শারজাহর শিরোপায় সপ্তম স্থানে আফগানিস্তান
২০২৬ সালের ২৩ অক্টোবর শারজাহয় সংযুক্ত আরব আমিরাতের ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে জিম্বাবুয়েকে সাত উইকেটে হারানোর পর আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) পুরুষদের ওয়ানডে দলীয় র্যাঙ্কিংয়ে ইংল্যান্ডকে পেছনে ফেলে সপ্তম স্থানে উঠে এসেছে আফগানিস্তান। ইব্রাহিম জাদরান ৭০ রানে অপরাজিত থাকেন। ৩৪.৩ ওভারে ৩ উইকেটে ১৭০ রান তুলে ৯৩ বল হাতে রেখেই জয় পায় আফগানিস্তান।
সূচিপত্র
২৩ অক্টোবর প্রকাশিত আইসিসির পুরুষদের ওয়ানডে র্যাঙ্কিংয়ে আফগানিস্তানের রেটিং ৯৪, ইংল্যান্ডের চেয়ে এক পয়েন্ট বেশি এবং শ্রীলঙ্কার চেয়ে এক পয়েন্ট কম। দুই রেটিং পয়েন্ট পেয়ে অষ্টম স্থান থেকে সপ্তমে উঠেছে আফগানিস্তান। ২০২৫ সালের মে মাসে প্রথমবার যে সর্বোচ্চ অবস্থানে উঠেছিল, এবার সেই অবস্থানেই ফিরেছে দলটি।
রাওয়ালপিন্ডিতে পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার কাছে টানা হারের পর ষষ্ঠ স্থান থেকে অষ্টমে নেমে গেছে ইংল্যান্ড; তাদের রেটিং কমেছে দুই পয়েন্ট। ৯৫ রেটিং নিয়ে ষষ্ঠ স্থানে উঠেছে শ্রীলঙ্কা। ফলে মাত্র দুই পয়েন্টের ব্যবধানে রয়েছে তিনটি দল।
ফাইনালে জয়ের ভিত গড়ে দেয় আফগানিস্তানের বোলিং। ৪১ রানে তিন উইকেট নেন রশিদ খান। ৪৩.৩ ওভারে ১৬৯ রানে অলআউট হয় জিম্বাবুয়ে। ফজলহক ফারুকি, মোহাম্মদ নবী ও বিলাল সামি দুটি করে উইকেট নেন। বাকি উইকেটটি নেন আজমতউল্লাহ ওমরজাই।
জিম্বাবুয়ের হয়ে সবচেয়ে ভালো প্রতিরোধ গড়েন অধিনায়ক সিকান্দার রাজা; ৮৩ বলে করেন ৬৮ রান। দলটি ৪ উইকেটে ৫৫ রানে পড়ে যাওয়ার পর তাঁর ইনিংসে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ছিল জিম্বাবুয়ে। তবে আফগানিস্তানের উদ্বোধনী জুটি এবং জাদরান ও অধিনায়ক রহমত শাহর ধীরস্থির জুটি রান তাড়ায় দলকে পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ এনে দেয়।
ম্যাচসেরা হন জাদরান। সিরিজে ১১ উইকেট নিয়ে টুর্নামেন্টসেরার পুরস্কার পান রশিদ। ফাইনালের আগে তাঁর ঝুলিতে ছিল আট উইকেট; শেষ ম্যাচে পান আরও তিনটি।
দ্রুত উইকেট হারিয়ে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা জিম্বাবুয়ের
টস জিতে আগে ব্যাটিংয়ে নামে জিম্বাবুয়ে, তবে আফগানিস্তান দ্রুতই তাদের শীর্ষ ব্যাটারদের ফিরিয়ে দেয়। তাদিওয়ানাশে মারুমানিকে বোল্ড করেন ফারুকি। নিজের বোলিংয়ে ব্রায়ান বেনেটের ক্যাচ নেন ওমরজাই। এরপর শর্ট স্কয়ার লেগে এক হাতে ক্যাচ নিয়ে ফারুকির বলে তাফাদজওয়া শিগাকে ফেরান এএম গজনফর।
