হোয়াইটস হিল রিজার্ভে অজগরের কবল থেকে কোয়ালা শাবককে উদ্ধার করলেন ব্রিসবেনের নারী

পড়তে 7 মিনিট
Brisbane Woman Frees Koala Joey From Python at Whites Hill Reserve

বুশওয়াকে গিয়ে উদ্ধারকাজ

ক্যাম্প হিলের হোয়াইটস হিল রিজার্ভে ফুটপাথ থেকে প্রায় ১৫ মিটার দূরে গোলমালের শব্দ শুনে অজগরের কবল থেকে একটি কোয়ালা শাবককে উদ্ধার করেন ব্রিসবেনের এক নারী। অজগরটি তার শাবককে পেঁচিয়ে ধরলে মা কোয়ালাটি নখ দিয়ে সাপটিকে আঁচড়াচ্ছিল।

সূচিপত্র
  1. বুশওয়াকে গিয়ে উদ্ধারকাজ
  2. মা কোয়ালা শাবককে ছাড়ানোর চেষ্টা করছিল
  3. সাপের প্যাঁচ খোলা ও শাবককে পরীক্ষা
  4. মায়ের সঙ্গে মিলন, তারপর আবার ফিরে দেখা
  5. নেল অজগরটির পক্ষেও কথা বললেন কেন
  6. স্থানীয় ঘটনা থেকে কোয়ালার বৃহত্তর সংকটের প্রসঙ্গ
  7. ভাইরাল ভিডিও ঘিরে প্রশংসা ও মতভেদ
  8. বন্যপ্রাণী ধরার ঝুঁকি আছে
  9. মূল বিষয়গুলো

কুকুরকে হাঁটাতে নিয়ে যাওয়া নেল বলেন, তিনি অজগরটির প্যাঁচ খুলে শাবকটি ছাড়ান, সেটি শ্বাস নিচ্ছে কি না এবং হাত-পা নাড়াচ্ছে কি না পরীক্ষা করেন, তারপর মা কোয়ালাটি যে গাছের কাছে অপেক্ষা করছিল সেখানে শাবকটিকে নিয়ে যান। এক-দুই ঘণ্টা পর ফিরে এসে তিনি দেখেন, মা ও শাবকটি একে অপরকে জড়িয়ে আছে।

নেলের ধারণা, অজগরটির দৈর্ঘ্য ছিল প্রায় ১.৫ মিটার। সাপটি অক্ষত ছিল। অজগরের আঘাত থেকে রক্ষা পেলেও উদ্ধারের সময় ভয়ে ছটফট করা শাবকটির আঁচড় ও কামড়ে নেল আহত হন।

ঘটনার ভিডিওটি ৩ নভেম্বর, মঙ্গলবার ধারণ করা হয়েছিল বলে উল্লেখ করা হয়েছে, তবে কোন বছরের তা জানানো হয়নি। ভিডিওটি পরে লাখ লাখ বার দেখা হয় এবং হাজার হাজার মন্তব্য আসে। শহরতলির একটি সংরক্ষিত এলাকায় ঘটে যাওয়া অল্প সময়ের ঘটনাটি বন্যপ্রাণী সুরক্ষা ও মানুষের হস্তক্ষেপ নিয়ে বৃহত্তর আলোচনার জন্ম দেয়।

নেল বলেন, মানুষকে স্বেচ্ছাসেবায় উৎসাহিত করতে এবং কোয়ালাদের সুরক্ষায় সরকারগুলোর ওপর চাপ দিতে তিনি ভিডিওটি শেয়ার করেছেন। তবে তাঁর হস্তক্ষেপের ঘটনায় নিরাপত্তা-সংক্রান্ত সতর্কতাও রয়েছে: বিশেষজ্ঞের নির্দেশনা ছাড়া স্থানীয় বন্যপ্রাণী ধরতে নিষেধ করে কুইন্সল্যান্ড সরকার।

মা কোয়ালা শাবককে ছাড়ানোর চেষ্টা করছিল

পাখির ডাক প্রথমে হাঁটার পথ থেকে নেলের মনোযোগ সরিয়ে দেয়। কাছে গিয়ে তিনি দেখেন, শাবকটি অজগরের প্যাঁচে আটকা পড়েছে এবং মা কোয়ালাটি সাপটিকে টেনে সরানোর চেষ্টা করছে।

