ভুটানের শহর-গ্রাম বৈষম্য: ২০২৫ সালের খানা ভোগ ও ব্যয় জরিপের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
ভুটানের জাতীয় পরিসংখ্যান ব্যুরো (এনএসবি) প্রকাশিত সর্বশেষ খানা ভোগ ও ব্যয় জরিপ (এইচসিইএস) ২০২৫-এ ভুটানি পরিবারগুলো কীভাবে অর্থ ব্যয় করে তার একটি স্পষ্ট চিত্র উঠে এসেছে। এতে শহর ও গ্রামের মানুষের মধ্যে ক্রমবর্ধমান ব্যবধানও তুলে ধরা হয়েছে। ভুটানে এ ধরনের প্রথম জরিপটি আন্তর্জাতিক COICOP 2018 কাঠামোর ভিত্তিতে পরিচালিত হয়েছে। ২০৩৪ সালের মধ্যে উচ্চ-আয়ের মোট জাতীয় সুখ (জিএনএইচ) অর্থনীতি হয়ে ওঠার লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে চলা দেশটির নীতিনির্ধারক, অর্থনীতিবিদ ও সাধারণ মানুষের জন্য জরিপটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সরবরাহ করে।
সূচিপত্র
- ভুটানের শহর-গ্রাম বৈষম্য: ২০২৫ সালের খানা ভোগ ও ব্যয় জরিপের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
- ভুটানি পরিবারগুলোর ব্যয় কত?
- শহর-গ্রাম ব্যয়ের ব্যবধানের কারণ কী?
- খাদ্য ও খাদ্যবহির্ভূত ব্যয়: ভুটানি পরিবারগুলোর বাজেটের অগ্রাধিকার
- আবাসন, ইউটিলিটি ও ডিজিটাল বৈষম্য
- পরিবহন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য: শহুরে জীবনযাত্রায় ব্যয় বেশি
- বিশেষ উপলক্ষ, সংস্কৃতি ও আধ্যাত্মিকতা
- নীতি ও উন্নয়নে এর তাৎপর্য
- সংক্ষেপে
২০টি জংখাগ (জেলা) জুড়ে ৫,৮৮৩টি পরিবারের কাছ থেকে নেওয়া উত্তরভিত্তিক এইচসিইএস ২০২৫ মোট ১,৫৯,৮০৮টি পরিবার ও ৫,৯২,৫৯৮ জনসংখ্যার প্রতিনিধিত্ব করে। জরিপের তথ্যে ভুটানের শহর ও গ্রামের মধ্যে অর্থনৈতিক বৈষম্যের পাশাপাশি ভোগ, আবাসন ও সেবাপ্রাপ্তির পরিবর্তিত ধরনও উঠে এসেছে, যা দেশটির সামাজিক কাঠামোকে নতুন রূপ দিচ্ছে।
ভুটানি পরিবারগুলোর ব্যয় কত?
এইচসিইএস ২০২৫-এর সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য তথ্যগুলোর একটি হলো শহর ও গ্রামের পরিবারের ব্যয়ের বড় পার্থক্য। ভুটানি পরিবারগুলো গড়ে মাসে ৫৪,৩৮৭ নু ব্যয় করে। তবে শহরের পরিবারগুলো গ্রামের পরিবারের তুলনায় প্রায় ৪৬% বেশি ব্যয় করে। শহরের পরিবারের গড় মাসিক ব্যয় ৬৭,৬১৬ নু, যেখানে গ্রামের পরিবারগুলোর ব্যয় ৪৬,৩৩১ নু। মাথাপিছু ব্যয়ের ক্ষেত্রে ব্যবধান আরও স্পষ্ট: শহরের বাসিন্দারা মাসে জনপ্রতি ২২,১৬৮ নু ব্যয় করেন, আর গ্রামের বাসিন্দারা ব্যয় করেন ১৪,৫৫০ নু।
জেলাভিত্তিক হিসাবে, পরিবারের গড় ব্যয়ে থিম্পু সবার ওপরে (৭৩,৬৩২ নু), আর সবচেয়ে কম ব্যয় ট্রাশিয়াংৎসেতে (২৬,৯৩৪ নু)। মাথাপিছু ব্যয়ে পারো ও থিম্পু প্রায় সমানভাবে শীর্ষে, দুই জেলাতেই ব্যয় ২৪,০০০ নুর সামান্য বেশি। অন্যদিকে, ট্রাশিয়াংৎসে অনেক পিছিয়ে, সেখানে মাথাপিছু ব্যয় ৯,০২৫ নু।
এই বৈষম্য শুধু আয় ও জীবনযাত্রার ব্যয়ের পার্থক্যই নয়, ভুটানের শহরাঞ্চলে চলমান বৃহত্তর অর্থনৈতিক রূপান্তরেরও প্রতিফলন।
শহর-গ্রাম ব্যয়ের ব্যবধানের কারণ কী?
