হোটেলে নিরিবিলি সফর ঘিরে নতুন করে আগ্রহ
হংকংয়ের পেনিনসুলা হোটেলে অ্যান্ডি লাউ ও তাঁর স্ত্রী ক্যারল চুকে দেখে এক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারী তাঁদের ছবি শেয়ার করার পর দুজনকে নিয়ে নতুন করে আগ্রহ তৈরি হয়েছে। ছবিতে সঙ্গীদের সঙ্গে তাঁদের সিঁড়ি দিয়ে ওপরে উঠতে দেখা যায়। ব্যক্তিগত জীবনের এই বিরল ঝলক ১৯৮৭ সালে শুরু হওয়া তাঁদের সম্পর্ক নিয়ে আগ্রহ ফিরিয়ে এনেছে। ২০০৮ সালে লাস ভেগাসে তাঁদের বিয়ে হয় এবং ২০১২ সালে তাঁদের মেয়ের জন্ম হয়।
সূচিপত্র
লাউয়ের পরনে ছিল ধূসর হুডি, মুখে মাস্ক, কাঁধে কালো ক্রসবডি ব্যাগ এবং পায়ে সাদা ক্যাজুয়াল জুতা। চু পরেছিলেন হালকা রঙের পোশাক ও বেইজ রঙের ট্রাউজার; তাঁর লম্বা কালো চুল কাঁধের ওপর খোলা ছিল। হংকংয়ের এই গায়ক ও অভিনেতার সঙ্গে সাধারণত যে মঞ্চের পোশাক ও আনুষ্ঠানিক উপস্থিতির ছবি জড়িয়ে থাকে, তাঁদের এই সাজ ছিল তার থেকে একেবারেই আলাদা।
ছবি পোস্ট করা ব্যক্তি জানান, হোটেলের আশপাশের ছবি তুলতে গিয়ে প্রথমে তাঁর নজরে আসে চুর মতো দেখতে এক নারী। এরপর কাছেই লাউকে চিনতে পারেন তিনি। প্রতিক্রিয়া জানানোর আগেই দলটি সিঁড়ি দিয়ে ওপরে চলে যায়।
২০২৬ সালের ১৮ অক্টোবর প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ঘটনাটি নিয়ে পোস্টটি করেছিলেন শিয়াওহংশুর "我是VV啊" অ্যাকাউন্টের ব্যবহারকারী। একই তারিখে সন্ধ্যা ৬টা ২৫ মিনিটে প্রকাশিত আরেক প্রতিবেদনে ওই দর্শনার্থীর বক্তব্য উদ্ধৃত করা হয়: "এ কী ভাগ্য, লিউ দেহুয়া সামনে দিয়ে হেঁটে এলেন! হংকংয়ের পেনিনসুলা হোটেলে এদিক-ওদিক ছবি তুলছিলাম, হঠাৎ সামনে থাকা নারীকে লিউ দেহুয়ার স্ত্রীর মতো মনে হলো। এরপর মাঝখানে তাকিয়ে দেখি, এ তো লিউ দেহুয়া! কিছু বুঝে ওঠার আগেই তাঁরা ওপরে চলে গেলেন। মাস্ক পরেও মহাতারকার দীপ্তি ঢাকা যায় না।" কোনো প্রতিবেদনেই মূল পোস্টটির তারিখ উল্লেখ করা হয়নি।
দর্শনার্থী জানান, তিনি দম্পতির কাছে যাননি, তাঁদের বেড়ানোয় বাধা দেননি বা ছবি তুলতে বলেননি। বরং ঘটনাটি ধারণ করে পরে অনলাইনে নিজের উচ্ছ্বাসের কথা জানান। এরপর যে আগ্রহ তৈরি হয়, তার কেন্দ্রে ছিল একটি সাধারণ মুহূর্ত: চার দশকের বেশি সময় ধরে ক্যারিয়ার গড়া একজন জনপ্রিয় ব্যক্তিত্ব জনসমক্ষে খুব কম দেখা যায় এমন তাঁর স্ত্রীর সঙ্গে সময় কাটাচ্ছেন।
পেনিনসুলায় কী ঘটেছিল?
