বয়সের নির্ধারিত সীমার চেয়ে চার দশক বেশি, তবু মঞ্চে
৯০ বছর বয়সী তোশিসুকে কানাজাওয়া স্পেনের সান্তা সুসানায় IFBB বিশ্ব ফিটনেস ও বডিবিল্ডিং চ্যাম্পিয়নশিপে তাঁর চেয়ে প্রায় ৪০ বছরের ছোট প্রতিযোগীদের সঙ্গে লড়েছেন। পদকজয়ীদের মধ্যে জায়গা না পেলেও তাঁর মনে আরেকটি লক্ষ্য: ৯৩ বছর বয়সে আবার বিশ্বমঞ্চে ফেরা।
সূচিপত্র
জাপানি এই বডিবিল্ডার শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, চ্যাম্পিয়নশিপের আসরে অংশ নেন। আসরটি ২০২৬ সালের ২৯ অক্টোবর থেকে ২ নভেম্বর পর্যন্ত নির্ধারিত ছিল। তিনি ৫০ বছর বা তার বেশি বয়সী ক্রীড়াবিদদের মাস্টার্স বিভাগে নাম লেখান, ফলে বিভাগের সর্বনিম্ন বয়সসীমার চেয়ে তাঁর বয়স ছিল ৪০ বছর বেশি।
কাতালোনিয়ার উপকূলীয় শহরটির ব্যাকস্টেজে কানাজাওয়া তাঁর দলের সঙ্গে ওয়ার্ম-আপ করেন এবং মঞ্চের আলোয় নিজের শারীরিক গঠন তুলে ধরার আগে স্প্রে ট্যান লাগান। তাঁর প্রস্তুতির ধরন ছিল তরুণ প্রতিযোগীদের মতোই: প্রস্তুতি নেওয়া, মঞ্চে ওঠা এবং বছরের পর বছর পেশি গড়ে তোলার ছাপ ফুটিয়ে তোলা পোজ দেওয়া।
জাতীয় পর্যায়ে একাধিক শিরোপা ও ১৯৬৭ সালে আন্তর্জাতিক আসরে অংশ নেওয়ার অভিজ্ঞতা রয়েছে কানাজাওয়ার। কেন এখনো প্রতিযোগিতা করতে চান, তা তিনি ব্যাখ্যা করেছেন:
"অন্য কেউ করেনি—এমন কিছু করার চেষ্টা করতে আমার ভালো লাগে। আর সবকিছুর চেয়ে বেশি, জীবনের বাকি সময় বডিবিল্ডিং চালিয়ে যেতে চাই," বলেন কানাজাওয়া।
তাঁর এই অংশগ্রহণ ক্রীড়াজীবনের সম্পূর্ণ ভিন্ন দুটি সময়কে এক সুতোয় গেঁথেছে। বিশের কোঠায় তিনি প্রথম জাপান চ্যাম্পিয়ন হন, ৩৪ বছর বয়সে প্রতিযোগিতা ছেড়ে দেন এবং ৫০ বছর বয়সে ফিরে আসেন। সেই প্রত্যাবর্তনের চার দশক পরও তিনি শুধু খেলাটির সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রাখছেন না, বরং প্রতিযোগিতার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
স্পেনের আসরে যা ছিল
স্পেনের কোস্টা দেল মেরেসমে অঞ্চলের সান্তা সুসানায় IFBB-এর বিশ্ব কংগ্রেসের পাশাপাশি এই আসর বসে। সূচিতে ছিল বডিবিল্ডিং, ফিটনেস ও ফিটনেস চ্যালেঞ্জ প্রতিযোগিতা; একই সময়ে চালু ছিল তিনটি প্রতিযোগিতার মঞ্চ।
