মালিকানা ও অর্থায়ন নিয়ে নজরদারি বাড়াতে ব্যাংককে তিন স্থানে তল্লাশি
সন্দেহভাজন নামসর্বস্ব শেয়ারহোল্ডার, সম্পত্তি লেনদেন ও ব্যবসায়িক অর্থায়ন নিয়ে তদন্তের পরিধি বাড়িয়ে ২০২৬ সালের ৮ অক্টোবর ব্যাংককের তিনটি স্থানে তল্লাশি চালান থাই তদন্তকারীরা। একটি ঠিকানায় ৬১টির বেশি কোম্পানির নথি পাওয়া গেছে। এদিকে, সম্ভাব্য গোপন বিদেশি মালিকানা খতিয়ে দেখতে কর্মকর্তারা আলাদাভাবে ৩৩টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে চিহ্নিত করেছেন।
সূচিপত্র
- মালিকানা ও অর্থায়ন নিয়ে নজরদারি বাড়াতে ব্যাংককে তিন স্থানে তল্লাশি
- যেভাবে ব্যাংককে পৌঁছাল তদন্ত
- কখন শেয়ারহোল্ডারকে সন্দেহভাজন নামসর্বস্ব মালিক বলা হয়?
- ছোট ফাউন্ডেশন কার্যালয়, আর কোম্পানির নথির বিশাল ভান্ডার
- অনুদান, নির্মাণে অর্থায়ন ও কর যাচাই
- কর্মসংস্থানের অভিযোগ মালিকানা-সংক্রান্ত প্রশ্ন থেকে আলাদা
- কোম্পানিগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক অস্বীকার করেছে চাবাদ
- চন বুরির অভিযোগ ও বিস্তৃত সম্পত্তি তদন্ত
- দ্বীপে তল্লাশি বিস্তৃত অভিযানের ব্যাপকতা দেখায়
- যেসব বিষয়ে সিদ্ধান্ত এখনো হয়নি
- মূল বিষয়গুলো
আইন মন্ত্রণালয়ের অধীন বিশেষ তদন্ত বিভাগ (ডিএসআই) জানিয়েছে, ‘ইউত্তারাত’ অভিযানে ব্যক্তি, কোম্পানি, ফাউন্ডেশন, সমিতি, সম্পদ ও আর্থিক লেনদেনের মধ্যে যোগসূত্র খতিয়ে দেখা হয়েছে। ব্যবসাগুলো প্রকৃতপক্ষে কারা নিয়ন্ত্রণ করে, কারা সেগুলো থেকে লাভবান হয় এবং মালিকানা ও কার্যক্রম থাই আইন মেনে চলছে কি না, সেটিই তদন্তের মূল প্রশ্ন।
তল্লাশি চালানো হয়েছে ফ্রা নাখন জেলার ফ্রা আথিত রোডে চাবাদ ফাউন্ডেশন, ব্যাং রাক জেলার গান চাবাদ কোং লিমিটেড এবং খলং তোয়েই জেলার সুখুমভিত ২২-এ থাইল্যান্ডের ইহুদি সমিতিতে। বিচারমন্ত্রী রুত্থাপোল নাওয়ারাত বলেছেন, অভিযানের জন্য কর্মকর্তারা চারটি তল্লাশি পরোয়ানা পেয়েছিলেন।
তদন্তের পরিধি কোম্পানি নিবন্ধনের বাইরেও বিস্তৃত। ডিএসআইয়ের আর্থিক তদন্তকারী কীরাতি বুনচোতি বলেছেন, তদন্তকারীরা ফাউন্ডেশনের বছরে আনুমানিক ১০ কোটি বাথ অনুদানের বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন। কর্মকর্তারা জমির মালিকানা, নির্মাণ প্রকল্প, করের নথি এবং করপোরেট নথিতে যাদের নাম রয়েছে, এমন কিছু ব্যক্তির থাই নাগরিকত্ব পাওয়ার বিষয় পর্যালোচনা করছেন।
