অক্টোবরের বেতনে একসঙ্গে তিনটি পুরস্কার
মাইক্রন জানিয়েছে, তাইওয়ানে তাদের উৎপাদন বিভাগের ৭০০ জনের বেশি কর্মী ২০২৬ অর্থবছরে মোট পারিশ্রমিক হিসেবে অন্তত ৬০ মাসের বেতনের সমপরিমাণ পেয়েছেন। বার্ষিক বোনাস এবং ১০ লাখ তাইওয়ানি ডলারের (NT$) প্রশংসাসূচক অর্থ ২০২৬ সালের ৩০ অক্টোবরের বেতনের সঙ্গে দেওয়া হয়েছে।
সূচিপত্র
ওই কর্মীরা অর্থবছরজুড়ে কাজ করা ৪,৩০০ জনের বেশি উৎপাদনকর্মীর মধ্যে ছিলেন। তাঁদের বার্ষিক পারিশ্রমিকে নিয়মিত বেতনের সঙ্গে কয়েক ধরনের পুরস্কার যোগ হয়ে মোট পরিমাণ দাঁড়িয়েছে সাধারণ মাসিক বেতনের পাঁচ বছরের সমান।
মাইক্রন একসঙ্গে তিনটি পুরস্কার দিয়েছে: বার্ষিক প্রণোদনা বোনাস, যা আইপিপি (IPP) নামে পরিচিত; বার্ষিক বেতনের ২০ শতাংশের সমান ম্যাক্সআউট উৎপাদন বোনাস; এবং ১১ সেপ্টেম্বর ঘোষিত প্রশংসাসূচক বোনাস। পূর্ণ প্রশংসাসূচক অর্থ পাওয়ার যোগ্য কর্মীরা এই বেতন পর্বে মিলিত পুরস্কার হিসেবে ১০ লাখ তাইওয়ানি ডলারের বেশি পেতে পারেন।
এই অর্থপ্রদানের পাশাপাশি মেমোরি চিপ নির্মাতা প্রতিষ্ঠানটি মুনাফা ভাগ করে দেওয়ার পদ্ধতিতেও পরিবর্তন আনছে। ২০২৭ অর্থবছর থেকে মাইক্রন বিশ্বজুড়ে কর্মীদের জন্য ত্রৈমাসিক মুনাফা বোনাস চালুর পরিকল্পনা করছে, পাশাপাশি বর্তমান বার্ষিক প্রণোদনা কর্মসূচিও বহাল থাকবে। প্রথম ত্রৈমাসিকের অর্থ দেওয়ার কথা ২০২৭ সালের জানুয়ারিতে।
তাইওয়ানের তাওইউয়ান কারখানায় আলোচনা চলার মধ্যেই বড় অঙ্কের অর্থ দেওয়া হয়েছে। মুনাফা ভাগাভাগির জন্য স্বচ্ছ ও যাচাইযোগ্য ব্যবস্থা চায় সেখানকার ইউনিয়ন; কোম্পানির আগের একটি প্রস্তাবও তারা প্রত্যাখ্যান করেছে। ২৭ অক্টোবরের ব্যর্থ আলোচনার পর ৬ নভেম্বর তৃতীয় দফা বৈঠকের দিন ধার্য হয়েছে।
কর্মীদের জন্য দুটি ঘটনা একই সময়ে ঘটছে: শেষ হওয়া অর্থবছরের পুরস্কার তাঁদের হিসাবে জমা হচ্ছে, আর ভবিষ্যতের মুনাফা কীভাবে ভাগ হবে তা নিয়ে কোম্পানি ও কর্মীরা আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন। নতুন ত্রৈমাসিক বোনাসটি ২০২৭ অর্থবছরের জন্য এবং অক্টোবরের পুরস্কার থেকে আলাদাভাবে দেওয়া হবে।
বার্ষিক পুরস্কার কীভাবে দেওয়া হয়
মাইক্রনের হিসাব অনুযায়ী, বেশির ভাগ কর্মী ২০২৬ অর্থবছরের আইপিপি বোনাস হিসেবে প্রায় ৭.৫ থেকে ১২.৫ মাসের বেতনের সমপরিমাণ পাবেন। ব্যক্তিগত কর্মদক্ষতার মূল্যায়নের ভিত্তিতে পুরস্কারের অঙ্ক নির্ধারিত হয়। ফলে ভিন্ন দায়িত্বে থাকা বা ভিন্ন মূল্যায়ন পাওয়া কর্মীরা ভিন্ন অঙ্ক পেতে পারেন।
