ফিউচারসের দরপতনে ট্রেডিং সুরক্ষাব্যবস্থা চালু, সিউলের শেয়ারবাজারে পতন
২০২৬ সালের ৩০ অক্টোবর দক্ষিণ কোরিয়ার কোস্পি সূচক ৫ শতাংশের বেশি কমে যায়। ফিউচারসের দামে তীব্র পতনের কারণে প্রোগ্রাম সেল অর্ডার পাঁচ মিনিটের জন্য স্থগিত করা হয়। ওয়াল স্ট্রিটে দরপতনের পর কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় (এআই) ব্যয় নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ ছড়ালে স্যামসাং ইলেকট্রনিকস ও এসকে হাইনিক্সসহ বড় শেয়ারগুলো চাপের মুখে পড়ে।
সূচিপত্র
- ফিউচারসের দরপতনে ট্রেডিং সুরক্ষাব্যবস্থা চালু, সিউলের শেয়ারবাজারে পতন
- দুর্বল সূচনা থেকে আরও গভীর পতন
- পাঁচ মিনিটের বিরতিতে আসলে কী স্থগিত ছিল
- অ্যালফাবেটের আয়ের ধাক্কা কোরিয়ার শেয়ারবাজারে
- স্যামসাং ও এসকে হাইনিক্সের নেতৃত্বে বিস্তৃত দরপতন
- পতনের মধ্যে কারা কিনছিলেন?
- ১৫ অক্টোবরের পর দ্বিতীয়বার হস্তক্ষেপ
- মূল বিষয়গুলো
কোরিয়া এক্সচেঞ্জ সকাল ১০টা ৪ মিনিট ৫৫ সেকেন্ডে সেল-সাইড সাইডকার চালু করে। তখন কোস্পি ২০০ ফিউচারসের দর ছিল ৮৮৭.৯২, আগের সেশনের ৯৩৫.৮৪ রেফারেন্স দরের চেয়ে ৪৭.৯২ পয়েন্ট বা ৫.১২ শতাংশ কম।
দক্ষিণ কোরিয়ার প্রধান শেয়ারবাজারের শেয়ারের দর অনুসরণকারী বেঞ্চমার্ক কোস্পি সকালে আরও নিচে নামতে থাকে। সকাল ১০টা ১৬ মিনিটে সূচকটি ছিল ৫,৬৪০.০৪ পয়েন্টে, যা ৫.০১ শতাংশ পতন। এই পরিসংখ্যান সেশনের মধ্যে লেনদেনের চিত্র তুলে ধরে, দিনের শেষের ফল নয়।
বিদেশের বাজারে তাৎক্ষণিক প্রেক্ষাপট ছিল গুগলের মূল প্রতিষ্ঠান অ্যালফাবেটের শেয়ারে ১২.৬৪ শতাংশ পতন। তৃতীয় প্রান্তিকের আয় বাজারের প্রত্যাশার চেয়ে কম হওয়ার পর এ পতন ঘটে। এআই খাতে কোম্পানিটির ক্রমবর্ধমান নগদ ব্যয় নিয়ে উদ্বেগ অন্য প্রযুক্তি শেয়ারেও ছড়িয়ে পড়ে, এরপর তা দক্ষিণ কোরিয়ার বাজারে পৌঁছায়। সেখানে বড় সেমিকন্ডাক্টর কোম্পানিগুলোও এই দরপতনের কবলে পড়ে।
দুর্বল সূচনা থেকে আরও গভীর পতন
কোস্পি ৫,৭৬০.৩৫ পয়েন্টে লেনদেন শুরু করে, যা আগের দিনের শেষ দরের চেয়ে ১৭৭.৩১ পয়েন্ট বা ২.৯৯ শতাংশ কম। এরপর বিক্রির চাপে সূচকটি ৫,৭০০-এর নিচে নেমে যায়। সকাল ১০টা ৪ মিনিটের দিকে এটি ছিল ৫,৬৫৫.৪১ পয়েন্টে, ২৮২.২৫ পয়েন্ট বা ৪.৭৫ শতাংশ কম।