এগুলো এখনো তদন্ত, অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার সিদ্ধান্ত নয়। কর্মকর্তারা অনুদানগুলো বেআইনি ছিল বলে প্রতিষ্ঠা করেননি। ডিএসআইয়ের বিবৃতিতেও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে আর্থিক, সম্পত্তি বা ব্যবসাসংক্রান্ত অপরাধের অভিযোগ আনা হয়নি। ব্যাংককের অভিযানে ইসরায়েলি নাগরিকদের গ্রেপ্তারের খবর পাওয়া যায়নি। অনুমতি ছাড়া বিদেশি কর্মী নিয়োগের অভিযোগে দুই নিয়োগকর্তার বিরুদ্ধে আলাদা কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
চাবাদের প্রতিনিধিরা বলেছেন, তারা তল্লাশিতে সহযোগিতা করেছেন এবং একটি হিসাবরক্ষণ প্রতিষ্ঠানে নথিভুক্ত কোম্পানিগুলো তাদের সংগঠনের—এ কথা অস্বীকার করেছেন। এই পার্থক্যটি গুরুত্বপূর্ণ: একই ঠিকানা এবং বারবার একই নামের উপস্থিতি আরও যাচাইয়ের যৌক্তিকতা তৈরি করতে পারে, কিন্তু শুধু তা দিয়ে বেআইনি মালিকানা ব্যবস্থা প্রমাণ হয় না।
যেভাবে ব্যাংককে পৌঁছাল তদন্ত
থাইল্যান্ডের অন্যান্য এলাকায় সম্পত্তি ও ব্যবসার মালিকানা নিয়ে একাধিক তদন্তের পর ব্যাংককে তল্লাশি চালানো হয়। এর মধ্যে কিছু চন বুরিতে ডিএসআইয়ের একটি নির্দিষ্ট মামলার অংশ। অন্যগুলো দ্বীপের ব্যবসা কিংবা জমি ও ধর্মীয় স্থাপনা নিয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পরিদর্শনের সঙ্গে সম্পর্কিত।
- ১০ জুলাই, ২০২৬: থাই নামসর্বস্ব শেয়ারহোল্ডার ব্যবহারের সন্দেহে ৩৪টি কোম্পানির বিষয়ে তথ্য পাওয়ার পর কো সামুই ও কো ফাঙ্গানের পাঁচটি স্থানে তল্লাশি চালায় ডিএসআই।
- ২১ আগস্ট, ২০২৬: বিশেষ মামলা নম্বর ১৩৫/২৫৬৯-এর আওতায় চন বুরির তিনটি স্থানে তল্লাশি চালান তদন্তকারীরা। মামলাটি কজি বিচ ভিউ কোং লিমিটেড ও সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর বিষয়ে।
- সেপ্টেম্বর ২০২৬: চাচোয়েংসাওতে একটি কবরস্থান নিয়ে তদন্তের পর গান চাবাদ-সংশ্লিষ্ট ব্যবসা, জমির মালিকানা ও সম্ভাব্য নামসর্বস্ব মালিকানা ব্যবস্থা নিয়ে আলাদা তদন্ত শুরু হয়।
- ৭ অক্টোবর, ২০২৬: কজি বিচ ভিউ, একজন ইসরায়েলি পরিচালক ও একজন থাই শেয়ারহোল্ডারকে আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগের কথা জানানো হয়েছে বলে জানায় ডিএসআই।
- ৮ অক্টোবর, ২০২৬: ব্যাংককের তল্লাশিতে কোম্পানিগুলোর পারস্পরিক সম্পর্ক, অর্থায়ন, সম্পত্তি ও কর্মসংস্থান নিয়ে যাচাই বাড়ানো হয়।
- ৯ অক্টোবর, ২০২৬: ব্যবসা উন্নয়ন বিভাগের পর্যালোচনার বিস্তারিত তথ্যে ব্যাখ্যা চাওয়ার জন্য দুটি বিদেশি প্রতিষ্ঠান ও আরও ৩৩টি ব্যবসার পরিচয় প্রকাশ করা হয়।
ডিএসআই জানিয়েছে, ব্যাংকক থেকে পাওয়া প্রমাণ তাদের তদন্তের পরিধি বাড়াতে সহায়তা করবে এবং প্রাসঙ্গিক আইনে ব্যবস্থা বিবেচনা করার ক্ষমতাপ্রাপ্ত সংস্থাগুলোর কাছে পাঠানো হবে।
কখন শেয়ারহোল্ডারকে সন্দেহভাজন নামসর্বস্ব মালিক বলা হয়?
