মেটার এআই ব্যয়ের পরীক্ষা নেবে নতুন দুই মডেল
২০২৬ সালের ১২ অক্টোবর মেটা মিউজ ওয়ান্ডার এবং মিউজ ওয়ান্ডার ফুল চালু করে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার শীর্ষ সারিতে ফেরার দাবি জানালেও প্রতিষ্ঠানটি তাদের সবচেয়ে শক্তিশালী নতুন সক্ষমতাগুলো অর্থের বিনিময়ে ব্যবহারের সুযোগ দিয়েছে। এই উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে মেটার কৌশলের তিনটি দিক একসঙ্গে সামনে এসেছে: আরও সক্ষম ব্যক্তিগত সহকারী, সাবস্ক্রিপশন ও ডেভেলপারদের কাছ থেকে আয় এবং কম্পিউটিং অবকাঠামোর এমন সম্প্রসারণ, যার ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়তে পারে।
সূচিপত্র
- মেটার এআই ব্যয়ের পরীক্ষা নেবে নতুন দুই মডেল
- এখন কী পাওয়া যাচ্ছে, আর পরে কী আসবে?
- পণ্যের মূল দাবি স্মৃতি ও কাজ চালিয়ে যাওয়ার সক্ষমতা
- বেঞ্চমার্কে প্রতিযোগিতামূলক ফল, তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নয়
- সাবস্ক্রিপশন ও এপিআই ব্যবহারের খরচ আলাদা
- আরও সক্ষম মডেল হলেও ওয়েবসাইটে প্রবেশাধিকার দরকার
- গোপনীয়তা নির্ভর করে অনুমতি ও পণ্যের সেটিংসের ওপর
- পূর্ণাঙ্গ মূল্যায়নের অপেক্ষায় নিরাপত্তার দাবি
- কম্পিউটিং অবকাঠামোর সম্প্রসারণ মেটার গণ্ডি ছাড়ায়
- আয় প্রমাণের আগেই বিনিয়োগকারীদের প্রতিক্রিয়া
- মূল বিষয়গুলো
অর্থায়ন ইজারার মূলধন পরিশোধসহ ২০২৬ সালে মূলধনী ব্যয় ১৩০ বিলিয়ন থেকে ১৪৫ বিলিয়ন ডলার হবে বলে আশা করছে প্রতিষ্ঠানটি। আর্থিক সেবা প্রতিষ্ঠান ক্যান্টর ফিটজেরাল্ডের পূর্বাভাস, ২০২৭ সালে এ ব্যয় ২০০ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছাতে পারে। বড় অঙ্কটি বাইরের একটি পূর্বাভাস, মেটার ঘোষিত বাজেট নয়। এ বছর ব্যয়ের পূর্বাভাসের সর্বোচ্চ সীমার তুলনায় এটি প্রায় ৩৮ শতাংশ, আর সর্বনিম্ন সীমার তুলনায় প্রায় ৫৪ শতাংশ বেশি।
২০২৫ সালে লামা ৪-এর হতাশাজনক উদ্বোধন এবং মেটার এআই কার্যক্রম পুনর্গঠনে প্রায় ১৪ মাস ব্যয়ের পর মডেল দুটি এসেছে। উন্নত প্রোগ্রামিং এবং আইনি নথি, আর্থিক তথ্য ও স্বাস্থ্যসংক্রান্ত তথ্য নিয়ে কাজ করার লক্ষ্যে এগুলো তৈরি করা হয়েছে। শুধু প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে টুল ব্যবহার ও পদক্ষেপ নিতে পারে এমন সফটওয়্যার এজেন্ট চালাতেও মেটা মডেলগুলো কাজে লাগাতে চায়।
উন্নত সক্ষমতার প্রমাণ আছে, তবে সব ক্ষেত্রেই এগিয়ে থাকার নয়। মেটার প্রকাশিত সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্টের ফলাফলে একটি বেঞ্চমার্কে দুই মডেলই অ্যানথ্রপিকের ক্লড ওপাস ৫.৫-এর চেয়ে এগিয়ে। তবে আর্টিফিশিয়াল অ্যানালাইসিসের পৃথক সূচকে মিউজ ওয়ান্ডার ফুল ওই প্রতিদ্বন্দ্বীর পেছনে রয়েছে। এখন ব্যবসায়িকভাবে বড় পরীক্ষা হলো, এসব সক্ষমতা মানুষকে মেটার পণ্য ব্যবহার এবং তার জন্য অর্থ দিতে উৎসাহিত করে কি না।
এখন কী পাওয়া যাচ্ছে, আর পরে কী আসবে?
