তিন বছরের পথচলায় আরেকটি মাইলফলক
স্পটিফাইয়ের সাপ্তাহিক গ্লোবাল টপ অ্যালবামস চার্টে জাংকুকের প্রথম একক অ্যালবাম GOLDEN-এর ১৫৫তম সপ্তাহ পূর্ণ হয়েছে। ২০২৬ সালের ২৩ থেকে ২৯ অক্টোবরের হিসাবকালীন সপ্তাহে অ্যালবামটি ১৯৯তম স্থানে ছিল। ১১টি গানের অ্যালবামটি এশীয় একক শিল্পীর অ্যালবাম হিসেবে চার্টে সবচেয়ে দীর্ঘ সময় থাকার রেকর্ড আরও এগিয়ে নিয়েছে, ২০২৩ সালের ৩ নভেম্বর প্রকাশের প্রায় তিন বছর পরও।
সূচিপত্র
- তিন বছরের পথচলায় আরেকটি মাইলফলক
- ১৫৩ সপ্তাহ থেকে ১৫৫
- অ্যালবামের স্ট্রিমের বছরগুলোর তুলনা
- বিটিএসের সঙ্গে তুলনা কেন গুরুত্বপূর্ণ
- জোরালো সূচনা থেকে দীর্ঘস্থায়ী চার্ট উপস্থিতি
- অ্যালবামের মোট স্ট্রিম ও জাংকুকের বৃহত্তর শ্রোতাগোষ্ঠী
- যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের চার্টে আরও রেকর্ড
- GOLDEN-এর সর্বশেষ রেকর্ডের পেছনের তারিখগুলো
- মূল বিষয়গুলো
হিসাবকালীন সপ্তাহে বিটিএস সদস্যের অ্যালবামটি স্পটিফাইয়ে প্রায় ২ কোটি স্ট্রিম যোগ করেছে, ফলে মোট স্ট্রিম ৭.৫৯ বিলিয়ন ছাড়িয়েছে। গ্লোবাল সাপ্তাহিক চার্টে প্রথমবার ওঠার সময় অ্যালবামটি ছিল ২ নম্বরে; সর্বশেষ অবস্থান তার চেয়ে অনেক নিচে। তবে চার্টে এর ধারাবাহিক উপস্থিতি দেখায়, প্রকাশের পরও দীর্ঘ সময় ধরে শ্রোতাদের আগ্রহ বজায় ছিল।
GOLDEN আরেকটি বার্ষিক মাইলফলকও পেরিয়েছে। ওয়ার্ল্ড মিউজিক অ্যাওয়ার্ডসের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত প্রতিটি ক্যালেন্ডার বছরে অ্যালবামটি স্পটিফাইয়ে ১ বিলিয়ন স্ট্রিম ছাড়িয়েছে। টানা চার বছরে এই পর্যায়ে পৌঁছানো কোনো এশীয় শিল্পীর প্রথম অ্যালবাম এটি। রেকর্ডটি শুধু একক শিল্পীদের মধ্যে সীমিত নয়: বিটিএসের Map of the Soul: 7-এর নামে থাকা তিন বছরের রেকর্ডও এটি ছাড়িয়ে গেছে।
সর্বশেষ পরিসংখ্যানে অ্যালবামটির সাফল্যের দুটি দিক একসঙ্গে উঠে এসেছে: প্রতি সপ্তাহে শ্রোতাদের কাছে জনপ্রিয় অ্যালবামগুলোর মধ্যে এর অবস্থান এবং সময়ের সঙ্গে জমতে থাকা স্ট্রিম। যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের অ্যালবাম চার্টে এর পথচলাও আন্তর্জাতিক সাফল্যের আরেকটি মাপকাঠি।
১৫৩ সপ্তাহ থেকে ১৫৫
GOLDEN-এর সর্বশেষ মাইলফলকটি এসেছে অক্টোবরে নথিভুক্ত চার্টে ১৫৩ সপ্তাহের মাইলফলকের পর। সে সময় ChartMasters-এর হিসাবে অ্যালবামটির সমতুল্য বিক্রি ছিল ১ কোটি ২০ লাখ। স্পটিফাইয়ের নতুন হিসাব আগের সংখ্যার সঙ্গে আরও দুই সপ্তাহের চার্ট উপস্থিতি যোগ করেছে।
