SEVENTEEN-এর নতুন জুটির বড় সূচনা
SEVENTEEN সদস্য জেওংহান ও জোশুয়ার অভিষেক ইউনিট মিনি অ্যালবাম DREAMSCAPE ১৯ থেকে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত ৮০৪,৯৪৯ কপি বিক্রি হয়েছে। এতে হানতেও চার্টের সাপ্তাহিক অ্যালবাম র্যাঙ্কিংয়ে প্রথম স্থান পেয়েছে অ্যালবামটি। বিক্রির হিসাব রাখা প্রতিষ্ঠানটি ২৬ অক্টোবর এই ফল জানায়। এর আগেই প্রথম দিনে বিক্রির রেকর্ড গড়েছিল অ্যালবামটি, যা কোনো কে-পপ ইউনিট অ্যালবামের ক্ষেত্রে নতুন রেকর্ড।
সূচিপত্র
সাতটি গানের অ্যালবামটি শুধু ১৯ অক্টোবরেই ৬ লাখ ৫০ হাজারের বেশি কপি বিক্রি হয়। জাপানেও এর সাফল্য ছড়িয়ে পড়ে; ২০ ও ২১ অক্টোবর অরিকনের দৈনিক অ্যালবাম র্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষে ছিল এটি। চীনে কিউকিউ মিউজিকের সামগ্রিক ডিজিটাল বেস্ট-সেলার অ্যালবাম চার্টেও প্রথম স্থান পায়।
JxJ নামে পরিচিত এই জুটি এখন অ্যালবামের প্রচার থেকে ছয় শহরের কনসার্ট সফরে যাচ্ছে। ৩০ অক্টোবর থেকে ১ নভেম্বর পর্যন্ত ইনচনের ইনস্পায়ার অ্যারেনায় নির্ধারিত উদ্বোধনী তিনটি শোর টিকিট ফ্যান ক্লাব সদস্যদের আগাম বিক্রিতেই শেষ হয়ে যায়। কনসার্টগুলো সরাসরি সম্প্রচারও করা হবে।
দুই গায়কের জন্য এই প্রকাশনা SEVENTEEN-এর ১৩ সদস্যের দলে তাঁদের ভূমিকার বাইরে ভিন্ন কিছু করার সুযোগ এনে দিয়েছে: দীর্ঘ ভোকাল অংশ, গান রচনায় নিজস্ব পছন্দ এবং তাঁদের জুটিকে ঘিরে তৈরি কনসার্ট। বাণিজ্যিক অভিষেকের সঙ্গে রয়েছে একটি গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্যও। প্রথম দিনে ইউনিট অ্যালবাম বিক্রির রেকর্ড গড়েছে DREAMSCAPE, তবে প্রথম সপ্তাহের বিক্রি SEVENTEEN-এর আরেক জুটি এস.কুপস ও মিনগিউয়ের আগের ৮ লাখ ৮৭ হাজার কপির রেকর্ডের চেয়ে কম।
বিক্রির পরিসংখ্যান যা বলছে
হানতেওর প্রথম সপ্তাহের হিসাব প্রকাশের পর প্রথম সাত দিনের বিক্রিকে ধরে। এ ক্ষেত্রে সময়কাল শুরু হয়েছিল ১৯ অক্টোবর, শেষ হয় ২৫ অক্টোবর। প্লেডিস এন্টারটেইনমেন্ট ২৬ অক্টোবর ৮০৪,৯৪৯ কপি বিক্রির হিসাব ও সাপ্তাহিক চার্টে জয়ের খবর জানায়।
এর মধ্যে ৬ লাখ ৫০ হাজারের বেশি কপি বিক্রি হয়েছিল প্রকাশের দিনেই। অর্থাৎ প্রথম সপ্তাহের মোট বিক্রির ৮০.৭ শতাংশের বেশি হয়েছিল প্রথম দিনে। পরের ছয় দিনে বিক্রি হয় ১ লাখ ৫৪ হাজার ৯৪৯টিরও কম কপি। পরিসংখ্যান থেকে বোঝা যায়, অ্যালবাম প্রকাশের শুরুতেই কেনাকাটা ব্যাপকভাবে কেন্দ্রীভূত ছিল।