স্থানীয় বন্যপ্রাণীর সঙ্গে বহু বছর কাজ করার অভিজ্ঞতা আছে বলে জানিয়েছেন নেল। মা ও শাবকটিকে দেখার মুহূর্তটির কথা তিনি এভাবে স্মরণ করেন:

আমি অনেক পাখির ডাক শুনে দৌড়ে এগিয়ে যাই। তখন দেখি, শাবকটি আতঙ্কিত চোখে সরাসরি আমার দিকে তাকিয়ে আছে, আর মা কোয়ালাটি তার বাচ্চার ওপর থেকে অজগরটিকে সরানোর চেষ্টা করতে করতে আঁচড়াচ্ছে।

নেলের ভাষ্য অনুযায়ী, উদ্ধারের পুরো সময় মা কোয়ালাটি কাছেই ছিল। তাঁর বর্ণনা থেকে বোঝা যায়, তিনি পৌঁছানোর আগেই ঘটনাটি শুরু হয়েছিল; অজগরটি কতক্ষণ ধরে শাবকটিকে পেঁচিয়ে রেখেছিল, সে বিষয়ে কোনো তথ্য নেই।

বিজ্ঞাপন

অজগর প্যাঁচিয়ে শিকার ধরে। বিষ দিয়ে শিকারকে কাবু করার বদলে পেশিবহুল শরীরের প্যাঁচ দিয়ে চেপে ধরে। এই চাপ রক্ত চলাচল ব্যাহত করতে পারে এবং দ্রুত বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারে, যা নেলের বর্ণিত তাড়াহুড়োর কারণ ব্যাখ্যা করে।

সাপের প্যাঁচ খোলা ও শাবককে পরীক্ষা

নেল বলেন, শাবকটি কোনো আঘাত পেয়েছে কি না জানার আগেই তিনি সেটিকে তুলে অজগরের প্যাঁচ থেকে ছাড়াতে শুরু করেন। এরপর ছোট কোয়ালাটি তাঁর কাঁধ আঁকড়ে ধরে।

কাছ দিয়ে হেঁটে যাওয়া এক ব্যক্তি থেমে সাহায্য করতে এগিয়ে আসেন। নেল তাঁকে সাপটি ধরতে বললে তিনি রাজি হননি, তবে তাঁর কুকুরটিকে ধরে রাখতে প্রস্তাব দেন। ফলে পথচারী কুকুরটির দায়িত্ব নিলে নেলকে দুই বন্যপ্রাণী সামলাতে হয়।

নেল বলেন, শাবকটিকে পরীক্ষা করার সময় তিনি অজগরটিকে একটি ছোট গাছে রেখেছিলেন। মায়ের কাছে নিয়ে যাওয়ার আগে শাবকটির শ্বাসপ্রশ্বাস এবং হাত-পা স্বাভাবিকভাবে নড়ছিল কি না, তা দেখেন।

সেগুলো ছিল ঘটনাস্থলে নেলের পর্যবেক্ষণ। পশুচিকিৎসকের পরীক্ষা বা পরে কোনো চিকিৎসা মূল্যায়নের কথা বলা হয়নি। তাই নেলের পর্যবেক্ষণের বাইরে শাবকটির অবস্থা অজানা।

তাৎক্ষণিক ফল আশাব্যঞ্জক ছিল: শাবকটি আবার মায়ের কাছে উঠে যায়। নেল বলেন, পরে অজগরটিকে হাতের চারপাশে পেঁচিয়ে তিনি সেখান থেকে সরিয়ে নিয়ে যান, এমন একটি জায়গায় যেখানে তাঁর মনে হয়েছিল কোয়ালাদের থেকে যথেষ্ট দূরত্ব থাকবে।

মায়ের সঙ্গে মিলন, তারপর আবার ফিরে দেখা

নেলের বর্ণনায় ঘটনাটি সংক্ষেপে ধারাবাহিকভাবে উঠে এসেছে: হাঁটার পথের পাশে গোলমাল শোনা থেকে শুরু করে পরে মা ও শাবককে একসঙ্গে দেখার মুহূর্ত পর্যন্ত:

  • হাঁটার সময় পাখির ডাকে তাঁর মনোযোগ যায়; ফুটপাথ থেকে প্রায় ১৫ মিটার দূরে একটি লড়াই চলছিল।
  • তিনি দেখেন, অজগরের প্যাঁচে আটকে থাকা শাবকটির দিকে মা কোয়ালাটি থাবা বাড়াচ্ছে।
  • তিনি প্রাণী দুটিকে আলাদা করেন, শাবকটিকে পরীক্ষা করেন এবং মা যেখানে অপেক্ষা করছিল সেখানে ফিরিয়ে দেন।
  • এক-দুই ঘণ্টা পর ফিরে এসে মা ও শাবককে জড়িয়ে থাকতে দেখেন।

নেল বলেন, ফিরে এসে ওই দৃশ্য দেখাই ছিল পুরো ঘটনার সবচেয়ে আনন্দের মুহূর্ত:

প্রায় এক-দুই ঘণ্টা পর ফিরে এসে দেখি, মা আর তার বাচ্চা জড়িয়ে আছে। ওদের খুব খুশি দেখাচ্ছিল।

পুনর্মিলনের ফলে উদ্ধারকাজের তাৎক্ষণিক পরিণতি স্পষ্ট হয়। দুই কোয়ালা আবার একসঙ্গে ছিল, আর নেলের ভাষ্য অনুযায়ী অজগরটিও আঘাত ছাড়াই বেঁচে ছিল। রিজার্ভে পরে ওই দৃশ্য দেখার কথা বলেই তাঁর বর্ণনা শেষ হয়।

বিজ্ঞাপন

নেল অজগরটির পক্ষেও কথা বললেন কেন

অনেক দর্শকের কাছে ভীতিকর মনে হওয়া এই ঘটনার কেন্দ্রে ছিল সাপটি। তবে নেল বলেন, তিনি অজগরটিকে শত্রু হিসেবে তুলে ধরতে চাননি। তাঁর ভাষায়, সাপটি খাবার পাওয়ার সুযোগ নিয়েছিল।

খণ্ডিত আবাসস্থলে বন্যপ্রাণীর জীবনযাপনের প্রসঙ্গে অজগরটির আচরণ সম্পর্কে নিজের দৃষ্টিভঙ্গি ব্যাখ্যা করে নেল বলেন:

"সে খলনায়ক নয়; খণ্ডিত পরিবেশে শুধু একটি সুযোগ কাজে লাগিয়েছে," তিনি বলেন।

নেলের ধারণা, অজগরটি শাবকটিকে মেরে ফেলার মতো বড় হলেও গিলে ফেলার মতো বড় ছিল না। প্রাণী দুটির বিষয়ে এটি ছিল তাঁর নিজস্ব মূল্যায়ন; সাপটির প্রজাতি বা সম্ভাব্য শিকারের আকার সম্পর্কে কোনো স্বাধীন মূল্যায়নের কথা জানানো হয়নি।

সাপটিকে সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্তে দুই প্রাণীকেই রক্ষা করার ইচ্ছা প্রতিফলিত হয়েছে। নেল বলেন, শিকারি প্রাণীসহ সব স্থানীয় প্রজাতির সংরক্ষণ তাঁর কাছে গুরুত্বপূর্ণ। তাই তাঁর বর্ণনায় এক প্রাণীকে বাঁচাতে অন্য প্রাণীর ক্ষতি করার কথা নেই; বরং কোয়ালার উদ্ধার ও অজগরের বেঁচে থাকা দুটিই উঠে এসেছে।

শিকার করা বন্যপ্রাণীর স্বাভাবিক আচরণের অংশ। তবে নেল দর্শকদের যে আলাদা বিষয়টি বিবেচনা করতে বলেছেন, তা হলো উন্নয়নের কারণে আবাসস্থল খণ্ডিত হলে স্থানীয় প্রাণীদের ওপর বাড়তি চাপ পড়ে এবং খাবার খোঁজা, আশ্রয় নেওয়া ও চলাচলের জায়গা কমে যায়।