১৫৫ সপ্তাহে অ্যালবামটি প্রায় তিন বছর ধরে চার্টে উপস্থিত থেকেছে। স্পটিফাইয়ের গ্লোবাল সাপ্তাহিক অ্যালবাম তালিকায় সর্বশেষ অবস্থান নিচের দিকে হলেও, দীর্ঘ সময় ধরে বারবার চার্টে ওঠার মাধ্যমে গড়ে ওঠা রেকর্ডটি আরও এগিয়েছে।
স্পটিফাই স্ট্রিম ও সমতুল্য অ্যালবাম বিক্রি শ্রোতাদের সম্পৃক্ততা ভিন্নভাবে মাপে। স্ট্রিমে একটি গান চালানোর হিসাব হয়, আর সমতুল্য অ্যালবাম বিক্রির হিসাবে নির্দিষ্ট রূপান্তর সূত্র ব্যবহার করে কেনাকাটা ও শোনার পরিমাণ একত্র করা হয়। ১ কোটি ২০ লাখের হিসাবটি সম্মিলিত ভোগের পরিমাণ বোঝায়; ৭.৫৯ বিলিয়ন সংখ্যাটি অ্যালবামটির নামে গণনা করা স্পটিফাই প্লে।
আগের বিক্রির মাইলফলক ও সাম্প্রতিক স্ট্রিমের পরিসংখ্যান দেখায়, প্রকাশের প্রথম কয়েক সপ্তাহের পরও GOLDEN-এর বাণিজ্যিক সাফল্য অব্যাহত ছিল। প্রতিটি হিসাব এই অগ্রগতির আলাদা দিক তুলে ধরে: কেনাকাটা থেকে শুরু করে বারবার শোনা পর্যন্ত।
অ্যালবামের স্ট্রিমের বছরগুলোর তুলনা
GOLDEN-এর টানা চার বছরের মাইলফলকের পেছনের বার্ষিক পরিসংখ্যানে দেখা যায়, উল্লেখ করা সম্পূর্ণ বছরগুলোর মধ্যে ২০২৪ সালে অ্যালবামটির স্ট্রিম ছিল সবচেয়ে বেশি। ওই বছর স্পটিফাইয়ে অ্যালবামটি ২.৭৬৮ বিলিয়ন স্ট্রিম পায়; ২০২৫ সালে পায় ১.৬০৭ বিলিয়ন।
২০২৩ সালে অ্যালবামটির স্ট্রিমের হিসাব ২.২০৩ বিলিয়ন, যদিও প্রকাশিত অন্য একটি হিসাবে তা ২.২৩ বিলিয়ন। দুই হিসাবেই অ্যালবামটি বার্ষিক ১ বিলিয়ন স্ট্রিমের সীমা সহজেই ছাড়িয়েছে। GOLDEN প্রকাশিত হয় ৩ নভেম্বর, তাই ২০২৩ সালে বছরের শেষ কয়েক সপ্তাহই ছিল এর প্রথম ক্যালেন্ডার বছরের সময়কাল।
২.২০৩ বিলিয়নের হিসাব ধরে ২০২৪ সালে স্ট্রিম বেড়েছিল ৫৬৫ মিলিয়ন, অর্থাৎ প্রায় ২৫.৬ শতাংশ। এরপর ২০২৫ সালে তা কমে ১.১৬১ বিলিয়ন, বা প্রায় ৪১.৯ শতাংশ। এই পতনের পরও ২০২৫ সালের মোট স্ট্রিম রেকর্ডের জন্য নির্ধারিত সীমার চেয়ে ৬০০ মিলিয়নের বেশি ছিল।
ওয়ার্ল্ড মিউজিক অ্যাওয়ার্ডস জানিয়েছে, ২০২৬ সালেও অ্যালবামটি ১ বিলিয়ন স্ট্রিম ছাড়িয়েছে। ওই বছরের সুনির্দিষ্ট মোট সংখ্যা জানানো হয়নি। ফলে চার বছরের এই অর্জন প্রতি বছর স্ট্রিম বাড়ার ওপর নয়, বরং বারবার একই বার্ষিক সীমা অতিক্রম করার ওপর নির্ভর করছে।
বিটিএসের সঙ্গে তুলনা কেন গুরুত্বপূর্ণ
