তোয়া পায়োহ ওয়েস্টে ৬,০০০টির বেশি বাসা, নতুন শপিং মল ও প্রথম কমিউনিটি কেয়ার অ্যাপার্টমেন্টের পরিকল্পনা

পড়তে 8 মিনিট
Toa Payoh West Plans More Than 6,000 Homes, New Mall and First Community Care Apartments

ক্যালডেকট এমআরটি ঘিরে নতুন কেন্দ্র

আগামী দশকে তোয়া পায়োহ ওয়েস্টে ৬,০০০টির বেশি বাসা নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। এর শুরু হবে ২০২৬ সালের নভেম্বরে আবাসন প্রকল্পের বিক্রয় কার্যক্রম দিয়ে। এতে থাকবে এলাকার প্রথম ২৬০টি কমিউনিটি কেয়ার অ্যাপার্টমেন্ট। ক্যালডেকট এমআরটি স্টেশন ঘিরে নতুন সুবিধাগুলো কেন্দ্রীভূত করার পরিকল্পনায় রয়েছে একটি শপিং মল, ১.২ হেক্টরের একটি ওয়েলনেস পার্ক এবং সম্ভাব্য একটি স্কুল।

সূচিপত্র
  1. ক্যালডেকট এমআরটি ঘিরে নতুন কেন্দ্র
  2. প্রথম আবাসন প্রকল্পে যা থাকবে
  3. কেয়ার অ্যাপার্টমেন্টে ঘরের কাছেই সহায়তা
  4. পর্যালোচনায় শপিং মল ও স্কুল
  5. ব্যায়াম ও নিরিবিলি সময় কাটানোর পার্ক
  6. যেভাবে গড়ে উঠবে হিলসাইড গার্ডেনস
  7. হাঁটার পথে নতুন ও পুরোনো এলাকার সংযোগ
  8. সুবিধা ও নির্মাণকাজ নিয়ে বাসিন্দাদের ভাবনা
  9. যে তারিখ ও প্রকল্পগুলোর দিকে নজর রাখতে হবে
  10. মূল বিষয়গুলো

জাতীয় উন্নয়নমন্ত্রী চি হং তাত ২০২৬ সালের ৩১ অক্টোবর এই মহাপরিকল্পনা প্রকাশ করেন। স্থান ছিল এইচডিবি হাব। হাউজিং অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট বোর্ড (এইচডিবি) জানিয়েছে, এই এলাকায় মূলত সরকারি আবাসন থাকবে, পাশাপাশি কিছু বেসরকারি বাসাও থাকবে। এর মাধ্যমে তোয়া পায়োহ সেন্ট্রালের পর কার্যক্রমের দ্বিতীয় কেন্দ্র গড়ে উঠবে।

প্রথম প্রকল্প তোয়া পায়োহ হিলসাইডে ৩১ থেকে ৪৩ তলা পর্যন্ত পাঁচটি ব্লকে প্রায় ১,৬০০টি ফ্ল্যাট থাকবে। ছোট ফ্ল্যাট, পারিবারিক বাসা, সরকারি ভাড়ার ফ্ল্যাট এবং পরিচর্যা-সেবা সংবলিত অ্যাপার্টমেন্টের সমন্বয়ে একই প্রকল্পে বিভিন্ন আবাসন চাহিদা পূরণ করা হবে।

বাসিন্দাদের জন্য এসব পরিবর্তনে বাসার কাছেই নিত্যপণ্য কেনাকাটা, খাবার, বিনোদন ও বয়স্কদের সহায়তার সুযোগ তৈরি হবে। তবে বিদ্যমান বাসিন্দাদের কাছে নতুন সুবিধার সম্ভাবনার পাশাপাশি উদ্বেগও রয়েছে: ইতিমধ্যে নবায়নের কাজ চলা এলাকায় আরও একটি নির্মাণ প্রকল্প শুরু হবে।

