হংকং সিক্সেসে ২৩ বলে ৮৯ রান তাড়া করে ভারতকে চার উইকেটে হারাল পাকিস্তান

পড়তে 7 মিনিট
Pakistan Beat India by Four Wickets in Hong Kong Sixes, Chasing 89 in 23 Balls

২৩ বলে লক্ষ্য তাড়া করে কাপের লড়াইয়ে টিকে থাকল পাকিস্তান

শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, মং ককের মিশন রোড গ্রাউন্ডে হংকং আন্তর্জাতিক সিক্সেসের গ্রুপ সি ম্যাচে ভারতকে চার উইকেটে হারিয়েছে পাকিস্তান। ১৩ বল হাতে রেখে ৮৯ রানের লক্ষ্য তাড়া করে জয় পায় তারা। অধিনায়ক আব্বাস আফ্রিদি আট বলে ৩৫ রান করেন, আর খাজা নাফে ১২ বলে করেন ৪১। এর আগে সংযুক্ত আরব আমিরাতের কাছে প্রথম ম্যাচে হারের ধাক্কা কাটিয়ে ওঠে পাকিস্তান।

সূচিপত্র
  1. ২৩ বলে লক্ষ্য তাড়া করে কাপের লড়াইয়ে টিকে থাকল পাকিস্তান
  2. ভারতের প্রায় অর্ধেক রান শশাঙ্কের ব্যাটে
  3. নিজের এক ওভারেই জ্বলে ওঠেন আবদুল সামাদ
  4. দুই ওভারেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেন আফ্রিদি ও নাফে
  5. ভারতের দুটি উইকেট আসে অনেক দেরিতে
  6. সংকীর্ণ হারের পর ঘুরে দাঁড়াল পাকিস্তান
  7. ভারতের বাকি ম্যাচে কী নির্ধারিত হবে
  8. প্রথম দুই ওভারেই জয়ের ব্যবধানের ব্যাখ্যা
  9. মূল পয়েন্ট

টস জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া আফ্রিদির দলের বিপক্ষে ভারত ছয় ওভারে পাঁচ উইকেটে ৮৮ রান করে। শশাঙ্ক সিং মাত্র ১১ বলে ৪০ রান করেন, তবে জবাবে ব্যাট করতে নেমেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয় পাকিস্তান। ক্রুনাল পান্ডিয়ার প্রথম ওভারে টানা পাঁচটি ছক্কা মারেন আফ্রিদি; ওই ওভারে আসে ৩১ রান। পরের ওভারে যোগ হয় আরও ২৮ রান।

ইরফান খান, যিনি ইরফান নিয়াজি নামেও পরিচিত, নিজের প্রথম বলেই ছক্কা মেরে জয় নিশ্চিত করেন। ৩.৫ ওভারে লক্ষ্য ছুঁয়ে ফেলে পাকিস্তান। ক্রিকেটের পরিভাষায় ৩.৫ ওভার মানে তিনটি পূর্ণ ওভারের পর আরও পাঁচ বল, অর্থাৎ মোট ২৩ বল।

দুই ম্যাচে এটি ছিল পাকিস্তানের প্রথম জয়, আর ওই সময়ে দলটি উঠে যায় গ্রুপ সি-র শীর্ষে। শনিবার, ৩১ অক্টোবর সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষে নির্ধারিত ম্যাচের আগে ভারত নেমে যায় তলানিতে। পাকিস্তানের গ্রুপ পর্বের সব ম্যাচ শেষ হয়ে গিয়েছিল; পরের প্রতিপক্ষ জানতে তাদের ওই ম্যাচের ফলের জন্য অপেক্ষা করতে হয়।

ভারতের প্রায় অর্ধেক রান শশাঙ্কের ব্যাটে

ভারতের ব্যাটিংয়ের মূল ভরসা ছিল শশাঙ্কের ইনিংস। পাঁচটি ছক্কা ও দুটি চারে তাঁর ৪০ রানের মধ্যে ৩৮ রান আসে বাউন্ডারি থেকে; অন্যভাবে রান করেন মাত্র দুই। ভারতের মোট রানের প্রায় ৪৫ শতাংশ আসে তাঁর ব্যাটে। এমন এক ফরম্যাটে এটি বড় অবদান, যেখানে এক ইনিংসে বৈধ বল থাকে মাত্র ৩৬টি।

নীতিশ রানা ১৪ বলে ১৯ রান করেন, আর রাহুল ত্রিপাঠি করেন নয়। টি নটরাজন ছয় বলে ১২ রান করে অপরাজিত থাকেন। তাঁদের অবদানে ভারত ৮৮ রানে পৌঁছালেও, শশাঙ্কের মতো আর কেউ বড় ঝড় তুলতে পারেননি।