এশীয় শিল্পীর অ্যালবামের ক্ষেত্রে আগে উল্লেখিত মানদণ্ডটি ছিল Map of the Soul: 7-এর দখলে, যা টানা তিন বছর স্পটিফাইয়ে বার্ষিক ১ বিলিয়ন স্ট্রিম পেয়েছিল। GOLDEN-এর চতুর্থ যোগ্যতাপূর্ণ বছর রেকর্ডটিকে বিটিএসের একটি দলীয় অ্যালবাম থেকে তাদের এক সদস্যের প্রথম একক অ্যালবামের দখলে নিয়ে এসেছে।
এই তুলনা এশীয় একক শিল্পীর রেকর্ডের চেয়ে বিস্তৃত। চার্টে ১৫৫ সপ্তাহ থাকার রেকর্ডটি একক শিল্পীদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, আর চার বছরের স্ট্রিমের অর্জনে দলসহ এশীয় শিল্পীদের অ্যালবাম অন্তর্ভুক্ত। উল্লেখিত দুই বিভাগেই এখন GOLDEN এগিয়ে।
ক্যালেন্ডার বছরের চার বছরের সময়কাল প্রকাশের পর পূর্ণ চার বছরের সমান নয়। ২০২৬ সালের ৩ নভেম্বর GOLDEN-এর তৃতীয় বার্ষিকী পূর্ণ হয়; এর মধ্যে অ্যালবামটি ২০২৩, ২০২৪, ২০২৫ ও ২০২৬ সালের কিছু অংশ বা পুরো সময়জুড়ে স্ট্রিম পেয়েছে। ২০২৩ সালের শেষদিকে প্রকাশিত হওয়ায় ওই বছরের স্বল্প সময়ও প্রথম যোগ্যতাপূর্ণ ক্যালেন্ডার বছর হিসেবে গণনা হয়েছে।
এই মাইলফলকগুলো অনুসরণ করা শ্রোতাদের কাছে তারিখগুলো ব্যাখ্যা করে, কীভাবে তৃতীয় জন্মদিন উদ্যাপন করা একটি অ্যালবামের ইতিমধ্যেই চারটি বার্ষিক স্ট্রিমের হিসাব থাকতে পারে। রেকর্ডটি ক্যালেন্ডার বছর ধরে গণনা হয়, আর প্রতিটি নতুন বছর শুরু হয় ১ জানুয়ারি।
জোরালো সূচনা থেকে দীর্ঘস্থায়ী চার্ট উপস্থিতি
স্পটিফাইয়ের সাপ্তাহিক গ্লোবাল টপ অ্যালবামস চার্টে GOLDEN ২ নম্বরে উঠেছিল। টানা পাঁচ সপ্তাহ শীর্ষ পাঁচে এবং টানা ছয় সপ্তাহ শীর্ষ দশে ছিল অ্যালবামটি। প্রকাশের শুরুর দিকে চার্টের ওপরের অংশে এর উল্লেখযোগ্য উপস্থিতি ছিল।
বিশ্বব্যাপী বাজার, যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের জন্য স্পটিফাইয়ের টপ অ্যালবাম ডেব্যু চার্টেও অ্যালবামটি ১ নম্বরে উঠেছিল। ওই তালিকাগুলো নতুন প্রকাশিত অ্যালবামকে গুরুত্ব দেয়, আর সাপ্তাহিক গ্লোবাল অ্যালবাম চার্টে বিভিন্ন সময়ে প্রকাশিত অ্যালবামগুলো প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে।
অভিষেকের অবস্থানগুলো প্রকাশের সময় শ্রোতাদের জোরালো সাড়া তুলে ধরে। ১৫৫ সপ্তাহের হিসাবটি আরও দীর্ঘ সময়ের চিত্র দেয়: শুরুর সেই আগ্রহের পরও পরপর বিভিন্ন সময়ে অ্যালবামটি শোনা হয়েছে।
সর্বশেষ হিসাবকালীন সপ্তাহে যোগ হওয়া প্রায় ২ কোটি স্ট্রিম দেখায়, তৃতীয় বার্ষিকীর কাছাকাছি সময়েও GOLDEN উল্লেখযোগ্য সংখ্যায় শোনা হয়েছে। সাত দিনে সমানভাবে ভাগ করলে অ্যালবামের গানগুলো দৈনিক প্রায় ২৯ লাখবার চালানো হয়েছে।