প্রথম আবাসন প্রকল্পে যা থাকবে

তোয়া পায়োহ হিলসাইড ২০২৬ সালের নভেম্বরের বিল্ড-টু-অর্ডার (বিটিও) বিক্রয় কার্যক্রমে তোলা হবে। বিটিও হলো এইচডিবির এমন একটি ব্যবস্থা, যার মাধ্যমে যোগ্য আবেদনকারীরা ঘোষিত সরকারি আবাসন প্রকল্পের ফ্ল্যাটের জন্য আবেদন করেন। বিক্রয় কার্যক্রম হলো আবেদনের ধাপ, বাসিন্দাদের ফ্ল্যাটে ওঠার তারিখ নয়।

পরিকল্পিত আবাসনের মধ্যে রয়েছে ৫৯০টি দুই কক্ষের ফ্লেক্সি ফ্ল্যাট, ৫৮০টি চার কক্ষের ফ্ল্যাট, প্রায় ২৩০টি সরকারি ভাড়ার ফ্ল্যাট এবং ২৬০টি কমিউনিটি কেয়ার অ্যাপার্টমেন্ট। সব মিলিয়ে সংখ্যা প্রায় ১,৬৬০টি বাসা, যা প্রকল্পটিতে প্রায় ১,৬০০টি ফ্ল্যাট থাকার বর্ণনার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

তালিকাভুক্ত মোট বাসার প্রায় ১৬ শতাংশ হবে ২৬০টি কেয়ার অ্যাপার্টমেন্ট, আর ভাড়ার ফ্ল্যাট প্রায় ১৪ শতাংশ। এই অনুপাত থেকে বোঝা যায়, অন্যান্য ফ্ল্যাটের পাশাপাশি প্রকল্পটির কতটা অংশ সহায়তাপ্রাপ্ত জীবনযাপন ও সরকারি ভাড়ার আবাসনের জন্য রাখা হচ্ছে।

বিজ্ঞাপন

তোয়া পায়োহ ওয়েস্ট-থমসন ওয়ার্ডের সংসদ সদস্যও চি বলেন, আবাসনের এই মিশ্র বিন্যাস পরিকল্পিত। একই প্রকল্পে বিভিন্ন গোষ্ঠীর মানুষ কেন থাকবেন, তা ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন:

আমরা চাই আমাদের এইচডিবি শহরগুলো অন্তর্ভুক্তিমূলক জনপদ হিসেবে থাকুক, যেখানে বিভিন্ন বয়স ও পটভূমির সিঙ্গাপুরীয়রা পাশাপাশি বসবাস করতে পারেন।

প্রকল্পের মধ্যে একটি সুপারমার্কেট, দোকানপাট ও ফুড কোর্টের পরিকল্পনা রয়েছে। খেলার মাঠ, ব্যায়ামের জায়গা, কমিউনিটি বাগান ও ছাদের টেরেস বাসিন্দাদের এলাকার বাইরে না গিয়েই খোলা জায়গায় সময় কাটানোর সুযোগ দেবে।

কেয়ার অ্যাপার্টমেন্টে ঘরের কাছেই সহায়তা

তোয়া পায়োহে প্রথমবারের মতো কমিউনিটি কেয়ার অ্যাপার্টমেন্ট তৈরি হবে। বয়স্ক বাসিন্দাদের উপযোগী আবাসনের সঙ্গে এতে পরিচর্যা ও সামাজিক সহায়তা যুক্ত থাকবে। ফলে মানুষ নিজস্ব সংসার স্বাধীনভাবে চালাতে পারবেন, আবার প্রয়োজন হলে সহায়তাও পাবেন।

এইচডিবি জানিয়েছে, ২০২৬ সালের নভেম্বরের বিটিও কার্যক্রম থেকে আবেদনের ন্যূনতম বয়স ৬৫ থেকে কমিয়ে ৫৫ করা হবে। বয়স কমানোর কার্যকর তারিখ হিসেবেও জুলাইয়ের কথা বলা হয়েছে। এই পরিবর্তনের পর তোয়া পায়োহ হিলসাইড হবে এসব অ্যাপার্টমেন্টের প্রথম প্রকল্প।

আবেদনের যোগ্যতা বাড়ানোর কারণ ব্যাখ্যা করে চি বলেন, এই পরিবর্তনে:

আরও বেশি প্রবীণ আবাসন ও পরিচর্যার সুযোগ পাবেন এবং তাঁদের আগেভাগে পরিকল্পনা করার জন্য আরও সময় থাকবে

অ্যাপার্টমেন্ট ব্লকটি সরাসরি একটি অ্যাকটিভ এজিং সেন্টার, রেসিডেন্টস নেটওয়ার্ক সেন্টার এবং পাড়া-প্যাভিলিয়নের সঙ্গে যুক্ত থাকবে। ছাউনিযুক্ত পথ দিয়ে ক্যালডেকট এমআরটি স্টেশনে যাওয়া যাবে, ফলে বৃষ্টি ও রোদ থেকে সুরক্ষিত থেকে বাসিন্দারা গণপরিবহনে পৌঁছাতে পারবেন।

রঙিন সাইনবোর্ড বাসিন্দাদের পথ খুঁজে পেতে সাহায্য করবে, আর সাধারণ করিডরে থাকা হাতল হাঁটার সময় সহায়তা দেবে। বয়সের সঙ্গে যাঁদের ভারসাম্য, চলাফেরা বা আত্মবিশ্বাসে পরিবর্তন আসে, তাঁদের জন্য এগুলো ব্যবহারিক সুবিধা।

কমিউনিটি কেয়ার অ্যাপার্টমেন্টের সেবা ফি ১৮ থেকে ৭৫ শতাংশ পর্যন্ত কমানোরও পরিকল্পনা রয়েছে। এই আবাসন মডেলের নিয়মিত খরচ কমবে। পাশাপাশি আরও কম বয়স থেকে মানুষ এই বিকল্প বিবেচনা করতে পারবেন।

পর্যালোচনায় শপিং মল ও স্কুল

ক্যালডেকট এমআরটি ঘিরে নতুন এলাকার প্রধান আকর্ষণ হবে বাসা ও শপিং মল মিলিয়ে তৈরি একটি প্রকল্প। পরিকল্পিত মলটির আকার বিদারির উডলি মলের মতো হবে বলে জানিয়েছেন চি। এতে বিবেচনাধীন মলের আকার সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়।

বিজ্ঞাপন

প্রকল্পের সামনে একটি প্লাজা থাকবে, যেখানে মানুষ মিলিত হতে ও ব্যায়াম করতে পারবেন। এটি ওয়েলনেস পার্কের সঙ্গেও যুক্ত হবে। ফলে দোকানপাট, বাসা ও বিনোদনের জায়গাগুলো বিচ্ছিন্ন গন্তব্য হিসেবে না থেকে একটি যৌথ জনপরিসরের মাধ্যমে সংযুক্ত হবে।

এলাকায় আসতে পারেন এমন পরিবারের চাহিদা মেটাতে একটি স্কুলের সম্ভাবনা যাচাই করা হচ্ছে। স্কুলের ধরন সম্পর্কে এইচডিবি কিছু জানায়নি। তাই এলাকাটি বিবেচনা করা পরিবারগুলোর সামনে রয়েছে অনুসরণ করার মতো একটি প্রস্তাব, তবে স্কুল চালুর নিশ্চিত পরিকল্পনা নয়।

২৫ বছর বয়সী সোফিয়া শালিনি ২০২৫ সালের জুলাইয়ের বিটিও কার্যক্রমে তোয়া পায়োহ অ্যাসেন্টে একটি ফ্ল্যাট পেয়েছেন। তিনি বলেন, প্রথমে তিনি ও তাঁর সঙ্গী এলাকায় সুযোগ-সুবিধা কম থাকায় চিন্তিত ছিলেন। প্রথমবার এলাকা দেখতে যাওয়ার কথা জানিয়ে তিনি বলেন:

তখন মনে হয়েছিল, ঠিকঠাক কোনো সুপারমার্কেটই নেই,

মল ও পার্কের পরিকল্পনায় তাঁর আশ্বস্ত হওয়ার কথা জানান তিনি। তাঁর প্রতিক্রিয়ায় উন্নয়নশীল এলাকায় বসবাস শুরু করতে যাওয়া পরিবারের একটি বাস্তব উদ্বেগ ফুটে ওঠে: সেখানে থাকতে শুরু করলে দৈনন্দিন প্রয়োজনীয় পরিষেবাগুলো সুবিধাজনক হবে কি না।