ম্যাক্সআউট উৎপাদন বোনাসের হিসাব আলাদা: বার্ষিক বেতনের ২০ শতাংশ। সহজ উদাহরণ হিসেবে, বার্ষিক বেতন যদি ১২টি সমান মাসিক কিস্তিতে দেওয়া হয়, তাহলে তার ২০ শতাংশ হবে ওই বেতনের ২.৪ মাসের সমান। তবে কোনো কর্মীর প্রকৃত বোনাস নির্ভর করে কোম্পানি কোন বেতনভিত্তি ব্যবহার করছে তার ওপর।
পূর্ণ যোগ্যতার শর্ত পূরণকারী কর্মীদের প্রশংসাসূচক অর্থ হিসেবে নির্দিষ্ট ১০ লাখ তাইওয়ানি ডলার দেওয়া হয়। মাইক্রন ১১ সেপ্টেম্বর এ অর্থের ঘোষণা দেয় এবং অন্য পুরস্কারের সঙ্গে ৩০ অক্টোবরের বেতন পর্বে তা অন্তর্ভুক্ত করে।
যোগ্য হলেও যাঁদের চাকরির মেয়াদ এক বছরের কম, তাঁরা চাকরির মেয়াদ অনুযায়ী সমন্বিত প্রশংসাসূচক অর্থ পান। অর্থাৎ নতুন নিয়োগ পাওয়া কোনো কর্মী পুরো বছর কাজ করা যোগ্য সহকর্মীর চেয়ে কম অঙ্ক পেতে পারেন।
মাইক্রন জানিয়েছে, পদ, কর্মদক্ষতার মূল্যায়ন ও যোগ্যতার ভিত্তিতে চূড়ান্ত অর্থের অঙ্ক ভিন্ন হয়। এ কারণেই কোম্পানি বার্ষিক প্রণোদনার একটি সাধারণ পরিসরের কথা বলেছে এবং একই সঙ্গে জানিয়েছে, তুলনামূলক ছোট একটি গোষ্ঠীর মোট বার্ষিক পারিশ্রমিক ৬০ মাসের সীমায় পৌঁছেছে।
৬০ মাসের বেতন বলতে কী বোঝায়
৬০ মাসের হিসাবটি পুরো অর্থবছরের মোট পারিশ্রমিককে বোঝায়। ওই বছরে পাওয়া নিয়মিত বেতনের সঙ্গে বার্ষিক প্রণোদনা, উৎপাদন পুরস্কার ও প্রশংসাসূচক অর্থ মিলিয়ে মোট পরিমাণ নির্ধারিত হয়।
৬০ মাসের বেতন মানে ১২ মাসের পাঁচটি সময়কালের সমান অর্থ। সাধারণ বেতনের তুলনায় পুরস্কারটি কত বড়, তা বোঝাতে এই তুলনা সহায়ক; আর অক্টোবরের বেতন পর্বে ২০২৬ অর্থবছরের অতিরিক্ত পুরস্কারগুলো দেওয়া হয়েছে।
মাইক্রনের হিসাবে, ২০২৬ অর্থবছরজুড়ে নিয়োজিত ৪,৩০০ জনের বেশি উৎপাদনকর্মীর মধ্যে ৭০০ জনের বেশি এই পর্যায়ে পৌঁছেছেন। তাঁদের ব্যক্তিগত বেতন বা প্রত্যেকের পারিশ্রমিক কীভাবে এই সীমায় পৌঁছেছে, তার বিস্তারিত হিসাব কোম্পানি প্রকাশ করেনি।
ব্যবসায় রেকর্ড ফল, মুনাফায় বড় অংশের দাবি
মাইক্রন ২০২৬ অর্থবছরকে ব্যবসার জন্য রেকর্ডের বছর বলে বর্ণনা করেছে এবং ফলাফলের কৃতিত্ব কর্মীদের দিয়েছে। কোম্পানি পুরস্কারগুলোকে তাঁদের কাজের স্বীকৃতি এবং তাঁদের অবদানে অর্জিত মুনাফায় অংশ দেওয়ার উপায় হিসেবে তুলে ধরেছে।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ডেটা সেন্টারে ব্যবহৃত মেমোরি চিপের চাহিদা কোম্পানির আয় বাড়াতে সহায়তা করেছে। এসব কেন্দ্রে শক্তিশালী কম্পিউটার চলে, যেগুলোর এআই সিস্টেমে ব্যবহৃত তথ্য সংরক্ষণ ও স্থানান্তরের জন্য মেমোরি প্রয়োজন।