অ্যালবামের মোট স্ট্রিম ও জাংকুকের বৃহত্তর শ্রোতাগোষ্ঠী
সর্বশেষ মাইলফলকের সময় জাংকুকের স্পটিফাই অ্যাকাউন্টে সব ক্রেডিট মিলিয়ে মোট স্ট্রিম ছিল ১১.৬৯ বিলিয়ন। GOLDEN-এর ৭.৫৯ বিলিয়নের বেশি স্ট্রিম এই বৃহত্তর হিসাবের অংশ; এতে এই একক প্রকাশনার বাইরেও তাঁর নামে তালিকাভুক্ত কাজ রয়েছে।
এই পরিসংখ্যান সংগীত শোনার দুটি স্তর তুলে ধরে: অ্যালবামের নামে গণনা করা স্ট্রিম এবং শিল্পীর নামে তালিকাভুক্ত সামগ্রিক গানের স্ট্রিম। অ্যালবাম চার্টের রেকর্ডে মূল বিষয় GOLDEN, আর অ্যাকাউন্টের মোট সংখ্যা শিল্পীর আরও বিস্তৃত সংগীতসম্ভারকে প্রতিফলিত করে।
অ্যালবামের মোট স্ট্রিম সম্প্রতি ৭.৫৮ বিলিয়ন ছাড়িয়েছিল; পরবর্তী হিসাবে তা ৭.৫৯ বিলিয়ন ছাড়িয়ে যায়। সর্বশেষ সপ্তাহের বৃদ্ধি প্রথম প্রকাশের সময় থেকে পরবর্তী বছরগুলোতে চলতে থাকা শ্রবণের মধ্য দিয়ে জমা হওয়া মোট সংখ্যায় যুক্ত হয়েছে।
এই মোট সংখ্যা জমার পেছনে বারবার শোনার ভূমিকা রয়েছে। এক বিলিয়ন স্ট্রিম মানে এক বিলিয়নবার গান চালানো; একই শ্রোতা গানগুলোতে ফিরে এসে একাধিকবার অবদান রাখতে পারেন। তাই প্রথম দফার কেনাকাটা ও অভিষেকের চার্ট-অবস্থান নথিভুক্ত হওয়ার বহু বছর পরও অ্যালবামের মোট স্ট্রিম বাড়তে পারে।
যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের চার্টে আরও রেকর্ড
বিলবোর্ড ২০০-তে GOLDEN ২ নম্বরে অভিষেক করে এবং যুক্তরাষ্ট্রের অ্যালবাম চার্টে ২৫ সপ্তাহ ছিল, যা কোনো এশীয় একক শিল্পীর জন্য উল্লেখিত দীর্ঘতম অবস্থান। যুক্তরাজ্যের অফিশিয়াল অ্যালবামস চার্ট টপ ১০০-তে এটি ৩ নম্বরে ওঠে এবং আট সপ্তাহ ছিল; কে-পপ একক শিল্পীর জন্য এটি রেকর্ড।
এই সাফল্যগুলো স্পটিফাইয়ে অ্যালবামটির পারফরম্যান্সের সঙ্গে দুই বড় জাতীয় সংগীতবাজারে জোরালো সূচনা ও দীর্ঘস্থায়ী চার্ট উপস্থিতির চিত্র যোগ করে। যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য, দুই দেশেই অ্যালবামটি শীর্ষ তিনে উঠেছিল।
চার্টগুলো ভিন্ন ভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেয়। স্পটিফাইয়ের গ্লোবাল সাপ্তাহিক অ্যালবাম র্যাঙ্কিং বিভিন্ন বাজারে একটি স্ট্রিমিং সেবায় গান শোনার পরিমাণ অনুসরণ করে। বিলবোর্ড ২০০ ও যুক্তরাজ্যের অফিশিয়াল অ্যালবামস চার্ট নিজ নিজ দেশের অ্যালবাম ভোগের পরিমাণ মাপে এবং তাদের নিজস্ব চার্টের নিয়ম অনুসরণ করে।
