লেইলা ফার্নান্দেজকে ৬-২, ৬-২ গেমে হারিয়ে নিংবো শিরোপা ধরে রাখলেন এলেনা রিবাকিনা

পড়তে 7 মিনিট
Elena Rybakina retains Ningbo title with 6-2, 6-2 win over Leylah Fernandez

চতুর্থ ট্রফি, বিশ্বসেরা হওয়ার পর প্রথম শিরোপা

২৫ অক্টোবর, ২০২৬-এ নিংবো ওপেনের শিরোপা ধরে রেখেছেন এলেনা রিবাকিনা। কানাডার লেইলা ফার্নান্দেজকে ১ ঘণ্টা ১৭ মিনিটে ৬-২, ৬-২ গেমে হারান তিনি। এই জয়ে মৌসুমে কাজাখস্তানের এই খেলোয়াড়ের শিরোপাসংখ্যা দাঁড়াল চারে, ক্যারিয়ারে ১৫-তে। বিশ্ব র‍্যাঙ্কিংয়ের এক নম্বর হওয়ার পর এটিই তাঁর প্রথম শিরোপা।

সূচিপত্র
  1. চতুর্থ ট্রফি, বিশ্বসেরা হওয়ার পর প্রথম শিরোপা
  2. প্রথমে হুমকি দিয়েছিলেন ফার্নান্দেজ, নিয়ন্ত্রণ নেন রিবাকিনা
  3. চারটি সার্ভিস ব্রেকেই গড়ে দেয় পার্থক্য
  4. ফাইনালে ওঠার দুই ভিন্ন পথ
  5. কানাডীয় ফাইনালিস্টের কঠিন সপ্তাহ
  6. স্টুটগার্টের তুলনায় অনেক ছোট লড়াই
  7. ৫০০ পয়েন্ট ধরে রাখার গুরুত্ব
  8. এরপর টোকিও, তারপর মৌসুমের শেষ আসর
  9. মূল বিষয়গুলো

পাঁচটি ব্রেক পয়েন্টের মধ্যে চারটি কাজে লাগান রিবাকিনা এবং ফার্নান্দেজের পাওয়া চারটি ব্রেক পয়েন্টই ঠেকিয়ে দেন। ফাইনালের চিত্র এসের সংখ্যার চেয়ে এই পরিসংখ্যানেই স্পষ্ট: রিবাকিনা তিনটি এবং ফার্নান্দেজ দুটি এস মারলেও, সেটের নিয়ন্ত্রণ বদলে দিতে পারে এমন পয়েন্টগুলো বারবার জিতেছেন রিবাকিনা।

শীর্ষ বাছাই রিবাকিনা পেয়েছেন র‍্যাঙ্কিংয়ের ৫০০ পয়েন্ট ও ১ লাখ ৮৫ হাজার ৫০০ ডলার প্রাইজমানি। ৩০ নম্বরে থাকা এবং ক্যারিয়ারের ১০ম ট্যুর ফাইনাল খেলা ফার্নান্দেজ পেয়েছেন ৩২৫ পয়েন্ট ও ১ লাখ ১৪ হাজার ৫০০ ডলার।

মৌসুমে রিবাকিনার শিরোপার তালিকায় নিংবোর সঙ্গে আছে অস্ট্রেলিয়ান ওপেন, স্টুটগার্ট ও ইউএস ওপেন। ২০২৬ সালে ৫৩তম ম্যাচ জয়ে ট্যুরে জয়ের সংখ্যায় তাঁর ব্যবধান আরও বেড়েছে। আর চতুর্থ ট্রফি জিতে মৌসুমে শিরোপাসংখ্যায় এককভাবে শীর্ষে উঠেছেন তিনি।

প্রথমে হুমকি দিয়েছিলেন ফার্নান্দেজ, নিয়ন্ত্রণ নেন রিবাকিনা

দ্বিতীয় গেমে রিবাকিনার সার্ভিসে ব্রেক পয়েন্ট আদায় করে প্রথম সুযোগ তৈরি করেন ফার্নান্দেজ। তবে সার্ভিস ধরে রাখেন রিবাকিনা, স্কোর না বদলেই মিলিয়ে যায় কানাডীয় খেলোয়াড়ের শুরুর দিকের সুযোগগুলো।

