বছর শেষ হওয়ার আগেই স্ট্রিমিংয়ের রেকর্ড
বিটিএস ১৬ অক্টোবরের মধ্যে ২০২৬ সালে স্পটিফাইয়ে ১০ বিলিয়ন স্ট্রিম ছাড়িয়েছে। সংস্থাটির এজেন্সি বিগ হিট মিউজিকের তথ্য অনুযায়ী, এক বছরে এই মাইলফলকে পৌঁছানো প্রথম গোষ্ঠী বিটিএস। সামরিক বাহিনীতে দায়িত্ব পালন শেষে সাত সদস্যের পুনর্মিলন এবং ২০ মার্চ তাদের পঞ্চম স্টুডিও অ্যালবাম ARIRANG প্রকাশের পর এই অর্জন এসেছে।
সূচিপত্র
গোষ্ঠীটির বার্ষিক স্ট্রিমের সংখ্যা ২০২৫ সালের আনুমানিক ৪.৫ বিলিয়ন থেকে ২০২৬ সালে ইতিমধ্যে ১০ বিলিয়নের বেশি হয়েছে। এজেন্সির হিসাবে, এই বৃদ্ধি ১২২ শতাংশ। বছর শেষ হতে দুই মাসেরও বেশি সময় বাকি থাকতেই বিটিএস এই মাইলফলকে পৌঁছেছে।
টেইলর সুইফট, আরিয়ানা গ্র্যান্ডে ও ব্যাড বানি একক শিল্পী হিসেবে আগে ১০ বিলিয়ন বার্ষিক স্ট্রিমের মাইলফলক ছুঁয়েছেন। বিগ হিট মিউজিক জানিয়েছে, তাদের সঙ্গে এই রেকর্ডে যোগ দেওয়া প্রথম গোষ্ঠী বিটিএস। একসঙ্গে গান রেকর্ড ও ট্যুরে ফেরার মধ্য দিয়ে গড়া বছরে নতুন এই রেকর্ড যোগ হলো।
এই বৃদ্ধিতে ARIRANG অ্যালবামের বড় ভূমিকা রয়েছে। ১৪ অক্টোবরের মধ্যে অ্যালবামটি স্পটিফাইয়ে ৫ বিলিয়ন স্ট্রিম ছাড়িয়েছে এবং ২০২৬ সালে প্রকাশিত অ্যালবামগুলোর মধ্যে প্ল্যাটফর্মটিতে সবচেয়ে বেশি স্ট্রিম হওয়া অ্যালবাম হিসেবে শীর্ষে রয়েছে। এর মোট স্ট্রিম গোষ্ঠীটির বার্ষিক সংখ্যার প্রায় অর্ধেক, যা দেখায় মার্চে প্রকাশিত অ্যালবামটি এই মাইলফলকে কতটা অবদান রেখেছে।
স্ট্রিম বলতে আলাদা শ্রোতার সংখ্যা নয়, বরং গান চালানোর হিসাব বোঝায়। একজন একই গান বারবার শুনতে পারেন, আর প্রতিবারের নিয়মমাফিক প্লে মোট সংখ্যায় যোগ হয়। তাই বিটিএসের ১০ বিলিয়ন সংখ্যাটি বছরজুড়ে তাদের গানের মোট শোনার পরিমাণ বোঝায়, আর অ্যালবামের ৫ বিলিয়ন সংখ্যাটি প্রকাশের পর থেকে ARIRANG শোনার হিসাব।
শোনার পরিমাণ কতটা বেড়েছে?
