প্রায় ১০ হাজার সরকারি পদ সেজংয়ে স্থানান্তরিত হবে
দক্ষিণ কোরিয়া ২০২৭ থেকে ২০৩১ সালের মধ্যে সিউল মহানগর এলাকা থেকে ৪৪টি কেন্দ্রীয় সরকারি সংস্থা এবং ৯,৯২৯টি সরকারি কর্মচারীর পদ সেজংয়ে সরানোর পরিকল্পনা করছে। এর ফলে পররাষ্ট্র, প্রতিরক্ষা, আর্থিক নীতি এবং গুরুত্বপূর্ণ তদন্ত কার্যক্রম প্রশাসনিক শহরটিতে স্থানান্তরিত হবে। স্বরাষ্ট্র ও নিরাপত্তা মন্ত্রণালয় ১৩ অক্টোবর বিস্তারিত পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে। এতে ভাড়া করা কার্যালয় ব্যবহার করতে পারবে এমন সংস্থা এবং নতুন ভবন প্রয়োজন এমন সংস্থাগুলোর স্থানান্তর আলাদা করা হয়েছে।
সূচিপত্র
- প্রায় ১০ হাজার সরকারি পদ সেজংয়ে স্থানান্তরিত হবে
- কোন সংস্থাগুলো আগে স্থানান্তরিত হবে?
- ২০৩১ সালের পরও চলবে স্থানান্তরের সময়সূচি
- নির্মাণ ব্যয়ই পুরো খরচ নয়
- পাঁচটি মন্ত্রণালয়ের ক্ষেত্রে আইন সংশোধন প্রয়োজন
- কূটনীতি ও প্রতিরক্ষায় সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত প্রয়োজন
- আর্থিক নীতি সংস্থা যাবে, তবে তদারকি আলাদা
- কার্যালয় ও পরিবারগুলোর সহায়তার প্রস্তুতি নিচ্ছে সেজং
- ভাড়ার চাপ ও খালি দোকান ভিন্ন চিত্র দেখায়
- জনসংখ্যার ওপর প্রভাবের প্রমাণ দেখাতে পারেনি সরকার
- মূল বিষয়গুলো
প্রথম দলে রয়েছে ২,৯৯৫ জন কর্মীসহ ২৭টি সংস্থা, যাদের ২০২৭ সালে ভাড়া করা কার্যালয়ে স্থানান্তর শুরু হওয়ার কথা। আরও ১৭টি সংস্থার ৬,৯৩৪টি পদ স্থানান্তরিত হবে নির্দিষ্ট কার্যালয় নির্মাণের পর; ২০৩১ সালের মধ্যে নির্মাণকাজ শেষ করার লক্ষ্য রয়েছে। অর্থাৎ, পরিকল্পিত কর্মী স্থানান্তরের প্রায় ৭০ শতাংশ নির্ভর করছে নির্মাণকাজের ওপর, বিদ্যমান কার্যালয়ের প্রাপ্যতার ওপর নয়।
সরকার নির্মাণ ব্যয় ৩.১ ট্রিলিয়ন ওন বলে অনুমান করছে। ২০২৭ সালেই অস্থায়ী কার্যালয় এবং স্থানান্তর-সহায়তায় আরও ৮৯.৭ বিলিয়ন ওন ব্যয়ের হিসাব করা হয়েছে। স্থায়ী ভবন প্রস্তুত হওয়ার আগে ভাড়ার খরচ আরও বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ ছাড়া পাঁচটি মন্ত্রণালয়কে স্থানান্তর থেকে অব্যাহতি দেওয়া বর্তমান আইন সংশোধন করতে হবে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইউন হো-জুং রাজধানী অঞ্চলে কেন্দ্রীভবন কমানো এবং মন্ত্রণালয়গুলোর মধ্যে সমন্বয় উন্নত করার কৌশল হিসেবে এই স্থানান্তরের কথা তুলে ধরেছেন। পরিকল্পনা তৈরির আগে সরকার সিউল ও এর আশপাশের মহানগর এলাকায় ১৪২টি প্রশাসনিক সংস্থা পর্যালোচনা করে। ৩ সেপ্টেম্বর ঘোষিত স্থানান্তর নির্দেশিকা এবং প্রতিষ্ঠান ও বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে আলোচনার পর পরিকল্পনাটি তৈরি করা হয়।
প্রস্তাবটি বড় পরিসরের হলেও প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের স্থানান্তর চূড়ান্ত করার সিদ্ধান্ত এটি নয়। ঘোষিত সময়সূচি বাস্তবায়নের আগে আইন সংশোধন, বাজেট অনুমোদন, কার্যালয় নির্বাচন এবং আইনত প্রয়োজনীয় আলোচনা বাকি রয়েছে। প্রেসিডেন্সির সঙ্গে সরাসরি যুক্ত সংস্থা, কয়েকটি সরকারি প্রতিষ্ঠান এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের সেবা দেওয়া সংস্থাগুলোকে আলাদাভাবে বিবেচনা করা হচ্ছে।
কোন সংস্থাগুলো আগে স্থানান্তরিত হবে?