এই তদন্তে নামসর্বস্ব মালিকানার অর্থ হলো, একজন থাই ব্যক্তি প্রকৃত বিনিয়োগকারী হিসেবে কাজ না করে বিদেশি বিনিয়োগকারীর পক্ষে শেয়ার ধারণ করছেন বলে অভিযোগ। তাই তদন্তকারীদের কোম্পানি নিবন্ধনে থাকা নামের বাইরেও বিনিয়োগের অর্থের উৎস, সিদ্ধান্তের নিয়ন্ত্রণ এবং মুনাফা কোথায় যাচ্ছে, তা খতিয়ে দেখতে হয়।
ব্যবসা উন্নয়ন বিভাগ (ডিবিডি) আরও নিবিড় পর্যালোচনার জন্য দুটি বিদেশি প্রতিষ্ঠানকে চিহ্নিত করেছে। একটিতে বিদেশিদের শেয়ার ছিল ৫১ শতাংশ এবং থাই শেয়ারহোল্ডারদের ৪৯ শতাংশ। প্রতিষ্ঠানটি সম্পত্তি কেনাবেচার ব্যবসা করত। বিভাগটি ওই কার্যক্রমকে ১৯৯৯ সালের বিদেশি ব্যবসা আইনের তালিকা এক অনুযায়ী বিদেশিদের জন্য নিষিদ্ধ বলে বর্ণনা করেছে।
অন্য কোম্পানিটিতে বিদেশিদের শেয়ার ছিল ৯৯.৯৯ শতাংশ এবং থাইদের ০.০১ শতাংশ। এটি গ্রাহকদের জন্য কম্পিউটার প্রোগ্রাম তৈরি করত—কর্মকর্তারা যে কার্যক্রমকে তালিকা তিনের অধীন সেবা খাতের বলে উল্লেখ করেছেন। ই-ফরেন বিজনেস ব্যবস্থায় খোঁজ নিয়ে সংশ্লিষ্ট কোনো ব্যবসায়িক লাইসেন্স বা সনদ পাওয়া যায়নি।
সম্ভাব্য নামসর্বস্ব মালিকানা ব্যবস্থার জন্য চিহ্নিত ৩৩টি ব্যবসায় বিদেশি শেয়ার ছিল ৫০ শতাংশের কম। এসব ব্যবসার মধ্যে ছিল সম্পত্তি ভাড়া, বিনিয়োগ পরামর্শ ও পর্যটন। কাগজে-কলমে থাইদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকলেই প্রমাণ হয় না যে থাই শেয়ারহোল্ডাররা নিজেদের অর্থ বিনিয়োগ করেছেন, নাকি অন্য কারও হয়ে শেয়ার ধরে রেখেছেন।
ডিবিডির মহাপরিচালক কিতিওয়াত পাচিমনান বলেছেন, পরিচালকদের ও শেয়ারহোল্ডারদের তাদের বিনিয়োগ ও কার্যক্রমের ব্যাখ্যা দিতে ডাকা হচ্ছে। বিভাগটি হিসাবরক্ষণ প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত এমন থাই শেয়ারহোল্ডারদেরও শনাক্ত করেছে, যাদের একাধিক লক্ষ্যবস্তু কোম্পানিতে শেয়ারহোল্ডার হিসেবে দেখা গেছে। এসব সম্পর্ক তদন্তাধীন, এখনো অপরাধ বলে প্রতিষ্ঠিত হয়নি।
ছোট ফাউন্ডেশন কার্যালয়, আর কোম্পানির নথির বিশাল ভান্ডার
ফ্রা নাখনের ফাউন্ডেশন কার্যালয়কে কর্মকর্তারা প্রায় ২.৫ বাই ৩ মিটার, অর্থাৎ ৭.৫ বর্গমিটারের একটি কক্ষ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। একই ঠিকানায় আরও পাঁচটি কোম্পানির নিবন্ধন ছিল।
উপস্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পোলাপি সুওয়ানচি ওই ঠিকানায় ফাউন্ডেশন ও তার কার্যক্রমের ব্যাখ্যা-সংবলিত নথি না থাকার বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।
"কেন এখানে তাদের নিবন্ধন করা হয়েছে, তা নিয়ে অনেক প্রশ্ন রয়েছে। ফাউন্ডেশন, এর কার্যক্রম, কাজের প্রক্রিয়া, আর্থিক লেনদেন বা আর্থিক বিবরণীর কোনো নথিই সেখানে ছিল না," বলেন মি. পোলাপি।
কর্মকর্তাদের জানানো হয়, নথিগুলো ব্যাং রাকের একটি কার্যালয়ে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। সেখানে তদন্তকারীরা ফাউন্ডেশন ও সমিতির নিবন্ধন, অনুদানের নথি, সদস্য তালিকা, জমি কেনাবেচার কাগজপত্র, নির্মাণসংক্রান্ত নথি এবং করের রিটার্ন খুঁজে পান। চাবাদ হাউসের কার্যক্রম, রেস্তোরাঁর লাইসেন্স এবং হোটেল বা আবাসন ব্যবসার নথিও পাওয়া যায়।
