সিঙ্গাপুরে তিন রাতের জন্য বিশাল যান্ত্রিক উদ্বোধনী দৃশ্য
তাইওয়ানের কনসার্ট পরিচালক জু পাও জানিয়েছেন, ২০২৭ সালের ৮ থেকে ১০ জানুয়ারি জে চৌয়ের ন্যাশনাল স্টেডিয়ামের কনসার্টে ৩০ মিটার উঁচু দুটি রোবট দর্শকদের অভ্যর্থনা জানাবে। এরপর সেগুলো অদৃশ্য হয়ে উন্মোচন করবে বিশাল এক যান্ত্রিক কাঠামো। চৌয়ের কার্নিভাল II ওয়ার্ল্ড ট্যুরের সিঙ্গাপুরের তিনটি পরিবেশনায় আগুন ও পানির প্রভাবও রাখার পরিকল্পনা রয়েছে।
সূচিপত্র
২০২৬ সালের এপ্রিলে হাংঝৌয়ে শুরু হওয়া চৌয়ের নবম ট্যুরে এই প্রযোজনা এনেছে নতুন পরিচিতি। সিঙ্গাপুরের পর্বটির নাম ‘সানি ডে সিঙ্গাপুর’, যা নেওয়া হয়েছে তাঁর ২০০৩ সালের অ্যালবাম ‘ইয়ে হুই-মেই’-এর গান ‘সানি ডে’ থেকে। প্রতিটি গন্তব্যকে তাঁর সংগীতের সঙ্গে আলাদা যোগসূত্র দেওয়ার পরিকল্পনায় এই শহরও পেয়েছে নিজস্ব থিম।
যাঁরা কনসার্টে যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন, তাঁদের জন্য টিকিট কেনার সময়সূচি বিস্তারিতভাবে নির্ধারণ করা হয়েছে। সিঙ্গাপুর এয়ারলাইনস ২০২৬ সালের ১৯ মে ক্রিসফ্লায়ার অগ্রাধিকারমূলক বিক্রির সময় ঠিক করেছে; নিবন্ধন চলবে ৪ থেকে ১০ মে। বুকিং ফি ছাড়া নগদে টিকিটের দাম ২৩৮ থেকে ৩৯৮ সিঙ্গাপুর ডলার। নির্বাচিত বিভাগে ক্রিসফ্লায়ার মাইল দিয়েও টিকিট নেওয়া যাবে।
হরাইজন প্রোডাকশন প্রচারক এবং ক্রিসফ্লায়ার আনুষ্ঠানিক লাইফস্টাইল রিওয়ার্ডস পার্টনার। ন্যাশনাল স্টেডিয়ামের এই পরিবেশনায় চৌয়ের সংগীতজীবনের উদ্যাপনের সঙ্গে থাকছে নতুন মঞ্চসজ্জা, হালনাগাদ দৃশ্যায়ন এবং পরিচিত গানের পাশাপাশি নতুন পরিবেশনা।
রোবটগুলো প্রযোজনা সম্পর্কে যা জানায়
কনসার্টের উদ্বোধনী দৃশ্যের সবচেয়ে স্পষ্ট ধারণা দিয়েছেন জু পাও: বিশাল দুটি অবয়ব, তাদের অদৃশ্য হয়ে যাওয়া এবং পেছনের যন্ত্রপাতির উন্মোচন। ৩০ মিটার উচ্চতার রোবট দুটি স্টেডিয়ামে ঢোকার সময় দর্শকদের চোখে পড়ার মতো বড় আকর্ষণ হওয়ার কথা।
পরিচালক আরও জানিয়েছেন, শোতে আগুন ও পানি ব্যবহার করা হবে। রোবটগুলো কীভাবে অদৃশ্য হবে এবং পরিবেশনার কোন সময়ে এসব প্রভাব দেখা যাবে, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হয়নি।
