নীরব এই বইয়ের পাড়া কীভাবে বিশ্বের তালিকায় শীর্ষে উঠল
পুরোনো বইয়ের দোকান ও জমজমাট কারির খাবারের দোকানের জন্য বিখ্যাত টোকিওর ছোট্ট এলাকা জিমবোচোকে ২০২৫ সালের বিশ্বের সবচেয়ে কুল পাড়া হিসেবে নির্বাচিত করেছে টাইম আউট। পর্যটকদের পছন্দের তালিকায় খুব কমই জায়গা পাওয়া বইপ্রেমীদের এই এলাকাকে বেছে নেওয়ায় তা বিশ্বমঞ্চে উঠে এসেছে। খবরটি শুনে টোকিওর অনেক বাসিন্দাই বিস্মিত হয়েছেন। চটকদার রাতের জীবনের চেয়ে নিরিবিলি বই ঘাঁটা, কফি আবার ভরে নেওয়া আর দুপুরের খাবারের দোকানে সারি—এসবের জন্যই এলাকাটি বেশি পরিচিত।
সূচিপত্র
টাইম আউট জানিয়েছে, স্থানীয় সম্পাদক ও লেখকদের মনোনয়ন নিয়ে তালিকাটি তৈরি করা হয়। এরপর সংস্কৃতি, সম্প্রদায়, বসবাসের উপযোগিতা, রাতের জীবন, খাবার ও পানীয়, রাস্তার প্রাণচাঞ্চল্য এবং তাদের ভাষায় ‘বর্তমান সময়ের সঙ্গে প্রাসঙ্গিকতা’—এসব বিবেচনায় এলাকাগুলোর ক্রম নির্ধারণ করা হয়। অ্যান্টওয়ার্পের বোরগারহাউট, সাও পাওলোর বাররা ফুন্দা, লন্ডনের ক্যাম্বারওয়েল এবং শিকাগোর অ্যাভনডেলের আগে এক নম্বরে রয়েছে জিমবোচো। সেরা দশের বাকি এলাকাগুলো হলো সিউলের মুল্লে-দং, প্যারিসের মেনিলমোঁতাঁ, ওসাকার নাকাতসু, হেলসিঙ্কির ভাল্লিলা এবং আক্রার লাবোনে।
টাইম আউটের ভ্রমণ সম্পাদক গ্রেস বিয়ার্ড এই তালিকাকে এমন সব জায়গার উদ্যাপন হিসেবে তুলে ধরেছেন, যেগুলো সেখানকার বাসিন্দাদের হাতেই গড়ে উঠেছে।
এ বছরের টাইম আউট তালিকা থেকে সবচেয়ে বড় উপলব্ধি হলো, আমাদের পাড়াগুলো কতটা স্থানীয় সম্প্রদায়ের দ্বারা এবং তাদের জন্য গড়ে ওঠে।
এই মুহূর্তে এলাকাটিকে কুল করে তুলেছে যা
জিমবোচোর আকর্ষণ গড়ে উঠেছে ইতিহাস আর দৈনন্দিন জীবনের মেলবন্ধনে। নিচু, মিশ্র ব্যবহারের ভবনগুলোতে রয়েছে প্রায় ১৩০টি পুরোনো বইয়ের দোকান। রাস্তার স্তরে ক্যাফে ও কারির খাবারের দোকান, আর ওপরে অফিস, শ্রেণিকক্ষ ও ছোট ছোট আর্ট গ্যালারি। শিক্ষার্থী ও তরুণ সৃজনশীল মানুষের নিয়মিত আনাগোনা এলাকায় নতুন প্রাণ এনেছে। পরিচিত জায়গাগুলোর মধ্যে আছে রেট্রো আবহের ক্যাফে সাবোরু, যার পিৎজা টোস্ট বিখ্যাত। ওয়াকঅ্যাবাউট কফিতে অস্ট্রেলীয় ধাঁচের এসপ্রেসো পরিবেশন করা হয়। কারিপ্রেমীরা কারি বন্ডি ও সাংগাতসু নো মিজুতে সারি দেন। ককটেল ওয়ার্কস জিমবোচোতে মেলে ক্রাফট জিনের পানীয়। ইয়োনে একসঙ্গে রয়েছে আর্ট গ্যালারি, বার ও গান শোনার ঘর। স্ট্যাকস বুকস্টোরের মতো নতুন স্বাধীন বইয়ের দোকানও এই বৈচিত্র্যে যোগ করেছে। সংগ্রাহকেরা নিয়মিত যান কোমিয়ামা শোতেন ও কিতাজাওয়া বুকস্টোরে—এ দুটি এই বইপাড়ার গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান।