ডেভেলপাররা মেটা মডেল এপিআই এবং মিউজ কোড প্রোগ্রামিং সহকারীর মাধ্যমে মিউজ ওয়ান্ডার ব্যবহার করতে পারবেন। আরও সক্ষম সংস্করণ মিউজ ওয়ান্ডার ফুল কেবল মিউজ কোডের সাবস্ক্রাইবারদের জন্য। কোনো মডেলই জনসাধারণের ডাউনলোডের জন্য বা ব্যবহারকারীদের নিজস্ব সার্ভারে চালানোর জন্য পাওয়া যাচ্ছে না।
ব্যক্তিগত সহকারী মিউজ একটি আলাদা পণ্য। এর অ্যাপ বিনা মূল্যে ব্যবহার করা যায়, আর অর্থের বিনিময়ের পরিকল্পনাগুলোতে অতিরিক্ত ব্যবহারের সুযোগ রয়েছে। মেটা প্রথমে মিউজের সাবস্ক্রাইবারদের জন্য ওই সহকারীতে ওয়ান্ডার যুক্ত করার পরিকল্পনা করেছে, তবে চালুর নির্দিষ্ট তারিখ বা আরও ব্যাপকভাবে ব্যবহারের সময়সূচি জানায়নি।
এই ধাপগুলো গুরুত্বপূর্ণ, কারণ কোনো মডেল চালু হওয়া মানেই সব ভোক্তার কাছে এর হালনাগাদ সংস্করণ পৌঁছে যাওয়া নয়। প্রধান অগ্রগতিগুলো হলো:
- ২০২৫: লামা ৪ প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থ হয়, ফলে মেটার এআই বিভাগ ও নিয়োগপ্রক্রিয়ায় পরিবর্তন আনা হয়।
- সেপ্টেম্বর ২০২৬: মেটা মিউজ স্পার্ক এবং মিউজ ব্যক্তিগত এজেন্ট চালু করে। পুনর্গঠিত মেটা সুপারইন্টেলিজেন্স ল্যাবস বিভাগের প্রথম মডেল ছিল স্পার্ক।
- সেপ্টেম্বর ২০২৬-এর শেষ দিকে: ব্যবহারকারীদের হয়ে কেনাকাটা করতে মিউজকে বাধা দেয় অ্যামাজন।
- ১২ অক্টোবর, ২০২৬: ঘোষিত ডেভেলপার পণ্যের মাধ্যমে মিউজ ওয়ান্ডার ও মিউজ ওয়ান্ডার ফুল ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত হয়।
- পরবর্তী পদক্ষেপ: মিউজের সাবস্ক্রাইবারদের কাছে ওয়ান্ডার পৌঁছানোর কথা রয়েছে। পাশাপাশি আরও বিশেষায়িত মডেল এবং পূর্ণাঙ্গ নিরাপত্তা প্রতিবেদন প্রকাশের পরিকল্পনা আছে, তবে তারিখ জানানো হয়নি।
নতুন মডেলগুলো মিউজ স্পার্কের ওপর ভিত্তি করে তৈরি। মেটার সম্প্রসারিত পণ্যসম্ভারে মিউজ ইমেজও রয়েছে, তবে ওয়ান্ডার উদ্বোধনের মূল লক্ষ্য ছবির কাজ নয়, এজেন্ট ও প্রোগ্রামিং।
পণ্যের মূল দাবি স্মৃতি ও কাজ চালিয়ে যাওয়ার সক্ষমতা
মেটা দুটি কেন্দ্রীয় সক্ষমতার কথা বলছে: অ্যাকটিভ মেমোরি এবং অ্যাকটিভ ফোকাস। অ্যাকটিভ মেমোরি আগের কথোপকথনের প্রাসঙ্গিক তথ্য ধরে রাখে এবং পরের কাজের সময় তা কাজে লাগায়। প্রধান এআই কর্মকর্তা আলেকজান্দর ওয়াংয়ের ভাষ্য, এই তথ্য দিন, সপ্তাহ বা মাসজুড়ে সংরক্ষিত থাকতে পারে। এতে সহকারী কথোপকথন পেরিয়ে ব্যবহারকারীর পছন্দ ও চাহিদা মনে রাখতে পারে।
কোনো কাজ পরিকল্পনামতো না চললে কী হবে, তা সামলায় অ্যাকটিভ ফোকাস। মেটার দাবি, মডেলগুলো ভুল থেকে ঘুরে দাঁড়াতে পারে, কোনো টুল কাজ না করলে পদ্ধতি বদলাতে পারে, ব্যাখ্যা চাইতে পারে এবং গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপের আগে নিশ্চিত হতে পারে। কোনো এজেন্ট কাজ ছেড়ে দেয় বা বারবার ব্যর্থ পদ্ধতি অনুসরণ করে, এমন পরিস্থিতি কমানোই এর উদ্দেশ্য।