ব্রেক পয়েন্ট হলো এমন সুযোগ, যখন সার্ভিস গ্রহণকারী খেলোয়াড় গেম জিততে পারেন। সাধারণত সার্ভিসদাতা সুবিধাজনক অবস্থানে থাকেন বলে ব্রেক পয়েন্ট কাজে লাগালে ম্যাচের মোড় দ্রুত ঘুরে যেতে পারে। শুরুতে এমন সুযোগ তৈরি করেছিলেন ফার্নান্দেজ, কিন্তু সেগুলো কাজে লাগিয়ে এগিয়ে যান রিবাকিনা।

২-১ গেমে এগিয়ে থাকার পর টানা পাঁচটি গেম জেতেন রিবাকিনা। পঞ্চম গেমে সার্ভিস ভেঙে ব্যবধান গড়েন তিনি। এরপর ৪-২-এ এগিয়ে যাওয়ার গেমে ক্রসকোর্টে শক্তিশালী ব্যাকহ্যান্ড উইনার মারেন। ফের সার্ভিস ভেঙে শেষ গেমে একটি পয়েন্টও না হারিয়ে সেট জেতেন রিবাকিনা।

প্রথম সেটটি চলে ৩৮ মিনিট। ফার্নান্দেজ প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ শুরু করলেও নিজের সার্ভিস ধরে রাখা এবং কানাডীয় খেলোয়াড়ের সার্ভিস গেমে আক্রমণ চালানোর দক্ষতায় লড়াইয়ের শুরুটা ৬-২ স্কোরে শেষ করেন রিবাকিনা।

বিজ্ঞাপন

চারটি সার্ভিস ব্রেকেই গড়ে দেয় পার্থক্য

দ্বিতীয় সেটের শুরুতে সার্ভিস ধরে রাখেন ফার্নান্দেজ। তবে তৃতীয় গেমে সার্ভিস ভেঙে ৩-১-এ এগিয়ে যান রিবাকিনা। সেটে ব্রেক ফিরিয়ে আনার দুটি সুযোগ পেয়েছিলেন কানাডীয় খেলোয়াড়; দুটিই ঠেকিয়ে নিজের সুবিধা ধরে রাখেন রিবাকিনা।

আরেকটি সার্ভিস ব্রেক রিবাকিনাকে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার জন্য সার্ভিস করার সুযোগ এনে দেয়। একই ৬-২ ব্যবধানে দ্বিতীয় সেট জিতে ম্যাচ শেষ করেন তিনি। পুরো ম্যাচে কাজাখস্তানের খেলোয়াড়ের সার্ভিসে কোনো গেমই জিততে পারেননি ফার্নান্দেজ।

ব্রেক পয়েন্ট কাজে লাগানোর হার ছিল রিবাকিনার ৮০ শতাংশ: পাঁচটি সুযোগের মধ্যে চারটি সফল। ফার্নান্দেজ চারটির একটিও কাজে লাগাতে পারেননি। ফাইনালের ১৬ গেমের মধ্যে ১২টি জিতেছেন রিবাকিনা, ফার্নান্দেজ চারটি; ব্যবধান তিনের বিপরীতে এক।

রিবাকিনা দুটি ডাবল ফল্টও করেছেন, অর্থাৎ পরপর দুই সার্ভই বাইরে মেরে পয়েন্ট হারিয়েছেন। তাঁর সাফল্য শুধু সার্ভিসে প্রতিপক্ষের ভুল থেকে আসেনি: মাত্র তিনটি এস মেরেও প্রতিটি সার্ভিস গেম জিতেছেন এবং প্রতি সেটে ফার্নান্দেজের সার্ভিস দুবার করে ভেঙেছেন।

ফাইনালে ওঠার দুই ভিন্ন পথ

টুর্নামেন্টে মাত্র একটি সেট হেরে ফাইনালে ওঠেন রিবাকিনা। দ্বিতীয় রাউন্ডে সরাসরি খেলার সুযোগ পাওয়ার পর পোলিনা কুদেরমেতোভার বিপক্ষে ৫-০-তে এগিয়ে ছিলেন তিনি। প্রায় আধঘণ্টা খেলার পর ম্যাচ ছেড়ে দেন কুদেরমেতোভা।

কোয়ার্টার ফাইনালে পোল্যান্ডের বাছাইপর্ব পেরিয়ে আসা খেলোয়াড় কাতারঝিনা কাওয়ার বিপক্ষে বেশি কঠিন পরীক্ষায় পড়েন রিবাকিনা। ৬-১, ৩-৬, ৬-১ গেমে জেতেন তিনি। মাঝের সেটটি হারানোর পর নির্ণায়ক সেটে স্বচ্ছন্দে জয় নিশ্চিত করেন।

