোমে চ্যাম্পিয়নশিপ সিরিজ শুরু হয়।
- প্রথম-তৃতীয় ম্যাচ: তিনটিতেই জিতে শিরোপার এক জয়ের দূরত্বে পৌঁছায় ওয়েই চুয়ান।
- চতুর্থ ম্যাচ: হোয়াইটওয়াশ এড়াতে ১১ ইনিংসে ৫-৪ ব্যবধানে জেতে সিটিবিসি।
- ২৫ অক্টোবর: টাইফুনের কারণে দুই দিন পিছিয়ে যাওয়ার পর পঞ্চম ম্যাচে ৪-৩ ব্যবধানে জেতে সিটিবিসি।
- ২৬ অক্টোবর: ষষ্ঠ ম্যাচটি বিকেল ৩টা ৫ মিনিটে তাইপে ডোমে হওয়ার কথা।
বর্তমান অবস্থানের সঙ্গে তুলনা করতে অতীতের ফল প্রাসঙ্গিক। তাইওয়ান সিরিজে এর আগে ষষ্ঠ ম্যাচ পর্যন্ত গড়ানো ১৮টি সিরিজের মধ্যে ৩-২ ব্যবধানে পিছিয়ে থাকা দল ছয়বার, অর্থাৎ এক-তৃতীয়াংশ সিরিজে, ঘুরে দাঁড়িয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। শুরুর তিন ম্যাচ হেরে এই অবস্থানে পৌঁছানো প্রথম দল সিটিবিসি।
ব্রাদার্সের তাৎক্ষণিক কাজ হলো নির্ধারক ম্যাচের সম্ভাবনা তৈরি করার আগে আরেকটি জয় পাওয়া। ড্রাগনসের সামনে বাস্তবিক অর্থে সুযোগটি অপরিবর্তিত: পরের ম্যাচ জিতলেই শিরোপা তাদের। চিয়াংয়ের ব্যাটিং ও বেস দৌড়, আর পেনার শেষের পারফরম্যান্স নিশ্চিত করেছে যে দুই দলকেই আবার মাঠে নামতে হবে।
মূল বিষয়
- ২৫ অক্টোবর তাইপে ডোমে ওয়েই চুয়ানকে ৪-৩ ব্যবধানে হারিয়ে সিরিজে ড্রাগনসের লিড ৩-২-এ নামিয়েছে সিটিবিসি।
- ৩-০ ব্যবধানে পিছিয়ে পড়ার পর ষষ্ঠ ম্যাচ নিশ্চিত করা তাইওয়ান সিরিজের প্রথম দল ব্রাদার্স।
- চিয়াং কুন-ইউ তিনটি হিট ও দুই রান ব্যাট করেছেন, এরপর তৃতীয় বেস চুরি করে জয়সূচক রান করেন।
- নবম ইনিংসের স্যাক্রিফাইস ফ্লাইয়ে নির্ধারক রানটি এনে দেন হুয়াং ওয়েই-শেং।
- টানা দ্বিতীয় রিলিফ জয়ের পথে ফেলিক্স পেনা দুই ইনিংসে কোনো রান দেননি।
- ষষ্ঠ ম্যাচটি ২৬ অক্টোবর বিকেল ৩টা ৫ মিনিটে তাইপে ডোমে হওয়ার কথা।






