৩৬ মিনিটের জয়ে ১১তম শিরোপার পথে আন
৫ নভেম্বর মালয়েশিয়ার কারুপাথেভান লেটশানাকে ২১-১০, ২১-১২ ব্যবধানে হারিয়ে জয়ের ধারা ৫২ ম্যাচে নিয়ে গেছেন আন সে-ইয়ং। ইয়োসুর জিননাম জিমনেসিয়ামে জয়টি তাকে ২০২৬ কোরিয়া ওপেনের কোয়ার্টার ফাইনালে তুলেছে। ২৮তম র্যাঙ্কিংয়ের খেলোয়াড়কে হারাতে বিশ্বের এক নম্বরের সময় লেগেছে মাত্র ৩৬ মিনিট। মৌসুমের ১১তম শিরোপা জিততে এখন তার আর তিনটি জয় দরকার।
সূচিপত্র
- ৩৬ মিনিটের জয়ে ১১তম শিরোপার পথে আন
- দুই গেমেই দ্রুত শুরু, চাপে লেটশানা
- ৭৫ মিনিটে জয়ী চার গেম
- ৬৯ ম্যাচে ৬৮ জয়ের অর্থ
- পরের প্রতিপক্ষ গুনজি, ফাইনালে হতে পারেন ইয়ামাগুচি
- কেন ঘরের টুর্নামেন্ট প্রায় বাদ দিতে বসেছিলেন আন
- ইয়োসুতে গ্যালারিতে ঘরের সমর্থকেরা
- তৃতীয় কোরিয়া ওপেন শিরোপা ও টানা দ্বিতীয় মৌসুমে ১১ শিরোপা
- কোরিয়ার অন্য ফল ও বাকি সূচি
- মূল বিষয়গুলো
স্যামসাং লাইফের এই খেলোয়াড় চলতি বছর ৬৯ ম্যাচের মধ্যে ৬৮টিতে জিতেছেন, জয়ের হার ৯৮.৫৫ শতাংশ। মার্চে অল ইংল্যান্ড ওপেনের ফাইনালে চীনের ওয়াং ঝিইয়ের কাছে হারই এ বছর তার একমাত্র পরাজয়। এরপর থেকে প্রতিটি ম্যাচেই জিতেছেন তিনি।
৬ নভেম্বর কোয়ার্টার ফাইনালে আন মুখোমুখি হবেন ২০তম র্যাঙ্কিংয়ের জাপানি খেলোয়াড় রিকো গুনজির। আগের দুই সাক্ষাতেই জিতেছেন আন। কোরিয়া ওপেনে আরেকটি শিরোপা পেলে গত মৌসুমে জেতা ১১টি টুর্নামেন্ট শিরোপার সমান হবে তার, আর এই আসরে হবে তৃতীয় চ্যাম্পিয়নশিপ।
ডেনমার্ক ও ফ্রান্সে টানা শিরোপা জয়ের পর ক্লান্তি ও অস্বস্তির কারণে টুর্নামেন্টটি বাদ দেওয়ার কথা ভেবেছিলেন আন। শারীরিক অবস্থা শতভাগ নয় বলার পরও কোরিয়ান সমর্থকদের সামনে খেলতে বেছে নেন তিনি।
দুই গেমেই দ্রুত শুরু, চাপে লেটশানা
দুই গেমেই টানা পাঁচ পয়েন্ট জিতে শুরু করেন আন, ফলে শুরুতেই স্কোরের পেছনে পড়ে যান লেটশানা। প্রথম গেমে ব্যবধান কমিয়ে ১০-৭ করেন মালয়েশিয়ার খেলোয়াড়। এরপর টানা আট পয়েন্ট জিতে ১৮-৭ ব্যবধানে এগিয়ে যান আন। এই ঝটকায় প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ লড়াই একতরফা লিডে পরিণত হয়।
কোণ লক্ষ্য করে শটের সঙ্গে দৃঢ় রক্ষণ মিলিয়ে খেলেন আন। প্রতিপক্ষের আক্রমণ ফিরিয়ে দিয়ে নিজের আক্রমণ শেষ করার মতো ফাঁক খুঁজে নেন। প্রথম গেম ২১-১০ ব্যবধানে শেষ করে দ্বিতীয় গেমেও একই ধরনের খেলা চালিয়ে যান তিনি।