২০২৭ সালের প্রথমার্ধে ছয়টি সংস্থা স্থানান্তরের কথা রয়েছে: যোগাযোগ কমিশন, ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষা কমিশন, পারমাণবিক নিরাপত্তা ও সুরক্ষা কমিশন, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন, জাতীয় শিক্ষা কমিশন এবং প্রবাসী কোরীয়বিষয়ক সংস্থা। ইংরেজি প্রতিবেদনে যোগাযোগ সংস্থাটির নাম ভিন্নভাবে দেওয়া হয়েছে; এর মধ্যে রয়েছে Korea Communications Commission এবং Korea Media and Communications Commission।
২০২৭ সালের দ্বিতীয়ার্ধে আর্থিক সেবা কমিশন স্থানান্তরিত হবে। এর সঙ্গে মন্ত্রণালয়ের অধীন সংস্থা ও পরামর্শক কমিটিসহ আরও ১৮টি প্রতিষ্ঠান স্থানান্তরিত হবে। আইন পরিবর্তনের ওপর যাদের তারিখ নির্ভর করছে, সেই ২৭টি সংস্থার দলে আইন মন্ত্রণালয় এবং লিঙ্গসমতা ও পরিবার মন্ত্রণালয়ও রয়েছে।
সময়সূচি বোঝার ক্ষেত্রে এই পার্থক্যটি গুরুত্বপূর্ণ: প্রথমার্ধের ছয়টি এবং দ্বিতীয়ার্ধের ১৯টি সংস্থা মিলে ২৫টি প্রতিষ্ঠান। আইন সংশোধনের ওপর যাদের তারিখ নির্ভর করছে, সেই দুই মন্ত্রণালয় যোগ হলে প্রাথমিক পর্যায়ের পরিকল্পিত সংখ্যা দাঁড়ায় ২৭। তাদের অন্তর্ভুক্তির অর্থ এই নয় যে স্থানান্তরের তারিখ ইতিমধ্যে চূড়ান্ত হয়েছে।
বাকি ১৭টি প্রতিষ্ঠানের তদন্ত, নিরাপত্তা, তদারকি বা নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমের উপযোগী অবকাঠামো প্রয়োজন। এদের মধ্যে রয়েছে পররাষ্ট্র, একীকরণ ও জাতীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়, নিরীক্ষা ও পরিদর্শন বোর্ড, জাতীয় পুলিশ সংস্থা, গুরুতর অপরাধ তদন্ত সংস্থা এবং উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের দুর্নীতি তদন্ত দপ্তর। কোরীয় ইতিহাসের জাতীয় ইনস্টিটিউট এবং কোরিয়া জাতীয় কূটনীতি একাডেমিসহ অধিভুক্ত নয়টি প্রতিষ্ঠানও এই দলে রয়েছে।
তালিকায় প্রসিকিউশন সংস্থার নাম নিয়েও প্রতিবেদনে ভিন্নতা রয়েছে: মূল ঘোষণার বিস্তারিত তথ্যে Public Prosecution Office বলা হয়েছে, আর কিছু ইংরেজি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে Prosecution Service। স্থানান্তরের প্রস্তাবটি নিজে থেকে এই নামগুলোর পেছনে থাকা প্রাতিষ্ঠানিক পরিবর্তন নির্ধারণ করে না।
২০৩১ সালের পরও চলবে স্থানান্তরের সময়সূচি
সংস্থাগুলোর স্থানান্তর আরও দীর্ঘ একটি ধারাবাহিক প্রকল্পের অংশ। সেজংয়ে প্রেসিডেন্সির কার্যালয় ২০২৯ সালের মধ্যে সম্পন্ন করার লক্ষ্য রয়েছে, আর জাতীয় পরিষদের সেজং ভবন ২০৩৩ সালে শেষ হওয়ার কথা। কোনো ভবনের নির্মাণ সম্পন্ন হওয়াকে প্রেসিডেন্সি বা আইনসভা সম্পূর্ণভাবে স্থানান্তরের নিশ্চিত সিদ্ধান্তের সঙ্গে গুলিয়ে ফেলা উচিত নয়।
- ২০১২: প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সেজংয়ে স্থানান্তরিত হওয়া প্রথম কেন্দ্রীয় সরকারি সংস্থা হয়।
- ২০১২ থেকে ২০১৪: বিভিন্ন প্রতিবেদনের হিসাব অনুযায়ী, আগের বড় স্থানান্তর পর্বে ৪৩টি সংস্থার ১৪,৭৩১টি পদ স্থানান্তরিত হয়।