এরপর ষষ্ঠ বাছাই ডায়ানা শ্নাইডার সেমিফাইনালে ৬-৩, ৭-৫ স্কোরের চেয়েও বেশি চাপে ফেলেছিলেন রিবাকিনাকে। প্রথম সেট শেষ করতে ১১টি সেট পয়েন্ট লেগেছিল তাঁর। দ্বিতীয় সেটে ম্যাচ জয়ের জন্য সার্ভিস করার সময় একটি পয়েন্টও না জিতে সার্ভিস খোয়ান তিনি, তবে শেষ পর্যন্ত জয় নিশ্চিত করেন।

প্রথম তিনটি ম্যাচে কোর্টে প্রায় আট ঘণ্টা কাটিয়েছেন ফার্নান্দেজ; প্রতিটিই গড়ায় নির্ণায়ক সেটে। এলিস মার্টেন্সকে ২-৬, ৬-৩, ৭-৫, আলিয়াকসান্দ্রা সাসনোভিচকে ৭-৫, ৬-৭ (৩), ৬-৩ এবং একাতেরিনা আলেক্সান্দ্রোভাকে ৪-৬, ৬-২, ৬-১ গেমে হারান তিনি। মার্টেন্সের বিপক্ষে শেষ সেটে ৩-৫-এ পিছিয়ে থেকেও টানা চার গেম জিতে ঘুরে দাঁড়ান।

বিজ্ঞাপন

কানাডীয় ফাইনালিস্টের কঠিন সপ্তাহ

মারি বুজকোভাকে ৬-৩, ৭-৫ গেমে হারিয়ে ফাইনালে জায়গা করে নেন ফার্নান্দেজ। দুই সেটে নিষ্পত্তি হলেও ম্যাচটি চলে প্রায় দুই ঘণ্টা। ফাইনালে উঠতে তাঁকে চারটি ম্যাচ পুরো খেলতে হয়েছে। অন্যদিকে, রিবাকিনা পুরো খেলেছেন দুটি ম্যাচ; আরেকটি ম্যাচে প্রতিপক্ষ শুরুতেই অবসর নেন।

এশিয়া সুইংয়ের শুরু থেকে ফাইনালে ওঠার আগ পর্যন্ত ফার্নান্দেজের জয়ের-হারের রেকর্ড ছিল ১১-২। মৌসুমের এই পর্যায়ে এশিয়ায় অনুষ্ঠিত টুর্নামেন্টগুলোর ধারাবাহিকতাকে বলা হয় এশিয়া সুইং। সেপ্টেম্বরে সিঙ্গাপুর টেনিস ওপেন জিতেছিলেন তিনি, আর টানা দ্বিতীয় মাসে আরেকটি শিরোপা জয়ের লক্ষ্যে ছিলেন।

ট্রফি বিতরণী অনুষ্ঠানে ফার্নান্দেজের ব্যস্ত সূচি এবং তাঁর সাম্প্রতিক সাফল্যের কথা উল্লেখ করেন রিবাকিনা। প্রতিপক্ষ ও তাঁকে সহায়তাকারীদের অভিনন্দন জানান নিংবো চ্যাম্পিয়ন:

চমৎকার একটি সপ্তাহের জন্য লেইলাকে অভিনন্দন জানাতে চাই। অনেক কঠিন ম্যাচ, অনেক কঠিন জয়। তোমাকে ও তোমার দলকে অভিনন্দন।

রানার্সআপ ফার্নান্দেজ রিবাকিনাকে অভিনন্দন জানান এবং টানা আরেকটি দীর্ঘ টুর্নামেন্ট-যাত্রার পর নিজের দলের মনোযোগের কথা বলেন:

চমৎকার একটি সপ্তাহ ও দারুণ একটি বছরের জন্য এলেনাকে অভিনন্দন জানাতে চাই। বছরের শেষটা আমাদের ভালো কাটছে। আমাদের শুধু এগিয়ে যেতে হবে, কঠোর পরিশ্রম চালিয়ে যেতে হবে। সব সময় আমাকে সমর্থন করা এবং কঠিন মুহূর্তে আমার ওপর বিশ্বাস রাখার জন্য পরিবারকে ধন্যবাদ জানাতে চাই।