মেটার এআই কার্যক্রমের নেতৃত্বে থাকা ওয়াং দৈনন্দিন কাজে দেখা দেওয়া বাধার প্রসঙ্গে নকশার লক্ষ্য ব্যাখ্যা করেন:
বাস্তব জীবনের কাজ করতে গেলে বাধা আসবেই, নানা কিছু ঘটবে বা বিভিন্ন বিপত্তি দেখা দেবে," ওয়াং বলেন। "মডেলকে এমনভাবে প্রশিক্ষণ দেওয়ার চেষ্টা করেছি, যাতে আটকে না থেকে এটি অন্য পদ্ধতি চেষ্টা করতে পারে এবং যেকোনো সময় আবার ব্যবহারকারীর সঙ্গে যোগাযোগ করে।
সম্ভাব্য ব্যবহারের ক্ষেত্র হিসেবে মেটা বিমার দাবি, ইজারার শর্ত ব্যাখ্যা, ব্যক্তিগত অর্থ ব্যবস্থাপনা এবং উন্নত প্রোগ্রামিংয়ের কথা বলছে। মুেজ এরই মধ্যে মুদি কেনাকাটা, ভ্রমণ বুকিং এবং রাতের খাবারের রেস্তোরাঁ সংরক্ষণের মতো কাজে লক্ষ্য রাখছে। এগুলো সম্ভাব্য ব্যবহারের উদাহরণ, প্রতিটি কাজ মডেল নির্ভুল বা নিরাপদভাবে সম্পন্ন করে তার প্রমাণ নয়।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, দুই মডেলই ছবি, ভিডিও ও অডিও গ্রহণ করতে পারে এবং তাদের কনটেক্সট উইন্ডো এক মিলিয়ন টোকেন। তথ্য প্রক্রিয়াকরণের জন্য মডেল যে এককগুলোতে তথ্য ভাগ করে, সেগুলোই টোকেন। কনটেক্সট উইন্ডো একসঙ্গে কতটা তথ্য বিবেচনা করতে পারে তা মাপে; আর স্থায়ী স্মৃতি হলো আলাদা সক্ষমতা, যার মাধ্যমে কথোপকথনের মধ্যবর্তী সময়েও বাছাই করা তথ্য মনে রাখা যায়।
বেঞ্চমার্কে প্রতিযোগিতামূলক ফল, তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নয়
বড় ধরনের সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্টের কাজ নিয়ে তৈরি বেঞ্চমার্ক এসডব্লিউই-ম্যারাথনে মেটার প্রকাশিত ফল অনুযায়ী, মিউজ ওয়ান্ডার ফুলের স্কোর ৭৯ শতাংশ, মিউজ ওয়ান্ডারের ৭৮.৮ শতাংশ এবং ক্লড ওপাস ৫.৫-এর ৭৪.২ শতাংশ। এ হিসাবে ফুল অ্যানথ্রপিকের মডেলটির চেয়ে ৪.৮ শতাংশ পয়েন্ট এবং সাধারণ ওয়ান্ডার ৪.৬ শতাংশ পয়েন্ট এগিয়ে।
এই পরীক্ষায় মেটার দুই মডেলের ব্যবধান মাত্র ০.২ শতাংশ পয়েন্ট। তাই বড় সংস্করণটি সব পরিস্থিতিতে অনেক বেশি সুবিধা দেবে ধরে না নিয়ে, ক্রেতাদের তাদের নির্দিষ্ট কাজের প্রয়োজন বিবেচনা করা উচিত। ফলাফলগুলো মেটার প্রকাশিত তুলনা; কোনো প্রতিষ্ঠানের সফটওয়্যার প্রকল্পে কেমন করবে, তার নিশ্চয়তা নয়।
আর্টিফিশিয়াল অ্যানালাইসিস ইন্টেলিজেন্স ইনডেক্সে চিত্রটি আলাদা। মিউজ ওয়ান্ডার ফুলের স্কোর ৫৬, আর সাধারণ ওয়ান্ডারের ৫২। ক্লড ওপাস ৫.৫ এই মডেলগুলোর চেয়ে এগিয়ে, স্কোর ৫৮; ওপেনএআইয়ের জিপিটি-৬ অ্যাস্ট্রার স্কোর ৫৩। র্যাঙ্কিংয়ের বিবরণে ফুলকে যৌথভাবে দ্বিতীয় এবং ওয়ান্ডারকে যৌথভাবে সপ্তম স্থানে রাখা হয়েছে; একটি বিবরণে বলা হয়েছে, ক্লড সনেট ৫.৫-এর স্কোরও ফুলের সমান।