- ৩ সেপ্টেম্বর: সরকার দ্বিতীয় দফার স্থানান্তরের নির্দেশিকা ঘোষণা করে।
- ১৩ অক্টোবর: স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সংস্থাগুলোর বিস্তারিত তালিকা ও পর্যায়ভিত্তিক সময়সূচি ঘোষণা করে।
- ২০২৭: ভাড়া করা কার্যালয়ে স্থানান্তর শুরু হওয়ার কথা; প্রাথমিক নকশার জন্য প্রস্তাবিত তহবিলও এর সঙ্গে যুক্ত।
- ২০২৯: সেজংয়ে প্রেসিডেন্সির কার্যালয় সম্পন্ন করার লক্ষ্য।
- ২০৩১: নতুন কার্যালয় প্রয়োজন এমন সংস্থাগুলোর স্থানান্তর শেষ হওয়ার কথা।
- ২০৩৩: জাতীয় পরিষদের সেজং ভবন সম্পন্ন করার লক্ষ্য।
পরবর্তী ধাপগুলো প্রেসিডেন্ট ই জে-মিয়ংয়ের মেয়াদ শেষ হওয়ার সময় জুন ২০৩০-কে ছাড়িয়ে যাবে। ধারাবাহিকতা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে সরকারি কর্মকর্তারা মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে নির্মাণ শুরু করার ইচ্ছার কথা বলেন। নির্মাণকাজ শুরু হলে বাস্তব প্রতিশ্রুতির ভিত্তি তৈরি হবে, তবে পরবর্তী বাজেট ও বাস্তবায়ন-সংক্রান্ত সিদ্ধান্তের প্রয়োজন তাতে দূর হবে না।
নির্মাণ ব্যয়ই পুরো খরচ নয়
ঘোষিত ব্যয়ের সবচেয়ে বড় অংশ নতুন সরকারি কার্যালয়ের জন্য আনুমানিক ৩.১ ট্রিলিয়ন ওন। এতে নির্দিষ্ট অবকাঠামো প্রয়োজন এমন প্রতিষ্ঠানের ভবন এবং শুরুতে ভাড়া করা জায়গায় থাকা সংস্থাগুলোর ভবিষ্যৎ স্থায়ী কার্যালয়ের ব্যয় অন্তর্ভুক্ত। সরকার ২০২৭ সালের বাজেটে প্রাথমিক নকশার জন্য প্রায় ২৮.৬ বিলিয়ন ওন রাখার পরিকল্পনা করছে।
২০২৭ সালের ৮৯.৭ বিলিয়ন ওনের হিসাবে অস্থায়ী কার্যালয় ভাড়া, প্রস্তুত ও পরিচালনা এবং কর্মীদের স্থানান্তর-সহায়তার খরচ রয়েছে। স্থায়ী ভবন নির্মাণ শেষ হতে আরও তিন থেকে চার বছর লাগবে বলে কর্মকর্তারা ধারণা করছেন; এ সময় সংশ্লিষ্ট ভাড়ার খরচ চলবে।
দুটি প্রধান হিসাব যোগ করলে অতিরিক্ত বছরগুলোর অস্থায়ী কার্যালয় ব্যয় বাদেই মোট দাঁড়ায় ৩.১৮৯৭ ট্রিলিয়ন ওন। এই যোগফল চূড়ান্ত প্রকল্প বাজেট নয়। প্রাথমিক নকশার বরাদ্দ নির্মাণ ব্যয়ের হিসাবের মধ্যে কীভাবে অন্তর্ভুক্ত, তা স্পষ্ট না করে সেটিকে আলাদা ব্যয় হিসেবে আবার যোগ করা উচিত নয়।
প্রতিটি সংস্থার অবস্থান, স্থাপনার আয়তন, জমি অধিগ্রহণ এবং চূড়ান্ত নকশার ওপর ব্যয় বদলাতে পারে। অর্থায়নের বিষয়টি সরকারকে জাতীয় পরিষদের সঙ্গে আলোচনা করতে হবে। কয়েকটি স্থানান্তরের জন্য প্রয়োজনীয় আইনি পরিবর্তনও পরিষদ বিবেচনা করবে।
সিউল ও গোয়াচনের সরকারি কমপ্লেক্সের ভবিষ্যৎ ব্যবহার এখনো নির্ধারিত হয়নি। এগুলোর মধ্যম ও দীর্ঘমেয়াদি ব্যবহার নিয়ে একটি সমীক্ষা চলছে। একটি সম্ভাবনা হলো সিউল ও গিয়ংগি প্রদেশের অন্যত্র কাজ করা বিশেষ স্থানীয় প্রশাসনিক সংস্থা এবং অন্যান্য প্রতিষ্ঠানকে সেখানে রাখা। পুনর্ব্যবহার নিয়ে চূড়ান্ত কোনো পরিকল্পনা ঘোষণা করা হয়নি।
পাঁচটি মন্ত্রণালয়ের ক্ষেত্রে আইন সংশোধন প্রয়োজন