ভেন্যুর আনুষ্ঠানিক অনুষ্ঠান-তালিকায় নতুনভাবে পরিকল্পিত বিশাল মঞ্চ, উদ্ভাবনী কাঠামো এবং মঞ্চসামগ্রী, আলো, বিশেষ প্রভাব ও দৃশ্যায়নে পরিবর্তনের কথা বলা হয়েছে। জু পাওয়ের বর্ণনা প্রযোজনার এই সামগ্রিক বিবরণে নির্দিষ্ট কিছু বৈশিষ্ট্য যোগ করেছে।
চৌয়ের কনসার্টে দর্শকদের গানের অনুরোধ জানানোর সুযোগও থাকে। বিস্তৃত মঞ্চায়নের পাশাপাশি এই রীতি পরিবেশনায় আরও ব্যক্তিগত মাত্রা যোগ করে; তখন যন্ত্রপাতি থেকে মনোযোগ সরে গিয়ে গায়ক ও তাঁর ভক্তদের মিথস্ক্রিয়ায় কেন্দ্রীভূত হয়।
সিঙ্গাপুরে ‘সানি ডে’ থিম কেন
‘সানি ডে সিঙ্গাপুর’ ট্যুরের ‘এক শহর, এক থিম’ ধারণার অংশ। প্রতিটি পর্বের সঙ্গে একটি গান জুড়ে দেওয়া হয়েছে, যাতে বৃহত্তর কার্নিভাল II প্রযোজনার মধ্যে গন্তব্যটি পায় নিজস্ব সংগীতপরিচয়।
সিঙ্গাপুরের থিমটি নেওয়া হয়েছে কনসার্টের দুই দশকেরও বেশি আগে প্রকাশিত একটি গান থেকে। ২০০৩ সালে ‘ইয়ে হুই-মেই’ অ্যালবামে প্রকাশিত ‘সানি ডে’-এর কথা ও সুর দুটিই লিখেছিলেন চৌ। দীর্ঘদিনের শ্রোতাদের কাছে এই নির্বাচন তাঁর ক্যারিয়ারের আগের সময়ের সঙ্গে নতুন প্রযোজনার যোগসূত্র তৈরি করে।
অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক বিবরণে থিমটির সঙ্গে সিঙ্গাপুরের বদলে যাওয়া আকাশের যোগসূত্র টানা হয়েছে, যেখানে বৃষ্টির পর দেখা দেয় রোদ। গানটিকে তারুণ্যের স্মৃতি এবং সেই স্মৃতি নিয়ে বর্তমান পর্যন্ত এগিয়ে চলার অভিজ্ঞতার সঙ্গেও যুক্ত করা হয়েছে। সিঙ্গাপুরের শোগুলোর জন্য এটাই নির্বাচিত সৃজনশীল ভাবনা।
চৌয়ের সংগীতজীবন শুরু হয় ২০০০ সালে, আর কনসার্টটিকে তাঁর ক্যারিয়ারের ২৫ বছর উদ্যাপন হিসেবে তুলে ধরা হচ্ছে। ক্ল্যাসিক গান ও নতুন ট্র্যাকের পরিকল্পিত সমন্বয়ে তাঁর অতীতের পাশাপাশি বর্তমান কাজও স্থান পাচ্ছে; সন্ধ্যাটি কেবল পুরোনো হিটে ফিরে যাওয়া নয়।
টিকিটের দাম ২৩৮ থেকে ৩৯৮ সিঙ্গাপুর ডলার
সিঙ্গাপুর এয়ারলাইনসের কনসার্টের টিকিট-সংক্রান্ত পাতায় ক্রিসফ্লায়ার অগ্রাধিকারমূলক বিক্রির জন্য নগদে কেনার পাঁচটি বিভাগ দেওয়া হয়েছে। সব দাম সিঙ্গাপুর ডলারে এবং প্রযোজ্য বুকিং ফি ছাড়া।
- বিভাগ ১: ৩৯৮ সিঙ্গাপুর ডলার।
- বিভাগ ২: ৩৫৮ সিঙ্গাপুর ডলার।
- বিভাগ ৩: ৩১৮ সিঙ্গাপুর ডলার।