স্থানীয় ঘটনা থেকে কোয়ালার বৃহত্তর সংকটের প্রসঙ্গ

অস্ট্রেলিয়ার কিছু অঞ্চলে কোয়ালা বিপন্ন প্রজাতি হিসেবে তালিকাভুক্ত। আবাসস্থল হারানো ও রোগ তাদের জন্য হুমকির মধ্যে রয়েছে। একটি শাবককে উদ্ধার করার ঘটনা একটি প্রাণীর দিকে মনোযোগ এনেছে; আর ভিডিওটি ব্যবহার করে নেল প্রজাতিটির ওপর সামগ্রিক চাপের বিষয়েও কথা বলেছেন।

আবাসস্থল খণ্ডিত হওয়া বলতে জীবজন্তুর বসবাসের কোনো এলাকা ছোট ছোট বিচ্ছিন্ন অংশে ভাগ হয়ে যাওয়াকে বোঝায়। এক গাছ থেকে অন্য গাছে যাওয়ার পথে কোনো প্রাণীকে খোলা জায়গা পেরোতে, উন্নয়ন হওয়া এলাকায় ঢুকতে বা সড়কের কাছে যেতে হতে পারে।

আবাসস্থল হারানোর সঙ্গে সড়কে প্রাণী মারা যাওয়া, স্থানচ্যুতি, শিকারির মুখে পড়া এবং খাবার পাওয়ার সুযোগ কমে যাওয়ার সম্পর্ক তুলে ধরেন নেল। কোয়ালাদের জন্য দাবানল ও রোগকেও তিনি চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করেন।

কোয়ালা খাবারের জন্য ইউক্যালিপটাস পাতার ওপর নির্ভরশীল। তাই উপযোগী খাদ্যগাছ হারানো মানে শুধু ছায়া বা আশ্রয়ের পরিমাণ কমে যাওয়া নয়; প্রাণীটির প্রয়োজনীয় নির্দিষ্ট খাবার পাওয়ার সুযোগও কমে যেতে পারে।

এই ঘটনাটি হোয়াইটস হিল রিজার্ভে ঘটলেও উদ্ধার-ঘটনার বিবরণে স্থানীয় কোয়ালার সংখ্যা বা আবাসস্থলের পরিবর্তনের কোনো পরিমাপ দেওয়া হয়নি। সংরক্ষণ নিয়ে নেলের বৃহত্তর উদ্বেগই ব্যাখ্যা করে কেন তিনি ভিডিওটি শেয়ার করেছেন। তবে নথিবদ্ধ ঘটনাটি হলো হাঁটার পথের পাশে তাঁর দেখা লড়াই।

বিজ্ঞাপন

ভাইরাল ভিডিও ঘিরে প্রশংসা ও মতভেদ

ভিডিওটি লাখ লাখ বার দেখা হয় এবং হাজার হাজার মন্তব্য আসে। অনেক দর্শক নেলের কাজের প্রশংসা করেন; অন্যরা বলেন, ঘটনাটিকে নিজের গতিতে চলতে দেওয়া উচিত ছিল।

নেল হস্তক্ষেপের পক্ষে যুক্তি দিয়ে বলেন, অজগরটি শাবকটিকে মেরে ফেলতে পারত, অথচ সেটিকে খেতে পারত না। স্থানীয় বন্যপ্রাণীর সঙ্গে কাজ করার সময় তিনি যে ক্রমাগত ক্ষতি দেখেছেন বলে জানান, কোয়ালাদের ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থার প্রসঙ্গ টেনে নিজের সিদ্ধান্তকেও তার সঙ্গে যুক্ত করেন।

ভিডিও প্রকাশের মূল উদ্দেশ্য ছিল মানুষের মনোযোগকে সংরক্ষণমূলক কাজে যুক্ত করা। তিনি দর্শকদের স্বেচ্ছাসেবী হতে এবং কোয়ালা ও তাদের আবাসস্থলের সুরক্ষায় আরও জোরালো পদক্ষেপ নিতে সরকারি সংস্থাগুলোর কাছে দাবি জানাতে বলেন।