সকাল ১০টা ৬ মিনিটে সূচকটি ছিল ৫,৬৬১.৭ পয়েন্টে, ৪.৬৮ শতাংশ কম। এরপর সকাল ১০টা ১৬ মিনিটের মধ্যে তা আরও নেমে যায়। লেনদেন শুরুর অবস্থান থেকে সকাল ১০টা ১৬ মিনিটের দর পর্যন্ত সূচকটি আরও ১২০.৩১ পয়েন্ট হারায়। এক ঘণ্টার কিছু বেশি সময়ে পতনের হার প্রায় দুই শতাংশীয় পয়েন্ট বেড়ে যায়।
সকালের গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাগুলো এভাবে ঘটে:
- ১৫ অক্টোবর: কোস্পি ৭.৫৭ শতাংশ কমে, সেল-সাইড সাইডকার চালু হয়।
- নিউইয়র্কে ২৯ অক্টোবর: যুক্তরাষ্ট্রের তিনটি প্রধান শেয়ারসূচকই নিম্নমুখী হয়ে দিন শেষ করে; অ্যালফাবেটের দর কমে ১২.৬৪ শতাংশ।
- ৩০ অক্টোবর, সিউলে লেনদেন শুরুর সময়: কোস্পি ৫,৭৬০.৩৫ পয়েন্টে লেনদেন শুরু করে, যা ২.৯৯ শতাংশ কম।
- সকাল ১০টা ৪ মিনিট ৫৫ সেকেন্ড: কোস্পি ২০০ ফিউচারস নির্ধারিত শর্ত পূরণ করায় কোরিয়া এক্সচেঞ্জ সাইডকার চালু করে।
- সকাল ১০টা ১৬ মিনিট: কোস্পি ৫,৬৪০.০৪ পয়েন্টে ছিল, ৫.০১ শতাংশ কম।
৩০ অক্টোবরের এ পদক্ষেপ ছিল কোস্পি বাজারে ১৫ অক্টোবরের পর প্রথম হস্তক্ষেপ। ওই সেশনে সূচকের ৭.৫৭ শতাংশ পতন ৩০ অক্টোবর সকাল ১০টা ১৬ মিনিট পর্যন্ত রেকর্ড করা পতনের চেয়ে বেশি ছিল, যদিও ৩০ অক্টোবরের সেশন তখনও চলছিল।
পাঁচ মিনিটের বিরতিতে আসলে কী স্থগিত ছিল
কোস্পি ২০০ ফিউচারস আগের সেশনের শেষ দরের তুলনায় অন্তত ৫ শতাংশ কমে এবং অন্তত এক মিনিট ওই সীমায় বা তার নিচে থাকলে কোরিয়া এক্সচেঞ্জের সেল-সাইড সাইডকার কার্যকর হয়। এটি চালু হলে মূল বাজারে প্রোগ্রাম সেল অর্ডারের কার্যকারিতা পাঁচ মিনিটের জন্য স্থগিত থাকে।
ফিউচারস হলো কোনো সম্পদ বা সূচকের মূল্যের সঙ্গে সম্পর্কিত চুক্তি। কোস্পি ২০০ ফিউচারস কোরিয়ার ২০০টি বড় কোম্পানির শেয়ারের সূচক অনুসরণ করে। বাজার কোন দিকে যাবে, সে বিষয়ে অবস্থান নিতে অথবা আগে থেকেই নিজের হাতে থাকা শেয়ারে লোকসানের ঝুঁকি কমাতে বিনিয়োগকারীরা এগুলো ব্যবহার করেন।
প্রোগ্রাম ট্রেডিংয়ে পূর্বনির্ধারিত শর্ত অনুযায়ী অর্ডার দেওয়ার জন্য কম্পিউটার সিস্টেম ব্যবহার করা হয়, কখনো কখনো একগুচ্ছ শেয়ারে একসঙ্গে অর্ডার দেওয়া হয়। তাই ফিউচারসের দামে দ্রুত ওঠানামার সঙ্গে অনেক শেয়ারে একযোগে প্রভাব ফেলা অর্ডারও আসতে পারে। সাইডকার সাময়িকভাবে বিক্রির এ চ্যানেলটি থামিয়ে দেয়।