এর আগে কোনো কে-পপ ইউনিটের প্রথম দিনে বিক্রির রেকর্ড ছিল ৬ লাখ কপি, যা গড়েছিলেন এস.কুপস ও মিনগিউ। জেওংহান ও জোশুয়া সেই সীমা ৫০ হাজারের বেশি কপি ছাড়িয়ে গেছেন, যা ৮.৩ শতাংশেরও বেশি বৃদ্ধি।
প্রথম সপ্তাহের তুলনায় অবশ্য ভিন্ন চিত্র দেখা যায়। ওনউর সঙ্গে জেওংহানের আগের ইউনিট ২০২৪ সালে অভিষেকের সময় প্রায় ৭ লাখ ৮০ হাজার কপি বিক্রি করেছিল। পরে এস.কুপস ও মিনগিউ সেই রেকর্ড বাড়িয়ে প্রায় ৮ লাখ ৮৭ হাজারে নিয়ে যান। DREAMSCAPE-এর ৮০৪,৯৪৯ কপি বিক্রি এই দুই সংখ্যার মাঝামাঝি। অ্যালবামটির নিশ্চিত অর্জন হলো প্রথম দিনের ইউনিট বিক্রির নতুন রেকর্ড এবং হানতেওর সাপ্তাহিক অ্যালবাম চার্টে প্রথম স্থান।
জাপান ও চীনে চার্টের সাফল্য
DREAMSCAPE বিশ্বব্যাপী আইটিউনস অ্যালবাম চার্টে ৬ নম্বরে পৌঁছেছে এবং জাপানসহ ছয়টি অঞ্চলে আইটিউনস টপ অ্যালবামস র্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষে ছিল। প্লেডিস আরও জানিয়েছে, জাপানের লাইন মিউজিক রিয়েল-টাইম অ্যালবামস টপ ১০০ এবং চীনের কিউকিউ মিউজিকের সামগ্রিক ডিজিটাল বেস্ট-সেলার অ্যালবাম চার্টে এটি প্রথম স্থান পেয়েছে।
অরিকনেও সাফল্য এসেছে। তাদের দৈনিক অ্যালবাম র্যাঙ্কিংয়ে ২০ ও ২১ অক্টোবর প্রথম স্থানে ছিল অ্যালবামটি। ১৯ অক্টোবর প্রকাশের পর টানা দুই দিন এই শীর্ষস্থান ধরে রাখে এটি।
চার্টগুলোর নাম ভিন্ন ভিন্ন পরিমাপ বোঝায়। হানতেওর সংখ্যাটি অ্যালবাম বিক্রির হিসাব, আর অরিকনের ফলাফলটি দৈনিক র্যাঙ্কিং। কিউকিউ মিউজিক, লাইন মিউজিক ও আইটিউনস তাদের নিজ নিজ প্ল্যাটফর্মের র্যাঙ্কিং প্রকাশ করে। সব মিলিয়ে, একাধিক বাজার ও প্ল্যাটফর্মে অ্যালবামটির শ্রোতাদের কাছে পৌঁছানোর চিত্র দেখা যায়; হানতেও দিয়েছে প্রথম সপ্তাহের বিক্রির সুনির্দিষ্ট সংখ্যা।
‘১২ ও’ক্লক’-এ স্বপ্নের ধারণা পর্দায়
শিরোনাম গান “12 o'clock” বিশ্বব্যাপী আইটিউনস সং চার্টে ৩৪ নম্বরে পৌঁছেছে। এর মিউজিক ভিডিওর দর্শকসংখ্যা ১ কোটি ছাড়িয়েছে। ১৯ অক্টোবরের তারিখে দক্ষিণ কোরিয়া, সিঙ্গাপুর, জাপান, কানাডা ও যুক্তরাজ্যে ইউটিউবের দৈনিক জনপ্রিয় মিউজিক ভিডিও চার্টেও স্থান পায় ভিডিওটি।