২০২৫ সালে আনুমানিক ৪.৫ বিলিয়ন থেকে ২০২৬ সালে ১০ বিলিয়নের বেশি স্ট্রিমে বিটিএসের উত্থান মানে অন্তত ৫.৫ বিলিয়ন অতিরিক্ত প্লে। এই বৃদ্ধির পরিমাণই আগের বছরে গোষ্ঠীটির মোট স্ট্রিমের চেয়ে বেশি।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা ১২২ শতাংশ বৃদ্ধি মানে শোনার পরিমাণ দ্বিগুণেরও বেশি হয়েছে। ১০০ শতাংশ বৃদ্ধি হলে ৪.৫ বিলিয়ন স্ট্রিম বেড়ে ৯ বিলিয়ন হতো; এর চেয়ে বেশি বৃদ্ধির ফলে বিটিএস ১০ বিলিয়নের সীমা ছাড়িয়েছে।
তবে এই তুলনায় অসম্পূর্ণ একটি বছরকে সম্পূর্ণ বছরের সঙ্গে মেলানো হয়েছে। ২০২৬ সালের হিসাব ১৬ অক্টোবর পর্যন্ত, আর আনুমানিক ৪.৫ বিলিয়নের সংখ্যাটি ২০২৫ সালের পুরো বছরের। অর্থাৎ চলতি বছর শেষ হওয়ার অনেক আগেই বিটিএস আগের বছরের মোট স্ট্রিম ছাড়িয়ে গেছে।
পুনর্মিলনে বড় প্রকাশনা ছিল ARIRANG
প্রায় চার বছরে পূর্ণ গোষ্ঠী হিসেবে বিটিএসের প্রথম কাজ ARIRANG। পুনর্মিলনের আগে সাত সদস্যই বাধ্যতামূলক সামরিক দায়িত্ব পালন শেষ করেছিলেন। একসঙ্গে কাজ শুরু করার প্রত্যাবর্তনে অ্যালবামটি হয়ে ওঠে মূল আকর্ষণ।
পঞ্চম স্টুডিও অ্যালবামটির ১৪টি গান ২০ মার্চ স্পটিফাইয়ে প্রকাশিত হয়। প্রকাশের দিনেই অ্যালবামটি ১১০ মিলিয়ন স্ট্রিম ছাড়ায়। এর পর অক্টোবরে মোট স্ট্রিম ৫ বিলিয়ন ছাড়িয়ে যাওয়ার আগে এটি বড় শ্রোতাগোষ্ঠী টানতে সক্ষম হয়।
অ্যালবাম প্রকাশের সময় বিটিএসের সব গানের স্পটিফাই স্ট্রিমও বেড়ে যায়। ARIRANG প্রকাশের আগে গোষ্ঠীটির দৈনিক মোট স্ট্রিম ছিল আনুমানিক ২৩ মিলিয়ন; ২০ মার্চ তা বেড়ে ১৩০ মিলিয়নে পৌঁছায়। এই সংখ্যাগুলো গোষ্ঠীটির সব গানের শোনার হিসাব, আর ১১০ মিলিয়নের বেশি সংখ্যাটি শুধু অ্যালবামটির।
প্রতিবেদনে দেওয়া দৈনিক মোট সংখ্যার হিসাবে, অ্যালবাম প্রকাশের দিন বিটিএসের স্ট্রিম অব্যবহিত আগের সময়ের তুলনায় প্রায় ৫.৭ গুণ ছিল। এক দিনেই স্ট্রিম বেড়েছিল আনুমানিক ১০৭ মিলিয়ন, যা পুনর্মিলনী অ্যালবাম প্রকাশের সময় মনোযোগ কতটা দ্রুত বেড়েছিল তার একটি পরিমাপ।
গ্লোবাল চার্টের শীর্ষ ১৪ স্থানেই অ্যালবামের গান
প্রকাশের দিন ARIRANG-এর প্রতিটি গান স্পটিফাইয়ের ডেইলি টপ সংস গ্লোবাল চার্টের শীর্ষ ১৪ স্থানের একটিতে ছিল। অ্যালবামের ১৪টি গানই এই সাফল্যে অংশ নেয়, যার মধ্যে ছিল ইনস্ট্রুমেন্টাল ট্র্যাক No. 29-ও।
