লো জি ইউ ও জেনেভি লিম জিতলেন মালয়েশিয়ার প্রথম বিশ্ব জুনিয়র মেয়েদের দ্বৈত শিরোপা

পড়তে 7 মিনিট
Low Zi Yu and Genevie Lim Win Malaysia's First World Junior Girls' Doubles Crown

কায়রোতে তিন গেমের লড়াইয়ে ৩৪ বছরের অপেক্ষার অবসান

১৬ বছর বয়সী লো জি ইউ ও ১৮ বছর বয়সী জেনেভি লিম ২০২৬ সালের ১৭ অক্টোবর মালয়েশিয়ার হয়ে প্রথমবার বিশ্ব জুনিয়র চ্যাম্পিয়নশিপের মেয়েদের দ্বৈত শিরোপা জিতেছেন। মিসরের কায়রো আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে তারা জাপানের নিজিকা কামাতা ও শিজুকু কাশিওকে ১৫-৭, ৯-১৫, ১৫-১২ গেমে হারান।

সূচিপত্র
  1. কায়রোতে তিন গেমের লড়াইয়ে ৩৪ বছরের অপেক্ষার অবসান
  2. তিন পয়েন্টের ব্যবধানে নির্ধারিত ফাইনাল
  3. দুই রুপার পর লো’র সোনা
  4. চাপ ও গর্ব ভাগ করে নেন লিম
  5. চীন ও জাপানকে হারিয়ে ফাইনালে
  6. জুনিয়র শিরোপার সংগ্রহ পূর্ণ করল মালয়েশিয়া
  7. জয়ের ধারা ধরে রাখার আহ্বান আনোয়ারের
  8. মূল বিষয়গুলো

দ্বিতীয় বাছাই হিসেবে টুর্নামেন্টে নামা এই জুটি মালয়েশিয়ার হয়ে এমন একটি শিরোপা জিতেছে, যা ১৯৯২ সালে চ্যাম্পিয়নশিপ শুরুর পর থেকে দেশটি কখনো পায়নি। তাদের জয়ে পাঁচটি ব্যক্তিগত বিভাগেই বিশ্ব জুনিয়র শিরোপা জয়ের মালয়েশিয়ার সংগ্রহ পূর্ণ হয়েছে। এর আগে দেশটি ছেলেদের একক, মেয়েদের একক, ছেলেদের দ্বৈত ও মিশ্র দ্বৈতে শিরোপা জিতেছিল।

লো’র কাছে এই জয়ের আরেকটি অর্থ ছিল: ২০২৪ ও ২০২৫ সালে ভিন্ন ভিন্ন সঙ্গী নিয়ে রানার্সআপ হওয়ার পর অবশেষে তিনি সোনা পেলেন। জাপানি জুটি নির্ধারক গেমে খেলা নিয়ে গেলে টানা তৃতীয় ফাইনালে তার আশঙ্কা ছিল, এবারও হয়তো পদক হাতছাড়া হবে। শেষ পর্যন্ত সেই ফাইনালেই মিলল কাঙ্ক্ষিত পদক।

১৮ অক্টোবর ফেসবুক পোস্টে দুই খেলোয়াড়কে অভিনন্দন জানান প্রধানমন্ত্রী দাতুক সেরি আনোয়ার ইব্রাহিম। তাদের এই অর্জনকে তিনি মালয়েশিয়ান ব্যাডমিন্টনের ইতিহাসে নতুন অধ্যায় বলে অভিহিত করেন। চীন ও জাপানের প্রতিপক্ষের বিপক্ষে টানা দুই কঠিন শেষ রাউন্ড জয়ের পর এ অভিনন্দন জানান তিনি।

তিন পয়েন্টের ব্যবধানে নির্ধারিত ফাইনাল

লো ও লিম ফাইনালের প্রথম গেমে ১৫-৭ ব্যবধানে জেতেন। আট পয়েন্টের ব্যবধানে জয় তাদের প্রথম গেম এনে দেয়। কামাতা ও কাশিও দ্বিতীয় গেমে ১৫-৯ জিতে জবাব দেন। ফলে শিরোপার নিষ্পত্তি গড়ায় তৃতীয় গেমে।