বিজ্ঞাপন

অধিনায়ক ক্রুনাল পান্ডিয়া ও রাহুল তেওয়াটিয়া দুজনই প্রথম বলেই আউট হন। কোনো ব্যাটার মুখোমুখি হওয়া প্রথম বলেই রান না করে আউট হলে তাকে ‘গোল্ডেন ডাক’ বলা হয়। এভাবে দুজনকে হারানোয় বাকি ব্যাটারদের ওপর রান তোলার চাপ বেড়ে যায়।

সেদিনের টুর্নামেন্টে ভারতের ৮৮ রান ছিল সর্বনিম্ন দলীয় সংগ্রহ। তবু জিততে পাকিস্তানকে ওভারপ্রতি প্রায় ১৫ রান করে তুলতে হতো। তবে আফ্রিদি ও নাফে বাউন্ডারি পার করতে শুরু করার পর সেই চ্যালেঞ্জ সহজ হয়ে যায়।

নিজের এক ওভারেই জ্বলে ওঠেন আবদুল সামাদ

পাকিস্তানের হয়ে সেরা বোলিং করেন আবদুল সামাদ। নিজের এক ওভারে ১০ রান দিয়ে নেন দুটি উইকেট। তাঁর শিকারের মধ্যে ছিলেন পান্ডিয়া, যিনি রান করার আগেই আউট হন। আহমেদ দানিয়াল ও মোহাম্মদ শাহজাদ নেন একটি করে উইকেট।

এই সংক্ষিপ্ত ম্যাচে একটি ওভারও ইনিংসের উল্লেখযোগ্য অংশ। সামাদের ছয় বল ছিল ভারতের ইনিংসের এক-ষষ্ঠাংশ, অথচ ওই ওভারে রান আসে মাত্র ১০। ভারতের বাকি পাঁচ ওভারে ওঠে ৭৮ রান, ওভারপ্রতি গড় ১৫.৬।

সীমানার বাইরে না পড়ে যাওয়া পাঁচটি শটসহ শশাঙ্কের আক্রমণাত্মক ইনিংস সামলাতে হয়েছে পাকিস্তানকে। সামাদের উইকেট নেওয়া এবং কম রান দেওয়ার সমন্বয় লক্ষ্যকে শক্তিশালী উদ্বোধনী জুটির নাগালে রাখতে সাহায্য করে।

দুই ওভারেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেন আফ্রিদি ও নাফে

পান্ডিয়ার ওপর আফ্রিদির আক্রমণেই তাড়া করার চিত্র বদলে যায়। টানা পাঁচ ছক্কায় শুধু ওই শটগুলো থেকেই আসে ৩০ রান, আর প্রথম ওভার শেষে পাকিস্তানের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৩১। মাত্র ছয়টি বৈধ বল খেলার পরই লক্ষ্যর এক-তৃতীয়াংশের বেশি তুলে ফেলে পাকিস্তান।

দ্বিতীয় ওভারে নটরাজনের বিপক্ষে আক্রমণ চালিয়ে যান নাফে; পাঁচটি বাউন্ডারি মেরে পাকিস্তানের সংগ্রহে যোগ করেন ২৮ রান। প্রথম দুই ওভারে আসে মোট ৫৯ রান। ফলে ৮৯ রানের লক্ষ্য ছুঁতে বাকি ছিল মাত্র ৩০, অথচ হাতে ছিল আরও চার ওভার।

দুটি ম্যাচের বিবরণে পাকিস্তানের উদ্বোধনী জুটির রান ১৩ বলে ৫৯ বলা হয়েছে, আর অন্য এক বিবরণে ৫৭। দুই উদ্বোধনী ব্যাটারই এমন গতিতে রান করেন যে ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ দ্রুত কমে যায় ভারতের। আফ্রিদির ৩৫ রান আসে প্রতি বলে চার রানের বেশি গতিতে, আর নাফের ৪১ আসে প্রতি বলে তিন রানের বেশি গতিতে।

বিজ্ঞাপন

আফ্রিদি একটি চার ও পাঁচটি ছক্কা মেরে তাঁর ৩৫ রানের মধ্যে ৩৪ রানই করেন বাউন্ডারি থেকে। নাফে দুটি চার ও পাঁচটি ছক্কায় ৪১ রানের ৩৮ করেন এভাবে। দুজনের বাউন্ডারি থেকে আসে মোট ৭২ রান, পাকিস্তানের জন্য নির্ধারিত লক্ষ্যের চার-পঞ্চমাংশেরও বেশি।

ভারতের দুটি উইকেট আসে অনেক দেরিতে

তৃতীয় ওভারে আফ্রিদিকে আউট করে ভারতকে প্রথম সাফল্য এনে দেন শশাঙ্ক; নটরাজন ক্যাচটি নেন। ৩৫ রান করে ফেরেন আফ্রিদি, ততক্ষণে পাকিস্তানকে শক্ত ভিত গড়ে দিয়েছেন তিনি।

