ভরা শপিং মল থেকে হংকংয়ের পাহাড়ি পথে দৌড়ানোর স্বপ্ন
বার্লিনে পাঁচ ঘণ্টার কম সময়ে প্রথম পূর্ণ ম্যারাথন শেষ করার পর হংকংয়ে দৌড়ের চ্যালেঞ্জ নেওয়ার আগ্রহ জানিয়েছেন দক্ষিণ কোরীয় অভিনেতা পার্ক বো-গাম। ১৫ অক্টোবর অ্যাডমিরাল্টির প্যাসিফিক প্লেসে এক ব্র্যান্ড অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, স্থানীয় কোনো দৌড়ে অংশ নেওয়ার আগে তাঁর যথেষ্ট ফিটনেস ও প্রশিক্ষণ প্রয়োজন হবে।
সূচিপত্র
- ভরা শপিং মল থেকে হংকংয়ের পাহাড়ি পথে দৌড়ানোর স্বপ্ন
- তিন তলার ভক্তদের ক্যান্টনিজে অভিবাদন
- বার্লিনের অভিজ্ঞতা, তবে প্রশিক্ষণই অগ্রাধিকার
- মার্চের ট্রেইল দৌড়ে আসলে কী কী আছে
- দৌড়বিদদের যে তারিখগুলো জানা দরকার
- অংশগ্রহণ ফি, বয়সসীমা ও পুরস্কার
- হংকংয়ের প্রাকৃতিক পরিবেশ কেন এই আলোচনার সঙ্গে মানানসই
- প্রস্তুতি মানে শুধু দূরত্ব বেছে নেওয়া নয়
- মূল বিষয়গুলো
অনুমান করা হয়েছে, অনুষ্ঠানে এক হাজারের বেশি ভক্ত জড়ো হয়েছিলেন; যদিও আরেকটি হিসাবে উপস্থিতির সংখ্যা কয়েক শ বলা হয়েছে। বিকেল প্রায় ৩টা ৪৫ মিনিটে তাঁর উপস্থিতির আগেই শপিং মলের তিনটি তলায় ভিড় জমে যায়। দুপুর ২টার আগেই ভক্তরা অনুষ্ঠানস্থল ভরিয়ে ফেলেছিলেন।
দৌড়ের বাইরেও হংকং নিয়ে আগ্রহ ছিল পার্কের। তিনি শহরের হাইকিংয়ের পথগুলো ঘুরে দেখতে চেয়েছিলেন এবং অনুষ্ঠানের সঞ্চালকের কাছে পরামর্শ চান। সংক্ষিপ্ত সফরে কোথাও ঘুরে আসার তেমন সুযোগ না থাকায়, শহরের প্রাকৃতিক পরিবেশ আরও ভালোভাবে দেখতে আবার আসার আশা প্রকাশ করেন তিনি।
তাঁর কথায় মার্চের একটি ট্রেইল চ্যালেঞ্জের প্রসঙ্গ আসে; তবে কথোপকথনের অন্য বর্ণনায় আলোচ্য দৌড়টির নাম বলা হয়েছে হংকং ম্যারাথন। পার্ক কোনো দৌড়ে নাম লেখানোর বা নির্দিষ্ট দূরত্ব বেছে নেওয়ার ঘোষণা দেননি। দ্য নর্থ ফেসের আনুষ্ঠানিক ক্যালেন্ডারে আলাদাভাবে বলা হয়েছে, তাদের হংকং ট্রেইল ইভেন্ট হবে ২০২৭ সালের ১৯ থেকে ২১ মার্চ; দৌড়ের দূরত্ব ১৪ থেকে ১০০ কিলোমিটার।
তিন তলার ভক্তদের ক্যান্টনিজে অভিবাদন
নীল ডাউন কোট পরে অনুষ্ঠানে এসে পার্ক ক্যান্টনিজে ভিড়কে অভিবাদন জানান। তাঁর এই অভ্যর্থনা, ছবি তোলা এবং ভক্তদের অটোগ্রাফ দেওয়ার সময়—সব মিলিয়ে অনুষ্ঠানটি সংক্ষিপ্ত মঞ্চ-সাক্ষাৎকারের চেয়ে অনেক বেশি কিছু হয়ে ওঠে।
প্রায় এক বছর পর হংকংয়ে ফিরে ভক্তদের উপস্থিতির জন্য ধন্যবাদ জানান অভিনেতা। ভিড় দেখে তাঁর প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে পার্ক বলেন:
এক বছর পর হংকংয়ে ফিরে আমি খুব খুশি। সবাইকে দেখে দারুণ লাগছে। আসার জন্য এবং পুরো জায়গাটা ভরিয়ে তোলার জন্য আপনাদের অনেক ধন্যবাদ।
ছবি তোলার সময় পার্ক হাত দিয়ে হার্ট ও বিজয়চিহ্ন দেখান, ভক্তদের উদ্দেশে মাথা নত করেন এবং দলীয় ছবির জন্য মেঝেতে বসেন। চলে যাওয়ার আগে তিনি অনুষ্ঠানস্থলে ঘুরে ভক্তদের দিকে হাত নাড়েন এবং কাছে গিয়ে অটোগ্রাফ দেন।
পোশাকের পছন্দ নিয়েও নিজের সহজ-সরল দিকটি তুলে ধরেন পার্ক। পর্দায় নানা ধরনের পোশাকে দেখা গেলেও তিনি জানান, ব্যক্তিগতভাবে নৈমিত্তিক ও আরামদায়ক পোশাকই তাঁর পছন্দ। পরেরবার দেখা হওয়ার আগে ভক্তদের সুস্বাস্থ্য ও আনন্দময় অভিজ্ঞতা কামনা করে এবং সঞ্চালকের জন্য করতালি দিতে বলে তিনি অনুষ্ঠান শেষ করেন।
বার্লিনের অভিজ্ঞতা, তবে প্রশিক্ষণই অগ্রাধিকার
সম্প্রতি বার্লিন ম্যারাথনে অংশ নেওয়ার অভিজ্ঞতা দৌড় নিয়ে পার্কের মন্তব্যের একটি বাস্তব ভিত্তি দিয়েছে। ৪২.১৯৫ কিলোমিটারের পূর্ণ ম্যারাথনটি তিনি পাঁচ ঘণ্টার কম সময়ে শেষ করেন। অবসর সময়ে দৌড়ানো ও হাইকিং করতেও তিনি পছন্দ করেন।
সড়কের ম্যারাথন ও ট্রেইল দৌড়ে দৌড়বিদদের ওপর ভিন্ন ধরনের চাপ পড়ে। ট্রেইলে অসমতল মাটি, চড়াই ও উৎরাই থাকতে পারে, তাই শুধু দূরত্ব দিয়ে পুরো চ্যালেঞ্জটি বোঝা যায় না। পাহাড়ি পথে ছোট দূরত্বেও গতি নিয়ন্ত্রণ ও প্রস্তুতির ধরন সড়কের দৌড়ের চেয়ে আলাদা হতে পারে।
যেকোনো দৌড়ে অংশ নেওয়ার শর্ত হিসেবে প্রশিক্ষণের কথা বলেছেন পার্ক। হংকংয়ের কোনো দৌড়ে অংশ নেওয়া প্রসঙ্গে অভিনেতা বলেন:
আমি সত্যিই অংশ নিতে চাই, তবে আমার যথেষ্ট সহনশক্তি ও প্রশিক্ষণ দরকার। সুযোগ পেলে চেষ্টা করে দেখতে চাই।
হাইকিংয়ের প্রতি তাঁর আগ্রহ ছিল আরও তাৎক্ষণিক এবং প্রতিযোগিতার সঙ্গে সম্পর্কহীন। সঞ্চালক অ্যাডমিরাল্টির কাছাকাছি কয়েকটি পথের পরামর্শ দিয়ে সেগুলোকে যাতায়াতে সুবিধাজনক ও মনোরম বলে উল্লেখ করেন। পার্ক তাঁকে ধন্যবাদ জানান এবং অন্য সফরে প্রস্তাবিত জায়গাগুলো ঘুরে দেখার আশা প্রকাশ করেন।
মার্চের ট্রেইল দৌড়ে আসলে কী কী আছে
দ্য নর্থ ফেসের আনুষ্ঠানিক ইভেন্ট ঘোষণায় বলা হয়েছে, ২০২৭ সালের হংকংয়ের দৌড়গুলো হবে তাই পো-র লাম ছুয়েনে উইশিং ট্রিতে। সূচিতে ব্যক্তিগতভাবে ১৪, ২৭, ৫৫ ও ১০০ কিলোমিটারের দৌড় রয়েছে; পাশাপাশি আছে ১০০ কিলোমিটারের রিলে।
