টোকিওতে ঐতিহাসিক দ্বিতীয় ইনিংসে জাপানের দাপট
এক ইনিংয়ে পাঁচ রান এনে দিয়েছেন শোহেই ওতানি। ২০২৬ সালের ৬ মার্চ টোকিও ডোমে তাইওয়ানকে ১৩-০ ব্যবধানে হারিয়ে ওয়ার্ল্ড বেসবল ক্লাসিকের শিরোপা ধরে রাখার অভিযান শুরু করেছে জাপান। দ্বিতীয় ইনিংসে ১০ রান তোলে তারা, যা টুর্নামেন্টের ইতিহাসে এক ইনিংয়ে সর্বোচ্চ। মার্সি রুলে সাত ইনিংস পরই শেষ হয় ম্যাচ।
সূচিপত্র
- টোকিওতে ঐতিহাসিক দ্বিতীয় ইনিংসে জাপানের দাপট
- শুরুর সতর্কবার্তাকে চার রানে রূপ দিলেন ওতানি
- ১৫ ব্যাটারের অংশগ্রহণে এগিয়ে চলে ইনিংস
- গেন্দা ও অন্য ব্যাটারদের অবদান
- পাঁচ পিচারের দাপটে হোয়াইটওয়াশ
- তাইওয়ানের সবচেয়ে বড় সুযোগটি গেল ফাউল
- সাত ইনিংস পর কেন থামল ম্যাচ
- শিরোপা ধরে রাখার অভিযানে নতুন উদযাপন
- বড় জয়ের পর পুল সি-র চিত্র
- মূল বিষয়
চারবার ব্যাট করতে নেমে তিনটি হিট করেন ওতানি। এর মধ্যে ছিল ম্যাচের প্রথম পিচেই একটি ডাবল, একটি গ্র্যান্ড স্ল্যাম এবং আরেকটি সিঙ্গেল, যেটিতে আরও এক রান আসে। দ্বিতীয় ইনিংসে তার পাঁচ রান ব্যাট করে আনা ওয়ার্ল্ড বেসবল ক্লাসিকের রেকর্ডও। ৪২ হাজার ৩১৪ দর্শক দেখেছেন, জাপান ১৩টি হিট সংগ্রহ করেছে, আর পাঁচ জাপানি পিচার তাইওয়ানকে আটকে রেখেছেন মাত্র এক হিটে।
জাপানের জাতীয় দল ফলাফল, সাত ইনিংসে ম্যাচ শেষ হওয়া এবং ওতানির গ্র্যান্ড স্ল্যামের বিষয়টি তাদের অফিশিয়াল ম্যাচ রেকর্ডে নিশ্চিত করেছে। জয়ের কৃতিত্ব পেয়েছেন ইয়োশিনোবু ইয়ামামোতো, আর তাইওয়ানের শুরুর পিচার হাও-চুন চেং হেরেছেন। টুর্নামেন্টে তাইওয়ান ‘চাইনিজ তাইপে’ নামে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে।
এই জয়ে পুল সি-তে জাপানের অবস্থান ১-০। ওয়ার্ল্ড বেসবল ক্লাসিকে রেকর্ড চতুর্থ শিরোপার লক্ষ্যে এগোচ্ছে দলটি। আগের দিন অস্ট্রেলিয়ার কাছে হারের পর টানা দ্বিতীয় পরাজয়ে তাইওয়ানের রেকর্ড ০-২। কঠিন শুরুর ধাক্কা কাটিয়ে ওঠার সুযোগ তাদের এখন সীমিত।
শুরুর সতর্কবার্তাকে চার রানে রূপ দিলেন ওতানি
শুরুতেই তাইওয়ানকে সতর্ক করেন ওতানি। টোকিওতে খেললেও সফরকারী দল হিসেবে মনোনীত জাপানের হয়ে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে প্রথম পিচেই ডান মাঠের লাইনের কাছে বল মেরে ডাবল নেন তিনি। তার ব্যাট ছেড়ে বলটির গতি ছিল ঘণ্টায় ১১৭.১ মাইল; এই পরিমাপকে বলা হয় এক্সিট ভেলোসিটি।