- বিভাগ ৪: ২৭৮ সিঙ্গাপুর ডলার।
- বিভাগ ৫: ২৩৮ সিঙ্গাপুর ডলার।
সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তালিকাভুক্ত দামের পার্থক্য টিকিটপ্রতি ১৬০ সিঙ্গাপুর ডলার। তাই নির্বাচিত বিভাগ অনুযায়ী এক জোড়া টিকিটের দাম বুকিং ফি ছাড়া ৪৭৬ থেকে ৭৯৬ সিঙ্গাপুর ডলারের মধ্যে হবে।
সিঙ্গাপুর সময় অনুযায়ী ২০২৬ সালের ১৯ মে সকাল ১০টা থেকে রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত টিকিটমাস্টার সিঙ্গাপুরে নগদে অগ্রাধিকারমূলক বিক্রি চলবে। এই বিক্রিতে মূল্য পরিশোধ করতে হবে মাস্টারকার্ড ক্রেডিট বা ডেবিট কার্ডে।
প্রতিটি স্বতন্ত্র অ্যাকসেস কোড দিয়ে প্রতি কনসার্টের তারিখে সর্বোচ্চ ছয়টি টিকিট কেনা যাবে। ক্রেতার বেছে নেওয়া বিভাগ, সেকশন ও সংখ্যার সঙ্গে মেলে—এমন সেরা উপলভ্য টিকিট বরাদ্দ করবে টিকিটমাস্টার। কোড পাওয়া মানে কেনার সুযোগ পাওয়া; তবে কেনাকাটা নির্ভর করবে অবশিষ্ট টিকিটের ওপর।
নিবন্ধনের যে তারিখগুলো মনে রাখতে হবে
ক্রিসফ্লায়ারের অগ্রাধিকারমূলক সুবিধা পেতে টিকিট বিক্রির দিন সদস্য থাকাই যথেষ্ট নয়। যোগ্য অ্যাকাউন্ট ২০২৬ সালের ৩ মে সিঙ্গাপুর সময় রাত ১১টা ৫৯ মিনিটের মধ্যে তৈরি হতে হবে। সদস্যদের ক্রিসফ্লায়ার ও সিঙ্গাপুর এয়ারলাইনস গ্রুপের প্রচারমূলক ইমেইল পাওয়ার জন্যও নিবন্ধিত হতে হবে এবং ক্রিস+ এর মাধ্যমে নিবন্ধন সম্পন্ন করতে হবে।
মে মাসের শুরুতে সদস্যপদের যোগ্যতা যাচাই থেকে পরের জানুয়ারির কনসার্ট পর্যন্ত সময়সূচি হলো:
- এপ্রিল ২০২৬: হাংঝৌয়ে কার্নিভাল II শুরু।
- ৩ মে ২০২৬, রাত ১১টা ৫৯ মিনিট: ক্রিসফ্লায়ার অগ্রাধিকারমূলক বিক্রির যোগ্য হতে অ্যাকাউন্ট তৈরির শেষ সময়।
- ৪ মে ২০২৬, দুপুর ১২টা: ক্রিস+ অ্যাপে নিবন্ধন শুরু।
- ১০ মে ২০২৬, রাত ১১টা ৫৯ মিনিট: নিবন্ধন শেষ।
- ১৭ মে ২০২৬, রাত ১১টা ৫৯ মিনিট: যোগ্য নিবন্ধিত সদস্যদের অ্যাকসেস কোড পাওয়ার শেষ সময়।
- ১৯ মে ২০২৬: অগ্রাধিকারমূলক টিকিট বিক্রি ও মাইল দিয়ে টিকিট নেওয়া শুরু।
- ৮ থেকে ১০ জানুয়ারি ২০২৭: ন্যাশনাল স্টেডিয়ামে তিনটি কনসার্ট।
