৪ নভেম্বর থেকে নগদ সহায়তা বিতরণ শুরু
সুমবাঙ্গান তুনাই রাহমাহ (STR)-এর চতুর্থ ধাপে মালয়েশিয়া ৫৪ লাখ উপকারভোগীর মধ্যে ১.১ বিলিয়ন রিঙ্গিত বিতরণ করছে। বিদ্যমান উপকারভোগীরা ২০২৬ সালের ৪ থেকে ৬ নভেম্বরের মধ্যে সহায়তার অর্থ পাবেন। নতুন অনুমোদিত আবেদনকারী এবং যাঁদের আপিল মঞ্জুর হয়েছে, তাঁরা ১৬ নভেম্বর থেকে অর্থ পেতে শুরু করবেন।
সূচিপত্র
- ৪ নভেম্বর থেকে নগদ সহায়তা বিতরণ শুরু
- কারা কত টাকা পাবেন?
- উপকারভোগীদের জন্য দুটি তারিখ গুরুত্বপূর্ণ
- দীপাবলির ঘোষণা, সব সম্প্রদায়ের জন্য সহায়তা
- ১৬ লাখ ৮০ হাজার উপকারভোগীকে তথ্য হালনাগাদের অনুরোধ
- অর্থ বিতরণের সঙ্গে প্রতারণা নিয়ে সতর্কবার্তা
- সহায়তার বাজেট যেভাবে বেড়েছে
- ভারতীয় সম্প্রদায়ের জন্য দক্ষতা ও ব্যবসায় অর্থায়ন
- স্কুল মেরামত ও উপাসনালয়ের জন্যও বরাদ্দ
- মূল তথ্য
অর্থ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এই ধাপে মাসে ৫,০০০ রিঙ্গিত বা তার কম আয় করেন এমন ৪০ লাখ পরিবার এবং স্বামী বা স্ত্রী নেই এমন ১৪ লাখ প্রবীণ নাগরিক সহায়তা পাচ্ছেন। যোগ্য পরিবারগুলো তাদের শ্রেণি অনুযায়ী সর্বোচ্চ ৫০০ রিঙ্গিত পাবে। স্বামী বা স্ত্রী নেই এমন যোগ্য প্রবীণ নাগরিকেরা পাবেন ১৫০ রিঙ্গিত।
অর্থমন্ত্রীও এমন প্রধানমন্ত্রী দাতুক সেরি আনোয়ার ইব্রাহিম ৪ নভেম্বর কুয়ালালামপুরের ব্রিকফিল্ডসে দীপাবলি মেগা বাজার ২০২৬ পরিদর্শনে গিয়ে এই অর্থ বিতরণের ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, দীপাবলির আগে পরিবারের ব্যয় সামলাতে সহায়তা করাই এই উদ্যোগের উদ্দেশ্য। পাশাপাশি, দৈনন্দিন প্রয়োজন এবং বছরের শেষভাগের খরচ মেটাতেও এটি উপকারভোগীদের সহায়তা করবে।
বাজারে দেওয়া বক্তব্যে অর্থ বিতরণের সময় ও পরিমাণ সম্পর্কে আনোয়ার বলেন:
তাই দীপাবলি উপলক্ষে আমি ঘোষণা করছি, আজ থেকে ৬ নভেম্বর পর্যন্ত ৫০ লাখের বেশি মানুষের মধ্যে মোট ১.১ বিলিয়ন রিঙ্গিত STR সহায়তা বিতরণ করা হবে,
কারা কত টাকা পাবেন?
