একটি নমুনা সংগ্রহস্থলে প্রতি লিটারে ১১৪,৮৬০ মিলিগ্রাম
প্রাচিন বুরি প্রদেশের সি মহা ফট জেলার হুয়া ওয়া এলাকায় একটি শিল্পবর্জ্য ল্যান্ডফিলের কাছে বাঁধের ফাটল দিয়ে পানি চুইয়ে পড়ার স্থান থেকে প্রায় ৬৫ মিটার দূরে সংগ্রহ করা পানিতে পেট্রোলিয়াম হাইড্রোকার্বনের ঘনত্ব পাওয়া গেছে প্রতি লিটারে ১১৪,৮৬০ মিলিগ্রাম। অন্য দুটি নমুনা নেওয়া হয়েছিল যথাক্রমে প্রায় ৪৩৫ ও ৮৫০ মিটার দূর থেকে। দুটিতেই প্রতি লিটারে ৩ মিলিগ্রামের কম পেট্রোলিয়াম হাইড্রোকার্বন পাওয়া গেছে, যা তিনটি স্থানের মধ্যে বড় পার্থক্য তুলে ধরে।
সূচিপত্র
- একটি নমুনা সংগ্রহস্থলে প্রতি লিটারে ১১৪,৮৬০ মিলিগ্রাম
- তিনটি পানির নমুনায় যা দেখা গেছে
- স্বাস্থ্য পরীক্ষায় সংস্পর্শের ঝুঁকি, বিষক্রিয়ার নিশ্চিত প্রমাণ নয়
- মেরামতের নির্দেশ থেকে কার্যক্রম স্থগিত
- কোন কার্যক্রম তদন্তের আওতায়
- বন্যার পানি থাকায় তেল অপসারণের কাজ চলছে
- তেল নিয়ে আশ্বাসের সীমা কেন জরুরি
- ভূগর্ভস্থ পানি ও ধানখেত নিয়ে বাসিন্দাদের উদ্বেগ
- কোন বিষয়গুলো এড়াতে বাসিন্দাদের পরামর্শ
- পলির পরীক্ষা ও আইনি সিদ্ধান্ত এখনো বাকি
- মূল বিষয়গুলো
সারাবুরিতে পরিবেশ ও দূষণ নিয়ন্ত্রণ কার্যালয় ৭-এর পরীক্ষার ফল কাছের ভাটির দিকের নমুনা সংগ্রহস্থলে উল্লেখযোগ্য পেট্রোলিয়াম দূষণের বিষয়টি নিশ্চিত করে। তবে এসব ফল থেকে প্রমাণ হয় না যে জেলার সর্বত্র বন্যার পানিতে দূষণের মাত্রা একই, কিংবা দূরের পানির উৎস সব ধরনের ব্যবহারের জন্য নিরাপদ।
তদন্তের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে গ্রিন এনভায়রনমেন্ট টেকনোলজি কোম্পানি লিমিটেড। কর্মকর্তারা সেখানে শিল্পবর্জ্য নিষ্পত্তি ও শোধন এলাকার তরল পদার্থ আশপাশের বন্যার পানিতে গিয়ে মিশেছে—এমন চিহ্ন শনাক্ত করেন। সংশোধনমূলক কাজ চলাকালে শিল্পকারখানাটির কার্যক্রম বন্ধ এবং নতুন শিল্পবর্জ্য গ্রহণ স্থগিতের নির্দেশ দিয়েছে শিল্পকারখানা বিভাগ।
এদিকে স্বাস্থ্য বিভাগ আটটি কমিউনিটি এলাকায় ৭৩ জন বাসিন্দার স্বাস্থ্য পরীক্ষা করেছে। থাইল্যান্ডের রোগ নিয়ন্ত্রণ বিভাগ ৩৪ জনকে উচ্চ ঝুঁকিতে থাকা ব্যক্তি হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করেছে, তবে জরুরি চিকিৎসার প্রয়োজন এমন কোনো রোগী পায়নি। ওই দলের ১১ জনের প্রস্রাবের নমুনা আর্সেনিক ও ক্যাডমিয়াম পরীক্ষার জন্য সংগ্রহ করা হয়েছে।
সমন্বিত এই ফলাফল বলছে, বিষয়টি শুধু চোখে দেখা তেলের আস্তরণ সরানোর মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। দূষণ কোথায় ছড়িয়েছে, কমিউনিটির পানির সরবরাহ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কি না এবং বন্যার পানি নেমে যাওয়ার পর মাটি ও পলিতে কী থেকে যাচ্ছে—কর্তৃপক্ষকে তা নির্ধারণ করতে হবে। প্রতিবেদনে উল্লিখিত তারিখগুলো থাইল্যান্ডের বৌদ্ধ বর্ষপঞ্জির ২৫৬৯ সাল অনুযায়ী, যা ২০২৬ সালের সমতুল্য।
তিনটি পানির নমুনায় যা দেখা গেছে
