২০২৫ চীন মৌলিক লোকগীতি উৎসব: চিলেচুয়ান তৃণভূমিতে ঐতিহ্য ও সম্প্রীতির উদ্‌যাপন

পড়তে 6 মিনিট
Folk song event opens in Hohhot - Chinadaily.com.cn

হোহোতে শুরু হলো ২০২৫ চীন মৌলিক লোকগীতি উৎসব

সংস্কৃতি ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে অনুষ্ঠিত বড় আয়োজন ২০২৫ চীন মৌলিক লোকগীতি উৎসব ৩ জুলাই ইনার মঙ্গোলিয়া স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলের রাজধানী হোহোতে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে। মনোরম ও সাংস্কৃতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ চিলেচুয়ান তৃণভূমির বিস্তৃত পটভূমিতে উৎসবটির সূচনা হয়েছিল রাখালদের গানের মোহনীয় সুরে। এতে শুরু থেকেই দর্শকেরা এ অঞ্চলের সমৃদ্ধ সংগীতঐতিহ্যে মগ্ন হন। এ বছরের উৎসব চীনা লোকসংগীতের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত, যেখানে শিল্পী, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য এবং ক্রমবর্ধমান আন্তর্জাতিক দর্শকসমাগম একত্র হয়েছে।

সূচিপত্র
  1. হোহোতে শুরু হলো ২০২৫ চীন মৌলিক লোকগীতি উৎসব
  2. উৎসবটি কেন অনন্য?
  3. ইনার মঙ্গোলিয়া: লোকসংগীতের আঁতুড়ঘর
  4. আঞ্চলিক পর্যটন ও সাংস্কৃতিক পুনর্জাগরণের প্রেক্ষাপটে লোকগীতি উৎসব
  5. অবস্তুগত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণ
  6. তৃণভূমির অন্যান্য উৎসবের সঙ্গে তুলনা
  7. উল্লেখযোগ্য শিল্পী ও চীনা লোকসংগীতের বিবর্তন
  8. বৃহত্তর তাৎপর্য: সাংস্কৃতিক কূটনীতি হিসেবে সংগীত
  9. সংক্ষেপে

উৎসবটি কেন অনন্য?

চীন মৌলিক লোকগীতি উৎসব কেবল ধারাবাহিক কনসার্ট নয়; এটি দেশটির বৈচিত্র্যময় সংগীতঐতিহ্যের দ্বিবার্ষিক উদ্‌যাপন। ২০১৯ সালে প্রথম আয়োজনের পর থেকেই উৎসবটি চীনের দেশজ লোকসংগীত সংরক্ষণ ও প্রসারের অন্যতম প্রধান মঞ্চ হয়ে উঠেছে। ২০২৫ সালের আয়োজনে চীনের বিভিন্ন স্থান থেকে ৬৫টি দল ও প্রায় ৪০০ শিল্পী অংশ নিচ্ছেন। তাঁদের পরিবেশনায় উঠে আসছে নানা জাতিগোষ্ঠী ও সংগীতধারার বৈচিত্র্য। উৎসবে জাতীয় পর্যায়ের ৪২টি এবং প্রাদেশিক পর্যায়ের ২৩টি অবস্তুগত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য অন্তর্ভুক্ত হয়েছে, যা এটিকে চীনের লোকঐতিহ্যের এক জীবন্ত জাদুঘরে পরিণত করেছে।

উৎসবের মূল ভিত্তি হলো শিল্পরূপের স্বকীয়তা। শিল্পীরা কণ্ঠসংগীত ও ঐতিহ্যবাহী বাদ্যযন্ত্রের মাধ্যমে জীবন ও জন্মভূমির প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ করেন। বিভিন্ন অঞ্চলের লোকগানের স্বতন্ত্র আকর্ষণ তুলে ধরা দলীয় ও একক পরিবেশনা দর্শকদের মুগ্ধ করে। চিলেচুয়ান তৃণভূমিতে অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সুর ও প্রকৃতির এক সুমধুর আবহ তৈরি হয়; প্রাকৃতিক পরিবেশ সংগীতের রাখালিয়া সৌন্দর্যকে আরও উজ্জ্বল করে তোলে।

বিজ্ঞাপন

ইনার মঙ্গোলিয়া: লোকসংগীতের আঁতুড়ঘর

হোহোত এবং ইনার মঙ্গোলিয়ার আশপাশের তৃণভূমি দীর্ঘদিন ধরেই চীনা লোকসংগীতের আঁতুড়ঘর হিসেবে পরিচিত। এ অঞ্চলের সংগীতঐতিহ্য যাযাবর ইতিহাস, বিস্তীর্ণ প্রাকৃতিক দৃশ্য এবং বহু জাতিগোষ্ঠীর মানুষের জীবনের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত। উদাহরণস্বরূপ, ঐতিহ্যবাহী মঙ্গোলীয় সংগীতে মরিন খুর (ঘোড়ার মাথার আকৃতির বেহালা), খুমি (কণ্ঠনালি দিয়ে সৃষ্ট গায়ন) এবং উর্তিন দু (দীর্ঘ গান) ব্যবহারের বৈশিষ্ট্য রয়েছে। এসব সুরে তৃণভূমির প্রাণ এবং সেখানকার মানুষের সংগ্রাম করে টিকে থাকার শক্তি ফুটে ওঠে।

