দেরিতে সংকট বুঝতে পারা এক বাবার বয়ান
জেট লি জানিয়েছেন, তাঁর ছোট মেয়ে সাত বছর বয়সে মানসিক বিপর্যয়ের লক্ষণ দেখিয়েছিল, ১২ বা ১৩ বছর বয়সে তার বিষণ্নতা গুরুতরভাবে বেড়ে যায় এবং পরে ফ্রান্সের একটি বিমানবন্দর থেকে বাবাকে বার্তা পাঠিয়ে জানায়, সে জীবনের কাছে হার মানবে না। তাঁর বয়ানে মেয়ের শৈশবের এক ভীতিকর সময়ের সঙ্গে তাদের সম্পর্কের স্থায়ী পরিবর্তনের যোগসূত্র উঠে এসেছে।
সূচিপত্র
অভিনেতা স্মৃতিচারণ করে বলেন, মেয়েটি চেয়ারের নিচে লুকিয়ে থাকত এবং খুব কম কথা বলত। তখন তিনি নিজের পেশাগত জীবন নিয়ে ব্যস্ত ছিলেন এবং এখন তাঁর মনে হয়, ওই লক্ষণগুলোকে যতটা গুরুত্ব দেওয়া দরকার ছিল, ততটা দেননি। তিনি বলেন, মেয়ের আত্মহত্যার চিন্তা শুরু হওয়ার কয়েক বছর পরই তিনি তার অবস্থার গুরুতরতা বুঝতে পারেন।
একটি ঘটনা বিশেষভাবে উদ্বেগজনক ছিল: মানসিক অসুস্থতা ও আত্মহত্যার চিন্তায় ভুগছিল এমন আরেক শিশুকে সাহায্য করার চেষ্টা করেছিল তাঁর মেয়ে। লি বলেন, প্রায় এক মাস পর দুই শিশুই নিজেদের জীবন শেষ করার কথা ভাবছিল। তাঁর বয়ানে আত্মহত্যার কোনো চেষ্টার কথা উল্লেখ করা হয়নি।
সেই মুহূর্তের কথা বাবা হিসেবে স্মরণ করে লি, চীনা ভাষা থেকে অনূদিত কথায়, নিজের প্রতিক্রিয়া জানান:
হঠাৎ আমার পুরো পৃথিবী ভেঙে পড়ল।
এরপর, তিনি বলেন, কী কী তাঁর চোখ এড়িয়ে গিয়েছিল তা খতিয়ে দেখার এবং মেয়ের অভিজ্ঞতা নিয়ে তার সঙ্গে কথা বলা শুরু করার সিদ্ধান্ত নেন। তাঁর স্মৃতিচারণে চিকিৎসাসেবার বিস্তারিত বিবরণের চেয়ে মন দিয়ে শোনা এবং পরবর্তী সময়ে গড়ে ওঠা ঘনিষ্ঠতার কথাই বেশি গুরুত্ব পেয়েছে।
শৈশবের সময়রেখা থেকে যা জানা যায়
লি যে বয়সগুলোর কথা বলেছেন, সেগুলো তাঁর মনে থাকা প্রাথমিক লক্ষণ এবং পরবর্তী সংকটের মধ্যে পার্থক্য স্পষ্ট করে। তিনি সাত বছর বয়সে চোখে পড়ার মতো মানসিক বিপর্যয় এবং ১২ বা ১৩ বছর বয়সে অবস্থার তীব্র অবনতির কথা বলেছেন; এই দুই পর্যায়ের মধ্যে ব্যবধান ছিল আনুমানিক পাঁচ বা ছয় বছর।
এই ব্যবধান থেকে রোগনির্ণয় কখন হয়েছিল বা পুরো সময়জুড়ে একই মাত্রায় উপসর্গ ছিল কি না, তা জানা যায় না। তবে তিনি এখন যে আচরণগুলোকে উদ্বেগজনক বলে মনে করেন, সেগুলো দেখা দেওয়া থেকে পরিস্থিতির গুরুতরতা উপলব্ধি করা পর্যন্ত কতটা সময় পেরিয়েছিল, তা বোঝা যায়।
বিভিন্ন বয়ানে বর্ণিত ঘটনাক্রমটি হলো:
- সাত বছর বয়সে, তাঁর মেয়ে প্রায়ই চেয়ারের নিচে লুকিয়ে থাকত এবং চুপচাপ থাকত।
- ১২ বা ১৩ বছর বয়সে তার অবস্থার গুরুতর অবনতি হয় এবং সে আত্মহত্যার চিন্তায় ভোগে।
- অন্য এক শিশুর সংকটের সময় তাকে সাহায্য করার চেষ্টা করার প্রায় এক মাস পর, দুই শিশুরই আত্মহত্যার চিন্তা হয়।
- একটি বয়ানে বলা হয়েছে, ২০১৯ সালে সে অনলাইনে ধ্যান ও মননশীলতা নিয়ে পড়াশোনা করেছিল।
- পরে সে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপে তিন মাস বিভিন্ন ক্লাস ও কোর্সে অংশ নেয়, এরপর ফ্রান্স থেকে বাবাকে আশ্বস্ত করে বার্তা পাঠায়।
শৈশবের ঘটনাগুলো এবং বিদেশে কাটানো ওই তিন মাসের সুনির্দিষ্ট সাল জানা যায়নি। একটি বয়ানে ইয়াং লানের সঙ্গে সাক্ষাৎকারের তারিখ ১১ অক্টোবর ২০২৬ বলা হয়েছে, তবে এখানে তারিখটি স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করা হয়নি। তাই বয়স ও ঘটনাক্রমকে পুরোপুরি যাচাইকৃত পঞ্জিকাভিত্তিক সময়রেখা হিসেবে বিবেচনা করা উচিত নয়।
অন্য শিশুকে সাহায্য করতে গিয়ে সংকটের অংশ হওয়া
অন্য এক শিশুকে সহায়তা করার চেষ্টা নিয়ে লির বর্ণনা গল্পটিতে একটি কঠিন মাত্রা যোগ করেছে। নিজের মানসিক বিপর্যয়ের মধ্যেই সে এমন একজনকে সাহায্য করার চেষ্টা করছিল, যে নিজেও কঠিন সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছিল।
বয়ানে বলা হয়েছে, প্রায় এক মাস পর দুই শিশুই আত্মহত্যার কথা ভাবছিল। তাদের কথোপকথন কীভাবে এগিয়েছিল, সে সময় বড়রা বিষয়টি জানতেন কি না, কিংবা কোনো শিশুই পেশাদার সহায়তা পেয়েছিল কি না, তা ব্যাখ্যা করা হয়নি। এসব তথ্য না থাকায় পরিস্থিতি কেন আরও খারাপ হয়েছিল, সে বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছানো কঠিন।
শুধু ঘটনাক্রম থেকে প্রমাণ হয় না যে অন্য শিশুটিকে সাহায্য করার কারণেই তাঁর মেয়ের অবস্থার অবনতি হয়েছিল। অন্য কিশোর-কিশোরীদের মধ্যে এ ধরনের কোনো বৃহত্তর প্রবণতারও প্রমাণ মেলে না। এটি একজন অভিভাবকের স্মৃতিচারণ করা একটি ঘটনা; দুই শিশুর কারও কাছ থেকে আলাদা কোনো বয়ান নেই।
লির কাছে ঘটনাটি নিজের ভূমিকা বোঝার ক্ষেত্রে এক মোড়বদল হয়ে ওঠে। তিনি বলেন, কোনো কিছু তাঁর চোখ এড়িয়ে গিয়েছিল কি না, তা নিজেকে জিজ্ঞাসা করতে শুরু করেন এবং সক্রিয়ভাবে মেয়ের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করেন। সাক্ষাৎকারের আরেকটি বয়ান অনুযায়ী, সেই কথোপকথনগুলো তাঁকে মানসিক অসুস্থতা সম্পর্কে নিজের অল্প জ্ঞানও বুঝতে সাহায্য করে।