এ ব্যবস্থা সব শেয়ার লেনদেন নয়, শুধু প্রোগ্রাম সেল অর্ডারে প্রযোজ্য ছিল। বিধিনিষেধ কার্যকর থাকলেও শেয়ারের দর ওঠানামা করতে পারে। পাঁচ মিনিটের মেয়াদ হওয়ায় সকাল ১০টা ৪ মিনিটের দিকে হস্তক্ষেপের পরও সকালে আরও দরপতন হওয়া সম্ভব ছিল।
সুরক্ষাব্যবস্থা কার্যকর হওয়ার সময় কোস্পি সূচকের পতন প্রায় ৪.৭৫ শতাংশ ছিল কেন, তা-ও এ নিয়ম থেকে বোঝা যায়: এতে বিস্তৃত নগদ বাজারের সূচকের শতাংশ পরিবর্তন নয়, বরং কোস্পি ২০০ ফিউচারসের পরিবর্তন বিবেচনা করা হয়। ফিউচারসের দর ততক্ষণে ৫.১২ শতাংশ কমেছিল।
অ্যালফাবেটের আয়ের ধাক্কা কোরিয়ার শেয়ারবাজারে
অ্যালফাবেটের তৃতীয় প্রান্তিকের আয় বাজারের প্রত্যাশার চেয়ে কম ছিল। একই সঙ্গে ফলাফলে এআই খাতে ব্যয়ের কারণে নগদ অর্থ খরচের পরিমাণে তীব্র বৃদ্ধির চিত্র উঠে আসে। কোম্পানিটির শেয়ারের দর ১২.৬৪ শতাংশ কমে; এ পতনে বাজারমূল্য প্রায় ৫০০ বিলিয়ন ডলার কমেছে বলে জানানো হয়।
বাজারমূল্য হলো একটি কোম্পানির শেয়ারের দরকে মোট শেয়ারসংখ্যা দিয়ে গুণ করলে যে অঙ্ক পাওয়া যায়। এত বড় পতনের অর্থ, ওই সেশনে বিনিয়োগকারীরা অ্যালফাবেটের শেয়ার মূলধনের মোট মূল্য অনেক কম ধরে দাম নির্ধারণ করেছেন। অন্যান্য প্রযুক্তি কোম্পানির ক্ষেত্রে উদ্বেগ ছিল, এআইয়ে বিপুল বিনিয়োগ থেকে শেয়ারহোল্ডারদের সন্তুষ্ট করার মতো আয় ও মুনাফা যথেষ্ট দ্রুত আসবে কি না।
এআই ব্যবসায় বিপুল কম্পিউটিং সক্ষমতা দরকার। এ সক্ষমতার পেছনে ব্যয় সরঞ্জাম ও চিপের চাহিদা বাড়াতে পারে, তবে একই সঙ্গে বিনিয়োগকারী কোম্পানিগুলোর হাতে থাকা নগদ অর্থের ওপর চাপও ফেলতে পারে। অ্যালফাবেটের ফলাফল ব্যয়ের এ দুই দিকই সামনে নিয়ে আসে।
অ্যালফাবেটের বাইরেও দরপতন ছড়িয়ে পড়ে। যুক্তরাষ্ট্রে নিয়মিত লেনদেনে ইন্টেলের শেয়ার ৩.৬ শতাংশ কমে, এরপর বাজার বন্ধের পর লেনদেনে আরও ১৬ শতাংশের বেশি নেমে যায়। ২৯ অক্টোবর যুক্তরাষ্ট্রের তিনটি প্রধান সূচকই নিম্নমুখী হয়ে দিন শেষ করে। ফলে সিউলে বাজার খোলার আগে কোরীয় বিনিয়োগকারীদের সামনে আন্তর্জাতিক বাজারের দুর্বল চিত্র ছিল।
দুই বাজারের যোগসূত্র সেমিকন্ডাক্টর শেয়ারে বিশেষভাবে স্পষ্ট ছিল। স্যামসাং ইলেকট্রনিকস ও এসকে হাইনিক্স কোরিয়ার বড় চিপ নির্মাতা কোম্পানি। তাই বিদেশে প্রযুক্তি খাতে ব্যয়ের প্রত্যাশা বদলালে নিজ দেশের বাজারে বিনিয়োগকারীরা তাদের মূল্যায়ন দ্রুত বদলে ফেলতে পারেন।