হোহোতে গড়ে ওঠা আন্দা ইউনিয়নের মতো আধুনিক ব্যান্ড এ সংগীতকে আন্তর্জাতিক শ্রোতাদের কাছে পৌঁছে দিয়েছে। যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশের শহরে তারা পরিবেশনা করেছে। তাদের লক্ষ্য পুরোনো গান নতুন করে খুঁজে বের করা ও ব্যাখ্যা করা, যাতে তৃণভূমির গল্প ও সুর সময়ের সঙ্গে হারিয়ে না যায়। ব্যান্ডটির প্রধান সংগীতশিল্পী নারস বলেন, “আমরা সবাই চেঙ্গিস খান, মঙ্গোল উপজাতির মানুষ এবং ভালোবাসা, ভ্রাতৃত্ব ও সাহস নিয়ে বলা নানা লোককাহিনি শুনে বড় হয়েছি। এগুলোই আমাদের সম্পদ।”

ঐতিহ্য ও উদ্ভাবনের এই মেলবন্ধন দেখা যায় সমসাময়িক নাইন ট্রেজারসের মতো ব্যান্ডের মধ্যেও। লোকধাতব সংগীতের এ দলটি মঙ্গোলীয় বাদ্যযন্ত্রের সঙ্গে আধুনিক রক মিশিয়ে ইনার মঙ্গোলীয় সংগীতের অভিযোজনক্ষমতা ও দীর্ঘস্থায়ী আকর্ষণ তুলে ধরে।

বিজ্ঞাপন

আঞ্চলিক পর্যটন ও সাংস্কৃতিক পুনর্জাগরণের প্রেক্ষাপটে লোকগীতি উৎসব

ইনার মঙ্গোলিয়াকে সাংস্কৃতিক ও পরিবেশবান্ধব পর্যটনের অন্যতম প্রধান গন্তব্য হিসেবে প্রতিষ্ঠার বৃহত্তর উদ্যোগের অংশ ২০২৫ সালের উৎসব। “ইনার মঙ্গোলিয়ায় সংগীতভ্রমণ” শিরোনামের এ অঞ্চলের বসন্তকালীন পর্যটন কর্মসূচিতে ছয়টি বিষয়ভিত্তিক বিভাগে ২১৯টি সাংস্কৃতিক ও পর্যটন আয়োজন রয়েছে। এর মধ্যে আছে উন্মুক্ত প্রাঙ্গণে কনসার্ট, ঐতিহ্যবাহী কারুশিল্পের কর্মশালা এবং এমন অংশগ্রহণমূলক অভিজ্ঞতা, যেখানে দর্শকেরা ঘোড়ার মাথার বেহালা তৈরি ও মঙ্গোলীয় সূচিশিল্পের মতো স্থানীয় ঐতিহ্যে অংশ নিতে পারেন।

সংগীত, ঐতিহ্য ও প্রকৃতিকে একসূত্রে গেঁথে ইনার মঙ্গোলিয়ার পর্যটন কৌশল নিছক দর্শনীয় স্থান দেখা থেকে পর্যটকদের সক্রিয়ভাবে সংস্কৃতির গল্পে যুক্ত করতে চায়। পশুপালকদের সঙ্গে হুলুনবুইরে ভেড়ার পশম কাটায় অংশ নেওয়া থেকে শুরু করে হলুদ নদীর তীরে পূর্বপুরুষদের আচার তুলে ধরা সরাসরি অভিনীত নাটক দেখা—সহস্র বছরের ঐতিহ্যের সঙ্গে যুক্ত হতে পর্যটকদের উৎসাহিত করা হচ্ছে। বসন্তের ফুল, পাহাড়ি উপত্যকা ও দূষণমুক্ত রাতের আকাশে ফুটে ওঠা এ অঞ্চলের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এসব সাংস্কৃতিক আয়োজনের পটভূমি ও অনুপ্রেরণা—দুই-ই জোগায়।

এই সামগ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি চীনে পর্যটন ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর অংশগ্রহণ বাড়াতে অবস্তুগত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে কাজে লাগানোর জাতীয় প্রবণতার প্রতিফলন। শিল্পরূপের স্বকীয়তা ও অংশগ্রহণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া লোকগীতি উৎসব এ কৌশলেরই উদাহরণ। এর মাধ্যমে স্থানীয় মানুষ ও দর্শক—দু’পক্ষই তৃণভূমির জীবন্ত ঐতিহ্যের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার সুযোগ পান।