ইসেইদো বুকসেলার্সে রয়েছে প্রাচীন ও বিদেশি ভাষার বই। বিশেষায়িত দোকানগুলোতে মেলে শিল্প, আলোকচিত্র, দুর্লভ সাময়িকী এবং নানা নির্দিষ্ট আগ্রহের বিষয়ভিত্তিক সংগ্রহ। অনেক দোকান মালিক নিজেই চালান এবং ব্যক্তিগত রুচিতে সাজান। এক তাকেই থাকতে পারে প্রথম সংস্করণের বই, তার পাশের তাকে মাঙ্গার স্তূপ। বেশির ভাগ বইয়ের দোকান সন্ধ্যার আগেই বন্ধ হয়ে যায়, তাই দিনের বেলায় বই ঘাঁটাই এখানকার রীতি।
রাস্তার দৃশ্য ধীরেসুস্থে ঘোরার আনন্দ বাড়িয়ে তোলে। সরু ভবনগুলোর গায়ে সাইনবোর্ড লাগানো। সিঁড়ি উঠে গেছে ছোট ছোট তলায়, যেখানে এমন সব বই ঠাসা—যেগুলো খুঁজে পাবেন ভাবেননি। তাক থেকে কফির কাউন্টার, তারপর আবার বই ঘাঁটতে ঘাঁটতে কখন যে বিকেল গড়িয়ে যায়, টেরও পাওয়া যায় না।
নিজস্ব সত্তা ধরে রাখা বইয়ের পাড়া
টোকিওর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর কেন্দ্রের সঙ্গে তাল মিলিয়ে গড়ে উঠেছে জিমবোচো। মেইজি, নিহন ও সেনশু বিশ্ববিদ্যালয় হাঁটার দূরত্বে, পাশাপাশি রয়েছে গবেষণা গ্রন্থাগার ও প্রকাশনা সংস্থার কার্যালয়। বিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকে ছাপাখানা, বই বাঁধাই এবং বিদ্যায়তনিক বইয়ের বাণিজ্যের কেন্দ্র হিসেবে এলাকাটির বিকাশ ঘটে। ভবনগুলোর অনেকই সাধারণ ও ব্যবহারিক নকশার, যা এলাকাটির ছোট পরিসরের চরিত্র ধরে রাখতে সাহায্য করেছে।
ডিজিটাল মাধ্যমে পড়া বেড়ে যাওয়া এবং জনসংখ্যার পরিবর্তনে জাপানের মুদ্রণশিল্প এখন নানা প্রতিকূলতার মুখে। তাই টাইম আউটের এই স্বীকৃতি কিছু দোকানির কাছে একই সঙ্গে সম্মাননা ও টিকে থাকার ভরসা। এলাকাটি কথাসাহিত্যেও অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে। এর মধ্যে আছে সাতোশি ইয়াগিসাওয়ার ডেইজ অ্যাট দ্য মরিসাকি বুকশপ—এলাকার একটি পুরোনো বইয়ের দোকানকে ঘিরে লেখা উপন্যাস।
হোনমারুর বই বিক্রেতা মিচিয়াকি কামোশিদা—এটি এমন একটি যৌথ বইয়ের দোকান, যেখানে ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান তাক ভাড়া নিয়ে নিজেদের পছন্দের বই সাজান—অনেকের প্রকাশ করা গর্ব ও বিস্ময়ের অনুভূতি তুলে ধরেছেন।