১৩তম ওভারে ব্রেন্ডন টেলরকে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিতে বাধ্য করেন সামি। তাতে ৪ উইকেটে ৫৫ রানে পরিণত হয় জিম্বাবুয়ে। অর্থাৎ নির্ধারিত ৫০ ওভারের এক-চতুর্থাংশের কিছু বেশি খেলার আগেই তাদের ১০ উইকেটের চারটিই পড়ে যায়।
রাজা ও রায়ান বার্ল সিঙ্গেল-ডাবলস নিয়ে এবং রশিদের প্রথম স্পেল সামলে ইনিংস সামাল দেন। ৩০ রানে বার্লের ক্যাচ পড়লেও, নবীর বলে ডিপ স্কয়ার লেগে সামির হাতে ধরা পড়ার আগে তিনি আর মাত্র এক রান যোগ করতে পারেন।
এরপর রহমতউল্লাহ গুরবাজের ক্ষিপ্র স্টাম্পিংয়ে ওয়েসলি মাধেভেরেকে ফেরান নবী। ক্রিজ ছেড়ে এগিয়ে এসে বল মিস করেন মাধেভেরে; বলটি তাঁর প্যাডে লেগে দিক বদলায়। গুরবাজ বলটি ধরে ব্যাটার নিরাপদে ফেরার আগেই স্টাম্প ভেঙে দেন।
এই উইকেটের মাধ্যমে তিন সংস্করণ মিলিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ৩০০ উইকেট পূর্ণ করেন নবী। তাঁর শেষ পর্যন্ত ২৫ রানে দুই উইকেট জিম্বাবুয়ের মিডল অর্ডারকে ঘুরে দাঁড়িয়ে বড় সংগ্রহ গড়তে বাধা দেয়।
রাজার প্রতিরোধ, রশিদের আরেকটি মাইলফলক
৬৮ রানের ইনিংসে তিনটি করে চার ও ছক্কা মারেন রাজা। রশিদের বলে তাঁর একটি ছক্কার দূরত্ব ছিল ৯৮ মিটার। ৪০ বছর বা তার বেশি বয়সীদের মধ্যে ওয়ানডে টুর্নামেন্টের ফাইনালে অর্ধশতক করা প্রথম ব্যাটার হলেন তিনি।
রশিদ বোলিংয়ে ফিরেই তিন উইকেট নেন। এক রানে ব্র্যাড ইভান্সকে ফিরিয়ে, নিউম্যান নিয়ামহুরিকে বোল্ড করে এবং এরপর রাজার উইকেট নিয়ে আঘাত হানেন তিনি। আরেকটি বড় শট খেলতে গিয়ে লং-অফে ক্যাচ দেন রাজা।
ওয়ানডে ক্রিকেটের ইতিহাসে টানা ছয় ইনিংসে অন্তত তিনটি করে উইকেট নেওয়া দ্বিতীয় বোলারও হয়েছেন রশিদ। ফাইনালে তাঁর তিন উইকেটে শেষ হয় এমন এক টুর্নামেন্ট, যেখানে আফগানিস্তান বারবার প্রতিপক্ষের সংগ্রহ নাগালের মধ্যে আটকে রেখেছে।
জিম্বাবুয়ের শেষ জুটি ওয়েলিংটন মাসাকাদজা ও ব্লেসিং মুজারাবানি প্রায় ১০ ওভার ব্যাট করে ৩২ রান যোগ করায় ইনিংসের সমাপ্তি কিছুটা পিছিয়ে যায়। এটি ছিল ইনিংসে জিম্বাবুয়ের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ জুটি। শুরুর ধসের পর নিচের সারির ব্যাটাররা যে বড় অবদান রেখেছেন, তা এতে স্পষ্ট।
শেষ পর্যন্ত আট রানে মাসাকাদজাকে ফিরিয়ে জিম্বাবুয়ের ইনিংসের সমাপ্তি ঘটান সামি; দলটির সংগ্রহ দাঁড়ায় ১৬৯। তাঁর ২৭ রানে দুই উইকেট এবং ফারুকির ৪১ রানে দুই উইকেট—পেস ও স্পিন, দুই ধরনের বোলিং থেকেই উইকেট পায় আফগানিস্তান। নির্ধারিত ইনিংসের ৩৯ বল বাকি থাকতেই অলআউট হয় জিম্বাবুয়ে।
