ডেনমার্ক ওপেনে ইয়ামাগুচির বিপক্ষে ঘুরে দাঁড়িয়ে মৌসুমের নবম শিরোপা জিতলেন আন সে-ইয়ং

পড়তে 7 মিনিট
An Se-young Wins Ninth Title of Season After Denmark Open Comeback Against Yamaguchi

ছয় পয়েন্টে পিছিয়ে থেকেও জয়ের পথ খুঁজে নিলেন আন

নির্ধারক গেমে ৫-১১ পয়েন্টে পিছিয়ে থাকা এবং ডান পায়ে অস্বস্তি সত্ত্বেও ২০২৬ সালের ১৮ অক্টোবর ডেনমার্ক ওপেনের ফাইনালে জাপানের আকানে ইয়ামাগুচিকে হারান আন সে-ইয়ং। ওডেন্সের এসজেএফ ব্যাংক অ্যারেনায় ২১-২৩, ২১-১৪, ২১-১৮ ব্যবধানে জিতে টুর্নামেন্টে টানা দ্বিতীয় শিরোপা নিশ্চিত করেন দক্ষিণ কোরিয়ার এই বিশ্ব নম্বর ওয়ান।

সূচিপত্র
  1. ছয় পয়েন্টে পিছিয়ে থেকেও জয়ের পথ খুঁজে নিলেন আন
  2. শুরুর সুবিধা ইয়ামাগুচির
  3. দুই দফায় টানা পয়েন্টে বদলে যায় ফাইনাল
  4. পায়ের অস্বস্তিতে পরের টুর্নামেন্ট নিয়ে অনিশ্চয়তা
  5. ৬২ ম্যাচে ৬১ জয়ের তাৎপর্য
  6. আন-এর দিকে ক্রমেই হেলে পড়ছে প্রতিদ্বন্দ্বিতা
  7. ডেনমার্কে পাঁচ দেশের চ্যাম্পিয়ন
  8. পরের পরীক্ষা ফ্রান্সে
  9. মূল বিষয়

এই জয়ে মৌসুমে আন-এর রেকর্ড দাঁড়ায় ৬১ জয় ও এক হার, জয়ের হার ৯৮.৪ শতাংশ; টানা জয়ের সংখ্যা বেড়ে হয় ৪৪ ম্যাচ। বিশ্ব র‌্যাঙ্কিংয়ে তৃতীয় ইয়ামাগুচির বিপক্ষে টানা ১০টি ম্যাচ জিতেছেন তিনি।

ফাইনালটি চলে ৭৯ মিনিট। প্রথম গেম জিতে নেন ইয়ামাগুচি। তৃতীয় গেমে ব্যবধান বাড়ানোর হুমকি দেন এবং শেষদিকে বারবার আনকে চাপে ফেলেন। আন জেতা দুই গেমেই টানা পয়েন্ট নিয়ে জবাব দেন, কঠিন বিকেলকে পরিণত করেন শিরোপা ধরে রাখার আরেকটি সাফল্যে।

মৌসুমে তাঁর নবম আন্তর্জাতিক শিরোপা ছিল ডেনমার্কের এই শিরোপা। হিসাবটিতে রয়েছে ব্যাডমিন্টন ওয়ার্ল্ড ফেডারেশন ওয়ার্ল্ড ট্যুরের ছয়টি শিরোপা, এশিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপ, বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপ এবং এশিয়ান গেমসের সোনা। মৌসুমে তাঁর শিরোপার সংখ্যা ১০ বলেও উল্লেখ করা হয়েছে, যদিও এই সংখ্যা ওয়ার্ল্ড ট্যুরের ছয়টি শিরোপা এবং অন্য তিনটি চ্যাম্পিয়নশিপের হিসাবের সঙ্গে মেলে না।

শুরুর সুবিধা ইয়ামাগুচির

আন-এর বিপক্ষে সাম্প্রতিক কঠিন রেকর্ড বদলে দেওয়ার সুযোগ নিয়ে কোর্টে নামেন ইয়ামাগুচি। এর মধ্যে ছিল আগের মাসে এশিয়ান গেমসের ফাইনালে হারও। প্রথম গেমে তাঁর পারফরম্যান্স দেখিয়েছে, আনকে তিনি এখনো কতটা চ্যালেঞ্জ জানাতে পারেন।