প্রথম ইনিংসে তাকে হোমে আনতে পারেনি জাপান। চেং সেই বিপদ সামলে খেলায় রান হতে দেননি। তবে দ্বিতীয় ইনিংসে ওতানি আবার ব্যাট করতে এলে পরিস্থিতি আরও বিপজ্জনক হয়ে ওঠে।
মুনেতাকা মুরাকামি ওয়াক নেন, শুগো মাকি সিঙ্গেল করেন এবং সোসুকে গেন্দাকে পিচে বল লাগে; ফলে তিনটি বেসই পূর্ণ হয়। ক্যাচার কেনিয়া ওয়াকাতসুকি ফাউল আউট হওয়ার পর এক আউটে ব্যাট করতে আসেন ওতানি। জাপানকে প্রথম লিড এনে দেওয়ার সুযোগ ছিল তার সামনে।
দুই বল ও এক স্ট্রাইকের কাউন্টে চেং নিচু ও বাইরের দিকে একটি কার্ভবল ছোড়েন। ওতানি বলটি ডান মাঠের গ্যালারিতে পাঠান। ব্যাট থেকে বলটির গতি ছিল ঘণ্টায় ১০২.৪ মাইল, আর এটি উড়ে যায় ৩৬৮ ফুট। গ্র্যান্ড স্ল্যামে ব্যাটারসহ তিন বেসের রানাররাও হোমে ফেরেন। এক সুইংয়েই রানহীন ম্যাচে জাপান ৪-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায়।
জাপানের মনোনীত হিটার ও লস অ্যাঞ্জেলেস ডজার্স তারকা ওতানি পরে বলেন, দলকে এগিয়ে দেওয়াই ছিল তার প্রধান লক্ষ্য।
বল মারার পরই বুঝেছিলাম, এটা মাঠের বাইরে যাবে। আগে স্কোর করা গুরুত্বপূর্ণ, তাই অন্তত একটি রান আনতে মরিয়া ছিলাম।
১৫ ব্যাটারের অংশগ্রহণে এগিয়ে চলে ইনিংস
ওতানি হোম প্লেটে পৌঁছানোর পরও জাপানের দ্বিতীয় ইনিংস শেষ হয়নি। ২৮ মিনিটের এই অর্ধ-ইনিংসে ১৫ জন ব্যাটার প্লেটে আসেন। ওয়াক ও হিটের সমন্বয়ে জাপান বারবার বেসে রানার তুলতে থাকে।
মাসাতাকা ইয়োশিদার ডাবলে সেইয়া সুজুকি হোমে ফেরেন, জাপান এগিয়ে যায় ৫-০ ব্যবধানে। এরপর মুরাকামি ইনফিল্ড সিঙ্গেলে বেসে পৌঁছে ইয়োশিদাকে হোমে আনেন। গেন্দার সেন্টার ফিল্ডে মারা সিঙ্গেলে কাজুমা ওকামোতো ও মুরাকামি হোমে ফেরেন। মাকিকে হোমে এনে আরেকটি সিঙ্গেল করেন ওয়াকাতসুকি।
একই ইনিংসে দ্বিতীয়বার ব্যাট করতে এসে ডান দিকে সিঙ্গেল করেন ওতানি; গেন্দা হোমে পৌঁছালে জাপানের রান হয় ১০। গ্র্যান্ড স্ল্যাম ও সিঙ্গেলে জাপানের ওই ইনিংসের রেকর্ড ১০ রানের অর্ধেকই আসে ওতানির ব্যাট থেকে।
লিড নেওয়ার পর দলের পরিকল্পনাই আক্রমণ ধরে রাখতে সাহায্য করেছে বলে জানান ওতানি।
ম্যাচের ভাগ্য মূলত ওই ইনিংসেই নির্ধারিত হয়েছে। শুরুতে কয়েক রান করার পরও আমরা মনোযোগ ধরে রেখেছি এবং কয়েকটি ওয়াক আদায় করেছি। আমার মনে হয়, এরপর থেকে আমরা খেলাটা ভালোভাবে নিয়ন্ত্রণ করেছি।
গেন্দা ও অন্য ব্যাটারদের অবদান