এই ধাপে ৫৪ লাখ উপকারভোগীর মধ্যে ৪০ লাখই পরিবার, যা মোট উপকারভোগীর প্রায় ৭৪ শতাংশ। বাকি ২৬ শতাংশ, অর্থাৎ ১৪ লাখ উপকারভোগী, স্বামী বা স্ত্রী নেই এমন প্রবীণ নাগরিক। এই দুই শ্রেণি মিলেই মন্ত্রণালয়ের মোট উপকারভোগীর সংখ্যা।
এ দফায় পরিবারপ্রতি সর্বোচ্চ ৫০০ রিঙ্গিত দেওয়া হবে। প্রতিটি পরিবার কত টাকা পাবে, তা নির্ভর করবে তাদের যোগ্যতার শ্রেণির ওপর। স্বামী বা স্ত্রী নেই এমন যোগ্য প্রবীণ নাগরিকদের জন্য মন্ত্রণালয় ১৫০ রিঙ্গিত দেওয়ার কথা জানিয়েছে।
STR নগদ সহায়তা: উপকারভোগীরা ব্যাংক হিসাবে অর্থ পাবেন, অথবা নগদে সংগ্রহ করবেন। খাবার, যাতায়াত, ইউটিলিটি বিল ও উৎসবের খরচ সামলানো পরিবারের বাজেটে এই অর্থ যোগ হবে, বিশেষ করে যখন একই সময়ে একাধিক খরচের চাপ আসতে পারে।
উপকারভোগীদের জন্য দুটি তারিখ গুরুত্বপূর্ণ
বিদ্যমান উপকারভোগী ও নতুন অনুমোদিত আবেদনকারীদের অর্থ পাওয়ার সময়সূচি আলাদা। মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বিদ্যমান উপকারভোগীদের তিন দিনে ধাপে ধাপে অর্থ দেওয়া হবে। পরের দলের বিতরণ শুরু হবে নভেম্বরের পরের দিকে।
- ৯ অক্টোবর, ২০২৬: ২০২৭ সালের বাজেটে আনোয়ার ঘোষণা দেন, পরের বছর STR ও সুমবাঙ্গান আসাস রাহমাহর (SARA) সম্মিলিত বরাদ্দ বেড়ে ১৬ বিলিয়ন রিঙ্গিত হবে।
- ৪ নভেম্বর, ২০২৬: ব্রিকফিল্ডসে আনোয়ারের ঘোষণার পাশাপাশি STR-এর চতুর্থ ধাপের অর্থ বিতরণ শুরু হয়।
- ৪ থেকে ৬ নভেম্বর, ২০২৬: বিদ্যমান STR উপকারভোগীদের অর্থ দেওয়ার সময় নির্ধারিত হয়েছে।
- ১৬ নভেম্বর, ২০২৬: নতুন অনুমোদিত আবেদনকারী এবং আপিলে সফল ব্যক্তিদের অর্থ বিতরণ শুরু হবে।
যাঁদের ব্যাংক হিসাব আছে, তাঁরা সরাসরি সেই হিসাবে অর্থ পাবেন। ব্যাংক হিসাব নেই এমন ব্যক্তিরা ব্যাংক সিম্পানান ন্যাশনাল (BSN)-এর শাখা থেকে নগদে অর্থ সংগ্রহ করতে পারবেন।
ধাপে ধাপে অর্থ দেওয়ার কারণে বিদ্যমান উপকারভোগীরা ৪ থেকে ৬ নভেম্বরের মধ্যে ভিন্ন ভিন্ন দিনে অর্থ পেতে পারেন। নতুন উপকারভোগী ও আপিলে সফল ব্যক্তিদের জন্য ১৬ নভেম্বর থেকে অর্থ দেওয়া শুরু হবে; তাঁদের অর্থ বিতরণ কবে শেষ হবে, তা মন্ত্রণালয় জানায়নি।
দীপাবলির ঘোষণা, সব সম্প্রদায়ের জন্য সহায়তা
আনোয়ারের তথ্য অনুযায়ী, দেশজুড়ে ভারতীয় সম্প্রদায়ের ৬ লাখ ৩০ হাজারের বেশি সদস্য STR পান। জাতীয় পর্যায়ে কর্মসূচিটির মোট উপকারভোগীর মধ্যে তাঁদের অংশ ৭.৪ শতাংশ বলে তিনি উল্লেখ করেন। দীপাবলির আগে সরকারি সহায়তা পাওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে তাঁরাও রয়েছেন বলে জানান তিনি।
দেশজুড়ে STR উপকারভোগীদের ক্ষেত্রে ৭.৪ শতাংশের হিসাবটি প্রযোজ্য। অন্যদিকে, মন্ত্রণালয়ের উল্লেখ করা ৫৪ লাখ হলো এই চতুর্থ দফার উপকারভোগীর সংখ্যা। তাই দুটি পরিসংখ্যানের ভিত্তি আলাদা।