৪-৬ পয়েন্টে পিছিয়ে থাকার পর টানা ছয় পয়েন্ট জিতে ১০-৬ ব্যবধানে এগিয়ে যান আন। বিরতিতে যান ১১-৮ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে। পরে ১৮-১৫ ব্যবধানেও এগিয়ে ছিলেন তিনি, অর্থাৎ গেম জিততে দরকার ছিল আর মাত্র তিন পয়েন্ট।

১৮-১৮-তে সমতা ফেরান ইয়ামাগুচি, এরপর লড়াই গড়ায় ২০-২০-তে। এ পর্যায়ে গেম জিততে একজন খেলোয়াড়কে দুই পয়েন্টের ব্যবধানে এগিয়ে থাকতে হয়। শেষদিকের লড়াইয়ে ভালো করেন ইয়ামাগুচি। আন-এর একটি ভুলের পর ২৩-২১ ব্যবধানে গেমটি জিতে নেন তিনি।

বিজ্ঞাপন

প্রথম গেমে এগিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি আন-এর ছন্দ নষ্ট করার সামর্থ্যেরও প্রমাণ দেন ইয়ামাগুচি। আন দুবার ভালো ব্যবধান গড়েছিলেন, কিন্তু কোনোটিই গেম শেষ করার জন্য যথেষ্ট হয়নি।

দুই দফায় টানা পয়েন্টে বদলে যায় ফাইনাল

দ্বিতীয় গেমে ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করেন আন, তবে তাৎক্ষণিকভাবে নয়। নেটের কাছে নিখুঁত শটে তাঁকে ভোগাতে থাকেন ইয়ামাগুচি এবং বিরতিতে ১১-৮ ব্যবধানে এগিয়ে যান।

১১-১৩ পয়েন্টে পিছিয়ে থাকা অবস্থায় টানা সাত পয়েন্ট জেতেন আন। এই ধারায় ১৮-১৩ ব্যবধানে এগিয়ে গিয়ে গেমের গতিপথ পাল্টে দেন তিনি। ২১-১৪ ব্যবধানে জিতে ম্যাচে ১-১ সমতা ফেরান।

নির্ধারক গেমে এরপর ভালো শুরু করেন ইয়ামাগুচি। আন ২-৬ পয়েন্টে পিছিয়ে পড়েন এবং ডান পায়ে অস্বস্তি অনুভব করে খেলা চালিয়ে যাওয়ার আগে জায়গাটি পরীক্ষা করে দেখেন। ব্যবধান বাড়িয়ে ৯-৩ করেন ইয়ামাগুচি এবং বিরতিতে যান ১১-৫ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে।

বিস্তারিত পয়েন্টের ধারাবিবরণীতে ছয় পয়েন্টের এই ব্যবধানই ছিল সবচেয়ে বড়। ব্যবধান কমিয়ে ৯-১২ করেন আন, এরপর টানা সাত পয়েন্ট জিতে ১৬-১২ ব্যবধানে এগিয়ে যান। এই সময়ে ইয়ামাগুচির শটগুলো ক্রমেই নেটে বা কোর্টের বাইরে পড়তে থাকে।

তির্যক স্ম্যাশের একটি সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে একটি পয়েন্টও পান আন। প্রথমে শটটি বাইরে ঘোষণা করা হয়েছিল, কিন্তু ভিডিও পর্যালোচনার পর সিদ্ধান্ত বদলে ভেতরে বলে ধরা হয়। চ্যালেঞ্জের মাধ্যমে খেলোয়াড় শাটলকক কোথায় পড়েছে, তা ইলেকট্রনিকভাবে পরীক্ষা করার অনুরোধ জানাতে পারেন।

ব্যবধান তিনবার দুই পয়েন্টে নামিয়ে এনে লড়াই চালিয়ে যান ইয়ামাগুচি। ২০-১৭ ব্যবধানে চ্যাম্পিয়নশিপ পয়েন্টে পৌঁছান আন; অর্থাৎ ম্যাচ জিততে তাঁর আর এক পয়েন্ট দরকার ছিল। প্রথম সুযোগটি ঠেকান ইয়ামাগুচি, তবে তাঁর শেষ রিটার্ন কোর্টের বাইরে চলে যায়। তাতে ২১-১৮ ব্যবধানে জয় নিশ্চিত হয় আন-এর।

