স্বাস্থ্যকর্মী পরিকল্পনায় আমূল পরিবর্তন
জাপানের অর্থ মন্ত্রণালয় মেডিকেল স্কুলে ভর্তির আসনসংখ্যা ব্যাপকভাবে কমানোর প্রস্তাব দিয়েছে, যা দেশটির স্বাস্থ্যকর্মী কৌশলে বড় ধরনের পরিবর্তনের ইঙ্গিত। অর্থমন্ত্রীর উপদেষ্টা প্যানেল ফিসকাল সিস্টেম কাউন্সিলের এক বৈঠকে কর্মকর্তারা সতর্ক করে বলেন, দেশটির জনসংখ্যা ক্রমাগত কমতে থাকায় চিকিৎসকের অতিরিক্ত সরবরাহের মুখে পড়তে যাচ্ছে জাপান। মন্ত্রণালয়ের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২৯ থেকে ২০৩২ সালের মধ্যে চিকিৎসকের সরবরাহ ও চাহিদার ভারসাম্য আসবে। এরপর দেশে চিকিৎসকের অতিরিক্ত সরবরাহ প্রায় নিশ্চিত।
সূচিপত্র
বর্তমানে জাপানের মেডিকেল স্কুলগুলোতে বছরে মোটামুটি ৯,০০০ শিক্ষার্থী ভর্তির সুযোগ রয়েছে। মন্ত্রণালয়ের হিসাব অনুযায়ী, এই সক্ষমতা অপরিবর্তিত থাকলে প্রতি ১ লাখ মানুষের বিপরীতে চিকিৎসকের সংখ্যা ২০২২ সালের ২৭৪ থেকে বেড়ে ২০৪০ সালে ৩৪০ হবে। জনসংখ্যা কমে যাওয়া এবং স্বাস্থ্যসেবা প্রদানে দক্ষতা বাড়ার কারণে চিকিৎসাসেবার চাহিদা কমবে বলে ধারণা করা হলেও চিকিৎসকের সংখ্যা বাড়বে।
ফিসকাল সিস্টেম কাউন্সিলের এক সদস্য বৈঠকে বলেন, “সমাজে সীমিত মানবসম্পদের সর্বোত্তম বণ্টনের দৃষ্টিকোণ থেকে মেডিকেল স্কুলে ভর্তির আসনসংখ্যা কমানো জরুরি।” আর্থিক সীমাবদ্ধতার সময়ে চিকিৎসাব্যয় সর্বোত্তম পর্যায়ে আনতে এ ধরনের হ্রাস গুরুত্বপূর্ণ হবে বলে ওই কর্মকর্তা জোর দেন।
সংকটের আশঙ্কা থেকে অতিরিক্ত সরবরাহের সতর্কতা
এই প্রস্তাব দুই দশক আগের নীতিগত অবস্থানের সম্পূর্ণ বিপরীত। ২০০৭ সালে গ্রামীণ এলাকায় তীব্র চিকিৎসকসংকট এবং হাসপাতাল ব্যবস্থার ওপর চাপের প্রেক্ষাপটে জাপান সরকার মেডিকেল স্কুলে সর্বোচ্চ ভর্তির কোটা ৭,৬২৫ থেকে বাড়িয়ে ৮,৮২৮ করে। সে সময় মাথাপিছু চিকিৎসকের সংখ্যায় জাপান ওইসিডি দেশগুলোর মধ্যে নিচের দিক থেকে ছিল। প্রতি ১,০০০ জনে চিকিৎসক ছিলেন প্রায় ২.৪ জন, যেখানে ওইসিডির গড় ছিল এর চেয়ে বেশি।
তবে আগের সম্প্রসারণ উদ্যোগের পরও জাপান স্বাস্থ্য অর্থনীতিবিদদের ভাষায় “চিকিৎসকের অসম বণ্টন” সমস্যায় ভুগছে। শহরাঞ্চলে চিকিৎসকের আধিক্য থাকলেও গ্রামীণ অঞ্চলে দীর্ঘস্থায়ী সংকট রয়েছে। প্রসূতিবিদ্যা, শিশুরোগ, জরুরি চিকিৎসা ও শল্যচিকিৎসার মতো বিশেষত্বগুলো ঐতিহাসিকভাবে বেশি প্রভাবিত হয়েছে। দীর্ঘ কর্মঘণ্টা ও উচ্চ চাপ নতুন স্নাতকদের এসব ক্ষেত্রে আসতে নিরুৎসাহিত করেছে।
নতুন পূর্বাভাসে ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে, সামগ্রিক চিকিৎসকের সংখ্যা শিগগিরই প্রয়োজনের চেয়ে বেশি হলেও কাঠামোগত ভারসাম্যহীনতা থেকে যেতে পারে। মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, অতিরিক্ত সরবরাহ অনিবার্য বলে মনে হচ্ছে। কারণ ২০৩২ অর্থবছরের আগে চিকিৎসকের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো সম্ভব নয়। এপ্রিলে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীরা তখন প্রশিক্ষণ শেষ করে কর্মক্ষেত্রে প্রবেশ করবেন।