দ্বিতীয় গেমে ১৩-৮ ব্যবধানে এগিয়ে থাকার সময় টানা চার পয়েন্ট তুলে ১৭-৮ করেন আন। ব্যবধান আর কমাতে পারেননি লেটশানা। দ্বিতীয় গেমের স্কোর কোথাও ২১-১১ হিসেবেও উল্লেখ করা হয়েছে, যদিও মূল ফল ২১-১২; দুই স্কোরেই দুই গেমে জয়ের কথা বলা হয়েছে।
লেটশানার বিপক্ষে আন এখন পাঁচ সাক্ষাতের সবকটিতেই জিতেছেন। চলতি মৌসুমে তাদের আগের ম্যাচগুলোর মধ্যে ছিল কিংদাওয়ে এশিয়ান টিম চ্যাম্পিয়নশিপ এবং আইচি-নাগোয়া এশিয়ান গেমসে নারী দলীয় প্রতিযোগিতার ম্যাচ।
৭৫ মিনিটে জয়ী চার গেম
৪ নভেম্বর বুলগেরিয়ার কালোয়ানা নালবান্তোভাকে ২১-৬, ২১-৮ ব্যবধানে হারিয়ে কোরিয়া ওপেনে অভিযান শুরু করেছিলেন আন। ম্যাচটি চলে ৩৯ মিনিট। ফলে প্রথম দুই রাউন্ডে তার মোট খেলার সময় দাঁড়ায় ৭৫ মিনিট।
নালবান্তোভার বিপক্ষে প্রথম গেমে টানা ছয় পয়েন্ট দিয়ে শুরু করেন আন। ১৩-৬ ব্যবধানে এগিয়ে থাকার পর পরের আট পয়েন্ট জিতে গেমটি শেষ করেন। দ্বিতীয় গেমে বিরতিতে যান ১১-১ ব্যবধানে এগিয়ে, এরপর আরেকটি সহজ জয় তুলে নেন।
দুই ম্যাচ মিলিয়ে কোনো গেম না হেরেই চার গেম জিতেছেন আন। লেটশানার বিপক্ষে ২১-১২ ফল ধরলে তার পয়েন্ট ৮৪, প্রতিপক্ষের ৩৬। কোনো প্রতিপক্ষই এক গেমে ১৩ পয়েন্টে পৌঁছাতে পারেননি।
এমন সংক্ষিপ্ত ম্যাচে ক্লান্তি নিয়ে উদ্বেগের সময় প্রতিযোগিতায় কাটাতে হওয়া সময় কমে। তবু সূচিতে রাউন্ডগুলোর মধ্যে খুব বেশি বিরতি নেই: কোয়ার্টার ফাইনাল, সেমিফাইনাল ও ফাইনাল টানা তিন দিনে হওয়ার কথা।
৬৯ ম্যাচে ৬৮ জয়ের অর্থ
আনের মৌসুমের রেকর্ডে রয়েছে দীর্ঘ অপরাজিত ধারা এবং অস্বাভাবিকভাবে বেশি ম্যাচে সাফল্য। ৬৯ ম্যাচে ৬৮ জয় হিসাব করলে তার বর্তমান জয়ের হার ৯৮.৫৫ শতাংশ, অর্থাৎ প্রতি ১০০ ম্যাচে ৯৮টিরও বেশি ম্যাচে জয়।
গত মৌসুমে তার জয়ের হার ছিল ৯৪.৮১ শতাংশ। বর্তমান হার তার চেয়ে ৩.৭৪ শতাংশ পয়েন্ট বেশি। তবে চলতি মৌসুম এখনো শেষ হয়নি, ফলে পরের ফলাফল হিসাব বদলে দেবে।
অক্টোবরে ফ্রেঞ্চ ওপেন শেষে আনের জয় ছিল ৬৬টি, হার একটি, আর টানা জয়ের সংখ্যা ৫০। ইয়োসুতে দুই জয়ে মৌসুমের জয় এবং অপরাজিত ধারায় দুটি করে যোগ হয়েছে।
শিরোপার সংখ্যা ভিন্ন একটি বিষয়ের হিসাব দেয়। ম্যাচ জিতলে খেলোয়াড় টুর্নামেন্টের ড্রয়ে এগিয়ে যান, আর শিরোপা জিততে ফাইনালেও জয় দরকার। এ মৌসুমে এশিয়ান গেমসের নারী এককের সোনাসহ ডেনমার্ক ওপেন ও ফ্রেঞ্চ ওপেনের শিরোপা মিলিয়ে আন ইতিমধ্যে ১০টি শিরোপা জিতেছেন।