বলা হয়েছে, দলটি হোটেলের দ্বিতীয় তলায় বুটিক এলাকার দিকে কার্পেট বিছানো সিঁড়ি দিয়ে ওপরে যাচ্ছিল। একজন সঙ্গীর হাতে ছিল বড় একটি শপিং ব্যাগ। দম্পতির পাশে গাঢ় রঙের পোশাক পরা এক নারীকেও দেখা যায়।
লাউ ও চু হোটেলে বন্ধুদের সঙ্গে দেখা করতে এসেছিলেন বলে জানা গেছে। ঘটনার সঠিক তারিখ জানানো হয়নি এবং সফর নিয়ে স্বামী বা স্ত্রী কারও বক্তব্যও উদ্ধৃত করা হয়নি। প্রকাশিত তথ্যের মধ্যে ছিল তাঁদের আগমন, পোশাক এবং ভবনের ভেতর দিয়ে চলাচলের বিবরণ।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারী জানান, দুজনকেই সুস্থ দেখাচ্ছিল এবং মাস্ক পরা সত্ত্বেও তিনি লাউকে চিনতে পেরেছিলেন। পরে ছবিগুলো অনলাইনে, এমনকি ওয়েইবোতেও আলোচনা তৈরি করে। দম্পতিকে একসঙ্গে খুব কম দেখা যাওয়ায় তাঁদের উপস্থিতি দীর্ঘদিন ধরেই আগ্রহের বিষয়।
দর্শনার্থীর বর্ণনা থেকে বোঝা যায়, ছবিগুলোতে সাজানো প্রতিকৃতির বদলে সিঁড়িতে তাঁদের একটি স্বাভাবিক মুহূর্ত ধরা পড়েছে। তিনি দলটিকে নিজেদের ব্যক্তিগত পরিকল্পনা অনুযায়ী এগিয়ে যেতে দেন, ফলে ঘটনাটি সংক্ষিপ্তই ছিল।
মালয়েশিয়ায় শুরু যে সম্পর্কের
লাউ ও চুর পরিচয় হয় ১৯৮৭ সালে। হংকংয়ের বিনোদনজগতের ব্যক্তিদের নিয়ে গড়া একটি ফুটবল দলের সঙ্গে তিনি মালয়েশিয়া গিয়েছিলেন। মালয়েশিয়ার বর্ষীয়ান গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব ইয়ে শিয়াও লাউয়ের সঙ্গে চু ও তাঁর ছোট বোন চু লাই ওয়াহর পরিচয় করিয়ে দেন।
ইয়ে পরে স্মৃতিচারণ করে বলেন, তাঁদের প্রথম কথোপকথন প্রায় আধা ঘণ্টা স্থায়ী হয়েছিল এবং চু লাউয়ের মনে গভীর ছাপ ফেলেছিলেন। লাউ হংকংয়ে ফিরে যাওয়ার পর তাঁরা টেলিফোনে যোগাযোগ রাখতেন। হংকং ও মালয়েশিয়ার দূরত্বের মধ্যেই তাঁদের সম্পর্ক এগিয়ে যায়।
ইয়ের একটি স্মৃতিতে সম্পর্কের শুরুর দৃশ্যটি বেশ সাধারণ এক পরিবেশে ধরা পড়ে: চুর পরিবারের চালানো রেস্তোরাঁয়। তিনি জানান, একবার সেখানে টেলিফোনের পাশে চুকে অপেক্ষা করতে দেখেছিলেন। তাঁর বোন নিচু স্বরে বলেছিলেন, চু লাউয়ের ফোনের অপেক্ষায় আছেন। পরে লাউ ফোনও করেছিলেন।
এই স্মৃতিতে এমন এক সম্পর্কের ব্যক্তিগত দিক ফুটে ওঠে, যা নিয়ে সাধারণত গোপনীয়তা ও তারকাখ্যাতির প্রসঙ্গেই বেশি আলোচনা হয়। ইয়ের বর্ণনায়, তাঁদের প্রথম দিকের যোগাযোগ নির্ভর করত টেলিফোনের পাশে সময় বের করা ও ফোনের অপেক্ষায় থাকার ওপর; আজকের যুগলের মতো সারাক্ষণ বার্তা আদান-প্রদানের ওপর নয়।