আঞ্চলিক কোটার দ্বিধা
ভর্তি নিয়ে বিতর্ককে জটিল করেছে জাপানের আঞ্চলিক কোটা ব্যবস্থা। গ্রামীণ এলাকায় চিকিৎসকের দীর্ঘস্থায়ী সংকট মোকাবিলায় চালু এই বিশেষ ভর্তি পদ্ধতিতে মেডিকেল স্কুলগুলো এমন আবেদনকারীদের জন্য আসন সংরক্ষণ করতে পারে, যারা স্নাতক হওয়ার পর নির্ধারিত অঞ্চলে কাজ করার অঙ্গীকার করেন।
আসাহিকাওয়া মেডিকেল ইউনিভার্সিটিতে পরিচালিত গবেষণায় এই ভর্তি পদ্ধতির জটিলতা উঠে এসেছে। ২০১০ থেকে ২০১৯ সালের মধ্যে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের নিয়ে এক দশকের গবেষণায় দেখা গেছে, ভর্তি অফিসের পরীক্ষা (AO-EXAM) এবং সুপারিশভিত্তিক প্রক্রিয়ায় (REC-EXAM) ভর্তি হওয়া আঞ্চলিক কোটা শিক্ষার্থীরা প্রচলিত সাধারণ পরীক্ষায় ভর্তি শিক্ষার্থীদের তুলনায় উচ্চতর সামগ্রিক গ্রেড পয়েন্ট গড় অর্জন করেছেন, যদিও মানসম্মত ভর্তি পরীক্ষায় তাঁদের নম্বর কম ছিল।
আঞ্চলিক কোটায় মেডিকেল শিক্ষার্থীদের ভর্তির হার উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। ২০০৮ সালে ৫.২ শতাংশ থেকে বেড়ে ২০২০ সালে তা ১৮.২ শতাংশে দাঁড়ায়। জাতীয় পর্যায়ের মোট ভর্তি-সংখ্যা দিয়ে যে অসম বণ্টন সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়, তা মোকাবিলার জন্যই এসব শিক্ষার্থীকে নির্দিষ্টভাবে বেছে নেওয়া হয়। সামগ্রিকভাবে চিকিৎসকের অতিরিক্ত সরবরাহের পূর্বাভাস থাকলেও নতুন চিকিৎসকেরা শহরে কেন্দ্রীভূত হলে গ্রামীণ জনপদে সংকট চলতে পারে।
আঞ্চলিক কোটায় ভর্তি শিক্ষার্থীরা সাধারণ ভর্তি পরীক্ষায় আসা শিক্ষার্থীদের তুলনায় পড়াশোনায় ভালো ফল করেছেন। তবে জাতীয় কেন্দ্রীয় পরীক্ষায় তাঁদের একাডেমিক দক্ষতার নম্বর কম ছিল; বিশ্ববিদ্যালয়ভিত্তিক বিষয়-পরীক্ষায় তাঁদের মূল্যায়ন করা হয়নি।
গবেষণার উপসংহারে বলা হয়েছে, সামগ্রিক ভর্তি-সীমা কঠোর হলেও গ্রামীণ এলাকায় চিকিৎসকের কর্মীসংখ্যা বজায় রাখতে আঞ্চলিক কোটা ভর্তি আরও কার্যকরভাবে কাজে লাগানো যেতে পারে।
লিঙ্গ, কর্মপরিবেশ ও ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট
ভর্তি কমানোর প্রস্তাব এসেছে জাপানের চিকিৎসাশিক্ষায় দীর্ঘদিনের লিঙ্গবৈষম্যের প্রেক্ষাপটে। ২০১৮ সালে টোকিও মেডিকেল ইউনিভার্সিটি স্বীকার করে, অন্তত এক দশক ধরে তারা ভর্তি পরীক্ষার নম্বরে পরিকল্পিতভাবে কারসাজি করে নারী শিক্ষার্থীদের ভর্তির হার মোট শিক্ষার্থীর প্রায় ৩০ শতাংশে সীমিত রেখেছিল। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের যুক্তি ছিল, নারীরা বিয়ে বা সন্তান জন্মের কারণে পেশা ছেড়ে দেওয়ার সম্ভাবনা বেশি; এতে সংশ্লিষ্ট হাসপাতালগুলোতে কর্মীসংকট দেখা দেয়।
