হাকুরেই শিরোপায় পঞ্চম জয় খুলল নতুন পথ
২০২৭ সালের ১ এপ্রিল জাপানের প্রধান পেশাদার শোগি অঙ্গনে প্রবেশ করবেন তোমোকা নিশিয়ামা। ১৯২৪ সালে জাপান শোগি অ্যাসোসিয়েশন প্রতিষ্ঠার পর তিনিই হবেন এই অঙ্গনে পা রাখা প্রথম নারী। মর্যাদাপূর্ণ হাকুরেই নারী শিরোপা পঞ্চমবার জিতে যোগ্যতা অর্জনের পর, ২৬ অক্টোবর অ্যাসোসিয়েশন তাঁর আবেদন গ্রহণ করে।
সূচিপত্র
৩১ বছর বয়সী নিশিয়ামা টোকিওর সেন্দাগায়া এলাকার শোগি হলে তাঁর সিদ্ধান্তের কথা জানান। তিনি চতুর্থ দানে যোগ দেবেন, যা জাপানিতে ‘ইয়োদানে’ নামে পরিচিত এবং পেশাদার কিশির প্রারম্ভিক র্যাঙ্ক। শুরুতে তিনি মুক্ত শ্রেণিতে থাকবেন। এই শ্রেণিতে র্যাঙ্কিং লিগের বাইরের পেশাদার টুর্নামেন্টে অংশ নেওয়া যায়।
নির্ণায়ক ফল আসে ১০ অক্টোবর ইশিকাওয়া প্রিফেকচারের কানাজাওয়ায়। হাকুরেই চ্যাম্পিয়নশিপের পঞ্চম খেলায় ১১৮ চালে ৩৪ বছর বয়সী কানা ফুকুমাকে হারিয়ে ৪-১ ব্যবধানে সিরিজ জেতেন নিশিয়ামা। তাঁর পঞ্চম হাকুরেই শিরোপা ২০২৫ সালের জুনে চালু হওয়া যোগ্যতার নিয়ম পূরণ করে।
নিশিয়ামার হাতে ইতিমধ্যে চারটি নারী শিরোপা রয়েছে। নতুন পেশাদার সূচির পাশাপাশি নারী টুর্নামেন্টেও প্রতিদ্বন্দ্বিতা চালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা তাঁর। তাঁর এই পদক্ষেপে দুটি আলাদা পেশাদার ব্যবস্থার সংযোগ ঘটছে, যা এর আগে কোনো নারী অর্জন করেননি।
কেন দুটি পেশাদার ব্যবস্থা
শোগি জাপানের একটি কৌশলভিত্তিক বোর্ড গেম, যা দাবার মতো। এতে দুটি পেশাদার শ্রেণিবিন্যাস রয়েছে। কিশি মর্যাদা নারী-পুরুষ উভয়ের জন্য উন্মুক্ত। জোরিউ কিশি নারীদের জন্য আলাদা পেশাদার শ্রেণি, যার নিজস্ব র্যাঙ্ক ও শিরোপা প্রতিযোগিতা রয়েছে।
তাই কয়েক দশক ধরেই নারীরা পেশাদার শোগি খেলছেন। নিশিয়ামার এই অর্জন উন্মুক্ত কিশি র্যাঙ্কে প্রবেশ। অ্যাসোসিয়েশনের ইতিহাসে এই র্যাঙ্কে এত দিন শুধু পুরুষেরাই ছিলেন।
নারীদের ব্যবস্থায় নিশিয়ামার বর্তমান র্যাঙ্ক পঞ্চম দান। তিনি ২৪টি নারী শিরোপা জিতেছেন, যা এই ব্যবস্থার ইতিহাসে তৃতীয় সর্বোচ্চ। দুটি শ্রেণিবিন্যাসে র্যাঙ্কিং কাঠামো আলাদা হওয়ায় তিনি কিশি ব্যবস্থায় চতুর্থ দানে যোগ দেবেন। তাঁর নতুন প্রারম্ভিক র্যাঙ্কটি ভিন্ন একটি পেশাদার ব্যবস্থায় প্রবেশের প্রতিফলন।
দুই সপ্তাহ ভেবে নেওয়ার পর সিদ্ধান্ত
কানাজাওয়ায় জয়ের পরপরই সুযোগটি গ্রহণ করেননি নিশিয়ামা। চ্যাম্পিয়নশিপ চলাকালে তিনি শিরোপা ধরে রাখার দিকেই মনোযোগ দিয়েছিলেন এবং জানান, আশপাশের মানুষের সঙ্গে পরামর্শ করার জন্য তাঁর সময় দরকার।
ম্যাচ শেষে কেন সঙ্গে সঙ্গে সিদ্ধান্ত জানাতে পারেননি, তা ব্যাখ্যা করেন নিশিয়ামা:
আমি যেহেতু শুধু খেলায় মনোযোগ দেওয়ার চেষ্টা করছিলাম, তাই সঙ্গে সঙ্গে কোনো উত্তর দিতে পারছি না।