ক্রিস+ অ্যাপে সদস্যরা ‘জে চৌ এসজি প্রায়োরিটি সেল রেজিস্ট্রেশন’ চ্যালেঞ্জের মাধ্যমে নিবন্ধন করবেন। সফল নিবন্ধনের পর চ্যালেঞ্জের বোতামের লেখা ‘স্টার্ট নাউ’ থেকে ‘রিওয়ার্ডেড’ হয়ে যাবে। এরপর অ্যাপের ‘প্রোমো কোডস’ ওয়ালেটে অ্যাকসেস কোড যোগ হবে এবং কোড ও টিকিটমাস্টারের বিক্রির লিংকসহ একটি ইমেইল পাঠানো হবে।
ক্রেতাদের বৈধ ও যাচাইকৃত টিকিটমাস্টার অ্যাকাউন্টও থাকতে হবে। বিক্রিতে টিকিটমাস্টারের ‘স্মার্ট কিউ’ ব্যবহার করা হবে, যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে কেনাকাটা করা বট ঠেকানোর ব্যবস্থা বলে এয়ারলাইনটি জানিয়েছে। ভক্তরা একাধিক কনসার্টের তারিখের সারিতে যোগ দিতে পারবেন।
মাইল দিয়ে টিকিট নেওয়ার নিয়ম
ক্রিসফ্লায়ার সদস্যরা নগদে কেনার বদলে পেলাগো-চালিত ক্রিসফ্লায়ার এক্সপেরিয়েন্সেসের মাধ্যমে মাইল ব্যবহার করতে পারবেন। বিভাগ ১ থেকে ৪-এর টিকিটের জন্য মাইল খরচ করা যাবে এবং একসঙ্গে দুই বা চারটি টিকিট নিতে হবে। ফলে এটি একক টিকিট নগদে কেনার পথ থেকে আলাদা।
প্রকাশিত বিনিময়হার অনুযায়ী, বিভাগ ১-এর এক জোড়া টিকিটের জন্য ৮২,০০০ মাইল, বিভাগ ২-এর জন্য ৭৪,০০০, বিভাগ ৩-এর জন্য ৬৬,০০০ এবং বিভাগ ৪-এর জন্য ৫৮,০০০ মাইল লাগবে। আসনপ্রতি হিসাব করলে এই হার যথাক্রমে ৪১,০০০, ৩৭,০০০, ৩৩,০০০ ও ২৯,০০০ মাইল; তবে টিকিট নির্ধারিত সংখ্যাতেই নিতে হবে।
সিঙ্গাপুর সময় অনুযায়ী ১৯ মে সকাল ১০টায় সলিটায়ার পিপিএস ক্লাবের সদস্য, সলিটায়ার পিপিএস ক্লাবের সম্পূরক কার্ডধারী, পিপিএস ক্লাবের সদস্য এবং ক্রিসফ্লায়ার এলিট গোল্ড সদস্যদের জন্য মাইল দিয়ে টিকিট নেওয়া শুরু হবে। এলিট সিলভারসহ অন্যান্য ক্রিসফ্লায়ার সদস্যরা সেদিন দুপুর ১২টা থেকে টিকিট নিতে পারবেন।
টিকিট কেবল মোবাইল ডিভাইসে পাওয়া যাবে এবং কনসার্টের ১৪ দিন আগে টিকিটমাস্টারের ওয়েবসাইটে দেখা যাবে। লেনদেন সম্পন্ন করা টিকিটমাস্টার অ্যাকাউন্টধারীর নাম—অর্থাৎ প্রধান ক্রেতার নাম—সব টিকিটে থাকবে।
শোর পেছনের কাজের সম্পর্ক
চৌয়ের বড় কনসার্ট প্রযোজনার পরিচালক হিসেবে পরিচিত জু পাও তাঁদের কাজের সম্পর্ককে না-বলা পারস্পরিক বোঝাপড়া হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তাঁর ভাষ্য, চৌয়ের এক ঝলক দৃষ্টিতেই প্রায়ই বোঝা যায় গায়ক কী চান।