চুর জন্ম ১৯৬৬ সালের ৬ এপ্রিল মালয়েশিয়ার পেনাংয়ে। তরুণ বয়সে তিনি সৌন্দর্য প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছিলেন। লাউয়ের সঙ্গে সম্পর্ক শুরুর পর তিনি মূলত তাঁর জনসম্মুখের কর্মজীবনের বাইরে থেকেছেন। তাঁদের জীবনের সঙ্গে তাই জড়িয়ে আছে দুটি জায়গা: মালয়েশিয়া, যেখানে তাঁদের পরিচয় এবং যেখানে চুর পরিবার থাকত; আর হংকং, যা লাউয়ের বিনোদনজগতের কর্মজীবনের কেন্দ্র।
২০০৮ সালে বিয়ে, ২০০৯ সালে জনসমক্ষে আলোচনা
প্রথম পরিচয়ের ২১ বছর পর, ২০০৮ সালে লাস ভেগাসে বিয়ের নিবন্ধন করেন লাউ ও চু। তাঁরা সঙ্গে সঙ্গে বিয়ের কথা প্রকাশ্যে জানাননি। পরের বছর চুর পরিবারে শোকের সময় তাঁদের বিয়ের খবর ব্যাপকভাবে পরিচিত হয়ে ওঠে।
২০০৯ সালে চুর বাবার মৃত্যুর পর মালয়েশিয়ায় যান লাউ। তাঁর উপস্থিতিতে দুজনের সম্পর্ক নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়। দম্পতি হংকংয়ে ফেরার পর আলোকচিত্রীরা তাঁদের হাত ধরে থাকা অবস্থায় ছবি তোলেন। বহু বছর ধরে তাঁদের সম্পর্কের স্বীকৃতি সীমিত থাকার পর এটি ছিল বিরল এক খোলামেলা দৃশ্য।
পরে লাউ তাঁর আনুষ্ঠানিক ওয়েবসাইটে “Sorry” শিরোনামে একটি বার্তা প্রকাশ করে বিয়ের কথা আগে না জানানোর জন্য ভক্ত ও অন্যদের কাছে ক্ষমা চান। বহু বছর ধরে জনসমক্ষে আলোচিত সম্পর্কটির পেছনে এই ঘোষণায় বিয়ের একটি নিশ্চিত তারিখ যুক্ত হয়।
তারিখগুলো তাঁদের সম্পর্কের বিভিন্ন বর্ণনার কারণ স্পষ্ট করে। সম্পর্ক শুরু হয় ১৯৮৭ সালে, আর বিয়ে হয় ২০০৮ সালে। প্রায় চার দশক একসঙ্গে থাকার যে কথা বলা হয়, তা তাঁদের পরিচয়ের পর থেকে সময়কে বোঝায়, যার মধ্যে বিয়ের আগের ২১ বছরও রয়েছে।
সম্পর্কের এই পথচলায় কয়েকটি মাইলফলক রয়েছে:
- ১৯৮৭: ইয়ে শিয়াওয়ের মাধ্যমে মালয়েশিয়ায় লাউ ও চুর পরিচয় হয় এবং তাঁরা যোগাযোগ রাখতে শুরু করেন।
- ২০০৮: তাঁরা লাস ভেগাসে বিয়ের নিবন্ধন করেন।
- ২০০৯: তাঁদের বিয়ের খবর জনসমক্ষে আসে এবং দেরিতে জানানোর জন্য লাউ ক্ষমা চান।
- ২০১২: তাঁদের মেয়ে হান্না লাউয়ের জন্ম হয়।
পারিবারিক জীবন বেশির ভাগ সময়ই থাকে প্রচারের বাইরে
তাঁদের মেয়ে হান্নার জন্ম, যাঁর চীনা নাম লাউ হিউং ওয়াই, দম্পতির ব্যক্তিগত জীবন আড়ালে রাখার আরেকটি কারণ হয়ে ওঠে। লাউ মাঝেমধ্যে পরিবার নিয়ে কথা বললেও সাধারণত স্ত্রী ও মেয়ের প্রতি জনসাধারণের মনোযোগ সীমিত রাখেন।