কোম্পানির সুনির্দিষ্ট সংখ্যা নিয়ে প্রতিবেদনে ভিন্নতা রয়েছে। ডিএসআই বলেছে, ঠিকানাটিতে নিবন্ধিত ৬১টির বেশি কোম্পানির নথি পাওয়া গেছে। অন্য কয়েকটি প্রতিবেদনে সংখ্যা ৬১ বলা হয়েছে; এর মধ্যে প্রায় ৫০টি ইসরায়েলি নাগরিকদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। স্থানটি আইটিএফ টাওয়ারের ১৭তম তলায় বলে উল্লেখ করা হয়েছে, যা আইটিএফ সিলম প্যালেস নামেও পরিচিত।
প্রাথমিক যাচাইয়ে দেখা গেছে, একই ব্যক্তিদের কয়েকটি কোম্পানিতে পরিচালক বা শেয়ারহোল্ডার হিসেবে নাম রয়েছে। এর মধ্যে এমন ব্যক্তিরাও রয়েছেন, যারা নাগরিকত্ব গ্রহণের মাধ্যমে থাই নাগরিকত্ব পেয়েছেন। কর্মকর্তারা এর আগে বলেছিলেন, গান চাবাদ নিজেই থাই আইনি সত্তা হিসেবে নিবন্ধিত এবং এর অনুমোদিত পরিচালকেরা থাই নাগরিক। নামসর্বস্ব মালিকানা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে অন্য কোম্পানি ও লেনদেনের ক্ষেত্রে, যেগুলো এখনো তদন্তাধীন।
অনুদান, নির্মাণে অর্থায়ন ও কর যাচাই
ডিএসআইয়ের আর্থিক তদন্তকারী কীরাতি বুনচোতি চাবাদ ফাউন্ডেশনে বার্ষিক অনুদানের পরিমাণ আনুমানিক ১০ কোটি বাথ বলে জানিয়েছেন। তদন্তকারীরা দাতাদের তথ্য সংগ্রহ করেছেন এবং অর্থের উৎস ও গন্তব্য অনুসরণ করছেন।
অর্থপাচারবিরোধী দপ্তর খতিয়ে দেখছে, লেনদেনের সঙ্গে অবৈধ কর্মকাণ্ডের আয় জড়িত কি না। দপ্তরটির সম্পৃক্ততা অর্থপাচার হয়েছে বলে প্রমাণ করে না; কর্মকর্তারাও অনুদানগুলো বেআইনি ছিল বলে সিদ্ধান্তে পৌঁছাননি।
তদন্তকারীরা ব্যাংককে আটতলা চাবাদ হাউস প্রকল্পের অর্থায়ন এবং ফুকেটের জমিসহ সম্পত্তির মালিকানা নিয়ে সম্ভাব্য অনিয়মও খতিয়ে দেখছেন। এসব যাচাইয়ের মাধ্যমে আর্থিক নথির সঙ্গে সেসব ভবন ও জমির যোগসূত্র মিলিয়ে দেখা হচ্ছে, যেগুলোর পেছনে ওই অর্থ ব্যয় হয়ে থাকতে পারে।
রাজস্ব বিভাগ আলাদাভাবে এমন প্রায় ৬০০টি কোম্পানিকে চিহ্নিত করেছে, যেগুলো হয়তো সম্পূর্ণ কর দেয়নি। কর্মকর্তারা এগুলোকে এমন কোম্পানি হিসেবে বর্ণনা করেছেন, যেগুলোর সঙ্গে নাগরিকত্ব গ্রহণের মাধ্যমে থাই নাগরিকত্ব পাওয়া বিদেশি নাগরিকেরা যুক্ত। কোনো কোম্পানির নাম প্রকাশ করা হয়নি এবং তাদের বিরুদ্ধে কোনো সিদ্ধান্তও জানানো হয়নি।
এই সংখ্যাকে চাবাদ-সংশ্লিষ্ট কোম্পানির সংখ্যা হিসেবে দেখা উচিত নয়। ডিবিডির পর্যালোচনাধীন ৩৩টি ব্যবসা বা ব্যাং রাকের ঠিকানায় নথিভুক্ত কোম্পানির সঙ্গে এই সংখ্যা যোগ করাও যাবে না: এসব গোষ্ঠীর মধ্যে কতটা মিল রয়েছে, তা কর্মকর্তারা প্রতিষ্ঠা করেননি।
ভারপ্রাপ্ত রাজস্ব বিভাগের মহাপরিচালক সালাকচিত পংসিরিচান বলেছেন, কর ফাঁকির উদ্দেশ্য প্রমাণিত হলে তিন মাস থেকে সাত বছরের কারাদণ্ড এবং ২,০০০ থেকে ২,০০,০০০ বাথ জরিমানা হতে পারে। তিনি আরও বলেন, রিটার্ন জমা না দিলে ব্যবসায়িক লাইসেন্স নবায়নে প্রভাব পড়তে পারে। এসব দণ্ডের কথা সম্ভাব্য পরিণতি হিসেবে বলা হয়েছে, এই তদন্তে আরোপিত সাজা হিসেবে নয়।