এই পরিচিতির পাশাপাশি প্রযোজনার খুঁটিনাটির দিকেও নিবিড় মনোযোগ দিতে হয়। জু পাও চৌকে উদ্যোগী ও দৃঢ়প্রতিজ্ঞ বলে বর্ণনা করেছেন। তাঁর মতে, গায়কের প্রশ্নের উত্তর দিতে শোর প্রতিটি অংশ সম্পর্কে জানা জরুরি।
সিঙ্গাপুরের পরিকল্পিত প্রযোজনায় এই দায়িত্বগুলো একসঙ্গে আসছে: বিশাল যান্ত্রিক উন্মোচন, আগুন ও পানির প্রভাব, আলো, দৃশ্যায়ন এবং পরিবেশনা। পরিচালকের বর্ণনায়, দর্শকেরা শেষ পর্যন্ত যা দেখবেন, তার সিদ্ধান্তগুলোতে চৌ ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত।
কুইন স্ট্রিটে ছোট মঞ্চ
সিঙ্গাপুরের কুইন স্ট্রিটে নতুন লাইভহাউস ‘দ্য উওওওন’-এর শো পরিচালক হিসেবেও কাজ করেন জু পাও। লাইভহাউস হলো সরাসরি সংগীত পরিবেশনার জন্য তৈরি ভেন্যু; এখানে পরিবেশনার সঙ্গে খাবারও থাকছে।
৫,৫০০ বর্গফুটের এই ভেন্যুতে রয়েছে একটি প্রধান হল ও তিনটি ব্যক্তিগত কারাওকে কক্ষ; একসঙ্গে ২৫০ জন অতিথি থাকতে পারবেন। এর আয়োজনে থিমভিত্তিক পরিবেশনা, হলোগ্রাফিক প্রভাব ও অতিথি শিল্পীদের রাখার পরিকল্পনা রয়েছে।
ন্যাশনাল স্টেডিয়ামের তুলনায় ‘দ্য উওওওন’ জু পাওয়ের জন্য একেবারেই ভিন্ন পরিসর: কমসংখ্যক দর্শক, বিনোদনের পাশাপাশি খাবার, আর প্রধান পরিবেশনাস্থলের সঙ্গে ব্যক্তিগত কক্ষ। জু পাও বলেছেন, ধারণাটি সাংহাই ও কানাডায় সম্প্রসারিত হতে পারে, তবে সেসব স্থান এখনো ব্যবসা সম্প্রসারণের সম্ভাব্য পরিকল্পনা মাত্র।
মূল তথ্য
- জে চৌ ২০২৭ সালের ৮, ৯ ও ১০ জানুয়ারি সিঙ্গাপুরের ন্যাশনাল স্টেডিয়ামে পরিবেশনা করবেন।
- পরিচালক জু পাওয়ের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রযোজনায় থাকবে ৩০ মিটার উঁচু দুটি রোবট, যান্ত্রিক কাঠামোর উন্মোচন এবং আগুন ও পানির প্রভাব।
- সিঙ্গাপুরের থিমের নাম নেওয়া হয়েছে ২০০৩ সালে ‘ইয়ে হুই-মেই’ অ্যালবামে প্রকাশিত ‘সানি ডে’ গান থেকে।
- ক্রিসফ্লায়ার অগ্রাধিকারমূলক বিক্রিতে নগদে টিকিটের দাম বুকিং ফি ছাড়া ২৩৮ থেকে ৩৯৮ সিঙ্গাপুর ডলার।
- অগ্রাধিকারমূলক নিবন্ধন চলবে ২০২৬ সালের ৪ থেকে ১০ মে; বিক্রি শুরু হবে ১৯ মে।
- বিভাগ অনুযায়ী এক জোড়া টিকিটের জন্য লাগবে ৫৮,০০০ থেকে ৮২,০০০ মাইল।
- জু পাও কুইন স্ট্রিটের ২৫০ অতিথির ধারণক্ষমতাসম্পন্ন ভেন্যু ‘দ্য উওওওন’-এর শোও পরিচালনা করেন।






