তরুণ শিক্ষিকার শেষ উপহার পৌঁছাল জিয়া লাইয়ের বাইরেও
২০০৪ সালে জন্ম নেওয়া ইংরেজি শিক্ষিকা ফাম থি আন থু মস্তিষ্ক-মৃত্যুর পর জিয়া লাই প্রদেশের প্রথম অঙ্গদাতা হন। সড়ক দুর্ঘটনার পর তাঁর পরিবার যকৃৎ ও দুটি কিডনি দানে সম্মতি দেয়। হুং ভুয়ং জিয়া লাই হাসপাতাল ১৫ অক্টোবর ভিয়েতনামের জাতীয় অঙ্গ প্রতিস্থাপন সমন্বয় কেন্দ্র এবং কয়েকটি হাসপাতালের বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে অঙ্গ সংগ্রহের কাজ সমন্বয় করে।
সূচিপত্র
- তরুণ শিক্ষিকার শেষ উপহার পৌঁছাল জিয়া লাইয়ের বাইরেও
- জরুরি চিকিৎসা থেকে পরিবারের সিদ্ধান্ত
- তাঁর জীবনের অংশ অন্যদের মধ্যে বেঁচে থাকুক, চেয়েছিল পরিবার
- কোন অঙ্গগুলো ব্যবহার করা সম্ভব হয়েছিল?
- স্থানীয় হাসপাতালের সঙ্গে যুক্ত হলো জাতীয় পর্যায়ের দল
- প্রথম এই প্রক্রিয়া জিয়া লাইয়ের জন্য কী পরিবর্তন আনবে
- মূল তথ্য
দাক পো কমিউনের বাসিন্দা থু সম্প্রতি কুই নন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক হন এবং ত্রাং কমিউনে শিক্ষকতার চাকরি শুরু করেন। গুরুতর আহত অবস্থায় ১০ অক্টোবর তাঁকে হুং ভুয়ং জিয়া লাই হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। জরুরি চিকিৎসা ও নিবিড় পরিচর্যা সত্ত্বেও তাঁর মস্তিষ্কের আঘাত ছিল অপরিবর্তনীয়। চিকিৎসকেরা মস্তিষ্ক-মৃত্যু নির্ধারণের জন্য প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেন।
হাসপাতালের চিকিৎসাসেবার দায়িত্বে থাকা উপপরিচালক বুই চুয়ং জিয়াং জানান, যকৃৎ ও দুটি কিডনি ব্যবহার করে চারজন রোগীকে সহায়তা করার পরিকল্পনা করা হয়েছিল। অস্ত্রোপচারের পর তিনজন গ্রহীতার কথাও জানানো হয়; তখন দেখা যায়, তাঁর হৃদ্যন্ত্র প্রতিস্থাপনের উপযোগী নয়। চারজনকে সহায়তার পরিকল্পনায় যকৃৎ ভাগ করে দুজন রোগীকে দেওয়ার কথা ছিল। অন্যদিকে, তিনজন গ্রহীতার বিবরণে ছিল একটি যকৃৎ ও দুটি কিডনি প্রতিস্থাপন। চূড়ান্ত গ্রহীতার সংখ্যা এবং তাঁদের শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে প্রকাশ্যে স্পষ্ট করে জানানো হয়নি।
জাতীয় অঙ্গ প্রতিস্থাপন সমন্বয় কেন্দ্রের পরামর্শ ও সমন্বয় বিভাগের প্রধান ফাম থি দাও এই প্রক্রিয়াকে ভিয়েতনামের কোনো বেসরকারি হাসপাতালে প্রথম অঙ্গদান এবং জিয়া লাইয়েরও প্রথম অঙ্গদান বলে বর্ণনা করেন। প্রদেশটির জন্য বাস্তব অর্জন ছিল অঙ্গ সংগ্রহ ও বিতরণে স্থানীয় হাসপাতাল, প্রতিস্থাপন বিশেষজ্ঞ এবং জাতীয় সমন্বয় নেটওয়ার্ককে একত্র করা।