পরের প্রতিপক্ষ গুনজি, ফাইনালে হতে পারেন ইয়ামাগুচি
আনের পরের প্রতিপক্ষ গুনজি। আগের সাক্ষাতে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে আছেন কোরিয়ান খেলোয়াড়। গত বছরের অক্টোবর থেকে জাপানি খেলোয়াড়দের বিপক্ষে টানা ২১ ম্যাচেও জিতেছেন তিনি।
শিরোপার দৌড়ের অন্য দিকে প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বীদের একজন বিশ্বের দুই নম্বর আকানে ইয়ামাগুচি। বিশ্বের তিন নম্বর ওয়াং এবং চার নম্বর চেন ইউফেই টুর্নামেন্টে নেই, ফলে ড্র থেকে দুই শীর্ষ প্রতিদ্বন্দ্বী বাদ পড়েছেন।
গত বছরের কোরিয়া ওপেন ফাইনালে আনকে হারিয়েছিলেন ইয়ামাগুচি। সেই হারের পর তাদের পরের ১০টি সাক্ষাতেই জিতেছেন আন। মুখোমুখি লড়াইয়ের হিসাবেও ২৪-১৫ ব্যবধানে এগিয়ে তিনি। একটি ইংরেজি প্রতিবেদনে সাম্প্রতিক জয়ের ধারার দিকটি উল্টো বলা হয়েছে, তবে বিস্তারিত রেকর্ডে আনেরই এগিয়ে থাকার কথা রয়েছে।
ইয়োসুতে প্রথম ম্যাচে সিঙ্গাপুরের লোহ সিন ইয়ান হ্যাপির কাছে প্রথম গেম হেরে ঘুরে দাঁড়াতে হয়েছিল ইয়ামাগুচিকে। শেষ পর্যন্ত তিনি জেতেন ১২-২১, ২১-১৩, ২১-১৫ ব্যবধানে। আন ও ইয়ামাগুচি দুজনকেই বাকি রাউন্ডগুলো পেরোতে হবে, তবে তাদের ফাইনালে মুখোমুখি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
কেন ঘরের টুর্নামেন্ট প্রায় বাদ দিতে বসেছিলেন আন
প্রতিযোগিতার ব্যস্ত সূচির পর শরীর নিয়ে কয়েক দিনের অনিশ্চয়তার মধ্যেই কোরিয়া ওপেনে অংশ নেন আন। সেপ্টেম্বরে এশিয়ান গেমসের নারী এককে শিরোপা জেতার পর অক্টোবরে টানা দুই সপ্তাহান্তে ডেনমার্ক ওপেন ও ফ্রেঞ্চ ওপেনের শিরোপা জেতেন তিনি।
ডেনমার্ক ওপেনের ফাইনালে ডান অ্যাকিলিস টেন্ডনের আশপাশে অস্বস্তি অনুভব করেছিলেন তিনি। এই টেন্ডন পায়ের পেছনের পেশিকে গোড়ালির সঙ্গে যুক্ত করে। পরে হাঁটু ও পায়ের পিণ্ডলিতে সাপোর্ট পরে ফ্রান্সে খেলেন আন। ব্যাডমিন্টনে লাঞ্জ, লাফ ও দ্রুত দিক পরিবর্তনের সময় শরীরের এসব অংশে বারবার চাপ পড়ে।
২৭ অক্টোবর দক্ষিণ কোরিয়ায় ফেরার পর তার কোরিয়া ওপেন থেকে সরে দাঁড়ানোর সম্ভাবনা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়। তখন ইয়োসুতে খেলবেন কি না, সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে বিশ্রাম নিয়ে শারীরিক অবস্থা যাচাই করার পরিকল্পনা ছিল তার।