চুর সমর্থন কখনো কখনো মঞ্চের পাশে নয়, দর্শকসারিতে দেখা গেছে। বলা হয়েছে, তিনি ও হান্না হংকংয়ের গায়িকা তেরেসা চিউংয়ের একটি কনসার্টে উপস্থিত ছিলেন, যেখানে লাউ অতিথি হিসেবে অংশ নেন। তাঁর কাজের জগতে পরিবারটির উপস্থিতির এটি ছিল আরেকটি ক্ষণিকের ঝলক।
অতীতে সাক্ষাৎকারে লাউ আলাদা থাকার সময়েও চুর সঙ্গে সম্পর্ক ধরে রাখার কথা বলেছেন। কাজের কারণে দুজন ভিন্ন জায়গায় থাকলেও ঘন ঘন ফোনালাপের ওপর তাঁদের সম্পর্ক নির্ভর করত না বলে তিনি বর্ণনা করেন।
লাউয়ের এই কথার সঙ্গে মালয়েশিয়ায় তাঁদের প্রথম দিককার ফোনালাপ নিয়ে ইয়ের স্মৃতির যোগ রয়েছে। সম্পর্কের শুরুতে টেলিফোনে যোগাযোগ তাঁদের কাছাকাছি আসতে সাহায্য করেছিল; আর পরবর্তী সময়ে লাউয়ের বর্ণনায় গুরুত্ব পেয়েছে বছরের পর বছর একসঙ্গে থাকার সুবাদে গড়ে ওঠা পরিচিতি। দুটো বর্ণনাতেই তাঁর কর্মজীবন চলার পাশাপাশি দূরত্ব সামলানোর কথা উঠে আসে।
ব্যক্তিগত জীবন আড়ালে রাখার চাপ
চলচ্চিত্র পরিচালক ওয়ং চিং একজন বড় তারকার সঙ্গী হিসেবে চুকে যে চাপের মুখে পড়তে হয়েছে, সে বিষয়ে কথা বলেছেন। তিনি এমন এক জীবনের বর্ণনা দেন, যেখানে অনেক সংযমের প্রয়োজন; আরও বলেন, কখনো কখনো কয়েক মাস পর্যন্ত চু ও লাউয়ের দেখা হতো না।
চলচ্চিত্র প্রযোজক টিফানি চেনও তাঁদের ব্যক্তিগত জীবনে ভক্তদের তীব্র আগ্রহের প্রভাবের কথা স্মরণ করেছেন। তাঁর ভাষ্য, ভ্রমণের সময় চু পরিচিত হয়ে পড়া ও অনাকাঙ্ক্ষিত ছবি তোলা এড়াতে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করতেন; গাড়িতে ওঠার ক্ষেত্রেও গোপনীয় ব্যবস্থা নিতেন।
এই স্মৃতিগুলো ব্যাখ্যা করে, পরিকল্পনাহীনভাবে হোটেলে তাঁদের দেখা যাওয়ার ঘটনা কেন এত আগ্রহ তৈরি করে। সম্পর্কের বেশির ভাগ সময়েই এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় যেতেও সতর্ক থাকতে হতো। হংকংয়ের পরিচিত একটি হোটেলের ভেতর দিয়ে দম্পতিকে খোলামেলাভাবে হাঁটতে দেখা, মনোযোগ এড়িয়ে চলার ওই বর্ণনাগুলোর তুলনায় এক ভিন্ন দৃশ্য তুলে ধরে।
জনসমক্ষে তাঁদের উপস্থিতি সব সময় সমান ছিল না: লাউয়ের কাজ তাঁকে দর্শক, ক্যামেরা ও কনসার্টের ভিড়ের সামনে নিয়ে আসে, আর চুকে সাধারণত খুব কমই দেখা যায়। পেনিনসুলার ওই সফরে তাঁদের জীবনের এই দুই দিক ক্ষণিকের জন্য একই ছবিতে ধরা পড়ে।
ব্যস্ত কর্মজীবনের ফাঁকে ব্যক্তিগত সফর