জরুরি চিকিৎসা থেকে পরিবারের সিদ্ধান্ত
গুরুতর আহত ও গভীর কোমায় থাকা থুকে হুং ভুয়ং জিয়া লাই হাসপাতালে আনা হয়। চিকিৎসকেরা জরুরি চিকিৎসা, পুনরুজ্জীবন এবং নিবিড় পরিচর্যা দেন, কিন্তু তাঁর অবস্থার উন্নতি হয়নি। পরে চিকিৎসা মূল্যায়নে তাঁর মস্তিষ্ক-মৃত্যু হয়েছে বলে নির্ধারণ করা হয়।
মস্তিষ্ক-মৃত্যু বলতে মস্তিষ্কের কার্যক্রম স্থায়ীভাবে বন্ধ হয়ে যাওয়াকে বোঝায়। ভেন্টিলেটর ও অন্যান্য চিকিৎসা সহায়তায় সাময়িকভাবে শ্বাস-প্রশ্বাস ও রক্তসঞ্চালন সচল রাখা যায়, ফলে দানের ব্যবস্থা করার সময় চিকিৎসকেরা অঙ্গগুলো সংরক্ষণ করতে পারেন। হাসপাতাল জানিয়েছে, অঙ্গদানের বিষয়ে আলোচনার আগে তাদের দল নির্ধারিত রোগনির্ণয় পদ্ধতি অনুসরণ করে।
থুর শারীরিক অবস্থা এবং অঙ্গদানের প্রক্রিয়া সম্পর্কে তাঁর বাবা-মা ফাম বা উং ও ঙো থি বিচ ফুংকে পরামর্শ দেওয়া হয়। অন্য রোগীদের চিকিৎসার সুযোগ করে দিতে তাঁরা স্বেচ্ছায় তাঁর টিস্যু ও অঙ্গ দানের আবেদনপত্রে সই করেন।
কয়েক দিনের মধ্যে ঘটনাগুলো এভাবে এগিয়েছিল:
- ১০ অক্টোবর: সড়ক দুর্ঘটনার পর থুকে হুং ভুয়ং জিয়া লাই হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
- চিকিৎসার সময়: চিকিৎসকেরা নিবিড় পরিচর্যা দেন, তাঁর মস্তিষ্কের অপরিবর্তনীয় আঘাত মূল্যায়ন করেন এবং মস্তিষ্ক-মৃত্যু নির্ধারণের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেন।
- পরামর্শের পর: তাঁর পরিবার উপযোগী অঙ্গ দানে সম্মতি দেয়।
- ১৫ অক্টোবর: হাসপাতাল বিদায় অনুষ্ঠান আয়োজন করে এবং জাতীয় পর্যায়ের বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে অঙ্গ সংগ্রহ ও বিতরণের কাজ সমন্বয় করে।
তাঁর জীবনের অংশ অন্যদের মধ্যে বেঁচে থাকুক, চেয়েছিল পরিবার
থুর বাবা ফাম বা উং বলেন, অন্য রোগীদের বেঁচে থাকার সুযোগ করে দিতে তাঁরা মেয়ের টিস্যু ও অঙ্গ দানের সিদ্ধান্ত নেন। তাঁর বাবা-মা কোনো অর্থ বা অন্য বস্তুগত সুবিধা না চেয়েই এই সিদ্ধান্ত নেন।
থুর চাচাতো ভাই লে থাই হা জানান, পরিবারের সবাই মিলে এ সিদ্ধান্ত নিয়ে আলোচনা করেছিলেন। মৃত্যুর পরও তাঁর শরীরের একটি অংশ অন্যদের সাহায্য করে যাক, এটাই ছিল তাঁদের ইচ্ছা। অনূদিত বক্তব্যে তিনি বলেন:
যাঁদের প্রয়োজন, তাঁদের সাহায্য করার আশায় পরিবার তাঁর অঙ্গ দানে সম্মত হয়েছে, যাতে তাঁরা বেঁচে থাকার সুযোগ পান।
অঙ্গদানের ছবি ও তথ্য প্রকাশ্যে প্রচারের অনুমতিও পরিবার হাসপাতালকে দেয়। তাদের জানানো উদ্দেশ্য ছিল অঙ্গদান সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানো এবং জীবন বাঁচাতে এটি কীভাবে সাহায্য করতে পারে, তা বিবেচনা করতে অন্য পরিবারগুলোকে উৎসাহিত করা।
১৫ অক্টোবর বিকেলে হাসপাতালে বিদায় অনুষ্ঠান হয়, এরপর অঙ্গ সংগ্রহের সময় নির্ধারিত ছিল। বাবা-মা ও স্বজনদের জন্য অঙ্গদানের পাশাপাশি ছিল সদ্য শিক্ষকতা শুরু করা তরুণীকে বিদায় জানানোর কঠিন মুহূর্ত।
কোন অঙ্গগুলো ব্যবহার করা সম্ভব হয়েছিল?
থুর যকৃৎ ও দুটি কিডনি দানের জন্য গ্রহণ করা হয়। শুরুতে তাঁর হৃদ্যন্ত্রও সংগ্রহের কথা বিবেচনা করা হয়েছিল, কিন্তু অস্ত্রোপচারের সময় এর অবস্থা প্রতিস্থাপনের শর্ত পূরণ করেনি। তাঁর ফুসফুসে আঘাত থাকায় সেগুলোও উপযোগী ছিল না। তাঁর পরিবার কর্নিয়া নিজেদের কাছে রাখার সিদ্ধান্ত নেয়। চোখের সামনের স্বচ্ছ অংশ হলো কর্নিয়া, যা প্রতিস্থাপনের জন্য দান করা যায়।
প্রতিটি অঙ্গের জন্য আলাদা চিকিৎসা মূল্যায়ন দরকার। পরিবারের সম্মতিতে চিকিৎসকেরা অঙ্গদানের বিষয়টি বিবেচনা করতে পারেন, আর প্রতিটি অঙ্গ ব্যবহার করা যাবে কি না, তা নির্ভর করে সেটির অবস্থার ওপর। থুর ক্ষেত্রে ফুসফুসের ক্ষতি এবং হৃদ্যন্ত্রের মূল্যায়নের কারণে যকৃৎ ও কিডনিই ব্যবহারের উপযোগী অঙ্গ হিসেবে বিবেচিত হয়।
হাসপাতালের বর্ণিত সমন্বয় পরিকল্পনায় যকৃৎ দুজন রোগীর জন্য বরাদ্দ করা হয়: একজন হুয়ে কেন্দ্রীয় হাসপাতালে, ভিনমেকের সহায়তায়; অন্যজন ১০৮ সামরিক কেন্দ্রীয় হাসপাতালে। যকৃতের ডান অংশটি ১০৮ সামরিক কেন্দ্রীয় হাসপাতালের রোগীর জন্য বরাদ্দ করা হয়। কিডনি দুটি বরাদ্দ করা হয় হুয়ে কেন্দ্রীয় হাসপাতাল এবং জাতীয় শিশু হাসপাতালে।
যকৃতের গঠন ও পুনরুৎপাদন ক্ষমতার কারণে কখনও কখনও এটি ভাগ করে দুজন গ্রহীতাকে দেওয়া যায়। তিনটি দান করা অঙ্গ ব্যবহার করে চারজন রোগীকে সহায়তা করার পরিকল্পনার ভিত্তি ছিল এটাই। অন্যদিকে, প্রতিটি কিডনি আলাদা একজন রোগীর জন্য বরাদ্দ ছিল।
স্থানীয় হাসপাতালের সঙ্গে যুক্ত হলো জাতীয় পর্যায়ের দল
