হাসপাতালে ভর্তির খবর সরাসরি অস্বীকার
সংসদ সদস্য ডি. ভি. চানাকার ভাষ্য অনুযায়ী, চিকিৎসার জন্য শ্রীলঙ্কার সাবেক প্রেসিডেন্ট মহিন্দা রাজাপক্ষকে কলম্বোর একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ২০২৬ সালের ১২ অক্টোবরের কয়েকটি প্রতিবেদনে হাসপাতালটির নাম নাওয়ালোকা উল্লেখ করা হয়েছে এবং হঠাৎ হৃদ্যন্ত্রের সমস্যার কথা বলা হয়েছে। তাঁর মুখপাত্র, আইনজীবী মনোজ গামাগে এসব খবর সরাসরি নাকচ করে বলেছেন, রাজাপক্ষ বাড়িতে আছেন এবং সুস্থ আছেন।
সূচিপত্র
মতবিরোধটি এ খবরের মূল বিষয়কে ঘিরে: রাজাপক্ষ আদৌ হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন কি না। পরিবারের সদস্য ও তাঁর ঘনিষ্ঠজনদের নামে প্রচারিত বিবরণে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের জরুরি চিকিৎসার কথা বলা হয়েছে; কয়েকটি বিবরণে তাঁকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে থাকার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। গামাগে বলেছেন, তাঁকে হাসপাতালে ভর্তির খবর সম্পূর্ণ মিথ্যা।
চানাকার বক্তব্যে চিকিৎসাজনিত জরুরি অবস্থার বিস্তারিত বিবরণের চেয়ে কম তথ্য রয়েছে। তিনি বলেছেন, চিকিৎসার জন্য রাজাপক্ষকে কলম্বোর একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে; তবে হাসপাতালের নাম, রোগনির্ণয় বা কী ধরনের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছিল, তা উল্লেখ করেননি। অতিরিক্ত এসব তথ্য সাবেক প্রেসিডেন্টের ঘনিষ্ঠ পরিচয় প্রকাশে অনিচ্ছুক ব্যক্তিদের নামে প্রচারিত বিবরণ থেকে এসেছে।
এ পরস্পরবিরোধী দাবির সঙ্গে হাসপাতালের কোনো বিবৃতি বা চিকিৎসকের মূল্যায়ন নেই। ফলে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার খবর, অসুস্থতার ধরন এবং রাজাপক্ষের বর্তমান অবস্থা—কোনোটিই নিশ্চিত নয়। তাই কোনো একটিকে প্রতিষ্ঠিত চিকিৎসা-তথ্য হিসেবে না ধরে, ভর্তির খবরের পাশাপাশি অস্বীকারের বক্তব্যটিও বিবেচনায় নেওয়া উচিত।
চিকিৎসা নিয়ে বিবরণে যা বলা হয়েছে
হাসপাতালে ভর্তির খবর দেওয়া প্রতিবেদনগুলোতে ধারাবাহিকভাবে কলম্বোর নাওয়ালোকা প্রাইভেট হাসপাতালের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। সেগুলোতে বলা হয়েছে, ১২ অক্টোবর সকালে রাজাপক্ষের হঠাৎ স্বাস্থ্যগত সমস্যা দেখা দিলে তাঁকে জরুরি চিকিৎসার জন্য সেখানে নেওয়া হয়। পরিবারের সূত্রের বরাতে কিছু বিবরণে বলা হয়েছে, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের একটি দল তাঁকে পরীক্ষা ও চিকিৎসা দিচ্ছিল।