তাঁর ব্যাখ্যা ব্যক্তিগত, চিকিৎসাবিষয়ক নয়। এতে মেয়ের মানসিক বিপর্যয় পুরোপুরি বুঝতে না পারা থেকে তা বোঝার চেষ্টা করার পরিবর্তনের কথা বলা হয়েছে। সংকটের মুহূর্তে নির্দিষ্ট কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল কি না বা তাৎক্ষণিক বিপদ কীভাবে সামাল দেওয়া হয়েছিল, সে সম্পর্কে এতে কিছু বলা হয়নি।
বিদেশে তিন মাস এবং ফ্রান্স থেকে একটি বার্তা
লি বলেন, পরে তাঁর মেয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপে তিন মাস কাটিয়ে বিভিন্ন ক্লাস ও কোর্সে অংশ নেয়। আরও বিস্তারিত একটি বয়ানে বলা হয়েছে, বিদেশে পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার আগে ২০১৯ সালে সে অনলাইনে ধ্যান ও মননশীলতা নিয়ে জানাশোনা করেছিল।
মননশীলতা বলতে সাধারণত চিন্তা ও অনুভূতিসহ বর্তমান অভিজ্ঞতার দিকে তাৎক্ষণিক বিচার না করে মনোযোগ দেওয়াকে বোঝায়। এতে শব্দটির অর্থ ব্যাখ্যা হয়, তবে সে কোন অনুশীলনগুলো করেছিল, কোর্সগুলো কীভাবে সাজানো হয়েছিল কিংবা সেগুলো কোনো চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে হওয়া চিকিৎসার অংশ ছিল কি না, তা জানা যায় না।
ভ্রমণের শেষে ফ্রান্সের একটি বিমানবন্দর থেকে সে বাবাকে বার্তা পাঠায়। একটি বয়ানে স্থানটি প্যারিসের শার্ল দ্য গল বিমানবন্দর বলে উল্লেখ করা হয়েছে, যেখানে সে যাত্রাবিরতি করছিল। বার্তার মূল কথা হলো, সে বাবাকে আশ্বস্ত করে জানিয়েছিল যে বেঁচে থাকার ইচ্ছা তার আছে এবং অন্য শিশুদের সাহায্য করার আশা রাখে।
লি তাঁর মেয়ের বার্তাটি চীনা ভাষা থেকে অনূদিত এই কথায় স্মরণ করেন:
বাবা, চিন্তা কোরো না। আমি জীবনের কাছে হার মানব না। আমি আমার ঠিকানা খুঁজে পেয়েছি, আর এই পদ্ধতি ব্যবহার করে অনেক শিশুকে সাহায্য করতে চাই।
বার্তার ভাষা নিয়ে বিভিন্ন বয়ানে অমিল রয়েছে। আরেকটি সংস্করণে বলা হয়েছে, সে ‘ঠিকানা’ নয়, ‘পথ’ খুঁজে পাওয়ার কথা বলেছিল; তবে জীবনের কাছে হার না মানার অঙ্গীকার এবং অন্যদের সাহায্য করার ইচ্ছার কথা দুটিতেই রয়েছে। মূল বার্তাটি না থাকায় শব্দে শব্দে এই সংস্করণগুলোর অমিল মেটানো সম্ভব নয়।
সে যে পদ্ধতি অন্যদের সঙ্গে ভাগ করে নিতে চেয়েছিল, তা ঠিক কী, কোনো সংস্করণেই বলা হয়নি। তার বার্তায় আশা ও জীবনের উদ্দেশ্যের কথা আছে; তবে এটিকে আরোগ্য লাভের প্রমাণ বা অন্য কারও ক্ষেত্রেও কোনো নির্দিষ্ট কোর্স একই ফল দেবে—এমন প্রমাণ হিসেবে দেখা উচিত নয়।
