ডেটা সেন্টার প্রতিযোগিতায় মালয়েশিয়ার উত্থানের মুহূর্ত
মালয়েশিয়ায় এখন ডেটা সেন্টার নির্মাণের জোয়ার চলছে। বিদ্যুতের সরবরাহ এবং শ্রমিকসংকটের উদ্বেগ উপেক্ষা করে পরিচালকেরা বলছেন, চাহিদা এমন গতিতে বাড়ছে, যা তাঁরা আগে কখনো দেখেননি। সবচেয়ে নাটকীয় পরিবর্তন ঘটছে সিঙ্গাপুরের সীমান্তের ওপারে দক্ষিণাঞ্চলীয় রাজ্য জোহরে। সিঙ্গাপুরে জমি ও জ্বালানির বাজারে সংকটের কারণে শুরুতে সেখানে কার্যক্রম ছড়িয়ে পড়লেও, তা এখন ক্লাউড ও এআই অবকাঠামোর দ্রুত বর্ধনশীল আঞ্চলিক কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে।
শিল্পখাতের পর্যবেক্ষকদের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল ডেটা সেন্টার বাজারে পরিণত হয় মালয়েশিয়া। কুশম্যান অ্যান্ড ওয়েকফিল্ডের হিসাব অনুযায়ী, ২০২৩ সালের শেষ দিক থেকে দেশটিতে চালু সক্ষমতা প্রায় ৮০ শতাংশ বেড়েছে। এদিকে, ২০২৪ সালের প্রথমার্ধে এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে নতুন সরবরাহ যুক্ত হয়েছে ১.৩ গিগাওয়াট, ফলে মোট সক্ষমতা দাঁড়িয়েছে প্রায় ১১.৬ গিগাওয়াটে। চালু, নির্মাণাধীন ও পরিকল্পনাধীন প্রকল্প হিসাব করলে, অঞ্চলজুড়ে মালয়েশিয়া এখন শীর্ষ পাঁচ বাজারের একটি। মোট বাজারের আকার অনুযায়ী জোহর ও কুয়ালালামপুর—দুই শহরই শীর্ষ দশে রয়েছে। এই খাতে সক্ষমতা বলতে স্থাপনাগুলো যে পরিমাণ বিদ্যুৎ ব্যবহার করতে পারে, তা বোঝায়; এর একক মেগাওয়াট (MW) ও গিগাওয়াট (GW)।
এআই, ক্লাউড ও ডিজিটাল সেবার চাহিদা বেড়ে যাওয়ার প্রেক্ষাপটে নির্মাতা ও গ্রাহকদের মনোভাব তুলে ধরেছেন ভ্যান্টেজ ডেটা সেন্টার্সের এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের প্রেসিডেন্ট জেরেমি ডয়েচ।