তিনবার ব্যাট করতে নেমে তিনটি হিট ও চারটি রান ব্যাট করে এনে জাপানের হয়ে ওতানির পাশাপাশি বড় অবদান রেখেছেন গেন্দা। দুজন মিলে জাপানের ১৩ রানের মধ্যে নয়টি এনে দেন।
তৃতীয় ইনিংসে শেষ তিন রান যোগ করে জাপান। সুজুকি ও ইয়োশিদার সিঙ্গেলের পর সেন্টার ফিল্ডে আরেকটি সিঙ্গেল করেন ওকামোতো; এতে হোমে ফেরেন সুজুকি। ইনিংসের পরে গেন্দার সিঙ্গেলে ইয়োশিদা ও মুরাকামি হোমে এলে স্কোর দাঁড়ায় ১৩-০।
জাপানের ১৩টি হিটের মধ্যে ছয়টি করেন ওতানি ও গেন্দা, আর ইয়োশিদা যোগ করেন দুটি। জাপানের মোট বেস ছিল ১৮। এই পরিসংখ্যানে সিঙ্গেলে এক বেস, ডাবলে দুই, ট্রিপলে তিন এবং হোম রানে চার বেস ধরা হয়।
একই ম্যাচে সিঙ্গেল, ডাবল, ট্রিপল ও হোম রান করে বিরল ‘সাইকেল’ পূর্ণ করার সুযোগ ছিল ওতানির। চতুর্থ ইনিংসে ব্যাট করতে এসে শুধু ট্রিপল বাকি ছিল তার। কিন্তু তাইওয়ানের প্রথম বেসম্যান নিয়েন-টিং উ লাফিয়ে ক্যাচ ধরলে লাইন ড্রাইভে আউট হন তিনি। সপ্তম ইনিংসে তার বদলি হিসেবে পিঞ্চ হিটার হয়ে নামেন তেরুয়াকি সাতো।
পাঁচ পিচারের দাপটে হোয়াইটওয়াশ
ডজার্সের পিচার ইয়ামামোতো, যিনি আগের মৌসুমে ওয়ার্ল্ড সিরিজের সবচেয়ে মূল্যবান খেলোয়াড় নির্বাচিত হয়েছিলেন, নিজের স্পেলে তাইওয়ানকে হিট করতে দেননি। বিস্তারিত পিচিং রেকর্ডে রয়েছে দুই ও দুই-তৃতীয়াংশ ইনিংস, তিনটি ওয়াক এবং ৫৩টি পিচ। তৃতীয় ইনিংসে বেস পূর্ণ থাকা অবস্থায় তিনি মাঠ ছাড়েন।
জাপানের ফিল্ডিংয়ে ভুল ও ওয়াকের সুযোগে আক্রমণে যায় তাইওয়ান। দুই আউটের পর দায়িত্ব নেন শোমা ফুজিহিরা। আন-কো লিনকে স্ট্রাইকআউট করে রান না দিয়েই ইনিংস শেষ করেন তিনি।
এরপর পিচ করেন হিরোয়া মিয়াগি, কোকি কিতায়ামা ও রিউহেই সোয়া; ক্যাচিংয়ে ছিলেন ওয়াকাতসুকি। পাঁচ ইনিংস পর্যন্ত তাইওয়ানকে কোনো হিট করতে দেয়নি জাপান। ষষ্ঠ ইনিংসের শুরুতে কিতায়ামার বিপক্ষে সিঙ্গেল করে শেষ পর্যন্ত হিট পান ইউ চ্যাং। রাতে তাইওয়ানের এটিই একমাত্র হিট।
সপ্তম ইনিংসে মুখোমুখি হওয়া তিন ব্যাটারকেই আউট করেন সোয়া। শাও-হং চিয়াং ক্যাচারের হাতে ফাউল আউট হন, চেন-ওয়েই চেন বাঁ মাঠে ফ্লাই আউট হন এবং সুং-চে চেং সুইং করতে গিয়ে স্ট্রাইকআউট হলে ম্যাচ শেষ হয়।
তাইওয়ানের সবচেয়ে বড় সুযোগটি গেল ফাউল
পঞ্চম ইনিংসে তাইওয়ানের স্কোর বদলে দেওয়ার সবচেয়ে কাছাকাছি ছিলেন স্টুয়ার্ট ফেয়ারচাইল্ড। বেসে দুই রানার থাকা অবস্থায় বাঁ মাঠের গ্যালারির দিকে বল মারেন তিনি। মুহূর্তের জন্য মনে হয়েছিল, এতে তিন রানের হোম রান হতে পারে।