স্যামসাং ও এসকে হাইনিক্সের নেতৃত্বে বিস্তৃত দরপতন
সেশনের শুরুতে স্যামসাং ইলেকট্রনিকসের দর ৪ শতাংশের বেশি কমে; পরে তা ৫ শতাংশের ঘরে লোকসানে লেনদেন হয়। এসকে হাইনিক্সের দর প্রথমে ৭ শতাংশের বেশি কমে, পরে পতন ৮ শতাংশের ঘরে পৌঁছায়।
দুটি কোম্পানিই কোস্পির বড় উপাদান। বাজারমূল্য বেশি এমন কোম্পানিকে সূচকে বেশি ওজন দেওয়া হয়। তাই সূচকের বৃহত্তম কোম্পানিগুলোর দর ব্যাপকভাবে কমলে ছোট শেয়ারের ওঠানামা কম তীব্র হলেও বেঞ্চমার্ক সূচক নিচে নেমে যেতে পারে।
এসকে স্কয়ার, স্যামসাং ইলেকট্রো-মেকানিকস, এলজি এনার্জি সলিউশন এবং হুন্দাই মোটরসহ অন্যান্য বড় কোম্পানির শেয়ারেও দরপতন ছড়িয়ে পড়ে। প্রযুক্তি, ব্যাটারি ও গাড়ি খাতজুড়ে এ চাপ ছড়িয়ে পড়ায় বোঝা যায়, তা দুই শীর্ষ চিপ নির্মাতার মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না।
ছোট ও প্রবৃদ্ধিশীল কোম্পানি বেশি রয়েছে এমন পৃথক কোরীয় বাজার কোসডাকও নিম্নমুখী হয়ে দিন শুরু করে। সূচকটি ৭৩৭.৭৬ পয়েন্টে লেনদেন শুরু করে, আগের চেয়ে ১৫.৪৭ পয়েন্ট বা ২.০৫ শতাংশ কম। শুরুর সময় এর পতনের হার কোস্পির ২.৯৯ শতাংশ পতনের চেয়ে কম ছিল, তবে দুই বাজারেই দিনের শুরুতে চাপ ছিল।
পতনের মধ্যে কারা কিনছিলেন?
সেশনের শুরুতে বিদেশি ও প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা নিট ক্রেতা ছিলেন, আর ব্যক্তিশ্রেণির বিনিয়োগকারীরা ছিলেন নিট বিক্রেতা। নিট ক্রয় বলতে নির্দিষ্ট সময়ে কোনো গোষ্ঠী যত মূল্যের শেয়ার বিক্রি করেছে, তার চেয়ে বেশি মূল্যের শেয়ার কেনাকে বোঝায়।
সূচকের পতনের সময় দুই বড় বিনিয়োগকারী গোষ্ঠীর কেনার সঙ্গে এ প্রবাহের দিকটি মিলে যায়। তাই শুরুর লেনদেনের পরিসংখ্যান সব বিনিয়োগকারী নির্বিচারে বিক্রি করেছেন, এমন সরল বর্ণনার চেয়ে বিস্তারিত চিত্র দেয়।
শেয়ারের দর নির্ভর করে ক্রেতা ও বিক্রেতারা যে দরে লেনদেনে সম্মত হন এবং কোন শেয়ারগুলো কেনাবেচা হচ্ছে তার ওপর। বাজারে দর কমলেও কোনো গোষ্ঠী তার বিক্রির চেয়ে বেশি কিনতে পারে, বিশেষ করে লেনদেন ক্রমাগত কম দরে হলে।