সরকারি ভর্তুকি কমানোর ঘটনায় গড়ানো এই কেলেঙ্কারি জাপানের স্বাস্থ্যসেবায় কর্মপরিবেশের গভীরতর সমস্যাগুলো সামনে আনে। দেশটির চিকিৎসকেরা নিয়মিত সপ্তাহে ৫৪ থেকে ৬৩ ঘণ্টা কাজ করেন; উল্লেখযোগ্যসংখ্যক চিকিৎসক সপ্তাহে ৬০ ঘণ্টারও বেশি কাজ করেন। গবেষণায় এই কঠোর কর্মসূচির সঙ্গে চিকিৎসা-প্রশিক্ষণরত চিকিৎসকদের মধ্যে বিষণ্নতার উচ্চ হারের যোগসূত্র পাওয়া গেছে। সপ্তাহে ১০০ ঘণ্টা কাজ করা চিকিৎসকদের ক্ষেত্রে চিকিৎসাগতভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বিষণ্নতার উপসর্গ দেখা দেওয়ার ঝুঁকি কম সময় কাজ করা চিকিৎসকদের তুলনায় প্রায় সাত গুণ বেশি।
এশিয়া-প্যাসিফিক জার্নালে প্রকাশিত গবেষণা বলছে, চিকিৎসাক্ষেত্রে লিঙ্গবৈচিত্র্যের সঙ্গে রোগীর উন্নত ফলাফলের সম্পর্ক রয়েছে। মেডিকেয়ারের আওতাভুক্ত হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের নিয়ে এক গবেষণায় দেখা গেছে, নারী ইন্টারনিস্টদের চিকিৎসা পাওয়া বয়স্ক রোগীদের মৃত্যুহার ও পুনরায় হাসপাতালে ভর্তির হার পুরুষ চিকিৎসকদের চিকিৎসা পাওয়া রোগীদের তুলনায় কম ছিল। গবেষকদের হিসাব, পুরুষ চিকিৎসকেরা তাঁদের নারী সহকর্মীদের সমপর্যায়ের ফলাফল অর্জন করলে বছরে প্রায় ৩২,০০০ কম রোগীর মৃত্যু হতে পারে।
এই ফলাফল অর্থ মন্ত্রণালয়ের ব্যয় কমানোর লক্ষ্যের সঙ্গে টানাপোড়েন তৈরি করে। ভর্তি কমালে সরকারি ব্যয় সর্বোত্তম পর্যায়ে আনা যেতে পারে, তবে চিকিৎসকদের মধ্যে ইতিমধ্যে থাকা অবসাদ ও কারোশি (অতিরিক্ত কাজের চাপে মৃত্যু) আরও বাড়তে পারে। বিশেষ করে চিকিৎসকের বণ্টনব্যবস্থা আঞ্চলিক চাহিদা পূরণে ব্যর্থ হলে এই ঝুঁকি বাড়বে।
আন্তর্জাতিক তুলনা: দক্ষিণ কোরিয়ার সংকট
জাপানের ভর্তি কমানোর প্রস্তাব প্রতিবেশী দক্ষিণ কোরিয়ার চিকিৎসাশিক্ষা সংকটের সম্পূর্ণ বিপরীত। সেখানে মেডিকেল স্কুলে ভর্তির কোটা বাড়ানোর পরিকল্পনা নিয়ে সরকার তীব্র প্রতিরোধের মুখে পড়েছে। জাপান যেখানে অতিরিক্ত সরবরাহের আশঙ্কা করছে, দক্ষিণ কোরিয়া সেখানে তীব্র চিকিৎসকসংকটে ভুগছে। এর জবাবে ইউন সুক ইওল প্রশাসন মেডিকেল স্কুলে ৫,০০০-এর বেশি আসন বাড়ানোর প্রস্তাব দেয়, পরে তা কমিয়ে প্রায় ৩,০৫৮ করা হয়।
দক্ষিণ কোরিয়ার প্রস্তাবকে কেন্দ্র করে সরকার ও চিকিৎসা পেশাজীবীদের মধ্যে এক বছর ধরে অচলাবস্থা চলে। এর ফলে চিকিৎসকদের গণপদত্যাগ এবং মেডিকেল শিক্ষার্থীদের ক্লাস বর্জনের ঘটনা ঘটে। ২০২৫ সালের মে মাসে দক্ষিণ কোরিয়ার শিক্ষা মন্ত্রণালয় ঘোষণা করে, ক্লাসে ফিরতে অস্বীকৃতি জানানোয় দেশটির ৪০টি মেডিকেল স্কুলের মোট শিক্ষার্থীর প্রায় ৪৩ শতাংশ, অর্থাৎ ৮,৩০৫ জন অকৃতকার্য হবেন। তাঁদের মধ্যে ৪৬ জনকে বহিষ্কারের মুখে পড়তে হবে।
এই পার্থক্য দেখায়, জনসংখ্যাগত ও স্বাস্থ্যব্যবস্থার ভিন্নতা কীভাবে কর্মী পরিকল্পনাকে প্রভাবিত করে। জাপানে দ্রুত বয়স্ক হয়ে ওঠা এবং কমতে থাকা জনসংখ্যার কারণে সামগ্রিক চাহিদা কমছে। অন্যদিকে, দক্ষিণ কোরিয়া প্রয়োজনীয় বিশেষত্ব ও গ্রামীণ এলাকায় তীব্র সংকটে পড়েছে, যা দুই দশক আগে জাপানেও দেখা গিয়েছিল।