আয়োজকেরা প্রতিযোগিতাকে দুটি স্তরে ভাগ করেছেন। অ্যাডভেঞ্চার স্তরে রয়েছে ১৪ ও ২৭ কিলোমিটারের দৌড়। সামিট স্তরে রয়েছে ব্যক্তিগতভাবে ৫৫ ও ১০০ কিলোমিটারের দৌড় এবং রিলে। আলট্রাম্যারাথন হলো প্রচলিত ম্যারাথনের দূরত্বের চেয়ে দীর্ঘ দৌড়; ফলে ব্যক্তিগত ৫৫ ও ১০০ কিলোমিটারের দৌড় দুটিই এই শ্রেণিতে পড়ে।
নতুন চালু হওয়া ২৭ কিলোমিটারের পথটি পাক তাই তো ইয়ান, ড্রাগন হিল ও ক্লাউডি হিলের মধ্য দিয়ে গেছে। আয়োজকদের বর্ণনায়, পথটিতে উচ্চতার তারতম্য তুলনামূলক কম এবং দীর্ঘ দৌড়ানোর উপযোগী অংশ রয়েছে। যাঁদের ট্রেইলে দৌড়ানোর কিছু অভিজ্ঞতা আছে এবং আরও কঠিন চ্যালেঞ্জ চান, তাঁদের জন্য এটি তৈরি করা হয়েছে।
তুলনা করলে, ১০০ কিলোমিটার হলো বার্লিনে পার্কের দৌড়ানো ৪২.১৯৫ কিলোমিটারের দ্বিগুণেরও বেশি। ২৭ কিলোমিটারের পথ ম্যারাথনের চেয়ে ছোট, তবে এতে নাম উল্লেখ করা তিনটি চূড়া থাকায় চড়াই-উতরাইয়ের জন্য প্রস্তুতিও প্রয়োজন।
দৌড়বিদদের যে তারিখগুলো জানা দরকার
আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, জনসাধারণের নিবন্ধন ২০২৬ সালের ১০ আগস্ট বিকেল ৪টায় শুরু হবে এবং নিবন্ধনের ক্রমানুসারে অংশগ্রহণের স্থান বরাদ্দ করা হবে। ব্যক্তিগত দৌড়ের ছাড়মূল্য ২০২৬ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। এরপর ২০২৭ সালের মার্চে তিন দিন ধরে দৌড়গুলো অনুষ্ঠিত হবে।
- ১০ আগস্ট, ২০২৬: বিকেল ৪টায় জনসাধারণের নিবন্ধন শুরু।
- ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬: ব্যক্তিগত দৌড়ের ছাড়মূল্যের সময়সীমা শেষ।
- ১৯ মার্চ, ২০২৭: ২৭ কিলোমিটারের দৌড় শুরু সকাল ১১টায়। ব্যক্তিগত ১০০ কিলোমিটারের দৌড় ও রিলে শুরু রাত ১০টায়।
- ২০ মার্চ, ২০২৭: ৫৫ কিলোমিটারের দৌড় শুরু সকাল ৮টায়।
- ২১ মার্চ, ২০২৭: ১৪ কিলোমিটারের দৌড় শুরু সকাল ৯টায়।
১০০ কিলোমিটারের দৌড় ও রিলে রাতে শুরু হওয়ায় এ দৌড়গুলোর প্রথম অংশ হবে অন্ধকারে। কোন দূরত্বটি নিজের অভিজ্ঞতার সঙ্গে মানানসই, তা বিবেচনার ক্ষেত্রে এ সময়সূচিও অংশগ্রহণকারীদের জন্য বাস্তবিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ।
অংশগ্রহণ ফি, বয়সসীমা ও পুরস্কার
ব্যক্তিগত দৌড়ের নিবন্ধন ফি ছাড়মূল্যের সময়ে ১৪ কিলোমিটারের জন্য ৩৮০ হংকং ডলার থেকে শুরু করে ১০০ কিলোমিটারের সাধারণ নিবন্ধনের জন্য ১,৬৫০ হংকং ডলার পর্যন্ত। ছাড়ের সময় শেষ হলে ছোট দূরত্বের দৌড়টির ফি বেড়ে ৪৮০ হংকং ডলার হবে। ২৭ কিলোমিটারের দৌড়ের প্রাথমিক ফি ৪৮০ হংকং ডলার এবং সাধারণ ফি ৫৮০ হংকং ডলার।