পেট্রোলিয়াম হাইড্রোকার্বন হলো পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট রাসায়নিকের একটি বিস্তৃত গোষ্ঠী, যার মধ্যে তেল ও জ্বালানি রয়েছে। এই গোষ্ঠীর মাত্রা মাপলে পেট্রোলিয়াম দূষণের উপস্থিতি বোঝা যায়, তবে শুধু এই পরিমাপ থেকে উপস্থিত প্রতিটি রাসায়নিক শনাক্ত করা যায় না বা স্বাস্থ্যের ঝুঁকির পূর্ণ মূল্যায়নও হয় না।
তিনটি নমুনায় পরীক্ষায় পাওয়া ঘনত্ব নিচে দেওয়া হলো। সব পরিমাণ প্রতি লিটারে মিলিগ্রামে:
- ১ নম্বর স্থান, প্রায় ৬৫ মিটার দূরে: পেট্রোলিয়াম হাইড্রোকার্বন ১১৪,৮৬০; আয়রন ০.৯৮; অ্যালুমিনিয়াম ১.১৪৬; বেরিয়াম ০.০৪১; কপার ০.০১।
- ২ নম্বর স্থান, প্রায় ৪৩৫ মিটার দূরে: পেট্রোলিয়াম হাইড্রোকার্বন ৩-এর কম; আয়রন ১.০; অ্যালুমিনিয়াম ১.২৯৪; বেরিয়াম ০.০৩৮; কপার ০.০১-এর কম।
- ৩ নম্বর স্থান, প্রায় ৮৫০ মিটার দূরে: পেট্রোলিয়াম হাইড্রোকার্বন ৩-এর কম; আয়রন ০.৭০; অ্যালুমিনিয়াম ০.৫-এর কম; বেরিয়াম ০.০৫১; কপার ০.০১-এর কম।
১ নম্বর স্থানে পেট্রোলিয়ামের পরিমাণ অন্য দুটি স্থানে ব্যবহৃত প্রতি লিটারে ৩ মিলিগ্রামের প্রতিবেদন-সীমার ৩৮,০০০ গুণের বেশি। এটি ওই সীমার সঙ্গে তুলনা, পরিমাপ করা ঘনত্বের সুনির্দিষ্ট অনুপাত নয়; কারণ ২ ও ৩ নম্বর স্থানের প্রকৃত মান জানানো হয়নি।
১২ অক্টোবরের একটি প্রতিবেদনে কারখানা থেকে ১০ মিটারের মধ্যে উচ্চমাত্রার দূষণ এবং ৩০০ মিটার দূরের পরিস্থিতিকে এমন মানদণ্ডের মধ্যে বলা হয়েছিল, যা প্রভাব ফেলবে না বলে বিবেচিত। এই দূরত্বগুলো বিস্তারিত তিনটি নমুনার ৬৫, ৪৩৫ ও ৮৫০ মিটার দূরত্বের সঙ্গে মেলে না। নমুনা সংগ্রহের মানচিত্র, তারিখ, পদার্থ এবং তুলনার মানদণ্ড এক না হলে, এসব বিবরণকে একই জরিপের অংশ হিসেবে বিবেচনা করা বা এর ভিত্তিতে নিরাপত্তার সুনির্দিষ্ট সীমা নির্ধারণ করা যায় না।
স্বাস্থ্য পরীক্ষায় সংস্পর্শের ঝুঁকি, বিষক্রিয়ার নিশ্চিত প্রমাণ নয়
রোগ নিয়ন্ত্রণ বিভাগের ৮ অক্টোবরের বিবৃতিতে, জরুরি কার্যক্রম কেন্দ্রের তথ্যের ভিত্তিতে, ল্যান্ডফিল উপচে পড়া এবং কৃষিজমি ও জনবসতির কাছের জলপথে ৩ কিলোমিটারের বেশি এলাকাজুড়ে রংধনুর মতো আস্তরণ ছড়িয়ে পড়ার খবরের পর নেওয়া পদক্ষেপের বিবরণ রয়েছে।
মহাপরিচালক ডা. মনথিয়েন কানাসাওয়াত ৬ অক্টোবর মাঠপর্যায়ের কার্যক্রমের বিবরণ দেন। দলগুলো আটটি কমিউনিটি এলাকায় ৭৩ জন বাসিন্দার সাক্ষাৎকার নেয়। বিভাগের ASDR মূল্যায়ন মানদণ্ড অনুযায়ী, ৩৪ জনকে উচ্চ, ২৩ জনকে মাঝারি এবং ১৬ জনকে নিম্ন ঝুঁকির শ্রেণিতে রাখা হয়। পরীক্ষা করা ব্যক্তিদের প্রায় ৪৭ শতাংশ ছিলেন উচ্চ ঝুঁকির দলে।
এগুলো ঝুঁকির শ্রেণিবিন্যাস, রাসায়নিক বিষক্রিয়ার রোগনির্ণয় নয়। বিভাগ কোনো জরুরি রোগী পায়নি বলে জানিয়েছে, তবে বাসিন্দারা এমন সংস্পর্শে এসেছেন কি না, যার জন্য পরবর্তী পরীক্ষা দরকার, সে প্রশ্নের উত্তর এতে মেলে না। ১১ জনের প্রস্রাবে মোট আর্সেনিক ও ক্যাডমিয়াম পরীক্ষার উদ্দেশ্য ছিল এসব পদার্থের সংস্পর্শ মূল্যায়নে সহায়তা করা। বিবৃতিতে পরীক্ষাগারের ফল জানানো হয়নি।