গানটিতে নাচের উপযোগী রকের সঙ্গে ১৯৭০ ও ১৯৮০-এর দশকের ডিস্কো ও ফাঙ্ক সংগীতের প্রভাব মিশেছে। শিরোনামটি একই ঘড়ির অবস্থানের দুই মুহূর্তকে যুক্ত করে: দুপুর, যা জেগে থেকে লক্ষ্য অর্জনের সঙ্গে সম্পর্কিত; আর মধ্যরাত, যা ঘুমের জগতে কল্পিত দৃশ্যের সঙ্গে জড়িত।
ভিডিওতে বিকৃত ট্রেনের কামরা ও বেরোনোর পথহীন ঘর দেখানো হয়েছে। এই দৃশ্যগুলো অ্যালবামের কেন্দ্রীয় বিষয়কে দৃশ্যমান করে: অবচেতন কল্পনা ও দৈনন্দিন জীবনের উচ্চাকাঙ্ক্ষার মিলন।
প্রকাশনা নিয়ে এক সাক্ষাৎকারে SEVENTEEN-এর ভোকাল দলের সদস্য জোশুয়া তাঁদের উদ্দেশ্য ব্যাখ্যা করেন।
“আমরা সত্যিই চেয়েছিলাম, পুরো অ্যালবামটি যেন স্বপ্ন আর বাস্তবতার ভেতর দিয়ে ভ্রমণের এক যাত্রা মনে হয়,” বলেন জোশুয়া।
গানটির পরিবেশনায় দুজনের পারস্পরিক বোঝাপড়াকে ঘিরে কোরিওগ্রাফিও তৈরি করা হয়েছে। জোশুয়া বলেন, পরিবেশনার সঙ্গে একসঙ্গে শুনলে গানটি আরও উপভোগ্য হয়ে ওঠার কথা। আর জেওংহান জানান, প্রকাশের আগে গানটি শুনে SEVENTEEN-এর অন্য সদস্যরা তাঁদের উৎসাহ দিয়েছিলেন।
শক্তিশালী ও সংযত সুরের মাঝামাঝি
JxJ হলো SEVENTEEN-এর সপ্তম ইউনিট এবং পুরোপুরি জেওংহান ও জোশুয়াকে ঘিরে তৈরি প্রথম প্রকল্প। বড় দলের কয়েকজন সদস্যকে নিয়ে গড়া ছোট দলকে ইউনিট বলা হয়; এতে শিল্পীরা নির্দিষ্ট কোনো সুর বা জুটির সম্ভাবনা বিকাশের সুযোগ পান।
প্রশিক্ষণার্থী থাকাকালে দুজনের পরিচয় হয়। এর আগে SEVENTEEN-এর ২০১৮ সালের বিশেষ অ্যালবাম Director's Cut-এর জন্য “Falling for U” রেকর্ড করেছিলেন তাঁরা। DREAMSCAPE সেই যৌথ ইতিহাসকে আরও এগিয়ে নিয়েছে, পুরো অ্যালবাম ও সফরকে ঘিরে তৈরি হয়েছে তাঁদের জুটি।
জোশুয়া জানান, কোম্পানিই প্রথম এই সহযোগিতার প্রস্তাব দিয়েছিল। এরপর পূর্ণ দলীয় কার্যক্রমে কম নজর পাওয়া নিজেদের দিকগুলো কীভাবে তুলে ধরা যায়, তা নিয়ে আলোচনা করেন দুই গায়ক। শুরুতে সংগীতের ধরন নিয়ে তাঁদের ভাবনা এক ছিল না: জেওংহান চেয়েছিলেন আরও শক্তিশালী উপস্থাপনা, আর জোশুয়া চেয়েছিলেন আরও সংযত ও পরিণত কিছু।
এই পছন্দগুলো কীভাবে শেষ পর্যন্ত শিরোনাম গানে রূপ নিল, তা ব্যাখ্যা করেন জোশুয়া।
শেষ পর্যন্ত আমরা মাঝামাঝি একটা অবস্থানে পৌঁছাই এবং ‘12 O'Clock’ গানটি তৈরি করি, যা শক্তিশালী আর সংযত—দুইয়ের ঠিক মাঝখানে।