কানাজাওয়ার বিভাগে প্রতিযোগীদের বয়সের সর্বনিম্ন সীমা নির্ধারণ করা হয়েছিল; তাঁকে শুধু নব্বইয়ের কোঠায় থাকা অন্যদের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে হয়নি। কয়েকজন প্রতিপক্ষ তাঁর চেয়ে প্রায় চার দশকের ছোট ছিলেন। অন্যদিকে, জাপানে তাঁর সাম্প্রতিক সাফল্য এসেছে ৮৫ বছরের বেশি বয়সী ক্রীড়াবিদদের বিভাগে।
বডিবিল্ডিংয়ে পোজের মাধ্যমে পেশির গঠন তুলে ধরা হয়। তাই পেশি গড়তে ও ধরে রাখতে ব্যবহৃত ব্যায়ামের পাশাপাশি পোজের অনুশীলনও প্রস্তুতির অংশ। কানাজাওয়ার রুটিনে পোজ ও ব্যায়াম—দুটিই আছে, সঙ্গে রয়েছে শরীরের নমনীয়তা বাড়ানোর কাজ।
স্পেনে তিনি পদকজয়ীদের মধ্যে ছিলেন না। তাঁর সুনির্দিষ্ট অবস্থান জানানো হয়নি এবং ৯৩ বছর বয়সে ফেরার যে আশা তিনি করছেন, সে জন্য কোনো নির্দিষ্ট প্রতিযোগিতা বা অংশগ্রহণের তারিখও ঘোষণা করা হয়নি।
সাঁতার থেকে মিস্টার জাপান
কানাজাওয়ার শুরুটা সাঁতার দিয়ে; ২০ বছর বয়সে তিনি বডিবিল্ডিংয়ে মনোযোগ দেন। চার বছর পর, ১৯৬০ সালে, তিনি প্রথমবার মিস্টার জাপান খেতাব জেতেন। ১৯৬৩ সালেও তিনি এই খেতাব জেতেন।
তখন জাপানে বডিবিল্ডিংয়ের প্রসার আজকের তুলনায় অনেক কম ছিল। এই জয়গুলো তাঁকে জাতীয় পর্যায়ে প্রতিষ্ঠিত করে। ১৯৬৭ সালের মধ্যে তিনি আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় নামেন এবং মিস্টার ইউনিভার্স প্রতিযোগিতায় নিজের বিভাগে চতুর্থ হন।
১৯৬৭ সালের মিস্টার ইউনিভার্সের অপেশাদার প্রতিযোগিতায় জয়ী হন তখন ২০ বছর বয়সী আর্নল্ড শোয়ার্জনেগার। কানাজাওয়া নিজের বিভাগে চতুর্থ হয়েছিলেন। ফলে জাপানি এই ক্রীড়াবিদের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের শুরুর সময়টি বডিবিল্ডিংয়ের অন্যতম পরিচিত এক ব্যক্তিত্বের উত্থানের সময়ের সঙ্গে মিলে যায়।
এরপর ৩৪ বছর বয়সে কানাজাওয়া প্রতিযোগিতা ছেড়ে দেন। ৫০ বছর বয়সে তাঁর প্রত্যাবর্তনের আগে ১৬ বছরের বিরতি ছিল। এর মধ্য দিয়ে তাঁর প্রতিযোগিতামূলক ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় অধ্যায় শুরু হয়, যা প্রথমটির চেয়ে অনেক দীর্ঘ হয়েছে।
- ২০ বছর বয়স: বডিবিল্ডিংয়ে মনোযোগ দিতে সাঁতার ছাড়েন।
- ১৯৬০ ও ১৯৬৩: মিস্টার জাপান খেতাব জেতেন।
- ১৯৬৭: মিস্টার ইউনিভার্সে নিজের বিভাগে চতুর্থ হন।
- ৩৪ থেকে ৫০ বছর বয়স: প্রতিযোগিতা থেকে ১৬ বছর দূরে থাকার পর ফিরে আসেন।
- ৩০ অক্টোবর, ২০২৬: ৯০ বছর বয়সে সান্তা সুসানায় প্রতিযোগিতা করেন।
- ৯৩ বছর বয়স: সম্ভবত প্রতিযোগিতা থেকে অবসর নেওয়ার আগে আরেকবার আন্তর্জাতিক আসরে অংশ নেওয়ার আশা করছেন।