স্টুটগার্টের তুলনায় অনেক ছোট লড়াই

নিংবোতে এটি ছিল দুই খেলোয়াড়ের ক্যারিয়ারের ষষ্ঠ সাক্ষাৎ। ম্যাচের আগে ৩-২ ব্যবধানে এগিয়ে ছিলেন রিবাকিনা। টানা তৃতীয় সাক্ষাতে জিতে ব্যবধান ৪-২ করেন তিনি।

এই মৌসুমে স্টুটগার্টের কোয়ার্টার ফাইনালে তাঁদের আগের ম্যাচটি ঠিক তিন ঘণ্টা চলেছিল। ক্লে কোর্টে ৬-৭ (৫), ৬-৪, ৭-৬ (৬) গেমে জেতার আগে দুটি ম্যাচ পয়েন্ট ঠেকান রিবাকিনা। নিংবো ফাইনালটি ছিল এর চেয়ে ১০৩ মিনিট কম সময়ের।

দুই ম্যাচেই ব্রেক পয়েন্ট কাজে লাগানোর বিষয়টি ফলাফলে গুরুত্বপূর্ণ ছিল। স্টুটগার্টে আটটি সুযোগের মধ্যে চারটি কাজে লাগিয়েছিলেন রিবাকিনা, আর ফার্নান্দেজ ১৪টির মধ্যে তিনটি। নিংবোতে রিবাকিনা মাত্র পাঁচটি সুযোগে চারবার সার্ভিস ভাঙেন, আর ফার্নান্দেজের প্রতিটি সুযোগ ঠেকিয়ে দেন।

হার্ড কোর্টে তাঁদের প্রথম চার সাক্ষাৎ সমানভাবে ভাগ হয়েছিল। রোববারের ফলে ওই কোর্টে রিবাকিনা আরেকটি জয় পেলেন; ক্লে কোর্টে তাঁদের সাম্প্রতিক লড়াইয়ের তুলনায় অনেক কম সময়ে।

বিজ্ঞাপন

৫০০ পয়েন্ট ধরে রাখার গুরুত্ব

ইউএস ওপেন জয়ের পর ১৪ সেপ্টেম্বর প্রথমবারের মতো বিশ্ব র‍্যাঙ্কিংয়ের এক নম্বরে ওঠেন রিবাকিনা। ওই র‍্যাঙ্কিং নিয়ে নিংবোই ছিল তাঁর প্রথম টুর্নামেন্ট জয়, যা মৌসুম শেষে শীর্ষে থাকার লড়াইয়ে তাঁর অবস্থান আরও শক্ত করেছে।

র‍্যাঙ্কিংয়ের ৫০০ পয়েন্টের বিষয়টি একটু ব্যাখ্যা করা প্রয়োজন। টেনিস র‍্যাঙ্কিং সাধারণত প্রায় এক বছরের চলমান সময়সীমার ফলাফলের ভিত্তিতে হিসাব করা হয়। কোনো খেলোয়াড় ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন হিসেবে টুর্নামেন্টে ফিরলে, আগের ফলাফলের পয়েন্ট নতুন ফলাফলের জায়গা নেওয়ার সময় র‍্যাঙ্কিং হিসাব থেকে বাদ পড়ে।

নিংবোতে আগেরবারের ৫০০ পয়েন্ট ধরে রাখার দায়িত্ব ছিল রিবাকিনার, এবারও তিনি ৫০০ পয়েন্ট পেয়েছেন। ফলে জয় তাঁর র‍্যাঙ্কিংয়ের মোট পয়েন্টে আরও ৫০০ যোগ করেনি; বরং গত বছরের শিরোপা থেকে পাওয়া পয়েন্টের সমান মূল্য ধরে রেখেছে।

ফাইনালে ওঠায় ৩২৫ পয়েন্ট পেয়েছেন ফার্নান্দেজ, চ্যাম্পিয়নের চেয়ে ১৭৫ কম। প্রাইজমানিতে ব্যবধান ছিল ৭১ হাজার ডলার: রিবাকিনা পেয়েছেন ১ লাখ ৮৫ হাজার ৫০০ ডলার, ফার্নান্দেজ ১ লাখ ১৪ হাজার ৫০০ ডলার।

