ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তানকে হারাতে মাদুশঙ্কার ৫ উইকেট

পড়তে 7 মিনিট
Madushanka Takes Five as Sri Lanka Beat Pakistan to Reach Tri-Series Final

জিততেই হবে এমন ম্যাচকে একতরফা জয়ে পরিণত করল শ্রীলঙ্কা

দিলশান মাদুশঙ্কা ৩৪ রানে পাঁচ উইকেট নেওয়ায় মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, লাহোরে পাকিস্তান ১১০ রানে অলআউট হয়। এরপর ১৯১ বল হাতে রেখে আট উইকেটের জয় তুলে নিয়ে একদিনের আন্তর্জাতিক ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে উঠেছে শ্রীলঙ্কা। এই ফলে ইংল্যান্ডের বিদায় নিশ্চিত হয়েছে এবং ফাইনালে আবারও শ্রীলঙ্কা-পাকিস্তান লড়াইয়ের মঞ্চ তৈরি হয়েছে।

সূচিপত্র
  1. জিততেই হবে এমন ম্যাচকে একতরফা জয়ে পরিণত করল শ্রীলঙ্কা
  2. নিজের সেরা বোলিং করলেন মাদুশঙ্কা
  3. ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ পেল না পাকিস্তান
  4. পাকিস্তানের সেরা জুটি ছিল ২৭ রানের
  5. শুরুর সুযোগ পাওয়ার পর আক্রমণাত্মক কামিন্দু
  6. বাউন্ডারিতে ক্যাচ, কিন্তু ছয় রান
  7. যেভাবে নির্ধারিত হলো ফাইনালিস্ট
  8. ফিরতি ম্যাচে পাকিস্তানের সামনে ভিন্ন চ্যালেঞ্জ
  9. মূল বিষয়গুলো

গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে ৬০ বলে অপরাজিত ৬২ রানের ইনিংসে রান তাড়ায় নেতৃত্ব দেন কামিন্দু মেন্ডিস। ১৮.১ ওভারে দুই উইকেটে ১১৪ রান তুলে জেতে শ্রীলঙ্কা। জয়সূচক বাউন্ডারি হাঁকিয়ে পবন রথনায়েকে অপরাজিত থাকেন ২৩ রানে। প্রথম তিন ম্যাচ জিতে পাকিস্তান আগেই যোগ্যতা নিশ্চিত করেছিল, তবে তাদের অপরাজিত দৌড় থেমে যায় আকস্মিকভাবে।

টস জিতে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন শ্রীলঙ্কার অধিনায়ক কুশল মেন্ডিস। তার বোলাররা মাত্র ২৫.৩ ওভারে পাকিস্তানকে অলআউট করেন। শুরুতে দ্রুত উইকেট নেন মাদুশঙ্কা, পরে ইনিংস শেষ করতেও ফিরে আসেন তিনি। সাহান আরাচ্চিগে ২৪ রানে দুই উইকেট নিয়ে তাকে সহায়তা করেন। শ্রীলঙ্কার হয়ে বোলিং করা প্রত্যেকেই অন্তত একটি করে উইকেট নেন।

পাকিস্তানের বিপক্ষে টানা পাঁচ হারের পর এই জয়ে সেই ধারার অবসান হলো শ্রীলঙ্কার। বৃহস্পতিবার ইংল্যান্ডের বিপক্ষে লিগের শেষ ম্যাচটির তাৎপর্যও বদলে গেছে: এখন কোনো দলই ফাইনালে ওঠা দল দুটির পরিচয় বদলাতে পারবে না।

ম্যাচের প্রধান পরিসংখ্যানে শ্রীলঙ্কার সংগ্রহ দুই উইকেটে ১১৪ এবং বাবর আজমের রান ২৯। তবে অন্য কয়েকটি প্রকাশিত হিসাবে যথাক্রমে দুই উইকেটে ১১২ এবং ২৭ রান উল্লেখ করা হয়েছে। ফল, জয়ের ব্যবধান ও রান তাড়ার সময় নিয়ে হিসাবগুলোতে মিল রয়েছে। ক্রিকেটের হিসাবে ১৮.১ ওভার মানে ১৮ ওভার পূর্ণ হয়েছে, সঙ্গে একটি বল হয়েছে; ৫০ ওভারের নির্ধারিত ইনিংসে ৩১ ওভার পাঁচ বল বাকি ছিল।