স্ত্রীর অনুপ্রেরণায় প্রত্যাবর্তন
কানাজাওয়ার ফিরে আসার সঙ্গে তাঁর স্ত্রীর অসুস্থতার যোগ ছিল। তাঁর স্ত্রী তাঁকে প্রতিযোগিতায় দেখতে পছন্দ করতেন। নতুন করে প্রশিক্ষণে মনোযোগ দিয়ে তাঁকে সাহস জোগাতে এবং ধারাবাহিক শৃঙ্খলা দিয়ে কী অর্জন সম্ভব, তা দেখাতে চেয়েছিলেন কানাজাওয়া।
৫০ বছর বয়সে তিনি আবার জিমে ফেরেন এবং খাদ্যাভ্যাসেও পরিবর্তন আনেন; মাংস ও মাছ খাওয়া ছেড়ে দেন। এই প্রত্যাবর্তন জাপানের মাস্টার্স বিভাগে কয়েক দশক ধরে প্রতিযোগিতা করার পথে গড়ায়। বয়স্ক ক্রীড়াবিদদের জন্য এসব বিভাগে প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।
জাতীয় পর্যায়ে তাঁর সাম্প্রতিক সাফল্যের মধ্যে রয়েছে হিরোশিমায় অনুষ্ঠিত অল জাপান মাস্টার্স ফিটনেস চ্যাম্পিয়নশিপে ৮৫ বছরের বেশি বয়সীদের বিভাগে জয়। ক্যারিয়ারের প্রধান হিসাব অনুযায়ী, ২০২৬ সালের আগস্টে জয়ের পর তাঁর জাতীয় শিরোপার সংখ্যা ১৯। অন্য একটি প্রকাশিত হিসাবে সংখ্যাটি ১৭: ১৫টি জাপান মাস্টার্স খেতাব ও দুটি জাপান চ্যাম্পিয়নশিপ খেতাব।
দুই হিসাবেই জাতীয় প্রতিযোগিতায় বারবার সাফল্যের কথা উঠে এসেছে। স্পেনের সঙ্গে তুলনার ক্ষেত্রে বয়সের বিভাগটি বেশি প্রাসঙ্গিক: হিরোশিমায় তিনি ৮৫ বছরের বেশি বয়সীদের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন, আর স্পেনের বিভাগ শুরু হয়েছিল ৫০ বছর থেকে। তাই তাঁর সর্বশেষ আন্তর্জাতিক অংশগ্রহণে বয়সের পরিসর ছিল অনেক বিস্তৃত।
প্রশিক্ষণে যন্ত্র, পোজ ও নমনীয়তার অনুশীলন
কানাজাওয়ার প্রস্তুতি অনেকটাই ব্যায়ামের যন্ত্রনির্ভর। তাঁর প্রশিক্ষণে শক্তিবর্ধক ব্যায়াম, পোজ এবং শরীরের নমনীয়তা বাড়ানোর কাজও রয়েছে। বলা হয়েছে, দিনে তিন ঘণ্টা পর্যন্ত তাঁর প্রশিক্ষণ চলে এবং প্রতিটি পেশিগুচ্ছকে যথেষ্ট বিশ্রাম দেওয়া হয়।
প্রতিযোগিতার প্রস্তুতির বিভিন্ন দিক সামলায় এসব কাজ। শক্তিবর্ধক ব্যায়ামে মঞ্চে তুলে ধরা পেশিগুলো গড়ে ওঠে। পোজের অনুশীলনে সেগুলো কীভাবে দেখাতে হবে, তা রপ্ত হয়; আর নমনীয়তার অনুশীলন তাঁকে নির্ধারিত ভঙ্গিতে যেতে ও তা ধরে রাখতে সাহায্য করে।
এই সময়সূচিতে বিশ্রামও গুরুত্বপূর্ণ। আগামী তিন বছরের পরিকল্পনায় আরেকটি প্রতিযোগিতার জন্য নিবিড় প্রস্তুতির পাশাপাশি সেরে ওঠার সময়ও রয়েছে। ৯৩ বছর বয়সে ফেরার লক্ষ্য তাঁকে অল্প সময়ের মধ্যে একের পর এক প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার বদলে দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য দিয়েছে।