বিজ্ঞাপন

অবস্তুগত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণ

উৎসবের ব্যাপ্তি ও পরিসর থেকে অবস্তুগত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণে চীনের অঙ্গীকার স্পষ্ট। আয়োজনে পরিবেশিত অনেক কিছুই জাতীয় বা প্রাদেশিক ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃত। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য ঐতিহ্যবাহী শিল্পরূপ রক্ষার সরকারি উদ্যোগের আওতায় এগুলো সংরক্ষিত। এর মধ্যে শুধু সংগীত নয়, রয়েছে নৃত্য, কারুশিল্প এবং বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর পরিচয়ের অবিচ্ছেদ্য অংশ গল্প বলার ঐতিহ্যও।

মানবতার অবস্তুগত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের প্রতিনিধি তালিকায় চীনা বসন্ত উৎসবের অন্তর্ভুক্তি এ ধরনের উদ্যোগের গুরুত্ব তুলে ধরে। বসন্ত উৎসবের মতোই লোকগীতি উৎসব সম্প্রীতি, সমৃদ্ধি ও নবায়নের মতো মূল্যবোধ ছড়িয়ে দেওয়ার একটি মঞ্চ—যেসব মূল্যবোধ বিভিন্ন সংস্কৃতি ও প্রজন্মের মানুষের কাছে সমানভাবে তাৎপর্যপূর্ণ।

বিশেষজ্ঞ ও সাংস্কৃতিক নেতারা সামাজিক সংহতি এবং ঐতিহ্য নিয়ে গর্ববোধ জাগাতে উৎসবের ভূমিকার ওপর জোর দেন। বানিয়া লুকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউটের পরিচালক লিলিয়ানা স্তেভিচ বলেন, “ঐতিহ্যবাহী খাবার তৈরি, লাল লণ্ঠন ঝোলানো এবং সিংহ ও ড্রাগনের নাচসহ প্রাণবন্ত পরিবেশনার মতো নানা রীতিতে উৎসবটি উদ্‌যাপিত হয়। ইতিহাসের গভীরে প্রোথিত এসব চর্চায় সম্প্রীতি, সমৃদ্ধি ও নবায়নের মূল্যবোধ প্রতিফলিত হয়।”

বিজ্ঞাপন

তৃণভূমির অন্যান্য উৎসবের সঙ্গে তুলনা

যাযাবর সংস্কৃতি ও শৈল্পিক ঐতিহ্য উদ্‌যাপনে ইনার মঙ্গোলিয়ায় বেশ কয়েকটি বড় উৎসব হয়। উদাহরণস্বরূপ, নাদাম উৎসব পাঁচ দিনের আয়োজন, যেখানে ঘোড়দৌড়, কুস্তি ও তীরন্দাজি—যা “পুরুষদের তিন খেলা” নামে পরিচিত—অনুষ্ঠিত হয়। লোকগীতি উৎসবের মতো নাদামও ইউনেস্কোর অবস্তুগত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের তালিকাভুক্ত এবং এ অঞ্চলের বাসিন্দাদের জন্য এক আত্মিক উৎসব।

নাদামে শারীরিক দক্ষতা ও প্রাচীন সামরিক কৌশলের ওপর জোর দেওয়া হলেও লোকগীতি উৎসবের কেন্দ্রবিন্দু সংগীতের প্রকাশ এবং মৌখিক ঐতিহ্য সংরক্ষণ। তবে দুই উৎসবেরই অভিন্ন লক্ষ্য: তৃণভূমির মানুষের প্রাণশক্তি ও সৃজনশীলতাকে উদ্‌যাপন করা এবং তাঁদের গল্প নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়া।

উল্লেখযোগ্য শিল্পী ও চীনা লোকসংগীতের বিবর্তন

প্রতিষ্ঠিত তারকা থেকে শুরু করে উদীয়মান প্রতিভা—বিভিন্ন ধরনের শিল্পী এ উৎসবে অংশ নেন। উল্লেখযোগ্য শিল্পীদের একজন ওয়েই ওয়েই। হোহোতে জন্ম নেওয়া ঝুয়াং জাতিগোষ্ঠীর এই খ্যাতনামা গায়িকার কণ্ঠ গভীর ও অনুরণনময়। ঐতিহ্যবাহী গানের অনন্য ব্যাখ্যার জন্য তিনি চীনা সংগীতের জনপ্রিয় শিল্পী হয়ে উঠেছেন। আটলান্টা অলিম্পিকের মতো বড় আন্তর্জাতিক অনুষ্ঠানে পরিবেশনাসহ তাঁর কর্মজীবন চীনা লোকসংগীতের বিশ্বব্যাপী প্রসারের দৃষ্টান্ত।