আনোয়ার বলেন, জাতিগত ও ধর্মীয় পরিচয় নির্বিশেষে এবং শহর ও গ্রামে বসবাসকারী মানুষ এই সহায়তার যোগ্য হতে পারেন। জাতীয় আয়ের একটি অংশ প্রয়োজন আছে এমন মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার উপায় হিসেবে তিনি STR ও সুমবাঙ্গান আসাস রাহমাহকে (SARA) উল্লেখ করেন।
ব্রিকফিল্ডস পরিদর্শনে আনোয়ারের সঙ্গে ছিলেন যোগাযোগমন্ত্রী দাতুক সেরি ফাহমি ফাদজিল, প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের ফেডারেল টেরিটরিবিষয়ক মন্ত্রী হান্না ইয়োহ, মানবসম্পদমন্ত্রী দাতুক সেরি আর. রামানন এবং ডিজিটালমন্ত্রী গোবিন্দ সিং দেও।
১৬ লাখ ৮০ হাজার উপকারভোগীকে তথ্য হালনাগাদের অনুরোধ
অর্থ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ১৬ লাখ ৮০ হাজার STR উপকারভোগী টানা তিন বছর তাঁদের আবেদনসংক্রান্ত তথ্য হালনাগাদ করেননি। ২০২৭ সালের জন্য তাঁদের যোগ্যতা পুনর্মূল্যায়ন করা সম্ভব করতে তথ্য হালনাগাদের কথা জানিয়ে তাঁদের এসএমএস পাঠানো হয়েছে।
এই এসএমএস পাওয়া উপকারভোগীদের সরকারি STR পোর্টাল bantuantunai.hasil.gov.my-তে তথ্য হালনাগাদ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। যোগ্য ব্যক্তিদের কাছে অর্থ বিতরণ অব্যাহত রাখা নিশ্চিত করতে হালনাগাদ তথ্য প্রয়োজন বলে জানিয়েছে মন্ত্রণালয়।
আবেদনকারীর সর্বশেষ তথ্য ব্যবহার করে কর্মসূচির শর্ত পূরণ হচ্ছে কি না, তা যাচাই করাই যোগ্যতা পর্যালোচনার উদ্দেশ্য। তিন বছর ধরে যাঁরা নিজেদের তথ্য হালনাগাদ করেননি, ২০২৭ সালের মূল্যায়নের আগে তাঁদের সেই তথ্য হালনাগাদ করার অনুরোধ জানিয়েছে মন্ত্রণালয়।
ঘোষণায় তথ্য হালনাগাদের কোনো শেষ সময়সীমা উল্লেখ করেনি মন্ত্রণালয়। কর্মসূচি সম্পর্কে অবস্থা যাচাই, বিস্তারিত তথ্য এবং প্রায়ই জিজ্ঞাসিত প্রশ্নের উত্তর পেতে উপকারভোগীরা STR পোর্টাল ব্যবহার করতে পারেন।
অর্থ বিতরণের সঙ্গে প্রতারণা নিয়ে সতর্কবার্তা
অর্থ মন্ত্রণালয় প্রতারণামূলক লিংক এবং কেলেঙ্কারির মাধ্যমে অর্থ বা তথ্য হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা সম্পর্কেও উপকারভোগীদের সতর্ক করেছে। অর্থ বিতরণের তথ্য ও হালনাগাদ জানতে সরকারি মাধ্যমের ওপর নির্ভর করার আহ্বান জানিয়েছে মন্ত্রণালয়।
উপকারভোগীরা যখন অর্থ পাওয়ার তারিখ যাচাই করছেন, তখনই এই সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে। তাঁদের কেউ কেউ তথ্য হালনাগাদের বিষয়ে প্রকৃত এসএমএসও পাচ্ছেন। আবেদনসংক্রান্ত তথ্যের জন্য মন্ত্রণালয় আবেদনকারীদের STR পোর্টালে এবং SARA-সংক্রান্ত তথ্যের জন্য sara.gov.my-তে যেতে বলেছে।