পায়ের অস্বস্তিতে পরের টুর্নামেন্ট নিয়ে অনিশ্চয়তা

তৃতীয় গেমের শুরুতেই আন-এর শারীরিক অবস্থা ম্যাচের অংশ হয়ে ওঠে। সমস্যাটিকে কখনো ডান পা বা গোড়ালির অস্বস্তি, আবার কখনো অ্যাকিলিস টেন্ডনের কাছের ব্যথা হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। অ্যাকিলিস টেন্ডন হলো কাফের পেশিকে গোড়ালির সঙ্গে যুক্ত করা টিস্যু।

বিজ্ঞাপন

কোনো চিকিৎসাগত রোগনির্ণয় বা সমস্যার তীব্রতা সম্পর্কে কিছু জানানো হয়নি। খেলতে থাকেন আন। নির্ধারক গেমে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করার সময় লাফ কমিয়ে নড়াচড়া আরও নিয়ন্ত্রিত রাখেন তিনি।

তাৎক্ষণিকভাবে তাঁর জন্য বাস্তব সমস্যা হলো পরের প্রতিযোগিতার আগে অল্প সময়ের বিরতি। ডেনমার্ক ফাইনালের মাত্র দুই দিন পর, ২০ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়ার কথা ছিল ফ্রেঞ্চ ওপেন।

মৌসুমের শুরুতে চোটের কারণে জাপান ওপেনেও খেলেননি আন। তাই ওডেন্সে শেষ পর্যন্ত খেলা চালিয়ে যাওয়ার সাফল্যের পাশাপাশি সামনে রয়েছে কঠিন চ্যালেঞ্জ: ফ্রান্সে ভ্রমণ এবং প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই আরেকটি টুর্নামেন্টের প্রস্তুতি।

৬২ ম্যাচে ৬১ জয়ের তাৎপর্য

আন-এর ৬১-১ রেকর্ডে জয়ের হার প্রায় ৯৮.৪ শতাংশ। ৬১টি জয়কে ৬২টি ম্যাচ দিয়ে ভাগ করে এই হিসাব করা হয়েছে। এই মৌসুমে তাঁর একমাত্র হার মার্চে অল ইংল্যান্ড ওপেনের ফাইনালে।

ডেনমার্কের জয়ে তাঁর বর্তমান টানা জয়ের ধারা বেড়ে হয় ৪৪ ম্যাচ। এই দুই পরিসংখ্যান দুই ধরনের অর্জন তুলে ধরে: মৌসুমের রেকর্ডে এ বছর খেলা সব ম্যাচ অন্তর্ভুক্ত, আর জয়ের ধারায় রয়েছে তাঁর সর্বশেষ হার থেকে শুরু হওয়া বিরতিহীন সাফল্য।

তাঁর নয়টি শিরোপার মধ্যে আছে ওয়ার্ল্ড ট্যুরের শিরোপা এবং সেই হিসাবের বাইরে তিনটি বড় চ্যাম্পিয়নশিপ। ডেনমার্ক সুপার ৭৫০ পর্যায়ের টুর্নামেন্ট, যা বিডব্লিউএফ ওয়ার্ল্ড ট্যুরের একটি শ্রেণি। এশিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপ, বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপ ও এশিয়ান গেমস আলাদা প্রতিযোগিতা। এ কারণেই তাঁর আন্তর্জাতিক শিরোপার মোট সংখ্যা ওয়ার্ল্ড ট্যুরে জয়ের সংখ্যার চেয়ে বেশি।

জানুয়ারিতে মালয়েশিয়া ওপেন জিতে শিরোপা সংগ্রহ শুরু করেন আন। সেপ্টেম্বরে এশিয়ান গেমসে টানা দ্বিতীয়বার নারীদের একক শিরোপা জেতা প্রথম খেলোয়াড় হন তিনি। ফাইনালে আবারও ইয়ামাগুচিকে হারান।

পরের টুর্নামেন্টের আগে গুরুত্বপূর্ণ অর্জনগুলো:

  • জানুয়ারি: মালয়েশিয়া ওপেন জেতেন আন।
  • মার্চ: অল ইংল্যান্ড ওপেনের ফাইনালে হেরে মৌসুমের একমাত্র পরাজয়ের মুখে পড়েন তিনি।
  • সেপ্টেম্বর: এশিয়ান গেমসে নারীদের এককের শিরোপা ধরে রাখেন তিনি।
  • ১৮ অক্টোবর: টানা দ্বিতীয় বছর ডেনমার্ক ওপেন জেতেন তিনি।
  • ২০ অক্টোবর: ফ্রেঞ্চ ওপেন শুরু হওয়ার কথা ছিল।
বিজ্ঞাপন

আন-এর দিকে ক্রমেই হেলে পড়ছে প্রতিদ্বন্দ্বিতা

সর্বশেষ জয়ে ইয়ামাগুচির বিপক্ষে আন-এর ক্যারিয়ার রেকর্ড দাঁড়ায় ৩৯ ম্যাচে ২৪ জয় ও ১৫ হার। টানা ১০ জয় এমন এক প্রতিদ্বন্দ্বিতার ভারসাম্য বদলে দিয়েছে, যা একসময় অনেক বেশি সমানে সমান ছিল।

বর্তমান হিসাব থেকে এই জয়ের ধারা বাদ দিলে দেখা যায়, প্রথম ২৯ লড়াইয়ে আন-এর জয় ছিল ১৪টি, হার ১৫টি। ক্যারিয়ার লড়াইয়ে সামান্য পিছিয়ে থাকা অবস্থা থেকে এখন তিনি ৯ জয়ের ব্যবধানে এগিয়ে।

তবে এশিয়ান গেমসের তুলনায় ওডেন্সে অনেক কঠিন ফাইনাল উপহার দেন ইয়ামাগুচি। এশিয়ান গেমসে আন দুই গেমে জিতেছিলেন। ডেনমার্কে ইয়ামাগুচি প্রথম গেম জেতেন এবং নির্ধারক গেমের মাঝামাঝি সময়ে ছয় পয়েন্টে এগিয়ে ছিলেন।

ফাইনালে ওঠার পথে ইউক্রেনের পোলিনা বুখরোভা, ডেনমার্কের লিনে ক্রিস্টোফারসেন, ভারতের তানভি শর্মা এবং জাপানের নোজোমি ওকুহারাকে হারান আন। ওকুহারার বিপক্ষে তাঁর সেমিফাইনালের জয় আসে ২১-১৬, ২১-৮ স্কোরে। শিরোপার লড়াইয়ের আগে মৌসুমে তাঁর রেকর্ড ছিল ৬০-১।

চীনের বিশ্ব নম্বর দুই ওয়াং ঝিইকে ২১-১০, ২১-১৯ ব্যবধানে হারিয়ে ফাইনালে ওঠেন ইয়ামাগুচি। ফলে ফাইনালে মুখোমুখি হন এমন দুই খেলোয়াড়, যাঁরা দুজনই শীর্ষ প্রতিপক্ষকে দাপটের সঙ্গে হারিয়েছিলেন; তবে পরস্পরের বিপক্ষে তাঁদের লড়াইটি হয় অনেক দীর্ঘ।

ডেনমার্কে পাঁচ দেশের চ্যাম্পিয়ন

ব্যাডমিন্টন ডেনমার্ক তাদের টুর্নামেন্টের সমাপনী বিবৃতিতে আন-এর অর্জনকে গুরুত্বের কেন্দ্রে রেখেছে। সেখানে ২৪ বছর বয়সী দক্ষিণ কোরীয় খেলোয়াড়কে ব্যাডমিন্টনের ইতিহাসে নারীদের এককের সবচেয়ে সফল খেলোয়াড় বলা হয়েছে। তবে এই তুলনার ভিত্তি হিসেবে ক্যারিয়ারে শিরোপার সংখ্যা বা কোন কোন শ্রেণি বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে, তা ফেডারেশন জানায়নি।

ওডেন্সে ছয় দিন ধরে চলা প্রতিযোগিতার পাঁচটি বিভাগে পাঁচ দেশের খেলোয়াড়রা চ্যাম্পিয়ন হন। পুরুষদের এককের শিরোপা জেতেন ফ্রান্সের অ্যালেক্স লানিয়ে। ফাইনালে তিনি হারান ডেনমার্কের আন্দের্স আন্তনসেনকে।