উচ্চশিক্ষার বৃহত্তর প্রবণতা
মেডিকেল স্কুলের আসন কমানোর প্রস্তাব জাপানের উচ্চশিক্ষার সামগ্রিক প্রবণতার বিপরীত। জনসংখ্যা হ্রাসের প্রভাব সামলাতে সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ভর্তি বাড়ানোর জোরালো চেষ্টা করছে। সরকার ২০২৫ অর্থবছর থেকে তিন বা তার বেশি সন্তান থাকা পরিবারের শিক্ষার্থীদের আয় নির্বিশেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের টিউশন ফি মওকুফের প্রস্তাব দিয়েছে। ছোট আঞ্চলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর টিকে থাকা হুমকির মুখে ফেলা জনসংখ্যাগত পতন ঠেকানোই এ নীতির লক্ষ্য।
একই সময়ে, যুক্তরাষ্ট্রে অনিশ্চয়তার মুখে থাকা আন্তর্জাতিক গবেষক ও শিক্ষার্থীদের আকৃষ্ট করতে জাপানের খ্যাতনামা প্রতিষ্ঠানগুলো উদ্যোগ নিয়েছে। অন্তত ৮৭টি বিশ্ববিদ্যালয় বিদেশি গবেষকদের স্বাগত জানাতে নতুন বাজেট বরাদ্দ করেছে। যুক্তরাষ্ট্রে তহবিল কমানোর মধ্যে দেশটি ছাড়তে চাওয়া ৫০০ গবেষককে নিয়োগ দিতে তোহোকু ইউনিভার্সিটি একাই পাঁচ বছরে ৩০ বিলিয়ন ইয়েন বিনিয়োগের অঙ্গীকার করেছে।
এই বিপরীতমুখী পদক্ষেপগুলো—সাধারণ ও আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী ভর্তি বাড়ানোর পাশাপাশি দেশের মেডিকেল প্রশিক্ষণ সীমিত করা—কমবয়সী মানুষের সংখ্যা কমে আসা এবং বয়স্ক জনসংখ্যার কারণে স্বাস্থ্যসেবার চাহিদা বাড়তে থাকা ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুতি নেওয়ার জটিল হিসাব তুলে ধরে।
মূল বিষয়গুলো
- ২০২৯-২০৩২ সালের মধ্যে চিকিৎসকের সম্ভাব্য অতিরিক্ত সরবরাহ ঠেকাতে জাপানের অর্থ মন্ত্রণালয় বছরে প্রায় ৯,০০০ শিক্ষার্থীর মেডিকেল স্কুলে ভর্তি কমানোর প্রস্তাব দিয়েছে
- বর্তমান ভর্তি-সংখ্যা অপরিবর্তিত থাকলে প্রতি ১ লাখ মানুষের বিপরীতে চিকিৎসকের সংখ্যা ২০২২ সালের ২৭৪ থেকে ২০৪০ সালে ৩৪০ হবে বলে পূর্বাভাস
- গ্রামীণ এলাকার চিকিৎসকসংকট মোকাবিলায় ২০০৭ সালে ভর্তি কোটা বাড়ানোর নীতির বিপরীত এই প্রস্তাব
- গ্রামীণ এলাকায় কাজ করার অঙ্গীকার করা শিক্ষার্থীদের জন্য আসন সংরক্ষণকারী আঞ্চলিক কোটা সামগ্রিক ভর্তি কমলেও বহাল থাকতে পারে
- অতীতে লিঙ্গবৈষম্যের কেলেঙ্কারি এবং অতিরিক্ত কর্মঘণ্টার কঠিন পরিস্থিতি কর্মী পরিকল্পনাকে জটিল করে তুলেছে
- জাপান যেখানে ভর্তি কমানোর পরিকল্পনা করছে, দক্ষিণ কোরিয়া সেখানে মেডিকেল স্কুলে ভর্তি বাড়ানোর চেষ্টা নিয়ে সংকটে পড়েছে; সম্প্রসারণের প্রতিবাদ করায় হাজারো শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়েছেন
- জনসংখ্যা হ্রাসের প্রভাব মোকাবিলায় জাপানের সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয়গুলো আন্তর্জাতিক নিয়োগ বাড়াচ্ছে এবং বড় পরিবারের জন্য বিনা টিউশন ফি চালুর প্রস্তাব দিচ্ছে