প্রধান একক গান নির্বাচনের জন্য তিন-চারটি গান বিবেচনা করা হয়েছিল। কাজের সময় একটি গান হাউস সংগীতের বিন্যাস থেকে ব্যান্ডের সুরের দিকে এগোয়। শেষ পর্যন্ত নির্বাচিত গানটিতে দুজনের বিপরীত পছন্দ একসঙ্গে মিশেছে।
সাতটি গানে নিজস্ব পছন্দের জায়গা
DREAMSCAPE শুরু হয়েছে হাউস গান “Like You” দিয়ে, এরপর এসেছে আরঅ্যান্ডবি ও সোল, আর শেষ হয়েছে “No Looking Back”-এর কাঁচা ব্যান্ড সাউন্ডে। জেওংহান ও জোশুয়ার মতে, সাতটি গান আলাদা আলাদা অংশ নয়, বরং একটি গল্পের বিভিন্ন অধ্যায়।
অল্টারনেটিভ রক গান “Not Personal”-এ জোশুয়া এককভাবে লেখা ও সুর করার কাজে অংশ নিয়েছেন। “No Looking Back”-এও তিনি কথা লিখেছেন। জেওংহান নিজের একক গান, ইলেকট্রো হাউস ট্র্যাক “Coloring”-এর কথা সহ-লিখেছেন। এই স্বীকৃতিগুলো যৌথ অ্যালবামে দুই গায়কের আলাদা সৃজনশীল ভূমিকা তুলে ধরে।
ইউনিট প্রকল্পটি গড়ে ওঠার আগেই জোশুয়া গান তৈরি করে কোম্পানির কাছে জমা দিতেন। তাঁর ভাষ্য, এই প্রক্রিয়ায় কোম্পানি তাঁর ব্যক্তিগত সংগীতরুচি বুঝতে পেরেছিল। দুজনে মিলে কাজ করা কিছু গান চূড়ান্ত ট্র্যাক তালিকায় রাখা হয়নি।
জেওংহান বলেন, তাঁদের সংগীতের দিকনির্দেশনা নিয়ে জোশুয়ার ভাবনা কতটা দৃঢ়ভাবে গড়ে উঠেছিল, তা তাঁকে মুগ্ধ করেছিল। অন্যদিকে, কনসার্ট নিয়ে এবং মঞ্চে তাঁদের সক্ষমতা কীভাবে তুলে ধরা যায়, সে বিষয়ে জেওংহান আগে থেকেই কতটা ভেবেছিলেন, তা জোশুয়ার নজরে আসে।
স্বপ্ন ও বাস্তবতার গল্পকে এগিয়ে নিতে অ্যালবামের নানা ধরনের সুর কাজে এসেছে। ভিন্ন ভিন্ন সংগীতধারা গায়কদের মেজাজ বদলানোর সুযোগ দেয়, আর উদ্বোধনী ও শেষ গান দুটি শ্রোতাদের যাত্রাটির স্পষ্ট শুরু ও শেষ উপহার দেয়।
রেকর্ডিংয়ে ফেরা, কণ্ঠে নতুন ধরন
জেওংহান বলেন, ওই গ্রীষ্মে দক্ষিণ কোরিয়ার বাধ্যতামূলক সামরিক সেবা শেষ করার পর DREAMSCAPE-ই তাঁর প্রথম নতুন সংগীত। দলীয় কার্যক্রম থেকে দূরে থাকার সময় কখনো কখনো তিনি দর্শকসারিতে ক্যারাটদের সঙ্গে SEVENTEEN-এর পরিবেশনা দেখতেন। ক্যারাট হলো দলটির ভক্তদের নাম।
ফেরাটা তাঁর কাছে ব্যক্তিগত ও পেশাগত, দুই দিক থেকেই গুরুত্বপূর্ণ ছিল। জেওংহান বলেন, সেবাকালে অন্যদের কাছ থেকে যে বিবেচনা ও আন্তরিকতা পেয়েছিলেন, সেই অনুভূতি তিনি সংগীতে নিয়ে আসতে চেয়েছিলেন। আরও পরিণত শিল্পী হিসেবে নিজেকে তুলে ধরার সুযোগ হিসেবেও দেখেছেন এই প্রকল্পকে।