ছাড়মূল্যের সময়ে ৫৫ কিলোমিটারের দৌড়ের ফি ৭৫০ হংকং ডলার, পরে ৯০০ হংকং ডলার। ব্যক্তিগত ১০০ কিলোমিটারের দৌড়ের ক্ষেত্রে ফি যথাক্রমে ১,৪০০ ও ১,৬৫০ হংকং ডলার। রিলে দলের নিবন্ধন ফি ১,৮০০ হংকং ডলার।
রেসের দিন ২৭, ৫৫ ও ১০০ কিলোমিটারের দৌড় এবং রিলেতে অংশগ্রহণকারীদের বয়স কমপক্ষে ১৮ বছর হতে হবে। ১৪ কিলোমিটারের দৌড়ে বয়সসীমা ১৫ বছর। ১৮ বছরের কম বয়সীদের নিবন্ধনের সময় অভিভাবক বা আইনগত দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তির সম্মতিপত্র দিতে হবে।
আয়োজকদের তালিকায় ব্যক্তিগত ২৭ ও ১০০ কিলোমিটারের দৌড়ে প্রতিটিতে ৫০০টি, ৫৫ কিলোমিটারের দৌড়ে ১,১০০টি এবং রিলেতে ১০০টি দলের স্থান রয়েছে। ১৪ কিলোমিটারের দৌড়ের জন্য তাদের পৃষ্ঠায় দুটি আলাদা সংখ্যা দেওয়া হয়েছে: মূল তালিকায় ১,২০০ এবং একই ইংরেজি তালিকার পুনরাবৃত্ত অংশে ১,১০০। ফলে এ বিভাগে অংশগ্রহণকারীর সর্বোচ্চ সংখ্যা স্পষ্ট নয়।
ব্যক্তিগত ১০০ কিলোমিটারের দৌড়ে পুরুষ ও নারী বিভাগের প্রথম তিনজনের মধ্যে মোট ৬০ হাজার হংকং ডলারের নগদ পুরস্কার বরাদ্দ রয়েছে। অন্য ব্যক্তিগত দূরত্বের দৌড় এবং রিলেতে শীর্ষস্থানীয়রা শপিং ভাউচার পাবেন; এ ছাড়া অন্য কৃতী প্রতিযোগীদের জন্যও পুরস্কারের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
হংকংয়ের প্রাকৃতিক পরিবেশ কেন এই আলোচনার সঙ্গে মানানসই
হংকং ট্যুরিজম বোর্ডের ট্রেইলে দৌড়ানোর নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, শহরটির আয়তন ১,১০৮ বর্গকিলোমিটার। এর প্রায় তিন-চতুর্থাংশই গ্রামীণ এলাকা এবং এখানে রয়েছে ২৪টি কান্ট্রি পার্ক। পার্কের অ্যাডমিরাল্টির অনুষ্ঠানের আশপাশের দোকানপাট ও ঘনবসতিপূর্ণ সড়কের চেয়ে এই পরিবেশ দর্শনার্থীদের ভিন্ন এক অভিজ্ঞতা দিতে পারে।
চারটি প্রধান হাইকিংয়ের পথে মোট ২৯৮ কিলোমিটার ট্রেইল রয়েছে: ১০০ কিলোমিটারের ম্যাকলেহোজ ট্রেইল, ৭৮ কিলোমিটারের উইলসন ট্রেইল, ৫০ কিলোমিটারের হংকং ট্রেইল এবং ৭০ কিলোমিটারের লানতাউ ট্রেইল। বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, চারটি পথেই গণপরিবহনে যাওয়া যায়।
এই পথগুলো থেকে বোঝা যায়, প্রাকৃতিক এলাকাগুলো শহরজুড়ে কতটা বিস্তৃত। ম্যাকলেহোজ ট্রেইল সাই কুংয়ের পাক তাম চুং থেকে তুয়েন মুন পর্যন্ত গেছে। হংকং ট্রেইল দ্য পিক থেকে তাই লং ওয়ান পর্যন্ত হংকং দ্বীপ অতিক্রম করেছে; আর লানতাউ ট্রেইল একটি বৃত্তাকার পথ, যা মুয়ি ও-তে শুরু ও শেষ হয়।