কয়েকটি প্রতিবেদন আরও বলেছে, নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র বা আইসিইউতে বিশেষজ্ঞরা তাঁর চিকিৎসা করছিলেন। যেসব রোগীর ব্যাপক চিকিৎসা-সহায়তা প্রয়োজন, তাঁদের নিবিড় পর্যবেক্ষণ ও বিশেষায়িত সেবা দেওয়া হয় আইসিইউতে। তবে আইসিইউতে চিকিৎসা দেওয়ার খবর থেকে একা রোগনির্ণয় নিশ্চিত হয় না, কিংবা রোগীর অবস্থার উন্নতি বা অবনতিও বোঝা যায় না।
অসুস্থতার বিবরণে কতটা সুনির্দিষ্ট করে বলা হয়েছে, তা প্রতিবেদনভেদে ভিন্ন। কোনো কোনো প্রতিবেদনে হঠাৎ হৃদ্যন্ত্রের সমস্যার কথা বলা হয়েছে, আর একটি তামিল প্রতিবেদনে হার্ট অ্যাটাকের কথা বলা হয়েছে। আরেকটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগের দিনগুলোতে চিকিৎসা পরীক্ষার পর আগে থেকে থাকা হৃদ্রোগের অবনতি হয়েছিল। চিকিৎসাবিজ্ঞানের দৃষ্টিতে এসব বর্ণনাকে একই অর্থে ব্যবহার করা উচিত নয়।
হৃদ্যন্ত্রের সমস্যা বলতে হৃদ্যন্ত্র-সংশ্লিষ্ট নানা ধরনের সমস্যাকে বোঝানো হতে পারে। হার্ট অ্যাটাক হলো একটি নির্দিষ্ট চিকিৎসাগত ঘটনা, যাতে হৃদ্যন্ত্রের পেশিতে রক্তপ্রবাহ বাধাগ্রস্ত হয়। চিকিৎসকের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য না থাকলে, অন্য বিবরণে হৃদ্যন্ত্রের সমস্যার কথা এসেছে বলেই আরও সুনির্দিষ্ট দাবিটি নিশ্চিত করা যায় না।
গামাগের বক্তব্য, রাজাপক্ষ বাড়িতে
রাজাপক্ষের মুখপাত্র এবং অন্য এক বিবরণে সাবেক প্রেসিডেন্সিয়াল মুখপাত্র হিসেবে পরিচিত আইনজীবী মনোজ গামাগে তাঁকে হাসপাতালে ভর্তির দাবি সরাসরি নাকচ করেছেন। তাঁর বক্তব্য এমন নয় যে রাজাপক্ষ চিকিৎসা নিয়ে পরে বাড়ি ফিরেছেন। তিনি বলেছেন, খবরগুলো মিথ্যা এবং সাবেক প্রেসিডেন্ট সুস্থ শরীর ও মন নিয়ে নিজ বাসভবনে আছেন।
গামাগে এ বিরোধে রাজনৈতিক মাত্রাও যুক্ত করেছেন। তাঁর অভিযোগ, বর্তমান সরকারের কর্মকাণ্ডে রাজাপক্ষ দুর্বল হয়ে পড়েছেন—এমন ধারণা তৈরি করতে বিরোধীরা মিথ্যা ও বিদ্বেষমূলক দাবি ছড়াচ্ছে। হাসপাতালের খবর কীভাবে ছড়াল, সে বিষয়ে এগুলো গামাগের বক্তব্য; স্বাধীনভাবে প্রতিষ্ঠিত ব্যাখ্যা নয়।
তাঁর অস্বীকারের বক্তব্যের সঙ্গে চানাকার বিবৃতি এবং পরিবারের সদস্য ও ঘনিষ্ঠজনদের নামে প্রচারিত বিবরণের সরাসরি বিরোধ রয়েছে। প্রতিবেদনগুলোতে এমন কোনো ধারাবাহিকতা প্রতিষ্ঠিত হয়নি, যা দুই বক্তব্যের মধ্যে সমন্বয় ঘটায়; যেমন, ভর্তি হওয়ার পর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে—এমন কোনো তথ্য নেই। তাই রাজাপক্ষ সুস্থ হয়ে উঠেছেন বা হাসপাতাল ছেড়েছেন, এমন বর্ণনা দেওয়া সঠিক হবে না।