সমসাময়িক শিল্পীরা ধারাটিতে নতুনত্ব আনার পাশাপাশি ঐতিহ্যবাহী বাদ্যযন্ত্রের সঙ্গে আধুনিক সংগীতরীতির মেলবন্ধন ঘটাচ্ছেন। নাইন ট্রেজারস ও লিবারেশন ব্যান্ড ধাতব সংগীত ও রকের উপাদান এনেছে, একই সঙ্গে মঙ্গোলীয় লোকসংগীতের সুর ও বিষয়বস্তু থেকেও অনুপ্রেরণা নিয়েছে। এ বিবর্তনের ফলে চীনে ও বিদেশে তরুণ শ্রোতাদের কাছে লোকসংগীতের ঐতিহ্য প্রাসঙ্গিক ও সহজলভ্য থাকছে।

বিজ্ঞাপন

বৃহত্তর তাৎপর্য: সাংস্কৃতিক কূটনীতি হিসেবে সংগীত

চীন মৌলিক লোকগীতি উৎসব শুধু সংগীতের উদ্‌যাপন নয়; এটি সাংস্কৃতিক কূটনীতিরও একটি মাধ্যম। চীনা লোকঐতিহ্যের বৈচিত্র্য ও প্রাণশক্তি তুলে ধরে উৎসবটি বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর মধ্যে এবং চীন ও বিশ্বের মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়া ও শ্রদ্ধা বাড়ায়। আন্তর্জাতিক সহযোগিতা, সফর ও গণমাধ্যমের খবর ইনার মঙ্গোলিয়াকে—এবং আরও বিস্তৃতভাবে চীনকে—সাংস্কৃতিক উদ্ভাবন ও বিনিময়ের কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠায় সহায়তা করে।

বিশ্ব যত বেশি পরস্পর-সংযুক্ত হচ্ছে, অবস্তুগত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণ ও প্রসারের গুরুত্বও তত বাড়ছে। হোহোতের এ ধরনের উৎসব মনে করিয়ে দেয়, বিভেদ দূর করতে, সৃজনশীলতায় অনুপ্রেরণা জোগাতে এবং পরিবর্তনের সময়ে জনগোষ্ঠীর বন্ধন অটুট রাখতে সংগীত কতটা শক্তিশালী ভূমিকা রাখতে পারে।

সংক্ষেপে

  • ২০২৫ চীন মৌলিক লোকগীতি উৎসব ৩ জুলাই ইনার মঙ্গোলিয়ার হোহোতে শুরু হয়েছে; এতে দেশের বৈচিত্র্যময় সংগীতঐতিহ্য উদ্‌যাপন করা হচ্ছে।
  • উৎসবে ৬৫টি দল ও প্রায় ৪০০ শিল্পী অংশ নিচ্ছেন। তাঁদের পরিবেশনায় জাতীয় পর্যায়ের ৪২টি এবং প্রাদেশিক পর্যায়ের ২৩টি অবস্তুগত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য তুলে ধরা হচ্ছে।
  • চিলেচুয়ান তৃণভূমিতে আয়োজিত এ উৎসবে এ অঞ্চলের গভীর সংগীতঐতিহ্য এবং চীনা লোকসংগীতের আঁতুড়ঘর হিসেবে এর ভূমিকা তুলে ধরা হয়েছে।
  • সংগীত, ঐতিহ্য ও প্রকৃতিকে একত্র করে ইনার মঙ্গোলিয়ায় সাংস্কৃতিক ও পরিবেশবান্ধব পর্যটন প্রসারের বৃহত্তর কর্মসূচির অংশ এ উৎসব।
  • অবস্তুগত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণের উদ্যোগ উৎসবটির মূল ভিত্তি; এর পরিবেশনাগুলো জাতীয় ও আন্তর্জাতিক—উভয় পর্যায়ে স্বীকৃত।
  • ওয়েই ওয়েইয়ের মতো উল্লেখযোগ্য শিল্পী এবং আন্দা ইউনিয়ন ও নাইন ট্রেজারসের মতো উদ্ভাবনী ব্যান্ড চীনা লোকসংগীতের বিবর্তন ও বিশ্বব্যাপী প্রসার তুলে ধরে।
  • চীনের সমৃদ্ধ শৈল্পিক ঐতিহ্য নিয়ে বোঝাপড়া ও গর্ববোধ জাগাতে সাংস্কৃতিক কূটনীতির মঞ্চ হিসেবে কাজ করছে এ উৎসব।
এই নিবন্ধটি শেয়ার করুন

আপনার পছন্দ হতে পারে