একটি বিবরণে মেটার বড় মডেলটির নাম মিউজ ওয়ান্ডারফুল বলা হয়েছে, তবে অন্য উদ্বোধনী বিবরণগুলোতে নাম মিউজ ওয়ান্ডার ফুল এবং স্কোর ৫৬-ই উল্লেখ করা হয়েছে। নামের এই অমিলকে তৃতীয় কোনো মডেল প্রকাশের প্রমাণ মনে করা উচিত নয়।
ক্লড ফেবল ৫.১ এবং জিপিটি-৬ অ্যাস্ট্রার সঙ্গে তুলনার কথাও বলেছে মেটা। গুগলের জেমিনি ৪ আর্গনের সঙ্গে তুলনায় বিষয়টি কম স্পষ্ট: একটি প্রকাশিত সূচকে জেমিনির স্কোর ৫৩, আর অন্য বিবরণে বলা হয়েছে, সামগ্রিক তুলনা এখনো পরিষ্কার নয়। ভিন্ন পরীক্ষায় ভিন্ন সক্ষমতা যাচাই করা হয়। তাই প্রোগ্রামিংয়ে ভালো ফল আইনি বিশ্লেষণ, আর্থিক কাজ বা ব্যক্তিগত সহায়তার ক্ষেত্রেও শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করে না।
সাবস্ক্রিপশন ও এপিআই ব্যবহারের খরচ আলাদা
মিউজের ভোক্তা সাবস্ক্রিপশন পরিকল্পনার মাসিক মূল্য ২০ বা ১০০ ডলার। মিউজ কোড পরিকল্পনার মাসিক মূল্য ৫০ বা ২০০ ডলার এবং এতে ওয়ান্ডার ফুল ব্যবহারের সুযোগ রয়েছে। এই সাবস্ক্রিপশনের মূল্য ওয়ান্ডারের এপিআই ব্যবহারের হার থেকে আলাদা রাখতে হবে; এপিআইতে প্রক্রিয়াকৃত তথ্যের পরিমাণ অনুযায়ী ডেভেলপারদের কাছ থেকে মূল্য নেওয়া হয়।
প্রকাশিত এপিআই মূল্য প্রতি এক মিলিয়ন ইনপুট টোকেনে ৪ ডলার এবং প্রতি এক মিলিয়ন আউটপুট টোকেনে ২০ ডলার। ইনপুট হলো মডেলে পাঠানো তথ্য; আউটপুট হলো মডেল যা তৈরি করে। এই হারে এক মিলিয়ন ইনপুট টোকেন এবং এক মিলিয়ন আউটপুট টোকেন ব্যবহার করা কোনো কাজের খরচ হবে ২৪ ডলার, প্রযোজ্য ছাড় বা অন্যান্য চার্জের আগে। প্রকাশিত হার ধরে এটি একটি হিসাব, সাবস্ক্রিপশনের মূল্য নয়।
আগে প্রক্রিয়াকৃত ইনপুট ক্যাশে করে পুনর্ব্যবহার করলে ছাড় পাওয়া যেতে পারে, যদিও ছাড়ের নির্দিষ্ট হার জানানো হয়নি। ক্যাশিংয়ের ফলে আগের প্রক্রিয়াকৃত উপাদানকে সম্পূর্ণ নতুন ইনপুট হিসেবে বিবেচনা না করে পুনরায় ব্যবহার করা যায়। দীর্ঘ নথি বারবার পর্যালোচনা করে এমন কোনো এজেন্টের ক্ষেত্রে এই পার্থক্য খরচে প্রভাব ফেলতে পারে।
ওয়াংয়ের দাবি, মেটার এপিআইয়ের মূল্য ওপেনএআই ও অ্যানথ্রপিকের শীর্ষস্থানীয় মডেলগুলোর চেয়ে উল্লেখযোগ্যভাবে কম হবে। তবে প্রকাশিত মূল্যের তুলনাটি সীমিত: বলা হয়েছে, ওয়ান্ডারের হার ক্লড ওপাস ৫.৫-এর সমান এবং জিপিটি-৬ অ্যাস্ট্রার মূল্যের প্রায় ৪০ শতাংশ। এতে ওপেনএআইয়ের মডেলের তুলনায় কম দামের দাবি সমর্থিত হয়, কিন্তু উদ্ধৃত হারে নাম উল্লেখ করা অ্যানথ্রপিক মডেলের তুলনায় নয়।
প্রাপ্যতা নিয়েও প্রতিবেদনে ভিন্ন তথ্য রয়েছে। কিছু প্রতিবেদনে এপিআই ব্যবহারের সুযোগ দেওয়ার পরিকল্পনার কথা বলা হয়েছে, আর বিস্তারিত উদ্বোধনী বিবরণ অনুযায়ী সাধারণ ওয়ান্ডার ইতিমধ্যেই এপিআইয়ের মাধ্যমে পাওয়া যাচ্ছে। ওয়ান্ডার ফুলের জন্য এপিআই ব্যবহারের সুযোগ ঘোষিত হয়নি। সবচেয়ে সক্ষম সংস্করণটি সরাসরি এন্টারপ্রাইজের কাছে বিক্রির জন্য তৈরি বলে বর্ণনা করা হলেও, এর নির্দিষ্ট উদ্বোধনী মাধ্যম হলো মিউজ কোড।