সেজং নির্মাণ-সংক্রান্ত বর্তমান আইন পাঁচটি মন্ত্রণালয়কে স্থানান্তর থেকে বাদ রেখেছে: পররাষ্ট্র, একীকরণ, জাতীয় প্রতিরক্ষা, আইন এবং লিঙ্গসমতা ও পরিবার মন্ত্রণালয়। এগুলো সরাতে Multifunctional Administrative City নির্মাণসংক্রান্ত বিশেষ আইন সংশোধন করতে হবে। কিছু প্রতিবেদনে এটিকে সেজং শহর নির্মাণসংক্রান্ত বিশেষ আইনও বলা হয়েছে।
২০০৪ সালে আগের প্রশাসনিক রাজধানী আইন বাতিল করে সাংবিধানিক আদালতের দেওয়া রায়ের পর এবং সেজং নির্মাণের পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণের সময় এই অব্যাহতি রাখা হয়েছিল। প্রেসিডেন্সির কাছাকাছি থাকা, কূটনৈতিক যোগাযোগ এবং নিরাপত্তার দায়িত্ব—এসব বিষয় কোন প্রতিষ্ঠান রাজধানী অঞ্চলে থাকবে, তা নির্ধারণে ভূমিকা রেখেছিল।
সেজং উন্নয়ন আইন সংশোধনের তিনটি প্রস্তাব জাতীয় পরিষদে বিচারাধীন। সরকার নিয়মিত সংসদ অধিবেশনেই পরিবর্তনগুলো পাস করাতে চায়, যদিও ভোটের কোনো নিশ্চিত তারিখ জানানো হয়নি। আইন ও লিঙ্গসমতা মন্ত্রণালয়ের সময়সূচি স্পষ্টভাবেই এই প্রক্রিয়ার ওপর নির্ভরশীল।
পরিকল্পনা সংশোধন ও আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণার আগে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সঙ্গে আলোচনা, গণশুনানি এবং অন্যান্য আইননির্ধারিত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করারও পরিকল্পনা করেছে। সেজংয়ের মেয়র চো সাং-হো আলাদাভাবে নিয়মিত অধিবেশনে প্রশাসনিক রাজধানীসংক্রান্ত বিশেষ আইন পাসের আহ্বান জানিয়েছেন। তাঁর দাবি সেজংয়ের মর্যাদা ও জাতীয় কার্যাবলির জন্য আরও বিস্তৃত আইনি ভিত্তি নিয়ে, শুধু পৃথক মন্ত্রণালয়ের স্থানান্তরের তারিখ চূড়ান্ত করা নিয়ে নয়।
কূটনীতি ও প্রতিরক্ষায় সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত প্রয়োজন
পররাষ্ট্র, একীকরণ ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়কে স্থানান্তরের তালিকায় রাখলে এমন কিছু বাস্তব বিষয় সামনে আসে, যা শুধু সংস্থার সংখ্যা দিয়ে মেটানো যায় না। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সিউলে কেন্দ্রীভূত কূটনৈতিক মিশনগুলোর সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে। মন্ত্রণালয় স্থানান্তরিত হলেও বিদেশি দূতাবাসগুলোকে সরতে হবে না; এ ধরনের কোনো সম্মিলিত সিদ্ধান্তও ঘোষণা করা হয়নি।
নিজেদের স্থানান্তরের ব্যবস্থা আরও স্পষ্ট হলে মন্ত্রণালয় বিদেশি মিশনগুলোর সঙ্গে যোগাযোগের পরিকল্পনা করছে। দূতাবাসগুলো সিউলে থাকলে কর্মকর্তাদের বৈঠকের জন্য দুই শহরের মধ্যে যাতায়াত করতে হতে পারে। স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত নেওয়া মিশনগুলোরও জমি ও কার্যালয় পেতে সময় লাগবে।
জয়েন্ট চিফস অব স্টাফ ঘোষিত স্থানান্তর পরিকল্পনায় নেই। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সেজংয়ে গেলেও এটি সিউলে থাকলে প্রতিরক্ষা নীতি ও সামরিক প্রশাসন কার্যকরী কমান্ড থেকে ভৌগোলিকভাবে বিচ্ছিন্ন হবে। সমন্বয় ও প্রস্তুতি নিয়ে উদ্বেগ জানানো হয়েছে, তবে ঘোষণায় এ দুটির কোনোটিরই অবনতি হবে বলে প্রমাণ করা হয়নি।