মিশ্র দ্বৈত শিরোপা জেতেন চীনের জিয়াং ঝেন বাং ও ওয়েই ইয়া জিন। ফাইনালে স্বদেশি ফেং ইয়ান ঝে ও হুয়াং দং পিংকে ২১-১৮, ৮-২১, ২১-১৬ ব্যবধানে হারান তাঁরা। নারীদের দ্বৈত শিরোপা জেতেন মালয়েশিয়ার পার্লি তান ও থিনাহ মুরালিথারন। পুরুষদের দ্বৈতে জয় পান ইন্দোনেশিয়ার ফাজার আলফিয়ান ও মুহাম্মদ শোহিবুল ফিকরি।

দক্ষিণ কোরিয়ার পুরুষদের দ্বৈতের বিশ্ব নম্বর ওয়ান জুটি সিও সেউং-জে ও কিম ওন-হো সেমিফাইনালে মালয়েশিয়ার অ্যারন চিয়া ও সোহ উয়ি ইকের কাছে হেরে বিদায় নেয়। শেষ দিনে দক্ষিণ কোরিয়ার হয়ে শিরোপা জেতেন আন।

বিজ্ঞাপন

পরের পরীক্ষা ফ্রান্সে

ফ্রেঞ্চ ওপেনের শেষ ৩২-এ আন-এর পরবর্তী প্রতিপক্ষ হওয়ার কথা ছিল ভারতের পুসারলা ভি. সিন্ধুর। ওয়াং ও ইয়ামাগুচিরও প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার কথা ছিল। দুজনই এগিয়ে গেলে সেমিফাইনালে আবার আন-ইয়ামাগুচি লড়াই হতে পারত।

এর আগে ২০১৯, ২০২৪ ও ২০২৫ সালে ফ্রেঞ্চ ওপেন জিতেছিলেন আন। এবার জিতলে টুর্নামেন্টে তাঁর চতুর্থ শিরোপা এবং ডেনমার্কের পর মৌসুমে দশম শিরোপা হতো।

সামনে রয়েছে আরেকটি সাম্প্রতিক রেকর্ডের সমকক্ষ হওয়ার সুযোগ। ২০২৫ সালে ১১টি শিরোপা জিতে পুরুষ ও নারী একক মিলিয়ে এক মৌসুমে সবচেয়ে বেশি শিরোপার রেকর্ডে জাপানের কেন্তো মোমোতার সমান হন আন। ডেনমার্কে জয়ের পর সেই সংখ্যায় পৌঁছাতে তাঁর আর দুই শিরোপা দরকার। পরের টুর্নামেন্টও শুরু হচ্ছে প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই।

মূল বিষয়

  • ডেনমার্ক ওপেনের ফাইনালে আকানে ইয়ামাগুচিকে ২১-২৩, ২১-১৪, ২১-১৮ ব্যবধানে হারান আন সে-ইয়ং।
  • ডান পায়ে অস্বস্তি থাকা অবস্থায় নির্ধারক গেমে ৫-১১ ব্যবধানে পিছিয়ে থেকেও ঘুরে দাঁড়ান তিনি।
  • জয়ে তাঁর টানা জয়ের সংখ্যা বেড়ে হয় ৪৪ ম্যাচ এবং মৌসুমের রেকর্ড দাঁড়ায় ৬১-১।
  • ইয়ামাগুচির বিপক্ষে টানা ১০ ম্যাচ জিতেছেন আন। দুজনের ক্যারিয়ার লড়াইয়ে তিনি ২৪-১৫ ব্যবধানে এগিয়ে।
  • ছয়টি ওয়ার্ল্ড ট্যুর শিরোপা ও অন্য তিনটি চ্যাম্পিয়নশিপের হিসাবে ডেনমার্ক ছিল তাঁর নবম শিরোপা।
  • পরবর্তী নির্ধারিত টুর্নামেন্ট ছিল ২০ অক্টোবর শুরু হওয়ার কথা থাকা ফ্রেঞ্চ ওপেন।
এই নিবন্ধটি শেয়ার করুন

আপনার পছন্দ হতে পারে