ছয়টি স্থানে হাইড্রোজেন সালফাইড, ১,৩-বিউটাডায়িন, বেনজিন, টলুইন, ইথাইলবেনজিন, জাইলিন ও স্টাইরিন—এই সাতটি রাসায়নিকের উপস্থিতি বাতাসেও পরীক্ষা করা হয়। প্রাথমিক ঘনত্ব এত কম ছিল যে যন্ত্রে ধরা পড়েনি। এই ফল কেবল পরীক্ষিত পদার্থ, স্থান ও সময়ের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। এর ভিত্তিতে বলা যায় না যে দূষিত পানি বা পলিতে কোনো ঝুঁকি নেই।
স্বাস্থ্য বিভাগের বিবৃতিতে উপচে পড়া বর্জ্যস্থলটিকে বিপজ্জনক বর্জ্যের ল্যান্ডফিল বলা হয়েছে। শিল্পকারখানা পরিদর্শনবিষয়ক কয়েকটি বিবরণে সংশ্লিষ্ট ল্যান্ডফিলে বিপজ্জনক নয় এমন বর্জ্য নেওয়া হতো বলা হয়েছে; অন্য একটি বিবরণে এর অনুমতিপত্রের পরিধি আরও বিস্তৃতভাবে বর্ণনা করা হয়েছে। এসব বর্ণনার পার্থক্যের কারণে প্রকৃত অনুমতিপত্র ও বর্জ্য গ্রহণের নথি তদন্তের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
মেরামতের নির্দেশ থেকে কার্যক্রম স্থগিত
প্রকাশ্য নথিতে দেখা যায়, অভিযোগ ও সংশোধনের নির্দেশের পর কারখানার কার্যক্রম স্থগিত করা হয়। স্থগিতাদেশটি ৫ না ৬ অক্টোবর থেকে কার্যকর, তা নিয়ে প্রতিবেদনে পার্থক্য রয়েছে: কোনো কোনো প্রতিবেদনে ৫ অক্টোবর নির্দেশ জারির কথা বলা হয়েছে, আবার ৬ অক্টোবর প্রকাশিত প্রতিবেদনে বন্ধের ঘোষণা বা বিবরণ দেওয়া হয়েছে।
- ২৯ সেপ্টেম্বর: ইকোলজিক্যাল অ্যালার্ট অ্যান্ড রিকভারি থাইল্যান্ড ফাউন্ডেশন বন্যার পানিতে রংধনুর মতো আস্তরণের আকাশ থেকে তোলা ছবি প্রকাশ করে এবং এর সঙ্গে ল্যান্ডফিলের সম্ভাব্য যোগসূত্র নিয়ে উদ্বেগ জানায়।
- ২ অক্টোবর: প্রাদেশিক শিল্প কর্মকর্তারা ফ্যাক্টরি অ্যাক্ট বি.ই. ২৫৩৫ (১৯৯২)-এর ৩৭ ধারার প্রথম অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সংশোধনের নির্দেশ দেন। ব্যবহৃত লুব্রিকেটিং অয়েল ও দ্রাবকের চিহ্ন পাওয়া নিয়ে পুলিশও একটি প্রতিবেদন নথিভুক্ত করে।
- ৪ অক্টোবর: উপপ্রাদেশিক গভর্নর চানাথিপ খোখমানি বিভিন্ন সংস্থা ও ক্ষতিগ্রস্ত বাসিন্দাদের নিয়ে প্রাদেশিক সভায় সভাপতিত্ব করেন।
- ৫ ও ৬ অক্টোবর: ৩৯ ধারার প্রথম অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সব কার্যক্রম স্থগিতের বিবরণ প্রকাশিত হয়; একই সঙ্গে দূষণ নিয়ন্ত্রণের কাজ এবং আইনি পদক্ষেপের প্রস্তুতি চলছিল।
- ৮ অক্টোবর: রোগ নিয়ন্ত্রণ বিভাগ স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও বাতাস পর্যবেক্ষণের প্রাথমিক ফল প্রকাশ করে।
- ১০ অক্টোবর: কর্মকর্তারা কাবিন বুরি জেলার একটি পৃথক পুনর্ব্যবহারকারী প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করেন।
- ১২ অক্টোবর: গ্রিন এনভায়রনমেন্ট টেকনোলজির বাইরে তেল শুষে নেওয়ার কাজ এবং পৃথক পুনর্ব্যবহারকারী প্রতিষ্ঠানে আইন প্রয়োগের হালনাগাদ তথ্য প্রকাশিত হয়।