বলটি ফাউল ঘোষণা করা হয় এবং পর্যালোচনার পরও সেই সিদ্ধান্ত বহাল থাকে। ওই ইনিংসে রান না দিয়েই কাজ শেষ করেন মিয়াগি। এতে জাপানের শাটআউট এবং বড় লিড দুটোই বজায় থাকে।
হিট পেতে অসুবিধা হলেও ওয়াকের মাধ্যমে বেসে রানার তোলার সুযোগ পেয়েছিল তাইওয়ান। জাপানের পিচাররা বারবার সেই চেষ্টা থামিয়ে দেন। তৃতীয় ইনিংসে বেস পূর্ণ থাকা অবস্থায় ফুজিহিরার দায়িত্ব নেওয়াটা ছিল সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য। তাইওয়ানের জন্য ফাউল বল এবং বেসে আটকে থাকা রানাররাই ছিল ঘুরে দাঁড়ানোর সবচেয়ে কাছের মুহূর্ত।
সাত ইনিংস পর কেন থামল ম্যাচ
১৩ রানের লিড থাকায় সপ্তম ইনিংসের পর টুর্নামেন্টের মার্সি রুল কার্যকর হয়। নিয়ম অনুযায়ী, সপ্তম ইনিংস বা তার পর কোনো পূর্ণ ইনিংস শেষে এক দল অন্তত ১০ রানে এগিয়ে থাকলে প্রথম রাউন্ডের ম্যাচ শেষ হয়ে যায়। একইভাবে, পঞ্চম ইনিংস বা তার পর কোনো পূর্ণ ইনিংস শেষে অন্তত ১৫ রানের ব্যবধান থাকলেও ম্যাচ আর প্রচলিত নয় ইনিংস পর্যন্ত গড়ায় না।
তৃতীয় ইনিংসের পর আর রান করেনি জাপান। তবে সপ্তম ইনিংসে ব্যাট করার পালায়ও স্কোরহীন থাকে তাইওয়ান। শেষ স্ট্রাইকআউটেই তাই নিয়মিত ম্যাচের চেয়ে দুই ইনিংস আগে খেলার ইতি ঘটে।
ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণকারী ঘটনাগুলো ঘটেছে অল্প সময়ের মধ্যে:
- ৫ মার্চ: উদ্বোধনী ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার কাছে হারে তাইওয়ান।
- ৬ মার্চ, প্রথম ইনিংস: প্রথম পিচেই ডাবল করেন ওতানি, তবে স্কোর করতে পারেনি জাপান।
- দ্বিতীয় ইনিংস: ১৫ জন ব্যাটার প্লেটে আসে, টুর্নামেন্ট রেকর্ড ১০ রান তোলে জাপান।
- তৃতীয় ইনিংস: ওকামোতো ও গেন্দা আরও তিন রান এনে দিলে জাপানের লিড হয় ১৩-০।
- ষষ্ঠ ইনিংস: তাইওয়ানের একমাত্র হিটটি করেন ইউ চ্যাং।
- সপ্তম ইনিংস: শাটআউট সম্পন্ন করে জাপান, মার্সি রুলে শেষ হয় ম্যাচ।
শিরোপা ধরে রাখার অভিযানে নতুন উদযাপন
হোম রানের পর ম্যাচা, অর্থাৎ জাপানের গুঁড়া সবুজ চা ফেটানোর ভঙ্গি নকল করে উদযাপন করেন ওতানি। ২০২৩ সালের শিরোপা জয়ের অভিযানে লার্স নুটবারের শুরু করা পেপার গ্রাইন্ডার ভঙ্গির পর এই উদযাপনের পরিকল্পনা করেন পিচার কিতায়ামা।