স্পটিফাইয়ের ডেইলি টপ সংস গ্লোবাল চার্টে নির্দিষ্ট দিনে বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে প্ল্যাটফর্মটিতে গান শোনার হিসাব অনুযায়ী গানগুলোর ক্রম নির্ধারিত হয়। এক থেকে ১৪ পর্যন্ত সব স্থান দখল করার অর্থ, একই সময়ে শীর্ষস্থানীয় গানগুলোর প্রতিটি জায়গাই ছিল বিটিএসের দখলে।
প্রথম দিনেই SWIM প্রায় ১৪ মিলিয়ন স্ট্রিম পায়। বছরের ওই সময় পর্যন্ত ২০২৬ সালে প্রকাশিত কোনো গানের জন্য এটিকে সর্বোচ্চ দৈনিক স্ট্রিমের হিসাব হিসেবে জানানো হয়।
অ্যালবামটির সাফল্যে SWIM-এর বিপুল শ্রোতাগোষ্ঠীর পাশাপাশি অন্য ১৩টি গান শোনার হিসাবও ছিল। অক্টোবরের মোট স্ট্রিম প্রকাশের দিনের হিসাবের চেয়ে দীর্ঘ সময়ের চিত্র তুলে ধরে: প্রায় সাত মাস ধরে ARIRANG-এর প্লে বাড়তে থাকে এবং বছরের নতুন প্রকাশনাগুলোর মধ্যে এটি স্পটিফাইয়ে সবচেয়ে বেশি স্ট্রিম হওয়া অ্যালবাম হয়ে ওঠে।
যুক্তরাষ্ট্রে টানা তিন সপ্তাহ শীর্ষে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান অ্যালবাম চার্ট বিলবোর্ড ২০০-তে ARIRANG টানা তিন সপ্তাহ এক নম্বরে ছিল। ২০১২ সালে মমফোর্ড অ্যান্ড সন্সের Babel-এর পর কোনো গোষ্ঠীর অ্যালবাম প্রথমবার এই সাফল্য পেল।
দুটি অ্যালবামের প্রকাশের মধ্যে প্রায় ১৪ বছরের ব্যবধান। বিটিএসের জন্য টানা তিন সপ্তাহ শীর্ষে থাকা অ্যালবামটির বৈশ্বিক স্পটিফাই সাফল্যের পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের চার্টে দীর্ঘস্থায়ী অর্জন যোগ করেছে।
বিলবোর্ডের অ্যালবাম চার্টে যুক্তরাষ্ট্রে অ্যালবামের বিক্রি ও স্ট্রিমিংসহ শোনার বিভিন্ন হিসাব একত্র করা হয়। এখানে স্পটিফাইয়ের সংখ্যাগুলো শুধু ওই প্ল্যাটফর্মে প্লে হওয়ার হিসাব। দুটি ফলাফল একসঙ্গে ARIRANG-এর সাফল্যকে দুই ভিন্ন মাপকাঠিতে তুলে ধরে: বিশ্বজুড়ে স্পটিফাইয়ে শোনা এবং যুক্তরাষ্ট্রের অ্যালবাম বাজারে অবস্থান।
তাই বিটিএসের প্রত্যাবর্তন শুধু প্রথম দিনের বড় সাফল্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না। অক্টোবরের মধ্যে গোষ্ঠীটি যুক্তরাষ্ট্রের চার্টে টানা তিন সপ্তাহ শীর্ষে ছিল, নতুন অ্যালবামটির স্ট্রিম ৫ বিলিয়ন ছাড়িয়েছিল এবং স্পটিফাইয়ে বার্ষিক মোট স্ট্রিম ১০ বিলিয়নের বেশি হয়েছিল।