নিংবোতে ব্যক্তিগত একটি মাইলফলকও গড়েছেন রিবাকিনা: প্রথমবারের মতো কোনো টুর্নামেন্টের শিরোপা সফলভাবে ধরে রেখেছেন তিনি। এ বছর স্টুটগার্টে আগেই দ্বিতীয়বারের মতো চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলেন, তবে একই টুর্নামেন্টে টানা দুই মৌসুমে জয় ছিল নিংবোতে তাঁর প্রথম।

এরপর টোকিও, তারপর মৌসুমের শেষ আসর

এরপর টোকিওতে ডব্লিউটিএ ৫০০ আসর প্যান প্যাসিফিক ওপেনে খেলার কথা রয়েছে রিবাকিনার। গত বছর সেখানে সেমিফাইনালে উঠেছিলেন তিনি। এবারও সেই ফলের র‍্যাঙ্কিং পয়েন্ট ধরে রাখতে হবে তাঁকে।

পরবর্তী গুরুত্বপূর্ণ তারিখ ৮ নভেম্বর। সেদিন ইন্ডিয়ান ওয়েলসে ডব্লিউটিএ ফাইনালসের শিরোপা ধরে রাখার লড়াই শুরু করার কথা তাঁর। বছর শেষে এক নম্বর র‍্যাঙ্কিং কার হবে, তা এখনো নির্ধারিত হয়নি।

সাম্প্রতিক সূচিতে বেইজিং ও উহানে ব্যর্থতার পর আবারও কঠিন সময়ের মুখে নিংবোর এই জয়। গুরুত্বপূর্ণ তারিখ ও ফলাফল:

  • ১৪ সেপ্টেম্বর: ইউএস ওপেন জয়ের পর বিশ্ব র‍্যাঙ্কিংয়ের এক নম্বরে ওঠেন রিবাকিনা।
  • ২৫ অক্টোবর: নিংবোতে ফার্নান্দেজকে হারিয়ে ২০২৬ সালের চতুর্থ শিরোপা জেতেন তিনি।
  • পরের সপ্তাহ: টোকিওর প্যান প্যাসিফিক ওপেনে খেলার কথা রয়েছে তাঁর।
  • ৮ নভেম্বর: ইন্ডিয়ান ওয়েলসে ডব্লিউটিএ ফাইনালসের শিরোপা ধরে রাখার লড়াই শুরু হওয়ার কথা।

দুইবার অংশ নিয়ে দুবারই জেতার পর নিংবোর সঙ্গে নিজের সম্পর্কের কথা বলেন রিবাকিনা:

এখানে আমার দ্বিতীয় বছর, দ্বিতীয় জয়। জায়গাটি আমার কাছে খুবই বিশেষ। নিংবোকে অনেক ধন্যবাদ। শিয়ে শিয়ে,

সমর্থনের জন্য দর্শকদেরও ধন্যবাদ জানান চ্যাম্পিয়ন:

আপনাদের সামনে খেলা দারুণ। খেলা চালিয়ে যাওয়ার জন্য এটি সব সময় অনেক প্রেরণা ও শক্তি জোগায়।

বিজ্ঞাপন

মূল বিষয়গুলো

  • ৭৭ মিনিটে লেইলা ফার্নান্দেজকে ৬-২, ৬-২ গেমে হারিয়ে নিংবো ওপেনের শিরোপা ধরে রেখেছেন এলেনা রিবাকিনা।
  • পাঁচটি ব্রেক পয়েন্টের চারটি কাজে লাগিয়েছেন এবং ফার্নান্দেজের তৈরি করা চারটি সুযোগই ঠেকিয়েছেন তিনি।
  • জয়টি ২০২৬ সালে তাঁর চতুর্থ, ক্যারিয়ারের ১৫তম এবং বিশ্ব র‍্যাঙ্কিংয়ের এক নম্বর হওয়ার পর প্রথম শিরোপা।
  • রিবাকিনা পেয়েছেন র‍্যাঙ্কিংয়ের ৫০০ পয়েন্ট ও ১ লাখ ৮৫ হাজার ৫০০ ডলার; ফার্নান্দেজ পেয়েছেন ৩২৫ পয়েন্ট ও ১ লাখ ১৪ হাজার ৫০০ ডলার।
  • রিবাকিনার পরবর্তী সূচিতে টোকিও রয়েছে। এরপর ৮ নভেম্বর থেকে ইন্ডিয়ান ওয়েলসে ডব্লিউটিএ ফাইনালসের শিরোপা ধরে রাখার লড়াই করবেন তিনি।
এই নিবন্ধটি শেয়ার করুন

আপনার পছন্দ হতে পারে