কার্যক্রম স্থগিতের আগে বাসিন্দারা শুধু সংশোধনের নির্দেশ দেওয়া নিয়ে আপত্তি তুলেছিলেন। প্রাদেশিক শিল্প কর্মকর্তা আপিরাক আমসুরিয়া ব্যাখ্যা করেন, ৩৭ ধারায় কারখানা মেরামত বা উন্নতির নির্দেশ দেওয়া যায়; অন্যদিকে ৩৯ ধারায় স্থগিতাদেশ দিতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে ব্যবস্থা নিতে হয়।
কোন কার্যক্রম তদন্তের আওতায়
গ্রিন এনভায়রনমেন্ট টেকনোলজির ১০৫ ও ১০৬ শ্রেণির কারখানা পরিচালনার অনুমতি ছিল। পরিদর্শন প্রতিবেদনে ১০৫ শ্রেণির কার্যক্রমকে বর্জন করা সামগ্রী বা বিপজ্জনক নয় এমন বর্জ্য বাছাই ও ল্যান্ডফিলে ফেলার কাজ হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে।
১০৬ শ্রেণির কার্যক্রমে ব্যবহৃত লুব্রিকেটিং অয়েল বা দ্রাবক প্রক্রিয়াজাত করে বিকল্প বা মিশ্র জ্বালানি তৈরি করা হতো। এ ছাড়া পাত্র মেরামত ও ধোয়া, ইলেকট্রনিক যন্ত্রাংশ টুকরো করা এবং বিপজ্জনক নয় বলে বর্ণিত বর্জিত সামগ্রী থেকে কংক্রিট ব্লক ও পেভিং ব্লক তৈরিও এর অন্তর্ভুক্ত ছিল।
শিল্পখাতের টপ গান বিশেষ অভিযান দলের প্রধান জেনারেল নাক্রোব বুনবুয়াথং বলেন, কারখানার ভেতরে বন্যার পানির স্তর আশপাশের ধানখেতের স্তরের চেয়ে প্রায় ৩ মিটার উঁচু ছিল। এটি পানির উচ্চতার একটি প্রতিবেদন করা পার্থক্য; কারখানাজুড়ে বন্যার পানির গভীরতা একই ছিল, এমন নয়।
কর্মকর্তারা প্রথমে ফ্যাক্টরি অ্যাক্টের ৩৫(৪) ধারা ব্যবহার করে কারখানার পরিস্থিতি এবং দূষিত পানি নিষ্কাশন ঠেকানোর ব্যবস্থা সম্পর্কে ব্যাখ্যা চান। এরপর ৩৭ ধারার নির্দেশে ল্যান্ডফিলের গর্ত ঢেকে রাখতে এবং চত্বরের ভেতরে ও বাইরে দূষণ তদন্ত করে মোকাবিলার নির্দেশ দেওয়া হয়। পরে ৩৯ ধারার নির্দেশে উন্নয়নকাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত সব কার্যক্রম বন্ধ করা হয়।
আকাশ থেকে তোলা ছবি প্রকাশের পর কোম্পানি জানায়, সংস্থাগুলোর পরীক্ষায় তখনও অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত হয়নি এবং অনুমানকে যেন সত্য থেকে আলাদা করে দেখা হয়। পরবর্তী পরিদর্শনের ফল ও পানির পরীক্ষায় তদন্তের জন্য প্রমাণ মিলেছে, তবে কার্যক্রম স্থগিতের আদেশ আদালতে ফৌজদারি দায় প্রমাণের রায় নয়।
বন্যার পানি থাকায় তেল অপসারণের কাজ চলছে
টপ গান দলের মুখপাত্র ননতানাত বুননাক প্রতিক্রিয়ার তিনটি ধাপের কথা জানান: অবিলম্বে দূষণ ছড়ানো ঠেকানো, পানির স্তর কমলে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন এবং পুনরুদ্ধারের কাজ সমন্বয় করা।
তাৎক্ষণিক ব্যবস্থার মধ্যে ছিল সন্দেহভাজন নিঃসরণস্থলের চারপাশে ভাসমান তেল-প্রতিরোধী বেড়া, তেল শোষক প্যাড ও বালুর বস্তার বাঁধ বসানো। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সংগ্রহের কাজে সারফ্যাকট্যান্টও ব্যবহার করা হয়; এই রাসায়নিক তেল ও পানির পারস্পরিক আচরণ বদলে দেয়। ব্যবহৃত শোষক উপকরণ সংগ্রহ করে যথাযথভাবে নিষ্পত্তি করার কথা ছিল।