সশস্ত্র বাহিনীর কমান্ড ও যোগাযোগ কমান্ড, সাইবার অপারেশন কমান্ড এবং প্রতিরক্ষা কাউন্টারইন্টেলিজেন্স কমান্ড নিয়ে আরও সিদ্ধান্তের প্রয়োজন হতে পারে। এগুলো স্থানান্তর করা হবে কি না, বা নির্বাচিত কার্যাবলি সরানো হবে কি না, তা চূড়ান্ত হয়নি। উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে আলোচনার দায়িত্বে থাকা সংস্থাগুলোর অবস্থান নিয়েও একীকরণ মন্ত্রণালয়ের সামনে প্রশ্ন রয়েছে।
জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠক নিয়েও সময়সূচির বিষয় রয়েছে। পররাষ্ট্র, একীকরণ ও প্রতিরক্ষামন্ত্রীরা এবং তাঁদের জ্যেষ্ঠ কর্মীরা প্রেসিডেন্সির কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিরাপত্তাবিষয়ক আলোচনায় অংশ নেন। তাই তাঁদের স্থানান্তরের ব্যবস্থা সেজংয়ে প্রেসিডেন্সির কার্যালয় প্রকল্পের সঙ্গে সমন্বয় করে নেওয়া হবে বলে আশা করা হচ্ছে। প্রেসিডেন্সির সচিবালয়, জাতীয় নিরাপত্তা কার্যালয় এবং প্রেসিডেন্সির নিরাপত্তা পরিষেবা এই দফা থেকে বাদ; এগুলো আলাদাভাবে বিবেচনা করা হবে।
আর্থিক নীতি সংস্থা যাবে, তবে তদারকি আলাদা
২০২৭ সালের দ্বিতীয়ার্ধে আর্থিক সেবা কমিশনের সরকারি কমপ্লেক্স সিউল থেকে সেজংয়ে ভাড়া করা কার্যালয়ে যাওয়ার কথা। এর অধীন কোরিয়া ফাইন্যানশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটও অন্তর্ভুক্ত। দুই সংস্থার কর্মীসংখ্যা যথাক্রমে ৩৪০ ও ৮০ বলে জানানো হয়েছে; মিলিয়ে ৪২০ জন।
আর্থিক তদারকি পরিষেবা এই স্থানান্তর পর্বের অংশ নয়। সেটির সম্ভাব্য স্থানান্তর আলাদাভাবে পর্যালোচনা করা হচ্ছে। ফলে আর্থিক নীতিনির্ধারণী সংস্থাগুলোকে সরানো এবং অন্যান্য তদারকি ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান কোথায় কাজ করবে, তা নির্ধারণ—এই দুটির মধ্যে পার্থক্য থাকছে।
সিউলে অবস্থিত ব্যাংক, বিমা কোম্পানি, ব্রোকারেজ প্রতিষ্ঠান এবং আর্থিক শিল্প সমিতিগুলোর সঙ্গে যোগাযোগের বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে। এ বিতর্কে একটি উদাহরণ হিসেবে রোববার ৪ তারিখ বেলা ২টায় কমিশনের ডাকা জরুরি বৈঠকের কথা বলা হয়, যা আর্থিক খাতে সাইবার হামলার পর অনুষ্ঠিত হয়েছিল। আগের দিন বিকেলে নোটিশ পেলেও শিল্পখাতের জ্যেষ্ঠ প্রতিনিধিরা এতে অংশ নেন।
ঘটনাটি দ্রুত সমন্বয়ের গুরুত্ব দেখায়, তবে সেজং থেকে একই ধরনের সাড়া দেওয়া অসম্ভব—এটি প্রমাণ করে না। সরকারের বক্তব্য, আর্থিক নীতির জন্য অন্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে পরামর্শও প্রয়োজন; তাই এই কার্যক্রম সিউলেই থাকতে হবে না। বাজারে সাড়া দেওয়ার সক্ষমতা বজায় রাখতে আলাদা ব্যবস্থা নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে সরকার।