খবরের হালনাগাদ অনুসরণকারী পাঠকদের জন্য এ পার্থক্যটি গুরুত্বপূর্ণ। কেউ বর্তমানে বাড়িতে আছেন—এ বক্তব্য অন্য পরিস্থিতিতে আগে হাসপাতালে যাওয়ার ঘটনার সঙ্গে সাংঘর্ষিক নাও হতে পারে। কিন্তু এখানে গামাগে হাসপাতালে ভর্তির দাবিই স্পষ্টভাবে অস্বীকার করেছেন। ফলে চিকিৎসাজনিত ঘটনা এবং রাজাপক্ষের অবস্থান—দুটিই বিতর্কিত রয়ে গেছে।
তারিখ ও স্থান পুরোপুরি মেলে না
বিস্তারিত ইংরেজি প্রতিবেদনগুলোতে কথিত জরুরি ঘটনাটি ২০২৬ সালের ১২ অক্টোবর ঘটেছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। একটি তামিল প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ঘটনাটি ১২ তারিখ সোমবার সকালে ঘটে। ২০২৬ সালের ১২ অক্টোবর সোমবার হওয়ায়, কথিত ঘটনার দিন নিয়ে উল্লেখগুলো পরস্পরের সঙ্গে মেলে।
অসুস্থতা কোথায় শুরু হয়েছিল, সে বিষয়ে তথ্যের মিল কম। কয়েকটি বিবরণে রাজাপক্ষের কিরুলাপোনের বাসভবনের কথা বলা হয়েছে। অন্য একটি বিবরণে তাঁকে কালুবোউইলার একটি বাসভবনে থাকার কথা বলা হয়েছে। উভয় বিবরণেই বাড়িতে হঠাৎ স্বাস্থ্যগত সমস্যার পর তাঁকে হাসপাতালে নেওয়ার কথা রয়েছে, তবে স্থান দুটি আলাদা। এ অসংগতি মেটানোর কোনো ব্যাখ্যা নেই।
তাঁর স্ত্রীর বিষয়ে আদালতের পৃথক একটি ঘটনাসহ প্রতিবেদনগুলোতে যে ধারাবাহিকতার কথা বলা হয়েছে, তা এভাবে তুলে ধরা যায়:
- ১২ অক্টোবরের আগের দিনগুলোতে রাজাপক্ষের বেশ কয়েকটি চিকিৎসা পরীক্ষা হয়েছে বলে জানা গেছে। পরীক্ষাগুলো কী ছিল বা সেগুলোর ফল কী, তা জানানো হয়নি।
- ২০২৬ সালের ১২ অক্টোবর সকালে তাঁর হঠাৎ হৃদ্যন্ত্রের সমস্যা দেখা দেয় এবং তাঁকে নাওয়ালোকা হাসপাতালে নেওয়া হয় বলে কয়েকটি বিবরণে বলা হয়েছে।
- অন্য বিবরণে চানাকার বরাতে একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তির বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে; গামাগে অবশ্য রাজাপক্ষ হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন বলে অস্বীকার করেছেন।
- শিরান্তি রাজাপক্ষ ও সংসদ সদস্য নামাল রাজাপক্ষের সঙ্গে দেখা করতে রাজাপক্ষের কারাগারে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল বলে জানা গেছে।
- অন্য একটি বিবরণে বলা হয়েছে, শিরান্তি রাজাপক্ষের ১৩ তারিখ আদালতে হাজির হওয়ার কথা ছিল; ওই অংশে মাস বা বছর উল্লেখ করা হয়নি।
এই কালানুক্রমিক বিবরণে জানানো ঘটনাগুলোকে নিশ্চিত চিকিৎসাগত তথ্য থেকে আলাদা রাখা হয়েছে। এতে গামাগের অস্বীকারের বক্তব্য কথিত ভর্তির আগে না পরে এসেছে, তা প্রতিষ্ঠিত হয় না; বিরোধ মিটেছে, সেটিও বোঝায় না।