এরপর নির্ধারক গেমে ১৫-১২ ব্যবধানে জয় পায় মালয়েশিয়ার জুটি। তিন গেম মিলিয়ে তারা ৩৯ পয়েন্ট পায়, জাপানের জুটি পায় ৩৪। ব্যবধান ছিল পাঁচ পয়েন্ট। শেষ স্কোরের হিসাবে নির্ধারক গেমটিই ছিল তিনটির মধ্যে সবচেয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ; দুই জুটির ব্যবধান ছিল মাত্র তিন পয়েন্ট।

ব্যাডমিন্টন ম্যাচে মোট পয়েন্টের চেয়ে জেতা গেমের সংখ্যাই ফল নির্ধারণ করে। এ ম্যাচে মালয়েশিয়া জেতে দুই গেম, জাপান এক গেম। প্রথম গেমে জয়ের পর দ্বিতীয় গেমে হেরে যাওয়ায় শিরোপা তখনও ঝুঁকিতে থাকা অবস্থায় লো ও লিমকে আবার ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিতে হয়।

বিজ্ঞাপন

খেলোয়াড়দের প্রতিক্রিয়াসহ প্রকাশিত কয়েকটি প্রতিবেদনে ফাইনালের সময় ৪১ মিনিট বলা হয়েছে, আর ম্যাচের অন্য একটি বর্ণনায় সময় দেওয়া হয়েছে ৪৫ মিনিট। দুই সময়ের সঙ্গেই একই স্কোর ও ফল উল্লেখ করা হয়েছে।

নির্ধারক গেম সম্পর্কে লো’র নিজের বর্ণনা থেকে বোঝা যায়, ওই সংখ্যাগুলোর পেছনে কতটা চাপ ছিল। তিনি বলেন, তিনি স্নায়ুচাপে ছিলেন এবং ভাবতে শুরু করেছিলেন যে টানা তৃতীয়বারের মতো রুপা নিয়েই ফিরতে হবে।

দুই রুপার পর লো’র সোনা

২০২৪ সালে দানিয়া সোফিয়া জাইদির সঙ্গে ফাইনালে ওঠেন লো। ২০২৫ সালে নোরাকিলা মাইসারাহ রামদানের সঙ্গে আবার শিরোপার লড়াইয়ে ফেরেন তিনি। দুইবারই রুপা নিয়ে সন্তুষ্ট থাকতে হয়। কায়রোতে লিমকে নিয়ে টানা তৃতীয় ফাইনালে উঠে শেষ পর্যন্ত সোনা জিতে সেই ধারার অবসান ঘটান তিনি।

১৬ বছর বয়সী লো’র বিশ্ব জুনিয়র চ্যাম্পিয়নশিপে এখন একটি সোনা ও দুটি রুপার পদক রয়েছে। তিন সঙ্গীকে নিয়ে টানা তিন ফাইনালে ওঠার অর্জনটি মালয়েশিয়ার ইভেন্টটিতে প্রথম শিরোপা জয়ের পাশাপাশি তার ব্যক্তিগত কৃতিত্বকেও বিশেষ মাত্রা দিয়েছে।

কায়রোর ফাইনাল নির্ধারক গেমে গড়ানোর পর আগের দুইবারের হার মনে পড়েছিল বলে জানান লো। মালয় ভাষা থেকে অনূদিত বক্তব্যে নিজের উদ্বেগ ও স্বস্তির কথা তুলে ধরেন তিনি:

এবার সোনার পদক জিততে পেরে আমি খুব খুশি। শেষ গেমে আমি খুব স্নায়ুচাপে ছিলাম এবং ভাবছিলাম, বিশ্ব জুনিয়র চ্যাম্পিয়নশিপে হয়তো তৃতীয়বারের মতো রুপা পাব। অবশেষে এই সোনা জিততে পেরে আমি খুব ভাগ্যবান।