স্থানান্তরের ঘোষণায় কমিশনের দায়িত্ব অর্থ মন্ত্রণালয় ও আর্থিক তদারকি পরিষেবার মধ্যে ভাগ করে দেওয়ার আগের, পরে স্থগিত হওয়া প্রস্তাব আবার চালু হতে পারে—এমন জল্পনাও তৈরি হয়েছে। স্থানান্তরের ঘোষণার সঙ্গে কোনো একীভূতকরণের সিদ্ধান্ত নেই। নীতিনির্ধারণী ব্যাংকগুলোও সরতে পারে—এমন শ্রমিক ইউনিয়নের ধারণা এখনো প্রত্যাশা, নিশ্চিত স্থানান্তর নয়।
কার্যালয় ও পরিবারগুলোর সহায়তার প্রস্তুতি নিচ্ছে সেজং
সেজং প্রায় ২,৬০০ জনকে জায়গা দিতে সক্ষম সম্ভাব্য বেসরকারি কার্যালয় চিহ্নিত করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে তথ্য ভাগ করেছে। প্রাথমিক পর্যায়ের ২,৯৯৫টি পদের তুলনায় এটি ঘোষিত প্রয়োজনের প্রায় ৮৭ শতাংশ। এটি একটি কার্যকর সূচনা, তবে সম্ভাব্য জায়গা চিহ্নিত করা আর ভাড়ার চুক্তি সই বা ব্যবহারের জন্য প্রস্তুত কার্যালয় পাওয়া এক বিষয় নয়।
প্রশাসনিক বিষয়ক ভাইস মেয়রের অধীনে স্থানান্তর-সহায়তা টাস্কফোর্স সম্প্রসারণ এবং প্রশাসনিক রাজধানী সহায়তা বিভাগ গঠনের পরিকল্পনা করেছে শহর কর্তৃপক্ষ। এর দায়িত্বের মধ্যে থাকবে কার্যালয়ের ব্যবস্থা, কর্মীদের বসতি স্থাপন এবং কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বয়।
মেয়র চো সাং-হো এই স্থানান্তরকে রাজধানী অঞ্চল ও সেজংয়ের মধ্যে সরকারি কার্যাবলির বিভাজন মোকাবিলার সুযোগ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তিনি কর্মী ও তাঁদের পরিবারের জন্য সহায়তারও অঙ্গীকার করেছেন।
এই পরিবর্তন যেন বাস্তব ফল বয়ে আনে, সে জন্য আমরা সংস্থাগুলোর কার্যালয়ে ওঠা এবং কর্মী ও তাঁদের পরিবারের বসতি স্থাপনে সহায়তা করব।
প্রস্তাবিত ব্যবস্থার মধ্যে রয়েছে কোরিয়া ল্যান্ড অ্যান্ড হাউজিং করপোরেশন ও বেসরকারি ভাড়াবাড়ি সরবরাহকারীদের সঙ্গে সমন্বয়, বাস র্যাপিড ট্রানজিট ও স্থানীয় বাসের সংযোগ জোরদার, স্কুল ও চিকিৎসাসেবা-সংক্রান্ত তথ্য এবং বদলির মাধ্যমে কর্মীদের জীবনসঙ্গীদের সহায়তা। অনিয়মিত সম্পত্তি লেনদেন ও অবৈধ দালালি কার্যক্রমের ওপর নজরদারি বাড়ানোরও পরিকল্পনা রয়েছে শহরটির।
স্থানান্তর ব্যয় ও প্রাথমিক বসতি স্থাপনে সহায়তার পরিকল্পনা রয়েছে, তবে এর পরিমাণ ও অর্থ দেওয়ার সময়সীমা নির্ধারিত হয়নি। আবাসনের ব্যবস্থা বা সন্তানদের স্কুলের মেয়াদের কারণে তাৎক্ষণিকভাবে যেতে না পারা কর্মীদের জন্য সাময়িক পরিবহনের বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে। স্থানান্তরের সময় নাগরিক অভিযোগ, লাইসেন্স প্রদান এবং অন্যান্য সরকারি পরিষেবা যেন বন্ধ না হয়, সে জন্য সংস্থাগুলোকেও ধারাবাহিকতা বজায় রাখার ব্যবস্থা করতে হবে।
ভাড়ার চাপ ও খালি দোকান ভিন্ন চিত্র দেখায়
সেজংয়ের আবাসন তথ্য বাড়ি কেনা ও ভাড়ার ক্ষেত্রে ভিন্ন চিত্র দেখায়। কোরিয়া রিয়েল এস্টেট বোর্ডের নামে প্রচারিত পরিসংখ্যানে দেখা যায়, প্রতিবেদনের বছর শুরু থেকে অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত অ্যাপার্টমেন্টের বিক্রয়মূল্য ০.৯৩ শতাংশ কমেছে। একই সময়ে দেশজুড়ে দাম বেড়েছে ২.৮৯ শতাংশ। সেজংয়ে একই সময়ে জন্সে ভাড়া বেড়েছে ৪.৪৬ শতাংশ। জন্সে হলো কোরিয়ার এমন একটি ভাড়ার ব্যবস্থা, যেখানে প্রচলিত মাসিক ভাড়ার বদলে বড় অঙ্কের ফেরতযোগ্য জামানত দেওয়া হয়।