মাইক্রনের উৎপাদন নেটওয়ার্কে তাইওয়ান গুরুত্বপূর্ণ; কোম্পানির আনুমানিক ৫০ থেকে ৬০ শতাংশ চিপ সেখানে তৈরি হয়। আলোচনায় কোম্পানির তাইওয়ানে থাকা ১৫,০০০ কর্মীর মধ্যে প্রায় ১২,০০০ জনের প্রতিনিধিত্বকারী ইউনিয়নগুলো যুক্ত, অর্থাৎ প্রতি পাঁচ কর্মীর প্রায় চারজন।
ব্যবসায় অর্জিত মুনাফার আরও বড় ও পূর্বানুমানযোগ্য অংশ চেয়েছেন কর্মীরা। তাওইউয়ান ও তাইচুং—দুই ইউনিয়নই এককালীন ৮৩ মাসের বেতনের সমান বোনাস এবং পরিচালন মুনাফার ১৫ শতাংশ কর্মীদের ত্রৈমাসিক বোনাসে বরাদ্দের চলমান ব্যবস্থা চেয়েছিল।
পরিচালন মুনাফা হলো পরিচালন ব্যয় বাদ দেওয়ার পর ব্যবসার কার্যক্রম থেকে অর্জিত অর্থ। নির্ধারিত অনুপাতের সঙ্গে যুক্ত বোনাস কর্মীদের এমন হিসাব দেয়, যা সরাসরি ব্যবসার ফলাফলের সঙ্গে সম্পর্কিত। তাই ব্যক্তিগত পুরস্কারের অঙ্কের মতোই ওই অনুপাত, হিসাবের নিয়ম এবং অর্থ দেওয়ার সময়সূচিও গুরুত্বপূর্ণ।
তাওইউয়ানের কর্মীদের আলোচনা অব্যাহত
তাইচুং ইউনিয়ন মাইক্রনের সঙ্গে সমঝোতায় পৌঁছে একটি শ্রমচুক্তি সই করেছে। তাওইউয়ান ইউনিয়নের সঙ্গে আলোচনা চলছে; মুনাফা ভাগাভাগির হিসাব কোন ভিত্তিতে হবে, তা নিয়ে বিরোধ রয়েছে।
আগের দফার আলোচনায় কোম্পানির দেওয়া একটি প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করতে তাওইউয়ান ইউনিয়নের ২,৩০০ জনের বেশি সদস্যের মধ্যে প্রায় ৭০ শতাংশ ভোট দেন। পরিবর্তনের দাবিতে ইউনিয়ন চাপ সৃষ্টি করার সময় কর্মীরা ছোট পরিসরে ধর্মঘটও করেন।
আগের দফার আলোচনা প্রত্যাখ্যানের কারণ ব্যাখ্যা করে তাওইউয়ান ইউনিয়ন জানায়, ২১ অক্টোবরের বৈঠকে কোম্পানি তাদের দাবিগুলোর জবাব দেয়নি:
২১ অক্টোবর মাইক্রনের সঙ্গে আলোচনার সময় কোম্পানি ইউনিয়নের কোনো দাবিরই জবাব দেয়নি,
আরও ন্যায্য মুনাফা ভাগাভাগির ব্যবস্থা চেয়ে ইউনিয়নটি সতর্ক করেছে, পরবর্তী সময়ে সম্মিলিত কর্মসূচি নেওয়া হতে পারে। টাইফুনের কারণে পিছিয়ে যাওয়া বৈঠকটি ২৭ অক্টোবর পুনর্নির্ধারণ করা হয়। মুনাফা ভাগাভাগির হিসাবের ভিত্তি নিয়ে দুই পক্ষের ভিন্ন বোঝাপড়ার কারণে দ্বিতীয় দফার আলোচনা সমঝোতা ছাড়াই শেষ হয়।
মাইক্রনের ডিআরএএম (DRAM) উৎপাদনক্ষমতার প্রায় ২২ শতাংশ তাওইউয়ান কারখানার। ডিআরএএম হলো এক ধরনের মেমোরি, যা কম্পিউটারে প্রোগ্রাম চলার সময় তথ্য ধরে রাখে। কারখানাটির উৎপাদনগত গুরুত্বের কারণে চলমান আলোচনা সরাসরি সংশ্লিষ্ট কর্মীদের বাইরেও তাৎপর্য বহন করে।