তার প্রতিক্রিয়া থেকে বোঝা যায়, কাছাকাছি স্কোরের বাইরেও কেন তৃতীয় গেমটি এত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। লোকে বিশ্ব শিরোপা জয়ের পাশাপাশি দুবারের পরিচিত ফল আবার ফিরে আসার আশঙ্কার সঙ্গেও লড়তে হয়েছে।

চাপ ও গর্ব ভাগ করে নেন লিম

১৮ বছর বয়সী লিমের সহায়তায় লো’র বিশ্ব জুনিয়র ফাইনালে তৃতীয়বারের উপস্থিতি মালয়েশিয়ার ঐতিহাসিক জয়ে রূপ নেয়। এই জুটি টুর্নামেন্টে দ্বিতীয় বাছাই হিসেবে অংশ নেয়, যা তাদের শীর্ষ দাবিদারদের মধ্যে রাখার ইঙ্গিত দেয়।

বাছাইয়ের মাধ্যমে টুর্নামেন্টের ড্র এমনভাবে সাজানো হয়, যাতে উচ্চ র‍্যাঙ্কের খেলোয়াড়েরা শুরুর দিকের রাউন্ডগুলোতে একে অপরের মুখোমুখি না হন। তবে লো ও লিমকে নিজেদের ম্যাচ জিতেই এগোতে হয়েছে; এর মধ্যে ছিল চীনের ১৫তম বাছাই জুটির বিপক্ষে সেমিফাইনাল এবং জাপানের বিপক্ষে ফাইনাল।

মালয়েশিয়ার হয়ে শিরোপা জিতে গর্বিত বলে জানান লিম। তবে নির্ধারক গেমে ছিল প্রবল স্নায়ুচাপ। মালয় ভাষা থেকে অনূদিত বক্তব্যে ফাইনালের সবচেয়ে কঠিন মুহূর্তটি বর্ণনা করেন তিনি:

দেশের হয়ে এই শিরোপা জিতে আমি খুব খুশি এবং অবশ্যই গর্বিত। আমি খুব স্নায়ুচাপে ছিলাম, কারণ আবার রুপার পদক পেতে চাইনি। ম্যাচ যখন নির্ধারক গেমে গড়াল, তখনই ছিল সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত।

দুই খেলোয়াড়ই নিজেদের স্মৃতিচারণায় নির্ধারক গেমকে গুরুত্ব দিয়েছেন। তাদের কথায় উঠে এসেছে তাৎক্ষণিক চ্যালেঞ্জটি: দ্বিতীয় গেমে হারের পর মাথা ঠান্ডা রেখে এমন একটি ম্যাচ শেষ করা, যা প্রথম গেমের স্কোর দেখে যতটা সহজ মনে হয়েছিল, বাস্তবে তার চেয়ে অনেক বেশি প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হয়ে উঠেছিল।

বিজ্ঞাপন

চীন ও জাপানকে হারিয়ে ফাইনালে

১৬ অক্টোবর চীনের শি সি চেন ও শিয়াং ইউ জিনকে ১৫-৯, ১৫-১১ গেমে হারিয়ে ফাইনালে জায়গা করে নেন লো ও লিম। ১৫তম বাছাই জুটিকে একটিও গেম না দিয়ে হারাতে তাদের লেগেছিল ৩২ মিনিট।

সেমিফাইনালে মালয়েশিয়ার জুটি ৩০ পয়েন্ট পায়, চীনা জুটি পায় ২০। দুই গেমে জয়ের ব্যবধান ছিল যথাক্রমে ছয় ও চার পয়েন্ট। ফাইনালে তাদের ভিন্নভাবে ঘুরে দাঁড়াতে হয়েছে: সেমিফাইনালে দুই গেমেই জয়ের পর জাপানের বিপক্ষে একটি গেম হেরে আবার ম্যাচে ফিরতে হয় তাদের।

তাদের শিরোপা জয়ের পথ এবং লো’র আগের ফাইনালগুলো থেকে এ অগ্রগতির ধাপগুলো স্পষ্ট হয়:

  • ২০২৪: দানিয়া সোফিয়া জাইদির সঙ্গে রানার্সআপ হন লো।
  • ২০২৫: নোরাকিলা মাইসারাহ রামদানের সঙ্গে আরেকটি রুপা জেতেন লো।
  • ১৬ অক্টোবর ২০২৬: কায়রোর সেমিফাইনালে শি সি চেন ও শিয়াং ইউ জিনকে ১৫-৯, ১৫-১১ গেমে হারান লো ও লিম।
  • ১৭ অক্টোবর ২০২৬: কামাতা ও কাশিওকে ১৫-৭, ৯-১৫, ১৫-১২ গেমে হারিয়ে শিরোপা জেতেন তারা।
  • ১৮ অক্টোবর ২০২৬: ফেসবুকে চ্যাম্পিয়নদের অভিনন্দন জানান আনোয়ার।

মেয়েদের দ্বৈত বিভাগে দীর্ঘদিন ধরে প্রাধান্য ছিল চীনের। সেমিফাইনালে চীনা জুটি এবং ফাইনালে জাপানি জুটিকে হারিয়ে লো ও লিম তাদের শিরোপা জয়ের পথে প্রতিযোগিতার শেষ রাউন্ডগুলোতে উল্লেখযোগ্য দুই দেশের প্রতিপক্ষকে পরাজিত করেন।

জুনিয়র শিরোপার সংগ্রহ পূর্ণ করল মালয়েশিয়া

মালয়েশিয়ার ৩৪ বছরের অপেক্ষা শুরু হয়েছিল ১৯৯২ সালে চ্যাম্পিয়নশিপের প্রথম আসর থেকে; ২০২৬ সালে কায়রোর জয়ে তার অবসান ঘটে। ব্যক্তিগত বিশ্ব জুনিয়র শিরোপার সংগ্রহে মেয়েদের দ্বৈতই ছিল দেশটির একমাত্র বাকি বিভাগ।

লো ও লিমের জয়ের আগে মালয়েশিয়ার জুটিগুলো মেয়েদের দ্বৈতের ফাইনালে উঠলেও শিরোপা জিততে পারেনি। ২০১৮ সালে মার্কহামে পিয়ারলি টান ও তো ই উই রুপা জিতেছিলেন। পরে ২০২৪ ও ২০২৫ সালে লোও একই ফল পান, কায়রোতে এক ধাপ এগিয়ে শিরোপা জয়ের আগে।

তাই ২০১৮ সালের ফলটি মালয়েশিয়ার রানার্সআপ হওয়ার ধারার অংশ, যার পর ২০২৬ সালে আসে প্রথম সোনা। লো ও লিম এই বিভাগে দেশের সেরা ফলকে দ্বিতীয় স্থান থেকে চ্যাম্পিয়নে উন্নীত করেন।

কায়রোর আগে মালয়েশিয়ার সর্বশেষ বিশ্ব জুনিয়র শিরোপা এসেছিল ২০২৪ সালে ছেলেদের দ্বৈতে, অ্যারন তাই ও কাং খাই শিংয়ের হাত ধরে। দুই বছর পর মেয়েদের দ্বৈতের এই জয় আসে এবং পাঁচটি ব্যক্তিগত বিভাগেই দেশের শিরোপার সংগ্রহ পূর্ণ করে।

খেলোয়াড়দের কাছে এটি একসঙ্গে জেতা একটি চ্যাম্পিয়নশিপ। মালয়েশিয়ান ব্যাডমিন্টনের জন্য এটি জুনিয়র পর্যায়ের রেকর্ডে একটি নির্দিষ্ট ঘাটতি পূরণ করেছে: এখন ইভেন্টটির প্রতিটি ব্যক্তিগত বিভাগেই দেশটির চ্যাম্পিয়ন রয়েছে।