কর্মসংস্থানের অভিযোগ মালিকানা-সংক্রান্ত প্রশ্ন থেকে আলাদা
ডিএসআই জানিয়েছে, ফ্রা নাখনের ফাউন্ডেশনে তিনজন মিয়ানমারের নাগরিককে অনুমতিপত্র ছাড়া কাজ করতে দেখা গেছে বলে অভিযোগ রয়েছে। কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, তারা অনুমতি ছাড়া থাইল্যান্ডে প্রবেশ করেছিলেন এবং দেশটিতে অবস্থান করছিলেন।
বিভাগটি সংশোধিত ২০১৭ সালের বিদেশি কর্মী নিয়োগবিষয়ক জরুরি অধ্যাদেশ এবং ১৯৭৯ সালের অভিবাসন আইনের কথা উল্লেখ করেছে। ওই স্থানে অনুমতিপত্র ছাড়া বিদেশি কর্মী নিয়োগের অভিযোগে একজন নিয়োগকর্তার বিরুদ্ধে কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
থাইল্যান্ডের ইহুদি সমিতিতে তদন্তকারীরা অনুমতিপত্র ছাড়া কাজ করার অভিযোগে লাওসের দুই নাগরিককে পান। বিদেশি কর্মী নিয়োগবিষয়ক অধ্যাদেশের আওতায় সেখানেও একজন নিয়োগকর্তার বিরুদ্ধে কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
অন্য একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে কর্মকর্তারা প্রায় ৪০ জন বিদেশি কর্মীকে শনাক্ত করেছেন এবং তিন মিয়ানমারের নাগরিককে ফেরত পাঠানো হবে বলে আশা করা হচ্ছিল। এর অর্থ এই নয় যে ৪০ জনের বিরুদ্ধে সবাইকে আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয়েছে; কাউকে ফেরত পাঠানো সম্পন্ন হওয়ার খবরও দেওয়া হয়নি।
অভিবাসন কর্মকর্তারা আরও জানিয়েছেন, চাবাদ স্থাপনার দুই ইসরায়েলি নাগরিক এবং ইহুদি সমিতির দুই লাওসের নাগরিকের অবস্থান নিবন্ধনে ব্যর্থতা রয়েছে। আবাসনস্থলের নিবন্ধন না করা, অবৈধভাবে দেশে প্রবেশ বা অবস্থানের অভিযোগ থেকে আলাদা। ইসরায়েলি নাগরিকদের থাকার অনুমতি ছিল না—এমন প্রমাণ এসব প্রতিবেদনে নেই।
কোম্পানিগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক অস্বীকার করেছে চাবাদ
ব্যাংককে চাবাদের প্রতিনিধি রাব্বি নেখেমিয়া উইলহেলম বলেছেন, কর্মীরা পূর্ণ সহযোগিতা করেছেন এবং তদন্তকারীরা যেসব নথি চেয়েছেন, সেগুলো দিয়েছেন। তিনি বলেন, বহু ব্যবসাসংক্রান্ত নথি এমন একটি হিসাবরক্ষণ প্রতিষ্ঠানে পাওয়া গেছে, যারা বিভিন্ন গ্রাহককে সেবা দেয়; নথিগুলো চাবাদের মালিকানা প্রমাণ করে না।
একজন হিসাবরক্ষকের অন্য কোম্পানির সঙ্গে কাজ করাটাই স্বাভাবিক," তিনি বলেন। "এর মানে এই নয় যে সেগুলো আমাদের কোম্পানি বা আমাদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কোম্পানি।
উইলহেলম বলেন, তল্লাশির পরও ধর্মীয় ও কমিউনিটির কার্যক্রম চলেছে এবং শাবাতে প্রায় ৫০০ জনের উপস্থিতি আশা করা হচ্ছে।
আমরা স্বাভাবিকভাবেই আমাদের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছি," তিনি বলেন। "এই শাবাতে এখানে প্রায় ৫০০ জন আসবেন বলে আশা করা হচ্ছে, আর তা ঠেকানোর কিছু নেই।