আরও কথোপকথন ঘিরে গড়ে ওঠা সম্পর্ক
লি বলেন, এই সময়ের পর তাঁর ও মেয়ের সম্পর্ক খুব ঘনিষ্ঠ হয়ে ওঠে; তাঁদের সম্পর্ককে তিনি ঘনিষ্ঠ বন্ধুর মতো বলে তুলনা করেন। তাঁর বর্ণনা থেকে মনে হয়, তাঁদের কথোপকথন আরও খোলামেলা হয়েছিল এবং পরস্পরকে সহায়তা করার বিষয়টি ক্রমেই দুই দিক থেকে আসতে থাকে।
আগের স্মৃতিচারণের সঙ্গে এই পরিবর্তনের পার্থক্য স্পষ্ট। সাত বছর বয়সে মেয়েটি চুপচাপ ও গুটিয়ে থাকত, আর তিনি কাজ নিয়ে ব্যস্ত ছিলেন। পরে সে সরাসরি বাবাকে জানায়, সে বেঁচে থাকার সংকল্প করেছে এবং যে উদ্দেশ্য নিয়ে এগোতে চায় সে কথা বলে।
লির বয়ানে আর্থিক সচ্ছলতা ও আবেগগত বোঝাপড়ার মধ্যে পার্থক্যও স্পষ্ট। তাঁর পেশাগত সাফল্য ও পরিবারের সম্পদ থাকা সত্ত্বেও মেয়ে কী অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছিল, তা তিনি সঙ্গে সঙ্গে বুঝতে পারেননি। তাঁর বর্ণনা অনুযায়ী, পরিবর্তন শুরু হয়েছিল আরও মনোযোগ দেওয়া এবং মেয়েকে তার অভিজ্ঞতা ব্যাখ্যা করতে বলার মধ্য দিয়ে।
তাতে অবশ্য তাঁদের পারিবারিক জীবনের পুরো চিত্র পাওয়া যায় না। সাক্ষাৎকারের বর্ণনায় তাঁর মেয়ের বিস্তৃত কোনো বক্তব্য নেই, আর বিমানবন্দর থেকে পাঠানো বার্তাটি তার দৃষ্টিভঙ্গির কেবল ক্ষণিকের আভাস দেয়। সম্পর্কের ঘনিষ্ঠতা মূলত তার বাবার মূল্যায়ন।
পারিবারিক দাবি এবং যা জানা যায় তার সীমা
সাক্ষাৎকারের বিস্তৃত বয়ানে লিকে হুয়াং চিউইয়ানের সঙ্গে তাঁর বিবাহবিচ্ছেদ এবং তাঁদের দুই মেয়ের প্রতি দায়িত্ব নিয়েও কথা বলতে দেখা যায়। তিনি বলেন, সমঝোতার ভিত্তিতে তাঁদের বিচ্ছেদ হয়েছিল, সাবেক স্ত্রীকে তিনি সম্পত্তি দিয়েছিলেন এবং সন্তানদের ভরণপোষণের দায়িত্ব নিয়েছিলেন। এগুলো ওই ব্যবস্থার বিষয়ে তাঁর বর্ণনা; আইনি নথিপত্রের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত তথ্য নয়।
ওই বয়ানে বিনোদনজগতের ব্যক্তিত্ব টিফানি চেন, যিনি শিয়াং তাই নামে পরিচিত, তাঁর ৫ মে ২০২৬ তারিখের একটি প্রকাশ্য বক্তব্যের কথাও বলা হয়েছে। তিনি বলেন, লি হুয়াংকে থাকার জায়গা দিয়েছিলেন এবং তাঁর জন্য একটি গাড়ি কিনেছিলেন। আর্থিক ব্যবস্থার বিষয়ে এটি দ্বিতীয় একটি বয়ান, যদিও এর সঙ্গে কোনো নথিপত্র দেওয়া হয়নি।