চিকিৎসা পরীক্ষা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য অজানা
কয়েকটি বিবরণে বলা হয়েছে, আগের দিনগুলোতে রাজাপক্ষের চিকিৎসা পরীক্ষা হয়েছিল। একটি বিবরণে সেই পরীক্ষার সঙ্গে হৃদ্রোগের অবনতির যোগসূত্র টানা হয়েছে। তবে কোন পরীক্ষা করা হয়েছিল, ফল কী ছিল বা কোন চিকিৎসক তাঁকে মূল্যায়ন করেছেন—কোনোটিই উল্লেখ করা হয়নি।
এ কারণে যুক্তিসংগতভাবে কী সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যায়, তার সীমা রয়েছে। আগের পরীক্ষার উল্লেখ থেকে বোঝা যায় না সেগুলো নিয়মিত পরীক্ষা ছিল, উপসর্গের কারণ অনুসন্ধানের জন্য করা হয়েছিল, নাকি আগে শনাক্ত কোনো অসুস্থতার পর্যবেক্ষণ চলছিল। ওই পরীক্ষাগুলোর সঙ্গে কথিত জরুরি ঘটনার কার্যকারণ সম্পর্কও প্রতিষ্ঠিত হয় না।
হাসপাতালে চিকিৎসার কথা বলা বিবরণগুলোতে বলা হয়েছে, তাঁর অবস্থা সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে আর কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। সেখানে চিকিৎসার পরিকল্পনা, কোনো প্রক্রিয়া বা হাসপাতাল থেকে ছাড়ার তারিখের উল্লেখ নেই। তাই তিনি স্থিতিশীল, সংকটাপন্ন বা সেরে উঠছেন—এমন কোনো বক্তব্য দেওয়ার ভিত্তি নেই।
গামাগের সুস্থ থাকার দাবি একজন মুখপাত্রের বক্তব্য, চিকিৎসাগত মূল্যায়ন নয়। একইভাবে, আইসিইউতে চিকিৎসা ও হৃদ্যন্ত্রের জরুরি অবস্থার বিবরণও চিকিৎসক দলের প্রকাশিত তথ্য নয়, বরং সূত্রের বরাতে প্রচারিত দাবি। বিরোধটি সঠিকভাবে তুলে ধরতে এ পার্থক্যগুলো স্পষ্ট রাখা জরুরি।
কারাগারে যাওয়ার খবর ও আদালতের কার্যক্রম
স্বাস্থ্যগত খবরের পাশাপাশি দুটি বিবরণে বলা হয়েছে, রাজাপক্ষ তাঁর স্ত্রী শিরান্তি রাজাপক্ষ ও সংসদ সদস্য নামাল রাজাপক্ষের সঙ্গে দেখা করতে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন। তাঁদের রিমান্ডে আটক বলে উল্লেখ করা হয়েছে। একটি প্রতিবেদনে যাওয়ার পরিকল্পিত স্থান হিসেবে ওয়েলিকাডা কারাগারের নাম বলা হয়েছে।
রিমান্ডে আটক থাকার অর্থ হলো, আইনি কার্যক্রম চলাকালে আটক রাখা। এটি নিজে কোনো দণ্ডাদেশ নয়। কারাগারে যাওয়ার পরিকল্পনার কথা বলা বিবরণগুলোতে সংশ্লিষ্ট অভিযোগ, আটকের কারণ বা তাঁদের মামলার পূর্ণ প্রক্রিয়াগত ইতিহাস তুলে ধরা হয়নি।
অন্য একটি বিবরণে বলা হয়েছে, মালিগাকান্দা ম্যাজিস্ট্রেট আদালত শিরান্তি রাজাপক্ষের জামিনের আবেদন খারিজ করেছেন এবং ১৩ তারিখ তাঁকে আদালতে হাজির করার কথা ছিল। কোনো আদালতের আদেশের উল্লেখ নেই, আর ওই অংশে হাজিরার পূর্ণ তারিখও দেওয়া হয়নি। তাই এ সীমাবদ্ধতাগুলো স্পষ্ট রেখেই আদালতের ঘটনাটি বর্ণনা করা উচিত।