রেকর্ডিং স্টুডিওতে জেওংহান আরও পূর্ণ কণ্ঠস্বর এবং গানভেদে ভিন্ন ভিন্ন ধরন নিয়ে পরীক্ষা করেছেন। জোশুয়া বলেন, আরও পরিণত সুর তৈরির জন্য তিনি নিজের কণ্ঠ নিয়ে পড়াশোনা করেছেন।
সদস্যসংখ্যা কম হওয়ায় প্রতিটি গায়কের কণ্ঠ শ্রোতারা কতটা শুনতে পান, তাও বদলে যায়। জোশুয়া ব্যাখ্যা করেন, SEVENTEEN-এ অনেক সদস্যের মধ্যে ভোকাল অংশ ভাগ হওয়ায় তাঁর গাওয়ার অংশ কখনো সংক্ষিপ্ত হয়। মাত্র দুজন পরিবেশক থাকায় অ্যালবামে দুজনের কণ্ঠই বেশি সময় পেয়েছে, আর তাঁদের ব্যক্তিগত পছন্দগুলোও সহজে বোঝা যায়।
SEVENTEEN-এর অভিষেক ২০১৫ সালে। ওই গ্রীষ্মে ১৩ সদস্যই প্লেডিসের সঙ্গে চুক্তি নবায়ন করেন, যা পুরো দলের দ্বিতীয়বার চুক্তি নবায়নের ঘটনা। বড় দলের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রেখেই জেওংহান ও জোশুয়ার জন্য আলাদা সৃজনশীল পরিসর তৈরি করেছে এই জুটি প্রকল্প।
অ্যালবাম প্রকাশের পর ছয় শহরে সফর
JEONGHAN X JOSHUA JOURNEY INTO [DREAMING] সফরের শুরুতে ৩০ অক্টোবর থেকে ১ নভেম্বর পর্যন্ত ইনচনের ইনস্পায়ার অ্যারেনায় তিনটি কনসার্ট হবে। ফ্যান ক্লাব সদস্যদের আগাম বিক্রির সময়ই টিকিট শেষ হয়ে যায়। অর্থাৎ সাধারণ বিক্রি শুরু হওয়ার আগেই উদ্বোধনী কনসার্টগুলোর সব টিকিট বিক্রি হয়েছে।
সফরে আরও রয়েছে সাইতামা, ম্যাকাও, তাইপে, বুসান ও হংকং। ইনচনের কনসার্টগুলো সরাসরি সম্প্রচার করা হবে, ফলে উদ্বোধনী পরিবেশনা দেখার আরেকটি উপায় পাবেন ভক্তরা। এখানে উল্লেখ করা ঘোষণাগুলোতে বাকি পাঁচ শহরের তারিখ জানানো হয়নি।
অ্যালবাম প্রকাশ ও পরিবেশনার সময়সূচি এগিয়েছে দ্রুত:
- ১৯ অক্টোবর: DREAMSCAPE প্রকাশিত হয় এবং প্রথম দিনেই ৬ লাখ ৫০ হাজারের বেশি কপি বিক্রি হয়।
- ১৯ অক্টোবর: পাঁচটি দেশের ইউটিউবের দৈনিক জনপ্রিয় মিউজিক ভিডিও চার্টে শিরোনাম গানের ভিডিও স্থান পায়।
- ২০ ও ২১ অক্টোবর: অরিকনের দৈনিক অ্যালবাম র্যাঙ্কিংয়ে অ্যালবামটি ১ নম্বরে ছিল।
- ২৫ অক্টোবর: প্রথম সপ্তাহের বিক্রি শেষ হয় ৮০৪,৯৪৯ কপিতে।
- ২৬ অক্টোবর: প্রথম সপ্তাহের ফল ও সাপ্তাহিক চার্টে জয়ের খবর জানায় হানতেও।