শিল্পমন্ত্রী ওয়ারাওয়ুত সিলপা-আর্চা বলেন, খননযন্ত্র দিয়ে কারখানার পেছনে মাটির বাঁধ তৈরি করা হয়েছে এবং পুনর্ব্যবহার এলাকার চারপাশে আরও নিঃসরণ ঠেকাতে বালুর বস্তা রাখা হয়েছে। গর্ত ও বর্জ্যের স্তূপ ঢেকে রাখার উদ্দেশ্য ছিল বৃষ্টি ও বন্যার পানিতে আরও উপাদান ধুয়ে বেরিয়ে যাওয়া ঠেকানো।
১২ অক্টোবরের এক হালনাগাদ তথ্যে বলা হয়, কারখানার বাইরে ভাসমান তেল সরাতে ভ্যাকুয়াম পাম্প বসানো হয়েছে। কতটা তেল উদ্ধার হয়েছে, বা আশপাশের পানি নিরাপদ অবস্থায় ফিরেছে কি না তা নিশ্চিত করে এমন কোনো ফল ওই তথ্যে উল্লেখ করা হয়নি।
ওয়ারাওয়ুত স্বীকার করেন, পানির উচ্চতার কারণে কিছু স্থানে যাওয়া সম্ভব হয়নি। বর্জ্যপানি শোধন এবং কাঁচামাল ও বর্জ্য সংরক্ষণের ব্যবস্থাও উন্নত করার নির্দেশ দেওয়া হয়। শিল্পকারখানা বিভাগের মহাপরিচালক পোরন্যোত ক্লানখরং বলেন, সব প্রয়োজনীয় সংশোধনের কাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত নতুন শিল্পবর্জ্য গ্রহণ স্থগিত থাকবে।
তেল নিয়ে আশ্বাসের সীমা কেন জরুরি
ওয়ারাওয়ুত বলেন, প্রাথমিক বিশ্লেষণে তেল শনাক্ত হয়েছে এবং এর সঙ্গে মিশে থাকা অন্য কোনো বিষাক্ত পদার্থ পাওয়া যায়নি। তবে স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা বর্জ্য ব্যবস্থাপনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট হতে পারে এমন দ্রাবক, ধাতু ও অন্যান্য রাসায়নিক পর্যবেক্ষণের আহ্বান জানিয়েছেন।
এই বক্তব্যগুলোর পার্থক্য সতর্কতার সঙ্গে বুঝতে হবে। পরীক্ষিত তেলের নমুনা সম্পর্কে প্রাথমিক ফলের পরিধি, ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিটি জলপথে ক্ষতিকর পদার্থ নেই—এমন সিদ্ধান্তের চেয়ে সীমিত। বিস্তারিত পানির পরীক্ষায় পেট্রোলিয়াম হাইড্রোকার্বন ও কয়েকটি ধাতু শনাক্ত হয়েছে, তবে প্রতিটি ঘনত্ব বা পানির প্রত্যাশিত ব্যবহারের নিরাপত্তা যাচাই করার মতো তুলনামূলক মানদণ্ড দেওয়া হয়নি।
স্বাস্থ্য বিভাগের মহাপরিচালক ডা. থিতি সাওয়েংথাম ব্যবহৃত তেল ও দ্রাবকের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সম্ভাব্য রাসায়নিক হিসেবে বেনজিন ও টলুইনের কথা বলেছেন। তিনি ক্যাডমিয়াম, সিসা, পারদ ও ক্রোমিয়ামের কথাও উল্লেখ করেছেন, বিশেষত যেখানে ইলেকট্রনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা করা হয়। অ্যাসিড, ক্ষার ও অন্যান্য ক্ষয়কারী রাসায়নিকও উদ্বেগের বিষয়।
এসব সতর্কতায় তদন্ত করার মতো পদার্থগুলোর নাম উল্লেখ করা হয়েছে; এই ঘটনায় প্রত্যেকটি পদার্থ শনাক্ত হয়েছে, এমন প্রমাণ নয়। বেনজিন ক্যানসারের ঝুঁকি তৈরি করে, আর নির্দিষ্ট কিছু দ্রাবকের সংস্পর্শে স্নায়ুতন্ত্র ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। প্রকৃত ঝুঁকি নির্ভর করে কোন রাসায়নিক, তার ঘনত্ব, কীভাবে কেউ তার সংস্পর্শে আসছেন এবং কতক্ষণ আসছেন তার ওপর।
এনআইডিএর দুর্যোগ প্রতিরোধ ও ব্যবস্থাপনা গবেষণা কেন্দ্রের পরিচালক অধ্যাপক সিওয়াত পংপিয়াচান বলেন, অস্বাভাবিক রং ও গন্ধ সতর্কসংকেত হতে পারে, তবে রাসায়নিকের পরিচয়, ঘনত্ব বা উৎস নির্ভরযোগ্যভাবে নির্ধারণের উপায় নয়। তিনি বারবার পরীক্ষা এবং নমুনা সংগ্রহের স্থান, ফল ও তুলনায় ব্যবহৃত মানদণ্ড প্রকাশের আহ্বান জানান।