কানাজাওয়া মদ ও তামাকও এড়িয়ে চলেন। প্রশিক্ষণ ও খাদ্যাভ্যাসের পাশাপাশি, তাঁর মতে, এসব সিদ্ধান্তই প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার দৈনন্দিন অভ্যাসের মূল অংশ।
যে জাপানি খাবারের কৃতিত্ব দেন তিনি
নিজের শারীরিক গঠন ধরে রাখার ব্যাখ্যায় কানাজাওয়া বাদামি চাল, নাত্তো ও মিসো স্যুপের কথা বলেন। ৫০ বছর বয়সে বডিবিল্ডিংয়ে ফেরার পর থেকে তিনি এই ঐতিহ্যবাহী জাপানি খাদ্যাভ্যাস মেনে চলেছেন বলে জানান।
নাত্তো তৈরি হয় গাঁজানো সয়াবিন দিয়ে। মিসো স্যুপের নাম এসেছে মিসো থেকে, যা সাধারণত সয়াবিন দিয়ে তৈরি একধরনের গাঁজানো পেস্ট। বাদামি চালের সঙ্গে এগুলো জাপানি রান্নার পরিচিত খাবার; প্রতিযোগীদের জন্য তৈরি কোনো অস্বাভাবিক উপাদান নয়।
খাবারের সঙ্গে স্বাস্থ্যের যে সম্পর্ক তিনি দেখেন, তা নিয়ে কানাজাওয়া বলেন:
এটাই আসলে জাপানি খাবারের চিরাচরিত ধরন। এর কল্যাণেই আমি ৯০ বছর ধরে কখনো অসুস্থ হইনি।
কথাটি তাঁর নিজের স্বাস্থ্য ও খাদ্যাভ্যাসের উপকারিতা সম্পর্কে মূল্যায়ন তুলে ধরে। তাঁর বর্ণনায় খাবারের পাশাপাশি রয়েছে নিয়মিত প্রশিক্ষণ, মদ ও তামাক থেকে বিরত থাকা এবং প্রতিযোগিতার প্রস্তুতির দীর্ঘ ইতিহাস।
খাদ্যাভ্যাসের এই পরিবর্তন তাঁর প্রত্যাবর্তনের সময়ের সঙ্গেও মিলে যায়। ৫০ বছর বয়সে মাংস ও মাছ ছেড়ে দেওয়া ছিল আবার প্রতিযোগিতায় ফেরার সিদ্ধান্তের পর গড়ে তোলা নতুন রুটিনের একটি অংশ; স্পেনের চ্যাম্পিয়নশিপের জন্য সাম্প্রতিক কোনো পরিবর্তন নয়।
আরেকবার মঞ্চে, তারপর সম্ভবত অবসর
জীবনভর বডিবিল্ডিং চালিয়ে যাওয়ার ইচ্ছা থাকলেও প্রতিযোগিতার পরিকল্পনা তুলনামূলক সীমিত। ৯৩ বছর বয়সে আরেকবার প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার কথা ভাবছেন তিনি; এরপর মঞ্চ থেকে অবসর নিতে পারেন।
জাপানি এই প্রতিযোগী সম্ভাবনাটির কথা সতর্কভাবে বলেছেন:
"ভাবছি, ৯৩ বছর বয়সে আরেকবার চেষ্টা করে দেখতে পারি। এরপর সম্ভবত আমাকে অবসর নিতে হবে," বলেন তিনি।
বয়সের সঙ্গে দৃশ্যমান পরিবর্তন, যেমন বলিরেখা, এবং বয়স্কদের শরীরের চেহারা নিয়ে জাপানের মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি সম্পর্কেও তিনি কথা বলেছেন। শরীরকে মঞ্চে তুলে ধরাই যে খেলাটির মূল, সেখানে কত দিন প্রতিযোগিতায় থাকবেন—সে ভাবনায় এসব উদ্বেগও রয়েছে।