স্থানীয় ভাড়ার কিছু উদাহরণে মাসিক ভাড়ার চাপও দেখা যায়। প্রায় ২৫ পিয়ং আয়তনের অ্যাপার্টমেন্টের ভাড়া ৬০০,০০০ ওন থেকে বেড়ে ৭৫০,০০০ ওন হয়েছে, অর্থাৎ ২৫ শতাংশ বেড়েছে। প্রায় ৩৪ পিয়ং আয়তনের অ্যাপার্টমেন্টের ভাড়া ৯০০,০০০ ওন থেকে বেড়ে ১.২ মিলিয়ন ওন হয়েছে, প্রায় ৩৩ শতাংশ। এগুলো আবাসন দালালদের দেওয়া উদাহরণ, পুরো শহরের গড় নয়। এক পিয়ং প্রায় ৩.৩ বর্গমিটারের সমান।
বাণিজ্যিক সম্পত্তির চিত্র ভিন্ন। দ্বিতীয় প্রান্তিকে সেজংয়ে খুচরা দোকানের খালি থাকার হার ছিল ২২.৮ শতাংশ; জাতীয় গড় ১৩.৪ শতাংশের চেয়ে ৯.৪ শতাংশীয় পয়েন্ট বেশি। বেশি কর্মী বাসা ভাড়া নিলেই সপ্তাহান্তে কেনাকাটা বা পরিবারের ব্যয় একই হারে বাড়বে, এমন নয়।
যাতায়াতের ধরন এই পার্থক্য বুঝতে সাহায্য করে। ওসোং ও দেজন স্টেশন থেকে সিউল ও ইয়ংসান স্টেশনের মধ্যে কোরেইলের যাত্রীযাত্রার সংখ্যা ২০২১ সালের ৫.৮৩২ মিলিয়ন থেকে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা আগের বছরে ১০.৮৪২ মিলিয়নে বেড়েছে, যা ৮৫.৯ শতাংশ বৃদ্ধি। এই পরিসংখ্যানে নির্দিষ্ট রুটগুলোর সব যাত্রী অন্তর্ভুক্ত; শুধু সরকারি কর্মচারীরা নন।
স্থানান্তরিত সংস্থার কর্মীদের জন্য বিশেষ আবাসন বরাদ্দ কর্মসূচি ২০২১ সালে বাতিল করা হয়; এটি পুনর্বহালের সিদ্ধান্ত হয়নি। কোরিয়া ল্যান্ড অ্যান্ড হাউজিং করপোরেশনের কেলেঙ্কারির পর সিউল-সেজং যাত্রীবাহী বাসও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। কর্মীরা শুধু কর্মদিবসে থাকার ব্যবস্থা না রেখে পরিবারসহ স্থায়ীভাবে বসতি গড়বেন কি না, তা আবাসনের চাহিদা ও স্থানীয় ব্যবসার জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
জনসংখ্যার ওপর প্রভাবের প্রমাণ দেখাতে পারেনি সরকার
অতিরিক্ত ৯,৯২৯টি পদ আগের স্থানান্তরে নথিভুক্ত ১৪,৭৩১টি পদের প্রায় ৬৭.৪ শতাংশ। দুই সংখ্যা যোগ করলে ২৪,৬৬০ হয়, তবে এটি বর্তমান কর্মীসংখ্যা নয়: সংখ্যাগুলো ভিন্ন সময়ের জনবলকে নির্দেশ করে।
ইতিমধ্যে স্থানান্তরিত প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা নিয়েও প্রতিবেদনে ভিন্নতা রয়েছে। কয়েকটি প্রতিবেদনে সংখ্যা ৪৩ বলা হয়েছে; সে হিসাবে নতুন দফা শেষে মোট হবে ৮৭। অন্য একটি প্রতিবেদনে প্রশাসনিক শহর নির্মাণের জাতীয় সংস্থার বরাতে সম্পন্ন স্থানান্তরের মোট সংখ্যা ৪৪ বলা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানগুলোর তালিকা মিলিয়ে না নেওয়া পর্যন্ত এই মোট সংখ্যাগুলোকে একই অর্থে ব্যবহার করা উচিত নয়।