পরিদর্শনের সময় রাব্বি ইয়োসেফ চাইম কান্তর আলাদাভাবে ব্যাখ্যা করেন, ফাউন্ডেশনটি ধর্মীয় কার্যক্রম ও থাইল্যান্ডে আসা পর্যটকদের সহায়তা করে। কর্মকর্তারা বলেছেন, তিনি প্রায় ১২ বছর আগে আইনগতভাবে থাই নাগরিকত্ব পেয়েছিলেন। তাই নাগরিকত্ব গ্রহণের নথি যাচাই করা আর কারও নাগরিকত্ব অনিয়ম করে পাওয়া হয়েছে বলে প্রতিষ্ঠা করা এক বিষয় নয়।
একটি প্রতিবেদনে সুখুমভিতের বেথ এলিশেভা নির্মাণস্থলেও তল্লাশির কথা বলা হয়েছে। স্থানটি পরিচালনা করে ইহুদি সমিতি, আর সেখানে ধর্মীয় কার্যক্রম তদারক করে চাবাদ। কমিউনিটির চাহিদা পূরণে অক্ষম হওয়ায় পুরোনো ভবন ভেঙে ফেলার পর সেখানে নতুন একটি উপাসনালয় নির্মাণ করা হচ্ছে। ডিএসআইয়ের মূল প্রতিবেদনে ব্যাংককের তিনটি স্থানের কথা বলা হয়েছে, তাই নির্মাণস্থলটিকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে আলাদা চতুর্থ লক্ষ্যবস্তু হিসেবে গণনা করা উচিত নয়।
চন বুরির অভিযোগ ও বিস্তৃত সম্পত্তি তদন্ত
ডিএসআইয়ের বর্ণনা অনুযায়ী, আনুষ্ঠানিক অভিযোগের সবচেয়ে স্পষ্ট ঘটনাটি চন বুরির কজি বিচ ভিউ কোং লিমিটেডকে ঘিরে; ব্যাংককে তল্লাশি চালানো ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে নয়। বিভাগটি জানিয়েছে, বিশেষ মামলা নম্বর ১৩৫/২৫৬৯-এর আওতায় ৭ অক্টোবর তিন সন্দেহভাজনকে অভিযোগের কথা জানানো হয়।
কোম্পানিটির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় অনুমতি ছাড়া বিদেশি সত্তা হিসেবে ব্যবসা পরিচালনার অভিযোগ আনা হয়েছে। একজন ইসরায়েলি পরিচালকের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে, তিনি জেনেশুনে কথিত অপরাধে সম্মতি দিয়েছেন অথবা পরিচালক বা অনুমোদিত প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করার সময় তা ঠেকাতে যুক্তিসংগত ব্যবস্থা নেননি।
একজন থাই শেয়ারহোল্ডারের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি বেআইনিভাবে কোনো বিদেশির ব্যবসায় সহায়তা, সমর্থন বা যৌথভাবে পরিচালনা করেছেন। এসব অভিযোগে তদন্তের দুটি পৃথক দিক স্পষ্ট হয়: কোম্পানিটি অনুমতি ছাড়া ব্যবসা পরিচালনা করেছে বলে অভিযোগ, আর একজন থাই শেয়ারহোল্ডার তাতে সহায়তা করেছেন বলে অভিযোগ। কারও দোষী সাব্যস্ত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পাত্তানিতে প্রায় ১০ কোটি বাথ মূল্যের একটি জমি কেনার বিষয়ও খতিয়ে দেখছে। পোলাপি বলেছেন, ইসরায়েলি নাগরিকদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কোম্পানিগুলো জমিটি কেনায় একাধিক সংসদ সদস্য উদ্বেগ জানিয়েছেন। তিনি মালিকানা ও জমিটি ব্যবহারের উদ্দেশ্য পরিদর্শন করবেন বলে জানিয়েছেন।
পোলাপি ব্যাখ্যা করেছেন, বিনিয়োগের উৎস ও উদ্দেশ্য নির্ধারণ করতে চায় মন্ত্রণালয়।
"অর্থ কোথা থেকে এসেছে, কোন কোম্পানি জড়িত এবং তাদের উদ্দেশ্য কী, তা আমাদের জানতে হবে," তিনি বলেন।
পাত্তানির জমি কেনার মূল্য এবং ফাউন্ডেশনের বছরে প্রায় ১০ কোটি বাথ অনুদানের পরিমাণ দুটি আলাদা বিষয়। এ দুটির মধ্যে কোনো আর্থিক যোগসূত্র প্রতিষ্ঠিত হয়নি।