আরও বলা হয়েছে, লি জানিয়েছিলেন তাঁর বর্তমান স্ত্রী নিনা লি চি মেয়েদের জীবন ও বেড়ে ওঠার পরিকল্পনার দায়িত্ব নিয়েছিলেন। বয়ানে তাঁর এই আশ্বাসের কথা উল্লেখ রয়েছে যে ১০০ বছর বয়স পর্যন্ত মৌলিক আর্থিক চাহিদা মেটানো নিয়ে তাঁদের দুশ্চিন্তা করতে হবে না। এটি পরিবারের পক্ষ থেকে দেওয়া আশ্বাসের কথা, পরিমাপযোগ্য কোনো নিশ্চয়তা নয়।
লি পারিবারিক দায়িত্বের বিষয়টির পাশাপাশি মেয়ের বিষণ্নতার কথা কেন আলোচনায় এসেছে, তা এসব তথ্য ব্যাখ্যা করে। তবে এতে সে কী চিকিৎসাসেবা পেয়েছিল, তা প্রতিষ্ঠিত হয় না; পরিবারের অতীত নিয়ে সব দাবিরও মীমাংসা হয় না।
চিকিৎসাসংক্রান্ত কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের উত্তর নেই: কখন তার রোগনির্ণয় হয়েছিল, সে ওষুধ বা মনোচিকিৎসা নিয়েছিল কি না, কোর্সগুলোর আয়োজন কে করেছিল এবং সে কী ধরনের চলমান সহায়তা পেয়েছে। তার বর্তমান স্বাস্থ্য সম্পর্কে মূল্যায়নের মতো পর্যাপ্ত বিস্তারিত তথ্য নেই। ভবিষ্যৎ চিকিৎসার কোনো মাইলফলক বা জনসমক্ষে কোনো হালনাগাদ তথ্যও ঘোষণা করা হয়নি।
সবচেয়ে স্পষ্টভাবে বর্ণিত পরিবর্তনটি বাবা-মেয়ের সম্পর্কে। লির স্মৃতিচারণ অনুযায়ী, তিনি সংকটটি দেরিতে বুঝেছিলেন, এরপর আরও সরাসরি কথোপকথন শুরু করেন, আশার বার্তা পান এবং এমন এক ঘনিষ্ঠতা গড়ে ওঠে, যা তাঁর ভাষায় এখনো বজায় আছে।
মূল বিষয়গুলো
- জেট লি বলেন, তাঁর ছোট মেয়ে সাত বছর বয়সে মানসিক বিপর্যয়ের লক্ষণ দেখিয়েছিল এবং ১২ বা ১৩ বছর বয়সে গুরুতর বিষণ্নতা ও আত্মহত্যার চিন্তায় ভুগেছিল।
- তিনি এমন আরেকটি সংকটের কথা স্মরণ করেন, যেখানে তাঁর মেয়ে এক শিশুকে সাহায্য করার চেষ্টা করেছিল; এরপর তিনি কী কী তাঁর চোখ এড়িয়ে গিয়েছিল তা খতিয়ে দেখতে শুরু করেন এবং মেয়ের সঙ্গে কথা বলেন।
- তাঁর মেয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপে তিন মাস বিভিন্ন কোর্সে অংশ নেয় এবং ফ্রান্স থেকে বাবাকে আশ্বস্ত করে বার্তা পাঠায়।
- সেই বার্তার সুনির্দিষ্ট ভাষা নিয়ে বিভিন্ন বয়ানে অমিল রয়েছে, তবে দুটিতেই বেঁচে থাকার সংকল্প এবং অন্য শিশুদের সাহায্য করার ইচ্ছার কথা বলা হয়েছে।
- লি বলেন, তাঁদের সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ হয়ে ওঠে। মেয়ের রোগনির্ণয়, চিকিৎসা ও বর্তমান স্বাস্থ্য সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য প্রতিষ্ঠিত হয়নি।