ভূগর্ভস্থ পানি ও ধানখেত নিয়ে বাসিন্দাদের উদ্বেগ
কমিউনিটির উদ্বেগ দৃশ্যমান তেলের আস্তরণের বাইরেও বিস্তৃত। বর্জ্যস্থল থেকে প্রায় ১.৯ কিলোমিটার দূরে বলে জানানো বান হুয়া সা এলাকার বাসিন্দা সুনথন কুনওয়াত বলেন, কমিউনিটির মানুষ প্রাদেশিক পানি সরবরাহ কর্তৃপক্ষের নেটওয়ার্কের বদলে স্থানীয় পানি সরবরাহ ব্যবস্থার মাধ্যমে ভূগর্ভস্থ পানি ব্যবহার করেন। পানির সরবরাহের কয়েকটি কূপ প্লাবিত হওয়ায় ঘরের কাজে ব্যবহৃত পানি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
তিনি জানান, তাঁর ছোট ছেলে বারবার অসুস্থ হচ্ছে এবং কিছু শিশুর শ্বাসকষ্টের সমস্যা রয়েছে। তবে কারখানার দূষণের সঙ্গে এসব সমস্যার সরাসরি যোগসূত্র বাসিন্দারা নিশ্চিত করতে পারেননি। অন্য বাসিন্দারা প্লাবিত কৃষিজমিতে যাওয়ার পর চুলকানি, ফুসকুড়ি ও লালচে দানা হওয়ার কথা বলেছেন। এসব বক্তব্যের জন্য চিকিৎসকের মূল্যায়ন দরকার, তবে এগুলো থেকে রাসায়নিকই উপসর্গের কারণ—এমনটা প্রমাণ হয় না।
পাশের সি মাহোসত জেলার সা মাখুয়া গ্রামের বাসিন্দা সুমালি অন্তাপিত ধানখেতে কাজ করার পর ত্বকের সমস্যার কথা এবং স্থানীয় জীবিকা নিয়ে ভয়ের কথা জানান। থাই ভাষা থেকে অনূদিত তাঁর বক্তব্য:
প্রাচিন বুরি বিশ্বের বর্জ্য ফেলার স্থান নয়। প্রাচিন বুরিতেই আমরা জীবিকা নির্বাহ করি। এখানে ফল, ধান, খেত, মাছ—প্রাচিন বুরির মানুষের বেঁচে থাকার সবকিছুই আছে।
প্রাচিন স্ট্রং নেটওয়ার্কের সুনথন খোমখাইও বলেন, বাসিন্দারা প্রস্তাবিত ৫ লাখ টন সক্ষমতা বৃদ্ধির বিরোধিতা করেছেন। প্রতিবেদনে উল্লেখিত সংখ্যাটির সময়কাল বলা হয়নি, তাই একে বার্ষিক সক্ষমতা হিসেবে পড়া উচিত নয়। প্রায় তিন বছর ধরে দুর্গন্ধ নিয়ে অভিযোগের কথাও তিনি জানান।
বিরোধের মধ্যে সংঘর্ষের অভিযোগও রয়েছে। নেটওয়ার্কের সদস্য সুমেত রিয়ানফংনাম বলেন, ৫ অক্টোবর বিকেল প্রায় ৪টার দিকে কারখানার বাইরে মুখোশ পরা এক ব্যক্তি তাঁকে ধাক্কা দেন এবং ঘুষি মারার ভঙ্গি করেন। তিনি কোনো আঘাত পাননি বলে জানান। এ বিবরণে ওই ব্যক্তির পরিচয় বা কোম্পানির দায় প্রমাণিত হয় না।
কোন বিষয়গুলো এড়াতে বাসিন্দাদের পরামর্শ
ডা. মনথিয়েন বাসিন্দাদের সন্দেহভাজন দূষিত পানিতে সাঁতার না কাটা এবং উপযুক্ত শোধন ছাড়া গোসল বা রান্নায় সেই পানি ব্যবহার না করার পরামর্শ দেন। সম্ভাব্য দূষিত স্থির বন্যার পানি থেকে জলজ প্রাণী ধরা, রান্না করা বা খাওয়া থেকেও বিরত থাকতে বলেছে রোগ নিয়ন্ত্রণ বিভাগ।
সন্দেহজনক পানি ও পলির সংস্পর্শে দীর্ঘ সময় থাকা এড়িয়ে চলা উচিত। প্লাবিত এলাকায় প্রবেশ করা অনিবার্য হলে স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা রাবারের বুটের মতো সুরক্ষাসামগ্রী ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছেন; পরে সাবান দিয়ে ধুয়ে নিতে হবে। ত্বকে জ্বালা, চোখে জ্বালাপোড়া, বমিভাব, বমি, মাথা ঘোরা বা শ্বাসকষ্ট হলে চিকিৎসা নিতে হবে এবং কীভাবে সংস্পর্শে এসেছেন, তা জানাতে হবে।