আমি খুব খুশি, তবে এটা প্রত্যাশা করিনি, বলেছেন কামোশিদা। আজকাল বই তেমন মনোযোগ পাচ্ছে না, এমনকি সারা বিশ্বেও। বিশেষ করে জাপানে প্রকাশনা শিল্প খুব ভালো করছে না। তাই এই বইয়ের পাড়াটি যে মনোযোগ পাচ্ছে, তা দেখে আমি খুব অবাক হয়েছি।
এই বিনয়ই এলাকাটির আকর্ষণ বুঝতে সাহায্য করে। দোকানগুলোর প্রতিযোগিতার মূল বিষয় চাকচিক্যময় নকশা নয়, বরং বাছাই করা বই, আলাপচারিতা এবং মুদ্রিত শব্দের প্রতি যত্ন।
কারি, কফি আর রেট্রো ছন্দ
খাবারের জগতেও স্বস্তি ও স্বকীয়তার একই মিশেল দেখা যায়। ঘন রু দিয়ে তৈরি জাপানি কারি, ভাত ও আচার দিয়ে পরিবেশন করা হয়; এটি স্থানীয়দের পছন্দের খাবার। কিচেন নানকাই ১৯৬০-এর দশক থেকে কাতসু কারি পরিবেশন করে আসছে। কারি বন্ডি ও সাংগাতসু নো মিজুও জনপ্রিয়। শিক্ষার্থীদের সাধ্যের মধ্যে দাম, আর দুপুরে দ্রুত খালি হয়ে যায় আসন।
পুরোনো ধাঁচের কফি হাউস, বা কিসাতেন, দৈনন্দিন জীবনেরই অংশ। মিলোঙ্গা নুয়েভায় হাতে তৈরি কফির সঙ্গে বাজে আর্জেন্টিনীয় ট্যাঙ্গোর রেকর্ড। মাফুমি কফিতে হাতে ঢালা কফির সঙ্গে রয়েছে ক্যালিগ্রাফি। ক্যাফে আতরাক্সিয়ায় কর্মীরা পুরোনো যন্ত্রে ধ্রুপদি সংগীতের এলপি বাজান; এর মধ্যে আছে বিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকের হাতে ঘোরানো গ্রামোফোন। ১৯৫০-এর দশকের মাঝামাঝি থেকে চালু সাবোরু যেন সময়ের কৌটো; মোটা পিৎজা টোস্টের জন্য বিখ্যাত।
সন্ধ্যার আমেজে প্রাধান্য পায় গান শোনার বার, ককটেল কাউন্টার আর নিরিবিলি আড্ডার জায়গা। ককটেল ওয়ার্কস জিমবোচোতে ক্রাফট জিন ও মৌসুমি উপকরণ দিয়ে পানীয় তৈরি হয়। ইয়োনে ছোট পরিসরে শিল্প প্রদর্শনী হয়, আর সেখানে ভিনাইল রেকর্ডনির্ভর সাউন্ড সিস্টেম রয়েছে। গান বাজে, কথাবার্তাও চলে; তবে নদীর ওপারের রাতজাগা এলাকাগুলোর তুলনায় এখানে শেষ পানীয় পরিবেশনের সময় এগিয়ে আসে।
স্থানীয়দের প্রতিক্রিয়া
জিমবোচোতে প্রতিক্রিয়া আনন্দ থেকে সংশয়—দুই রকমই। অনেক ব্যবসায়ী এই মনোযোগকে স্বাগত জানিয়েছেন, তবে বলছেন, ‘কুল’ তকমা পাওয়ার পেছনে তাঁরা কখনো ছোটেননি। অনলাইন ফোরামে টোকিওর দীর্ঘদিনের কিছু বাসিন্দা এই নির্বাচনকে সাধুবাদ জানিয়েছেন, আবার কেউ কেউ প্রশ্ন তুলেছেন—নিরিবিলি বইয়ের এলাকা কি বিশ্বজুড়ে ‘কুল’ বলে বিবেচিত হওয়ার ধারণার সঙ্গে মানায়?