- ৩০ অক্টোবর থেকে ১ নভেম্বর: ইনচনে তিনটি কনসার্ট দিয়ে সফর শুরু করার কথা রয়েছে জুটির।
প্রকাশনা উপলক্ষে সিউলে খোলা পপ-আপ স্টোরের টিকিটও চালুর পরপরই শেষ হয়ে যায়। কনসার্টের আগাম টিকিট বিক্রির পাশাপাশি এই সাড়া দেখায়, অ্যালবাম কেনার বাইরেও চাহিদা রয়েছে।
জুটি হিসেবে সামনে কী গড়তে চান তাঁরা
অ্যালবামের পর JxJ কত দিন চলবে, তা খোলা রেখেছেন জোশুয়া। এই জুটি কোন পথে এগোবে, তা ঠিক করার আগে ভক্তদের সাড়া দেখতে চান তিনি। জেওংহান অবশ্য মনে করেন, প্রস্তুতির সময় তাঁরা জুটির আরও সম্ভাবনা আবিষ্কার করেছেন।
তাৎক্ষণিক পরিকল্পনাগুলো স্পষ্ট: DREAMSCAPE-এর প্রচার, এর পরিবেশনা আরও উন্নত করা এবং ছয় শহরে গানগুলো নিয়ে যাওয়া। একক গান, যৌথ গান এবং আলাদা সফর—সব মিলিয়ে দর্শকদের সামনে এই জুটির নানা দিক তুলে ধরার সুযোগ তৈরি হয়েছে।
জোশুয়া আরও বলেন, অ্যালবাম তৈরির অভিজ্ঞতা ব্যক্তিগত সংগীত তৈরির আগ্রহ বাড়িয়েছে। রেকর্ডিংয়ের পাশাপাশি অভিনয়ের ক্লাস করছেন তিনি এবং অভিনয় প্রকল্পে কাজ করার আশা রাখেন।
জেওংহান মনোযোগ দিয়েছেন ইতিমধ্যে তাঁদের সমর্থন করে আসা ভক্তদের জন্য সংগীত তৈরি চালিয়ে যাওয়ার দিকে। প্রথম সপ্তাহেই জুটিটি বড় বাণিজ্যিক সূচনা পেয়েছে। DREAMSCAPE তৈরির সময় তাঁরা যে ভোকাল ও পরিবেশনার নানা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, সফর এখন সেগুলো তুলে ধরার পরবর্তী মঞ্চ।
মূল বিষয়গুলো
- ১৯ থেকে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত DREAMSCAPE ৮০৪,৯৪৯ কপি বিক্রি হয়েছে এবং হানতেওর সাপ্তাহিক অ্যালবাম চার্টে শীর্ষে ছিল।
- প্রকাশের দিনেই ৬ লাখ ৫০ হাজারের বেশি কপি বিক্রি হয়, যা কে-পপ ইউনিট অ্যালবামের প্রথম দিনের বিক্রির নতুন রেকর্ড।
- প্রথম সপ্তাহের মোট বিক্রি এস.কুপস ও মিনগিউয়ের গড়া আগের প্রায় ৮ লাখ ৮৭ হাজার কপির ইউনিট রেকর্ডের চেয়ে কম ছিল।
- ২০ ও ২১ অক্টোবর অরিকনের দৈনিক র্যাঙ্কিংয়ে অ্যালবামটি শীর্ষে ছিল; উল্লেখিত কিউকিউ মিউজিক ও লাইন মিউজিক চার্টেও প্রথম স্থান পায়।
- সাতটি গানের অ্যালবামে জেওংহান ও জোশুয়া দুজনেরই গান রচনায় অবদান রয়েছে।
- ৩০ অক্টোবর থেকে ১ নভেম্বর পর্যন্ত ইনচনে তিনটি কনসার্ট দিয়ে জুটির সফর শুরু হবে; সব টিকিট বিক্রি হয়েছে এবং সরাসরি সম্প্রচারেরও পরিকল্পনা রয়েছে।