এই আহ্বান নাটকীয় ভিডিওর বাইরেও ঘটনাটিকে একটি উদ্দেশ্য দেয়। অল্প সময়ের মধ্যেই উদ্ধারকাজ শেষ হয়েছিল, কিন্তু স্বেচ্ছাসেবা ও আবাসস্থল রক্ষার বিষয়টি কোয়ালাদের জীবনযাপনের চলমান পরিস্থিতির সঙ্গে জড়িত। পুনর্মিলনের দৃশ্য দেখার পরও মানুষ যেন সংরক্ষণকাজে যুক্ত থাকে, সেটিই ছিল নেলের অনুরোধ।

বন্যপ্রাণী ধরার ঝুঁকি আছে

নেলের আঁচড় ও কামড়ের ঘটনা দেখায়, সাহায্য করতে যাওয়া প্রাণীটিও উদ্ধারকারীর ক্ষতি করতে পারে। ভীত শাবক ধরার সময় আঁকড়ে ধরতে, কামড়াতে বা আঁচড়াতে পারে। সাপ সামলানোর ক্ষেত্রেও মানুষ ও প্রাণী দুটির জন্য বাড়তি ঝুঁকি থাকে।

বিশেষজ্ঞের নির্দেশনা ছাড়া স্থানীয় বন্যপ্রাণী ধরতে নিষেধ করে কুইন্সল্যান্ড সরকার। বিপদে থাকা কোনো প্রাণীর মুখোমুখি হলে যোগ্য বন্যপ্রাণী উদ্ধারকর্মী বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সাহায্য চাওয়াই নিরাপদ।

নেল স্থানীয় বন্যপ্রাণী নিয়ে কাজের অভিজ্ঞতার কথা বলেছেন। তবে ভিডিওতে দেখা যায়, একই সময়ে তাঁকে অনেক কিছু সামলাতে হচ্ছিল: প্যাঁচ দিয়ে ধরা একটি সাপ, আতঙ্কিত শাবক, কাছেই থাকা তার মা এবং নিজের কুকুর। পথচারী কুকুরটিকে সামলে দেওয়ায় তাৎক্ষণিক একটি দায়িত্ব কমেছিল।

সংরক্ষণকাজে মানুষের অংশগ্রহণে উৎসাহ দেওয়াই ছিল নেলের মূল বার্তা। বিপদে থাকা বন্যপ্রাণীর জন্য প্রশিক্ষিত সহায়তাকারীর সঙ্গে যোগাযোগ করা এবং প্রতিষ্ঠিত স্বেচ্ছাসেবার সুযোগ খুঁজে নেওয়ার মধ্য দিয়ে সেই অংশগ্রহণ শুরু হতে পারে; নাটকীয় উদ্ধার-ভিডিওতে দেখা প্রাণী ধরার চেষ্টা না করেও।

বিজ্ঞাপন

মূল বিষয়গুলো

  • ব্রিসবেনের ক্যাম্প হিলের হোয়াইটস হিল রিজার্ভে অজগরের কবল থেকে একটি কোয়ালা শাবককে উদ্ধার করেন নেল।
  • নেল পৌঁছানোর সময় মা কোয়ালাটি সাপটির দিকে থাবা বাড়াচ্ছিল; ঘটনাটি ঘটেছিল ফুটপাথ থেকে প্রায় ১৫ মিটার দূরে।
  • নেল বলেন, শাবকটি মায়ের কাছে ফিরে যায় এবং এক-দুই ঘণ্টা পর তিনি তাদের একসঙ্গে দেখেন।
  • খবর অনুযায়ী, অজগরটি অক্ষত ছিল। আতঙ্কিত শাবকটির আঁচড় ও কামড়ে নেল আহত হন।
  • ভিডিওটি লাখ লাখ বার দেখা হয়। নেল এটি ব্যবহার করে স্বেচ্ছাসেবায় অংশ নেওয়া ও কোয়ালাদের আরও সুরক্ষার আহ্বান জানান।
  • বিশেষজ্ঞের নির্দেশনা ছাড়া স্থানীয় বন্যপ্রাণী না ধরার পরামর্শ দিয়েছে কুইন্সল্যান্ড সরকার।
এই নিবন্ধটি শেয়ার করুন

আপনার পছন্দ হতে পারে