ভুটানে শহর-গ্রাম বিভাজনটি আয়, পরিবারের আকার, সেবাপ্রাপ্তি ও জীবনযাত্রার পার্থক্যসহ নানা বিষয়ের জটিল মিথস্ক্রিয়ায় গড়ে উঠেছে। এইচসিইএস ২০২৫-এর তথ্য অনুযায়ী, শহরের পরিবারগুলো সাধারণত গ্রামের পরিবারের তুলনায় ছোট (গড়ে ৩.৬ জন, গ্রামের পরিবারে ৩.৮ জন)। আবার ধনী পরিবারগুলোর সদস্যসংখ্যা আরও কম (সর্বোচ্চ আয়ের পঞ্চমাংশে ২.৬ জন, সর্বনিম্ন পঞ্চমাংশে ৪.৮ জন)। ফলে শহরের ও সচ্ছল পরিবারের সদস্যদের হাতে ব্যয়ের জন্য বেশি অর্থ থাকে, যা মাথাপিছু ব্যয়ের ব্যবধান আরও বাড়ায়।
আয়বৈষম্যও স্পষ্ট। আয়ের দিক থেকে শীর্ষ ২০% পরিবারের গড় মাসিক ব্যয় ৯৬,৯৯৮ নু, যা সর্বনিম্ন ২০% পরিবারের ২৫,৮৬২ নুর প্রায় চার গুণ। মাথাপিছু হিসাবে সবচেয়ে ধনী পরিবারগুলোর ব্যয় ৪০,০০০ নুর বেশি, যেখানে সবচেয়ে দরিদ্রদের ব্যয় মাত্র ৫,৫৪৫ নু। ক্রমবর্ধমান এই বৈষম্য নীতিনির্ধারকদের জন্য একটি বড় উদ্বেগ, কারণ এটি সামাজিক সংহতি ও ন্যায্য উন্নয়নে প্রভাব ফেলে।
খাদ্য ও খাদ্যবহির্ভূত ব্যয়: ভুটানি পরিবারগুলোর বাজেটের অগ্রাধিকার
ভুটানে পরিবারের ব্যয়ের বড় অংশজুড়ে রয়েছে খাদ্য। মোট ব্যয়ের ৪০.৫% খাদ্যে খরচ হয় (মাথাপিছু মাসিক ৭,০৬৯ নু)। তবে আয় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মোট ব্যয়ের মধ্যে খাদ্যের অংশ কমে যায়। বিশ্বজুড়ে দেখা এই প্রবণতিকে এনগেলের সূত্র দিয়ে ব্যাখ্যা করা হয়: পরিবারের আয় বাড়লে খাবারের পেছনে ব্যয়ের অনুপাত কমে, যদিও খাবারের প্রকৃত ব্যয় বাড়তে পারে।
শহরের পরিবারগুলো গ্রামের পরিবারের তুলনায় খাদ্যে মোট অঙ্কে বেশি ব্যয় করে (পরিবারপ্রতি ২৩,৭২৮ নু; মাথাপিছু ৯,১২৬ নু, যেখানে গ্রামের পরিবারে যথাক্রমে ১৭,১৯৪ নু ও ৫,৮১৬ নু)। তবে তাদের সামগ্রিক বাজেটে খাদ্যের অংশ তুলনামূলক কম। ধনী পরিবারগুলো ব্যয়ের মাত্র ৩৪.৯% খাদ্যে খরচ করে, যেখানে দরিদ্রতম পরিবারগুলোর ক্ষেত্রে এই হার ৪৯.১%।
খাদ্য ব্যয়ের মধ্যে শস্য ও শস্যজাত পণ্যের অংশ সবচেয়ে বেশি (২১.৪%)। এরপর রয়েছে দুগ্ধজাত পণ্য ও তেল (১৯.৫%), শাকসবজি (১৫.৫%) এবং মাংস ও মাছ (১২.৯%)। গ্রামের পরিবারগুলো শস্যের মতো প্রধান খাদ্যে তুলনামূলক বেশি ব্যয় করে, আর শহরের ভোক্তারা মাংস ও দুগ্ধজাত পণ্যের মতো প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবারে বেশি খরচ করেন। আঞ্চলিক খাদ্যাভ্যাস ও অর্থনৈতিক অবস্থারও প্রভাব রয়েছে। যেমন, জেলাভেদে শস্যে ব্যয়ের বড় পার্থক্য দেখা যায়: ত্রোংসায় ১০,৩৭১ নু, আর সামদ্রুপজংখারে ২,৮১১ নু।