হোটেলে লাউয়ের উপস্থিতির সময় তাঁর চলচ্চিত্র ও কনসার্টের কাজ চলার খবরও এসেছে। ২০২৬ সালের ১৮ অক্টোবর প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে চলচ্চিত্রের কাজ এবং ‘অ্যাবাউট লাইফ’ ট্যুরের পরিকল্পনা—দুটির কথাই বলা হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়, চান্দ্র নববর্ষের মৌসুমে মুক্তির লক্ষ্য নিয়ে হংকংয়ের একটি ছবির শুটিং শুরু করেছেন তিনি। সিনেমা মুক্তির জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ছুটির সময়।
‘অ্যাবাউট লাইফ’ ট্যুরের কনসার্ট সূচির কথাও জানানো হয়। ১৮ ডিসেম্বর হংকং কলোসিয়ামে শুরু হয়ে ট্যুরটি মূল ভূখণ্ড চীনের সাংহাই ও নানজিংসহ বিভিন্ন শহরে যাওয়ার কথা। হংকংয়ের নির্ধারিত পর্বটি বড়দিন ও বছরের শেষ সময় জুড়ে চলার কথা ছিল।
১৮ ডিসেম্বরের তারিখের সঙ্গে কোনো বছর উল্লেখ করা হয়নি। পরিবেশনার আরও তারিখ বা টিকিটের তথ্যও দেওয়া হয়নি। উপস্থিত থাকার পরিকল্পনা করা পাঠকদের জন্য তথ্যটি তাই সম্পূর্ণ টিকিট বুকিং সূচি নয়, বরং সম্ভাব্য কয়েকটি গন্তব্যের ধারাবিবরণী।
হোটেল সফরের সঙ্গে এর পার্থক্য স্পষ্ট। চলচ্চিত্রের শুটিং ও কনসার্ট ট্যুর পরিকল্পিত জনসমাগমের অনুষ্ঠান। পেনিনসুলার ঘটনাটি ছিল ব্যক্তিগত সফর, যা অন্য এক দর্শনার্থী দম্পতিকে চিনতে পারায় জনসমক্ষে আসে।
দম্পতির ইতিহাস নিয়ে নতুন করে আলোচনার কারণ হলো সেই সাধারণ দৃশ্যের সঙ্গে তাঁদের দীর্ঘদিনের সম্পর্কের বিরল সমন্বয়। ১৯৮৭ সালে মালয়েশিয়ায় পরিচয় থেকে শুরু করে বিয়ে, মা-বাবা হওয়া এবং মাঝেমধ্যে একসঙ্গে জনসমক্ষে আসা—লাউ ও চুর সম্পর্কের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে সেই অনুষ্ঠানগুলোর আড়ালে, যেগুলোর মাধ্যমে দর্শকরা তাঁকে চেনেন।
এক নজরে
- এক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারী হংকংয়ের পেনিনসুলা হোটেলে সঙ্গীদের সঙ্গে সিঁড়ি দিয়ে ওপরে যাওয়ার সময় অ্যান্ডি লাউ ও ক্যারল চুর ছবি তোলেন।
- দর্শনার্থী জানান, তিনি প্রথমে চুকে চিনতে পারেন এবং দম্পতির সফরে বাধা দেননি বা ছবি তুলতে বলেননি।
- গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব ইয়ে শিয়াওয়ের মাধ্যমে ১৯৮৭ সালে মালয়েশিয়ায় লাউ ও চুর পরিচয় হয়।
- ২০০৮ সালে লাস ভেগাসে তাঁদের বিয়ে হয় এবং ২০০৯ সালে বিয়ের খবর জনসমক্ষে আসে।
- ২০১২ সালে তাঁদের মেয়ে হান্নার জন্ম হয়।
- লাউয়ের জনসমক্ষে চলমান কর্মজীবন সত্ত্বেও দম্পতি সাধারণত পারিবারিক জীবন ব্যক্তিগত রেখেছেন।