বার্ষিক বোনাসের পাশাপাশি নতুন ত্রৈমাসিক বোনাস
মাইক্রনের ২০২৭ অর্থবছরের ত্রৈমাসিক মুনাফা বোনাস বিশ্বজুড়ে কর্মীদের জন্য প্রযোজ্য হবে এবং বার্ষিক আইপিপির পাশাপাশি চালু থাকবে। কোম্পানির ভাষ্য, নতুন সময়সূচির ফলে প্রতিটি ত্রৈমাসিকে অর্জিত মুনাফার সঙ্গে কর্মীদের পুরস্কারের সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ হবে।
ত্রৈমাসিক হলো তিন মাসের হিসাবকাল। বছরে একবারের বদলে প্রতি তিন মাসে মুনাফা বোনাস দিলে কোম্পানির ফলাফলের সঙ্গে কর্মীদের যোগসূত্র আরও ঘন ঘন তৈরি হয়।
মাইক্রন তাইওয়ানের চেয়ারম্যান লু দংহুই বলেন, ত্রৈমাসিক ব্যবস্থা বর্তমান বার্ষিক বোনাসের পাশাপাশি চলবে। তিনি আরও বলেন, তাইওয়ানের কর্মীদের পেনশন অবদান ও শিফট ভাতা বাড়ানো হবে; এ ছাড়া আরও কিছু ব্যবস্থাও নেওয়া হবে।
পেনশন অবদানের মাধ্যমে অবসরের জন্য সংরক্ষিত অর্থ বাড়ে, আর নির্দিষ্ট সময়সূচিতে কাজের জন্য শিফট ভাতায় অতিরিক্ত বেতন দেওয়া হয়। বোনাসের সঙ্গে এসব পরিবর্তন কর্মীদের পারিশ্রমিকের বিভিন্ন অংশে প্রভাব ফেলে—বর্তমান আয় থেকে অবসরকালীন সঞ্চয় পর্যন্ত।
ইউনিয়নের দাবি করা ৮৩ মাসের পুরস্কারটি ছিল এককালীন বোনাস; আর কোম্পানির উল্লেখ করা ৬০ মাসের অঙ্কে যোগ্য উৎপাদনকর্মীদের পুরো বছরের বেতন ও পুরস্কার মিলিয়ে হিসাব করা হয়েছে। ইতিমধ্যে ঘোষিত পুরস্কারের পাশাপাশি ভবিষ্যতে মুনাফা ভাগাভাগির কী শর্ত কর্মীরা চান, তা নিয়েই আলোচনা চলছে।
জানুয়ারিতে নগদ অর্থ, পরে বেতনের সঙ্গে শেয়ারও
প্রথম ত্রৈমাসিক বোনাস ২০২৭ সালের জানুয়ারিতে দেওয়ার কথা এবং তা সম্পূর্ণ নগদে দেওয়া হবে। পরবর্তী ত্রৈমাসিকের পুরস্কার নগদ অর্থ ও কোম্পানির শেয়ারের সমান অংশে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
নগদ অর্থ কর্মীরা সঙ্গে সঙ্গে খরচ করতে বা সঞ্চয় করতে পারেন। শেয়ার তাঁদের কোম্পানির মালিকানার অংশীদার করে, যার মূল্য শেয়ারের দামের ওঠানামার সঙ্গে বদলায়। ফলে পরিকল্পিত এই বিভাজন ভবিষ্যতের পুরস্কারের সময় ও ধরন—দুটিই বদলে দেবে।
নভেম্বরের মাঝামাঝি সময়ের আগে মাইক্রন কর্মীদের অভ্যন্তরীণ ওয়ার্কডে (Workday) ব্যবস্থায় চলতি ত্রৈমাসিক মুনাফা বোনাসের আনুমানিক হিসাব দেখার সুযোগ দেওয়ার পরিকল্পনা করছে। এতে জানুয়ারির অর্থপ্রদানের আগেই কর্মীরা সম্ভাব্য পুরস্কারের ধারণা পাবেন।