হুং ভুয়ং জিয়া লাই হাসপাতাল জাতীয় অঙ্গ প্রতিস্থাপন সমন্বয় কেন্দ্র, হুয়ে কেন্দ্রীয় হাসপাতাল, ১০৮ সামরিক কেন্দ্রীয় হাসপাতাল, জাতীয় শিশু হাসপাতাল এবং ভিনমেক টাইমস সিটির সঙ্গে কাজ করে। অঙ্গের কার্যকারিতা মূল্যায়ন, অঙ্গ সংগ্রহ ও সংরক্ষণের প্রস্তুতি এবং সম্ভাব্য গ্রহীতাদের চিকিৎসা করা হাসপাতালগুলোতে অঙ্গ বিতরণের ব্যবস্থা করা ছিল তাদের কাজের অংশ।
অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সামরিক হাসপাতাল ১০৩, ভিয়েত ডাক ফ্রেন্ডশিপ হাসপাতাল এবং হুয়ে মেডিসিন ও ফার্মেসি বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালের নামও জানানো হয়। সমন্বয় প্রচেষ্টায় জিয়া লাইয়ের বাইরের বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে থুর চিকিৎসায় নিয়োজিত কর্মীরাও যুক্ত হন।
জিয়াং বলেন, প্রদেশটির প্রথম অঙ্গদানের ক্ষেত্রে চিকিৎসা ও সাংগঠনিক কাজ ছিল কঠিন। সীমিত সময়ের মধ্যে কর্মীদের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সম্পন্ন করতে, জনবল ও সরঞ্জাম প্রস্তুত করতে, বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নিতে এবং সমন্বয় কেন্দ্রের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করতে হয়।
অঙ্গগুলো সংরক্ষণের উপযোগী অবস্থায় রাখতে হাসপাতাল দাতার চিকিৎসা সহায়তাও অব্যাহত রাখে। অঙ্গ সংগ্রহের পর সেগুলোর সংরক্ষণ ও পরিবহন, অস্ত্রোপচারের জন্য গ্রহীতাদের প্রস্তুত করা দলগুলোর সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে সমন্বয় করতে হয়। জিয়া লাইয়ে অঙ্গ সংগ্রহ এবং গ্রহীতা হাসপাতালগুলোতে প্রতিস্থাপন ছিল এই প্রক্রিয়ার দুটি পৃথক ধাপ।
জিয়াং এই ঘটনার কেন্দ্রে পরিবারের সিদ্ধান্তকে গুরুত্ব দেন। অনূদিত বক্তব্যে উপপরিচালক বলেন:
আজকের ঘটনার সবচেয়ে বড় তাৎপর্য হলো দাতা ও তাঁর পরিবারের মহৎ কাজ। শোক ও ক্ষতির মুহূর্তেও পরিবার অন্য রোগীদের বেঁচে থাকার সুযোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
প্রথম এই প্রক্রিয়া জিয়া লাইয়ের জন্য কী পরিবর্তন আনবে
মস্তিষ্ক-মৃত্যুর পর জিয়া লাইয়ের প্রথম অঙ্গদান প্রদেশটিকে সম্ভাব্য দাতা শনাক্ত করা, চিকিৎসা মূল্যায়ন সম্পন্ন করা, স্বজনদের পরামর্শ দেওয়া এবং অঙ্গ সংগ্রহের ব্যবস্থা করার বাস্তব অভিজ্ঞতা দিয়েছে। গুরুতর আহত রোগী যে হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন, সেখানেই এসব পদক্ষেপের প্রস্তুতি দরকার, যদিও প্রতিস্থাপন অন্য কোথাও হতে পারে।