এরপর নাফেকে ৪১ রানে ফিরিয়ে দেন তেওয়াটিয়া। পাকিস্তানের শুরুর ঝড় থামাতে না পারলেও দুই বোলারই একটি করে উইকেট পান। তবে ম্যাচে ফেরার জন্য ভারতকে দ্রুত আরও কয়েকটি উইকেট নিতে হতো।

সামাদ তিন বলে সাত রান করে অপরাজিত থাকেন, আর ইরফান নিজের একমাত্র বলে ছক্কা মেরে অপরাজিত থাকেন। তাঁর ছক্কায় লক্ষ্য পেরিয়ে যায় পাকিস্তান, বাকি থেকে যায় দুই ওভারেরও বেশি।

ম্যাচের বিবরণে পাকিস্তানের শেষ সংগ্রহ কোথাও দুই উইকেটে ৯১, কোথাও দুই উইকেটে ৯২ বলা হয়েছে। তবে ফল ও জয়ের মুহূর্ত নিয়ে বিবরণ এক: ৩.৫ ওভারে চার উইকেটের জয়। এই প্রতিযোগিতায় প্রতি দলে ছয়জন খেলোয়াড় থাকেন। তাই দুটি উইকেট হারালেও হাতে চার উইকেট থাকে, যা জয়ের ব্যবধান ব্যাখ্যা করে।

সংকীর্ণ হারের পর ঘুরে দাঁড়াল পাকিস্তান

শুক্রবার এর আগে গ্রুপ সি-র প্রথম ম্যাচে সংযুক্ত আরব আমিরাতের কাছে এক উইকেটে হেরেছিল পাকিস্তান। তাই ভারতের বিপক্ষে ম্যাচটি ছিল বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ: দ্বিতীয়বার হারলে গ্রুপ পর্বে কোনো জয় ছাড়াই প্রথম স্থান অর্জনের লড়াই থেকে ছিটকে যেত তারা।

তার বদলে আফ্রিদির দল গ্রুপ পর্বের দুই ম্যাচ শেষ করে একটি জয় ও একটি হার নিয়ে। গ্রুপের শীর্ষে ওঠায় কাপ জয়ের আশা টিকে থাকে পাকিস্তানের, যদিও ভারতের সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষে বাকি ম্যাচের ফলের ওপর তখনও নির্ভর করছিল চূড়ান্ত অবস্থান।

২০২৫ সালে রেকর্ড ষষ্ঠ শিরোপা জিতে পাকিস্তান টুর্নামেন্টে এসেছিল বর্তমান চ্যাম্পিয়ন হিসেবে। ভারত এই প্রতিযোগিতায় একবার, ২০০৫ সালে, শিরোপা জিতেছিল। শুক্রবারের ফল আরেকটি শিরোপার পথে পাকিস্তানের অগ্রযাত্রা এগিয়ে নিল, আর ভারতকে দ্রুত ঘুরে দাঁড়ানোর চাপে ফেলল।

সেদিনের ম্যাচগুলোর ধারাবাহিকতায় পাকিস্তানের অবস্থানের পরিবর্তনটি স্পষ্ট হয়:

  • ৩০ অক্টোবর: গ্রুপ সি-র প্রথম ম্যাচে সংযুক্ত আরব আমিরাতের কাছে এক উইকেটে হারে পাকিস্তান।
  • ৩০ অক্টোবর: ১৩ বল হাতে রেখে ভারতকে চার উইকেটে হারায় পাকিস্তান; গ্রুপ পর্বের সব ম্যাচ শেষ করে তারা।
  • ৩১ অক্টোবর: গ্রুপ সি-র বাকি ম্যাচে ভারতের মুখোমুখি হওয়ার কথা ছিল সংযুক্ত আরব আমিরাতের।
  • ১ নভেম্বর: রোববার টুর্নামেন্টের ফাইনাল নির্ধারিত ছিল।

ভারতের বাকি ম্যাচে কী নির্ধারিত হবে

টুর্নামেন্টে ১২টি দলকে চারটি গ্রুপে ভাগ করা হয়েছে, প্রতি গ্রুপে তিনটি দল। প্রতিটি দল গ্রুপের বাকি দুই দলের বিপক্ষে খেলে। ফলে প্রতিটি ফলই গুরুত্বপূর্ণ, কারণ নিজেদের অবস্থান গড়ার সুযোগ মাত্র দুটি।

শুধু গ্রুপ চ্যাম্পিয়নরাই কাপের সেমিফাইনালে ওঠে। দ্বিতীয় স্থানে থাকা দলগুলো প্লেট প্রতিযোগিতায় এবং তৃতীয় স্থানের দলগুলো বোল প্রতিযোগিতায় খেলে। তাই ভারতের হার তারা কোন ট্রফির জন্য লড়বে, তাতে প্রভাব ফেলে; তবে গ্রুপে তাদের চূড়ান্ত অবস্থান তখনও নির্ধারিত হয়নি।