ব্যায়াম ও নিরিবিলি সময় কাটানোর পার্ক

পরিকল্পিত ওয়েলনেস পার্কটির আয়তন হবে ১.২ হেক্টর, অর্থাৎ ১২ হাজার বর্গমিটার। শিশু, প্রাপ্তবয়স্ক ও বয়স্ক বাসিন্দাদের কথা মাথায় রেখে পার্কে থাকবে সক্রিয় ও নিরিবিলি সময় কাটানোর—দুই ধরনের জায়গা।

প্রকৃতিনির্ভর থিমের খেলার মাঠ শিশুদের জন্য থাকবে। দৌড়ানোর ট্র্যাক ও ব্যায়ামের স্টেশনে শরীরচর্চার সুযোগ থাকবে। এর মধ্যে বয়স্কদের শক্তি, চলাফেরা ও ভারসাম্য বজায় রাখতে সহায়ক সরঞ্জামও থাকবে।

প্রজাপতির পথ, ইন্দ্রিয়-উদ্দীপক এলাকা ও রেইন গার্ডেন হবে নিরিবিলি সময় কাটানোর জায়গা। রেইন গার্ডেন হলো এমন গাছপালায় ঢাকা জায়গা, যা বৃষ্টির পানি জমিয়ে শোষণ করে। ফলে সবুজায়নের পাশাপাশি পানির প্রবাহ নিয়ন্ত্রণেও এর ব্যবহারিক ভূমিকা রয়েছে।

প্লাজার সঙ্গে সংযোগের ফলে পার্কটি নতুন প্রকল্পের দোকানপাট ও বাসার পাশে থাকবে। বাসিন্দারা কেনাকাটার পাশাপাশি হাঁটা বা ব্যায়ামও করতে পারবেন, ফলে সবুজ জায়গাটি দৈনন্দিন যাতায়াতের অংশ হয়ে উঠবে।

যেভাবে গড়ে উঠবে হিলসাইড গার্ডেনস

তোয়া পায়োহ ওয়েস্টের নকশায় এইচডিবির থিম হলো হিলসাইড গার্ডেনস, যা এলাকার অসমান ভূপ্রকৃতি থেকে অনুপ্রাণিত। সেন্ট্রাল গ্রিন ভ্যালি নামে একটি পথের নেটওয়ার্ক পুরো এলাকায় বিস্তৃত হবে। এটি পার্ক ও ছোট সবুজ জায়গাগুলোকে বাসা, ক্যালডেকট এমআরটি এবং নতুন মলের সঙ্গে যুক্ত করবে।

উপত্যকার দিকে নামার সঙ্গে সঙ্গে নতুন ভবনগুলোর উচ্চতাও ধাপে ধাপে কমবে। কেন্দ্রীয় সবুজ এলাকার চারপাশে উঁচু আবাসিক ব্লকের পাশাপাশি নিচু ভবন ও খোলা জায়গা থাকবে, ফলে এলাকার বিন্যাসে বৈচিত্র্য তৈরি হবে।

বিজ্ঞাপন

এই পরিকল্পনায় আবাসনের বিন্যাসের সঙ্গে যৌথ খোলা জায়গাগুলোর অবস্থানও যুক্ত করা হয়েছে। প্রকল্পগুলোর মাঝে পার্ককে আলাদা আলাদা জায়গা হিসেবে না রেখে, বাসিন্দারা ব্যবহার করবেন এমন গন্তব্যগুলোকে একটি অবিচ্ছিন্ন সবুজ পথ দিয়ে যুক্ত করা হবে।

৭৩ বছর বয়সী লিম ইট কিয়ং তোয়া পায়োহ ওয়েস্টের বাসিন্দা। তোয়া পায়োহ হিলসাইডের জন্য নির্ধারিত জায়গার পাশেই তাঁর বাসা। নতুন এলাকায় কী থাকবে বলে তিনি আশা করেন, তা জানিয়ে তিনি বলেন:

নতুন সুবিধাগুলো কেনাকাটা ও খাওয়াদাওয়াকে আরও সহজ করবে। আশা করি নতুন সবুজ জায়গার সুবিধাগুলো ছোট-বড় সবার উপযোগী হবে।

হাঁটার পথে নতুন ও পুরোনো এলাকার সংযোগ

১৫ মিটার প্রশস্ত, গাছপালায় সাজানো একটি জনপথ ক্যালডেকট এমআরটি স্টেশনকে লরং ১ তোয়া পায়োহের সঙ্গে যুক্ত করবে। গাছ ছায়া দেবে, আর পথের পাশে বসার জায়গা থাকায় মানুষ বিশ্রাম নিতে পারবেন।

গাড়িমুক্ত এই পথটি নতুন এলাকাকে তোয়া পায়োহের বাকি অংশের সঙ্গে যুক্ত করবে। ছায়া ও বসার জায়গার সমন্বয় ধীরে হাঁটেন বা যাত্রাপথে বিরতি নিতে হয়—এমন বাসিন্দাদের কাজে আসবে।

ক্যালডেকট এমআরটি সার্কেল লাইন ও থমসন-ইস্ট কোস্ট লাইনে যাতায়াতের সুযোগ দেয়। বৃহত্তর এলাকায় তোয়া পায়োহ এমআরটি স্টেশন ও বাস ইন্টারচেঞ্জও রয়েছে, ফলে বাসিন্দারা গণপরিবহনে একাধিক সংযোগ পাবেন।

নর্থ-সাউথ করিডর উন্নত হাঁটা ও সাইকেল চালানোর পথ এবং সড়কপৃষ্ঠে আরও সবুজায়নের সুযোগ তৈরি করবে বলে আশা করা হচ্ছে। স্থানীয় পথগুলোর সঙ্গে মিলিত হয়ে এসব পরিবর্তনে পৃথক আবাসন প্রকল্পের সীমানার বাইরেও যাতায়াতের সংযোগ তৈরি হবে।

সুবিধা ও নির্মাণকাজ নিয়ে বাসিন্দাদের ভাবনা

৫৩ বছর বয়সী মি. ঙ প্রায় ১৪ বছর ধরে তোয়া পায়োহে থাকেন। তিনি শুধু পদবি জানিয়েছেন। পরিকল্পিত সুবিধাগুলোকে স্বাগত জানালেও আরও নির্মাণকাজ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তাঁর ভাষ্য, শহরের ভেতরে ও আশপাশে নির্মাণকাজ সামলাতে বাসিন্দাদের আগে থেকেই হচ্ছে।

আসন্ন উন্নয়ন নিয়ে উদ্বেগ জানিয়ে তিনি বলেন:

নির্মাণকাজের শব্দ নিয়ে আমি কিছুটা চিন্তিত,

তিনি নির্মাণকাজে ক্লান্তির কথাও বলেছেন, তবে সমন্বিত সুবিধা ও লাইব্রেরির অপেক্ষায় আছেন। তাঁর প্রতিক্রিয়ায় পুরোনো বাসিন্দাদের তাৎক্ষণিক আপসের বিষয়টি উঠে আসে: নতুন পরিষেবা আকর্ষণীয়, কিন্তু সেগুলোর সুবিধা পাওয়ার আগে নির্মাণকাজে বিঘ্ন বাড়বে।

সম্ভাব্য আবেদনকারী ২৭ বছর বয়সী অলিভ ইউয়েন ও ২৫ বছর বয়সী ইভান মোসবার্গেন বলেছেন, তাঁরা তোয়া পায়োহ হিলসাইডে আবেদন করতে পারেন। দুজনই জীবনের বেশির ভাগ সময় তোয়া পায়োহে কাটিয়েছেন এবং এর কেন্দ্রীয় অবস্থানকে গুরুত্ব দেন। এলাকার সঙ্গে আগে থেকেই যেসব পরিবারের সম্পর্ক রয়েছে, তাঁদের কাছাকাছি বাসা পাওয়ার আরেকটি সুযোগ দেবে প্রকল্পটি।