উত্তর দেওয়ার জন্য অ্যাসোসিয়েশন তাঁকে দুই সপ্তাহ সময় দেয়। সেই সময়সীমা ছিল শনিবার, ২৪ অক্টোবর; পরে তা বাড়িয়ে সোমবার, ২৬ অক্টোবর করা হয়। বিদ্যমান দায়িত্বের পাশাপাশি নতুন পেশাদার ক্যারিয়ার শুরু করবেন কি না, তা এই সময়ে ভেবে দেখেন নিশিয়ামা।
টোকিওতে আবেদন ঘোষণার সংবাদ সম্মেলনে নিশিয়ামা তাঁর প্রতি পাওয়া উৎসাহ এবং নিজের প্রতিযোগিতামূলক উচ্চাকাঙ্ক্ষার কথা বলেন:
"অনেকের কাছ থেকে আন্তরিক উৎসাহের কথা পেয়েছি। শক্তিশালী খেলোয়াড়দের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে এবং আরও উচ্চতায় পৌঁছাতে আমার ইচ্ছা কতটা প্রবল, সেটাও বুঝতে পেরেছি," তিনি বলেন।
তাঁর আবেদন অক্টোবরের চ্যাম্পিয়নশিপ জয়কে নির্ধারিত ক্যারিয়ার পরিবর্তনে রূপ দিয়েছে। পঞ্চম হাকুরেই শিরোপা জয়ের মাধ্যমে তিনি যোগ্যতা অর্জন করেন; ২০২৭ সালের ১ এপ্রিল কিশি র্যাঙ্কে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রবেশ করবেন।
যে নিয়ম তৈরি করল তৃতীয় পথ
জাপান শোগি অ্যাসোসিয়েশন ২০২৫ সালের জুনে যোগ্যতা অর্জনের নতুন পথ চালু করে। কোনো নারী পাঁচবার হাকুরেই শিরোপা জিতলে কিশি র্যাঙ্কে প্রবেশের অধিকার পাবেন। পঞ্চম শিরোপার সঙ্গে ‘কুইন হাকুরেই’ আজীবন উপাধিও দেওয়া হয়।
নারী পেশাদার শোগির সর্বোচ্চ মর্যাদার চ্যাম্পিয়নশিপ হলো হাকুরেই। ফলে এই নিয়মে নারী শিরোপা ব্যবস্থার শীর্ষ পর্যায়ে বারবার সাফল্যকে উন্মুক্ত পেশাদার র্যাঙ্কে প্রবেশের যোগ্যতা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।
মতভেদ থাকা সত্ত্বেও অ্যাসোসিয়েশন তাদের বার্ষিক সভায় সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে পরিবর্তনটি অনুমোদন করে। এটি গৃহীত হওয়ার আগে, কিশি মর্যাদা পেতে আগ্রহী নারীদের জন্য অ্যাসোসিয়েশনের প্রশিক্ষণ ব্যবস্থার মাধ্যমে পদোন্নতি অথবা পেশাদার ট্রান্সফার পরীক্ষায় সাফল্যই ছিল নির্ধারিত পথ।
পাঁচটি হাকুরেই শিরোপার মাধ্যমে যোগ্যতা অর্জনকারী প্রথম খেলোয়াড় হওয়ার আগে নিশিয়ামা ওই দুই পথেই চেষ্টা করেছিলেন। আগের বছর গৃহীত নিয়মটির বাস্তব ফল এখন তাঁর প্রবেশের মধ্য দিয়ে দেখা যাচ্ছে: নারী প্রতিযোগিতায় অর্জিত সাফল্য কিশি ব্যবস্থায় প্রবেশের সুযোগ এনে দিতে পারে।
আগের দুই প্রচেষ্টা ছিল খুব কাছাকাছি
ওসাকা প্রিফেকচারের ওসাকাসায়ামায় জন্ম নেওয়া নিশিয়ামা ২০১০ সালের মার্চে ১৪ বছর বয়সে পেশাদার শোগি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান শোরেইকাইয়ে যোগ দেন। এই প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে পদোন্নতি পেতে খেলোয়াড়দের চতুর্থ দানে পৌঁছাতে হয়; তৃতীয় দান লিগ হলো শেষ ধাপ।
২০২০ সালের মার্চে নিশিয়ামা লিগ শেষ করেন ১৪ জয় ও চার হারের রেকর্ড নিয়ে। তিন খেলোয়াড়ের জয়ের সংখ্যা সমান ছিল, কিন্তু পদোন্নতি পাওয়ার সুযোগ ছিল মাত্র দুজনের। লিগে আগে থেকে থাকা অবস্থানের ভিত্তিতে তাঁদের ক্রম নির্ধারণ করা হয়, ফলে শিনইচিরো হাত্তোরি ও হিরোকি তানিয়াই নিশিয়ামার চেয়ে এগিয়ে ছিলেন।