বিজ্ঞাপন

সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষে ম্যাচটিই ছিল ভারতের গ্রুপ পর্বের দ্বিতীয় ও শেষ ম্যাচ। গ্রুপের শীর্ষে ওঠার সম্ভাবনা টিকিয়ে রাখতে জয় ছিল জরুরি। গ্রুপে আর কোনো ম্যাচ না থাকায় পাকিস্তানকে নিজেদের আরেকটি পারফরম্যান্স দিয়ে যোগ্যতা নিশ্চিত করার বদলে চূড়ান্ত পয়েন্ট তালিকার অপেক্ষা করতে হয়।

পাকিস্তানের পরবর্তী প্রতিপক্ষ বা শনিবার ভারতের ম্যাচ শুরুর সময় নিশ্চিত করে জানানো হয়নি। পরবর্তী নির্ধারিত ম্যাচ ছিল ভারত-সংযুক্ত আরব আমিরাতের লড়াই, এরপর টুর্নামেন্টের শেষ পর্ব ও রোববারের ফাইনাল।

প্রথম দুই ওভারেই জয়ের ব্যবধানের ব্যাখ্যা

ভারত ও পাকিস্তান, দুই দলের ব্যাটারই পাঁচটি করে ছক্কা মেরেছেন: ভারতের শশাঙ্ক, আর পাকিস্তানের আফ্রিদি ও নাফে। পার্থক্য ছিল অন্য ব্যাটারদের কাছ থেকে পাওয়া সহায়তায় এবং পাকিস্তানের দুই প্রধান রান সংগ্রাহকের কত দ্রুত লক্ষ্য নাগালে নিয়ে আসায়।

ভারতের ৮৮ রানের মধ্যে ৪০ করেন শশাঙ্ক। আফ্রিদি ও নাফে মিলে করেন ৭৬, যা শশাঙ্কের অবদানের প্রায় দ্বিগুণ; দুজনের মিলিত বলের সংখ্যা ছিল মাত্র ২০। এরপর সামাদ ও ইরফান আর কোনো উইকেট না হারিয়েই তাড়া শেষ করেন।

পাকিস্তানের প্রথম দুই ওভারে আসে ৫৯ রান, যেখানে ভারতের পুরো ছয় ওভারে হয় ৮৮। ফলে হাতে থাকা চার ওভারে ভারতকে ৩০ রান ঠেকাতে হতো, আর পাকিস্তানের উদ্বোধনী ব্যাটাররা তখনও ক্রিজে থিতু। শশাঙ্ক ও তেওয়াটিয়ার নেওয়া উইকেটে তাড়া কিছুটা থমকেছিল, কিন্তু দ্রুত রান তোলায় বাকি কাজ সহজ হয়ে গিয়েছিল।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের মুখোমুখি হওয়ার আগে ভারতের তাৎক্ষণিক করণীয় ছিল স্পষ্ট: শশাঙ্ককে ঘিরে ব্যাটিং অর্ডারের বাকিদের কাছ থেকে আরও রান পাওয়া এবং বোলিংয়ের শুরুটা আরও আঁটসাঁট করা। সংকীর্ণ হারের পর পাকিস্তান দাপুটে জয়ে ঘুরে দাঁড়িয়ে মূল শিরোপার লড়াইয়ে টিকে থাকার সুযোগ তৈরি করেছে।

মূল পয়েন্ট

  • ৩০ অক্টোবর ২০২৬, মিশন রোড গ্রাউন্ডে গ্রুপ সি-র ম্যাচে ভারতকে চার উইকেটে হারায় পাকিস্তান।
  • শশাঙ্ক সিংয়ের ১১ বলে ৪০ রানে ভর করে ভারত করে পাঁচ উইকেটে ৮৮।
  • এক ওভারে ১০ রান দিয়ে দুটি উইকেট নেন আবদুল সামাদ।
  • আব্বাস আফ্রিদি আট বলে ৩৫ এবং খাজা নাফে ১২ বলে ৪১ রান করেন।
  • ২৩ বলে লক্ষ্য তাড়া করে পাকিস্তান; হাতে ছিল ১৩ বল।
  • একটি জয় ও একটি হার নিয়ে গ্রুপ পর্ব শেষ করে পাকিস্তান; ৩১ অক্টোবর সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষে ভারতের খেলার কথা ছিল।
  • গ্রুপ চ্যাম্পিয়নরা কাপের সেমিফাইনালে ওঠে; ফাইনাল নির্ধারিত ছিল ১ নভেম্বর।
এই নিবন্ধটি শেয়ার করুন

আপনার পছন্দ হতে পারে