শুরুর দিকের লেনদেনের তথ্যে প্রতিটি বিনিয়োগকারী গোষ্ঠীর অঙ্ক উল্লেখ ছিল না। এ হিসাব ছাড়া বিদেশি ও প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কেনার পরিমাণ এবং ব্যক্তিশ্রেণির বিনিয়োগকারীদের বিক্রির মূল্য নির্দিষ্ট করে বলা যায়নি। পরিসংখ্যানগুলো পুরো দিনের নয়, সেশনের শুরুর অংশের লেনদেনের চিত্রও তুলে ধরে।
১৫ অক্টোবরের পর দ্বিতীয়বার হস্তক্ষেপ
৩০ অক্টোবরের সাইডকার চালুর আগে ১৫ অক্টোবরও একবার তা কার্যকর হয়েছিল, যেদিন কোস্পি ৭.৫৭ শতাংশ কমে। একই মাসে দুইবার হস্তক্ষেপের অর্থ, একাধিকবার ফিউচারস বাজারে অস্বাভাবিক দ্রুত বিক্রির জন্য এক্সচেঞ্জের নির্ধারিত সীমা অতিক্রম করেছিল।
কোরীয় শেয়ার হাতে থাকা বিনিয়োগকারীদের জন্য তাৎক্ষণিক পরিবর্তন ছিল বাজারদরে তীব্র পতন, বিশেষ করে বড় সেমিকন্ডাক্টর কোম্পানির শেয়ারে। অর্ডার দেওয়া বিনিয়োগকারীদের ক্ষেত্রে এক্সচেঞ্জের হস্তক্ষেপে স্বয়ংক্রিয় বিক্রির একটি ধরন সাময়িকভাবে সীমিত হয়েছিল, তবে সামগ্রিক বাজারে লেনদেন চলছিল।
সেশনের পরবর্তী গুরুত্বপূর্ণ মানদণ্ড ছিল দিনের শেষের সূচক। সকাল ১০টা ১৬ মিনিটের পাঠে পতন ৫ শতাংশ ছাড়িয়েছিল, তবে দিনের বাকি সময়ের গতিপথ তখনও নির্ধারিত হয়নি। ততক্ষণে বাজার দুর্বল সূচনা থেকে ফিউচারসের দরপতনজনিত সুরক্ষাব্যবস্থা এবং নগদ বাজারের সূচকে আরও গভীর পতনের পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছিল।
মূল বিষয়গুলো
- ২০২৬ সালের ৩০ অক্টোবর সকাল ১০টা ১৬ মিনিটে কোস্পি ৫.০১ শতাংশ কমে ৫,৬৪০.০৪ পয়েন্টে ছিল।
- সকাল ১০টা ৪ মিনিট ৫৫ সেকেন্ডে কোরিয়া এক্সচেঞ্জ সেল-সাইড সাইডকার চালু করে এবং পাঁচ মিনিটের জন্য প্রোগ্রাম সেল অর্ডার স্থগিত রাখে।
- সুরক্ষাব্যবস্থা কার্যকর হওয়ার সময় কোস্পি ২০০ ফিউচারস ৫.১২ শতাংশ কমে ৮৮৭.৯২-এ ছিল।
- অ্যালফাবেটের ১২.৬৪ শতাংশ দরপতন এবং এআই খাতে ব্যয় নিয়ে উদ্বেগ প্রযুক্তি শেয়ারে চাপ তৈরি করে।
- সকালে স্যামসাং ইলেকট্রনিকসের দর ৫ শতাংশের ঘরে এবং এসকে হাইনিক্সের দর ৮ শতাংশের ঘরে কমে।
- লেনদেনের শুরুর দিকে বিদেশি ও প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা নিট ক্রেতা ছিলেন, আর ব্যক্তিশ্রেণির বিনিয়োগকারীরা ছিলেন নিট বিক্রেতা।
- কোস্পিতে এর আগে সাইডকার চালু হয়েছিল ১৫ অক্টোবর, যেদিন সূচকটি ৭.৫৭ শতাংশ কমে।