বিজ্ঞাপন

যে তারিখ ও প্রকল্পগুলোর দিকে নজর রাখতে হবে

বৃহত্তর নবায়ন কর্মসূচির একটি অংশ হলো তোয়া পায়োহ ওয়েস্ট। বিদ্যমান শহরকেন্দ্রের কাছে তোয়া পায়োহ ইন্টিগ্রেটেড ডেভেলপমেন্টের নির্মাণকাজ ইতিমধ্যে চলছে। ২০৩০ সালের মধ্যে এর কাজ শেষ হওয়ার কথা।

এই প্রকল্পে খেলাধুলা ও বিনোদন, স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা, সবুজায়ন এবং কমিউনিটি সুবিধা এক জায়গায় থাকবে। এটি বিদ্যমান কেন্দ্রের বাসিন্দাদের সেবা দেবে। অন্যদিকে ক্যালডেকট এলাকায় নতুন করে বাসা ও সুযোগ-সুবিধা কেন্দ্রীভূত হবে।

পরিকল্পনায় ঘোষিত গুরুত্বপূর্ণ তারিখগুলো হলো:

  • ৩১ অক্টোবর ২০২৬: এইচডিবি হাবে তোয়া পায়োহ ওয়েস্টের মহাপরিকল্পনা প্রকাশ করেন চি।
  • ৩১ অক্টোবর থেকে ২ নভেম্বর ২০২৬: এইচডিবি হাবের প্রথম তলার গ্যালারিতে মহাপরিকল্পনার প্রদর্শনী চলবে।
  • নভেম্বর ২০২৬: তোয়া পায়োহ হিলসাইডের বিটিও বিক্রয় কার্যক্রম নির্ধারিত রয়েছে।
  • ২০২৭ সালের মাঝামাঝি পর্যন্ত: একই স্থানে প্রদর্শনীর নির্বাচিত কিছু বিষয় রাখা হবে।
  • ২০৩০ সালের মধ্যে: তোয়া পায়োহ ইন্টিগ্রেটেড ডেভেলপমেন্টের কাজ শেষ হওয়ার কথা।
  • আগামী দশকে: তোয়া পায়োহ ওয়েস্টে ৬,০০০টির বেশি বাসা নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে।

বাসিন্দাদের পরিকল্পনাগুলো দেখে এইচডিবি ও পিপলস অ্যাসোসিয়েশনের কাছে মতামত জানাতে উৎসাহিত করা হয়েছে। প্রস্তাবিত বাসা, পথ ও সুবিধাগুলো কীভাবে একে অপরের সঙ্গে যুক্ত হবে, তা বিবেচনা করার সুযোগ দেবে এই প্রদর্শনী—বিদ্যমান বাসিন্দা ও সম্ভাব্য আবেদনকারী, উভয়ের জন্যই।

মূল বিষয়গুলো

  • আগামী দশকে তোয়া পায়োহ ওয়েস্টে ৬,০০০টির বেশি বাসা নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে, যার বেশির ভাগই সরকারি আবাসন।
  • তোয়া পায়োহ হিলসাইড ২০২৬ সালের নভেম্বরে চালু হওয়ার কথা। এতে পাঁচটি ব্লকে প্রায় ১,৬০০টি ফ্ল্যাট থাকবে।
  • প্রকল্পে তোয়া পায়োহের প্রথম ২৬০টি কমিউনিটি কেয়ার অ্যাপার্টমেন্টের পাশাপাশি অন্যান্য ফ্ল্যাট ও সরকারি ভাড়ার বাসা থাকবে।
  • ক্যালডেকট এমআরটি ঘিরে একটি মল, প্লাজা, ওয়েলনেস পার্ক ও সংযুক্ত সবুজ জায়গার পরিকল্পনা রয়েছে।
  • একটি স্কুলের সম্ভাবনা যাচাই করা হচ্ছে, তবে স্কুলের ধরন জানানো হয়নি।
  • আলাদা তোয়া পায়োহ ইন্টিগ্রেটেড ডেভেলপমেন্টের কাজ ২০৩০ সালের মধ্যে শেষ হওয়ার কথা।
এই নিবন্ধটি শেয়ার করুন

আপনার পছন্দ হতে পারে