আবাসন, ইউটিলিটি, পরিবহন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতের ব্যয়সহ খাদ্যবহির্ভূত ব্যয় মোট ব্যয়ের ৫৯.৫% (মাথাপিছু মাসিক ১০,৩৬৫ নু)। শহরের পরিবারগুলো খাদ্যবহির্ভূত পণ্যে গ্রামের পরিবারগুলোর তুলনায় অনেক বেশি ব্যয় করে (পরিবারপ্রতি ৪০,২৯৯ নু; মাথাপিছু ১৩,০৪২ নু, যেখানে গ্রামের পরিবারে যথাক্রমে ২৭,৫৮৩ নু ও ৮,৭৩৫ নু)। জীবনযাত্রা, সেবাপ্রাপ্তি ও ভোগের অগ্রাধিকারের পার্থক্য এর কারণ।
আবাসন, ইউটিলিটি ও ডিজিটাল বৈষম্য
বিশেষত শহরাঞ্চলে খাদ্যবহির্ভূত ব্যয়ের বড় চালিকা শক্তি আবাসন। শহরের প্রায় ৬৭% পরিবার অ্যাপার্টমেন্টে থাকে। অন্যদিকে, গ্রামের ৮২%-এর বেশি পরিবার আলাদা বাড়িতে বসবাস করে। গ্রামাঞ্চলে বাড়ির মালিকানার হার অনেক বেশি (৭৫.৮%), শহরাঞ্চলে যা মাত্র ১৬%। এর পেছনে সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের পাশাপাশি শহরের আবাসনবাজারের বাস্তবতাও কাজ করে।
শহরে আবাসন ব্যয় অনেক বেশি, মাসে গড়ে ৯,২৮৩ নু। থিম্পু ও ফুয়েনশোলিংয়ে এ ব্যয় সবচেয়ে বেশি। অন্যদিকে, গ্রামের পরিবারগুলোর বাড়িঘর রক্ষণাবেক্ষণে ব্যয় বেশি হলেও তাদের বাড়ির মালিকানার হারও বেশি।
বিদ্যুৎপ্রাপ্তি প্রায় সর্বজনীন (৯৯.৬%), আর সারা দেশে রান্নার প্রধান জ্বালানি বিদ্যুৎ ও এলপিজি। তবে শহরের পরিবারগুলো বিদ্যুতে বেশি ব্যয় করে, আর গ্রামের পরিবারগুলো কাঠের জ্বালানির ওপর বেশি নির্ভরশীল। এতে অবকাঠামোগত ব্যবধান এখনো রয়ে যাওয়ার বিষয়টি স্পষ্ট হয়।
ডিজিটাল বৈষম্যও উদ্বেগের আরেকটি ক্ষেত্র। সফটওয়্যার ও মোবাইল ডেটাসহ তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তিতে (আইসিটি) শহরের পরিবারগুলোর ব্যয় গ্রামের গড় ব্যয়ের প্রায় দ্বিগুণ। ডিজিটাল সেবা ব্যবহারের সুযোগ ও ব্যয়ের এই ব্যবধান শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও সামাজিক অন্তর্ভুক্তিতে প্রভাব ফেলে, বিশেষ করে ভুটান যখন আধুনিকায়নের পথে এগোচ্ছে।
পরিবহন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য: শহুরে জীবনযাত্রায় ব্যয় বেশি