বিশ্বের এক নম্বর এবং কোরিয়ার শীর্ষ নারী একক খেলোয়াড় আন প্রথম ম্যাচের পর দ্বিধার কথা বলেন:
শেষ পর্যন্ত আমি অনেক দ্বিধায় ছিলাম। হয়তো অনেক চোট নিয়ে চলতে হয়েছে বলে খুব উদ্বিগ্ন ছিলাম,
এরপর কেন খেলতে এসেছেন, তা ব্যাখ্যা করেন তিনি:
কোরিয়ান সমর্থকদের উল্লাস শুনতে চেয়েছিলাম বলেই অংশ নিয়েছি।
ইয়োসুতে গ্যালারিতে ঘরের সমর্থকেরা
কোরিয়া ওপেন দক্ষিণ কোরিয়ার একমাত্র বিডব্লিউএফ ওয়ার্ল্ড ট্যুর টুর্নামেন্ট। ফলে বিদেশে না গিয়েই আনকে দেখার সুযোগ পান দেশটির সমর্থকেরা। এ বছরের আসর ৩ থেকে ৮ নভেম্বর জিননাম জিমনেসিয়ামে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এতে ২৭টি দেশের প্রায় ৬০০ খেলোয়াড়ের অংশ নেওয়ার কথা।
৭ নভেম্বরের সেমিফাইনাল এবং ৮ নভেম্বরের ফাইনালের টিকিট আগেই শেষ হয়ে যায়। ৫ নভেম্বরের মধ্যে শেষ ১৬ থেকে ফাইনাল পর্যন্ত বাকি চার দিনের সব টিকিট বিক্রি হয়ে যায়। প্রতিদিন বিক্রির জন্য প্রায় ২,০০০ আসনের টিকিট রাখা হয়েছিল।
দর্শকদের সমর্থনকে বিশেষ বলে উল্লেখ করেছেন আন। তার কারণে মানুষ ব্যাডমিন্টন খেলা শুরু করেছে, এমন কথা শুনে আনন্দ লাগে বলেও জানান তিনি। বিদেশের টুর্নামেন্টে ঠাসা সূচির মধ্যে ইয়োসু তাকে দেশের সমর্থকদের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত হওয়ার সুযোগ দিচ্ছে।
দর্শকের উপস্থিতি তার শিরোপা-লড়াইয়ে স্থানীয় মাত্রাও যোগ করেছে। ২০২৩ সালের পর প্রথম কোরিয়া ওপেন চ্যাম্পিয়নশিপ জয়ের লক্ষ্যে আনের দ্রুত দুই উদ্বোধনী জয়ের সময় গ্যালারির সব আসন পূর্ণ হয়েছে।
তৃতীয় কোরিয়া ওপেন শিরোপা ও টানা দ্বিতীয় মৌসুমে ১১ শিরোপা
২০২২ ও ২০২৩ সালে কোরিয়া ওপেন জিতেছিলেন আন। প্যারিস অলিম্পিকের পর শারীরিক অবস্থা সামলাতে ২০২৪ সালের আসরে খেলেননি। এরপর ২০২৫ সালে ফিরে ফাইনালে উঠলেও শিরোপা জেতেন ইয়ামাগুচি।
এ সপ্তাহে জিতলে দুটি মাইলফলক অর্জন করবেন আন: তৃতীয় কোরিয়া ওপেন শিরোপা এবং টানা দ্বিতীয় মৌসুমে ১১টি শিরোপা। গত বছর তার মোট শিরোপা ছিল জাপানের কেন্তো মোমোতা ২০১৯ সালে এককে জেতা ১১টি শিরোপার সমান।
২০১৮ সালে বিডব্লিউএফ ওয়ার্ল্ড ট্যুর শুরু হওয়ার পর টানা দুই মৌসুমে অন্তত ১১টি শিরোপা জেতা প্রথম খেলোয়াড়ও হবেন আন। এই কীর্তিতে পৌঁছাতে ইয়োসুতে তার আর তিনটি জয় দরকার।