এই ঘোষণাগুলোতে ত্রৈমাসিক বোনাসের সূত্র বা মুনাফার তহবিলের অঙ্ক মাইক্রন প্রকাশ্যে বিস্তারিত জানায়নি। তাওইউয়ান ইউনিয়নের দাবিকৃত ব্যবস্থার পাশাপাশি নতুন বৈশ্বিক কর্মসূচি কীভাবে চলবে, তা বোঝার জন্য এসব শর্ত গুরুত্বপূর্ণ।
কর্মীদের নজরে যেসব তারিখ
সেপ্টেম্বরে প্রশংসাসূচক বোনাসের ঘোষণা, অক্টোবরে অর্থপ্রদান এবং আসন্ন আলোচনা—পারিশ্রমিকের পরিবর্তনের পৃথক ধাপ। সামনে সবচেয়ে তাৎক্ষণিক ঘটনা হলো তাওইউয়ানে ৬ নভেম্বরের আলোচনা বৈঠক।
- ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬: পূর্ণ যোগ্যতার শর্ত পূরণকারী কর্মীদের জন্য ১০ লাখ তাইওয়ানি ডলারের প্রশংসাসূচক বোনাস ঘোষণা করে মাইক্রন।
- ২১ অক্টোবর: মাইক্রন ও তাওইউয়ান ইউনিয়নের আলোচনা হয়; ইউনিয়নের দাবি, সেখানে তাদের দাবিগুলোর বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।
- ২৭ অক্টোবর: মুনাফা ভাগাভাগির হিসাবের ভিত্তি নিয়ে মতবিরোধের কারণে দ্বিতীয় দফার আলোচনা সমঝোতা ছাড়াই শেষ হয়।
- ৩০ অক্টোবর: ২০২৬ অর্থবছরের বার্ষিক প্রণোদনা, ম্যাক্সআউট উৎপাদন বোনাস এবং প্রশংসাসূচক অর্থ অক্টোবরের বেতনের সঙ্গে দেওয়া হয়।
- ৬ নভেম্বর: মাইক্রন ও তাওইউয়ান ইউনিয়নের তৃতীয় দফার আলোচনা হওয়ার কথা।
- নভেম্বরের মাঝামাঝির আগে: কর্মীরা ওয়ার্কডে ব্যবস্থায় ত্রৈমাসিক বোনাসের আনুমানিক হিসাব দেখতে পারবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
- জানুয়ারি ২০২৭: ২০২৭ অর্থবছরের প্রথম ত্রৈমাসিক মুনাফা বোনাস সম্পূর্ণ নগদে দেওয়ার কথা।
নতুন ত্রৈমাসিক পুরস্কার পাওয়ার আগেই কর্মীরা এর আনুমানিক হিসাব জানতে পারবেন। এদিকে, ওয়ার্কডেতে হিসাব দেখার সুযোগ দেওয়ার নির্ধারিত সময়ের আগেই আলোচকেরা বৈঠকে ফিরবেন।
মূল বিষয়গুলো
- তাইওয়ানে মাইক্রনের উৎপাদন বিভাগের ৭০০ জনের বেশি কর্মীর ২০২৬ অর্থবছরের মোট পারিশ্রমিক অন্তত ৬০ মাসের বেতনের সমান হয়েছে।
- ৩০ অক্টোবরের অর্থপ্রদানে বার্ষিক প্রণোদনা, বার্ষিক বেতনের ২০ শতাংশের সমান উৎপাদন বোনাস এবং সর্বোচ্চ ১০ লাখ তাইওয়ানি ডলারের প্রশংসাসূচক অর্থ একসঙ্গে দেওয়া হয়েছে।
- কর্মদক্ষতার ওপর নির্ভর করে বেশির ভাগ কর্মীর বার্ষিক প্রণোদনা বোনাস আনুমানিক ৭.৫ থেকে ১২.৫ মাসের বেতনের সমান ধরা হয়েছে।
- বার্ষিক প্রণোদনার পাশাপাশি নতুন বৈশ্বিক ত্রৈমাসিক মুনাফা বোনাস চালু হবে; প্রথম অর্থপ্রদান ২০২৭ সালের জানুয়ারিতে সম্পূর্ণ নগদে দেওয়ার কথা।
- স্বচ্ছ মুনাফা ভাগাভাগির ব্যবস্থা চেয়ে তাওইউয়ান ইউনিয়নের আলোচনা অব্যাহত রয়েছে; পরবর্তী বৈঠক ৬ নভেম্বর হওয়ার কথা।