মন্ত্রণালয় দেশজুড়ে চাবাদের প্রায় আট বা নয়টি স্থাপনা পর্যালোচনা করছে, যার মধ্যে ক্রাবির একটি স্থাপনাও রয়েছে। দক্ষিণাঞ্চলীয় প্রদেশগুলোর গভর্নরদের নির্মাণ অনুমতি, মালিকানা ও অর্থায়ন যাচাইয়ের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ফুকেটে পরিচালকদের নির্মাণ অনুমতি ও সংশ্লিষ্ট নথি জমা দিতে ৩০ দিন সময় দেওয়া হয়েছে; তা না হলে ভবন ভেঙে ফেলার ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। নির্দিষ্ট শেষ তারিখ জানানো হয়নি।
দ্বীপে তল্লাশি বিস্তৃত অভিযানের ব্যাপকতা দেখায়
কো সামুই ও কো ফাঙ্গানে জুলাইয়ের অভিযান চালানো হয় ডিবিডির পাঠানো একটি অভিযোগের পর, যেখানে নামসর্বস্ব শেয়ারহোল্ডার ব্যবহারের সন্দেহে ৩৪টি কোম্পানির কথা ছিল। পাঁচটি লক্ষ্যবস্তুর মধ্যে চীনা ও ইসরায়েলি নাগরিকদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যবসা ছিল, যা দেখায় বিস্তৃত আইন প্রয়োগ অভিযানটি কোনো একটি জাতীয়তার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়।
কো সামুইয়ের বো ফুতের একটি ভিলা উন্নয়ন প্রকল্পের সঙ্গে প্রায় ৮৯ রাই এলাকাজুড়ে ১৫টি জমির প্লট যুক্ত ছিল; সেগুলোর মূল্য ১৫৭ কোটি বাথ। এক রাই সমান ১,৬০০ বর্গমিটার, সে হিসাবে জমির আয়তন প্রায় ১৪.২ হেক্টর। তদন্তকারীরা শেয়ার মালিকানা, সম্পত্তি লেনদেন, নির্মাণ ও আর্থিক নথি পান।
সম্পত্তি উন্নয়ন, নির্মাণ, বিপণন ও বিক্রয়ের সঙ্গে যুক্ত অন্তত পাঁচটি কোম্পানির সঙ্গে প্রকল্পটির সম্পর্ক ছিল। কর্মকর্তারা বলেছেন, ব্যবস্থাপনা ও ব্যবসায়িক সিদ্ধান্তে চীনা নাগরিকেরা অংশ নিয়েছিলেন।
কো সামুইয়ের একটি আইন কার্যালয়ের সঙ্গে ১৫০টির বেশি কোম্পানির যোগসূত্র ছিল। এর মধ্যে ১০০টির বেশি কোম্পানির কাছে প্রায় ৭৯৫ কোটি বাথ মূল্যের সম্পত্তি ও অন্যান্য সম্পদ ছিল। প্রায় ১০৩টি কোম্পানি ওই কার্যালয়ের ঠিকানাকে নিবন্ধিত প্রধান কার্যালয় হিসেবে ব্যবহার করত।
ভিলা প্রকল্পের ঘোষিত জমিমূল্য ৭৯৫ কোটি বাথের ওই সম্পদমূল্যের প্রায় দ্বিগুণ। এই অঙ্ক দুটি আলাদা গোষ্ঠীকে বর্ণনা করে; মালিকানাগুলোর মধ্যে মিল আছে কি না নিশ্চিত না হয়ে এগুলো যোগ করে মোট হিসাব করা উচিত নয়।
দ্বীপের অন্যান্য তল্লাশিতে ইসরায়েলি নাগরিকদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট হোটেল, আবাসন, সুস্থতা কেন্দ্র ও ভাড়া সম্পত্তির ব্যবসা খতিয়ে দেখা হয়। ব্যাংককের মতো এখানেও তদন্তকারীরা অর্থায়ন, প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ এবং থাই শেয়ারহোল্ডাররা প্রকৃত বিনিয়োগকারী কি না, তা নিয়ে মনোযোগ দেন। দুই তদন্তেই একই পেশাগত কার্যালয় ব্যবহারের ঘটনা দেখা গেছে, তবে শুধু একই প্রাঙ্গণ ব্যবহার করলেই নামসর্বস্ব মালিকানা প্রমাণ হয় না।
যেসব বিষয়ে সিদ্ধান্ত এখনো হয়নি
পরবর্তী পদক্ষেপের মধ্যে রয়েছে কোম্পানির পরিচালক ও শেয়ারহোল্ডারদের ব্যাখ্যা, জব্দ করা নথি পরীক্ষা এবং বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে সমন্বয়। এই অভিযানে ব্যবসা নিবন্ধন, রাজস্ব, জমি, অভিবাসন, কর্মসংস্থান, প্রাদেশিক প্রশাসন, পুলিশ ও অর্থপাচারবিরোধী কর্তৃপক্ষ যুক্ত ছিল।