এই মতভেদ থেকেই এলাকাটির স্বাতন্ত্র্য ফুটে ওঠে। জিমবোচোতে তাড়াহুড়ো করে তালিকার সব জায়গা দেখে ফেলার চেয়ে ধীরেসুস্থে বিকেল কাটানোই বেশি উপভোগ্য। টোকিওর শিক্ষার্থীজীবন, প্রকাশনা সংস্কৃতি ও ক্যাফের ঐতিহ্যের জীবন্ত নথি এটি।
এখানকার রাস্তা আগে থেকেই চেনেন এমন পাঠক ও সংগ্রাহকদের কাছে এটাই আকর্ষণ। এই তালিকায় দোকানের তাক, কর্মীদের পরামর্শ কিংবা কাগজের গন্ধ বদলে যাবে না। তবে এখানে আসা মানুষের সংখ্যা বাড়তে পারে।
তালিকায় স্থান পাওয়া কি জিমবোচোকে বদলে দেবে
দর্শনার্থীদের ঢল বইয়ের দোকান, ক্যাফে ও কারির খাবারের দোকানে নতুন আয়ের সুযোগ এনে দিতে পারে। তবে ভিড়ের চাপে ছোট রাস্তার জালেও চাপ পড়তে পারে, সময়ের সঙ্গে বাড়তে পারে ভাড়াও। ইজারার মেয়াদ শেষ হলে ছোট পারিবারিক দোকানগুলো কখনো কখনো সমস্যায় পড়ে। কোনো মনোরম এলাকা হঠাৎ বিশ্বজুড়ে ভ্রমণ-নির্দেশিকায় উঠে এলে শহরগুলোতে এমন উদ্বেগ পরিচিত।
২০২৫ সালের তালিকার অন্য এলাকাগুলো কিছু উদাহরণ দেয়। অ্যান্টওয়ার্পের বোরগারহাউট সহযোগিতামূলক শিল্পকেন্দ্রের সঙ্গে প্রবৃদ্ধিকে যুক্ত করেছে। লন্ডনের ক্যাম্বারওয়েল নির্ভর করে স্বাধীন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও সবুজ এলাকার ওপর। আগ্রহ দ্রুত বাড়লে স্থানীয় সংগঠনগুলো প্রায়ই অনুষ্ঠান, মেলা ও খোলার সময়সূচি এমনভাবে পরিচালনা করে, যাতে রাস্তাগুলো বাসিন্দাদের জন্যও স্বাগতপূর্ণ থাকে। এ ক্ষেত্রে জিমবোচো এগিয়ে আছে। বিশ্ববিদ্যালয়, পুরোনো বইয়ের মেলা এবং দোকান মালিক ও ক্রেতাদের দীর্ঘদিনের সম্পর্ক এলাকাটির মজবুত ভিত্তি তৈরি করেছে।
টোকিওর কর্মকর্তারা ও পাড়া-ভিত্তিক সংগঠনগুলো সাধারণত পুরো শহরেই দায়িত্বশীল পর্যটনকে উৎসাহিত করে। জিমবোচোর ক্ষেত্রে সবচেয়ে ভালো রক্ষাকবচ হলো এলাকাটির নিজস্ব বৈশিষ্ট্য। দোকান ছোট, বিরতির সময় সত্যিই থাকে, আর বই ঘাঁটাই এখানে মূল কাজ। এমন জায়গা বদলায় ধীরে।
ভ্রমণের পরামর্শ ও শিষ্টাচার
কয়েকটি ব্যবহারিক অভ্যাস আপনার দিনটিকে সহজ ও সবার জন্য স্বস্তিদায়ক রাখবে।