দাও এই প্রক্রিয়াকে ভিয়েতনামের কোনো বেসরকারি হাসপাতালে প্রথম বলে যে বর্ণনা দিয়েছেন, তা প্রধান প্রতিস্থাপন কেন্দ্রের বাইরের হাসপাতালগুলোর বৃহত্তর ভূমিকার দিকেও ইঙ্গিত করে। জাতীয় পর্যায়ের বিশেষজ্ঞ ও গ্রহীতা হাসপাতালগুলোর সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে হুং ভুয়ং জিয়া লাই হাসপাতাল অঙ্গদানে অংশ নিতে পেরেছে।
হাসপাতাল জানিয়েছে, এ ধরনের ঘটনার জন্য তারা কর্মী, চিকিৎসাসেবা ও সরঞ্জাম প্রস্তুত করে যাবে। মধ্য উচ্চভূমি অঞ্চলে এই প্রস্তুতি স্থানীয়ভাবে অঙ্গদানের ব্যবস্থা সহজ করতে এবং উপযোগী অঙ্গ অন্য অঞ্চলের প্রতিস্থাপন কেন্দ্রের রোগীদের কাছে পৌঁছে দিতে পারে।
ভিয়েতনামে ৩০ বছরের বেশি সময়ে ১০ হাজারেরও বেশি অঙ্গ প্রতিস্থাপন হয়েছে। মস্তিষ্ক-মৃত ঘোষিত দাতাদের অঙ্গ ব্যবহার করে প্রতিস্থাপনের হার ২০২৩ সালের আগে ৫ শতাংশের কম ছিল; ২০২৪ সালে তা বেড়ে ১২.৯ শতাংশ এবং ২০২৫ সালে প্রায় ১৯ শতাংশ হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। ২০২৪ থেকে ২০২৫ সালে হারটি প্রায় ৬ শতাংশ-পয়েন্ট বেড়ে প্রতি পাঁচটি প্রতিস্থাপনের প্রায় একটিতে পৌঁছেছে।
মৃত্যুর পর অঙ্গদানের এই ক্রমবর্ধমান চর্চার মধ্যেই থুর পরিবার সিদ্ধান্তটি নেয়। হুং ভুয়ং জিয়া লাই হাসপাতাল থু ও তাঁর স্বজনদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানায় এবং তাঁদের শোকের পাশাপাশি সম্মতির ফলে অন্যত্র অপেক্ষমাণ রোগীদের চিকিৎসার যে সুযোগ তৈরি হয়েছে, সেটিও স্বীকার করে।
মূল তথ্য
- ইংরেজি শিক্ষিকা ফাম থি আন থুকে সড়ক দুর্ঘটনার পর ১০ অক্টোবর হাসপাতালে ভর্তি করা হয় এবং পরে তাঁর মস্তিষ্ক-মৃত্যু ঘোষণা করা হয়।
- তাঁর পরিবার স্বেচ্ছায় যকৃৎ ও দুটি কিডনি দান করে।
- ১৫ অক্টোবর হুং ভুয়ং জিয়া লাই হাসপাতালে অঙ্গ সংগ্রয়ের কাজ সমন্বয় করা হয়, যা প্রদেশটিতে এ ধরনের প্রথম প্রক্রিয়া।
- ঘোষিত বরাদ্দ পরিকল্পনায় যকৃৎ ভাগ করে দুজন গ্রহীতাকে দিয়ে চারজন রোগীকে সহায়তা করার লক্ষ্য ছিল; অস্ত্রোপচারের পর তিনজন গ্রহীতার কথাও জানানো হয়।
- তাঁর হৃদ্যন্ত্র ও ফুসফুস প্রতিস্থাপনের উপযোগী ছিল না, আর পরিবার তাঁর কর্নিয়া নিজেদের কাছে রাখে।
- জাতীয় সমন্বয় কেন্দ্রের এক কর্মকর্তা এই অঙ্গদানকে ভিয়েতনামের কোনো বেসরকারি হাসপাতালে প্রথম বলে বর্ণনা করেন।