বিজ্ঞাপন

নিজের সেরা বোলিং করলেন মাদুশঙ্কা

মাদুশঙ্কার ৩৪ রানে পাঁচ উইকেট নেওয়ার কীর্তি ওয়ানডেতে তার আগের সেরা বোলিং—২০২৩ বিশ্বকাপে মুম্বাইয়ে ভারতের বিপক্ষে ৮০ রানে পাঁচ উইকেট—ছাড়িয়ে গেছে। সমানসংখ্যক উইকেট নিয়ে এবার তিনি ৪৬ রান কম দিয়েছেন। ওয়ানডেতে এটি তার দ্বিতীয় পাঁচ উইকেটের কীর্তি।

বাঁহাতি পেসারের ব্যাটারদের বুকের দিকে লাফিয়ে ওঠা বল পাকিস্তানকে অস্বস্তিতে ফেলে। প্রথমে আউট হন ফখর জামান। চতুর্থ ওভারে শর্ট বল সামলাতে গিয়ে টাইমিং হারিয়ে পয়েন্টে ক্যাচ দিয়ে ফেরার আগে তিনি করেন পাঁচ রান।

এরপর শর্ট কভারে ক্যাচ দিয়ে পাঁচ রানে সাদ বেগকে ফেরান মাদুশঙ্কা। পরে ফিরে এসে আউট করেন আরাফাত মিনহাস, হারিস রউফ ও পাকিস্তানের অধিনায়ক শাহিন শাহ আফ্রিদিকে। ইনিংসের দুই পর্যায়েই তার উইকেট এসেছে: শুরুতে ধাক্কা দিয়েছেন, পাকিস্তানের সেরা জুটি ভেঙেছেন এবং শেষদিকের ব্যাটারদের রান বাড়াতে দেননি।

২০২৩ বিশ্বকাপের পর চোটের কারণে অগ্রগতি বাধাগ্রস্ত হওয়ায়, মাদুশঙ্কার এমন কার্যকারিতায় ফেরা শ্রীলঙ্কার জন্য বিশেষ স্বস্তির। লাহোরে তার বাউন্স আদায়ের ক্ষমতা পাকিস্তানকে বিপাকে ফেলে, যদিও পরে শ্রীলঙ্কার ব্যাটাররা একই উইকেটে স্বচ্ছন্দে রান তুলেছেন।

ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ পেল না পাকিস্তান

পরিচিত ব্যাটাররা থিতু হওয়ার আগেই পাকিস্তানের সমস্যা শুরু হয়। সাইম আইয়ুবকে দল থেকে ছেড়ে দেওয়ার পর স্কোয়াডে আসা মাজ সাদাকাত আট রান করে আসিথা ফার্নান্দোর ফুল লেংথের বলে এলবিডব্লিউ হন। পাকিস্তানের স্কোর দাঁড়ায় দুই উইকেটে ২৩।

সবচেয়ে দৃঢ় প্রতিরোধ গড়েন বাবর। ৩৩ বলে পাঁচটি বাউন্ডারি মারেন তিনি। বাবর ও বেগ তৃতীয় উইকেটে যোগ করেন ২৩ রান। তবে মাদুশঙ্কার বলে ব্যাটের কাছাকাছি ফিল্ডারের হাতে ক্যাচ দিয়ে বেগ ফিরলে জুটির অবসান হয়।

এরপর সালমান আলি আগা আরাচ্চিগের বলে কুশল মেন্ডিসের হাতে ক্যাচ দিয়ে নয় রানে আউট হন। ওভারের পরিবর্তনের সময়ই পরের বলে এশান মালিঙ্গার শিকার হন বাবর। ১৪ ওভারের মধ্যে ৬১ রানে পাঁচ উইকেট হারায় পাকিস্তান। দুই অভিজ্ঞ ব্যাটার আউট হন, কিন্তু তাদের বিদায়ের মাঝে কোনো রান যোগ হয়নি।

