কিম জু এ বিশ্বমঞ্চে, উত্তর কোরিয়ার সম্ভাব্য পরবর্তী নেতা হিসেবে

পড়তে 2 মিনিট
কিম জু এ বিশ্বমঞ্চে, উত্তর কোরিয়ার সম্ভাব্য পরবর্তী নেতা হিসেবে

বেইজিংয়ে সুচিন্তিত অভিষেক

চীনের বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে কিম জং উন যখন বেইজিংয়ে তাঁর সাঁজোয়া ট্রেন থেকে নামলেন, তাঁর ঠিক পেছনে দাঁড়িয়ে ছিলেন পরিচিত, অথচ রহস্যময় এক ব্যক্তি। নেভি রঙের স্যুট পরা কিশোরীটি ছিলেন তাঁর মেয়ে কিম জু এ। বড় একটি আন্তর্জাতিক অনুষ্ঠানে তাঁর উপস্থিতি ছিল উত্তর কোরিয়ার বাইরে তাঁর প্রথম উপস্থিতি। এতে ক্ষমতাসীন কিম পরিবারের মধ্যে উত্তরাধিকার নিয়ে বিতর্কও মুহূর্তেই তীব্র হয়ে ওঠে।

সূচিপত্র
  1. বেইজিংয়ে সুচিন্তিত অভিষেক
  2. কিম জু এ কে

রাষ্ট্রীয় ছবিতে দেখা যায়, বেইজিং রেলওয়ে স্টেশনে জ্যেষ্ঠ চীনা কর্মকর্তারা উত্তর কোরীয় নেতাকে স্বাগত জানানোর সময় কিম জু এ অভ্যর্থনাকারীদের সারির কাছে ছিলেন। সিউলের প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের চিফ অব স্টাফ সাই ছি এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই যখন প্রতিনিধিদলকে স্বাগত জানান, তখন কিমের পাশে তাঁকে দেখা যায়। উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম অনুষ্ঠানটির ওপর গুরুত্ব দিলেও মেয়েটির নাম জানায়নি, এমনকি তাঁর উপস্থিতির কথাও উল্লেখ করেনি। অস্পষ্টতা বজায় রেখেও স্পষ্ট বার্তা দেওয়ার এই কৌশল তাদের পরিচিত।

দক্ষিণ কোরিয়া, জাপান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের বিশ্লেষকেরা ঘটনাটিকে সুচিন্তিতভাবে সাজানো পদক্ষেপ হিসেবে দেখেছেন। গত তিন বছরে কিম জু এ দেশের অভ্যন্তরে অস্ত্র পরীক্ষা ও সামরিক কুচকাওয়াজ থেকে কূটনৈতিক দৃশ্যপটে উঠে এসেছেন। সি এবং অন্য নেতাদের সঙ্গে চীনে একটি বহুপক্ষীয় সমাবেশে তাঁকে নিয়ে যাওয়াকে অভ্যন্তরীণ বার্তার সঙ্গে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি মেলানোর চেষ্টা বলে মনে হয়েছে। কিম পরিবারকে পবিত্র রক্তধারা হিসেবে দেখার দীর্ঘ ঐতিহ্য রয়েছে উত্তর কোরিয়ায়। বিদেশে বড় অনুষ্ঠানে উপস্থিতি সম্ভাব্য উত্তরসূরির মর্যাদা প্রতিষ্ঠার প্রমাণ হিসেবেও কাজ করতে পারে।

কিম জু এ কে

নির্ভরযোগ্য তথ্য খুবই সীমিত। দক্ষিণ কোরিয়ার জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থার (এনআইএস) ধারণা, কিম জং উন ও তাঁর স্ত্রী রি সল জুর তিন সন্তানের মধ্যে তিনি দ্বিতীয় এবং তাঁর বয়স প্রায় ১২ বা ১৩ বছর। ২০১৩ সালে বিশ্ব প্রথম তাঁর নাম জানতে পারে। সে সময় সাবেক এনবিএ তারকা ডেনিস রডম্যান পিয়ংইয়ংয়ে কিম পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাতের সময় জু এ নামের এক শিশুকন্যাকে কোলে নেওয়ার কথা বলেছিলেন। উত্তর কোরিয়ার পক্ষ থেকে এ বিষয়ে নিশ্চিত করতে প্রায় এক দশক কেটে যায়। এরপর ২০২২ সালের নভেম্বরে আন্তমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের সময় রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম এক কন্যাকে সামনে আনে। দক্ষিণ কোরীয় কর্মকর্তারা তাঁকে কিম জু এ হিসেবে শনাক্ত করেন।

২০২৩ সালে জনসমক্ষে তাঁর পরিচিতি দ্রুত বাড়ে। তিনি সামরিক কুচকাওয়াজে অংশ নেন, ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা ও কারখানা পরিদর্শনের সময় বাবার পাশে দাঁড়ান এবং স্মারক ডাকটিকিটেও দেখা দেন। উত্তর কোরীয় সংবাদমাধ্যম তাঁকে নেতার

এই নিবন্ধটি শেয়ার করুন

আপনার পছন্দ হতে পারে