- দিনের বেলায় বই ঘাঁটার পরিকল্পনা করুন। অনেক দোকান সন্ধ্যার আগেই বন্ধ হয়ে যায়।
- ইসেইদো ও কিতাজাওয়ার মতো পরিচিত বইয়ের দোকান দিয়ে শুরু করে পরে পাশের সরু রাস্তাগুলো ঘুরে দেখুন।
- দুর্লভ বই যত্ন করে ধরুন। সিল করা জিনিস খোলার আগে অনুমতি নিন।
- দোকানের ভেতরে ছবি তোলার আগে অনুমতি চান।
- আস্তে কথা বলুন। চলাচলের পথ সরু এবং বসার বেঞ্চ সীমিত।
- ছোট দোকানে নগদ টাকা সঙ্গে রাখুন। কিছু ক্যাফেতে কার্ড চলে, তবে সবখানে নয়।
- দুপুরে কারি খেয়ে নিন, তারপর খাওয়া শেষ হলে পরের জনের জন্য আসন ছেড়ে দিন।
- গণপরিবহন ব্যবহার করুন। জিমবোচো স্টেশন হানজোমন লাইন, তোয়েই শিনজুকু লাইন ও তোয়েই মিতা লাইনে রয়েছে।
- ক্যাফে ও বারের খোলার সময় দেখে নিন। অনেক জায়গায় বিকেলে কিছুক্ষণ বিরতি থাকে।
- মানচিত্র দেখার সময় এক পাশে সরে দাঁড়ান, যাতে পথচারীদের চলাচলে বাধা না হয়।
একটু ধৈর্য ও শিষ্টাচার সবার জন্য আপনার ভ্রমণ আরও সুন্দর করে তুলবে।
এক নজরে
- টাইম আউট ২০২৫ সালের বিশ্বের সবচেয়ে কুল পাড়া হিসেবে জিমবোচোকে নির্বাচিত করেছে।
- তালিকায় সংস্কৃতি, সম্প্রদায়, বসবাসের উপযোগিতা, রাতের জীবন, খাবার ও পানীয়, রাস্তার প্রাণচাঞ্চল্য এবং বর্তমান সময়ের সঙ্গে প্রাসঙ্গিকতা বিবেচনা করা হয়।
- এলাকাটিতে রয়েছে প্রায় ১৩০টি পুরোনো বইয়ের দোকান, সঙ্গে রেট্রো ক্যাফে ও কারির খাবারের দোকান।
- সাবোরু, কারি বন্ডি, সাংগাতসু নো মিজু, ইসেইদো, কোমিয়ামা শোতেন এবং কিতাজাওয়া বুকস্টোর জনপ্রিয় গন্তব্য।
- টাইম আউটের ভ্রমণ সম্পাদক গ্রেস বিয়ার্ড বলেছেন, স্থানীয় সম্প্রদায়ই সেরা পাড়াগুলো গড়ে তোলে।
- বই বিক্রেতা মিচিয়াকি কামোশিদা বলেছেন, এই মনোযোগে তিনি খুশি হলেও বিস্মিত।
- ২০২৫ সালের সেরা পাঁচ: জিমবোচো, বোরগারহাউট, বাররা ফুন্দা, ক্যাম্বারওয়েল, অ্যাভনডেল।
- বেশির ভাগ দোকান তাড়াতাড়ি বন্ধ হয়। দিনের বেলায় ঘোরার পরিকল্পনা করুন।
- ছোট জায়গাগুলোতে নীরব আচরণ ও বইয়ের প্রতি যত্নের মূল্য আছে।
- দর্শনার্থীর সংখ্যা বাড়তে পারে, আর স্থানীয় ব্যবসাগুলোও লাভবান হতে পারে।