শাদাব খান আরাচ্চিগের বলে সুইপ করতে গিয়ে দুই রানে ক্যাচ দেওয়ার আগেই পাকিস্তান তাদের দুটি রিভিউই নষ্ট করেছিল। রিভিউ ব্যবস্থায় আম্পায়ারের সিদ্ধান্ত যাচাইয়ের জন্য টিভি আম্পায়ারের সাহায্য চাইতে পারে দল, তবে ভুল চ্যালেঞ্জ করলে নির্ধারিত সুযোগ কমে যায়। এরপর পাকিস্তানের আর কোনো সিদ্ধান্ত যাচাইয়ের সুযোগ ছিল না।

বিজ্ঞাপন

পাকিস্তানের সেরা জুটি ছিল ২৭ রানের

সপ্তম উইকেটে ২৭ রানের জুটি গড়ে পাকিস্তানকে কিছুটা স্থিতি দেন হাসান নওয়াজ ও আরাফাত মিনহাস। ইনিংসের সবচেয়ে বড় জুটি ছিল এটিই, যা দেখায় শ্রীলঙ্কা কতটা কার্যকরভাবে ঘুরে দাঁড়ানোর পথ বন্ধ রেখেছিল।

আরেকটি শর্ট বলে জুটি ভাঙেন মাদুশঙ্কা। স্টাম্পের পেছনে কুশলের দিকে বলটি ঠেলে দেওয়া ছাড়া আরাফাতের কিছু করার ছিল না। ১০ রানে ফেরেন তিনি। এরপর ১৭ রানে আউট হন হাসান। দুনিথ ওয়েলালাগের বলে উঁচু করে মারতে গিয়ে লং অফে আরাচ্চিগের হাতে ক্যাচ দেন তিনি। পাকিস্তানের স্কোর তখন আট উইকেটে ৯১।

রউফ এক রান করে মাদুশঙ্কার বলে স্লিপে কামিন্দুর হাতে ক্যাচ দেন। শেষদিকে কিছুটা প্রতিরোধ গড়েন শাহিন। ১৩ বলে ১৫ রানের ইনিংসে দুটি ছক্কা মারেন তিনি, তবে হুক করতে গিয়ে ওয়েলালাগের হাতে ক্যাচ দেন এবং মাদুশঙ্কার পাঁচ উইকেট পূর্ণ হয়।

পাকিস্তানের মাত্র চার ব্যাটার দুই অঙ্কের ঘরে পৌঁছান। ঘরের মাঠে ওয়ানডেতে এটি তাদের দ্বিতীয় সর্বনিম্ন সংগ্রহ এবং শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে তৃতীয় সর্বনিম্ন। পাকিস্তান খেলেছে ১৫৩টি বৈধ বল, যা তাদের ৩০০ বলের বরাদ্দের অর্ধেকের সামান্য বেশি। ফলে বোলারদের জন্য ভুল করার সুযোগ ছিল খুবই কম।

শুরুর সুযোগ পাওয়ার পর আক্রমণাত্মক কামিন্দু

শাহিনের প্রথম ওভারেই রানের খাতা খোলার আগেই সুযোগ পান কামিন্দু, তবে উইকেটরক্ষক বেগ তার ক্যাচ ফেলে দেন। এরপর তিনটি টানা বাউন্ডারি মেরে রউফ আক্রমণে আসার পরও ইনিংসের নিয়ন্ত্রণ নেন তিনি।

দুই চারসহ ১৭ বলে ১৬ রান করেন আভিষ্কা ফার্নান্দো। উদ্বোধনী জুটি ৫০-এ পৌঁছায়। শেষ পর্যন্ত পুল করতে গিয়ে শর্ট মিডউইকেটে ফখরের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন তিনি, তবে ততক্ষণে লক্ষ্য তাড়ায় বেশ খানিকটা এগিয়ে গেছে শ্রীলঙ্কা।