আরও সক্ষম মডেল হলেও ওয়েবসাইটে প্রবেশাধিকার দরকার
সেন্সর টাওয়ারের তথ্য অনুযায়ী, সেপ্টেম্বরে চালুর পর বিশ্বজুড়ে মিউজের ডাউনলোড সংখ্যা প্রায় ৯০ লাখে পৌঁছেছে। তবে ডাউনলোড প্রাথমিক আগ্রহের পরিমাপ, দীর্ঘমেয়াদি ব্যবহার ধরে রাখার নয়। ডাউনলোড বৃদ্ধির গতি কমেছে এবং ১৪ দিন পর ব্যবহারকারী ধরে রাখার হার চ্যাটজিপিটির চেয়ে কম বলে জানা গেছে। সুনির্দিষ্ট হার প্রকাশ করা হয়নি।
কিছু বাধা মেটার মডেলের নিয়ন্ত্রণের বাইরে। জেফরিজের বিশ্লেষক ব্রেন্ট থিল বলেছেন, এজেন্টদের আটকে দেওয়া ওয়েবসাইটগুলো ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতা খারাপ করছে। সেপ্টেম্বরের শেষ দিকে মিউজের কেনাকাটা আটকে দেওয়ার অ্যামাজনের সিদ্ধান্ত সমস্যাটি স্পষ্ট করে: কোনো সহকারী কেনাকাটার অনুরোধ বুঝলেও তা সম্পন্ন করতে অক্ষম হতে পারে।
কোনো টুল কাজ না করলে বা তথ্য না থাকলে অ্যাকটিভ ফোকাস সহায়তা করতে পারে। তবে এর অর্থ এই নয় যে কোনো ওয়েবসাইটের বিধিনিষেধ এড়িয়ে যাওয়ার অনুমতি এজেন্টের আছে। ব্যক্তিগত সহায়তার সাফল্য নির্ভর করে যুক্তি, স্মৃতি ও কাজ চালিয়ে যাওয়ার সক্ষমতার পাশাপাশি বাইরের সেবাগুলোর সহযোগিতার ওপরও।
সব কাজে সবচেয়ে শক্তিশালী মডেল ব্যবহারের যুক্তিকে মূল্যও জটিল করে তুলছে। ওপেনরাউটার প্ল্যাটফর্মের তথ্য অনুযায়ী, উচ্চ মানের বলে বিবেচিত শীর্ষ ১০টি মডেলের ব্যবহার ২০২৬ সালের তৃতীয় প্রান্তিকে ছিল মোট ব্যবহারের ১৪ শতাংশ। ২০২৫ সালের প্রথম প্রান্তিকে তা ছিল ৫৫ শতাংশ। ওই প্ল্যাটফর্মে এটি ৪১ শতাংশ পয়েন্ট পতন; পুরো এআই বাজারের পরিমাপ নয়।
এই প্রবণতা থেকে বোঝা যায়, নিয়মিত কাজে কম দামের মডেলের ভূমিকা বাড়ছে। ওয়ান্ডারের সক্ষমতার বেশির ভাগ ধরে রেখে আরও দক্ষভাবে কাজ করবে এমন বিশেষায়িত সংস্করণ তৈরি করছে মেটা। এতে প্রতিটি অনুরোধে সবচেয়ে বড় মডেল ব্যবহার না করেই আরও বেশি ভোক্তাকে সেবা দেওয়া সম্ভব হতে পারে।
গোপনীয়তা নির্ভর করে অনুমতি ও পণ্যের সেটিংসের ওপর
বার্তা, ক্যালেন্ডার ও নথিতে কাজ করা এজেন্টের সংবেদনশীল তথ্যের প্রবেশাধিকার দরকার। মেটার দাবি, অনুমতি ছাড়া ব্যক্তিগত তথ্য শেয়ার করা এড়াতে এবং ক্ষতিকর কাজে সহায়তা প্রত্যাখ্যান করতে ওয়ান্ডারকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপের আগে মডেলগুলো নিশ্চিত হতে চায়।
কিছু ব্যবহারকারী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অভিযোগ করেছেন, অনুমতি ছাড়া মিউজ তাদের ব্যক্তিগত বার্তা দেখেছে। মেটা অভিযোগগুলো অস্বীকার করেছে। ওয়াং বলেছেন, প্রতিষ্ঠানটি এজেন্ট-সংক্রান্ত ঘটনা পর্যবেক্ষণ করছে এবং ব্যবহারকারীদের অনুমতির বিষয়টি ব্যাখ্যা করছে। এর মধ্যে এমন ঘটনাও রয়েছে, যখন কেউ কথোপকথনের শুরুতে যোগাযোগের অনুমতি দিয়ে পরে তা ভুলে যেতে পারেন।