অক্টোবরের মাইলফলকে যোগ হলো জাপানের পুরস্কার
বিগ হিট মিউজিক বার্ষিক স্পটিফাই মাইলফলকের ঘোষণা দেওয়ার দুই দিন আগে, ১৪ অক্টোবর ২০২৬ এমটিভি ভিডিও মিউজিক অ্যাওয়ার্ডস জাপানে বিটিএসকে আর্টিস্ট অব দ্য ইয়ার ঘোষণা করা হয়।
এর আগে সেপ্টেম্বরে SWIM-এর মিউজিক ভিডিও বেস্ট গ্রুপ ভিডিও/ইন্টারন্যাশনাল বিভাগে বিজয়ী হয়েছিল। পুনর্মিলনী অ্যালবামের গোষ্ঠীটি এবং এর অন্যতম প্রধান একটি গানের স্বীকৃতি ছিল এই দুই পুরস্কার।
জাপানের এই পুরস্কারের বিজয়ীদের মূল অনুষ্ঠান হওয়ার আগেই ঘোষণা করা হয়। ২০২৬ সালের অনুষ্ঠান ২৯ অক্টোবর টোকিও ডোমে হওয়ার কথা। ফলে বিটিএসের আর্টিস্ট অব দ্য ইয়ার পুরস্কারের ঘোষণা অনুষ্ঠানটির আগেই এসেছে।
এমটিভি ভিডিও মিউজিক অ্যাওয়ার্ডস জাপান ২০০২ সালে এমটিভির ভিডিও পুরস্কারের জাপানি সংস্করণ হিসেবে শুরু হয়। বিটিএসের জন্য অক্টোবরে এই স্বীকৃতি এমন এক সময়ে এসেছে, যখন তাদের নতুন প্রকাশনা, স্ট্রিমের সংখ্যা ও আন্তর্জাতিক পরিবেশনা—সবই মনোযোগ কাড়ছে।
দক্ষিণ আমেরিকা থেকে এশিয়ার পথে ট্যুর
বিটিএসের ARIRANG বিশ্ব ট্যুর ৯ এপ্রিল দক্ষিণ কোরিয়ার গিয়ংগি প্রদেশের গোইয়াংয়ে শুরু হয়। অক্টোবরে স্ট্রিমের ঘোষণার সময়ের মধ্যে ট্যুরে গোষ্ঠীটি জাপান, উত্তর আমেরিকা, ইউরোপ ও দক্ষিণ আমেরিকা সফর করেছে।
১৭ অক্টোবর পর্যন্ত তিনটি কনসার্টের জন্য গোষ্ঠীটি ছিল চিলির সান্তিয়াগোতে। আর্জেন্টিনার বুয়েনস আয়ার্স ও ব্রাজিলের সাও পাওলোতে তিনটি করে কনসার্টের পর ট্যুর আবার এশিয়ায় ফেরার কথা।
বুয়েনস আয়ার্স ও সাও পাওলোর শেষ কনসার্ট দুটি যথাক্রমে ২৪ ও ৩০ অক্টোবর বিশ্বজুড়ে সিনেমা হলে দেখানোরও সূচি রয়েছে। স্টেডিয়ামের শোতে সরাসরি উপস্থিত থাকার পাশাপাশি এসব পরিবেশনা দেখার আরেকটি সুযোগ দেবে প্রদর্শনীগুলো।
বছর শেষ পর্যন্ত ঘোষিত সূচিতে রয়েছে তাইওয়ান, থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর ও ইন্দোনেশিয়া। এরপর অস্ট্রেলিয়া, হংকং ও ফিলিপাইন সফর এবং পরে জাপান ও মধ্যপ্রাচ্যে আরও পরিবেশনা রয়েছে। পরবর্তী সব গন্তব্যের তারিখ ঘোষণায় উল্লেখ করা হয়নি।