জাদরান ও রহমতের নিয়ন্ত্রণে রান তাড়া
দ্রুতগতিতে রান তাড়া শুরু করে আফগানিস্তান। শুরুতেই ইভান্সের ওপর চড়াও হন জাদরান। গুরবাজ ৩১ বলে ৩৬ রানের ইনিংসে ছয়টি চার মারেন, যার মধ্যে দুটি ছিল ছক্কা। উদ্বোধনী জুটিতে আসে ৬৮ রান, পরের ব্যাটারদের ওপর চাপও কমে যায়।
ধীরগতির বলে পয়েন্টে ক্যাচ করিয়ে গুরবাজকে ফেরান নিয়ামহুরি। এরপর ছয় রানে সিদিকউল্লাহ আতালকে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিতে বাধ্য করেন তিনি। ৪৩ রানে দুই উইকেট নিয়ে জিম্বাবুয়ের সেরা বোলিং করেন নিয়ামহুরি।
তৃতীয় উইকেটে ৮২ রানের জুটি গড়ে জবাব দেন জাদরান ও রহমত। টানা ৭৭ বল কোনো বাউন্ডারি ছাড়া খেললেও সিঙ্গেল-ডাবলসে রান তুলতে থাকেন তাঁরা। লক্ষ্য কম এবং হাতে পর্যাপ্ত ওভার থাকায় ঝুঁকি কমিয়ে রান তোলার সুযোগ ছিল তাঁদের।
একটি চার ও একটি ছক্কায় ৬৩ বলে ৪৩ রান করেন রহমত। শর্ট মিডউইকেটে বার্লের হাতে ধরা পড়ে বিদায় নেন তিনি। অধিনায়ক ফেরার সময় আফগানিস্তানের দরকার ছিল মাত্র আট রান।
জয়সূচক বাউন্ডারি মারেন হাশমতউল্লাহ শহিদি। ৯৬ বলে চারটি চার ও একটি ছক্কায় ৭০ রানে অপরাজিত থাকেন জাদরান। টুর্নামেন্টে এটি তাঁর দ্বিতীয় অর্ধশতক।
৩৪.৩ ওভার মানে ৩৪টি পূর্ণ ওভারের পর আরও তিনটি বৈধ বল; এটি ওভারের দশমিক ভগ্নাংশ নয়। প্রতি ওভারে ছয়টি বৈধ বল হওয়ায় আফগানিস্তান সম্ভাব্য ৩০০ বলের মধ্যে ২০৭টি খেলেছে, বাকি ছিল ৯৩ বল।
অপরাজিত পথচলার শেষে শিরোপা
ত্রিদেশীয় সিরিজে অপরাজিত থেকে ফাইনালে উঠেছিল আফগানিস্তান; লিগ পর্বে জিম্বাবুয়ে ও বাংলাদেশ, দুই দলকেই হারায় তারা। ফাইনালে এটি ছিল তিন ম্যাচে তাদের তৃতীয় জয় এবং পাঁচ দিনের মধ্যে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে দ্বিতীয় দাপুটে জয়।
টুর্নামেন্টের সংক্ষিপ্ত সূচিতে দেখা যায়, ফাইনালে ওঠার পথে অন্য দুই দল থেকে কীভাবে এগিয়ে ছিল দুই ফাইনালিস্ট:
- ১৭ অক্টোবর, আবুধাবি: আট উইকেটে ২৭১ রান করে জিম্বাবুয়ে; বাংলাদেশকে ১৭২ রানে অলআউট করে ৯৯ রানে জেতে তারা।
- ১৯ অক্টোবর, আবুধাবি: ২৯৪ রান করে আফগানিস্তান; জিম্বাবুয়েকে ১৩৬ রানে অলআউট করে ১৫৮ রানে জেতে তারা।
- ২১ অক্টোবর, শারজাহ: বাংলাদেশকে ১৬০ রানে অলআউট করে ৩৫.৩ ওভারে ৩ উইকেটে ১৬১ রান তোলে আফগানিস্তান; সাত উইকেটে জেতে তারা।
- ২৩ অক্টোবর, শারজাহ: জিম্বাবুয়েকে ১৬৯ রানে অলআউট করে ৩৪.৩ ওভারে ৩ উইকেটে ১৭০ রান তুলে ফাইনাল জেতে আফগানিস্তান।