তাই প্রতিটি চার্টে থাকার সময়কাল আলাদা হিসাবের বিষয়। একসঙ্গে দেখলে বোঝা যায়, GOLDEN-এর সাফল্য কোনো একটি প্ল্যাটফর্ম বা অঞ্চলে সীমাবদ্ধ ছিল না; এখানে উল্লিখিত হিসাবগুলোর মধ্যে স্পটিফাইয়ের গ্লোবাল সাপ্তাহিক তালিকায়ই এর উপস্থিতি সবচেয়ে দীর্ঘ।
GOLDEN-এর সর্বশেষ রেকর্ডের পেছনের তারিখগুলো
২০২৩ সালের নভেম্বরে প্রকাশ থেকে ২০২৬ সালের নভেম্বরে তৃতীয় বার্ষিকী পর্যন্ত GOLDEN-এর পথচলা। সাম্প্রতিক মাইলফলকগুলো কাছাকাছি সময়ে এসেছে; বার্ষিক স্ট্রিমের রেকর্ডের সঙ্গে সাপ্তাহিক চার্টে অবস্থান আরও বাড়ার ঘটনাও ঘটেছে।
- ৩ নভেম্বর, ২০২৩: জাংকুক তাঁর প্রথম একক অ্যালবাম GOLDEN প্রকাশ করেন।
- ২০২৪: অ্যালবামটি স্পটিফাইয়ে ২.৭৬৮ বিলিয়ন স্ট্রিম পায়, উল্লেখিত সম্পূর্ণ বছরগুলোর মধ্যে যা ছিল সর্বোচ্চ বার্ষিক সংখ্যা।
- ২০২৫: অ্যালবামটি স্পটিফাইয়ে আরও ১.৬০৭ বিলিয়ন স্ট্রিম পায়; টানা তৃতীয় ক্যালেন্ডার বছরেও স্ট্রিম ১ বিলিয়ন ছাড়ায়।
- অক্টোবর ২০২৬: স্পটিফাইয়ের গ্লোবাল সাপ্তাহিক চার্টে অ্যালবামটির উপস্থিতি ১৫৩ থেকে বেড়ে ১৫৫ সপ্তাহ হয়।
- ২৩ থেকে ২৯ অক্টোবর, ২০২৬: GOLDEN ১৯৯তম স্থানে ছিল এবং হিসাবকালীন সপ্তাহে প্রায় ২ কোটি স্ট্রিম যোগ করে।
- ৩ নভেম্বর, ২০২৬: অ্যালবামটির তৃতীয় বার্ষিকী পূর্ণ হয়; ২০২৬ সালেও বার্ষিক স্ট্রিম ১ বিলিয়ন ছাড়ায়।
সর্বশেষ মাইলফলকে অ্যালবামটির সাপ্তাহিক চার্টে উপস্থিতি প্রায় তিন বছরে পৌঁছেছে এবং বার্ষিক স্ট্রিমের রেকর্ডও চতুর্থ ক্যালেন্ডার বছরে গড়িয়েছে। পরবর্তী সাপ্তাহিক অবস্থান জানাবে চার্টে এর উপস্থিতির হিসাব আবার বাড়বে কি না; বছরশেষের হিসাব থেকে ২০২৬ সালের মোট স্ট্রিম জানা যাবে।
মূল বিষয়গুলো
- স্পটিফাইয়ের গ্লোবাল সাপ্তাহিক অ্যালবাম চার্টে GOLDEN-এর উপস্থিতি ১৫৫ সপ্তাহে পৌঁছেছে, এশীয় একক শিল্পীর রেকর্ড আরও দীর্ঘ হয়েছে।
- ২০২৬ সালের ২৩ থেকে ২৯ অক্টোবর অ্যালবামটি ১৯৯তম স্থানে ছিল এবং ওই সপ্তাহে প্রায় ২ কোটি স্ট্রিম যোগ করে।
- অ্যালবামটির মোট স্পটিফাই স্ট্রিম ৭.৫৯ বিলিয়ন ছাড়িয়েছে।
- ওয়ার্ল্ড মিউজিক অ্যাওয়ার্ডসের হিসাবে, ২০২৩ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত প্রতি বছরই GOLDEN-এর স্পটিফাই স্ট্রিম ১ বিলিয়ন ছাড়িয়েছে।
- চার বছরের এই অর্জন বিটিএসের Map of the Soul: 7-এর তিন বছরের রেকর্ডকে ছাড়িয়ে গেছে।
- GOLDEN বিলবোর্ড ২০০-তে ২৫ সপ্তাহ এবং যুক্তরাজ্যের অফিশিয়াল অ্যালবামস চার্ট টপ ১০০-তে আট সপ্তাহ ছিল।