শিশু, বয়স্ক ব্যক্তি, গর্ভবতী নারী ও দীর্ঘমেয়াদি রোগে আক্রান্তদের প্রতি বিশেষ নজর দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ। রাসায়নিকের তীব্র গন্ধ আছে এমন স্থান থেকে ভালো বায়ু চলাচল করে এমন জায়গায় সরে যেতে এবং পরীক্ষাগারে নিরাপত্তা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত সম্ভাব্য ক্ষতিগ্রস্ত প্রাকৃতিক পানির উৎস, ভূগর্ভস্থ পানি ও বন্যার পানি ঘরের কাজ বা কৃষিকাজে ব্যবহার না করতে পরামর্শ দিয়েছে বিভাগটি।
ফুটিয়ে নেওয়া বা জীবাণুনাশক মেশানো কিছু জীবাণুজনিত ঝুঁকি দূর করতে পারে, কিন্তু ভারী ধাতু ও অধিকাংশ রাসায়নিক দূষক সরায় না। সাধারণ ফিল্টার ব্যবহার করলে রাসায়নিক দূষিত পানি নিরাপদ হয়ে যাবে, এমনটা ধরে নেওয়া উচিত নয়। পরীক্ষার কাজ চলাকালে স্থানীয় কর্তৃপক্ষকে নিরাপদ পানীয় জল ও ঘরের ব্যবহারের পানি সরবরাহের আহ্বান জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভ্রাম্যমাণ চিকিৎসা দল গঠনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল এবং পরে প্রাদেশিক স্বাস্থ্য পরিষেবার অধীনে দল গঠন করা হয়। স্বাস্থ্যবিষয়ক তথ্যের জন্য বাসিন্দারা রোগ নিয়ন্ত্রণ বিভাগের হটলাইন ১৪২২-এ যোগাযোগ করতে পারেন। অবৈধভাবে বর্জ্যপানি ছাড়া, বর্জ্য ফেলা বা কারখানার দুর্গন্ধের অভিযোগ ২৪ ঘণ্টা চালু শিল্প মন্ত্রণালয়ের ১৫৬৪ নম্বরে জানানো যায়।
পলির পরীক্ষা ও আইনি সিদ্ধান্ত এখনো বাকি
দূষণ নিয়ন্ত্রণ বিভাগ শিল্পকারখানা বিভাগের সঙ্গে মিলে কারখানার ভেতরে ও আশপাশের এলাকায় প্রভাব মূল্যায়নের পরিকল্পনা করেছে। এরপর পানি শুকিয়ে গেলে মাটির পলির নমুনা সংগ্রহ করা হবে। এটি গুরুত্বপূর্ণ, কারণ চোখে দেখা তেল বা পানির দূষণ কমে গেলেই খেত, নালা বা বাড়ির কাদায় কী জমা হয়েছে, তা জানা যায় না।
পানি কোন পথে গেছে তা অনুসরণ করে পরীক্ষা করার গুরুত্ব বোঝাতে সিওয়াত অন্য বন্যার গবেষণার উল্লেখ করেন। হারিকেন ক্যাটরিনার একটি মডেলে লেক পন্টচারট্রেইনের পলিতে যোগ হওয়া দূষণের পরিমাণ সাধারণ বৃষ্টির পানি নিষ্কাশনের পরিস্থিতির তুলনায় প্রায় ১০ গুণ বলে অনুমান করা হয়েছিল; তবে যোগ হওয়া ধাতুর পরিমাণ আগে থেকে থাকা মাত্রার তুলনায় কম ছিল। এর অর্থ এই নয় যে সব ধরনের দূষণ ১০ গুণ বেড়েছিল।
হারিকেন ফ্লোরেন্সের পরের গবেষণায় নর্থ ক্যারোলাইনার ১২টি স্থানের মাটি পরীক্ষা করে দেখা যায়, কিছু এলাকায় পেট্রোলিয়ামজাত নির্দিষ্ট যৌগ থেকে ক্যানসারের আনুমানিক ঝুঁকি যাচাইয়ের সীমার ওপরে ছিল। ঝানজিয়াং উপসাগরের এক গবেষণায় দেখা যায়, টাইফুনের পর কপার ও সিসার প্রবেশ যথাক্রমে ১২৭% ও ১৩৬% বেড়েছিল। এসব উদাহরণ দূষকের সম্ভাব্য চলাচল ও স্থায়িত্ব বোঝায়; প্রাচিন বুরিতে একই পরিস্থিতি প্রমাণ করে না।