অংশগ্রহণকারী সংস্থার সংখ্যা নিয়ে প্রতিবেদনে ভিন্নতা রয়েছে: কোথাও আটটি সংস্থার কথা বলা হয়েছে, কোথাও ডিবিডির সঙ্গে আরও নয়টি সংস্থার কাজের কথা, আবার কোথাও ১০টির বেশি সংস্থার কথা। তবে এসব প্রতিবেদনে একমত যে তদন্তে একাধিক পৃথক আইনি দায়িত্ব রয়েছে; তল্লাশি চালানো প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে একই অভিযোগ নয়।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ব্যাংককে এ পর্যন্ত পরিদর্শনে কোনো অনিয়ম পাওয়া যায়নি। এ বক্তব্যের পাশাপাশি ডিএসআইয়ের প্রতিবেদনে সন্দেহভাজন কর্মসংস্থান অপরাধ এবং চলমান করপোরেট যাচাইয়ের কথা রয়েছে। তাই এটিকে পর্যালোচনাধীন প্রতিটি ব্যবসা, কর্মী বা লেনদেনের চূড়ান্ত ছাড়পত্র হিসেবে দেখা যায় না।
ব্যাংককের কোম্পানিগুলোর ব্যাখ্যা দেওয়ার শুনানি বা বিচার শুরুর তারিখ কিংবা সময়সীমা ঘোষণা করা হয়নি। পোলাপি বলেছেন, ডিএসআইয়ের সঙ্গে আরেকটি বৈঠকের পরিকল্পনা রয়েছে, তবে তারিখ জানাননি। নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে শুধু ফুকেটের নথি জমা দেওয়ার নির্দেশটির কথা জানা গেছে।
পোলাপি বলেছেন, তদন্তটি কোনো নির্দিষ্ট জাতীয়তাকে লক্ষ্য করে নয়। ডিএসআইও জানিয়েছে, আইন মেনে বসবাস, বিনিয়োগ ও ব্যবসা পরিচালনা করা বিদেশিদের জন্য থাইল্যান্ড উন্মুক্ত থাকবে; তবে বিধিনিষেধ এড়াতে থাই আইনি ব্যবস্থা ব্যবহারের বিরুদ্ধে সতর্ক করেছে। যে প্রশ্নের মীমাংসা এখনো বাকি, তা হলো নির্দিষ্ট মালিকানা ও অর্থায়নের ব্যবস্থা আইন লঙ্ঘন করেছে কি না; বিদেশি বিনিয়োগ বা ধর্মীয় কার্যক্রম স্বভাবতই বেআইনি কি না, তা নয়।
মূল বিষয়গুলো
- ৮ অক্টোবরের ব্যাংকক অভিযানে প্রধান তিনটি স্থানে তল্লাশি চালানো হয় এবং মালিকানা, অর্থায়ন, সম্পত্তি ও কর মেনে চলার বিষয় নিয়ে তদন্তের পরিধি বাড়ানো হয়।
- একটি ঠিকানায় ৬১টির বেশি কোম্পানির নথি পাওয়া গেছে; নামসর্বস্ব মালিকানা যাচাইয়ের জন্য ডিবিডি আলাদাভাবে ৩৩টি ব্যবসা চিহ্নিত করেছে।
- ফাউন্ডেশনের বছরে আনুমানিক ১০ কোটি বাথ অনুদান তদন্তাধীন; অর্থটি বেআইনি ছিল বলে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।
- মিয়ানমার ও লাওসের পাঁচ নাগরিকের বিরুদ্ধে অনুমতিপত্র ছাড়া কাজের অভিযোগ রয়েছে; দুই নিয়োগকর্তার বিরুদ্ধে কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
- হিসাবরক্ষণ প্রতিষ্ঠানে নথিভুক্ত কোম্পানিগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক অস্বীকার করেছে চাবাদ এবং বলেছে, ধর্মীয় কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
- কজি বিচ ভিউয়ের পৃথক মামলায় তিন সন্দেহভাজনকে ৭ অক্টোবর অভিযোগের কথা জানানো হয়। কারও দোষী সাব্যস্ত হওয়ার খবর নেই।
- দ্বীপের ব্যবসা, পাত্তানির একটি জমি কেনা এবং ফুকেটে নির্মাণসংক্রান্ত নথি নিয়ে আরও পর্যালোচনা চলছে।