কুশল ছয় বল খেলে করেন আট রান। আরাফাতের বলে তার আউটটি ছিল অস্বাভাবিক: রক্ষণাত্মক শটে বল সামনে যায়, ফলো-থ্রুতে ব্যাটের পেছনে লাগে, তারপর গড়িয়ে স্টাম্পে আঘাত করে। আরাফাতের বোলিং ফিগার ছিল ২৩ রানে এক উইকেট।

আরেকটি বাধা এলেও রান তাড়া সচল রাখেন কামিন্দু। এলবিডব্লিউর সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সফল রিভিউ নেন তিনি। টিভি আম্পায়ারের পর্যালোচনায় আম্পায়ারের সিদ্ধান্ত পাল্টে যায়, ফলে অর্ধশতকের পথে এগিয়ে যেতে পারেন তিনি।

বিজ্ঞাপন

বাউন্ডারিতে ক্যাচ, কিন্তু ছয় রান

ডিপ ব্যাকওয়ার্ড স্কয়ার লেগের দিকে পুল করার পর রান তাড়ার গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তগুলোর একটি আসে। বিকল্প ফিল্ডার ক্যাচটি ধরলেও তার পা বাউন্ডারি ছুঁয়ে ফেলায় সম্ভাব্য আউটের বদলে ছয় রান পান কামিন্দু।

বাউন্ডারি ক্যাচ সম্পূর্ণ করার সময় বলের সংস্পর্শে থাকা ফিল্ডারের পা বাউন্ডারি দড়ির বাইরে থাকতে হয়। দড়িতে পা পড়ায় কামিন্দু ক্রিজে থেকে যান এবং সর্বোচ্চ বাউন্ডারি রান পান।

এরপর ২৬ বলে অপরাজিত ২৩ রান করে স্থির সমর্থন দেন রথনায়েকে; তার ইনিংসে ছিল দুটি চার। কভার পয়েন্ট দিয়ে মারা তার শেষ শটে লক্ষ্য ১১১ পেরিয়ে যায় শ্রীলঙ্কা। জয়সূচক বাউন্ডারির পুরো রানই গণনা হয়, তাই প্রয়োজনীয় রানের চেয়ে কয়েক রান বেশি করেও রান তাড়া শেষ হতে পারে।

কামিন্দুর ইনিংসে ছিল আটটি চার ও দুটি ছক্কা। বাউন্ডারির এসব শট থেকে আসে তার ৬২ রানের ৪৪টি, অর্থাৎ প্রায় ৭১ শতাংশ। পাকিস্তানের ইনিংসসহ দুই দলের ইনিংস মিলিয়ে খেলা হয়েছে মাত্র ৪৩.৪ ওভার, একটি পূর্ণ ওয়ানডে ইনিংসের বরাদ্দের চেয়েও কম।

যেভাবে নির্ধারিত হলো ফাইনালিস্ট

চার ম্যাচে তিন জয় থেকে ছয় পয়েন্ট নিয়ে লিগ পর্ব শেষ করে পাকিস্তান। দ্বিতীয় জয়ে চার পয়েন্টে পৌঁছে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে শেষ লিগ ম্যাচের আগেই যোগ্যতা নিশ্চিত করে শ্রীলঙ্কা। তিন হারে কোনো পয়েন্ট পায়নি ইংল্যান্ড। পাকিস্তানের নেট রান রেট -০.১১৪, শ্রীলঙ্কার ১.২৫৫ এবং ইংল্যান্ডের -০.৭৩৩।

মঙ্গলবারের আগে ইংল্যান্ডকে দুবার এবং শ্রীলঙ্কাকে একবার হারিয়েছিল পাকিস্তান। ১৮ অক্টোবরের প্রথম ম্যাচে শ্রীলঙ্কাকে ৩৭ রানে হারায় তারা। এরপর ২০ অক্টোবর ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ৮৭ রানের জয় পায়। ২২ অক্টোবর শ্রীলঙ্কা দুই উইকেটে ইংল্যান্ডকে হারানোর পর লাহোরে পাকিস্তানের বিপক্ষে জয়ের ধারাটি উল্টে দেয়।