সরকারের প্রধান যুক্তি হলো মহানগর এলাকায় কেন্দ্রীভবন কমানোর পাশাপাশি নীতির সমন্বয় উন্নত করা। তবে প্রথম স্থানান্তরে সিউল অঞ্চলে কেন্দ্রীভবন উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে, এমন স্পষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি বলে সরকার স্বীকার করেছে। জাতীয় জনসংখ্যায় রাজধানী অঞ্চলের অংশ ২০১২ সালের ৪৯.৪ শতাংশ থেকে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা আগের বছরে ৫১ শতাংশে উঠেছে, অর্থাৎ ১.৬ শতাংশীয় পয়েন্ট বেড়েছে।
এই বৃদ্ধি থেকে সেজং না থাকলে কী ঘটত তা বোঝা যায় না। তবে জনসংখ্যার পরিসংখ্যানকে সফল বিকেন্দ্রীকরণের সরল প্রমাণ হিসেবে তুলে ধরার সুযোগও এটি দেয় না। অর্থনৈতিক প্রভাব নিয়ে প্রশ্ন করা হলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সরকারি ভবন ব্যবস্থাপনা দপ্তরের প্রধান কিম হা-গিউন এই তথ্যের ঘাটতি স্বীকার করেন।
এ বিষয়ে আমরা স্পষ্ট তথ্য খুঁজে পাইনি।
কিম বলেন, সরকার বিদ্যমান বিশ্লেষণ পর্যালোচনা করে পরে আলাদা ব্যাখ্যা দেবে। কর্মকর্তারা আরও বলেন, সেজংয়ের নির্মাণকাজ প্রায় ৬০ শতাংশ সম্পন্ন হয়েছে। তাঁদের যুক্তি, স্থানান্তরের মূল্যায়ন আঞ্চলিক সরকারি প্রতিষ্ঠান স্থানান্তর এবং পাঁচটি বিস্তৃত আঞ্চলিক অঞ্চল ও তিনটি বিশেষ স্বায়ত্তশাসিত প্রদেশকে ঘিরে সরকারের কৌশলের সঙ্গে মিলিয়ে করা উচিত।
সরকারি প্রতিষ্ঠান স্থানান্তরের আলাদা ঘোষণা চতুর্থ প্রান্তিকে দেওয়া হবে বলে প্রস্তুতি চলছে। এটিকে এই প্রশাসনিক সংস্থা-সংক্রান্ত পরিকল্পনার সঙ্গে গুলিয়ে ফেলা উচিত নয়। জাতীয় গোয়াচন বিজ্ঞান জাদুঘর, কেন্দ্রীয় রেডিও ব্যবস্থাপনা পরিষেবা, জাতীয় গুগাক কেন্দ্র এবং কোরিয়া জাতীয় গ্রন্থাগারকে বাদ রাখা হয়েছে, কারণ এগুলো সরাসরি বাসিন্দাদের সেবা দেয়। সুপ্রিম কোর্ট ও সাংবিধানিক আদালত স্থানান্তরের সম্ভাবনা নিয়ে কোনো বাস্তব আলোচনা হয়নি; এ জন্য আলাদা করে সংসদীয় আলোচনা প্রয়োজন হবে।
মূল বিষয়গুলো
- পরিকল্পনায় রয়েছে ৪৪টি সংস্থা ও ৯,৯২৯টি সরকারি কর্মচারীর পদ; ২০২৭ থেকে ২০৩১ সালের মধ্যে স্থানান্তরের কথা।
- প্রথমে ২৭টি সংস্থা ভাড়া করা কার্যালয় ব্যবহার করবে; ১৭টির নতুন ভবন ও বিশেষায়িত অবকাঠামো প্রয়োজন।
- নির্মাণ ব্যয় আনুমানিক ৩.১ ট্রিলিয়ন ওন; ২০২৭ সালে অস্থায়ী কার্যালয় ও স্থানান্তর-সহায়তায় আরও ৮৯.৭ বিলিয়ন ওন প্রয়োজন হবে।
- পাঁচটি মন্ত্রণালয়কে বর্তমানে স্থানান্তর থেকে অব্যাহতি দেওয়া আইন সংশোধন করতে হবে।
- জয়েন্ট চিফস অব স্টাফ এবং আর্থিক তদারকি পরিষেবা এই দফায় অন্তর্ভুক্ত নয়।
- কর্মীদের সহায়তার পরিমাণ, কয়েকটি কার্যালয়ের ব্যবস্থা এবং সিউল ও গোয়াচনের কমপ্লেক্সের পুনর্ব্যবহার এখনো নির্ধারিত হয়নি।
- আগের স্থানান্তরের অর্থনৈতিক ও জনসংখ্যাগত প্রভাবের স্পষ্ট প্রমাণের অভাব স্বীকার করে সরকার আরও বিশ্লেষণের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।
- সেজংয়ে প্রেসিডেন্সির কার্যালয় ও জাতীয় পরিষদ ভবন যথাক্রমে ২০২৯ ও ২০৩৩ সালে সম্পন্ন করার লক্ষ্য রয়েছে।