প্রমাণ সংগ্রহের জন্য নমুনা নেওয়ার স্পষ্ট নথিও দরকার। কয়েকটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কারখানার তদন্তে নেওয়া ছয়টি নমুনা—চারটি ভেতর থেকে এবং দুটি বাইরে থেকে—পূর্বাঞ্চলীয় শিল্পদূষণ গবেষণা ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে। অন্য একটি বিবরণে ছয়টিই ভেতর থেকে নেওয়া হয়েছে বলা হলেও তার বিস্তারিত বর্ণনায় চারটি ও দুটি নমুনার বিভাজন উল্লেখ আছে। এই নমুনাগুলোকে বিস্তারিত পেট্রোলিয়াম ফলসহ তিনটি নমুনার সঙ্গে গুলিয়ে ফেলা উচিত নয়।
কর্মকর্তাদের প্রমাণ সংগ্রহ করে সি মহা ফট থানায় অভিযোগ দায়েরের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। এর বাইরে, ১০ অক্টোবরের পরিদর্শনে কয়েকটি আইন লঙ্ঘনের অভিযোগ পাওয়ার পর কাবিন বুরির বো থং এলাকার জি.কে.সি. রিসাইকেল কোম্পানি লিমিটেডে মালামাল ও যন্ত্রপাতি জব্দ করা হয়। এটি একটি পৃথক প্রতিষ্ঠান; হুয়া ওয়ার তেল নিঃসরণের সঙ্গে এর কোনো যোগসূত্র প্রতিষ্ঠিত হয়নি।
ওয়ারাওয়ুত আরও বলেন, বিষাক্ত পদার্থ নিঃসরণকে আর্থিক অপরাধ হিসেবে গণ্য করা এবং সম্পদ জব্দে অর্থপাচার প্রতিরোধ কার্যালয়ের সহযোগিতা চাওয়ার জন্য ফ্যাক্টরি অ্যাক্টে সংশোধনের প্রস্তাব বিবেচনাধীন রয়েছে। এটি বিবেচনাধীন একটি প্রস্তাব; গ্রিন এনভায়রনমেন্ট টেকনোলজির বিরুদ্ধে সংশোধনী পাস বা সম্পদ জব্দের ঘোষণা নয়।
দূষণ মোকাবিলার কাজ চলছে এমন এক বৃহত্তর বন্যা জরুরি পরিস্থিতির মধ্যে, যা ঘোষিত সাতটি দুর্যোগপ্রবণ জেলার ৫৫,২৮৬টি পরিবারকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। ডুবে যাওয়া বা বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে নয়জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানানো হয়েছে; রাসায়নিকের সংস্পর্শে নয়। প্রস্রাব পরীক্ষার ফল প্রকাশ, পলির পরীক্ষা শেষ, কারখানা পুনরায় চালু বা আদালতে শুনানির কোনো নির্দিষ্ট তারিখ ঘোষণা করা হয়নি।
মূল বিষয়গুলো
- চুইয়ে পড়া ল্যান্ডফিলের বাঁধ থেকে প্রায় ৬৫ মিটার দূরের একটি নমুনায় প্রতি লিটারে ১১৪,৮৬০ মিলিগ্রাম পেট্রোলিয়াম হাইড্রোকার্বন পাওয়া গেছে।
- প্রায় ৪৩৫ ও ৮৫০ মিটার দূরের দুটি নমুনায় প্রতি লিটারে ৩ মিলিগ্রামের কম পেট্রোলিয়াম হাইড্রোকার্বন পাওয়া গেছে।
- সংশোধনের কাজ চলাকালে গ্রিন এনভায়রনমেন্ট টেকনোলজিকে কার্যক্রম স্থগিত ও শিল্পবর্জ্য গ্রহণ বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
- স্বাস্থ্য দল ৭৩ জন বাসিন্দার পরীক্ষা করেছে, ৩৪ জনকে উচ্চ ঝুঁকিতে শ্রেণিবদ্ধ করেছে এবং আর্সেনিক ও ক্যাডমিয়াম পরীক্ষার জন্য ১১ জনের প্রস্রাব সংগ্রহ করেছে।
- বাতাসের প্রাথমিক পাঠ যন্ত্রের শনাক্তকরণ সীমার নিচে ছিল, তবে পানি ও পলির নিরাপত্তার জন্য পৃথক মূল্যায়ন দরকার।
- তেল অপসারণ, প্রমাণ সংগ্রহ ও পলি পরীক্ষার পরিকল্পনা চলছে। কয়েকটি পরীক্ষাগারের ফল ও আইনি সিদ্ধান্ত এখনো ঘোষণা করা হয়নি।