প্রকাশিত বিবরণে এ মতপার্থক্যের কারণে সুনির্দিষ্ট অভিযোগগুলোর নিষ্পত্তি হয়নি। স্থায়ী স্মৃতি এবং একাধিক সেবায় কাজ করার সক্ষমতার কারণে স্পষ্ট অনুমতি নিয়ন্ত্রণ বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ: কোনো তথ্য মনে রাখা আর সেটি ব্যবহার বা শেয়ারের অনুমতি পাওয়া এক বিষয় নয়।
কোন পথে ব্যবহার করা হচ্ছে, তার ওপরও তথ্য ব্যবস্থাপনা ভিন্ন হয়। মিউজ কোড সাবস্ক্রিপশনে ডিফল্টভাবে কন্ট্রিবিউটর মোড চালু থাকে বলে জানা গেছে। এ মোডে জমা দেওয়া উপাদান ভবিষ্যতের মডেল উন্নত করতে ব্যবহার করা যায়। সাবস্ক্রাইবাররা সেটিংটি বন্ধ করতে পারেন। সাধারণ মডেল এপিআইতে জমা দেওয়া তথ্য প্রশিক্ষণে ব্যবহার করা হয় না বলে জানা গেছে। এগুলো পণ্যের ব্যবহারের শর্তসংক্রান্ত প্রতিবেদন; একে অভিন্ন গোপনীয়তা নীতি হিসেবে দেখা উচিত নয়।
ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের জন্য এই পার্থক্য বেঞ্চমার্কের মান থেকে আলাদা একটি বিষয়। কোনো কোডিং সহকারী ভালো কাজ করলেও নির্বাচিত সেটিংসে মালিকানাধীন কোড, ক্লায়েন্টের নথি বা ব্যক্তিগত তথ্য জমা দেওয়া যাবে কি না, তা পর্যালোচনা করা দরকার।
পূর্ণাঙ্গ মূল্যায়নের অপেক্ষায় নিরাপত্তার দাবি
মেটার দাবি, সাইবার অপব্যবহার ঠেকাতে ওয়ান্ডারে এখন পর্যন্ত তাদের সবচেয়ে শক্তিশালী সুরক্ষাব্যবস্থা রয়েছে। আপাতত এসব সুরক্ষা অর্থের বিনিময়ে পাওয়া মডেলটির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য বলে জানানো হয়েছে; মিউজের প্রতিটি বিনা মূল্যের ব্যবহারের ক্ষেত্রেও আছে বলে বলা হয়নি। এ বক্তব্যের অর্থ এই নয় যে বিনা মূল্যের পণ্যগুলোতে কোনো সুরক্ষাব্যবস্থা নেই; বরং নতুন মডেলটির জন্য দাবি করা সুরক্ষার পার্থক্য বোঝানো হয়েছে।
প্রতিষ্ঠানটির ভাষ্য, মেটা সুপারইন্টেলিজেন্স স্কেলিং ফ্রেমওয়ার্ক অনুসরণ করে মডেলগুলোর উন্নয়ন করা হয়েছে এবং পূর্ণাঙ্গ নিরাপত্তা মূল্যায়ন প্রতিবেদন শিগগির প্রকাশ করা হবে। প্রকাশের তারিখ জানানো হয়নি। প্রতিবেদনটি ছাড়া নতুন নিরাপত্তা দাবির পেছনের বিস্তারিত মূল্যায়ন জনসমক্ষে এখনো অসম্পূর্ণ।
প্রধান নির্বাহী মার্ক জাকারবার্গের যুক্তি, সুরক্ষাব্যবস্থা ও দায়িত্বশীল উন্নয়নের মাধ্যমে এআইকে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। পুরো শিল্পকে গবেষণা ধীর করার আহ্বান তিনি প্রত্যাখ্যান করেছেন, তবে পণ্যের নিরাপত্তা সামলাতে মেটা অভ্যন্তরীণ উন্নয়নের কিছু কাজ ধীর করেছে বলে স্বীকার করেছেন।
নিয়ন্ত্রণ ও স্বায়ত্তশাসন নিয়ে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করেছেন জাকারবার্গ:
"আমার দৃষ্টিভঙ্গি এমন বিশ্বাসের অনেক কাছাকাছি যে এআই এমন একটি প্রযুক্তি, যাকে সুরক্ষাব্যবস্থার মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করা যায় এবং দায়িত্বশীলভাবে গড়ে তোলা যায়। এর বিপরীতে, এটি নিজের সত্তাবোধ তৈরি করবে এবং নিজে নিজেই কাজ করবে, এমন দৃষ্টিভঙ্গিতে আমি বিশ্বাসী নই," তিনি বলেন।
বিপর্যয়কর ক্ষতির সম্ভাবনা কত, সে বিষয়ে কোনো অনুমান দেননি তিনি। তার অবস্থান অনুযায়ী, উন্নয়ন চালিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পৃথক গবেষণাগারগুলোর। তাই অপেক্ষমাণ মূল্যায়ন প্রতিবেদনটি গুরুত্বপূর্ণ একটি অনুপস্থিত অংশ, বিশেষ করে এমন মডেলের ক্ষেত্রে, যেগুলো শুধু জবাব না দিয়ে পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য তৈরি।
কম্পিউটিং অবকাঠামোর সম্প্রসারণ মেটার গণ্ডি ছাড়ায়
মিউজ ওয়ান্ডার মডেলগুলোকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে মেটার প্রমিথিউস ডেটা সেন্টারে। অবকাঠামোয় বিনিয়োগ, কর্মী নিয়োগ এবং ওয়াংয়ের নেতৃত্বে সাংগঠনিক পুনর্গঠনের পর এই উদ্বোধন এসেছে। এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে মেটা স্কেল এআইয়ে প্রায় ১৪ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করেছে এবং ওয়াংকে নেতৃত্বে নিয়ে এসেছে।
একটি বিবরণে বলা হয়েছে, ওয়ান্ডার, যার অভ্যন্তরীণ সাংকেতিক নাম ওয়াটারমেলন, মিউজ স্পার্কের তুলনায় প্রায় এক ক্রমমাত্রা বেশি কম্পিউটিং রিসোর্স ব্যবহার করেছে। এটি প্রকাশিত প্রশিক্ষণ ব্যয় বা হার্ডওয়্যারের চাহিদার হিসাব নয়, বরং একটি প্রতিবেদনভিত্তিক তুলনা। শীর্ষস্থানীয়দের কাতারে পৌঁছাতে উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি কম্পিউটিং সক্ষমতা দরকার ছিল বলে মেটার যুক্তির সঙ্গে এটি সামঞ্জস্যপূর্ণ।
জাকারবার্গ বলেছেন, মডেল উন্নয়নের পরবর্তী ধাপ এরই মধ্যে শুরু হয়েছে এবং কাজের গতি বাড়বে। আরও বড় মডেলের পাশাপাশি আরও দক্ষ বিশেষায়িত সংস্করণ নিয়েও কাজ করছে মেটা, একই সঙ্গে সক্ষমতা বাড়ানো ও পরিচালন খরচ কমানোর চেষ্টা করছে।
ব্যয়ের পূর্বাভাস মেটার এআই সরবরাহব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত সার্ভার নির্মাতাদের সম্ভাব্য চাহিদা তৈরি করছে। তাদের মধ্যে রয়েছে হোন হাই, যা ফক্সকন নামেও পরিচিত, কোয়ান্টা, উইস্ট্রন, উইউইন এবং ইনভেনটেক। অবকাঠামো কেনাকাটা অব্যাহত থাকলে এসব প্রতিষ্ঠান লাভবান হতে পারে, এমন প্রত্যাশার ওপর এ সম্ভাবনা নির্ভর করছে। ওয়ান্ডারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নতুন কোনো চুক্তিমূল্য, সরবরাহকারীদের মধ্যে বরাদ্দ বা ডেলিভারির সময়সূচি ঘোষণা করা হয়নি।
একটি মডেলের প্রশিক্ষণ বাজেটের চেয়েও মূলধনী ব্যয়ের পরিধি বড়। মেটার ১৩০ বিলিয়ন থেকে ১৪৫ বিলিয়ন ডলারের পূর্বাভাসে অর্থায়ন ইজারার মূলধন পরিশোধও অন্তর্ভুক্ত। আর ক্যান্টর ফিটজেরাল্ডের ২০০ বিলিয়ন ডলারের পূর্বাভাস পরের বছরকে নিয়ে। কোনোটিকেই শুধু মিউজ ওয়ান্ডার তৈরির খরচ হিসেবে দেখা উচিত নয়।