ব্রাউজারে সরকারি ওয়েবসাইটের ঠিকানা সরাসরি লিখে এসব সেবা ব্যবহার করা যায়। এতে কোনো বার্তায় অপ্রত্যাশিত লিংক অনুসরণ না করেও তথ্য যাচাই করা সম্ভব।
সহায়তার বাজেট যেভাবে বেড়েছে
STR ও SARA-র সম্মিলিত বরাদ্দ ২০২৬ সালে ১৫ বিলিয়ন রিঙ্গিত। ২০২৭ সালের বাজেট অনুযায়ী, তা বেড়ে ১৬ বিলিয়ন রিঙ্গিত হবে। বৃদ্ধি ১ বিলিয়ন রিঙ্গিত, অর্থাৎ দুই বছরের বরাদ্দের হিসাব অনুযায়ী প্রায় ৬.৭ শতাংশ।
আনোয়ার ক্রমবর্ধমান সহায়তা বাজেটের সঙ্গে ২০১৮ সালে বানতুয়ান রাকইয়াত ১মালয়েশিয়া (BR1M)-এর আওতায় বরাদ্দ ৬ বিলিয়ন রিঙ্গিত এবং ২০২২ সালে বানতুয়ান কেলুয়ার্গা মালয়েশিয়া (BKM)-এর আওতায় বরাদ্দ ৮ বিলিয়ন রিঙ্গিতের তুলনা করেন। এই পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৭ সালে STR ও SARA-র জন্য পরিকল্পিত ১৬ বিলিয়ন রিঙ্গিত বরাদ্দ ২০২২ সালে BKM-এর জন্য বরাদ্দ ৮ বিলিয়ন রিঙ্গিতের দ্বিগুণ।
অর্থ মন্ত্রণালয় আরও বলেছে, ২০২৬ সালের ১৫ বিলিয়ন রিঙ্গিত বরাদ্দ ২০১৬ সালে BR1M-এর মাধ্যমে দেওয়া অর্থের প্রায় তিন গুণ। এই তুলনায় আনোয়ারের উল্লেখ করা ২০১৮ সালের বদলে BR1M-এর ২০১৬ সালের পরিসংখ্যান ব্যবহার করা হয়েছে।
ঘোষণার সময় পর্যন্ত STR ও SARA-র আওতায় মোট ১২ বিলিয়ন রিঙ্গিত বিতরণ করা হয়েছিল। অন্যদিকে, STR-এর প্রথম থেকে তৃতীয় ধাপ পর্যন্ত বিতরণ করা অর্থের পরিমাণ ৩.৬ বিলিয়ন রিঙ্গিত। নতুন ১.১ বিলিয়ন রিঙ্গিতের চতুর্থ ধাপ মিলিয়ে STR-এর ঘোষিত চার দফার মোট অর্থের পরিমাণ দাঁড়ায় ৪.৭ বিলিয়ন রিঙ্গিত।
আনোয়ার বলেন, আসন্ন ব্যবস্থায় সর্বোচ্চ ৯০ লাখ STR উপকারভোগী মাসে সর্বোচ্চ ১৫০ রিঙ্গিত SARA সহায়তা পাওয়ার যোগ্য হবেন। মাসে সর্বোচ্চ এই অর্থ ধরে ১২ মাসে একজন উপকারভোগীর সহায়তার পরিমাণ হবে ১,৮০০ রিঙ্গিত।
ভারতীয় সম্প্রদায়ের জন্য দক্ষতা ও ব্যবসায় অর্থায়ন
ব্রিকফিল্ডস পরিদর্শনে আনোয়ার ভারতীয় সম্প্রদায়ের জন্য অন্যান্য সহায়তার কথাও তুলে ধরেন। তিনি বলেন, সহায়তা মালয়েশিয়ান ইন্ডিয়ান ট্রান্সফরমেশন ইউনিটের (Mitra) মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। Mitra-র বার্ষিক বরাদ্দ ১০০ মিলিয়ন থেকে বেড়ে ১৫০ মিলিয়ন রিঙ্গিত হয়েছে। এই বৃদ্ধি ৫০ মিলিয়ন রিঙ্গিত, অর্থাৎ ৫০ শতাংশ।
বাড়তি অর্থায়নে ভারতীয় তরুণদের দক্ষতা প্রশিক্ষণ ও কর্মসংস্থানের সুযোগকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। আনোয়ার শিল্পকারখানার স্বয়ংক্রিয়করণ, প্রযুক্তি এবং উড়োজাহাজ রক্ষণাবেক্ষণকে অগ্রাধিকারের ক্ষেত্র হিসেবে উল্লেখ করেন। এভাবে নির্দিষ্ট ধরনের কাজের প্রশিক্ষণের সঙ্গে বরাদ্দকে যুক্ত করা হয়েছে।