বিজ্ঞাপন

জয়ের ধারা ধরে রাখার আহ্বান আনোয়ারের

১৮ অক্টোবর ফেসবুকে দেওয়া আনোয়ারের বার্তায় শিরোপা জয়ের পাশাপাশি মালয়েশিয়ার ক্রীড়া ইতিহাসে এর গুরুত্বও স্বীকৃতি পায়। প্রধানমন্ত্রী লো ও লিমকে অভিনন্দন জানিয়ে জয়টিকে জাতীয় গর্বের উৎস বলে অভিহিত করেন।

অভিনন্দনবার্তায় আনোয়ার বলেন:

গর্ব করার মতো অর্জন! বিশ্ব জুনিয়র ব্যাডমিন্টন চ্যাম্পিয়নশিপে মেয়েদের দ্বৈত শিরোপা জেতায় লো জি ইউ ও জেনেভি লিমকে অভিনন্দন। মালয়েশিয়ান ব্যাডমিন্টনের ইতিহাসে নতুন অধ্যায়!

আনোয়ার খেলোয়াড়দের ছন্দ ধরে রাখতে এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে মালয়েশিয়ার হয়ে সাফল্যের সঙ্গে খেলা চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান। ফাইনালের এক দিন পর আসে তার এই উৎসাহবার্তা। এতে এমন এক ফলের স্বীকৃতি দেওয়া হয়, যা একই সঙ্গে জাতীয় পর্যায়ে প্রথম এবং লো’র ব্যক্তিগত সাফল্যের নতুন ধাপ।

লো’র বয়স থাকায় জুনিয়র পর্যায়ে আরও প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। চ্যাম্পিয়নশিপে অনূর্ধ্ব-১৯ বয়সসীমা রয়েছে; ১৬ বছর বয়সী লো আরও দুই আসরে খেলতে পারেন। জয়ের সঙ্গে পরবর্তী টুর্নামেন্ট বা এই জুটির ভবিষ্যৎ কর্মসূচি সম্পর্কে কোনো ঘোষণা দেওয়া হয়নি।

তাৎক্ষণিক অর্জনটিই বড়: টানা দুই রুপার পর সোনা জিতেছেন লো, ইভেন্টটিতে মালয়েশিয়ার প্রথম শিরোপায় তার সঙ্গী হয়েছেন লিম, আর এই জুটি দেশটির বিশ্ব জুনিয়র চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপার সংগ্রহে বাকি থাকা শেষ বিভাগটিও পূর্ণ করেছে।

মূল বিষয়গুলো

  • লো জি ইউ ও জেনেভি লিম ২০২৬ সালের ১৭ অক্টোবর কায়রোতে মালয়েশিয়ার হয়ে প্রথমবার বিশ্ব জুনিয়র চ্যাম্পিয়নশিপের মেয়েদের দ্বৈত শিরোপা জেতেন।
  • দ্বিতীয় বাছাই এই জুটি জাপানের নিজিকা কামাতা ও শিজুকু কাশিওকে ১৫-৭, ৯-১৫, ১৫-১২ গেমে হারায়।
  • ১৬ বছর বয়সী লো ২০২৪ ও ২০২৫ সালে ভিন্ন সঙ্গীদের নিয়ে রানার্সআপ হয়েছিলেন। লিমের বয়স ১৮ বছর।
  • ৩২ মিনিটের সেমিফাইনালে তারা চীনের শি সি চেন ও শিয়াং ইউ জিনকে ১৫-৯, ১৫-১১ গেমে হারান।
  • এই জয়ে ১৯৯২ সাল থেকে চলে আসা অপেক্ষার অবসান হয়েছে এবং পাঁচটি ব্যক্তিগত বিভাগেই মালয়েশিয়া বিশ্ব জুনিয়র চ্যাম্পিয়ন পেয়েছে।
  • প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম ১৮ অক্টোবর জুটিকে অভিনন্দন জানান এবং তাদের জয়ের ধারা ধরে রাখার আহ্বান জানান।
এই নিবন্ধটি শেয়ার করুন

আপনার পছন্দ হতে পারে