তাঁর লক্ষ্য পরের প্রতিযোগিতার গণ্ডি ছাড়িয়ে গেছে। বডিবিল্ডিংকে জীবনের অংশ করে রেখেই ১০০ বছর বয়স পর্যন্ত সুস্থ থাকার আশা করেন তিনি। প্রতিযোগিতা ছাড়া আর শারীরিক কসরত ছেড়ে দেওয়া—তাঁর কল্পিত ভবিষ্যতে এ দুটি আলাদা সিদ্ধান্ত।
যে উদাহরণ তুলে ধরতে চান
কানাজাওয়া চান, বয়স্করা তাঁর অধ্যবসায় দেখে নিজেরাও সক্রিয় থাকুন। তাঁর বার্তা হলো, কী করতে চান তা ঠিক করা এবং লক্ষ্য পূরণে প্রয়োজনীয় চেষ্টা চালিয়ে যাওয়া।
অভিজ্ঞ এই ক্রীড়াবিদ তাঁর যে মানসিকতা অন্যদের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে চান, তা ব্যাখ্যা করেছেন:
"কোনো কিছু করার সিদ্ধান্ত নিলে, যেকোনো পরিস্থিতিতেই তা শেষ পর্যন্ত এগিয়ে নেওয়ার মানসিক শক্তি ও দৃঢ়তা গড়ে তুলতে হবে," বলেন কানাজাওয়া।
তাঁর ক্যারিয়ারের ইতিহাস এই বার্তাকে সুনির্দিষ্ট রূপ দেয়: সাফল্যের প্রাথমিক সময়, ১৬ বছরের বিরতি, স্ত্রীর অসুস্থতায় অনুপ্রাণিত হয়ে প্রত্যাবর্তন এবং ৫০ বছর বয়সে ফেরার পর আরও ৪০ বছরের সম্পৃক্ততা। স্পেনে পদক না পেলেও তাঁর চেয়ে অনেক কমবয়সীদের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় নামার অভিজ্ঞতা হয়েছে।
বয়স্ক অন্যদের নিয়ে নিজের আশার কথাও বলেছেন কানাজাওয়া:
আমি চাই, অন্যরাও আমার মতো কঠোর পরিশ্রম করুক। আমার বিশ্বাস, তারা তা করলে বয়স বাড়লেও আমার মতো আরও মানুষ দেখা যাবে। এটাই আমার আশা, আর আমি ভালো আদর্শ হতে চাই।
মূল বিষয়গুলো
- তোশিসুকে কানাজাওয়া ২০২৬ সালের ৩০ অক্টোবর স্পেনের সান্তা সুসানায় IFBB চ্যাম্পিয়নশিপে ৯০ বছর বয়সে প্রতিযোগিতা করেন।
- তিনি ৫০ বছর বা তার বেশি বয়সীদের বিভাগে অংশ নেন এবং পদকজয়ীদের মধ্যে থাকতে পারেননি।
- তিনি ১৯৬০ ও ১৯৬৩ সালে মিস্টার জাপান খেতাব জেতেন এবং ১৯৬৭ সালে মিস্টার ইউনিভার্সে নিজের বিভাগে চতুর্থ হন।
- স্ত্রীর অসুস্থতায় অনুপ্রাণিত হয়ে ১৬ বছরের বিরতির পর ৫০ বছর বয়সে বডিবিল্ডিংয়ে ফেরেন।
- তাঁর রুটিনে রয়েছে যন্ত্রনির্ভর প্রশিক্ষণ, পোজ, নমনীয়তার অনুশীলন এবং বাদামি চাল, নাত্তো ও মিসো স্যুপসমৃদ্ধ খাবার।
- ৯৩ বছর বয়সে আবার প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার আশা করছেন; এরপর সম্ভবত প্রতিযোগিতা থেকে অবসর নেবেন।