লিগ পর্ব শেষে আফগানিস্তানের পয়েন্ট ছিল চার, জিম্বাবুয়ের দুই এবং বাংলাদেশের শূন্য। উদ্বোধনী ম্যাচে জয় জিম্বাবুয়েকে ফাইনালে তুলেছিল, কিন্তু দুই ফাইনালিস্টের মুখোমুখি লড়াইয়ে দুবারই শক্তিশালী প্রমাণিত হয় আফগানিস্তান।
ফাইনালের আগে আফগানিস্তানের কোচ রিচার্ড পাইবাস সতর্ক করেছিলেন, জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে আগের জয় ফাইনালের ফল নির্ধারণ করে দিয়েছে—এমনটা ধরে নেওয়া ঠিক হবে না। জিম্বাবুয়ে দলে অভিজ্ঞ খেলোয়াড়দের কথা তুলে ধরে তিনি বলেছিলেন:
বাংলাদেশের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচেই জিম্বাবুয়ে দেখিয়েছে, দলে বেশ কয়েকজন অভিজ্ঞ খেলোয়াড় আছে এবং তাঁরা বড় পারফরম্যান্স করতে পারেন। তাই আমরা তাদের যথেষ্ট সম্মান দিয়েই খেলব।
রাজার ইনিংস প্রমাণ করে, সেই সতর্কতা অমূলক ছিল না। তবে অধিনায়কের পাশে যথেষ্ট জুটি গড়তে পারেনি জিম্বাবুয়ে। ২০০৩ সালের পর শারজাহর প্রথম ওয়ানডে টুর্নামেন্টের ফাইনাল শেষ হয় দুই ইনিংসেই আফগানিস্তানের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে।
কেন ইংল্যান্ডকে পেছনে ফেলল আফগানিস্তান
আফগানিস্তানের উত্থান ও ইংল্যান্ডের পতন এসেছে দুটি ভিন্ন জায়গার ফল থেকে: সংযুক্ত আরব আমিরাতের ত্রিদেশীয় সিরিজ এবং রাওয়ালপিন্ডিতে ইংল্যান্ডের হার। আফগানিস্তানের রেটিং বেড়েছে দুই পয়েন্ট, আর ইংল্যান্ডের কমেছে দুই; ফলে অবস্থান অদলবদল হয়েছে।
সরকারি তালিকায় আফগানিস্তানের ৩১ ম্যাচে পয়েন্ট ২,৯২৬ এবং রেটিং ৯৪। ইংল্যান্ডের ৩৬ ম্যাচে পয়েন্ট ৩,৩৩১, রেটিং ৯৩। দলগুলোর অবস্থান নির্ধারণ করে রেটিং কলাম; তাই পয়েন্ট বেশি থাকলেও আফগানিস্তানের পেছনে রয়েছে ইংল্যান্ড।
দুই দলের ঠিক ওপরে আছে শ্রীলঙ্কা; ৪১ ম্যাচে তাদের পয়েন্ট ৩,৮৯৬ এবং রেটিং ৯৫। তাই ষষ্ঠ স্থানের চেয়ে এক রেটিং পয়েন্ট পিছিয়ে এবং অষ্টম স্থানের চেয়ে এক পয়েন্ট এগিয়ে আফগানিস্তান। র্যাঙ্কিং হালনাগাদের সঙ্গে দলগুলোর পরবর্তী ওয়ানডে ম্যাচের কোনো তারিখ জানানো হয়নি।
সপ্তম স্থানে ফিরে আসা আফগানিস্তানের আগের সেরা অবস্থানের সমান, নতুন সর্বোচ্চ অবস্থান নয়। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীরা এখন খুব কাছাকাছি রয়েছে। তবে ইংল্যান্ডের ঠিক নিচের দলগুলোর সঙ্গে ব্যবধান বেশি: বাংলাদেশের রেটিং ৮১ এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজের ৭৯।
প্রকাশিত হিসাব অনুযায়ী, বাংলাদেশের চেয়ে ১৩ এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজের চেয়ে ১৫ রেটিং পয়েন্ট এগিয়ে আফগানিস্তান। শ্রীলঙ্কার সঙ্গে ব্যবধান এই দুটির তুলনায় অনেক কম।