বিশেষত শহরাঞ্চলে পরিবহন ব্যয় বাড়ছে। শহরের পরিবারগুলো যানবাহন কেনা ও গণপরিবহনে বেশি ব্যয় করে। থিম্পু থ্রমদেতে পরিবহন খাতে মাসিক ব্যয় ৭৩,০৩৫ নু পর্যন্ত পৌঁছেছে। অন্যদিকে, গ্রামের পরিবারগুলো যানবাহন রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিচালনায় বেশি ব্যয় করে, যা চলাচলের চাহিদা ও অবকাঠামোগত পার্থক্যকে প্রতিফলিত করে।
শহরের পরিবারগুলোতে শিক্ষাব্যয় গ্রামের পরিবারের প্রায় দ্বিগুণ। শিক্ষা-সংশ্লিষ্ট মোট ব্যয়ের প্রায় অর্ধেকই উচ্চশিক্ষায় খরচ হয়। শহরাঞ্চলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে তুলনামূলক সহজ প্রবেশাধিকার এবং শহুরে পরিবারের উচ্চতর আকাঙ্ক্ষা এর পেছনে কাজ করে।
শহরাঞ্চলে স্বাস্থ্যসেবায় ব্যয়ও বেশি, কারণ সেখানকার পরিবারগুলোর চিকিৎসাকেন্দ্র ও সেবায় প্রবেশাধিকার ভালো। গ্রামের পরিবারগুলো ওষুধ ও ঐতিহ্যবাহী চিকিৎসাপদ্ধতির ওপর বেশি নির্ভর করে। উল্লেখযোগ্যভাবে, নারীপ্রধান পরিবারগুলো স্বাস্থ্য, শিক্ষা, আইসিটি ও ব্যক্তিগত পরিচর্যায় বেশি ব্যয় করে। ভোগের অগ্রাধিকার নির্ধারণে লিঙ্গের ভূমিকা এতে স্পষ্ট হয়।
বিশেষ উপলক্ষ, সংস্কৃতি ও আধ্যাত্মিকতা
ভুটানি পরিবারগুলো পারিবারিক বিশেষ উপলক্ষ, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড ও আধ্যাত্মিক ভ্রমণেও (নেকোর) উল্লেখযোগ্য অর্থ ব্যয় করে। নেকোরে জাতীয় গড় মাসিক ব্যয় ৪,০৭২ নু। সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় ভ্রমণে নারীপ্রধান পরিবারগুলোর ব্যয় সবচেয়ে বেশি। গ্রামের পরিবারগুলো বাগান ও পোষা প্রাণীর পরিচর্যায় বেশি ব্যয় করে, আর শহরের পরিবারগুলো বিনোদনমূলক সেবায় বেশি বিনিয়োগ করে।
দ্রুত অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিবর্তনের মধ্যেও ভুটানি জীবনে ঐতিহ্য, সমাজ ও আধ্যাত্মিকতার স্থায়ী গুরুত্ব এই ব্যয়ের ধরনগুলোতে প্রতিফলিত হয়।
নীতি ও উন্নয়নে এর তাৎপর্য
এইচসিইএস ২০২৫ শুধু একটি পরিসংখ্যানগত জরিপ নয়, এটি তথ্যভিত্তিক নীতিনির্ধারণের একটি গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার। ভুটানি পরিবারগুলো কীভাবে তাদের সম্পদ ব্যয় করে সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য দিয়ে জরিপটি জিডিপি হিসাব, ভোক্তা মূল্যসূচক (সিপিআই) হালনাগাদ এবং বৈষম্য মোকাবিলা ও অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধি উৎসাহিত করতে লক্ষ্যভিত্তিক উদ্যোগ প্রণয়নে সরকারকে সহায়তা করে।