ভারতীয় উদ্যোক্তাদের জন্য মোট ১৫০ মিলিয়ন রিঙ্গিত অর্থায়ন রয়েছে। এর মধ্যে ১০০ মিলিয়ন রিঙ্গিত দেওয়া হচ্ছে তেকুন ন্যাশনালের ইন্ডিয়ান কমিউনিটি এন্টারপ্রেনার ডেভেলপমেন্ট স্কিমের (SPUMI) মাধ্যমে। বাকি ৫০ মিলিয়ন রিঙ্গিত আমানাহ ইখতিয়ার মালয়েশিয়ার (AIM) ক্ষুদ্রঋণ কর্মসূচির মাধ্যমে ভারতীয় নারী উদ্যোক্তাদের জন্য রাখা হয়েছে।
এই উদ্যোগগুলো STR-এর চেয়ে ভিন্ন চাহিদা পূরণ করে। নগদ সহায়তা পরিবারের খরচ মেটাতে সাহায্য করে, প্রশিক্ষণ কর্মসূচি দক্ষতা ও কর্মসংস্থানে গুরুত্ব দেয়, আর ব্যবসায় অর্থায়ন উদ্যোক্তাদের তহবিল পাওয়ার সুযোগ করে দেয়।
স্কুল মেরামত ও উপাসনালয়ের জন্যও বরাদ্দ
তামিল জাতীয় ধরনের প্রাথমিক বিদ্যালয়, যেগুলো SJKTs নামে পরিচিত, সেগুলোর রক্ষণাবেক্ষণ ও মেরামতের জন্য সরকার অতিরিক্ত ৫০ মিলিয়ন রিঙ্গিত বরাদ্দ করেছে। আনোয়ার বলেন, স্কুলসংক্রান্ত উদ্যোগের মধ্যে জোহরের ক্লুয়াংয়ে SJKT লাদাং পামোলের সম্পূর্ণ নতুন ভবন নির্মাণ এবং ছয়টি নতুন SJKT প্রকল্প রয়েছে।
প্রকল্পগুলোর মধ্যে পেনাংয়ের সুংগাই বাকাপ এবং পেরাকের ক্লেবাংয়ের স্কুল রয়েছে। ঘোষণায় বলা হয়েছে, কয়েকটির কাজ প্রায় শেষ। পরিবারকে সহায়তা, প্রশিক্ষণ ও উদ্যোক্তা উন্নয়নের জন্য আলাদা বরাদ্দের পাশাপাশি এই অর্থ স্কুলের অবকাঠামোগত চাহিদা পূরণে ব্যয় হবে।
আনোয়ার আরও বলেন, ২০২৬ সালে মন্দির ও উপাসনালয়ের জন্য অতিরিক্ত ৮০ মিলিয়ন রিঙ্গিত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। দীপাবলি উপলক্ষে পরিদর্শনের সময় ঘোষিত বিভিন্ন সহায়তার মধ্যে যোগ্য উপকারভোগীদের তাৎক্ষণিক নগদ সহায়তা দিচ্ছে STR।
মূল তথ্য
- STR-এর চতুর্থ ধাপে ৫৪ লাখ উপকারভোগীর মধ্যে ১.১ বিলিয়ন রিঙ্গিত বিতরণ করা হচ্ছে।
- বিদ্যমান উপকারভোগীরা ২০২৬ সালের ৪ থেকে ৬ নভেম্বরের মধ্যে অর্থ পাওয়ার কথা। নতুন উপকারভোগী এবং আপিলে সফল ব্যক্তিদের অর্থ বিতরণ শুরু হবে ১৬ নভেম্বর।
- যোগ্য পরিবারগুলো সর্বোচ্চ ৫০০ রিঙ্গিত এবং স্বামী বা স্ত্রী নেই এমন যোগ্য প্রবীণ নাগরিকেরা ১৫০ রিঙ্গিত পাবেন।
- অর্থ সরাসরি ব্যাংক হিসাবে জমা হবে। ব্যাংক হিসাব নেই এমন উপকারভোগীরা BSN শাখা থেকে নগদে তা সংগ্রহ করতে পারবেন।
- টানা তিন বছর তথ্য হালনাগাদ করেননি এমন ১৬ লাখ ৮০ হাজার উপকারভোগীকে ২০২৭ সালের যোগ্যতা পর্যালোচনার আগে তথ্য হালনাগাদ করতে বলেছে অর্থ মন্ত্রণালয়।
- STR ও SARA-র সম্মিলিত বরাদ্দ ২০২৬ সালের ১৫ বিলিয়ন রিঙ্গিত থেকে বেড়ে ২০২৭ সালে ১৬ বিলিয়ন রিঙ্গিত হবে।
- উপকারভোগীদের সরকারি পোর্টাল ব্যবহার করতে এবং প্রতারণামূলক লিংক সম্পর্কে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।