কারাগারে যাওয়ার পরিকল্পনা রাজাপক্ষের কথিত সময়সূচি সম্পর্কে প্রেক্ষাপট দেয়, কিন্তু তাতে চিকিৎসাজনিত জরুরি অবস্থা ঘটেছিল বলে প্রমাণ হয় না। পারিবারিক আইনি কার্যক্রমের সঙ্গে স্বাস্থ্যগত সমস্যার যোগসূত্রও এখানে নেই। আইনি ঘটনাগুলো ও হাসপাতালে ভর্তির বিতর্কিত দাবি আলাদা বিষয়।
পরস্পরবিরোধী বক্তব্যের মীমাংসায় যা প্রয়োজন
তাৎক্ষণিক অনিশ্চয়তার বিষয় হলো, ১২ অক্টোবর চিকিৎসার জন্য রাজাপক্ষ নাওয়ালোকা হাসপাতালে গিয়েছিলেন কি না। হাসপাতালের বিবৃতি, অনুমোদিত চিকিৎসা-হালনাগাদ, অথবা চানাকার বক্তব্য ও গামাগের অস্বীকার—দুটিরই জবাব দেয় এমন কোনো ব্যাখ্যা এ বিষয়ে পরিষ্কার ধারণা দিতে পারে।
ভর্তির বিষয়টি নিশ্চিত হলে পরের অমীমাংসিত প্রশ্নগুলো হবে চিকিৎসার কারণ, নিবিড় পরিচর্যার প্রয়োজন হয়েছিল কি না এবং তাঁর বর্তমান অবস্থা কী। আর অস্বীকারের বক্তব্যের পক্ষে প্রমাণ মিললে হৃদ্যন্ত্রের জরুরি অবস্থা ও আইসিইউতে চিকিৎসার বিস্তারিত বিবরণ সংশোধন করতে হবে। প্রতিবেদনগুলোতে কোনো নির্ধারিত চিকিৎসা-সংক্রান্ত সংবাদ সম্মেলন বা পরবর্তী স্বাস্থ্য-হালনাগাদের কথা উল্লেখ নেই।
এ মুহূর্তে সবচেয়ে নির্ভুল বর্ণনা হলো, একজন নামোল্লেখকারী সংসদ সদস্য ও কয়েকজন পরিচয় গোপন রাখা ঘনিষ্ঠজন রাজাপক্ষের হাসপাতালে ভর্তির কথা জানিয়েছেন, কিন্তু তাঁর মুখপাত্র তা সরাসরি অস্বীকার করেছেন। রোগনির্ণয় বা সুস্থ হয়ে ওঠার সময়সীমা—কোনোটিই নিশ্চিত তথ্য হিসেবে বলা যায় না।
মূল বিষয়গুলো
- সংসদ সদস্য ডি. ভি. চানাকা বলেছেন, চিকিৎসার জন্য মহিন্দা রাজাপক্ষকে কলম্বোর একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
- ২০২৬ সালের ১২ অক্টোবরের প্রতিবেদনগুলোতে নাওয়ালোকা হাসপাতালের নাম বলা হয়েছে এবং হঠাৎ হৃদ্যন্ত্রের সমস্যা ও আইসিইউতে চিকিৎসার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
- মুখপাত্র মনোজ গামাগে হাসপাতালে ভর্তির খবর অস্বীকার করেছেন এবং বলেছেন, রাজাপক্ষ সুস্থ অবস্থায় বাড়িতে আছেন।
- কথিত জরুরি অবস্থা কিরুলাপোনে, নাকি কালুবোউইলায় একটি বাসভবনে শুরু হয়েছিল, তা নিয়ে বিবরণে মতভেদ রয়েছে।
- পরস্পরবিরোধী দাবিগুলোর সঙ্গে হাসপাতালের কোনো বিবৃতি, নিশ্চিত রোগনির্ণয় বা চিকিৎসার সময়সূচি নেই।
- পৃথক প্রতিবেদনগুলোতে কারাগারে যাওয়ার পরিকল্পনা এবং শিরান্তি রাজাপক্ষের জামিন আবেদন খারিজ হওয়ার কথা বলা হয়েছে।