আয় প্রমাণের আগেই বিনিয়োগকারীদের প্রতিক্রিয়া
উদ্বোধনের দিন লেনদেন শেষে মেটার শেয়ারের দাম ছিল ৭৪২.৯৬ ডলার, যা ৩.৩৮ শতাংশ বেশি। অন্য বিবরণে বৃদ্ধির হার ৩.৪ শতাংশ বা প্রায় ৩ শতাংশ বলা হয়েছে। জাকারবার্গ বিকেলে ঘোষণাটি দেওয়ার আগেই শেয়ারের দাম বাড়তে শুরু করেছিল। তাই পুরো দিনের দরবৃদ্ধির কারণ শুধু মডেল উদ্বোধন নয়।
শেয়ারবাজারের বৃহত্তর পরিসংখ্যানগুলো ভিন্ন ভিন্ন সময়কাল ধরে: একটি বিবরণে বছরের শুরু থেকে ১৩ শতাংশ এবং সেপ্টেম্বরের শুরু থেকে ৩১ শতাংশ বৃদ্ধির কথা বলা হয়েছে। অন্যটিতে ওই মাসের শেষ দিকে মিউজ চালুর পর থেকে প্রায় ১০ শতাংশ বৃদ্ধির কথা রয়েছে। শুরুর তারিখ এক না হলে এসব সংখ্যার সরাসরি তুলনা করা যায় না।
ব্যাংক অব আমেরিকা সিকিউরিটিজের বিশ্লেষক জাস্টিন পোস্টের যুক্তি, মেটা সুপারইন্টেলিজেন্স ল্যাবে বিনিয়োগ উন্নত মডেল-সক্ষমতা ও পণ্য উদ্ভাবনে রূপ নিচ্ছে। নতুন উদ্বোধন তার এই মতের পক্ষে আরও প্রমাণ জোগায়, তবে মডেলগুলো কতটা আয় করবে, তা এখনো প্রতিষ্ঠিত হয়নি।
বাণিজ্যিক দিক থেকে প্রশ্নগুলো সুনির্দিষ্ট। কতজন মিউজ ব্যবহারকারী ওয়ান্ডারের জন্য অর্থ দেবেন, কতজন ডেভেলপার এর এপিআই বেছে নেবেন, কিংবা স্থায়ী এজেন্ট ব্যবহারের খরচের তুলনায় আয় কত হবে, তা মেটা জানায়নি। সাধারণ ভোক্তাদের জন্য আরও ব্যাপক ব্যবহার, ফুলের এপিআই প্রবেশাধিকার এবং নিরাপত্তা প্রতিবেদন প্রকাশের তারিখও জানানো হয়নি। উদ্বোধনের ফলে প্রতিযোগিতায় মেটার অবস্থান শক্তিশালী হয়েছে, তবে ব্যবসা ও ব্যবহারের এসব সিদ্ধান্ত এখনো অনিষ্পন্ন।
মূল বিষয়গুলো
- ২০২৬ সালের ১২ অক্টোবর মেটা মিউজ ওয়ান্ডার এবং মিউজ ওয়ান্ডার ফুল চালু করেছে। প্রথমে ডেভেলপারদের জন্য ব্যবহারের সুযোগ দেওয়া হয়েছে; মিউজে ভোক্তাদের জন্য চালু হতে এখনো বাকি।
- মেটার প্রোগ্রামিং বেঞ্চমার্কে তাদের মডেলগুলো এগিয়ে, তবে আর্টিফিশিয়াল অ্যানালাইসিসে ওয়ান্ডার ফুল ক্লড ওপাস ৫.৫-এর পেছনে রয়েছে।
- ওয়ান্ডার এপিআইয়ের মূল্য প্রতি এক মিলিয়ন ইনপুট টোকেনে ৪ ডলার এবং প্রতি এক মিলিয়ন আউটপুট টোকেনে ২০ ডলার। ফুল ব্যবহারে মিউজ কোড সাবস্ক্রিপশন প্রয়োজন।
- কোনো মডেলই জনসাধারণের ডাউনলোডের জন্য বা ব্যবহারকারীদের নিজস্ব সার্ভারে চালানোর জন্য পাওয়া যাচ্ছে না।
- এজেন্ট ব্যবহারের ক্ষেত্রে স্মৃতি, অনুমতি, ওয়েবসাইটের বিধিনিষেধ এবং প্রশিক্ষণসংক্রান্ত প্রকাশিত সেটিংস এখনো বাস্তব সমস্যা।
- ২০২৬ সালে মেটার ব্যয়ের পূর্বাভাস ১৩০ বিলিয়ন থেকে ১৪৫ বিলিয়ন ডলার। ২০২৭ সালের ২০০ বিলিয়ন ডলারের অঙ্কটি ক্যান্টর ফিটজেরাল্ডের পূর্বাভাস।
- পূর্ণাঙ্গ নিরাপত্তা মূল্যায়ন এবং আরও ব্যাপকভাবে ব্যবহারের তারিখ এখনো প্রকাশ করা হয়নি।