পদোন্নতির সুযোগ থেকে ঠিক বাইরে ছিলেন নিশিয়ামা। চতুর্থ দানে না পৌঁছেই ২০২১ সালে তিনি শোরেইকাই ছেড়ে দেন এবং নারী পেশাদার প্রতিযোগিতায় ক্যারিয়ার চালিয়ে যান।
পরে পেশাদার ট্রান্সফার পরীক্ষার মাধ্যমে আরেকটি সুযোগ আসে। ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৫ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত তিনি চতুর্থ দানের পাঁচজন খেলোয়াড়ের মুখোমুখি হন। পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে তিনটি জয় দরকার ছিল। তিনি দুবার জেতেন এবং তিনবার হারেন, ফলে একটি জয়ের জন্য পিছিয়ে থাকেন।
এই ফলগুলো দেখায়, আগের প্রচেষ্টাগুলোতে তিনি কতটা কাছাকাছি পৌঁছেছিলেন। প্রশিক্ষণ লিগে জয়ের সংখ্যা সমান হওয়ায় লিগে অবস্থানের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত হয়েছিল। ট্রান্সফার পরীক্ষায় একটি জয়ই ফল নির্ধারণ করে। শেষ পর্যন্ত হাকুরেইয়ের পথ নারী শিরোপা প্রতিযোগিতায় তাঁর অর্জনকে যোগ্যতা হিসেবে কাজে লাগানোর সুযোগ দেয়।
১ এপ্রিল কী বদলাবে?
২০২৭ সালের ১ এপ্রিল মুক্ত শ্রেণিতে চতুর্থ দানের পেশাদার হিসেবে যাত্রা শুরু করবেন নিশিয়ামা। মুক্ত শ্রেণি বার্ষিক র্যাঙ্কিং লিগ ‘জুনিসেন’-এর বাইরে। এই লিগে অংশগ্রহণকারী পেশাদারদের এ থেকে সি২ পর্যন্ত পাঁচটি বিভাগে ভাগ করা হয়।
তাই শুরুতে তাঁর টুর্নামেন্ট সূচিতে ওই র্যাঙ্কিং লিগের বাইরের প্রতিযোগিতাগুলো থাকবে। কিশি ব্যবস্থায় মুক্ত শ্রেণি একটি প্রাথমিক অবস্থান। এর ফলে তিনি পেশাদার প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে পারবেন, যদিও শুরুতে জুনিসেনের বাইরে থাকবেন।
শিরোপা রক্ষার প্রতিযোগিতাসহ নারী শিরোপা টুর্নামেন্টেও অংশ নেবেন নিশিয়ামা। বর্তমানে তাঁর হাতে হাকুরেই, সেইরেই, নারী মেইজিন ও নারী ওশো শিরোপা রয়েছে। ফলে তাঁর পরিকল্পনায় নতুন প্রতিদ্বন্দ্বিতার পাশাপাশি বর্তমান চ্যাম্পিয়ন হিসেবে দায়িত্বও থাকছে।
কিশি হিসেবে তাঁর প্রথম ম্যাচের তারিখ বা প্রতিপক্ষ ঘোষণা করা হয়নি। ১ এপ্রিল তাঁর নতুন মর্যাদা কার্যকর হবে; দিনটি প্রথম খেলার নিশ্চিত তারিখ নয়।
দুই ব্যবস্থাজুড়ে বিস্তৃত ক্যারিয়ার
নারী প্রতিযোগিতায় থাকার সিদ্ধান্ত নিশিয়ামার এই পদক্ষেপকে ঐতিহাসিক প্রথমের বাইরেও বাস্তব তাৎপর্য দিয়েছে। নারী শিরোপার অঙ্গন ছেড়ে না দিয়ে তিনি দুই পেশাদার শ্রেণিতেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে চান।
নারী শিরোপায় তাঁর ২৪টি জয় তাঁকে এই ব্যবস্থার সবচেয়ে সফল খেলোয়াড়দের একজন করে তুলেছে। পঞ্চম হাকুরেই চ্যাম্পিয়নশিপ ছিল সেই বৃহত্তর অর্জনের একটি অংশ। তবে যোগ্যতার নিয়মের কারণে এই শিরোপা নতুন তাৎপর্য পেয়েছে।