এনএসবির উপপ্রধান পরিসংখ্যান কর্মকর্তা সোনাম তোবগে নিয়মিত জরিপের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন:
নিয়মিত খানা ভোগ ও ব্যয় জরিপের ফলে পরিবারের ভোগের আরও ভালো প্রাক্কলন করা যাবে, যা জিডিপির উন্নত হিসাবের জন্য সহায়ক; ব্যয়ভিত্তিক জিডিপির প্রধান উপাদানগুলোর একটি এটি।
২০৩৪ সালের মধ্যে উচ্চ-আয়ের জিএনএইচ অর্থনীতি হওয়ার লক্ষ্য অর্জনে এগিয়ে চলা ভুটানের জন্য পরিবারের ভোগ ও ব্যয়ের পরিবর্তন পর্যবেক্ষণ করা অগ্রগতি পরিমাপ এবং সমাজের সব অংশ যাতে প্রবৃদ্ধির সুফল পায় তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ হবে।
সংক্ষেপে
- ভুটানে শহরের পরিবারগুলো গ্রামের পরিবারের তুলনায় মাসে প্রায় ৪৬% বেশি ব্যয় করে। মোট ও মাথাপিছু ব্যয়, দুই ক্ষেত্রেই উল্লেখযোগ্য বৈষম্য রয়েছে।
- আয়বৈষম্য বাড়ছে। সবচেয়ে ধনী পরিবারগুলোর মাথাপিছু ব্যয় দরিদ্রতম পরিবারগুলোর তুলনায় সাত গুণ পর্যন্ত বেশি।
- পরিবারের ব্যয়ের ৪০.৫% খাদ্যে খরচ হয়, তবে আয় বাড়লে এই অংশ কমে। শহরের পরিবারগুলো প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবারে বেশি ব্যয় করে, আর গ্রামের পরিবারগুলোর অগ্রাধিকার প্রধান খাদ্যশস্য।
- আবাসন, ইউটিলিটি, পরিবহন ও আইসিটিসহ খাদ্যবহির্ভূত ব্যয় শহরাঞ্চলে অনেক বেশি, যা জীবনযাত্রা ও সেবাপ্রাপ্তির পার্থক্যকে তুলে ধরে।
- গ্রামাঞ্চলে বাড়ির মালিকানা অনেক বেশি। শহরের পরিবারগুলোকে আবাসনের জন্য বেশি ব্যয় করতে হয় এবং তাদের অ্যাপার্টমেন্টে থাকার সম্ভাবনাও বেশি।
- ডিজিটাল বৈষম্য এখনো রয়েছে; শহরের পরিবারগুলো প্রযুক্তি ও সংযোগসেবায় বেশি ব্যয় করে।
- শহরাঞ্চলে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে ব্যয় বেশি। নারীপ্রধান পরিবারগুলো স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও ব্যক্তিগত পরিচর্যায় অগ্রাধিকার দেয়।
- সাংস্কৃতিক ও আধ্যাত্মিক কর্মকাণ্ডে উল্লেখযোগ্য ব্যয় অব্যাহত রয়েছে, যা ভুটানের স্বতন্ত্র সামাজিক মূল্যবোধের প্রতিফলন।
- অন্তর্ভুক্তিমূলক ও তথ্যভিত্তিক উন্নয়নের পথে ভুটানের নীতিনির্ধারকদের জন্য এইচসিইএস ২০২৫ গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সরবরাহ করে।