ট্যুর ও সিনেমা হলের প্রদর্শনী অ্যালবাম প্রকাশকে বিভিন্ন পরিসরে এগিয়ে নিচ্ছে। বিটিএসের আন্তর্জাতিক সূচি চলতে থাকায় ভক্তরা স্পটিফাইয়ে গান শুনতে, যেখানে তারিখ ঘোষণা হয়েছে সেখানে কনসার্টে যেতে, অথবা সিনেমা হলে নির্বাচিত পরিবেশনা দেখতে পারবেন।
রেকর্ডের পেছনের তারিখগুলো
বিটিএসের ২০২৬ সালের মাইলফলকগুলো মার্চে অ্যালবাম প্রকাশ থেকে শুরু করে অক্টোবরে স্ট্রিমের ঘোষণা, পুরস্কার ও কনসার্ট পর্যন্ত বিস্তৃত। কয়েক মাস ধরে গোষ্ঠীটি কীভাবে বার্ষিক এই মোটে পৌঁছেছে, তার ধারাবাহিকতা এখানে দেখা যায়।
- ২০ মার্চ: ARIRANG প্রকাশিত হয়, সেদিনই অ্যালবাম স্ট্রিম ১১০ মিলিয়ন ছাড়ায় এবং ১৪টি গানই স্পটিফাইয়ের দৈনিক বৈশ্বিক চার্টের শীর্ষ ১৪ স্থানে জায়গা করে নেয়।
- ৯ এপ্রিল: দক্ষিণ কোরিয়ার গোইয়াংয়ে ARIRANG বিশ্ব ট্যুর শুরু হয়।
- সেপ্টেম্বর: এমটিভি ভিডিও মিউজিক অ্যাওয়ার্ডস জাপানে বেস্ট গ্রুপ ভিডিও/ইন্টারন্যাশনাল বিভাগে SWIM পুরস্কার জেতে।
- ১৪ অক্টোবর: ARIRANG-এর স্পটিফাই স্ট্রিম ৫ বিলিয়ন ছাড়ায় এবং জাপানের পুরস্কারে বিটিএসকে আর্টিস্ট অব দ্য ইয়ার ঘোষণা করা হয়।
- ১৬ অক্টোবর: ২০২৬ সালে বিটিএসের স্পটিফাই স্ট্রিম ১০ বিলিয়ন ছাড়িয়েছে বলে বিগ হিট মিউজিক ঘোষণা দেয়।
- ২৪ অক্টোবর: বুয়েনস আয়ার্সের শেষ কনসার্টটি বিশ্বজুড়ে সিনেমা হলে দেখানোর সূচি রয়েছে।
- ২৯ অক্টোবর: এমটিভি ভিডিও মিউজিক অ্যাওয়ার্ডস জাপানের অনুষ্ঠান টোকিও ডোমে হওয়ার সূচি রয়েছে।
- ৩০ অক্টোবর: সাও পাওলোর শেষ কনসার্টটি বিশ্বজুড়ে সিনেমা হলে দেখানোর সূচি রয়েছে।
মূল তথ্য
- বিগ হিট মিউজিকের তথ্য অনুযায়ী, ১৬ অক্টোবরের মধ্যে ২০২৬ সালে বিটিএসের স্পটিফাই স্ট্রিম ১০ বিলিয়ন ছাড়িয়েছে; কোনো গোষ্ঠীর ক্ষেত্রে এটিই প্রথম।
- এজেন্সির হিসাবে, ২০২৫ সালের আনুমানিক ৪.৫ বিলিয়ন স্ট্রিম থেকে বৃদ্ধি হয়েছে ১২২ শতাংশ।
- ARIRANG-এর স্ট্রিম ৫ বিলিয়ন ছাড়িয়েছে এবং ২০২৬ সালে প্রকাশিত অ্যালবামগুলোর মধ্যে স্পটিফাইয়ে শীর্ষে রয়েছে।
- প্রকাশের দিন অ্যালবামের ১৪টি গানই দৈনিক বৈশ্বিক চার্টের শীর্ষ ১৪ স্থানে ছিল।
- বিলবোর্ড ২০০-তে অ্যালবামটি টানা তিন সপ্তাহ এক নম্বরে ছিল।
- বিটিএসের অক্টোবরে দক্ষিণ আমেরিকায় কনসার্ট, সিনেমা হলে সম্প্রচার এবং জাপানের পুরস্কার অনুষ্ঠানের সূচি রয়েছে।