  • প্রথম ম্যাচ: জয়ের ধারার শুরুতে শ্রীলঙ্কাকে হারায় পাকিস্তান।
  • রবিবার, ২৫ অক্টোবর: ২৪৩ রানের লক্ষ্য পাওয়ার পর শাদাবের অপরাজিত শতরানের সহায়তায় এক উইকেটে ইংল্যান্ডকে হারায় পাকিস্তান।
  • মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর: আট উইকেটে পাকিস্তানকে হারিয়ে ফাইনালের দৌড় থেকে ইংল্যান্ডকে ছিটকে দেয় শ্রীলঙ্কা।
  • বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর: লিগের শেষ ম্যাচে শ্রীলঙ্কার মুখোমুখি হবে ইংল্যান্ড।
  • শনিবার, ৩১ অক্টোবর: সূচি অনুযায়ী ফাইনালে মুখোমুখি হবে শ্রীলঙ্কা ও পাকিস্তান।

সূচি অনুযায়ী ফাইনাল শনিবার, ৩১ অক্টোবর, যদিও আগের একটি ম্যাচ-সংক্রান্ত প্রতিবেদনে রবিবার বলা হয়েছিল। বৃহস্পতিবারের ম্যাচটি পূর্ণ ওয়ানডে হলেও তার ফল ফাইনালিস্টদের বদলাতে পারবে না।

বিজ্ঞাপন

ফিরতি ম্যাচে পাকিস্তানের সামনে ভিন্ন চ্যালেঞ্জ

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে আগের জয়টি এসেছিল অবিশ্বাস্যভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে। এবার দুই রানে শাদাব আউট হওয়ায় সেই ম্যাচে পাকিস্তানকে উদ্ধার করা ব্যাটারকে হারায় দলটি। বাকি জুটিগুলো ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়ার মতো বড় হয়নি।

শ্রীলঙ্কার সাফল্যে একাধিক অবদান একসঙ্গে কাজ করেছে: মাদুশঙ্কার বাউন্স, ইনিংসের মাঝের দিকে আরাচ্চিগের উইকেট, ক্ষিপ্র ফিল্ডিং ও কামিন্দুর দ্রুত সূচনা। জবাবে পাকিস্তান মাত্র দুটি উইকেট নিতে পারে, শাহিন ও আরাফাত নেন একটি করে। ফিল্ডিংয়ে সুযোগ হাতছাড়া হওয়ায় রান তাড়া স্বচ্ছন্দেই শেষ করতে পারে শ্রীলঙ্কা।

শনিবারের ফিরতি ম্যাচে জবাব দেওয়ার তাৎক্ষণিক সুযোগ পাবে পাকিস্তান। তার আগে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে খেলবে শ্রীলঙ্কা, তবে লাহোর থেকে তারা ইতিমধ্যেই গুরুত্বপূর্ণ অর্জন নিয়ে ফিরছে: ফাইনালে জায়গা এবং টানা পাঁচবার তাদের হারানো প্রতিপক্ষের বিপক্ষে জয়।

মূল বিষয়গুলো

  • লাহোরে পাকিস্তানকে আট উইকেটে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে উঠেছে শ্রীলঙ্কা; বিদায় নিশ্চিত হয়েছে ইংল্যান্ডের।
  • ২৫.৩ ওভারে পাকিস্তান অলআউট হওয়ার পর দিলশান মাদুশঙ্কা ৩৪ রানে ক্যারিয়ারসেরা পাঁচ উইকেট নেন।
  • কামিন্দু মেন্ডিস ৬২ রানে অপরাজিত থাকেন, পবন রথনায়েকে করেন অপরাজিত ২৩।
  • ১৯১ বল হাতে রেখে ১৮.১ ওভারে রান তাড়া শেষ করে শ্রীলঙ্কা।
  • ৩১ অক্টোবর পাকিস্তানের বিপক্ষে নির্ধারিত ফাইনালের আগে ২৯ অক্টোবর ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হবে শ্রীলঙ্কা।
এই নিবন্ধটি শেয়ার করুন

আপনার পছন্দ হতে পারে