র্যাঙ্কিংয়ে অন্য দলগুলোর অবস্থান
৩৬ ম্যাচে ৪,১২২ পয়েন্ট ও ১১৫ রেটিং নিয়ে র্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষে ভারত। ৩৫ ম্যাচে ৩,৮০৯ পয়েন্ট ও ১০৯ রেটিং নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে নিউজিল্যান্ড। শীর্ষে ভারতের ব্যবধান ছয় পয়েন্ট।
১০৪ রেটিং নিয়ে তৃতীয় দক্ষিণ আফ্রিকা, ১০৩ নিয়ে চতুর্থ পাকিস্তান এবং ১০২ নিয়ে পঞ্চম অস্ট্রেলিয়া। এই তিন দলের ব্যবধান মাত্র দুই রেটিং পয়েন্ট। শ্রীলঙ্কা, আফগানিস্তান ও ইংল্যান্ডকে ঘিরে থাকা দলগুলোর মতোই কাছাকাছি অবস্থান তাদের।
ফাইনালে ওঠার পথে জিম্বাবুয়ের রেটিং বেড়েছে দুই পয়েন্ট, তবে তারা ১১তম স্থানেই রয়েছে। সরকারি তালিকায় ২১ ম্যাচে তাদের পয়েন্ট ১,৩১৫ এবং রেটিং ৬৩। অবস্থান না বদলালেও রেটিংয়ে উন্নতি হয়েছে।
ত্রিদেশীয় সিরিজে কোনো ম্যাচ জিততে না পারায় বাংলাদেশের রেটিং কমেছে দুই পয়েন্ট, তবে নবম স্থান ধরে রেখেছে তারা। ৪১ ম্যাচে বাংলাদেশের পয়েন্ট ৩,৩০৪ এবং রেটিং ৮১। ৩৭ ম্যাচে ২,৯২৪ পয়েন্ট ও ৭৯ রেটিং নিয়ে দশম স্থানে ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
জিম্বাবুয়ের নিচে ৫৩ রেটিং নিয়ে ১২তম স্থানে আয়ারল্যান্ড। এরপর স্কটল্যান্ড ৪৫, নেদারল্যান্ডস ৪৪ এবং যুক্তরাষ্ট্র ৪১ রেটিং নিয়ে রয়েছে। নামিবিয়া ৩১ রেটিং নিয়ে ১৬তম, নেপাল ৩০ নিয়ে ঠিক পরেই। তালিকায় থাকা ২০ দল পূর্ণ করেছে ওমান ২৩, সংযুক্ত আরব আমিরাত ১৪ এবং কানাডা ১২ রেটিং নিয়ে।
মূল তথ্য
- ২০২৬ সালের ২৩ অক্টোবর শারজাহয় জিম্বাবুয়েকে সাত উইকেটে হারিয়ে কোনো ম্যাচ না হেরেই সংযুক্ত আরব আমিরাতের ওয়ানডে ত্রিদেশীয় সিরিজ জিতেছে আফগানিস্তান।
- ২৩ অক্টোবরের আইসিসি র্যাঙ্কিংয়ে ৯৪ রেটিং নিয়ে সপ্তম আফগানিস্তান, ৯৩ নিয়ে অষ্টম ইংল্যান্ড এবং ৯৫ নিয়ে ষষ্ঠ শ্রীলঙ্কা।
- ২০২৫ সালের মে মাসে প্রথমবার পাওয়া নিজেদের সর্বোচ্চ র্যাঙ্কিংয়ে ফিরেছে আফগানিস্তান।
- ইব্রাহিম জাদরান অপরাজিত ৭০ রান করেন; ৯৩ বল হাতে রেখেই রান তাড়া শেষ করে আফগানিস্তান।
- ফাইনালে তিন উইকেটসহ টুর্নামেন্টে ১১ উইকেট নেন রশিদ খান; পান টুর্নামেন্টসেরার পুরস্কার।
- তিন সংস্করণ মিলিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ৩০০ উইকেট পূর্ণ করেন মোহাম্মদ নবী। জিম্বাবুয়ের অধিনায়ক সিকান্দার রাজা করেন ৬৮ রান।
- দুই রেটিং পয়েন্ট বাড়লেও ১১তম স্থানে রয়েছে জিম্বাবুয়ে; দুই পয়েন্ট কমার পরও নবম স্থানে বাংলাদেশ।