দলের তরুণ ও জ্যেষ্ঠ খেলোয়াড়দের মধ্যে দূরত্ব কমানোর প্রচেষ্টার অংশও ছিল এই উদযাপন, বলেন ওতানি। দলের পরিবেশ হালকা করতে কিছুটা অন্তর্মুখী স্বভাবের কিতায়ামাকে বেছে নিয়েছিলেন তিনি।
কিতায়ামার অবদান নিয়ে বলতে গিয়ে ওতানি জানান, তিনি এই ভঙ্গি চালিয়ে যাবেন।
এই ভাবনাটা নিয়ে আসতে কিতায়ামা সত্যিই অনেক চিন্তা করেছে। তাই এই ভঙ্গি চালিয়ে যাওয়ার সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।
টোকিও ডোমের দর্শকদের মধ্যে ছিলেন সংগীতশিল্পী ব্যাড বানি ও অভিনেতা তিমোথি শ্যালামে। তাদের পাশাপাশি তাইওয়ানের সমর্থকেরাও ছিলেন অনেক। কানায় কানায় পূর্ণ স্টেডিয়ামে জাপানের উদ্বোধনী পারফরম্যান্সে দেখা গেল ইতিহাস গড়া এক ইনিংস এবং শিরোপা ধরে রাখার অভিযানে জোরালো সূচনা।
বড় জয়ের পর পুল সি-র চিত্র
শুক্রবারের প্রথম ম্যাচে চেক প্রজাতন্ত্রকে ৫-১ গোলে হারায় অস্ট্রেলিয়া; এর আগে বৃহস্পতিবার তাইওয়ানকেও হারিয়েছিল তারা। টানা দ্বিতীয় পরাজয়ে পুলের বাকি ম্যাচগুলোতে তাইওয়ানের ওপর চাপ বেড়েছে। অন্যদিকে জয় ও বড় ব্যবধানের রান নিয়ে অভিযান শুরু করেছে জাপান।
রোববার দক্ষিণ কোরিয়ার বিপক্ষে জাপানের পরের ম্যাচ নির্ধারিত ছিল। ওতানি ও গেন্দার বাইরেও ব্যাটিং অবদান এবং তাইওয়ানকে এক হিটে আটকে রাখা পিচিং পারফরম্যান্স পরের পুল ম্যাচেও ধরে রাখাই ছিল তাৎক্ষণিক লক্ষ্য।
উদ্বোধনী জয়ে জাপানের শক্তিগুলো স্পষ্ট হয়েছে: সবচেয়ে বড় আঘাতটি করেছেন ওতানি, সতীর্থরা আক্রমণ এগিয়ে নিয়েছেন এবং পাঁচ পিচার মিলে শাটআউট সম্পন্ন করেছেন। এক ইনিংসের ১০ রান এই ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করেছে, আর বাকি ইনিংসগুলো দেখিয়েছে কীভাবে সেই সুবিধা ধরে রেখেছে জাপান।
মূল বিষয়
- ২০২৬ সালের ৬ মার্চ টোকিও ডোমে ওয়ার্ল্ড বেসবল ক্লাসিকের উদ্বোধনী ম্যাচে তাইওয়ানকে ১৩-০ ব্যবধানে হারিয়েছে জাপান।
- চারবার ব্যাট করতে নেমে তিনটি হিট, একটি গ্র্যান্ড স্ল্যাম ও পাঁচ রান ব্যাট করে এনেছেন ওতানি।
- দ্বিতীয় ইনিংসে জাপানের ১০ রান এবং ওতানির পাঁচ রান ব্যাট করে আনা এক ইনিংসের টুর্নামেন্ট রেকর্ড।
- তিনটি হিট ও চার রান ব্যাট করে এনে অবদান রেখেছেন গেন্দা।
- পাঁচ জাপানি পিচার তাইওয়ানকে এক হিটে আটকে রেখেছেন; ষষ্ঠ ইনিংসে সিঙ্গেলটি করেন ইউ চ্যাং।
- মার্সি রুলে সাত ইনিংস পর শেষ হয় ম্যাচ।
- পুল সি-তে জাপানের অবস্থান ১-০, আর তাইওয়ানের ০-২।