ডিসেম্বরে বিডব্লিউএফ ওয়ার্ল্ড ট্যুর ফাইনালস রয়েছে তার সূচিতে। ১০ থেকে ১৫ নভেম্বর জাপানে হওয়ার কথা কুমামোতো মাস্টার্স, তবে সেটি থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন আন। ফলে কোরিয়া ওপেনের পরপরই আরেকটি টুর্নামেন্ট না খেলে বিরতি পাবেন তিনি। তার বর্তমান চোটের সুনির্দিষ্ট মূল্যায়ন জানানো হয়নি।
কোরিয়ার অন্য ফল ও বাকি সূচি
৫ নভেম্বর কোরিয়ার অন্য খেলোয়াড়দের অগ্রগতি ততটা ভালো ছিল না। এশিয়ান গেমসে ব্রোঞ্জজয়ী এবং ৩৭তম র্যাঙ্কিংয়ের পুরুষ এককের ইউ তে-বিন জাপানের ২১তম র্যাঙ্কিংয়ের ইউদাই ওকিমোতোর কাছে ১৫-২১, ২৫-২৭ ব্যবধানে হেরে যান।
শেষ ১৬-তে খেলা কোরিয়ার চারটি মিশ্র দ্বৈত জুটিই বাদ পড়েছে। তাদের মধ্যে কিম জে-হিয়ন ও জাং হা-জং চীনের গাও জিয়াশুয়ান ও উ মেংইংয়ের কাছে ১৪-২১, ১৯-২১ ব্যবধানে হেরেছেন।
আনের পরের ম্যাচ দিয়ে টুর্নামেন্টের শেষ পর্যায় শুরু হবে। ইউরোপের শিরোপা জয়ের পর ইয়োসুতে বাকি রাউন্ড পর্যন্ত তার পথ:
- অক্টোবর: ডেনমার্ক ওপেন ও ফ্রেঞ্চ ওপেন জিতে মৌসুমে ১০টি শিরোপা এবং টানা ৫০ ম্যাচে জয় অর্জন করেন আন।
- ৪ নভেম্বর: কোরিয়া ওপেনের উদ্বোধনী রাউন্ডে ৩৯ মিনিটে নালবান্তোভাকে ২১-৬, ২১-৮ ব্যবধানে হারান।
- ৫ নভেম্বর: ৩৬ মিনিটে লেটশানাকে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠেন এবং টানা জয়ের সংখ্যা ৫২-তে নেন।
- ৬ নভেম্বর: কোয়ার্টার ফাইনালে গুনজির মুখোমুখি হওয়ার কথা তার।
- ৭ নভেম্বর: ইয়োসুতে সেমিফাইনাল হওয়ার কথা।
- ৮ নভেম্বর: ফাইনালের মধ্য দিয়ে টুর্নামেন্ট শেষ হবে।
মূল বিষয়গুলো
- কারুপাথেভান লেটশানাকে ২১-১০, ২১-১২ ব্যবধানে হারিয়ে কোরিয়া ওপেনের কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছেন আন সে-ইয়ং।
- বিশ্বের এক নম্বর খেলোয়াড় টানা ৫২ ম্যাচে জিতেছেন। মৌসুমে তার রেকর্ড ৬৮ জয় ও এক হার।
- ৬ নভেম্বর জাপানের রিকো গুনজির মুখোমুখি হবেন তিনি। আগের সাক্ষাতে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে আন।
- ইয়োসুতে শিরোপা জিতলে মৌসুমে তার ১১তম এবং কোরিয়া ওপেনে তৃতীয় শিরোপা হবে।
- শারীরিক অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ থাকলেও অংশ নিয়েছেন আন। পরের সপ্তাহের কুমামোতো মাস্টার্স থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন তিনি।
- শেষ চার দিনের টিকিট শেষ হয়ে গেছে। কোরিয়া ওপেনের ফাইনাল হওয়ার কথা ৮ নভেম্বর।