হংকংয়ে আয়োজিত ট্রেইল দৌড়ের ইতিহাসে রয়েছে বার্ষিক অক্সফ্যাম ট্রেইলওয়াকার, যা ১৯৮৬ সালে ম্যাকলেহোজ ট্রেইল ধরে শুরু হয়েছিল। ট্যুরিজম বোর্ড শহরের ইভেন্টগুলোর মধ্যে ইউটিএমবির ট্রান্সলানতাউয়ের কথাও উল্লেখ করেছে এবং জানিয়েছে, এটি ইউটিএমবি প্রতিযোগিতার জন্য বাছাইপর্বের দৌড়।
প্রস্তুতি মানে শুধু দূরত্ব বেছে নেওয়া নয়
দৌড় শুরু করার আগে পথ ও এর উচ্চতার তারতম্য সম্পর্কে জেনে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে ট্যুরিজম বোর্ড। কোনো পথে কতটা চড়াই-উতরাই রয়েছে, তা বোঝায় উচ্চতার তারতম্য; পাহাড়ি পথের সঙ্গে সড়কের দৌড় তুলনা করার ক্ষেত্রে এটি গুরুত্বপূর্ণ।
বোর্ডের নির্দেশিকায় উপযুক্ত গ্রিপযুক্ত জুতা, আবহাওয়ার পরিবর্তনের উপযোগী পোশাক, পর্যাপ্ত পানি ও খাবার এবং জিপিএস ও মানচিত্রের সুবিধাসহ পুরোপুরি চার্জ করা যোগাযোগের যন্ত্র রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। নতুনদের দলবদ্ধভাবে দৌড়ানো, একা না যাওয়া এবং পাহাড়ের খাড়া কিনারা ও প্রবাহিত স্রোতের মতো বিপজ্জনক জায়গা এড়িয়ে চলার পরামর্শও দেওয়া হয়েছে।
বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, নির্দেশক চিহ্ন, দূরত্বের মাইলফলক এবং জরুরি কল স্টেশনগুলো গ্রামীণ এলাকায় পথ চিনতে দৌড়বিদদের সহায়তা করে। ফিটনেস ও প্রশিক্ষণের ওপর পার্কের নিজের জোর দেওয়াও সম্ভাব্য অংশগ্রহণকারীদের সামনে থাকা বাস্তব সিদ্ধান্তটির সঙ্গে মেলে: নিজের প্রস্তুতি, হাতে থাকা সময় ও অভিজ্ঞতার সঙ্গে মানানসই পথ বেছে নেওয়া।
মূল বিষয়গুলো
- ১৫ অক্টোবর অ্যাডমিরাল্টির প্যাসিফিক প্লেসে ক্যান্টনিজে ভক্তদের অভিবাদন জানান পার্ক বো-গাম; ছবি তোলা ও অটোগ্রাফ দেওয়ার জন্যও সময় দেন তিনি।
- বার্লিনে নিজের প্রথম ম্যারাথন পাঁচ ঘণ্টার কম সময়ে শেষ করার পর যথেষ্ট প্রশিক্ষণ সাপেক্ষে হংকংয়ের দৌড়ের চ্যালেঞ্জে অংশ নেওয়ার আগ্রহ জানান তিনি।
- দ্য নর্থ ফেসের সূচিতে ২০২৭ সালের ১৯ থেকে ২১ মার্চ তাই পোতে হংকং ট্রেইল ইভেন্টের কথা রয়েছে; ব্যক্তিগত দৌড়ের দূরত্ব ১৪ থেকে ১০০ কিলোমিটার, পাশাপাশি আছে রিলে।
- নিবন্ধন ২০২৬ সালের ১০ আগস্ট বিকেল ৪টায় শুরু হওয়ার কথা; ব্যক্তিগত দৌড়ে ছাড়মূল্য থাকবে ১৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত।
- হংকংয়ের চারটি প্রধান হাইকিং ট্রেইলের মোট দৈর্ঘ্য ২৯৮ কিলোমিটার। ট্যুরিজম বোর্ড সতর্কতার সঙ্গে পথ পরিকল্পনা, উপযুক্ত সরঞ্জাম এবং অন্যদের সঙ্গে দৌড়ানোর পরামর্শ দেয়।