নির্ণায়ক সিরিজে তাঁর প্রতিপক্ষ ফুকুমার হাতেও চারটি নারী শিরোপা ছিল। সম্ভাব্য সাত ম্যাচের মধ্যে পাঁচটি খেলার পর শিরোপা নিশ্চিত করেন নিশিয়ামা; খেলা পাঁচটির চারটিতেই জেতেন তিনি। এই ফল একদিকে তাঁর শিরোপা ধরে রাখে, অন্যদিকে কিশি হওয়ার যোগ্যতার সীমাও পূরণ করে।
ঘোষণার সময় নারী পেশাদার শোগি গড়ে তোলা খেলোয়াড়দের কথাও স্বীকার করেন নিশিয়ামা:
"নারী পেশাদার শিরোপা ব্যবস্থার ইতিহাস ৫০ বছরেরও বেশি পুরোনো। আমার আগে যাঁরা এসেছেন, তাঁরাই এই ইতিহাস গড়ে তুলেছেন," বলেন নিশিয়ামা।
দুই ব্যবস্থাতেই অংশ নেওয়ার পরিকল্পনার অর্থ, উন্মুক্ত পেশাদার র্যাঙ্কে প্রতিদ্বন্দ্বিতা শুরু করলেও নারী চ্যাম্পিয়নশিপগুলো তাঁর কর্মজীবনের অংশ হয়ে থাকবে।
নতুন দিগন্তের পেছনের তারিখগুলো
কৈশোরে পেশাদার প্রশিক্ষণে যোগ দেওয়া থেকে শুরু করে নতুন যোগ্যতার নিয়ম এবং শেষ পর্যন্ত আবেদন করা পর্যন্ত বিস্তৃত নিশিয়ামার এই পথচলা। সুযোগটি কীভাবে তৈরি হয়েছে, তা গুরুত্বপূর্ণ ধাপগুলোতে দেখা যায়:
- মার্চ ২০১০: ১৪ বছর বয়সে শোরেইকাইয়ে যোগ দেন নিশিয়ামা।
- মার্চ ২০২০: ১৪-৪ রেকর্ড নিয়ে তৃতীয় দান লিগ শেষ করেন, তবে তিন খেলোয়াড়ের জয়ের সংখ্যা সমান হওয়ায় পদোন্নতির দুটি স্থানের একটিও পাননি।
- ২০২১: চতুর্থ দানে না পৌঁছেই শোরেইকাই ছেড়ে দেন।
- সেপ্টেম্বর ২০২৪ থেকে জানুয়ারি ২০২৫: পেশাদার ট্রান্সফার পরীক্ষায় দুটি জয় ও তিনটি হার নথিভুক্ত করেন।
- জুন ২০২৫: পাঁচটি হাকুরেই শিরোপার মাধ্যমে যোগ্যতা অর্জনের নিয়ম চালু করে অ্যাসোসিয়েশন।
- ১০ অক্টোবর ২০২৬: কানাজাওয়ায় ফুকুমাকে হারিয়ে পঞ্চম হাকুরেই চ্যাম্পিয়নশিপ জেতেন।
- ২৬ অক্টোবর ২০২৬: কিশি র্যাঙ্কে প্রবেশের তাঁর আবেদন গ্রহণ করে অ্যাসোসিয়েশন।
- ১ এপ্রিল ২০২৭: মুক্ত শ্রেণিতে চতুর্থ দানের কিশি হিসেবে তাঁর যাত্রা শুরুর কথা রয়েছে।
পরবর্তী নির্ধারিত গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হলো এপ্রিলে তাঁর আনুষ্ঠানিক প্রবেশ। এরপর টোকিওতে বর্ণিত চ্যালেঞ্জ শুরু করবেন নিশিয়ামা: আরও শক্তিশালী প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে লড়াই, পাশাপাশি নারী শোগির শীর্ষে নিজের অবস্থান ধরে রাখার চেষ্টা।
মূল বিষয়গুলো
- ২০২৭ সালের ১ এপ্রিল জাপানের প্রথম নারী কিশি হবেন তোমোকা নিশিয়ামা।
- পঞ্চম হাকুরেই শিরোপা তাঁকে যোগ্যতা এনে দেওয়ার পর ২৬ অক্টোবর তাঁর আবেদন গ্রহণ করে অ্যাসোসিয়েশন।
- চ্যাম্পিয়নশিপ সিরিজে কানা ফুকুমাকে ৪-১ ব্যবধানে হারান তিনি; নির্ণায়ক খেলাটি জেতেন ১১৮ চালে।
- ২০২৫ সালের জুনে চালু হওয়া নিয়মে পাঁচটি হাকুরেই শিরোপার মাধ্যমে যোগ্যতা অর্জনের সুযোগ রয়েছে।
- চতুর্থ দানে মুক্ত শ্রেণিতে যোগ দেবেন তিনি এবং শুরুতে র্যাঙ্কিং লিগের বাইরে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।
- নতুন পেশাদার ক্যারিয়ারের পাশাপাশি নারী শিরোপা প্রতিযোগিতায়ও অংশ নেওয়ার পরিকল্পনা নিশিয়ামার।






